শিরোনামঃ-

» সিলেটে অনৈসলামিক কার্যক্রম ও মঙ্গল শোভাযাত্রা বন্ধে প্রশাসনকে যুব জমিয়তের আহ্বান

Published: ১২. এপ্রি. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ
হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরান (রহ.)-সহ ৩৬০ আউলিয়ার পুণ্যভূমি, শায়খুল ইসলাম আল্লামা হোসাইন আহমদ মাদানী রহঃ এর স্মৃতিধন্য সিলেটে পহেলা বৈশাখের নামে কথিত মঙ্গল শোভাযাত্রা সহ সকল প্রকার অনৈসলামিক ও বিজাতীয় অপসংস্কৃতি বন্ধে প্রশাসনকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছে যুব জমিয়ত বাংলাদেশ সিলেট মহানগর শাখা।

রবিবার (১২ এপ্রিল) এক যৌথ বিবৃতিতে সিলেট মহানগর যুব জমিয়তের নেতৃবৃন্দ বলেন, সিলেট হচ্ছে ইসলামের প্রচার-প্রসারের কেন্দ্রবিন্দু ও আধ্যাত্মিক রাজধানী।

এই পবিত্র মাটিতে পহেলা বৈশাখ উদযাপনের নামে ইসলামের মৌলিক আকিদা ও বিশ্বাসবিরোধী শিরকপূর্ণ কোনো কর্মকাণ্ড তৌহিদী জনতা বরদাশত করবে না।

মঙ্গল শোভাযাত্রার মতো বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুকরণ মুসলিম উম্মাহর ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাত।

তাই এই পবিত্র ভূমির শান্তিময় পরিবেশ ও ধর্মীয় মর্যাদা বজায় রাখতে প্রশাসনকে কঠোর ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের জোর দাবি জানাচ্ছি।

বিবৃতি প্রদান করেন, সিলেট মহানগর যুব জমিয়তের সভাপতি মাওলানা আসআদ উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম দিলদার।

বিবৃতিতে সংগঠনের নীতি ও আদর্শের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে আরও সহমত জানিয়েছেন: সিনিয়র সহ-সভাপতি এম বেলাল আহমদ চৌধুরী, সহ-সভাপতি মাওলানা আফজাল হোসাইন খান, মাওলানা আবু সুফিয়ান, মাওলানা আব্দুল আহাদ আল আতিক, মাওলানা ফয়জুল হাসান খান, মাওলানা মুজাহিদুল ইসলাম; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফরহাদ কোরাইশী; সহ-সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আফতাব উদ্দীন খান, মাওলানা হায়দার আলী, মুফতী আশরাফ হোসাইন ফুআদী, মাওলানা আমিনুল ইসলাম, মাওলানা সায়েম আহমদ; সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতী সিরাজুল ইসলাম; সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এম বশির আলী, খলিলুল্লাহ মাহবুব; অর্থ সম্পাদক এম ফয়সাল আহমদ এবং প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা তোফায়েল আহমদ কামরান।

বিবৃতিতে সংহতি প্রকাশ করেছেন, মহানগরীর বিভিন্ন থানার নেতৃবৃন্দ কোতোয়ালি থানা সভাপতি ও মহানগরীর সহ-সভাপতি হাফিজ মাওলানা শাহিদ হাতিমী, সাধারণ সম্পাদক মুফতী নোমান সালেহ, সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইমাম উদ্দীন ও মাওলানা জিয়া উদ্দিন, শাহপরান থানা সভাপতি মাওলানা এনামুল হক, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফখরুল ইসলাম ইমরান, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ দিলদার হোসাইন ও প্রচার সম্পাদক মাওলানা আব্দুল কাদির, জালালাবাদ থানা সভাপতি মাওলানা আব্দুল হাসিব খান, সাধারণ সম্পাদক হাফিজ জুবায়ের আহমদ, এখলাসুর রহমান সফরাজ ও সৈয়দ ইয়াকুব আহমদ, বিমানবন্দর থানা সভাপতি মাওলানা রেজওয়ান আহমদ চৌধুরী, সহ-সভাপতি মুফতী মারুফ হাসান ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান মাসুম, দক্ষিণ সুরমা থানা সভাপতি মাওলানা রহুল আমীন মারজান, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা কামরুজ্জামান ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফজলুল করিম, মোগলাবাজার থানা আহবায়ক মাওলানা আব্দুল কাদির ও সদস্য সচিব হাফিজ সাইফুল্লাহ প্রমুখ।

» বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা জামাল পাশার মৃত্যুতে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

Published: ১২. এপ্রি. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সিলেট জেলা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার এবং যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা জামাল পাশার মৃত্যুতে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১২ এপ্রিল) বাদ যোহর নগরীর জিন্দাবাজারস্থ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের হলরুমে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সিলেট মহানগর ও জেলা ইউনিট কমান্ডের আয়োজনে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস শহীদ খাঁন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মছদ্বর, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী মখলিছুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা জমির আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মনাফ খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: ফজলু মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী খলিল উদ্দিন প্রমুখ।

মিলাদ মাহফিল পূর্ব সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বক্তারা বলেন, মির্জা জামাল পাশা ছিলেন দেশ ও জনগণের অতন্দ্র প্রহরী।

মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান এবং পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধা সংসদকে সুসংগঠিত করতে তাঁর ভূমিকা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

বক্তারা মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

উক্ত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের জেলা ও মহানগর ইউনিটের নেতৃবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ এবং সন্তান কমান্ডের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

মাহফিলে মির্জা জামাল পাশার আত্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন বায়তুল আমান জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব ক্বারী মাওলানা মুখতার আহমদ।

» স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে আবৃত্তি ও বক্তব্য প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

Published: ১২. এপ্রি. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ
শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, বক্তৃতা দক্ষতা ও সাহিত্যচর্চার বিকাশের লক্ষ্যে সিলেটের স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে কবিতা আবৃত্তি ও নির্ধারিত বিষয়ে বক্তব্য প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১২ এপ্রিল) উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে কলেজ প্রাঙ্গণ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মেধা, মনন ও সৃজনশীলতার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

কবিতা মানুষের অনুভূতি ও মূল্যবোধকে জাগ্রত করে, আর বক্তব্য প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের যুক্তিবোধ, আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বগুণ বিকাশে সহায়ক।

তিনি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে দেশ ও সমাজের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান।

প্রতিযোগিতাটি তিনটি গ্রুপে বিভক্ত ছিল এবং প্রতিটি গ্রুপের জন্য আলাদা বিষয় নির্ধারিত ছিল জুনিয়র গ্রুপ (৬ষ্ঠ-৮ম): বক্তব্যের বিষয় ছিল ‘ছাত্র জীবনে সময়ের মূল্য’ এবং আবৃত্তির কবিতা ছিল পল্লীকবি জসিমউদ্দীনের ‘কবর’।

ইন্টারমিডিয়েট গ্রুপ (৯ম-১০ম): বক্তব্যের বিষয় ছিল ‘পরিবেশ রক্ষায় আমাদের করণীয়’ এবং কবিতা ছিল কাজী নজরুল ইসলামের ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’।

সিনিয়র গ্রুপ (১১শ-১২শ): বক্তব্যের বিষয় ছিল ‘নেতৃত্বের গুণাবলি’ এবং আবৃত্তির কবিতা ছিল নজরুলের কালজয়ী ‘বিদ্রোহী’।

প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন, বাংলা বিভাগের প্রভাষক সাগর আহমেদ, মাহবুবুর রহমান ও আমিনুল হক।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রভাষক তোফায়েল আহমেদ শিহাব এবং সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন, বিভাগীয় প্রধান মীর হোছাইন সরকার।

শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত পরিবেশনা শেষে প্রতিটি গ্রুপের বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন, অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক।

সবশেষে উপস্থিত অতিথিদের নিয়ে এক ফটোসেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

অনুষ্ঠানে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

» সিলেটে শাহজালাল জামেয়া কামিল মাদরাসায় বিজ্ঞান মেলা

Published: ১২. এপ্রি. ২০২৬ | রবিবার

জ্ঞান-বিজ্ঞানে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি দেশ-জাতির জন্য সম্ভাবনাময় : এডিসি মাসুদ রানা

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মাসুদ রানা বলেছেন, জ্ঞান-বিজ্ঞানে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি লক্ষ্যণীয়|

আজকের বিজ্ঞান মেলা পরিদর্শন করে আমার ভাবনা আরও সুদৃঢ় হয়েছে| জামেয়ার সমৃদ্ধ আয়োজন দেখে সত্যিই অভিভূত হয়েছি| যা সচরাচর সবখানে চোখে পড়ে না| জ্ঞান-বিজ্ঞানে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি দেশ-জাতির জন্য সম্ভাবনমায়|

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, যুগের চাহিদা পূরণ করে তোমাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে| যুগোপযোগী শিক্ষা ছাড়া প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা যায় না| শিক্ষক ও অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মেধা ও মনন বিকাশে সময়োপযোগী ভূমিকা পালনের বিকল্প নেই|

তিনি রোববার (১২ এপ্রিল) শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল (স্নাতকোত্তর) মাদরাসা পাঠানটুলা সিলেট কর্তৃক স্বপ্নীল সাফল্যের অভিযাত্রায় দিনব্যাপী বিজ্ঞান মেলা-২০২৬ পরিদর্শন শেষে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন|

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জামেয়ার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. লুৎফুর রহমান|

বিশেষ অতিথি হিসেবে বিভিন্ন স্টল ও প্রজেক্ট ঘুরে দেখেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার অভিজিৎ কুমার পাল, দি সিলেট ইসলামিক সোসাইটির সেক্রেটারি  মো. জাহেদুর রহমান চৌধুরী ও সোসাইটির নির্বাহী পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ গোলাম রাব্বানী|

বিজ্ঞান মেলা বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক আব্দুল মোতালেব ইবনে কাবেদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত বিজ্ঞান মেলা পরিদর্শন করেন, পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, জামেয়ার উপাধ্যক্ষ মাওলানা ˆসয়দ ফয়জুল্লাহ বাহার, উপাধ্যক্ষ (অতিরিক্ত) মাওলানা কমর উদ্দীন|

এছাড়া অনুষ্ঠানে জামেয়ার শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সম্মানিত শিক্ষক ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন|

শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গিয়েছে| বিজ্ঞান মেলায় তারা ¯^তঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে|

বিজ্ঞান মেলায় জামেয়ার বিভিন্ন ক্লাসের শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরণের বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি ও সামগ্রী ˆতরী করেন| এসব থেকে বাছাই করে সেরাদের পুরস্কৃত করা হয়| প্রধান অতিথি বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন|

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মাওলানা মো. লুৎফুর রহমান বলেন, পরিবর্তিত বিশ্ব ব্যবস্থায় জাতিকে নেতৃত্ব দানে দক্ষ ও ইসলামী ভাবধারার ডাক্তার, প্রকৌশলী ও বিজ্ঞানী ˆতরী করার ক্ষেত্রে বিজ্ঞান মেলা অনন্য ভূমিকা পালন করে থাকে|

শাহজালাল জামেয়া দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি জ্ঞান-বিজ্ঞানের উপযোগী প্রজন্ম ˆতরীতে কাজ করছে| এই দ্বারা অব্যাহত থাকবে| ইনশাআল্লাহ|

