- সমাজ কল্যাণমন্ত্রীর কাছে সিলেট বিভাগ গণদাবী ফোরামের স্মারকলিপি প্রদান
- এনসিসি ব্যাংকের উদ্যোগে নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও টেকসই অর্থায়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন
- হিউম্যান কেয়ারের আয়োজনে সিলেটে স্পেশাল এবিলিটি সামিট অনুষ্ঠিত
- সিলেটে ভূমিসেবা মেলা-২০২৬ উপলক্ষ্যে প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত
- জাতীয় পুরস্কার অর্জন করায় গ্রীন ডিসএ্যাবল্ড ফাউন্ডেশনের সংবর্ধনা
- সিলেট রিজিয়নের পুলিশ সদস্যদের সাথে মতবিনিময় সভা
- আমেরিকার সাথে সম্পাদিত জাতীয় স্বার্থ বিরোধী বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করুন : সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট
- দক্ষিণ সুরমায় জিএপি সার্টিফিকেশন বিষয়ক কৃষক/কৃষাণী প্রশিক্ষণ
- মৌলভীবাজারে দুগ্ধ ব্যবস্থাপনা ও লাভজনক খামার গঠন বিষয়ে কৃষকদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
- মৃত ২৬ শ্রমিক পরিবারকে জেলা ট্রাক পিকাপ শ্রমিক ইউনিয়নের আর্থিক অনুদান
» সমাজ কল্যাণমন্ত্রীর কাছে সিলেট বিভাগ গণদাবী ফোরামের স্মারকলিপি প্রদান
Published: ১৯. মে. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের উন্নয়নমূলক সংগঠন সিলেট বিভাগ গণদাবী ফোরামের পক্ষ থেকে মহিলা শিশু ও সমাজ কল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ. জেড এম জাহিদ হোসেনের কাছে সিলেটের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের দাবি জানিয়ে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) মন্ত্রী সিলেট সফরকালে নগরীর আমানউল্লাহ কনভেনশন হলে সিলেট বিভাগ গণদাবী ফোরামের সভাপতি চৌধুরী আতাউর রহমান আজাদ এডভোকেট এ স্মারকলিপি প্রদান করেন।
এসময় প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সংসদ সদস্য এম. এ মালেক, এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, লেখক আফতাব চৌধুরী, সাংবাদিক আবু তালেব মুরাদ প্রমুখ ফোরামের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
স্মারকলিপিতে উত্থাপিত দাবিগুলো হচ্ছে, সিলেটে বিভাগীয় প্রবীণ নিবাস ও প্রবীণ হাসপাতাল স্থাপন, সিলেট বিভাগের প্রতি জেলায় জেলা প্রবীণ নিবাস ও প্রবীণ হাসপাতাল, সিলেটে একটি আধুনিক অটিস্টিক শিশু একাডেমী, আধুনিক শিশু হাসপাতাল, বিভাগের প্রতিটি জেলায় মহিলা বিনিয়োগ পল্লী, সিলেট নগরীতে কর্মজীবি মহিলা হোস্টেল, বৃত্তি মূলক শিক্ষা, তথ্য প্রযুক্তি উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও কিশোর-কিশোরী পুনর্বাসন কেন্দ্র, বিভাগীয় প্রতিবন্ধি শিশু নিবাস ও বিভাগীয় প্রতিবন্ধি হাসপাতাল, বিভাগের প্রতিটি জেলায় জেলা প্রতিবন্ধি উন্নয়ন ও পুনর্বাসন কেন্দ্র, এতিম পুনর্বাসন ও উন্নয়ন কেন্দ্র, শিশু ডে-কেয়ার সেন্টার, বাগবাড়ীস্থ শিশু পরিবার ও ছোটমণি নিবাসের উন্নয়ন সম্প্রসারণ, ভিক্ষুক পুনর্বাসন কেন্দ্র, বিভাগীয় শিশু অপরাধী সংশোধন ও পুনর্বাসন কেন্দ্র, বিভাগের প্রতিটি জেলায় জেলা সমাজসেবা কমপ্লেক্স নির্মাণ, হিজড়া উন্নয়ন ও পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপন, প্রবীণ ও প্রতিবন্ধীদের বিনামূল্যে ঔষুধ ও চিকিৎসা সেবা প্রদানের ব্যবস্থা, বিভাগের প্রতিটি উপজেলায় একটি প্রবীণ ও প্রতিবন্ধী সেবা কেন্দ্র স্থাপন, চা শ্রমিক ও পাহাড়ী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে ভাতা প্রদানের ব্যবস্থা, প্রবীণ ব্যক্তিদের সিনিয়র সিটিজেন কার্ড প্রদান, প্রবীণ ব্যক্তিদের সকল সরকারী হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান, রেল পথ, সড়ক পথ, জল পথ ও আকাশ পথে প্রবীণদের জন্য কোঠা সংরক্ষণ ইত্যাদি।
» এনসিসি ব্যাংকের উদ্যোগে নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও টেকসই অর্থায়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন
Published: ১৯. মে. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
নারী উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব ও টেকসই অর্থায়ন সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে এনসিসি ব্যাংক পিএলসি-এর লালদিঘিরপাড় শাখা, চৌহাট্টা শাখা এবং কুমারপাড়া শাখা যৌথ উদ্যোগে বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) বিকেলে এনসিসি ব্যাংক পিএলসি-এর কুমারপাড়া শাখায় এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
সুমন্ত গুপ্তের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন, এনসিসি ব্যাংক পিএলসি-এর সিলেটের আঞ্চলিক প্রধান বিমান কান্তি ঘোষ।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, চৌহাট্টা শাখার ব্যবস্থাপক মো. মুজিবুল ইসলাম এবং কুমারপাড়া শাখার ব্যবস্থাপক মো. জিয়াউর রহমান।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিরা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, দেশের অর্থনৈতিক মূলধারায় নারীদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে এবং পরিবেশবান্ধব বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে এ ধরণের সচেতনতামূলক উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ।
যেকোন ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে টেকসই সফলতা অর্জনে সঠিক প্রশিক্ষণের কোন বিকল্প নেই।
নারী উদ্যোক্তাদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এনসিসি ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ ধরণের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
