- ফ্রি ডায়াবেটিস শনাক্তকরণ ক্যাম্প উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক
- আগস্ট মাসে সিলেটের সড়কে দুর্ঘটনায় প্রাণ ঝরলো ৪৭ জনের
- শাহ্ খুররাম ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন ১৫ একর সরকারি জমিতে আধুনিক স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হবে : সিউক চেয়ারম্যান কয়েস লোদী
- সিলেট কালেক্টরেট জামে মসজিদ মার্কেট ২ ও ৪ নম্বর দোকানে ব্যাবসায় বাধা না দিতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা
- সিলেট মহানগর ৩৬নং ওয়ার্ড জামায়াতের দাওয়াতী সভা
- রক্তে সুগার নিয়ন্ত্রন মানে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রন আর ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রন মানে সুস্থ জীবন যাপন : অধ্যাপক ডা. এম. এ. আহবাব
- জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের এসএসসি উত্তীর্ণ সংবর্ধনা
- ওসমানী হাসপাতালে অনিয়ম ও রোগী হয়রানির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল আগামীকাল
- স্বেচ্ছাসেবক দলের সাথে মহানগর বিএনপি মতবিনিময়
- সাইফুর রহমানের স্বপ্নের সিলেটকে উন্নয়নের শিখরে নিতে চাই : আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী
» ফ্রি ডায়াবেটিস শনাক্তকরণ ক্যাম্প উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক
Published: ০৬. সেপ্টে. ২০২৬ | রবিবার
নগরীতে নাগরিকদের হাঁটার উপযোগী পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে মানুষের জীবনযাত্রার পরিবর্তন জরুরি।
শুধু ওষুধ খেলেই সবসময় ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব নয়; এর সঙ্গে খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম ও হাঁটাচলার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।
বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সিলেট নগরে নাগরিকদের জন্য খোলা জায়গা, পার্ক ও হাঁটার উপযোগী পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা জাতীয় অধ্যাপক ডা. মো. ইব্রাহিমের ৩৭তম মৃত্যুবার্ষিকী ও ডায়াবেটিস সেবা দিবস উপলক্ষে সিলেটে দিনব্যাপী ফ্রি ডায়াবেটিস শনাক্তকরণ ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রোটারি ক্লাব অব সিলেট সেন্ট্রালের উদ্যোগে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সিলেট সিটি করপোরেশন প্রাঙ্গণে এ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। এতে সার্বিক সহযোগিতা করে সিলেট ডায়াবেটিক অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল। পৃষ্ঠপোষকতায় ছিল স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি।
সিসিক প্রশাসক আরও বলেন, আমরা সিলেটে একটি পার্ক নির্মাণের উদ্যোগ এগিয়ে নিচ্ছি।
এ বিষয়ে সিলেটের সংসদ সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কাজ করছি। আমরা চাই, নগরবাসী যেন সুস্থ থাকার জন্য নিয়মিত হাঁটাচলা ও শরীরচর্চার সুযোগ পান।
ডায়াবেটিসের পরিস্থিতি তুলে ধরে সিসিক প্রশাসক বলেন, বাংলাদেশে ডায়াবেটিসের বিস্তার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে।
একসময় মনে করা হতো বয়স্কদের মধ্যেই ডায়াবেটিস বেশি হয়। কিন্তু বর্তমানে শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের মধ্যেই এ রোগের বিস্তার দেখা যাচ্ছে। খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাপন ও জেনেটিক সহ বিভিন্ন কারণে ডায়াবেটিস হতে পারে।
তিনি বলেন, ডায়াবেটিসকে অবহেলা করার সুযোগ নেই। এ রোগ নিয়ন্ত্রণে নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
খাদ্যাভ্যাসে নিয়ন্ত্রণ না থাকলে ডায়াবেটিস থেকে কিডনি, লিভার সহ শরীরের বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই শুধু ওষুধের ওপর নির্ভর না করে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন, নিয়মিত হাঁটাচলা ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে সিসিক প্রশাসক বলেন, আমিও একজন ডায়াবেটিস রোগী। আমিও চেষ্টা করি রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে।