» ১১ দফা দাবিতে সিসিক প্রশাসক বরাবর রিকশা-ভ্যান-ইজিবাইক শ্রমিক ইউনিয়নের স্মারকলিপি

Published: ১২. এপ্রি. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটে আটককৃত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাগুলো মালিকদের কাছে দ্রুত হস্তান্তর এবং চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে রিকশা-ভ্যান-ইজিবাইক শ্রমিক ইউনিয়ন।

রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে নগর ভবনে এই স্মারকলিপি পেশ করা হয়।

স্মারকলিপিতে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, সিলেট নগরের প্রায় ৩০ হাজার রিকশা শ্রমিকের কর্মসংস্থানের যোগান দেয় এই অটোরিকশা।

মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতের অন্যতম প্রধান বাহন হিসেবে এটি দেশের অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে আটককৃত যানবাহন ফিরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি যেসব গ্যারেজের বৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে, সেগুলো পুনরায় চালুর দাবি জানান।

স্মারকলিপিতে উল্লিখিত ১১ দফার মূল দাবিগুলো হলো, বিআরটিএ কর্তৃক নীতিমালা প্রণয়ন না হওয়া পর্যন্ত নগরীর গলি ও প্রয়োজনীয় সড়কে চলাচলের অনুমতি প্রদান।

রিকশা, সিএনজি, বাস মালিক-শ্রমিক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে ‘সড়ক ব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পনা কমিটি’ গঠন।

জরিপের মাধ্যমে অটোরিকশার সংখ্যা ও মালিকানা নির্ধারণ করে রুট নিশ্চিত করা। নতুন বাহন বৃদ্ধি রোধে শ্রমিক সংগঠনের সমন্বয়ে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ। শ্রমিকদের ওপর দায়েরকৃত সকল মামলা প্রত্যাহার।

বাহনসমূহের আধুনিকায়ন ও বাহন বিনিময় নীতিতে শ্রমিক প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। অবৈধ কার্ড বা টোকেন বাণিজ্যের নামে চাঁদাবাজি ও জুলুম বন্ধ করা। অটোরিকশা গ্যারেজের ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করা।

সকল সড়কে পর্যায়ক্রমে সার্ভিস লেন নির্মাণ ও নির্ধারিত স্ট্যান্ড চালু করা। র‌্যাকার বিল কমিয়ে যৌক্তিক করা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়ন। শ্রম সংস্কার কমিশনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন ও শ্রমিকদের সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা।

স্মারকলিপি প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন, রিকশা-ভ্যান-ইজিবাইক শ্রমিক ইউনিয়ন সিলেট জেলার উপদেষ্টা এডভোকেট আনোয়ার হোসেন সুমন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাশরুখ জলিল, শ্রমিক নেতা ইবরাহিম খলিল, মোহাম্মদ সবুজ এবং শহিদুল ইসলামসহ অন্যান্য শ্রমিক নেতৃবৃন্দ।

স্মারকলিপি প্রদানকালে নেতৃবৃন্দ বলেন, মানবিক দিক এবং দেশের অর্থনীতির কথা বিবেচনা করে ব্যাটারিচালিত যানবাহনের পুঁজিকে নিরাপদ করা জরুরি।

একইসাথে প্যাডেল চালিত যানবাহনের অমানবিক ‘পশু শ্রম’ থেকে মানুষকে মুক্ত করে এই বাহনের আধুনিকায়ন ত্বরান্বিত করার দাবি জানান তারা।

» কমিউনিস্ট পার্টি সিলেট জেলা কমিটির গণস্বাক্ষর কর্মসূচি

Published: ১২. এপ্রি. ২০২৬ | রবিবার

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ‘অসম বাণিজ্য চুক্তি’ বাতিলের দাবি

নিউজ ডেস্কঃ
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের স্বাক্ষরিত ‘অসম বাণিজ্য চুক্তি’ বাতিলের দাবিতে সিলেটে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)।

