- সিসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের প্রশংসায় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
- মাহবুব আলী খানের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পরিবারের দোয়া মাহফিল
- পল্লীকবি জসীমউদ্দিন-এর ‘কবর’ কবিতার শতবছর উপলক্ষ্যে আবৃত্তি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
- তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ সঙ্কট ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধে সিলেটে ১১ দলীয় ঐক্যের স্মারকলিপি
- শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়ায় বার্ষিক সাংস্কৃতিক পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন
- জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা আয়োজন
- সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত
- এমপি এমরান চৌধুরীর সুপারিশে সিলেটের ৫ পৌরসভা পাচ্ছে ৫ শ কোটি টাকা
- রোটারী ক্লাব অব সিলেট সিনার্জির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
- বৃহত্তর মদিনা মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত
» সিসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের প্রশংসায় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
Published: ০৬. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
দেশের প্রথম বায়োড্রায়িং প্ল্যান্ট হবে সিলেটে
নিউজ ডেস্কঃ
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।
তিনি বলেছেন, অন্যান্য সিটি কর্পোরেশনের তুলনায় সিলেট অনেক বেশি পরিচ্ছন্ন।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং খাল পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে সিসিক উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে দক্ষিণ সুরমার লালমাটিয়ায় সিসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী সিসিকের সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) ঘুরে দেখেন এবং দেশের প্রথম বায়োড্রায়িং প্ল্যান্ট স্থাপনের অগ্রগতি সম্পর্কে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এ সময় সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্মসচিব) মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার এবং প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন সিসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম, এসটিএস এবং বায়োড্রায়িং প্ল্যান্টের বিভিন্ন দিক প্রতিমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমি সিসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম এবং নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেছি।
অন্যান্য সিটি কর্পোরেশনের তুলনায় সিলেট অনেক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে সিসিক যেভাবে কাজ করছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।”
তিনি আরও বলেন, “ডেঙ্গু মশা নিয়ন্ত্রণ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, খাল পুনরুদ্ধারসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে সিসিক অন্য অনেক সিটি কর্পোরেশনের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে। এই ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে বলে আমি আশা করি।”
দেশের প্রথম বায়োড্রায়িং প্ল্যান্ট:
সিসিকের আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সিলেটে দেশের প্রথম বায়োড্রায়িং প্ল্যান্ট স্থাপন করা হচ্ছে।
উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর এ প্ল্যান্ট চালু হলে নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে।
বর্জ্য থেকে বিকল্প জ্বালানি উৎপাদনের পাশাপাশি একটি বৃত্তাকার অর্থনীতি (Circular Economy) গড়ে তুলতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বায়োড্রায়িং প্রযুক্তিতে অণুজীবের প্রাকৃতিক বিপাকীয় তাপ এবং নিয়ন্ত্রিত বায়ুপ্রবাহ ব্যবহার করে গৃহস্থালি বর্জ্য, স্যুয়ারেজ স্লাজ ও কৃষিজ বর্জ্যের অতিরিক্ত আর্দ্রতা দ্রুত অপসারণ করা হয়।
এতে বর্জ্য উচ্চ তাপমাত্রাসম্পন্ন জ্বালানিতে রূপান্তরের উপযোগী হয়, যা বাংলাদেশের মতো উচ্চ আর্দ্রতাসমৃদ্ধ বর্জ্যের জন্য অত্যন্ত কার্যকর প্রযুক্তি।