তবে বিভিন্ন পাবলিক অনুষ্ঠান ও কর্মসূচিতে অনিয়মিত খাওয়া-দাওয়ার কারণে অনেক সময় আমারও রক্তের শর্করা বেড়ে যায়। তারপরও নিয়ম মেনে চলার মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করি।
তিনি বলেন, ডায়াবেটিস নিয়ে কাজ করা সামাজিক সংগঠনগুলোর উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আমি নিজেও ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশন ও বারডেম হাসপাতালের সঙ্গে সম্পৃক্ত।
অধ্যাপক আজাদ খান আমাকে এই কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করেছিলেন। সিলেটে যেসব সামাজিক সংগঠন ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা তৈরিতে কাজ করছে, সিলেট সিটি করপোরেশন তাদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করছে এবং ভবিষ্যতেও সহযোগিতা করবে।
ডায়াবেটিস সচেতনতা ও জনস্বাস্থ্য নিয়ে রোটারি ক্লাব অব সিলেট সেন্ট্রালের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ভবিষ্যতেও রোটারি সহ অন্যান্য সামাজিক সংগঠন আরও ব্যাপকভাবে মানুষের স্বাস্থ্যসচেতনতা তৈরিতে কাজ করবে- এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
ক্লাব প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান পিপি রুহুল আলম খান পিএইচএফের সভাপতিত্বে ও পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, অ্যাসিস্ট্যান্ট কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর রোটারিয়ান পিপি মো. সিদ্দিকুর রহমান পিএইচএফ, কো-অর্ডিনেটর (অর্থ) রোটারিয়ান পিপি বিকাশ কান্তি দাস পিএইচএফ, পোলিও প্লাস কমিটির সদস্য রোটারিয়ান পিপি মো. আব্দুল মুকিত আরএফএসএম, ক্লাব সদস্য রোটারিয়ান পিপি জিয়াউল হক এমপিএইচএফ, রোটারিয়ান পিপি এম এ রহিম আরএফএসএম, রোটারিয়ান পিপি মোহাম্মদ শামসুদ্দিন পিএইচএফ, রোটারিয়ান পিপি মো. আফসার আহমেদ চৌধুরী পিএইচএফ, রোটারিয়ান আইপিপি মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম সুমন আরএফএসএম, রোটারিয়ান আহমেদ রশীদ চৌধুরী আরএফএসএম, রোটারিয়ান মনসুর আহমেদ পিএইচএফ, সিলেট ডায়াবেটিস হাসপাতালের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শিবব্রত ভৌমিক চন্দন সহ হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স এবং সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
» আগস্ট মাসে সিলেটের সড়কে দুর্ঘটনায় প্রাণ ঝরলো ৪৭ জনের
Published: ০৬. সেপ্টে. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
চলতি বছরে সিলেট বিভাগে সড়ক দূর্ঘটনায় এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রানহানির ঘটনা ঘটলো আগস্ট মাসে। আগস্ট মাসে সিলেট বিভাগে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৭ জনের প্রানহানি হয়েছে।
আগস্ট মাসে সিলেট বিভাগে ৩৫টি সড়ক দূর্ঘটনায় ৪৭ জন নিহত ও ১২২ জন আহত হয়েছেন।যা চলতি বছরে এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রানহানির ঘটনা।
এর আগে চলতি বছরের মে মাসে সর্বোচ্চ ৫১ জনের প্রানহানির ঘটনা ঘটে।
আগস্ট মাসে সড়ক দূর্ঘটনায় সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের সিলেট অংশে ১০টি দুর্ঘটনায় ২৪ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে সিলেট জেলার ওসমানীনগর উপজেলায় ৩টি সড়ক দূর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত হয়েছেন।
আগস্ট মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেট বিভাগে সবচেয়ে বেশি প্রানহানি ঘটেছে সিলেট জেলায়। কম সংঘটিত হয়েছে সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায়।