রাববার (১২ এপ্রিল) বিকেল ৪টা থেকে নগরীর চৌহাট্টা এলাকায় সিলেট জেলা কমিটির উদ্যোগে এই কর্মসূচি আয়োজিত হয়।

কর্মসূচির শুরুতে এই চুক্তির কুপ্রভাব এবং মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের ভূমিকার সমালোচনা করে বক্তব্য রাখেন, সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এডভোকেট আনোয়ার হোসেন সুমন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বকে জলাঞ্জলি দিয়ে গত ৯ ফেব্রুয়ারি অন্তর্র্বতীকালীন সরকার বিদায়বেলায় মার্কিনিদের সাথে এই চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এটি মূলত একটি গোলামি চুক্তি।

বক্তারা অবাক বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, সাধারণত বাণিজ্য বা পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এ ধরনের চুক্তিতে নেতৃত্ব দেন, কিন্তু এই চুক্তিতে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তৎকালীন নিরাপত্তা উপদেষ্টা, যিনি বর্তমানে বিএনপি সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

বক্তারা অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র তার বাণিজ্য ঘাটতি দূর করার অজুহাতে বাংলাদেশের ওপর শুল্ক ও শুল্ক-বহির্ভূত নানান অসম শর্ত চাপিয়ে দিয়েছে।

গণস্বাক্ষর চলাকালীন জনগণের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, সিলেট জেলার সাধারণ সম্পাদক খায়রুল হাসান, উদীচীর সাধারণ সম্পাদক দেবব্রত পাল মিন্টু, চা-শ্রমিক ট্রেইড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সমন্বয়ক মনীষা ওয়াহিদ,  বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, সিলেট জেলা সংসদের সভাপতি মাশরুখ জলিল।

সিপিবি সিলেট জেলার সভাপতি সৈয়দ ফরহাদ হোসেন কর্মসূচির শেষ পর্যায়ে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, সরকার যদি এই চুক্তি বাতিল না করে, তবে জনগণ তা বাতিল করার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেবে।

এই চুক্তির ফলে জনজীবনে যে বিপর্যয় নেমে আসবে, তা প্রতিহত করতে কমিউনিস্ট পার্টি রাজপথে থাকবে।

চৌহাট্টা পয়েন্টে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে গণস্বাক্ষর প্রদান করেন।

» সদর উপজেলায় কৃষি প্রণোদনা বিতরণকালে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির

Published: ১১. এপ্রি. ২০২৬ | শনিবার

সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন, খাল পুনঃখনন ও কৃষক কার্ড চালুর মাধ্যমে কৃষিতে আসবে নতুন বিপ্লব

নিউজ ডেস্কঃ
দেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বাজার স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সরকার বহুমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, এমপি।

শনিবার (১১ এপ্রিল) সিলেট সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে প্রায় ৩ হাজার জন কৃষকের মাঝে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য খাল পুনঃখনন ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি জানান, সিলেটের বাসিয়া খালসহ বিভিন্ন খাল পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সুরমা নদী থেকে শুরু হয়ে দক্ষিণ সুরমা ও সুনামগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় বিস্তৃত।

এসব খাল পুনঃখননের মাধ্যমে একদিকে যেমন জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করা সম্ভব হবে, অন্যদিকে শুকনো মৌসুমে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা যাবে।

তিনি আরও বলেন, ভৌগোলিক কারণে যেসব এলাকায় পানি জমে থাকে, সেসব স্থানে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

একই সঙ্গে সেচ সুবিধা বাড়িয়ে বছরে অতিরিক্ত একটি ফসল উৎপাদনের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মন্ত্রী জানান, আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের তথ্য একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকবে, ফলে সার, বীজ, কীটনাশক ও কৃষি ঋণসহ বিভিন্ন সেবা সহজে প্রাপ্তি নিশ্চিত হবে।

পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা ফসল ক্ষতির তথ্য দ্রুত কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, সরকার ধাপে ধাপে দেশের সকল কৃষি জমির ম্যাপিং কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