কর্মশালায় এনসিসি ব্যাংকের লোন কর্মকর্তা শাহ্ মিসবাউজ্জামান গ্রিন ফাইন্যান্সের বিভিন্ন দিক, নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ ঋণ সুবিধা এবং সামগ্রিক ব্যাংকিং সহায়তা সম্পর্কে বিস্তারিত প্রেজেন্টেশন তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী ব্যাংকিংয়ের সৈয়দা ফারজীনা জর্বরীন, মো. আরিফ উদ্দিন চৌধুরী, খোরশেদা আক্তার, আতিকুজ্জামান মোল্লা ও নাজিয়া তাসনিম প্রমুখ।
পরে নারী উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে নিজস্ব অনুভূতি ব্যক্ত করে বক্তব্য রাখেন অপর্ণা সেন রায়, খুরশেদা আক্তার ও সুইটি সূত্রধর প্রমুখ।
বক্তব্যে তাঁরা নারী উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নেওয়ার জন্য এনসিসি ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে এই চমৎকার ও তথ্যবহুল আয়োজনের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান এবং নারীদের ব্যবসায়িক জ্ঞান ও দক্ষতা সমৃদ্ধ করতে ভবিষ্যতে এই ধরণের আয়োজন নিয়মিত করার আহ্বান জানান।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের ব্যবসা পরিচালনা, বিপণন, ব্যবসায়ের সম্প্রসারণ এবং আধুনিক পরিবেশবান্ধব অর্থায়ন (গ্রিন ফাইন্যান্স) সম্পর্কে বাস্তবমুখী ও বিশদ ধারণা প্রদান করা হয়।
প্রশিক্ষণ পর্ব শেষে কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী সফল নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে আনুষ্ঠানিক সনদপত্র (সার্টিফিকেট) বিতরণ করা হয়।
কর্মশালায় সিলেট শহরের শতাধিক সম্ভাবনাময় নারী উদ্যোক্তা অত্যন্ত স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
» হিউম্যান কেয়ারের আয়োজনে সিলেটে স্পেশাল এবিলিটি সামিট অনুষ্ঠিত
Published: ১৯. মে. ২০২৬ | মঙ্গলবার
দেশের ৪৬ লাখের বেশি বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তি ও শিশুদের জন্য কাজ করছে সরকার : সিলেটে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ
নিউজ ডেস্কঃ
দেশে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন অনুযায়ী ৪৬ লাখের বেশি বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তি ও শিশু রয়েছেন।
এসকল বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তি ও শিশুদেরকে সম্পদে রূপান্তর করতে কাজ করছে সরকার।
তার অংশ হিসেবে বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তি ও শিশুদের চিকিৎসা সেবা, বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ, খেলাধুলার জন্য আগ্রহীকরণসহ নানা ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে প্রতিটি ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে।
তাই বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন এসকল ব্যক্তি ও শিশুদেরকে বুঝা মনে না করে, তাদের সহযোগিতায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আর এসকল ব্যক্তি ও শিশুকে সম্পদে রূপান্তর করতে হলে প্রত্যেকের অভিভাবকদের গুরুত্ব অপরিসীম।
মঙ্গলবার (১৯ মে) হিউম্যান কেয়ার বাংলাদেশ আয়োজনে ও ট্রোপ ইভেন্টস ও জি.আই.ই.টি ইন্সটিটিউট-এর সহযোগিতায় দিনব্যাপী এই সামিট অনুষ্ঠিত হয়।
সিলেটের একটি অভিজাত কনভেনশন হলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী আরও বলেন, আপনারা লক্ষ্য করবেন, বিশেষ চাহিদা সম্পন্নরা একেকজন একেক গুণে গুণান্বিত।
যাদের হাত নেই, তারা যখন পা দিয়ে লিখে, তখন সেই লেখাগুলো আমাদের চেয়েও আরও সুন্দর ও মার্জিত হয়।
এছাড়া বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্নদেরকে তাদের মেধা অনুযায়ী কাজ দিলে, তারা খুব দ্রুত সেই কাজে সফল হয়।
বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তি ও শিশুদের মেধা, প্রতিভা এবং অধিকার সুরক্ষার মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে সিলেটে অনুষ্ঠিত হয় দেশের প্রথম বৃহৎ পরিসরের অন্তর্ভুক্তিমূলক প্ল্যাটফর্ম-‘স্পেশাল এবিলিটি সামিট ২০২৬’।
এবারের সামিটের মূল প্রতিপাদ্য ছিল “অ্যা সেলিব্রেশন অব হিউম্যান পটেনশিয়াল” বা মানব সক্ষমতার উদযাপন।
সম্মানিত বিশেষ অতিথির বক্তব্যে, শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এমপি বলেন, “বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন শিশুদের সমাজের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে হলে আমাদের সমষ্টিগত দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন জরুরি।
রাষ্ট্র ও সমাজকে যৌথভাবে শিক্ষা, চিকিৎসা এবং সামাজিক অংশগ্রহণের প্রতিটি ক্ষেত্রে তাদের সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন এই অসাধারণ মানুষদের সঠিক প্রশিক্ষণ ও সুযোগ দিলে তারা দেশের অর্থনীতি ও উন্নয়নে অনন্য অবদান রাখতে সক্ষম। এজন্য আমাদের কর্মপরিবেশকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সংবেদনশীল করতে হবে।
হিউম্যান কেয়ারের প্রতিষ্টাতা ও চেয়ারম্যান এমজি রাব্বানী এর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি সৈয়দা শারমিন ফাতেমা, সাইকা তাবাসসুম চৌধুরী নাহিয়া এর যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, হিউম্যান কেয়ারের উপদেষ্টা সামা হক চৌধুরী ও সায়মা সুলতানা চৌধুরী লিনু।