প্রতিবেদনে আগস্ট মাসের সড়ক দুর্ঘটনায় প্রধান কারন হিসাবে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, নিয়ম না মেনে বেপরোয়া ওভারটেকিং করা, অনুমোদনহীন ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি মহাসড়কে চলানো,মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদের মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার না করা, পথচারীদের মধ্যে সচেতনতার অভাব ও সড়কে নির্মান ত্রুটিকে উল্লেখ করা হয়।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) সিলেট বিভাগীয় কমিটি এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে আগস্ট মাসে সিলেট বিভাগে ৩৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৭ জন নিহত ও ১২২ জন আহত হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়।
আগস্ট মাসে সিলেট জেলায় ১৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৭ জন নিহত ও ৬৯ জন আহত হয়েছেন।
সুনামগঞ্জ জেলায় ৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ জন নিহত ও ২২ জন আহত হয়েছেন।
মৌলভীবাজার জেলায় ৪টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ জন নিহত ও ২ জন আহত হয়েছেন ও হবিগঞ্জ জেলায় ৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত ও ২৯ জন আহত হয়েছেন।
নিসচা কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, সিলেট বিভাগীয় কমিটির সদস্য সচিব ও সিলেট জেলার সভাপতি জহিরুল ইসলাম মিশু গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে জানান, পাঁচটি স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা, অনলাইন পত্রিকার তথ্য, দুটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার তথ্য, অনুমেয় অনুজ্জ বা অপ্রকাশিত ঘটনা ও নিসচা সিলেটের শাখা সংগঠনগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে নিসচা বিভাগীয় কমিটি এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, আগস্ট মাসে সিলেট বিভাগে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের মধ্যে ১০টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১১ জন মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী, ৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৯ জন সিএনজি ও টমটম চালক ও আরোহী, ১২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১২ জন চালক ও ৭টি সড়ক দূর্ঘটনায় ৭ জন পথচারী নিহত হয়েছেন।
এছাড়া নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়ি উল্টে ৭টি দুর্ঘটনায় ৫ জন, মুখোমুখি সংঘর্ষে ১২টি দুর্ঘটনায় ২৭ জন, গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটির সাথে আঘাতে ১টি দুর্ঘটনায় ১ জন নিহত হয়েছেন।
এছাড়া আগস্ট মাসে নিহত ৪৭ জনের মধ্যে ৩৮ জন পুরুষ, ৬ জন নারী ও ৩ জন শিশু রয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
উল্লেখ্য, জুলাই মাসে সিলেট বিভাগে ২৮টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩১ জন নিহত ও ৭৫ জন আহত হয়েছেন।
» শাহ্ খুররাম ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন ১৫ একর সরকারি জমিতে আধুনিক স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হবে : সিউক চেয়ারম্যান কয়েস লোদী
Published: ০৬. সেপ্টে. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের অংশ হিসেবে শাহ্ খুররাম ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত বিভাগের ১৫ একর জমিতে একটি আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) প্রস্তাবিত স্থানটি সরজমিনে পরিদর্শন ও স্থানীয়দের সাথে এক মতবিনিময় সভায় সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদা) রেজাউল হাসান কয়েস লোদী এ তথ্য জানান।
পরিদর্শনকালে সিউক চেয়ারম্যান কয়েস লোদী বলেন, স্থানীয় যুবসমাজ ও ক্রীড়াপ্রেমীদের আধুনিক খেলার পরিবেশ তৈরি নিশ্চিত করতেই এই প্রকল্প হাতে নেওয়া হচ্ছে। সুষম ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অঞ্চলভিত্তিক আধুনিক অবকাঠামো নিশ্চিত করা সিউকের অন্যতম অগ্রাধিকার।