এর মাধ্যমে কোন অঞ্চলে কোন ফসল সবচেয়ে উপযোগী এবং লাভজনক সে তথ্য কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে, যাতে তারা সহজে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

কৃষকদের উদ্দেশ্যে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের সীমিত আবাদি জমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। কোনো জমি ফেলে না রেখে চাষাবাদের আওতায় আনতে হবে।

এক এলাকায় একই ধরনের ফসল চাষ করলে সরকারিভাবে সহায়তা প্রদান, রোগবালাই দমন এবং বাজার ব্যবস্থাপনা সহজ হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, খাল পুনঃখনন, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষি প্রণোদনা কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে সিলেট সহ সারাদেশে একটি কৃষি বিপ্লব সাধিত হবে বলে সরকার আশাবাদী।

নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির বলেন,সিলেটের অবকাঠামো উন্নয়ন যেমন রাস্তা, ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণ-ইতোমধ্যে পরিকল্পনার আওতায় আনা হয়েছে।

উল্লেখ্য, কৃষকদের মাঝে প্রণোদনা হিসেবে বিতরণকৃত কৃষি উপকরনের মধ্যে ছিল কৃষক প্রতি বীজ ৫ কেজি,ডিএপি সার ১০ কেজি ও এমওপি সার ১০ কেজিসহ সর্বমোট ২৫ কেজি।

অনুষ্ঠানে সিলেট সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার খোশনূর রুবাইয়াত এর সভাপতিত্বে সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, সদর উপজেলা বিএনপি সভাপতি আবুল কাসেম ও সাধারণ সম্পাদক  আজিজুর রহমান এবং উপজেলা কৃষি অফিসার মো. শওকত জামিল।

» সৈয়দ মকসুদ আলীর মৃত্যুতে মিফতাহ্ সিদ্দিকীর শোক

Published: ১১. এপ্রি. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও সাবেক যুগ্ম আহবায়ক, প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ অধ্যাপক সৈয়দ মকসুদ আলীর ইন্তেকালে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মিফতাহ্ সিদ্দিকী।

শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে সিলেটের আল হারামাইন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

এক শোকবার্তায় মিফতাহ্ সিদ্দিকী বলেন, অধ্যাপক সৈয়দ মকসুদ আলী ছিলেন একজন সৎ, নীতিবান ও আদর্শবান ব্যক্তি। শিক্ষা ও রাজনীতির অঙ্গনে তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

তার রাজনৈতিক জাগোদল থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত বিএনপির সাথে যুক্ত ছিলেন। তার মৃত্যুতে সিলেটবাসী একজন অভিভাবকতুল্য মানুষকে হারালো, যা অপূরণীয় ক্ষতি।

তিনি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

আল্লাহ্ তায়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন এবং তার পরিবারকে এই শোক সহ্য করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

» সিলেটে Youth Entrepreneurship & Startups for Students (YESS Program) উদ্বোধন

Published: ১১. এপ্রি. ২০২৬ | শনিবার

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হতে আহ্বান শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রীর