পরিদর্শনকালে স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব মো. রবিউল ইসলাম, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরামর্শক মো. শাহীন আহমেদ খান, সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ উল্লাহ, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস সহ সিসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
» মাহবুব আলী খানের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পরিবারের দোয়া মাহফিল
Published: ০৬. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
মাহবুব আলী খান জনমানবের কল্যাণে তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছেন : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম
নিউজ ডেস্কঃ
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, রিয়ার এ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান জনমানবের কল্যাণে তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছেন।
কর্মজীবনে নৌবাহিনী প্রধান এবং যোগাযোগ ও কৃষিমন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে তাঁর অবদান অপরিসীম।
ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শশুড়বাড়ি হওয়ায় এই এলাকাকে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করেছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমানের বাবা রিয়ার এ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের নামে সিলেটের চন্ডিপুলের গোলচত্বরের নাম করণ করা হবে।
তিনি বাংলাদেশের সম্পদ বাংলাদেশের সকল প্রতিযশা ব্যক্তিদের নামে সমগ্র বাংলাদেশে এসব ব্যক্তিদের স্মৃতি ধরে রাখতে এরকম কাজ করা হবে।
তিনি আরো বলেন, শিশু পার্ক নির্মাণ, হাসপাতাল নির্মাণ অবকাঠামোগত উন্নয়নে রিয়ার এ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের নামে কিছু স্মৃতি ফলক নির্মাণ করা হবে। এই কার্যক্রম সফল করতে সকলের সার্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বাদ যোহর বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান, সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগ, যোগাযোগ ও কৃষিমন্ত্রী রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মরহুমের গ্রামের বাড়ি বিরাহিমপুরে পরিবারের পক্ষ থেকে আয়োজিত আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
মরহুমের ভাতিজা এবং খান বাহাদুর ডা. আসাদ্দর আলী খান ওয়াকফ এস্টেটের মুতাওয়াল্লী বাবর আলী খাঁন এর সভাপতিত্বে ও হাজী আছাদ উদ্দীন আছাদ এবং সুহেল ইবনে রাজার যৌথ পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মালিক, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম, সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি জিল্লুর রহমান, এসএমপি কমিশনার সরোয়ার মুর্শেদ শামীম, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী শাহাব উদ্দিন, মরহুমের ভাতিজা নাছির আলী খাঁন, নাহিদ আলী খাঁন, সাংবাদিক শিহাব আহমদ, বিএনপি নেতা মনিরুল ইসলাম তুরন, লোকমান আহমদ, রাসেল আহমদ রাসেল সহ এলাকার গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ, সিলেট জেলা, মহানগর, উপজেলা বিএনপি, যুবদল ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল সহ সরকারের উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে বাদ আসর পরিবারের পক্ষ থেকে হযরত শাহজালাল দরগা (রহ.), শাহপরাণ মাজার (রহ.) ও লতিফিয়া হাফিজিয়া মাদরাসায় দোয়া মাহফিল ও শিরনী বিতরণ করা হয়।
» পল্লীকবি জসীমউদ্দিন-এর ‘কবর’ কবিতার শতবছর উপলক্ষ্যে আবৃত্তি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
Published: ০৬. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
পল্লীকবি জসীমউদ্দীন রচিত বিক্ষাত ‘কবর’ কবিতাটি ১৯২৫ সাল (বাংলা ১৩৩২ সনে) কল্লোল পত্রিকার প্রথম প্রকাশিত হয়।
