শিরোনামঃ-

» সাগরদিঘিরপাড় ওয়াকওয়ে, সড়ক ও বিদ্যুৎবাতি উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক

Published: ১২. জুলা. ২০২৬ | রবিবার

বৃষ্টি উপেক্ষা করেও জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ চলছে

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, নগরবাসীকে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিতে বৃষ্টি উপেক্ষা করেও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ অব্যাহত রয়েছে।

জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেন পরিষ্কার, নতুন ড্রেন নির্মাণ ও সংস্কারের পাশাপাশি নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সড়ক উন্নয়ন কার্যক্রমও একযোগে পরিচালিত হচ্ছে।

রোববার (১২ জুলাই) সন্ধ্যায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সম্প্রসারিত এলাকা সহ মহানগরীর সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সাগরদিঘীরপাড়ে নবনির্মিত ওয়াকওয়ে, এসফল্ট সড়ক এবং সড়কবাতির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সিসিক প্রশাসক বলেন, “আমাদের লক্ষ্য একটি আধুনিক, নিরাপদ ও জলাবদ্ধতামুক্ত নগরী গড়ে তোলা। টানা বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মী ও প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

নগরবাসী যাতে সামান্য বৃষ্টিতেও জলাবদ্ধতার কারণে দুর্ভোগে না পড়েন, সে লক্ষ্যেই ড্রেন পরিষ্কার, ড্রেন সংস্কার এবং সড়ক উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “শুধু অবকাঠামো নির্মাণ করলেই হবে না, এগুলোর সুষ্ঠু রক্ষণাবেক্ষণেও নাগরিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন।

ড্রেন ও খালে ময়লা-আবর্জনা না ফেলে সবাই সচেতন হলে জলাবদ্ধতা নিরসনে আমাদের প্রচেষ্টা আরও কার্যকর হবে।

পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য সিলেট গড়ে তুলতে সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি নগরবাসীকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”

তিনি বলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশন নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থা, ড্রেনেজ অবকাঠামো, আলোকসজ্জা এবং জনবান্ধব নগর পরিবেশ নিশ্চিত করতে ধারাবাহিকভাবে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।

সাগরদিঘীরপাড়ে নবনির্মিত ওয়াকওয়ে, এসফল্ট সড়ক ও সড়কবাতি স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচল সহজ করার পাশাপাশি এলাকার সৌন্দর্যও বৃদ্ধি করবে।

অনুষ্ঠানে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সালেহ আহমদ, সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রাজীব কুমার দে, সৈয়দ আলী রেজা সাচ্চু, মাজহারুল ইসলাম মেনন, খন্দকার মাহবুব রব, সানাউল হক সানা, পারভেজ আহমদ, শামীম রেজা, মাহফুজ, সুমন সিংহসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে সিসিক প্রশাসক নবনির্মিত ওয়াকওয়ে, এসফল্ট সড়ক ও সড়কবাতির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

» শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার মাজার জিয়ারত করলেন কয়েস লোদী সহ ৯ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান

Published: ১২. জুলা. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা ও  শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজার জিয়ারত করেছেন, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী সহ দেশের ৯টি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানবৃন্দ।

রবিবার (১২ জুলাই) গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের নেতৃত্বে চেয়ারম্যানগণ শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জিয়াউর রহমানের মাজারে উপস্থিত হন।

সেখানে তাঁরা পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তাঁরা মরহুম নেতাদের আত্মার মাগফিরাত ও দেশের কল্যাণ কামনা করে সূরা ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।

জিয়ারতকালে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’র চেয়ারম্যান এস. এম. শফিকুল আলম, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’র মো. আবুল কালাম আজাদ, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’র মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’র মোতাহার হোসেন তালুকদার, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’র মো: শামসুজ্জামান সামু, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’র উতবাতুল বারী আবু, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’র মাসুকুল ইসলাম রাজিব।

মোনাজাত পরিচালনা শেষে গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান, নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানগণ নিজ নিজ অঞ্চলের পরিকল্পিত উন্নয়ন ও নগরায়ণে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন।

» আমরা জুলাই যোদ্ধা সিলেট জেলার আহ্বায়ক কমিটি গঠন

Published: ১২. জুলা. ২০২৬ | রবিবার

আহ্বায়ক আলাল আহমদ, সদস্য সচিব এম এ মতিন

নিউজ ডেস্কঃ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়ন ও যোদ্ধাদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে “আমরা জুলাই যোদ্ধা” কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি সিলেট জেলা শাখার ৬৯ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি বর্ধিত করে নতুন উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদন দিয়েছে।

কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম ইমন ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আল মিরাজ স্বাক্ষরিত এক পত্রে এই গুরুত্বপূর্ণ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

নতুন এই কমিটিতে আলাল আহমদকে আহ্বায়ক এবং মোঃ আব্দুল মতিনকে সদস্য সচিব মনোনীত করা হয়েছে।

কমিটির নেতৃবৃন্দ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যোদ্ধাদের গেজেটভুক্তকরণ, যথাযথ চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিতকরণ ও সংগঠনকে আরও গতিশীল করতে একযোগে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

কমিটির উপদেষ্টারা হলেন, সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা, সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মালেক, সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ্ সিদ্দিকী, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, সিলেট মহানগর বিএনপির নির্বাচিত সভাপতি নাছিম হোসাইন,  মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুব চৌধুরী, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা হেলাল উদ্দিন আহমদ।

কমিটির অন্যানরা হলেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মিছবাহ আহমদ জেহিন, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ফরিদ মিয়া, মুমিনুর রহমান তানিম, রাজু আহমদ, রুবেল আহমদ, কামাল আহমদ, মো. ফারুক আহমদ, কামাল হোসেন মিটু, সাইফুল ইসলাম, লায়েক আহমদ, সেলিম আহমদ, মো. ইব্রাহিম আহমদ, সুহেল আহমদ, আব্দুল কাদির জিলানি, রাশেদুজ্জামান রাসেল, মো. জুবেল আহমদ স্বপন, আসাদুজ্জামান, মো. সাজন আহমদ সাজু, রিপন চৌধুরী, মো. এনামুল কবির, সলিম আহমদ সেলু, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব মো. আব্দুল জলিল, যুগ্ম সদস্য সচিব (দপ্তরে নিযুক্ত) রেজাউল ইসলাম নাহিদ, সদস্য কামরুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান জুয়েল, শেখ মারজান আহমদ, আব্দুল মালিক, মোঃ কামাল উদ্দিন তালুকদার, সজিব আহমদ, লিমন আহমদ, জসিম উদ্দিন, হুমায়ুন আহমদ, উসমান সুলতান, নজরুল ইসলাম, রুবেল আহমদ, ময়নুল হক ইমন, সুহেল আহমদ, মোঃ ভজার হোসেন, হোসেন আহমদ, সোহেল আহমদ, উসমান গণী, আমির হামজা, এহসানুল মাসুদ সাজ্জাদ, জসিম উদ্দীন, মো. তৈয়বুর রহমান, ইসলাম উদ্দিন, জাফর আহমদ, মো. আনোয়ার হোসেন লিমন, মো. ইসহাক আহমদ, মো. রুবেল আহমদ, আনহার হোসেন, আবু সালেহ, মো. মিনহাজ আহমেদ, অসিম উদ্দিন, রাজিব আহমেদ, সাহেদ আহমদ, ফারুক আহমদ, ইকবাল হোসেন, মো. আকবর আলী, জামিল হোসাইন সামি, রুহুল আমিন রোহান, মোরশেদ আহমদ, নাহিদ উদ্দিন, আজহার উদ্দিন সুজন, সাফিমান চৌধুরী, মুবিন আহমদ, সেবুল রেজা।

» আইনজীবীদের সাথে সিলেট মহানগর জামায়াতের মতবিনিময়

Published: ১২. জুলা. ২০২৬ | রবিবার

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীদের স্বোচ্চার হতে হবে : মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম

নিউজ ডেস্কঃ
জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগর আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেছেন, দেশের সকল ক্রান্তিলগ্নে আইনজীবীদের গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রয়েছে।

ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আইনজীবীগণ অগ্রনী ভুমিকা পালন করেছেন।

গণঅভ্যুত্থানে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হলেও জনগণের কাঙ্খিত স্বপ্ন পূরণ হয়নি। সরকার ক্ষমতায় গিয়ে জুলাই সনদকে উপেক্ষা ও প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের দেয়া গণভোটের রায়কে বাতিল করেছে।

ফলে দেশে আবারও বিচারবিভাগকে নিয়ন্ত্রণের অপচেষ্টা চলছে।

অথচ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল স্পিরিট ছিল উই ওয়ান্ট জাস্টিস ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ। কিন্তু সরকার বিচার বিভাগে নগ্ন হস্থক্ষেপের মাধ্যমে জুলাই স্পিরিটকে উপেক্ষা করেছে।

গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের রক্তের সাথে সরকারের এই প্রতারণা জনগণ মেনে নিবেনা। স্বাধীন বিচার বিভাগ ও স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীদের স্বোচ্চার হতে হবে।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে জামায়াত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। সকলের জন্য ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে চাই।

খুন, গুম ও জুলুমের রাজনীতির অবসান চাই। এদেশে আর কাউকে ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে দেয়া হবেনা। এজন্য সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে।

জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে আগামী ২৫ জুলাই বেলা ২টায় সিলেট সরকারী আলিয়া মাঠে ১১ দলীয় ঐক্য ঘোষিত বিভাগীয় সমাবেশ সফলে আইনজীবীদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

তিনি রোববার (১২ জুলাই) জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সিলেট মহানগর জামায়াত ঘোষিত মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে এবং আগামী ২৫ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য ১১ দলীয় সিলেট বিভাগীয় সমাবেশ সফলের লক্ষ্যে আইনজীবীদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল সিলেটের সভাপতি এডভোকেট আলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল খালিকের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর হাফিজ মিফতাহুদ্দীন ও সহকারী সেক্রেটারী এডভোকেট মোহাম্মদ আব্দুর রব।

আইনজীবীদের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, জেলা বারের সিনিয়র আইনজীবী ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সিলেট মহানগর সভাপতি এডভোকেট জামিল আহমদ রাজু, এডভোকেট আজিম উদ্দিন, এডভোকেট দেলোয়ার হোসেন শামীম, এডভোকেট শফিকুল ইসলাম, এডভোকেট নাজমুল হুদা, এডভোকেট জুনেদ আহমদ, এডভোকেট আফজল মিয়া তালুকদার, এডভোকেট দেলোয়ার হোসেন, এডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান, এডভোকেট কাজী আতিকুল ইসলাম ও এডভোকেট আফজালুর রহমান প্রমূখ।

» “বৃটেনের কার্ডিফে হলো ” ওয়েলসের প্রথম ফার্স্ট মিনিস্টার ডিভলিউশনের জনক” রডরি মর্গানের স্ট্যাচু

Published: ১২. জুলা. ২০২৬ | রবিবার

জেসমিন মনসুরঃ

বৃটেনের রাজনীতিতে ওয়েলস এসেম্বলির প্রথম ফার্স্ট মিনিস্টার রাইট অনারেবল রডরি মর্গান শুধু একটি নাম নয়, আমৃত্যু তিনি ওয়েলসবাসীর জন্য নিষ্টা ও নিরলসভাবে কাজ করার মাধ্যমে “ডিভলিউশনের জনক” হিসাবে ইতিহাস সৃষ্টি করে গেছেন।

তাঁর জীবন ও অবদানের স্মরণে ওয়েলস কার্ডিফ বে-র সেনেড (পার্লামেন্ট) ভবন ও পিয়ারহেড বিল্ডিংয়ের মাঝামাঝি স্থানে স্থাপিত এই ভাস্কর্যটি এখন থেকে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং ওয়েলসের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হবে।

বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায়, আর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সাবেক মন্ত্রী জেইন এলিজাবেথ হাট এর পরিচালনায়  ১১ জুলাই দূপুর ১২ ঘটিকায় রাজনীতিবিদ, রডরির পরিবার-পরিজন,নানা শ্রেণি পেশার বিশিষ্টজনরা ছাড়া ও শত শত সাধারণ মানুষের সরব উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ব্রোঞ্জের মূর্তি উন্মোচন অনুষ্ঠানে ওয়েলসের পার্লামেন্টের ডেপুটি ফাস্ট মিনিষ্টার সিওনেড উইলিয়ামস, সাবেক ফার্স্ট মিনিস্টার মার্ক ড্রেকফোর্ড, ফাইন্যান্স মিনিস্টার এলিন জোন্স,মর্গানের স্ত্রী জুলি মর্গান,সিনেড মেম্বার হিউ টমাস,লেবার এমএস শাভ, ল্লুইড হিউ ইরাঙ্কা-ডেভিস, কার্ডিফের লর্ড মেয়র রাইট অনারেবল মাইকেল মাইকেল ও রডরি মর্গান ট্রাস্টের অন্যতম ফাউন্ডার্স কাউন্সিলার দিলওয়ার আলী সহ অন্যান্য বিশিষ্টজনরা বক্তব্য রাখেন।