নিউজ ডেস্কঃ
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে এবং সৃজনশীল ব্যবসা ধারণা ও স্টার্টআপ বিকাশে ব্যাংকসহ বিকল্প অর্থায়ন ব্যবস্থাকে কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে সিলেটে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে  Youth Entrepreneurship & Startups for Students (YESS Program) কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়নকে টেকসই করতে হলে জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলা জরুরি।
তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ গ্রহণে উৎসাহিত করেন এবং বলেন, “বর্তমান বিশ্বে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে জ্ঞান, উদ্ভাবন এবং উদ্যোক্তা মানসিকতার বিকল্প নেই।”
তিনি আরও বলেন, উন্নত দেশগুলোর অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি হলো জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও দক্ষ মানবসম্পদ। সেই লক্ষ্যেই শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে আঞ্চলিক উন্নয়নের ‘নলেজ হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মন্ত্রী শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্ষুদ্র সাবমেরিন নির্মাণ এবং রিমোট কন্ট্রোল গাড়ি তৈরির মতো সৃজনশীল প্রকল্প হাতে নিয়েছে, যা দেশের প্রযুক্তি উন্নয়নের সম্ভাবনাকে আরও উজ্জ্বল করবে।
তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন পরিকল্পনার বিষয়ে উল্লেখ করে বলেন, নতুন বিভাগ স্থাপন, পরিবহন সুবিধা বৃদ্ধি, আবাসন ব্যবস্থা সম্প্রসারণ সহ বিভিন্ন প্রকল্প একীভূত করে প্রস্তাব আকারে উপস্থাপন করলে সরকার তা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবে।
খন্দকার মুক্তাদির শিল্প খাতে গবেষণালব্ধ জ্ঞান প্রয়োগের ওপর জোর দিয়ে বলেন, “আমাদের সার, চিনি ও অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদনশীলতা বাড়াতে এবং লোকসান কমিয়ে লাভজনক করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”
এসময় শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপের সুযোগ সৃষ্টির আশ্বাস দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, শিল্প সচিব মো. ওবায়দুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. এম. সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিম, এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংক সিলেট কার্যালয়ের নির্বাহী পরিচালক খালেদ আহমদ এবং রউঊঅ প্রকল্প, আইসিটি ডিভিশনের প্রকল্প পরিচালক মুর্তুজা জুলকার নাঈন নোমান।
অনুষ্ঠানে বক্তারা শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং YESS প্রোগ্রামের মাধ্যমে তরুণদের উদ্ভাবনী উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, উদ্যোক্তা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি সহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

» অধ্যাপক সৈয়দ মকসুদ আলীর ইন্তেকাল : বাণিজ্যমন্ত্রীর শোক

Published: ১১. এপ্রি. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও সাবেক যুগ্ম আহবায়ক, প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ অধ্যাপক সৈয়দ মকসুদ আলী আর নেই।

শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে নগরীর নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

অধ্যাপক সৈয়দ মকসুদ আলীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

এক শোকবার্তায় মন্ত্রী বলেন, “অধ্যাপক সৈয়দ মকসুদ আলী ছিলেন, একজন আদর্শবান শিক্ষক ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ।

সমাজ বিনির্মাণে এবং শিক্ষার প্রসারে তার অবদান অনস্বীকার্য। তার মৃত্যুতে সিলেটবাসী একজন নিবেদিতপ্রাণ অভিভাবককে হারালো।”

মন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী অধ্যাপক সৈয়দ মকসুদ আলী কেবল রাজনীতিতেই নয়, শিক্ষা ও সামাজিক অঙ্গনেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন।

তিনি সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি এবং টিলাগড় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সাবেক মুতোওয়াল্লির দায়িত্ব পালন করেছেন।

তার মৃত্যুতে সিলেটের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মরহুমের জানাজার সময় ও স্থান পরবর্তীতে জানিয়ে দেওয়া হবে। মৃত্যুকালে তিনি আত্মীয়-স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

» নগরভবনে উন্নয়ন বিষয়ক সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী ২-৩ বছরের মধ্যেই বদলে যাবে সিলেট

Published: ১১. এপ্রি. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ
বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, পরিকল্পিত উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে আগামী ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যেই সিলেট নগরের দৃশ্যমান পরিবর্তন ঘটবে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সম্মেলন কক্ষে সিলেট মহানগরীর উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সিলেটকে একটি আধুনিক ও আকর্ষণীয় পর্যটন নগর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ এগিয়ে নিচ্ছে।