তাই শতবছর পেরুলে ‘কবর’ কবিতার শতবছর উপলক্ষ্যে মুক্তাক্ষর আয়োজন করে আবৃত্তি প্রতিযোগিতার।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ছাতক চন্দ্রনাথ বালিকা বিদ্যালয়ে শিক্ষক অমরেশ সরকার সঞ্জু এর উপস্থাপনায় ও মুক্তাক্ষরের পরিচালক প্রশিক্ষক বিমল করের সভাপতিত্বে আলোচনা ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠানকে প্রাঞ্জল করেন, ছাতক চন্দ্রনাথ বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শেখ মো.রবিউল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অত্র বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী বাংলা শিক্ষক শাহানারা বেগম ডলি, সহকারী বাংলা শিক্ষক সাদেকুল ইসলাম, সহকারী বাংলা শিক্ষক জুবায়ের আলম।
বিচারকার্যে ছিলেন মুক্তাক্ষরের প্রশিক্ষক বিমল কর। উক্ত বিদ্যালয়ে ভৌত বিজ্ঞানের রাজিব দাস ও ইংরেজি বিভাগের গুনেন্দ্র সরকার।
২০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে প্রথম স্থান অর্জন করে ৬ষ্ঠ শ্রেণির সেঁজুতি ঘোষ। ২য় স্থান অর্জন করে স্বীকৃতি সাশ। ৩য় স্থান অর্জন করে ৬ষ্ঠ শ্রেণির শুভশ্রী দেব।
অনুষ্ঠানটি ব্যবস্থাপনায় ছিল সপ্তক সংগীত বিদ্যালয় ছাতক।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, পল্লীকবি জসীমউদ্দীন-এর কালজয়ী কবিতার সাথে চন্দ্রনাথ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ও শতবছরের স্বাক্ষী হয়ে রইল।
অন্তর নিহিত কবিতার মর্মার্থ স্কুল পাঠ্যের সেরা কবিতার উপলব্ধি সকল শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিস্ফুটিত হোক।
» তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ সঙ্কট ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধে সিলেটে ১১ দলীয় ঐক্যের স্মারকলিপি
Published: ০৬. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
ভুতুড়ে বিল বন্ধ, ‘গ্যাস না থাকলে বিল নয়’ নীতি বাস্তবায়নের আহ্বান
জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার, গ্যাস সংকট নিরসন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য সিলেট জেলা ও মহানগর।
বুধবার বাদ জোহর জেলা ও মহানগর ১১ দলীয় ঐক্যের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী নগরীর সিটি পয়েন্ট থেকে মিছিল সহকারে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে গিয়ে অবস্থান কর্মসুচী পালন শেষে স্মারকলিপি প্রদান করেন।
স্মারকলিপিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির ফলে পরিবহন ব্যয়, উৎপাদন খরচ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আরও বাড়বে।
এতে সীমিত আয়ের মানুষের জীবনযাত্রা দুর্বিষহ হয়ে পড়বে এবং শিল্প-বাণিজ্যসহ জাতীয় অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
স্মারকলিপিতে ১১ দফা দাবি তুলে ধরে নেতারা ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলের গণশুনানি, ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়া বাতিল, অতিরিক্ত আদায়কৃত অর্থ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেরত, বিদ্যুৎ বিলিংয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত, ‘গ্যাস না থাকলে বিল নয়’ নীতি কার্যকর, নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধান, গ্যাসের সিস্টেম লস ও চুরি বন্ধ, শিল্পে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত, এলপিজি ও সিএনজির পর্যাপ্ত সরবরাহ এবং বিদ্যুৎ-গ্যাস খাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
একই সঙ্গে বাজারে সিন্ডিকেট, মজুতদারি ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে নিত্যপণ্যের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার আহ্বান জানান।
তারা বলেন, এসব দাবি কোন বিশেষ গোষ্ঠীর নয়; বরং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার ও জীবনযাত্রার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। তাই জনদুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা ও মহানগর ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক এবং মহানগর জামায়াতের আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও সিলেট জেলা আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান, এনসিপি সিলেট জেলা আহ্বায়ক জুনেদ আহমদ, এনসিপির সিলেট মহানগর আহ্বায়ক এডভোকেট আব্দুর রহমান আফজল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগর আহ্বায়ক আলহাজ্জ মাওলানা