এই মহতি পোগ্রামে কার্ডিফ ইন্টারন্যাশনাল ম্যাদার ল্যাংগুয়েজ মনুমেন্ট তথা শহীদ মিনার ফাউন্ডার্স ট্রাষ্ট কমিটির সেক্রেটারি কমিউনিটি লিডার মোহাম্মদ মকিস মনসুর, ওয়েলস বাংলাদেশ উইমেন্স এসোসিয়েশন এর প্রেসিডেন্ট মহিলা নেত্রী তাহমিনা খান, রুপসী ওয়েলসের কোলে ছোট এক বাংলাদেশ বইয়ের লেখক ও সাংবাদিক দেওয়াল ফয়সাল, সৈয়দ জুয়েল রহমান, ভিপি সেলিম আহমেদ ও আবুল কালাম মুমিন সহ বাংলাদেশ কমিউনিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পিয়ারহেড বিল্ডিংয়ের সামনে স্থাপিত এই ভাস্কর্যে মর্গানকে দেখা যায় তার প্রিয় কুকুর টেল-এর সঙ্গে, সেনেডের দিকে তাকিয়ে থাকতে।

সাধারণ পোশাকে, মাটির কাছাকাছি স্থাপিত এই মূর্তিটি তার জনঘনিষ্ঠ ও আড়ম্বরহীন রাজনৈতিক জীবনেরই প্রতিফলন।

অনুষ্ঠানে মর্গানের স্ত্রী জুলি মর্গান বলেন, মূর্তিটি কোন উঁচু মঞ্চে নয়, বরং মাটির ওপর স্থাপন করা হয়েছে, কারণ তিনি ছিলেন, মানুষের খুব কাছের একজন মানুষ।

সাবেক ফার্স্ট মিনিস্টার মার্ক ড্রেকফোর্ড একে “ডিভলিউশনের জনক”-এর স্থায়ী স্মারক বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, রড্রি মর্গান ছাড়া সেনেড আজকের অবস্থানে পৌঁছাতে পারত না।

ওয়েলসের পার্লামেন্টের ডেপুটি ফাস্ট মিনিষ্টার সিওনেড উইলিয়ামস, বলেন, রডরি মর্গান ওয়েলশ ডিভলিউশনের শুরুর দিকের অস্থিরতা কাটিয়ে স্থিতিশীলতা আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।

তিনি ছিলেন প্রথম ব্যক্তি, যিনি ফার্স্ট মিনিস্টার পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং এই পদে নয় বছর ছিলেন।

ওয়েলসের ফাইন্যান্স মিনিস্টার এলিন জোন্স বলেন, এটি ওয়েলস এবং মর্গান পরিবারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন।

লেবার এমএস শাভ তাজ মর্গানকে “শ্রমজীবী মানুষ এবং ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনের একজন প্রকৃত বন্ধু” বলে উল্লেখ করেন।

অন্যদিকে ল্লুইড হিউ ইরাঙ্কা-ডেভিস বলেন, “রডরির সঙ্গে যাদের কখনো দেখা হয়নি, তারাও তাকে যেন একজন বন্ধু হিসেবেই জানতেন।”

রড্রি মর্গান ট্রাস্টের ফাউন্ডার্স ট্রাষ্টি  কাউন্সিলার দিলওয়ার আলী বলেন, তিনি খুশি যে অবশেষে এই স্ট্যাচু নির্মিত করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি বলেন, “আমরা ছোট ছোট অনুষ্ঠান, ডিনার এবং সারা ওয়েলস থেকে আসা অনুদানের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করেছি, যার মধ্যে জাতিগত সংখ্যালঘু গোষ্ঠীগুলোর অবদানও ছিল।”

দীর্ঘ আট বছরের পরিকল্পনা ও তহবিল সংগ্রহের পর অবশেষে বৃটেনের ওয়েলসের প্রথম ফার্স্ট মিনিস্টার ডিভলিউশনের জনক” রডরি মর্গানের স্ট্যাচু কার্ডিফে নির্মিত  হওয়ায় রডরি মর্গান ট্রাস্টের সাথে জড়িত সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে ইউকে বিডি টিভির চেয়ারম্যান ও কার্ডিফ বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সেক্রেটারি মোহাম্মদ মকিস মনসুর বলেন, রডরি মর্গান এর সাথে বাংলাদেশ কমিউনিটির ছিল গভীর সর্ম্পক এ যেন এক আত্মার আত্মীয়তা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তাঁকে সর্বস্তরের মানুষের কাছে জনপ্রিয় করে তোলে।

আমৃত্যু তিনি ওয়েলসবাসীর জন্য নিষ্টা ও নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন।