সামিটে বিভিন্ন সেশনে সম্মানিত অতিথি হিসেবে আলোচনা ও বক্তব্য রাখেন, সিলেট ৩ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মালেক, সিলেট-৬ এর সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, লিডিং ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) কমিশনার আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী, পিপিএম, সিলেট মেডিকেল ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সলর প্রফেসর ড. জিয়াউর রহমান চৌধুরী, কেন্দ্রীয় বিএনপির ক্ষুদ্র ও কুটির বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক, সিলেট মহানগর বিএনপির নির্বাচিত সভাপতি নাসিম হোসাইন, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ ইশতিয়াক আহমেদ সিদ্দিকী, ড. মোস্তফা শাহ জামান বাহার, বিশিষ্ট সাংবাদিক আফতাব চৌধুরী, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সিলেট এর সেক্রেটারি মাহবুবুল হক চৌধুরী, এফবিসিসিআই এর সাবেক পরিচালক হিসকিল গোলজার, দৈনিক পূণ্যভুমির সম্পাদক আবু তালেব মুরাদ, সিলেট প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি সিরাজুল ইসলাম, সাংবাদিক ইকরামুল কবির, রাজনীতিবিদ ফয়সল আহমদ চৌধুরী, বিশিষ্ট কবি ও রাজনীতিবিদ সালেহ আহমদ খছরু, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. আব্দুর রফিক, ফুলকলীর ডাইরেক্টর জসিম উদ্দিন, সাংবাদিক মঈন উদ্দিন মনজু, সাংবাদিক আনিস রহমান, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাংবাদিক সুলতান সুমন, হিউম্যান কেয়ারের সহ-সভাপতি রোটারিয়ান মাজহারুল ইসলাম জয়নাল, হিউম্যান কেয়ার এর সহ-সভাপতি এস রহমান সায়েফ, মিলাদ রহমান, মো. হাবিবুর রহমান প্রমুখ।
এদিকে, সামিটের মূল প্রবন্ধ তুলে ধরেন, জাকিয়া সুলতানা চৌধুরী লিমি চৌধুরী।
দিনব্যাপী এই আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ‘ভুল ধারণা ভাঙা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা’ শীর্ষক একটি বিশেষ প্যানেল আলোচনা।
যেখানে প্যানেলিস্ট হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ মতামত তুলে ধরেন, সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জিয়াউর রহমান চৌধুরী, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোস্তফা তৌফিক আহমেদ এবং সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোঃ জাহিদুল ইসলাম।
আলোচনা শেষে উপস্থিত অভিভাবক ও তত্ত্বাবধায়কদের জন্য একটি উন্মুক্ত প্রশ্নোত্তর পর্বের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে দানবীর ড. রাগিব আলীকে হিউম্যান কেয়ারের পক্ষ থেকে সমাজসেবা ও প্রতিবন্ধীদের নিয়ে কাজ করার জন্য সম্মাননা প্রদান করা হয়।
বিকালে সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, এমপি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, এমপি বলেন, “বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন শিশুদের সমাজের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে হলে আমাদের সমষ্টিগত দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন জরুরি।
রাষ্ট্র ও সমাজকে যৌথভাবে শিক্ষা, চিকিৎসা এবং সামাজিক অংশগ্রহণের প্রতিটি ক্ষেত্রে তাদের সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।”
সামিটের সমাপনী অধিবেশনে বাংলাদেশে অটিজম সচেতনতা, সহায়তা ও উন্নয়নে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সমাজসেবক, দানবীর ও শিল্পপতি ড. রাগীব আলীকে’ বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
পুরস্কার বিতরণী শেষে বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন শিশুদের পরিবেশনায় এক মুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও স্পেশাল ভিজ্যুয়াল প্রেজেন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়, যা উপস্থিত দর্শকদের মাঝে বিপুল সাড়া ফেলে।
অনুষ্ঠানের শেষলগ্নে সামিটের ইভেন্ট চেয়ার আলেয়া ফেরদৌসী তুলি ধন্যবাদ বক্তব্যের মাধ্যমে সামিটের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, দেশি-বিদেশি উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার সদস্য, অটিজম বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক, অভিভাবক এবং বিপুল সংখ্যক গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
» সিলেটে ভূমিসেবা মেলা-২০২৬ উপলক্ষ্যে প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত
Published: ১৮. মে. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
ভূমিসেবা মেলা-২০২৬ উপলক্ষ্যে আজ সোমবার(১৮/০৫/২৬) সকালে সিলেট সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়।
ভুমি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় বিভাগীয় প্রশাসন ও জেলা প্রশাসন, সিলেট আয়োজিত উক্ত প্রেস কনফারেন্সে বক্তব্য রাখেন, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান ও জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম।
বিভাগীয় কমিশনার বলেন, অতীতে ভূমি-সংক্রান্ত সেবা পেতে সাধারণ মানুষকে নানাবিধ ভোগান্তির শিকার হতে হতো। বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে এসব সেবা মানুষের হাতের নাগালে পৌঁছে গেছে।
ফলে জনগণ এখন ঘরে বসেই সহজে ও দ্রুত ভূমিসেবা গ্রহণ করতে পারছেন এবং আগের মতো হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে না।
সিলেটের জেলা প্রশাসক জানান,আগামীকাল (১৯মে) থেকে ২১ মে ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত (তিনদিন ব্যাপী) জেলা প্রশাসক, সিলেট কার্যালয় প্রাঙ্গনে “ভূমিসেবা মেলা ২০২৬” উদযাপিত হবে।
জেলা প্রশাসন বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তাবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিক এবং এনজিও প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, সিলেটের প্রাঙ্গণে ১৯ মে ২০২৬ খ্রি. তারিখে এক বর্ণাঢ্য র্যালি ও মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