এমরারন আলম, জেলা সভাপতি হাফিজ মাওলানা ইকবাল হুছাইন, লেবারপার্টি সিলেট মহানগর সভাপতি মাহবুবুর রহমান খালেদ, জেলা সভাপতি মাওলানা নুরুল আমিন নিয়াজী, এলডিপি সিলেট মহানগর সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন লিটন, নেজামে ইসলাম পার্টির মহানগর সভাপতি মাওলানা মুজাম্মিল হক তালুকদার, জাগপা সিলেট মহানগর সভাপতি শাহজাহান আহমদ লিটন, এবি পার্টির মহানগর আহ্বায়ক ওমর ফারুক, বিডিপি মহানগর সভাপতি কবির আহমদ, সিলেট মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারী মোহাম্মদ শাহজাহান আলী ও জেলা সেক্রেটারী জয়নাল আবেদীন প্রমূখ।

» শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়ায় বার্ষিক সাংস্কৃতিক পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন
Published: ০৬. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সৃজনশীল ও সাংস্কৃতিক চর্চার ব্যাপ্তি বাড়াতে হবে : ড. ফজলুর রহিম কায়সার
নিউজ ডেস্কঃ
শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ড. ফজলুর রহিম কায়সার বলেছেন, শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যপুস্তকের জ্ঞানার্জনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না, বরং তাদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সৃজনশীল ও সাংস্কৃতিক চর্চার ব্যাপ্তি বাড়াতে হবে।
সহ পাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ, নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন এবং শৃঙ্খলাবোধ গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সঠিক নৈতিক শিক্ষা ও সংস্কৃতির সান্নিধ্যে বেড়ে উঠলে আমাদের তরুণ প্রজন্ম আগামী দিনে দেশের কাঙ্ক্ষিত নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হবে।
তিনি আরো বলেন, বর্তমান ডিজিটাল যুগে তরুণ প্রজন্মকে প্রযুক্তিভিত্তিক অসচেতনতা ও অপসংস্কৃতির হাত থেকে রক্ষা করতে সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমের কোনো বিকল্প নেই।
খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মাঝে দলগত চেতনা, শৃঙ্খলা এবং সহনশীলতার বিকাশ ঘটে।
শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ যেভাবে মেধা ও নৈতিকতার সমন্বয়ে শিক্ষা প্রদান করছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে প্রতিষ্ঠানের হলরুমে শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজে (ইংরেজি ভার্সন) ‘বার্ষিক সাংস্কৃতিক পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
প্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপাল মোহাম্মদ গোলাম রব্বানীর সভাপতিত্বে ও সহকারি শিক্ষিকা তাজিন জাকিয়া এবং ফারজানা ইয়াসমিন এর যৌথ পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, হাসান মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও গভর্নিং বডির সদস্য নিয়াজ মো. আজিজুল করিম।
সভাপতির বক্তব্যে গোলাম রব্বানী বলেন, আমরা কেবল শিক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক ফলাফলের দিকেই নজর দিচ্ছি না, বরং তাদের সার্বিক মানসিক ও নৈতিক বিকাশকে সমান প্রাধান্য দিচ্ছি।
নিয়মিত খেলাধুলা, সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চা ও সৃজনশীল কার্যক্রমের মাধ্যমে আমাদের শিক্ষার্থীরা দেশীয় সংস্কৃতি ও সঠিক মূল্যবোধের সাথে পরিচিত হচ্ছে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি এ ধরনের আয়োজন তাদের আত্মবিশ্বাসী ও দায়িত্বশীল নাগরিক হতে সাহায্য করবে।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারি প্রধান শিক্ষক মো: মোস্তফা কামাল, কলেজ ইনচার্জ মো. রফিকুল ইসলাম মজুমদার প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।
এদিকে সকালে প্রাথমিক বাংলা ভার্সন সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
প্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপাল মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, দি ইসলামিত সোসাইটির সহ-সভাপতি মোহাম্দ আব্দুস শাকুর।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সোসাইটির সেক্রেটারি জাহেদুর রহমান চৌধুরী।
বক্তব্য রাখেন, প্রাথমিক বাংলা ভার্সনের কো-অর্ডিনেটর জাহানার বেগম আক্তার।

» জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা আয়োজন
Published: ০৬. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোট সিলেট জেলা শাখার উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ২য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী কর্মসূচির ২য় দিন বৃহস্পতিবার (৬ আগষ্ট) দুপুর ২টায় নগরীর চৌকিদেখীতে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) সিলেট জেলা শাখার সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত মেডিকেল কর্মসূচির উদ্বোধন করেন, সিলেট মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম।
জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোট সিলেট জেলা শাখার আহবায়ক সাজন আহমদ সাজুর সভাপতিত্ব এবং যুগ্ম আহবায়ক সাহেল আহমদ নয়নের পরিচালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, নর্থ ইষ্ট মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক, সিলেট জেলা ড্যাবের সদস্য ডা. আফতাব উদ্দিন চৌধুরী, ডা. মতিউর রহমান ফুজায়েল, ডা. রেদোয়ান আহমেদ, সমাজকর্মী সাইদ মাহমুদ ওয়াদুদ, জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোট সিলেট জেলা শাখার যুগ্ম আহবায়ক শামীম আহমদ, মো. শহীদ নুর, কবি শাহজাহান মিয়া, সংগঠনের সদস্য নাট্যাভিনেতা কামাল আহমদ দূর্জয়, জাকির হোসেন, খলিলুর রহমান, সালাম আহমদ, ফকির আলমগীর, আছমা আক্তার।
ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে প্রায় শতাধিক গরীব-অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত রোগীকে চিকিৎসা সেবা প্রদান এবং বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ঔষধ প্রদান করা হয়।
» সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত
Published: ০৬. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের ৩৩ বছর পূর্তিতে লাল পতাকা র্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট ২০২৬) বিকেল ৫টায় সুরমা পয়েন্টে জমায়েত হয়ে এক বিক্ষোভ লাল পতাকা র্যালি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কোর্ট পয়েন্ট হয়ে পুণরায় সুরমা পয়েন্টে এসে জেলা সভাপতি মো. ছাদেক মিয়া’র সভাপতিত্বে এবং সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের ১১তম সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির যুগ্ম আহবায়ক ইমান আলী’র পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সিলেট জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক রমজান আলী পটু, শাহপরান থানা কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা আনু মিয়া, ১১তম সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক মীর মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, জেলা কমিটির অন্যতম নেতা আনোয়ার হোসেন, বন্দর বাজার আঞ্চলিক কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সিদ্দিক মিয়াসহ প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দ বলেন ১৯৯৩ সালের ৬ আগস্ট সংগঠনের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই শ্রমিকদের আইনি সুযোগ সুবিধা আদায় ও অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে লড়াই সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে।
হোটেল সেক্টরের শ্রমিকদের যেমন নেই চাকরির নিশ্চয়তা, তেমনি নেই জীবনের নিরাপত্তা। হোটেল-রেস্টুরেন্ট মালিকরা দেশে প্রচলিত শ্রমআইনের তোয়াক্কা না করে তাদের মনগড়া ইচ্ছামাফিক স্বেচ্ছাচারী কায়দায় প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন।
কাগজে-কলমে প্রচলিত শ্রমআইনে নিয়োগপত্র-পরিচয়পত্র, সার্ভিসবুক প্রদান, দৈনিক ৮ ঘন্টা কর্মদিবস, অতিরিক্ত কাজে দ্বিগুণ মজুরি ও বছরে ২ টি উৎসব বোনাস প্রদান, মজুরিসহ সাপ্তাহিক দেড় দিন ছুটি, বছরে ১০ দিন নৈমিত্তিক ছুটি, ১৩ দিন উৎসব ছুটি, ১৪ দিন চিকিৎসা ছুটি, প্রতি ১৮ দিন কাজে ১ দিন অর্জিত ছুটি, মাতৃত্বকালীন ছুটি ১২০ দিন ইত্যাদি অধিকার থাকলেও হোটেল সেক্টরে মূলতঃ তা বাস্তবায়ন করা হয় না।