ওয়েলস বাংলাদেশ উইমেন্স এসোসিয়েশন এর প্রেসিডেন্ট তাহমিনা খান, বলেন রডরি মর্গান সবার সঙ্গে একই রকম আচরণ করতেন, “তিনি ছিলেন, মানুষের মানুষ, আর তার এই মূর্তি কার্ডিফ বে-এর সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দেবে, যেখানে প্রতিদিন অনেক দর্শনার্থী আসেন।”

রুপসী ওয়েলসের কোলে ছোট এক বাংলাদেশ বইয়ের লেখক ও সাংবাদিক দেওয়াল ফয়সাল,বলেন, “মানুষ রডরি মর্গানকে তাঁর চুল আর কণ্ঠস্বর দেখেই চিনত।”

আপনি দেখতেন, মানুষ রাস্তা পার হয়ে তার সঙ্গে কথা বলতে আসছে। এ যেন এক প্রাণের বন্ধন।

রডরি মর্গানের স্ট্যাচুটি নকশা করেছেন, জনপ্রিয় শিল্পী অ্যান্ডি এডওয়ার্ডস, যার ওয়েলস শিকড় রয়েছে।

তিনি ইতোমধ্যে ৫০টিরও বেশি ব্রোঞ্জের ভাস্কর্য তৈরি করেছেন, যার মধ্যে লিভারপুল ওয়াটারফ্রন্টে হাঁটতে থাকা বিটলস ব্যান্ডের চার সদস্য, মোটরহেডের লেমি এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯১৪ সালের বড়দিনে শত্রুপক্ষের সৈন্যদের মধ্যে ফুটবল খেলার একটি স্মারক ভাস্কর্য অন্তর্ভুক্ত।

এই মূর্তিটি পাউইসের লানরহায়াডর-ইম-মখনান্টে অবস্থিত ক্যাসল ফাইন আর্টস ফাউন্ড্রিতে তৈরি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, রডরি মর্গান ১৯৮৭ সালে বৃটিশ পার্লামেন্ট তথা হাউস অব কমন্সে প্রথমে এম পি নির্বাচিত হন এবং ১৯৯৯ সালে সেনেড (তৎকালীন নতুন অ্যাসেম্বলি)-এর সদস্য হন।

তিনি ২০০০ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ওয়েলসের ফার্স্ট মিনিস্টার ছিলেন এবং তাঁর সময়ে ওয়েলসের জন্য আলাদা নীতি ও পরিচয় গঠনে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

তিনি “ক্লিয়ার রেড ওয়াটার” নীতির জন্য পরিচিত ছিলেন, যা ওয়েলসকে যুক্তরাজ্যের অন্যান্য অংশের নীতি থেকে আলাদা পথ অনুসরণ করতে উৎসাহিত করেছিল।

১৯৯৯ সালে খুব অল্প ব্যবধানে জনগণ ডিভলিউশনের পক্ষে ভোট দেওয়ার পর নতুন সেনেডকে স্থিতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

২০১৭ সালে মৃত্যুবরণ করা রডরি তাঁর সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ ছিলেন।

রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার পর ২০১১ সালের অক্টোবরে তিনি সোয়ানসি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর হন।

এই মূর্তি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তাঁর অবদান স্মরণ করিয়ে দেবে এবং ওয়েলসের রাজনৈতিক ইতিহাসে তাঁর গুরুত্ব তুলে ধরার মাধ্যমে নব প্রজন্মের সন্তানেরা বৃটিশ রাজনীতিতে এগিয়ে আসতে প্রেরণা যোগাবে বলে ব্রোঞ্জের মূর্তি উন্মোচন অনুষ্ঠানে আগতরা অভিমত ব্যাক্ত করেছেন।

» সরকারি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় স্কলার্সহোম টিলাগড় ক্যাম্পাসের সাফল্য

Published: ১২. জুলা. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সরকারি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫-এ সিলেটের স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্কলার্সহোম টিলাগড় ক্যাম্পাস উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

এ বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৪ জন শিক্ষার্থী ট্যালেন্টপুল এবং ৭ জন শিক্ষার্থী সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি লাভ করেছে।

ট্যালেন্টপুল বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলো উম্মে আলফাতুস সায়েমীন স্নেহা, দেবজ্যোতি আচার্য্য শায়ন, তাহসীন আহমদ সালমান এবং আইরা তেহরীম তুয়া।