তিনি সিলেটকে একটি ‘ভাইব্রেন্ট সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, এ নগরে প্রাণবন্ত পরিবেশ, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য এবং শক্তিশালী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড নিশ্চিত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, সিলেটের প্রায় ১০ লাখ নাগরিককে উন্নয়ন কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করা গেলে একটি নান্দনিক, বাসযোগ্য ও টেকসই নগর গড়ে তোলা সম্ভব। সকল উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে টেকসই দৃষ্টিভঙ্গিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি।

জলাবদ্ধতা নিরসনের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে নগরের নিচু এলাকাগুলো বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়তে পারে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর সিলেটের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি রয়েছে এবং তার সার্বিক সহযোগিতায় নগর উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে চলছে। গ্রিন ও ক্লিন সিটি গড়ার লক্ষ্যে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সিটি কর্পোরেশনের সচিব মো. আশিক নূরের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান।

সভায় জলাবদ্ধতা নিরসন বিষয়ে পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা তুলে ধরেন, প্রকৌশলী তন্ময় চাকি।

লালদিঘির পাড় সুপার মার্কেটের নকশা উপস্থাপন করেন স্থপতি শাকুর মজিদ এবং নগরভবনের প্রস্তাবিত ইন্টেরিয়র ডিজাইন উপস্থাপন করেন স্থপতি ইন্তেখাব হোসেন।

চলমান প্রকল্পসমূহের বিস্তারিত তুলে ধরেন সহকারী প্রকৌশলী অংশুমান ভট্টাচার্য্য।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. সারওয়ার উদ্দিন আহমদ এবং সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী সহ।

» ১৮ এপ্রিলের জনসভা সফলে সিলটি পাঞ্চায়িত এর সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

Published: ১১. এপ্রি. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট বিভাগের ন্যায্য দাবী দাওয়া আদায়ের লক্ষ্যে গঠিত রাজনৈতিক সংগঠন সিলটি পাঞ্চায়িত এর সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সিলেট বিভাগকে স্বায়ত্বশাসন করা, সিলটি ভাষাকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা ঘোষণা করা ও সিলেটের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন সহ অন্যান্য দাবীতে আগামী শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় নগরীর কোর্ট পয়েন্টে অনুষ্ঠিতব্য জনসভা সফলের লক্ষ্যে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলটি পাঞ্চায়িত এর কেন্দ্রীয় সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমদ চৌধুরী।

শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকালে নগরীর বন্দরবাজারস্থ মধুবন সুপার মার্কেটের ৫ম তলায় সাধারণ সভার আয়োজন করা হয়।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবি কামাল আহমদের পরিচালনায় শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিলটি পাঞ্চায়িতের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট তাজরীহান জামান।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, প্রিন্সিপাল মাওলানা জিলাল আহমদ, এডভোকেট মামুনুর রশীদ, ফেরদৌস আহমদ, এডভোকেট আজাদ আহমদ, মো. আমিনুজ্জামান চৌধুরী, ওয়ারিছ আলী মামুন এডভোকেট, সুহেনা আক্তার হেনা, মোহাম্মদ খছরুর রশীদ, সংগঠক সাজ্জাদ আহমদ সাজু, মো. বাহা উদ্দিন বাহার, জুবের আহমদ, কয়ছর আহমদ কাওছার, মো. কুরবান মিয়া, আবু তাহের, আব্দুর রাজ্জাক শাওন, ইফতেফার আহমদ জায়েদী, সায়েন আহমদ চৌধুরী, আনোয়ার আহমদ প্রমুখ।

সাধারণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে নাসির উদ্দিন আহমদ চৌধুরী আগামী ১৮ এপ্রিল শনিবারের জনসভা সফলের জন্য সিলটি পাঞ্চায়িতের নেতাকর্মী সহ সিলেটবাসীকে উপস্থিত থাকার জন্য আহ্বান জানান।

তিনি উপরোক্ত দাবিগুলো বাস্তবায়নে সিলেটবাসীকে ঐক্যবদ্ধভাবে জোরালো আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

Callender

April 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930