সংগঠন প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এসকল দাবি ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য মালিক শ্রেণী, সরকার প্রশাসন ও প্রতিক্রিয়াশীল মহলের কাছে সংগঠন ও তার নেতৃত্ব চক্ষুশোল হয়ে হামলা-মামলা, আক্রমণ ও ষড়যন্ত্র-চক্রান্তের শিকার হতে হয়।
সংগঠনের ধারাবাহিক আন্দোলনের ফলে ২০২৫ সালের ৫ মে হোটেল রেস্টুরেন্ট সেক্টরে শ্রমিকদের জন্য নিম্নতম মজুরি ঘোষণা করা হলেও অদ্যবধি তা কার্যকর হচ্ছেনা।
এ প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে হোটেল রেস্টুরেন্ট সেক্টরে একমাত্র ক্রিয়াশীন সংগঠন বাংলাদেশ হোটেল রেস্টুরেন্ট সুইটমিট শ্রমিক ফেডারেশন একাধিকবার সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহে চিঠি/স্মারকলিপি প্রদান করলেও কার্যকর কোন পদক্ষেপ গৃহীত হয়নি।
সংগঠনের ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে হোটেল-রেস্টুরেন্ট সেক্টরের শ্রমিকদের বাঁচার মত মজুরি, শ্রমআইন অনুযায়ী প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা আদায়ের সংগ্রামের পাশাপাশি শ্রমিক শ্রেণির সার্বিক মুক্তির লক্ষ্যে হোটেল-রেস্টুরেন্ট শ্রমিকদেরকে দেশের অপরাপর সেক্টরের শ্রমিকদের ও জনগণের আন্দোলন-সংগ্রামে একাত্ম হতে হবে।
সেই সাথে শ্রমিক-কৃষক-জনগণের সাম্রাজ্যবাদ-সামন্তবাদ বিরোধী জাতীয় গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে অগ্রসর করা ছাড়া হোটেল-শ্রমিকসহ শ্রমিক-কৃষক-জনগণের সার্বিক মুক্তি অর্জনের বিকল্প নেই। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে বৃহত্তর আন্দোলন-সংগ্রাম গড়ে তোলার আহবান জানান।
» এমপি এমরান চৌধুরীর সুপারিশে সিলেটের ৫ পৌরসভা পাচ্ছে ৫ শ কোটি টাকা
Published: ০৬. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। তৃণমূল থেকে উঠে আসা নেতা।
জেলার রাজনীতিক হওয়ায় নিজ নির্বাচনি এলাকা গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার ছাড়াও ভাবেন পুরো সিলেটের কথা। এরই যেন প্রমাণ দিলেন আজ বৃহস্পতিবার।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে কাছে পেয়ে সুপারিশ করেন, সিলেটের ৫টি পৌরসভায় উন্নয়ন-বরাদ্দের। সুপারিশটি ফেলেননি প্রতিমন্ত্রী। সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের দিলেন প্রয়োজনীয় নির্দেশ।
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সিলেট সফর করেছেন।
বিকালে ঢাকার যাওয়ার উদ্দেশ্যে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানব্ন্দরে অবস্থান করার সময় এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী নিজ নির্বাচনি এলাকা গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার সহ জেলা ৫টি উপজেলার জন্য উন্নয়ন-বরাদ্দ চান।
আবদার শুনেই প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় সরকার বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন, ৫ পৌরসভার জন্য ১০০ কোটি করে ৫০০ কোটি টাকার ডিপিপি (Development Project Proposal বা উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব) তৈরি করার।
পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এলাকার এমপিদের ডি.ও. লেটার পাঠানোর পরামর্শ দেন প্রতিমন্ত্রী।
তাৎক্ষণিক এই উন্নয়ন-ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী এমপি।
পরে এক প্রতিক্রিয়ায় সিলেট-৬ আসনের সাংসদ বলেন- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সব মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী সিলেটের উন্নয়ন নিয়ে আন্তারিক।
যে কারণে আমি আবদার করতেই প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম তৎক্ষণাৎ সিলেটের ৫টি পৌরসভার উন্নয়ন-বরাদ্দের ব্যবস্থা করেন। এজন্য মাননীয় প্রতিমন্ত্রী সহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, এ সরকারের আন্তারিকতায় উন্নয়নের মাধ্যমে সিলেটের গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার সহ সব উপজেলাই আগামী কয়েক বছরে বদলে যাবে ইনশা আল্লাহ।
উল্লেখ্য, সিলেটের ৫টি হচ্ছে, গোলাপগঞ্জ, বিয়ানীবাজার, বিশ্বনাথ, জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট।
» রোটারী ক্লাব অব সিলেট সিনার্জির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
Published: ০৬. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