সাধারণ গ্রেডে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলো— আইমান যাহিন চৌধুরী, আজমাঈন চৌধুরী, ইন্দ্রানী দাশ, ইশ্মীতা এয়াসিন তাসিফা, সৈয়দ মুসা হাসান, তাসীন তালুকদার এবং চৌধুরী জুমাইমাহ জান্নাত।

প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শামছ উদ্দিন এ সাফল্যে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী, তাদের অভিভাবক এবং শিক্ষকবৃন্দকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, শিক্ষকদের আন্তরিক দিকনির্দেশনা এবং অভিভাবকদের অব্যাহত সহযোগিতার ফলেই এ সাফল্য সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, স্কলার্সহোম টিলাগড় ক্যাম্পাস শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ এবং সৃজনশীল বিকাশে সবসময় অঙ্গীকারবদ্ধ।

ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের আরও বড় সাফল্য অর্জনে প্রতিষ্ঠানটি নিরলসভাবে কাজ করে যাবে।

প্রতিষ্ঠানটির এই গৌরবোজ্জ্বল অর্জনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শুভানুধ্যায়ীদের মাঝে আনন্দের পরিবেশ বিরাজ করছে।

সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, আগামী বছরগুলোতেও স্কলার্সহোম টিলাগড় ক্যাম্পাস ধারাবাহিকভাবে আরও উজ্জ্বল সাফল্য অর্জন করবে।

» স্কলার্সহোম শিবগঞ্জ শাখার সাফল্যের স্বর্ণময় অধ্যায়

Published: ১২. জুলা. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সরকারি বৃত্তি পরীক্ষায় ২৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৬ জনের গৌরবময় অর্জন; ট্যালেন্টপুলে ৬ ও সাধারণ বৃত্তিতে ১০ জন।

শিক্ষাক্ষেত্রে ধারাবাহিক সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখে স্কলার্সহোম শিবগঞ্জ শাখা আবারও গৌরবময় অর্জনের স্বাক্ষর রেখেছে।

২০২৫ সালের সরকারি বৃত্তি পরীক্ষায় এ শাখার শিক্ষার্থীরা অসাধারণ কৃতিত্ব প্রদর্শন করে প্রতিষ্ঠানের সুনাম আরও সমুন্নত করেছে।

এবারের সরকারি বৃত্তি পরীক্ষায় স্কলার্সহোম শিবগঞ্জ শাখা থেকে মোট ২৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

এর মধ্যে ১৬ জন শিক্ষার্থী কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে বৃত্তি অর্জন করেছে। প্রাপ্ত ফলাফলে ৬ জন শিক্ষার্থী ট্যালেন্টপুল এবং ১০ জন শিক্ষার্থী সাধারণ বৃত্তি লাভ করেছে।

শিক্ষার্থীদের এই অভাবনীয় সাফল্য বিদ্যালয়ের সুপরিকল্পিত শিক্ষা কার্যক্রম, অভিজ্ঞ ও নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকমণ্ডলীর নিরলস প্রচেষ্টা, নিয়মিত অনুশীলন এবং শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায়ের সম্মিলিত ফলাফল।

ট্যালেন্টপুল বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলো, নম্রতা দেব প্রাচী, কাশফিয়া হানিফ, রোহামা ফাতেমা চৌধুরী, সম্পূর্ণা পাল, নাজিফা জান্নাত খান ও ইফ্ফাত ফাহমিদা মারিয়া।

সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলো আলমীর বেলাল, ফারহান আহমেদ চৌধুরী, আবীর আইকুম, ইহতেশাম হক চৌধুরী, ইফ্ফাত জামিলা নিহা, মাহজাবিন চৌধুরী, হুমায়রাহ কবির আদিনা, সংহিতা রায়, মহসিনা আনজুম মামদুহা ও ঐশ্বর্য রায়।

বিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শামছ উদ্দিন শিক্ষার্থীদের এ সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা, পরিশ্রম, আত্মনিষ্ঠা এবং শিক্ষকদের আন্তরিক দিকনির্দেশনার সমন্বয়েই এ অসাধারণ অর্জন সম্ভব হয়েছে।

তিনি ভবিষ্যতেও শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের সর্বাঙ্গীণ বিকাশে বিদ্যালয়ের ধারাবাহিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিদ্যালয়ের উপাধ্যক্ষ শানিজ ফাতেমা ইব্রাহিম এ সাফল্যের জন্য শিক্ষকমণ্ডলী, অভিভাবক এবং সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতার প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টা, সঠিক পরিকল্পনা ও শিক্ষার্থীদের নিরলস অধ্যবসায়ের ফলেই এ গৌরবময় সাফল্য অর্জিত হয়েছে।