অনুষ্ঠানে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মো. সাদিউর রহিম জাদিদ এবং সিলেট গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু জাফর (প্রিন্স) উপস্থিত থেকে প্রকল্পের কারিগরি ও ভূমির সার্বিক দিক পর্যালোচনায় উক্ত ১৫ একর জায়গার মধ্যে অবস্থিত শাহ্ খুররাম ডিগ্রি কলেজ এবং প্রস্তাবিত আধুনিক স্টেডিয়ামের জায়গার সীমানা নির্ধারক পূর্বক একটি ডিপিপি প্রনয়নের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
মতবিনিময় সভা ও স্থান পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন, টুকেরবাজার ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শহীদ আহমদ, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান আজিজ, ৬নং টুকেরবাজার ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান, গণদাবি পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক এম শফিকুর রহমান, ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আলতাফ হোসেন সুমন, ৩৮নং ওয়ার্ড বিএনপি আহবায়ক শাহজাহান আহমদ, ৩৭নং ওয়ার্ড বিএনপি আহবায়ক চান মিয়া বাচ্চু, কবির উদ্দিন আহমদ, গণপূর্ত বিভাগ সিলেট উপ-বিভাগ-১ এর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী পার্থ সারথি দত্ত, উপ-সহকারী প্রকৌশলী রিপন দেব, শাহ্ খুররাম ডিগ্রি কলেজের প্রধান শিক্ষক কমর উদ্দীন, উক্ত কলেজের শিক্ষক নয়ন কুমার বিশ্বাস, ৩৮নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন, মুরাদ হোসেন, আলী আহমদ, এনামুল হোসেন, আলী হায়দার ফারুক, উসমান হারুন পনির, আলাউর রহমান, কামরুল ইসলাম, নাদিম আহমদ সাব্বির, শাহজাহান, ফখর উদ্দিন, ইমরান আহমদ পাখি, আবুল হাসনাত, জলি পুরকাস্থ. জেসমিন আক্তার, মনোয়ারা বেগম, নোমান আহমদ, জাবেদ হোসন, আব্দুর করিম, আব্দুস সালাম, জিতু হাসান, সিরাজ উদ্দিন, আব্দুল গফ্ফার, জসিম উদ্দিন, রেজাউল করিম সহ স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন পেশাজীবী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
পরিদর্শন শেষে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের এলাকার সার্বিক ক্রীড়া পরিবেশ উন্নয়নে এমন উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
» সিলেট কালেক্টরেট জামে মসজিদ মার্কেট ২ ও ৪ নম্বর দোকানে ব্যাবসায় বাধা না দিতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা
Published: ০৬. সেপ্টে. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট কালেক্টরেট জামে মসজিদ ট্রাস্টের নিয়ন্ত্রণাধীন কালেক্টরেট জামে মসজিদ মার্কেটের ২ নম্বর ও ৪ নম্বর দোকানগৃহে নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণভাবে ব্যবসা পরিচালনা নিশ্চিত করতে সিলেটের জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ।
একই সাথে উক্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানদ্বয়ের মালিকপক্ষকে ব্যবসা পরিচালনায় কোনো প্রকার বাধা-নিষেধ প্রদান বা উচ্ছেদের চেষ্টা না করতে সিলেটের জেলা প্রশাসনকে তিন মাসের জন্য বারিত করে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ সহ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে।
মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি এস. এম. ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদ-এর সমন্বয়ে গঠিত দ্বৈত বেঞ্চ কর্তৃক গত ১৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে রিট পিটিশন নম্বর ৩৫৫০/২০২৬ এবং রিট পিটিশন নম্বর ৩৫৫১/২০২৬-এর পৃথক দুটি আদেশে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