এ মেলার বিভিন্ন স্টলে নাগরিকদের বিভিন্ন ধরনের ভূমিসেবা সরাসরি প্রদান করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের জন্য নিবন্ধন, হোল্ডিং এন্ট্রি ও অনুমোদন কার্যক্রমে সহায়তা, ই-নামজারির আবেদনে সহায়তা, অনলাইনে খতিয়ানের সার্টিফায়েড কপি ও মৌজা ম্যাপের আবেদন গ্রহণ এবং ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ।
এ ছাড়া অনলাইনে ডিসিআর ও ই-পর্চা সেবা, ডাকযোগে মৌজা ম্যাপ সরবরাহ এবং অর্পিত সম্পত্তি ইজারার অর্থ প্রদানের উদ্যোগও থাকবে মেলায়। সেবাগ্রহীতাদের বিভিন্ন প্রশ্নের তাৎক্ষণিক উত্তর দিতে দায়িত্ব পালন করবেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
মেলায় ভূমিসেবা পোর্টাল ব্যবহারে নাগরিকদের উৎসাহিত করতে ১০ টি বুথ স্থাপন করা হচ্ছে।
এসব বুথে land.gov.bd পোর্টালে নিবন্ধন, ই-নামজারি আবেদন, অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ এবং সংশ্লিষ্ট ফি জমা দেওয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হবে।
মেলা চলাকালীন আগামী ২০ মে ২০২৬ খ্রি. তারিখে জনসচেতনতামূলক সেমিনার বা সভার আয়োজন করা হবে।
এর মাধ্যমে ভূমি মন্ত্রণালয়ের চলমান উদ্যোগ, ভবিষ্যৎ ভূমি ব্যবস্থাপনার কর্মপরিকল্পনা, ভূমিসেবা সহজীকরণে গৃহীত পদক্ষেপ এবং ডিজিটাল ভূমিসেবার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হবে।
পাশাপাশি ভূমিসেবা সংক্রান্ত অভিযোগ বা তথ্য জানার জন্য হটলাইন নম্বর ১৬১২২ এবং ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্র (এলএসএফসি) সম্পর্কেও নাগরিকদের সচেতন করা হবে।
সাধারণ মানুষের মধ্যে বিতরণের জন্য “ভূমি আমার ঠিকানা” শীর্ষক একটি বুকলেটও সরবরাহ করা হবে। এছাড়া ভূমিসেবা বিষয়ক তথ্যচিত্র প্রদর্শনের ব্যবস্থাও থাকবে।
একটি সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং দুর্নীতিমুক্ত স্মার্ট ভূমি প্রশাসন গড়ে তুলতে জেলা প্রশাসন, সিলেট বদ্ধপরিকর।
এ লক্ষ্যে আয়োজিত এই ভূমি মেলায় এসে সেবা গ্রহণ করার জন্য সিলেটের সর্বস্তরের নাগরিক সাধারণকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।
দেশব্যাপী ভূমি মেলা ২০২৬ এ এবারের মেলার প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, “জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা: সুরক্ষিত ভূমি, সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ”।
ভূমিসেবা মেলা ২০২৬মেলা আয়োজনের মূল উদ্দেশ্যসমূহ:
১.ভূমিসেবা ডিজিটালাইজেশন সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।
২.নাগরিকদের দোরগোড়ায় ভূমিসেবা সহজলভ্য করা ও সরাসরি সেবা প্রদান করা।
৩.অনলাইন ভূমিসেবা সিস্টেম ভূমি মন্ত্রণালয় ব্যবহারে নাগরিকদের উৎসাহ প্রদান করা।
৪.ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানে নাগরিকদের সহযোগিতা ও রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি করা।
৫.ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি করা।
সিলেট জেলার সীমিত ভূমি সম্পদের সুষ্ঠু, স্বচ্ছ, পরিকল্পিত এবং সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক জেলা প্রশাসন, সিলেট একটি আধুনিক, দক্ষ, প্রযুক্তিনির্ভর ও সম্পূর্ণ জনবান্ধব ভূমি প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ইতোমধ্যে সিলেট জেলার সবকটি উপজেলা ভূমি অফিস এবং ইউনিয়ন ভূমি অফিস সমূহে ভূমিসেবায় আমূল পরিবর্তন ও সম্পূর্ণ অটোমেশন নিশ্চিত করা হয়েছে।
বর্তমানে সর্বসাধারণের জন্য land.gov.bd পোর্টাল এবং ‘ভূমি’ (Bhumi) মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ই-নামজারি, ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) পরিশোধ, খতিয়ান ও মৌজা ম্যাপ সংগ্রহের মতো মৌলিক ভূমিসেবাসমূহ একটি একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রদান করা হচ্ছে।
সারা দেশের ন্যায় সিলেট জেলায় আয়োজিত হচ্ছে এই ভূমি মেলা ২০২৬। আধুনিক ও ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নাগরিকদের দ্রুত ও সহজ সেবা নিশ্চিত করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
সংবাদ সম্মেলনে সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) নুরের জামান চৌধুরী, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাব সভাপতি মোহাম্মদ গোলজার আহমদ হেলাল, প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা এবং প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
» জাতীয় পুরস্কার অর্জন করায় গ্রীন ডিসএ্যাবল্ড ফাউন্ডেশনের সংবর্ধনা
Published: ১৮. মে. ২০২৬ | সোমবার
প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষিত করতে সিলেট আর্ট এন্ড অটিস্টিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম প্রশসংনীয় : আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করতে সিলেট আর্ট এন্ড অটিস্টিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম প্রশসংনীয়।
সমাজকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে হলে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের পেছনে ফেলে রাখা যাবে না। তাদেরকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে জিডিএফ ও সিলেট আর্ট এন্ড অটিস্টিক বিদ্যালয় যেভাবে মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে, তা সর্বমহলে অনুকরণীয়। এই ধরনের মহতী উদ্যোগের মাধ্যমে অবহেলিত শিশুরা সমাজের মূল স্রোতে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারছেন।