রোটারী মানবতার কল্যাণে কাজ করছেন জেলা জজ শারমিন নিগার
নিউজ ডেস্কঃ
রোটারি ক্লাব অব সিলেট সিনার্জির উদ্যোগে পরিবেশ রক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গো গ্রিণ এর আওতায় এক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ অগাস্ট) দুপুর ২টায় সিলেট নগরীর জজ কোর্ট আঙ্গিনায় এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেটের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শারমিন নিগার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেটের মহানগর দায়রা জজ মুন্সী আব্দুল মজিদ, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহা. ইমাম হাসান, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুর রহমান ভূঁঞা, সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি গোলাম ইয়াহিয়া চৌধুরী সুহেল, রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ডি-৬৫ এর এসিস্ট্যান্ট কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর রোটারীয়ান পিপি এড. সিদ্দিকুর রহমান, এসিস্ট্যান্ট কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর রোটারিয়ান পিপি জাকির চৌধুরী, গো গ্রিণ প্রজেক্ট এর কনভেনার রোটারিয়ান পিপি মাহবুবুল হক চৌধুরী, সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি একেএম সামিউল আলম, সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি শামসুল হক, কো-অর্ডিনেটর (অ্যাডমিন) রোটারিয়ান কামরুজ্জামান চৌধুরী রুম্মান, রোটারীয়ান পিপি আব্দুল বাছিত।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই।
রোটারি ক্লাব অব সিলেট সিনার্জির এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। এসব কর্মসূচি পালনের পাশাপাশি রোটারি পাবলিক ইমেজ নিয়েও ক্লাবগুলোকে কাজ করতে হবে।
যাতে করে সকলেই রোটারি কার্যকলাপ সম্পর্কে অবহিত থাকেন। রোটারীয়ানরা নিজেদের টাকা দিয়ে মানবতার কল্যাণে কাজ করছে, যা প্রশংশনিয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, রোটারি ক্লাব অব সিলেট সিনার্জির সভাপতি রোটারিয়ান তানভীর আহমদ।
এসময় পিপি মাহবুবুল হক চৌধুরী বলেন, সবুজ ও পরিচ্ছন্ন সিলেট গড়তে হলে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। রোটারি ক্লাব অব সিলেট সিনার্জি পরিবেশ সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে নিয়মিত বৃক্ষরোপণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আজকের এই কর্মসূচি তারই অংশ।
আমাদের রোটারীর লক্ষ্য-সবুজে ঘেরা, বাসযোগ্য একটি সিলেট বিনির্মাণ।
রোটারী ক্লাব অব সিলেট সিনার্জির রোটারীয়ান পিপি, কো-অর্ডিনেটর (এডমিন) এডভোকেট এম এ সালেহ চৌধুরীর এর সহযোগিতায় বৃক্ষরোপন অনুষ্ঠানে ক্লাব সিপি, ডেপুটি কোওর্ডিনেটর ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট হাফিজ আব্দুর রহমান, পিপি ডেপুটি কোওর্ডিনেটর এডমিন, সৈয়দ ফরহাদুর রব, পিপি এসিস্ট্যান্ট কোওর্ডিনেটর ইকবাল হোসেন, ক্লাবের ট্রজারার রোটারিয়ান দেলোয়ার হোসেন, এডভোকেট দেলোয়ার হোসেন দিলু, এপেক্সিয়ান এডভোকেট কবির আহমেদ, এডভোকেট আলমগীর হোসেন, ডা শাহিন আলম, এডভোকেট জসিম উদ্দিন, এডভোকেট কাওসার আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
রোটারিয়ানরা সিলেট জেলা ও দায়রা জজ এর মসজিদের সামনে ১০০টি ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ রোপন করেন। জেলা জজ বাসভবনের পাশে রোপণের জন্য ৫০ টি চারা প্রদান করপন। পর্যায়ক্রমে ১০ হাজার বৃক্ষরোপণ অব্যাহত থাকবে।
» বৃহত্তর মদিনা মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত
Published: ০৬. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃহত্তর মদিনা মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে এক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) কর্মসূচিতে সমিতির সভাপতি আমির হোসেন-এর নেতৃত্বে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপণ করা হয়।