মামলার বিবরণ ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে জানা যায়, সিলেট কালেক্টরেট জামে মসজিদ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বোর্ড কর্তৃক বিগত ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত সভায় দোকান বরাদ্দের চুক্তিপত্র দলিল বাতিলের সিদ্ধান্ত এবং উক্ত সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে সিলেটের জেলা প্রশাসক ও কালেক্টরেট জামে মসজিদ ট্রাস্টের চেয়ারম্যানের জারিকৃত জেনারেল আদেশ অনুযায়ী রেসপন্ডেন্ট নং ৫ (নেজারত, ডেপুটি কালেক্টর ও ট্রাস্টি বোর্ডের কোষাধ্যক্ষ) স্মারক নং C:KA:JA:M0:/২০২২/১৩, তারিখ ১০ মার্চ ২০২৬ মূলে পিটিশনারদের দোকান উচ্ছেদ করা এবং দখল হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়ে নোটিশ জারি করেন।
উক্ত নোটিশের আইনি বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২ নম্বর দোকানের পজেশন গ্রহিতা জনাব জামিল চৌধুরী রিট পিটিশন নং ৩৫৫০/২০২৬ দাখিল করেন। অন্যদিকে ৪ নম্বর দোকানের পজেশন গ্রহিতা মোহাম্মদ আলী হোসেন রিট পিটিশন নং ৩৫৫১/২০২৬ দাখিল করেন।
উভয় পিটিশনে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব (রেসপন্ডেন্ট নং ১), স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব (রেসপন্ডেন্ট নং ২), সিলেটের জেলা প্রশাসক, কালেক্টর ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান (রেসপন্ডেন্ট নং ৩), র্যাব সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রেসপন্ডেন্ট নং ৪) এবং নজরথ ডেপুটি কালেক্টর ও ট্রাস্টি বোর্ডের কোষাধ্যক্ষকে (রেসপন্ডেন্ট নং ৫) রেসপন্ডেন্ট করা হয়।
গত ০৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ প্রাথমিক শুনানি শেষে রুল ও স্থগিতাদেশ (Rule and Stay Order) জারি করেন।
কিন্তু উক্ত আদেশ সত্ত্বেও জেলা প্রশাসন তা না মানায় এবং ব্যবসা পরিচালনায় বিঘ্ন সৃষ্টি করায় পিটিশনারগণ আদালতে পৃথক অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার (Injunction) আবেদন করেন।
আদালতে বাদী-পিটিশনারপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং ড. এম খালেদ আহমেদ।
আবেদনগুলোর ওপর শুনানিকালে পিটিশনারপক্ষের বিজ্ঞ আইনজীবীরা শুনানি করেন। রেসপন্ডেন্টদের বিজ্ঞ আইনজীবীকে আবেদনের অনুলিপি সরবরাহ করা হলেও তারা আবেদনের কোন বিরোধিতা করেননি।
শুনানিতে ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন যুক্তি উপস্থাপন করে বলেন, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের ট্রাস্টি বোর্ডের সিদ্ধান্তের পর পিটিশনারদের দোকান হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং বেআইনিভাবে উচ্ছেদের চেষ্টা করা হচ্ছে।
কিন্তু উচ্ছেদের পূর্বে পিটিশনারদের কোনো প্রকার কারণ দর্শানোর নোটিশ (Show Cause Notice) দেওয়া হয়নি, যা প্রাকৃতিক বিচারনীতির (Principle of Natural Justice) সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
তিনি জানান, পিটিশনারগণ এখনও সংশ্লিষ্ট দোকানগুলোর বৈধ দখলে রয়েছেন এবং নিয়মিতভাবে দোকান ভাড়া পরিশোধ করে আসছেন।
তিনি আরও জানান, গত ০৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে রুল ও স্থগিতাদেশ জারির পর আইনজীবী মারফত ০৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে এবং সুপ্রিম কোর্টের সার্টিফাইড কপি ১৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে রেসপন্ডেন্ট নং ১-এর কার্যালয়ে পৌঁছানো হয়, যা তারা গ্রহণ করেন। অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট রেসপন্ডেন্টগণ আদালতের নির্দেশ সম্পর্কে সম্পূর্ণ রূপ অবগত ছিলেন।
তবুও তারা বেআইনিভাবে পিটিশনারদের ব্যবসায় বাধা সৃষ্টি করেন এবং দোকান মালিকদের অনুপস্থিতিতে দোকানে তালা লাগিয়ে দেন।
এই পরিস্থিতিতে আদালতের নিষেধাজ্ঞার আদেশ ছাড়া পিটিশনারদের শান্তিপূর্ণ দখল ও ব্যবসা রক্ষা করার আর কোনো কার্যকর উপায় ছিল না।