স্কলার্সহোম শিবগঞ্জ শাখার এই অনন্য অর্জন নিঃসন্দেহে প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের স্বর্ণময় অধ্যায়ের এক উজ্জ্বল সংযোজন।

এ সাফল্য শুধু প্রতিষ্ঠানের মর্যাদাই বৃদ্ধি করেনি, বরং ভবিষ্যতে আরও বড় অর্জনের পথে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা ও আত্মবিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করেছে।

» স্কলার্সহোম মেজরটিলা ক্যাম্পাস (ইংলিশ ভার্সন) থেকে সরকারি প্রাথমিক বৃত্তি অর্জন করলেন আহনাফ মুজতবা আলম

Published: ১২. জুলা. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ
স্কলার্সহোম মেজরটিলা ক্যাম্পাসের মেধাবী শিক্ষার্থী আহনাফ মুজতবা আলম এবারের সরকারি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় বৃত্তি অর্জন করেছেন।

তিনি মো. খায়রুল আলম ও দিলরুবা মরিয়ম নিপা দম্পতির সুযোগ্য সন্তান।

এ সাফল্যের জন্য আহনাফ তাঁর মা-বাবা এবং শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রম, আন্তরিক দিকনির্দেশনা ও নিরলস সহযোগিতার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে আহনাফ জানান, তিনি একজন সফল প্রকৌশলী (ইঞ্জিনিয়ার) হতে চান এবং দেশ ও জাতির সেবায় আত্মনিয়োগ করতে চান।

এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া ও আশীর্বাদ কামনা করেছেন।

স্কলার্সহোম মেজরটিলা ক্যাম্পাসের শিক্ষকবৃন্দ ও শুভানুধ্যায়ীরা আহনাফের এই গৌরবময় সাফল্যে আনন্দ প্রকাশ করেছেন এবং তাঁর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন।

» সাবেক কমিটিকে ফাইল ও হিসাব বুঝিয়ে দেওয়ার নির্দেশ

Published: ১২. জুলা. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ
নজরুল একাডেমি, সিলেট-এর উপদেষ্টা পরিষদের এক গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১২ জুলাই) সন্ধ্যায় জিন্দাবাজারস্থ একাডেমির নিজস্ব কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

একাডেমির আহ্বায়ক বদরুজ্জামান সেলিমের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন এবং উপস্থিত ছিলেন, একাডেমির উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক, হিমাংশু বিশ্বাস, নাসিম হোসাইন, সালেহ আহমদ খসরু, হারুন আল রশিদ দিপু, মো. তৈয়বুর রহমান ও জিল্লুর রহমান শুয়েব প্রমুখ।

সভায় বিস্তারিত আলোচনা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে, আগামী ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে একাডেমির সাবেক কমিটির যাবতীয় হিসাব-নিকাশ বর্তমান আহ্বায়কের কাছে জমা প্রদান করতে হবে।

এছাড়া, পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা বাস্তবায়নের তাগিদ দেওয়া হয় সভায়।

একই সাথে, অবিলম্বে পূর্ববর্তী কমিটির সকল ফাইল, ডকুমেন্ট, রেজিস্টারি খাতাসহ প্রয়োজনীয় যাবতীয় কাগজপত্র বর্তমান আহ্বায়কের নিকট হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

» বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগর কার্যনির্বাহী পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত

Published: ১২. জুলা. ২০২৬ | রবিবার

২৫ জুলাই আলীয়া মাদরাসা মাঠে ১১ দলের বিশাল সমাবেশ সফল করে তুলুন : আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলম

নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস (বি.কে.এম) সিলেট মহানগর শাখার কার্যনির্বাহী পরিষদের মাসিক বৈঠক রোববার (১২ জুলাই) বাদ মাগরিব লালদিঘীরপারস্থ মজলিস কার্যালয়ে শাখা সভাপতি জননেতা আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আব্দুল গাফফারের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

এতে উপস্থিত ছিলেন, বি.কে.এম সিলেট মহানগর সহ-সভাপতি প্রিন্সিপাল মাওলানা পীর আব্দুল জব্বার, মাওলানা মুহিবুর রহমান, মাওলানা সানা উল্লাহ, হাফিজ মাওলানা হারুনুর রশিদ, কমর উদ্দিন, মাওলানা ডা. মোস্তফা আহমদ আজাদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক হাফিজ কয়েছ আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ মাওলানা রিয়াজ আল মামুন, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক হাজি আব্বাস জালালী, সাজ্জাদ খান, মাওলানা আইয়ুব আলী কামালী, হাফিজ তারেক হাসান সাহেদ, হাফিজ তফজ্জুল হক, মাওলানা জহুরুল হক, মুফতি মোস্তাফা আহমদ প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের শতকরা ৭০% জনগনের জুলাই সনদের পক্ষে রায় দিয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে ফ্যাসিস্ট সরকারের পথে হাটছে।