তিনি বলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশন প্রতিবন্ধী মানুষের কল্যাণে সবসময় পাশে আছে মানবিক অগ্রযাত্রায় থাকবে।
তিনি বলেন, সিলেট আর্ট এন্ড অটিস্টিক বিদ্যালয় জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্তি সিলেটের জন্য এক বিরাট গৌরব ও আনন্দ বয়ে এনেছে।
তিনি এধরনের প্রতিষ্ঠানের মতো অন্যান্য প্রতিষ্ঠানদেরকেও শিক্ষাক্ষেত্রে কাজ করার আহ্বান জানান।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী সোমবার (১৮ মে) সকালে নগরীর জিন্দাবাজারস্থ কার্যালয়ে গ্রীন ডিসএ্যাবল্ড ফাউন্ডেশন (জিডিএফ)-এর উদ্যোগে সফল সংগঠন হিসেবে জাতীয় পুরস্কার অর্জন করায় ‘সিলেট আর্ট এন্ড অটিস্টিক বিদ্যালয়’কে দেওয়া সংবর্ধনা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
গ্রীন ডিসএ্যাবল্ড ফাউন্ডেশন জিডিএফ’র উপদেষ্টা বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী হিমাংশু বিশ্বাসের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব ও নির্বাহী পরিচালক বায়জিদ খান এর পরিচালনায় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট জেলা সমাজসেবা কার্যালয় সিলেটের সহকারী পরিচালক রফিকুল হক, সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সময় টিভির সিলেট ব্যুরো প্রধান ইকরামুল কবির, এনজিও ফেডারেশন সিলেটের সভাপতি বেলাল আহমদ, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলজার আহমদ, সিলেট সম্মিলিত নাট্য পরিষদের প্রধান পরিচালক শামছুল বাছিত শেরু, সিলেট আর্ট এন্ড অটিস্টিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হেরন্ড রশিদ চৌধুরী, সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক সহ আইন বিষয়ক সম্পাদক আমিন উদ্দিন আহমদ।
জিডিএফ’র নির্বাহী কমিটির সদস্য সৈয়দ মাহমুদুল হক জাবেদ এর স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে সূচিত অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন, প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রের কনসালটেন্ট আব্দুল কাদের, রাগীব রাবেয়া প্রতিবন্ধী ইন্সটিটিউটের প্রধান শিক্ষিকা হেপী রানী দে, দৈনিক ঢাকার ডাক এর সিলেট ব্যুরো চীফও অনলাইন নিউজ পোর্টাল সিলেট বুলেটিন এর প্রধান সম্পাদক এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া, তালুকদার ফাউন্ডেশনের সভাপতি রফিক উদ্দিন, আপাসান ইন্টারন্যাশনালের সমন্বয়কারী স্বর্ণময়ী, সাউথ এশিয়া বেতার শ্রোতা ক্লাবের সভাপতি দিদার ইকবাল।
বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, সিলেট আর্ট এন্ড অটিস্টিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সদস্য সচিব ইসমাঈল গনি হিমন, জিডিএফ এর সভাপতি প্রমেশ দত্ত, জিডিএফ ডিকেএফ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী বিদ্যালয়েল কোষাধ্যক্ষ দিদার আহমদ, জিডিএফ এর সদস্য নারী উদ্যোক্তা ও প্রশিক্ষক সাবিলা কান্তা, নির্বাহী সদস্য ও সমন্বয়কারী শারমিন আক্তার রেবা, সদস্য ববি বেগম, শিলন বেগম, পার্থ সারতি দত্ত, শিক্ষক মলয় রায়, সরুপা বেগম, ধর্মীয় শিক্ষক মাওলানা আনিস, বেইল শিক্ষক সমিরঞ্জন বিশ্বাস, হিসাব রক্ষক মোঃ শাহজাহান, কম্পিউটার অপারেটর তাজকিয়া জান্নাত সুইটি, শিক্ষার্থী তাহমিনা আক্তার মৌমি, খাদিজাতুল কোবরা শিফা, রাদিয়া জান্নাত তালুকদার, আফসানা আক্তার মুন্নী, জুঁই রানী দাস, তুফায়েল আহমদ সুয়েব, ফাইজান আহমদ হাফিজ, তাসকিয়া জান্নাত ইশা, অভিভাবক রোকেয়া বেগম, সীমা বেগম প্রমূখ।
অনুষ্ঠানে গ্রীন ডিসএ্যাবল্ড ফাউন্ডেশন (জিডিএফ)-এর পক্ষ থেকে জাতীয় পুরস্কার অর্জন করায় ‘সিলেট আর্ট এন্ড অটিস্টিক বিদ্যালয়’কে সংবর্ধনা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন প্রধান অতিথি সহ অতিথিবৃন্দ।
» সিলেট রিজিয়নের পুলিশ সদস্যদের সাথে মতবিনিময় সভা
Published: ১৮. মে. ২০২৬ | সোমবার
মহাসড়কে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে : অ্যাডিশনাল আইজি দেলোয়ার হোসেন
নিউজ ডেস্কঃ
হাইওয়ে পুলিশের অ্যাডিশনাল আইজি মো. দেলোয়ার হোসেন মিঞা বলেছেন, মহাসড়কে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
হাইওয়ে পুলিশ সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা ও মহাসড়কের শৃঙ্খলা রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই সেবার মানকে আরও গতিশীল করতে সকল পুলিশ সদস্যকে সর্বোচ্চ সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
তিনি বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য। ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে হাইওয়ে পুলিশকে তৎপর থাকতে হবে।
দুর্ঘটনা প্রতিরোধে এবং যানজট মুক্ত মহাসড়ক উপহার দিতে প্রতিটি সদস্যকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
সোমবার (১৮ মে) বিকেলে হাইওয়ে পুলিশ সিলেট রিজিয়নের কনফারেন্স রুমে হাইওয়ে পুলিশ সিলেট রিজিয়নের সকল পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথাগুলো বলেন।
হাইওয়ে পুলিশ সিলেট রিজিয়নের পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে ও হাইওয়ে পুলিশ সিলেট রিজিয়নের পুলিশ পরিদর্শক (শহর ও যানবাহন) ইন্সপেক্টর প্রশাসন মো. হাবিবুর রহমানের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, হাইওয়ে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ঢাকা-এর ডিআইজি (অপারেশনস-উত্তর) ও অতিরিক্ত দায়িত্বে ডিআইজি (অপারেশনস-পূর্ব) মোহাম্মদ আব্দুলাহীল বাকী, বিপিএম-সেবা।
মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিদেরকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