আদালতের বক্তব্য ও পেশকৃত নথিপত্র বিবেচনায় এনে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ পিটিশনারদের আবেদন মঞ্জুর করেন এবং ৩ থেকে ৫ নম্বর রেসপন্ডেন্টদের নির্দেশ দেন যেন সিলেট কালেক্টরেট মসজিদ মার্কেটের ২ ও ৪ নম্বর দোকানের শান্তিপূর্ণ দখলে কোন বিঘ্ন সৃষ্টি না করা হয়।
আদালতের এই স্থগিতাদেশ ও নিষেধাজ্ঞা ১৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখ থেকে পরবর্তী ৩ (তিন) মাসের জন্য কার্যকর থাকবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে বাদী-পিটিশনারপক্ষের আইনজীবীরা মতামত প্রকাশ করে জানান, সিলেট কালেক্টরেট জামে মসজিদ ট্রাস্টের সভাপতি ও সিলেটের জেলা প্রশাসক একজন অত্যন্ত দক্ষ ও দূরদর্শী প্রশাসক।
সিলেটে যোগদানের পরপরই তিনি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ত্বরিত ও ন্যায়সংগত পদক্ষেপ গ্রহণ করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
বাদীপক্ষ পূর্ণ আশাবাদী যে, তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের এই আদেশ যথাযথভাবে প্রতিপালন ও বাস্তবায়ন করবেন এবং সকল প্রতিবন্ধকতা অপসারণ করে তাদেরকে নির্বিঘ্নে ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ করে দেবেন।
» সিলেট মহানগর ৩৬নং ওয়ার্ড জামায়াতের দাওয়াতী সভা
Published: ০৬. সেপ্টে. ২০২৬ | রবিবার
জামায়াত কল্যাণমূলক ইসলামী সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে : মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম
নিউজ ডেস্কঃ
জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কল্যাণমূলক ইসলামী সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে।
ইসলামই মানুষকে অন্যায়, জুলুম ও নির্যাতন থেকে মুক্ত করে ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার পথ দেখাতে পারে। রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গেলে মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব।
তিনি বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে তেল-গ্যাস ও জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি খুন, ধর্ষণ, রাহাজানি ও চাঁদাবাজির মতো অপরাধ জনজীবনে উদ্বেগ তৈরি করছে।
এ অবস্থায় ন্যায়, ইনসাফ ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় ইসলামের আদর্শ অনুসরণের প্রয়োজন রয়েছে। ইসলাম মানুষের জীবনের সব ক্ষেত্রে ন্যায়, ইনসাফ ও মানবিকতার শিক্ষা দেয়।
তিনি রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নগরীর বালুচর এলাকায় সিলেট মহানগরীর শাহপরান পশ্চিম থানার ৩৬নং ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত দাওয়াতী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।
৩৬নং ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি সাইফুল্লাহ মোহাম্মাদ তোফায়েলের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি হাফিজ মাওলানা গোলাম রাব্বানীর সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, সাবেক অতিরিক্ত সচিব ফখরুল ইসলাম ও শাহপরান পশ্চিম থানা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাস্টার আব্দুর রব।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, ৩৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী সমাজসেবক মো. তারেক হাসান, সমাজসেবী ইকবাল আহমদ বাদল, সামসুল আলম, তাহের হাসান, সোহাগ আহমদ ও কলিম উদ্দিন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফখরুল ইসলাম বলেন, ইহকালীন সাফল্য ও পরকালীন মুক্তির পথের দিশা পেতে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে জীবন পরিচালনার শপথ নিতে হবে।
ইসলামের শিক্ষা শুধু ব্যক্তিগত ইবাদতে সীমাবদ্ধ নয়; পরিবার, সমাজ, অর্থনীতি ও রাষ্ট্রীয় জীবনেও এর ন্যায়, ইনসাফ ও মানবিকতার আদর্শ বাস্তবায়ন করতে হবে।
মানুষের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দিয়ে একটি নৈতিক ও নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