তিনি অবিলম্বে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে আগামী ২৫ জুলাই আলীয়া মাদরাসা মাঠে ১১ দলের বিশাল সমাবেশ সফল করে তুলার আহবান জানান।

বৈঠকে বিগত মাসের রিপোর্ট পেশ পর্যালোচনা ও আগামী পরিকল্পনা গ্রহণ করে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

» সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করা হবে : নবীনবরণ অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক

Published: ১১. জুলা. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে অচিরেই প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

শনিবার (১১ জুলাই) কলেজের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিলেটের উন্নয়নের রূপকার, সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম. সাইফুর রহমান এই প্রতিষ্ঠানের স্বপ্নদ্রষ্টা। তাঁর লক্ষ্য ছিল সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করা।

সময়ের সীমাবদ্ধতায় তিনি সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে যেতে পারেননি। আমরা তাঁর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করব।

তিনি বলেন, বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী এবং সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরও এ বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক।

সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত প্রচেষ্টায় সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সিসিক প্রশাসক আরও বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নের পাশাপাশি একটি আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রয়োজন উন্নত অবকাঠামো ও যোগাযোগব্যবস্থা।

কলেজের যাতায়াতের সড়ক দ্রুত নির্মাণ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।

কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. সাজেদুল করিম, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. ইসমাইল হোসেন এবং স্কুল অব অ্যাপ্লায়েড সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির ডিন প্রফেসর ড. মো. মাসতাবুর রহমান।

অনুষ্ঠানে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

» পুনাকের রিকশা বিতরণ অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক

Published: ১১. জুলা. ২০২৬ | শনিবার

আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হবে

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, নগরীতে নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর একটি নজরদারি প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন।

প্রকল্পের আওতায় নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে উন্নতমানের বিশেষ ক্যামেরা স্থাপন করে অপরাধীদের গতিবিধির ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হবে।

শনিবার (১১ জুলাই) পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক)-এর স্বাবলম্বী কর্মসূচির আওতায় সিলেট মহানগরের অসহায় মানুষের মাঝে প্যাডেলচালিত রিকশা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পুলিশ লাইন্সে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সিসিক প্রশাসক বলেন, বর্তমানে নগরীর বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত ক্লোজড সার্কিট (সিসিটিভি) ক্যামেরার একটি অংশ অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

পাশাপাশি বিদ্যমান ক্যামেরাগুলোর প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর নজরদারি ও অপরাধী শনাক্তকরণে সমস্যা হচ্ছে।

এ বাস্তবতায় সিটি কর্পোরেশন একটি আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি বলেন, নতুন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে অপরাধীদের গতিবিধি আরও কার্যকরভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে। তাদের অবস্থান, চলাচল এবং সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণকক্ষে পৌঁছে যাবে।

এতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অপরাধ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পর এর পরিচালনার দায়িত্ব সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী সিলেট মহানগর পুলিশের কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, সাম্প্রতিক কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ তাদের পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতার পরিচয় দিয়েছে।

নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত করতে সিটি কর্পোরেশন ও পুলিশ সমন্বিতভাবে কাজ করবে।

পুনাকের সভাপতি সিদরাতুল মুনতাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী এবং সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি ইমদাদ হোসেন চৌধুরী।

আরও বক্তব্য দেন, সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মু. মাসুদ রানা।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী বলেন, পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানের ফলে সিলেট নগরীতে ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল এখন প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।

এতে জীবিকার সংকটে পড়া অসহায় রিকশাচালকদের মধ্যে যাদের প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি, তাদের পুনর্বাসনের অংশ হিসেবে পুনাক প্যাডেলচালিত রিকশা প্রদান করছে।

সভাপতির বক্তব্যে পুনাকের সভাপতি সিদরাতুল মুনতাহা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পুনাক বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে।

এরই ধারাবাহিকতায় এবার ১৫ জন অসহায় ব্যক্তিকে প্যাডেলচালিত রিকশা প্রদান করা হচ্ছে।

সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে তিনি বিত্তবান ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।

Callender

July 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031