মতবিনিময় সভায় ৭টি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সিলেট রিজিয়নের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সকল পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত পাঠ করেন, মো. আবু সাইদ।
» আমেরিকার সাথে সম্পাদিত জাতীয় স্বার্থ বিরোধী বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করুন : সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট
Published: ১৮. মে. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পাদিত জাতীয় স্বার্থ বিরোধী বাণিজ্য চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করার দাবিতে সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট সিলেট জেলা শাখার উদ্যোগে ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে গণসংযোগ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সোমবার (১৮ মে) বিকাল সাড়ে ৪টায় আম্বরখানা পয়েন্টে লিফলেট বিতরণ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বাসদ (মার্ক্সবাদী) জেলা সমন্বয়ক সঞ্জয় কান্ত দাসের সভাপতিত্বে ও সিপিবি জেলা নেতা মাশরুখ জলিলের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সিলেট মহানগর বাংলাদেশ জাসদ সভাপতি এডভোকেট জাকির আহমদ, নাগরিক আন্দোলনের আব্দুল করিম কিম,বাসদ সদস্য সচিব প্রণব জ্যোতি পাল, সাম্যবাদী আন্দোলনের সমন্বয়ক এডভোকেট মহীতোষ দেব মলয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাসদ জেলা আহ্বায়ক আবু জাফর, সিপিবি জেলা সাধারণ সম্পাদক খায়রুল হাসান, বাংলাদেশ জাসদ সাধারণ সম্পাদক নাজাদ কবির, বাসদ (মার্ক্সবাদী) নেতা পিনাক রঞ্জন দাস প্রমূখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, একটি অনির্বাচিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এখতিয়ার কেবল রুটিন প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় সীমাবদ্ধ।
কিন্তু অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সেই সীমা লঙ্ঘন করে দেশবাসীকে না জানিয়ে এমন একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে যার মেয়াদ আগামী ১৫ বছর পর্যন্ত বিস্তৃত।
এই চুক্তিটি মোট ১৭৭ পৃষ্ঠার, কিন্তু মার্কিন পক্ষ মাত্র ৩২ পৃষ্ঠা জনসমক্ষে প্রকাশ করেছে। আর বাংলাদেশ সরকারতো দেশবাসীকে জানানোর প্রয়োজনই বোধ করছেনা।
সেই ৩২ পৃষ্ঠার মধ্যেই বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে অসংখ্য অসম শর্ত প্রকাশিত হয়েছে। বাকি ১৪৫ পৃষ্ঠায় কী লেখা আছে তা বাংলাদেশের জনগণ তো দূরের কথা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও প্রকাশ করেনি।
এই গোপনীয়তা একটি বিপজ্জনক সংকেত। আগামী ১৫ বছরে আন্তর্জাতিক বাজার দরের চেয়ে বেশি দামে কমপক্ষে ১,৫০০ কোটি ডলার (প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা) মূল্যের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) যুক্তরাষ্ট্র থেকে কিনতে বাধ্য থাকবে বাংলাদেশ।
প্রতি টনে আন্তর্জাতিক বাজারের চেয়ে ৭৫ ডলার বা ৯০০০/- টাকা বেশি মূল্যে আগামী পাঁচ বছর প্রতি বছর ৭ লাখ টন গম বাধ্যতামূলকভাবে কিনতে হবে।
আন্তর্জাতিক বাজারদরের চেয়ে অনেক বেশি দামে ২৬ লাখ টন সয়াবিন ও সয়াবিনজাত পণ্য আমদানি করতে হবে, যার মূল্য দাঁড়াবে প্রায় ১২৫ কোটি ডলার। তুলা, ফলমূল ও কৃষিপণ্য বাজারদরের বাইরে ৩৫০ কোটি ডলার বা ৪২ হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত ব্যয়ের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
মার্কিন বেসামরিক কোম্পানি বোয়িংয়ের কাছ থেকে বিনা দরপত্রে ৪৫ হাজার কোটি টাকায় ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি ইতিমধ্যে গত ৩০ এপ্রিল করে ফেলেছে। যা সরকারি ক্রয়বিধির সরাসরি লঙ্ঘন।
বাংলাদেশের বাজারে যুক্তরাষ্ট্র ৬,৭১০টি পণ্যে শুল্কছাড় পাবে; বিপরীতে বাংলাদেশ পাবে মাত্র ১,৬৩৮টি পণ্যে যার অধিকাংশই রফতানির সামর্থ্য বাংলাদেশের নেই।
গত বছর মার্কিন পণ্য থেকে বাংলাদেশ পেয়েছে ১,২০০ কোটি টাকার শুল্ক। চুক্তি কার্যকর হলে মাত্র ১০ কোটি টাকা আদায় হবে; হারাতে হবে ১,১৯০ কোটি টাকা।
সবচেয়ে বিধ্বংসী দিকটি হলো: চুক্তিতে মাছ, মাংস, মুরগি, দুধসহ সব কৃষিপণ্যের অবাধ আমদানির বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
এতে বাংলাদেশের পোলট্রি, মৎস্য, ডেয়ারি ও দুগ্ধ খাতে কর্মরত কোটি মানুষের জীবিকা ধ্বংসের মুখে পড়বে।
তৈরি পোশাক শিল্পও বিপন্ন হবে মার্কিন তুলা ব্যবহারে বাধ্যবাধকতা পরিবহন খরচ বাড়াবে, প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে বাংলাদেশ।
চুক্তির শর্তানুযায়ী, মার্কিন বাণিজ্য স্বার্থের পরিপন্থী কোনো দেশ—অর্থাৎ চীন, রাশিয়া-এর সাথে বাংলাদেশ কোন বাণিজ্যচুক্তি করতে পারবে না।
ইতোমধ্যে রাশিয়া থেকে জ্বালানি কিনতে মার্কিন ‘ছাড়পত্র’ চাইতে হচ্ছে। একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্য এটি অপমানজনক।
সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়েও নির্ভরশীলতা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ বর্তমানে ৮০% প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম চীন থেকে আনে। এই চুক্তি বাংলাদেশকে একটি নির্দিষ্ট ভূ-রাজনৈতিক শিবিরে ঠেলে দিচ্ছে। এতে বাংলাদেশের কৌশলগত স্বাধীনতা বিপন্ন হচ্ছে।
উল্লেখযোগ্য যে, চীন তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে এবং এই অঞ্চলে যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়ছে।
এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে মার্কিন নিরাপত্তা কাঠামোর অধীনে টেনে নেওয়ার যে প্রচেষ্টা এই চুক্তিতে দৃশ্যমান, তা বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক সংঘাতের ঘূর্ণিপাকে ফেলে দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করছে।
বক্তারা দেশবিরোধী মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দেশপ্রেমিক জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।
» দক্ষিণ সুরমায় জিএপি সার্টিফিকেশন বিষয়ক কৃষক/কৃষাণী প্রশিক্ষণ
Published: ১৮. মে. ২০২৬ | সোমবার
পুষ্টিসমৃদ্ধ ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ সুস্থ জাতি গঠনের পূর্বশর্ত ড. মো. মোশাররফ হোসেন
দক্ষিণ সুরমা প্রতিনিধিঃ
কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর সিলেট অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ড. মো. মোশাররফ হোসেন বলেছেন, পুষ্টিসমৃদ্ধ ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ একটি সুস্থ জাতি গঠনের পূর্বশর্ত।
মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বাড়লে মাটির পানি ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং উপকারী অণুজীবের বংশবৃদ্ধি ঘটে।
সুস্থ মাটি উদ্ভিদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে দীর্ঘমেয়াদে ফসলের ফলন স্থিতিশীল রাখে।
প্রাকৃতিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারের ফলে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় থাকে এবং উপকারী পোকামাকড় ও পাখির আবাসস্থল সুরক্ষিত হয়।
টেকসই ভবিষ্যৎ, জনস্বাস্থ্য এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, মাটির স্বাস্থ্য রক্ষায় পরিবেশবান্ধব কৃষির ভূমিকা অপরিসীম।
তাই কৃষকদের নিরাপদ ও আধুনিক উপায়ে ফসল উৎপাদন, সঠিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারের নিয়ম সম্পর্কে জানতে হবে। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে জাতীয় অগ্রগতি ত্বরান্বিত হয়।
তিনি সোমবার (১৮ মে) দুপুরে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর দক্ষিণ সুরমা কতৃক ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড করাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড্য রেসিলিয়েল ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) এর আওতায় দিনব্যাপী কৃষক জিএপি সার্টিফিকেশন’ বিষয়ক কৃষক/কৃষাণী প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
দক্ষিণ সুরমা উপজেলা কৃষি অফিসার গৌতম পালের সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত কৃষি অফিসার দীপঙ্কর সূত্র ধরের পরিচালনায় কৃষক প্রশিক্ষণে নিরাপদ ফসল ও ফলমূল উৎপাদনের আধুনিক পদ্ধতি, জৈব সার উৎপাদন এবং সঠিক মাত্রায় কীটনাশক ব্যবহারের কৌশল, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করে চাষাবাদ এবং কৃষি আবহাওয়া তথ্য ব্যবহারের পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিত করা হয়।
দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে উপজেলার শতাধিক কৃষক অংশ গ্রহণ করেন।
» মৌলভীবাজারে দুগ্ধ ব্যবস্থাপনা ও লাভজনক খামার গঠন বিষয়ে কৃষকদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
Published: ১৮. মে. ২০২৬ | সোমবার
“অধিক দুধ উৎপাদনের জন্য দুগ্ধ গাভী ব্যবস্থাপনা” শীর্ষক দিনব্যাপী কৃষকদের প্রশিক্ষণ এবং লাভজনক খামার গঠন ব্র্যাক কৃত্রিম প্রজনন এন্টারপ্রাইজের উদ্যোগে সোমবার (১৮ মে) মৌলভীবাজার শাহ মোস্তফা চাইনিজ রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়।
প্রশিক্ষণে বিভিন্ন এলাকার গবাদি পশু খামারিরা অংশ নেন।
প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. মোহাম্মদ শাহিনুল হক, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, মৌলভীবাজার, মো. আক্তারুজ্জামান, রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার, ব্র্যাক কৃত্রিম প্রজনন এন্টারপ্রাইজ, সিলেট রিজিওন।
বক্তারা বক্তারা বলেন, সঠিক ব্যবস্থাপনা, উন্নত প্রজনন অনুশীলন এবং বৈজ্ঞানিক যত্ন উল্লেখযোগ্যভাবে দুধ উৎপাদন এবং খামারের লাভজনকতা বৃদ্ধি করতে পারে।
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়। আয়োজকরা সারা বাংলাদেশে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলবে বলে উল্লেখ করেন।
» মৃত ২৬ শ্রমিক পরিবারকে জেলা ট্রাক পিকাপ শ্রমিক ইউনিয়নের আর্থিক অনুদান
Published: ১৮. মে. ২০২৬ | সোমবার
যে কোন প্রয়োজনে পুলিশ সর্বদা রাষ্ট্র ও জনগণের পাশে রয়েছে : এসএমপি ডিসি ট্রাফিক
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ-এসএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি ট্রাফিক) সুদীপ্ত রায় বলেছেন, পরিবহন শ্রমিকরাও রাষ্ট্রের অংশ। আমরা সকল জনগণই একে অপরের পরিপূরক।
দেশ-জাতি ও সমাজকে গড়তে সকলের সমন্বয় প্রয়োজন। সড়কে শৃঙ্খলা পুলিশ ফেরাতে কাজ করছে। পরিবহন শ্রমিক ভাইদের সহযোগিতা ছাড়া এটি সম্ভব নয়।
নিহত শ্রমিকের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে পরিবহন শ্রমিক সংগঠন আজ যে মহৎ উদ্যোগ নিয়েছে সেটি নিঃসন্দেহে সময়োপযোগী উদ্যোগ। এর ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হবে। রাষ্ট্র ও জনগণের যে কোন প্রয়োজনে পুলিশ সর্বদা পাশে ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
তিনি সোমবার (১৮ মে) বিকেলে সিলেট জেলা ট্রাক পিকাপ কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি নং-চট্ট-২১৫৯) এর উদ্যোগে সাম্প্রতিক সময়ে মৃত্যুবরণকারী জেলার আওতাধীন ২৬ পরিবহন শ্রমিক পরিবারের মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।