অতিথিবৃন্দ বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রকে জনগণের সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
জনগণের জানমাল, ইজ্জত ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্রের সব পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করাই হতে হবে সুশাসনের মূল ভিত্তি।
» রক্তে সুগার নিয়ন্ত্রন মানে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রন আর ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রন মানে সুস্থ জীবন যাপন : অধ্যাপক ডা. এম. এ. আহবাব
Published: ০৬. সেপ্টে. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
জাতীয় অধ্যাপক ডা. ইব্রাহিম এর ৩৭তম মৃত্যু বার্ষিকী ও বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি ঘোষিত ডায়াবেটিক সেবা দিবস উপলক্ষে সিলেট ডায়াবেটিক সমিতি আয়োজিত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় সিলেট ডায়াবেটিক সমিতির সভাকক্ষে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভাপতির বক্তব্য সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম. এ. আহবাব বলেন ডায়াবেটিস এমন একটি রোগ যা শরীরে বহু বছর থাকলেও বুঝা যায় না; কিন্তু তা দেহের স্তরে স্তরে আক্রমন করে শরীরকে নষ্ট করার কাজে নীরবে রত থাকে। ফলে মানুষ নানান রোগে আক্রান্ত হয়।
আমরা যদি রোগের প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারি তা হলে যেকোন রোগকে প্রতিহত করা কোন ব্যাপারই নয়। রক্তে সুগারের পরিমান বেড়ে যাওয়া মানেই ডায়াবেটিস।
নিয়ম-শৃংখলা মাফিক জীবন যাপন, পরিমিত আহার গ্রহণ, নিয়মিত ব্যায়াম করন অর্থাৎ যেভাবেই হোক রক্তের সুগারকে নিয়ন্ত্রণে রাখা।
রক্তে সুগার নিয়ন্ত্রন মানে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রন আর ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রন মানে সুস্থ জীবন যাপন।
সিলেট ডায়াবেটিক সমিতির সভাকক্ষে সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম. এ. আহবাব এর সভাপতিত্বে, সিলেট ডায়াবেটিক হাসপাতালের চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুল মুক্তাদির কোরেশী এর সঞ্চালনায় আলোচনা সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন, অফিস সহকারী মো. লিয়াকত হোসেন।
স্বাগত বক্তব্যে হাসপাতালের সদস্য নিয়োগপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. ফেরদৌস হাসান হাসপাতালে আগত রোগীদের পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন, যাদের ডায়াবেটিস হয়ে গেছে তাঁরা আতংকিত হবেন না, কারণ ডায়াবেটিস কোন ছোঁয়াচে বা মহামারী রোগ নয়, নিয়মশৃংখলা মেনে, নিয়মিত ব্যায়াম ও ওষুধের মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রেখে আজীবন সুস্থ্য জীবন যাপন সম্ভব।
সমিতির সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডা. ফয়সল আহমদ, সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডা. শামীমুর রহমান ও যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক বিশিষ্ট কাংবাদিক কলামিষ্ট আফতাব চৌধরী সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে, নিয়মত্রান্ত্রিক জীবন-যাপন ও খাদ্যাভাসের মাধ্যমে ডায়াবেটিস রোগ থেকে বাঁচতে ও তা প্রতিহত করতে ডাঃ ইব্রাহিমের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে সিলেট ডায়াবেটিক এন্ড জেনারেল হাসপাতাল প্রদত্ত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করার জন্য সকল ডায়াবেটিক রোগীদের প্রতি আহবান জানান।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সমিতির সহ-সভাপতি ডা. অধ্যাপক ডা. শিব্বির আহমদ শিবলী, যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক শিবব্রত ভৌমিক চন্দন, কোষাধ্যক্ষ এম. এ. মান্নান, সদস্য মিসেস নাজনীন হোসেন, সিলেট ডায়াবেটিক এন্ড জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডা. এ.টি.এম. জাফর আহমেদ, হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. নিহারেন্দু দাস প্রমূখ।