এ সময় ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা উপস্থিত থেকে পরিবেশ সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সভাপতি আমির হোসেন বলেন, “পরিবেশ রক্ষায় প্রত্যেকের উচিত অন্তত একটি করে গাছ রোপণ করা এবং তা পরিচর্যা করা। একটি সবুজ ও বাসযোগ্য নগরী গড়তে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ব্যক্তিরা বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান এবং সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে বেশি বেশি গাছ লাগানোর অনুরোধ করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, পাঠানটুলা জামিয়া ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা লৎফুর রহমান, মাওলানা শাহ মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ, আল মদিনা মসজিদ মদিনা মার্কেট এর ইমাম খতিব মাওলানা মাহফুজ আহমদ, শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা পাঠানটুলা সিলেটের প্রিন্সিপাল মাওলানা মো. লুৎফুর রহমান, মাওলানা আসম আলা উদ্দিন, মাওলানা শাহ মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ, নবনির্বাচিত বৃহত্তর মদিনা মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সভাপতি, জুবেল আহমদ, হাফিজ মোহাম্মদ মহিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক, আজাদ আহমদ আজাদ, যুগ্ম সম্পাদক ফারুক মিয়া, সহ সাধারণ সম্পাদক, মোহাম্মদ কাহার মিয়া, মো. বেলাল আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক, মানিক মিয়া, কোষাধ্যক্ষ, সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, ধর্ম সম্পাদক, মো. ইমরুল হাসান (জাফরী) সমাজ কল্যাণ সম্পাদক, মো. বশির আহমদ, দস্তর ও প্রচার সম্পাদক, আলেক আহমদ, কার্যকরী সদস্য মো. হাবিবুর রহমান তালুকদার।
ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মো. সুমন মিয়া, মো. সোলেমান হোসেন, আমিনুর রশিদ, প্রবির তালুকদার, নিটু সরকার, বিপেশ সরকার, রুবেল মিয়া প্রমুখ।
» ইদ্রিস অ্যান্ড আনোয়ারা ফাউন্ডেশনের বৃত্তি ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
Published: ০৬. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে ও বাবা-মায়ের মুখ উজ্জ্বল করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে : কয়েস লোদী
শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি নিয়মিত খেলাধুলায় অংশ নেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক)-এর চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।
» বিশ্বনাথ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আবুল কালাম মেম্বারের কারামুক্তি ও ফুলেল সংবর্ধনা
Published: ০৬. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় কারাবাসের এক সপ্তাহ পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন বিশ্বনাথ উপজেলার ১নং লামাকাজী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আবুল কালাম মেম্বার।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টায় সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার ফটকে মুক্তি লাভের পর তাঁকে ফুলেল সংবর্ধনা জানান দলীয় নেতাকর্মীবৃন্দ।
কারাফটকে উপস্থিত থেকে তাঁকে সংবর্ধনা জানান সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য ও বিশ্বনাথ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এবং খাজাঞ্চি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. আশিকুর রহমান রানা, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইদ আহমদ, সদস্য তাজেক আলী, গোলাম আকবর, সাইফুল খান, কবি এসপি সেবু, বাবুল আহমদ, লামাকাজি ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায় হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম আহ্বায়ক গৌছ আলী, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আবুল মুতালিব, কফিল উদ্দিন, আব্দুল কাদির, সামছুল হক, আব্দুল কাদির, ছেরাগ আলী, দিলোয়ার মিয়া, নাছির সহ বিশ্বনাথ উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
সংবর্ধনা শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে নেতৃবৃন্দ বলেন, আবুল কালাম মেম্বারের ওপর দায়ের করা মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। তা না হলে লামাকাজী ইউনিয়নের সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