নগরীর দক্ষিণ সুরমা প্যারাইরচক ট্রাক টার্মিনালস্থ সংগঠনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে জেলা ট্রাক পিকাপ কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের অন্তর্ভূক্ত বিভিন্ন শ্রমিক উপ-কমিটির মৃত্যুবরণকারী ২৬ শ্রমিক পরিবারের প্রতিটি শ্রমিক পরিবারকে ইউনিয়নের কল্যাণ তহবিল থেকে নগদ ৪০ হাজার টাকা করে মোট ১০ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা নগদ আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়।
নগদ টাকা পেয়ে মৃত্যুবরণকারী শ্রমিকদের পরিবার আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। এই মহৎ উদ্যোগের জন্য ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন তারা।
সিলেট জেলা ট্রাক পিকাপ কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের শ্রী আবু সরকারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাসুম আহমদ লস্করের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আর্থিক অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি কাউছার আহমদ, সহ-সভাপতি শরীফ আহমদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ স্বপন, সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মাছুম আহমদ, দপ্তর সম্পাদক বিলাল উদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ জুলহাস হোসেন বাদল, কার্যকরী সদস্য কামাল হোসেন, আব্দুল জলিল, আব্দুল করিম, ইলিয়াস আহমদ, আলেখ আহমদ সুহেল, প্রবীণ শ্রমিক নেতা মহসিন মিয়া, ইউসুফ ও মন্তাজ মিয়া প্রমূখ।
এছাড়া অনুষ্ঠানে জেলা ট্রাক পিকাপ কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের আওতাধিন বিভিন্ন উপ-কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির বক্তব্যে শ্রী আবু সরকার বলেন, পরিবহন শ্রমিকরা হচ্ছে সমাজের সবচেয়ে বেশী অবহেলিত জনগোষ্ঠী। একজন পরিবহন শ্রমিকের মৃত্যুর সাথে একটি পরিবারের স্বপ্নের মৃত্যু ঘটে। তাই মৃত্যুবরণকারী পরিবহন শ্রমিকদের পরিবারের জন্য সরকারী বেসরকারী সহযোগিতা প্রয়োজন।
কিন্তু তাদের পরিবার এই সহযোগিতা থেকে বঞ্চিত। মৃত ২৬ শ্রমিক পরিবারের জন্য জেলা ট্রাক পিকাপ কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের আর্থিক অনুদান একটি মহৎ উদ্যোগ।
সরকারের সহযোগিতা পেলে আমরা এর পরিধি আরো বৃদ্ধি করতে পারবো।
» সিলেট কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের সাবেক সভাপতি হাজী দিলওয়ার হোসেনের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল
Published: ১৮. মে. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব মো. দিলওয়ার হোসেনের শারীরিক সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৮ মে) সিলেট কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের প্রধান কার্যালয়ে এই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
মাহফিলে মোনাজাত পরিচালনা ও বিশেষ দোয়া পাঠ করেন, নগরীর ছালিম ম্যানশনের পেশ ইমাম বিশিষ্ট আলেম মাওলানা দৌলত আহমদ।
তিনি তাঁর বয়ান ও মোনাজাতে গ্রুপটির সাবেক সফল সভাপতি মো. দিলওয়ার হোসেনের দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ আরোগ্য কামনায় মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ প্রার্থনা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সিলেট কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মইন উদ্দিন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. সুহেল আহমদ, অর্থ সম্পাদক মো. জাকারিয়া ইমতিয়াজ জাকির, প্রচার সম্পাদক মনিরুল হক, কার্যকরী কমিটির সদস্য মো. জুয়েল আহমদ, সদস্য আব্দুর রহমান, সৈয়দ কামাল উদ্দিন, হাজী মো. আব্দুল আহাদ সহ উক্ত দোয়া মাহফিলে সংগঠনের বর্তমান নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ সদস্যরা অংশ নেন।
» সিলেটের মধুবন সুপার মার্কেটে জান্নাত ফেব্রিক্স এর উদ্বোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
Published: ১৮. মে. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের মধুবন সুপার মার্কেটে জান্নাত ফেব্রিক্স এর উদ্বোধন উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৮ মে) বাদ আছর মধুবন সুপার মার্কেটের ২য় তলায় ১০৬নং দোকানে এই মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
জান্নাত ফেব্রিক্স এর স্বত্ত্বাধিকারী ফখরুল ইসলাম চৌধুরী সভাপতিত্বে দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন, মধুবন সুপার মার্কেট দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আলী আকিক, মো. মনজুর আহমদ, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. দুলাল হোসেন, মধুবন সুপার মার্কেট দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক রুবেল আহমদ, রেদোয়ান আহমদ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাব্বির আহমদ।
এছাড়াও মার্কেটের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, সুধীজনরা দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন।
মিলাদ পরিচালনা করেন, মধুবন মার্কেট মসজিদের সহকারী ইমাম মাওলানা ইউনুস মাযহার। দোয়া পরিচালনা করেন মধুবন মার্কেট মসজিদের ইমাম আব্দুল হালিম আলবাব।
জান্নাত ফেব্রিক্স এর স্বত্ত্বাধিকারী ফখরুল ইসলাম চৌধুরী মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে সবাই উপস্থিত হওয়ায় কৃতজ্ঞতা জানিয়ে শ্যাটিং, স্যুটিং, পেন্টিং ও পাঞ্জাবির কাপড় সূলভমূল্যে ক্রয় করার জন্য ক্রেতা জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানান।