উক্ত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে হাসপাতালের অন্যান্য চিকিৎসকবৃন্দ, কর্মকর্তা-কার্মচারী, আগত রোগীসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে ডা. ইব্রাহিম বিদেহী আত্মার শান্তি ও মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন, সিলেট কালেক্টরেট মসজিদের পেশ ইমাম হাফিজ মৌলানা মো. শাহ আলম ।
এছাড়াও ডায়াবেটিক সেবা দিবসের কর্মসূচী হিসেবে সিলেট ডায়াবেটিক এন্ড জেনারেল হাসপাতালের সহযোগীতায় ও স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি’র পৃষ্ঠপোষকতায় সকাল ৯টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত সিলেট শহরের তিনটি স্পটে ডায়াবেটিক সনাক্তকরণ ফি-ক্যাম্প পরিচালনা করা হয়।
সিলেট সিটি কর্পোরেশন প্রাঙ্গণে রোটারী ক্লাব অব সিলেট সেন্ট্রাল এর আয়োজনে ডায়াবেটিক সনাক্তকরণ ফ্রি-ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন, আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, প্রসাশক, সিলেট সিটি কর্পোরেশন।
৪নং ওয়ার্ডের হাউজিং এস্টেট কমিউনিটি হলে ডায়াবেটিক সনাক্তকরণ ফ্রি-ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, চেয়ারম্যান, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।
পুরানলেনস্থ সিলেট ডায়াবেটিক এন্ড জেনারেল হাসপাতাল প্রাঙ্গণে ডায়াবেটিক সনাক্তকরণ ফ্রি-ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন, সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম. এ. আহবাব।
এসময়ে আগত রোগীদের বিনামূল্যে ডায়াবেটিস সনাক্ত করা হয় এবং ফ্রি ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়।
» জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের এসএসসি উত্তীর্ণ সংবর্ধনা
Published: ০৬. সেপ্টে. ২০২৬ | রবিবার
জীবনের প্রতিটি অর্জন নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেয় : বদরুজ্জামান সেলিম
জালালাবাদ গ্যাস টি অ্যান্ড ডি সিস্টেম লিমিটেডের পরিচালক বদরুজ্জামান সেলিম বলেছেন, এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া জীবনের গন্তব্য নয়, বরং স্বপ্নপূরণের পথে গুরুত্বপূর্ণ একটি সোপান।
» ওসমানী হাসপাতালে অনিয়ম ও রোগী হয়রানির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল আগামীকাল
Published: ০৬. সেপ্টে. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অনিয়ম, সুচিকিৎসার অভাব ও রোগী হয়রানির অভিযোগের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে।
‘জাগ্রত নারী সংস্থা বাংলাদেশ’-এর উদ্যোগে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর, সোমবার, বেলা ২টায় এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে।
মিছিলের আগে সিলেট রেজিস্ট্রারি মাঠে অংশগ্রহণকারীরা জড়ো হবেন বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
আয়োজকদের দাবি, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা, অনিয়ম বন্ধ করা এবং রোগী ও তাদের স্বজনদের হয়রানি বন্ধের দাবিতে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
কর্মসূচিতে সিলেটের সর্বস্তরের সম্মানিত নাগরিকদের উপস্থিত থাকার জন্য বিনীতভাবে আহ্বান জানিয়েছেন আয়োজকরা।
» স্বেচ্ছাসেবক দলের সাথে মহানগর বিএনপি মতবিনিময়
Published: ০৬. সেপ্টে. ২০২৬ | রবিবার
যেকোন অপতৎপরতা রুখে দিতে স্বেচ্ছাসেবক দল সহ জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে : নাসিম হোসাইন
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন বলেছেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই স্বেচ্ছাসেবক দল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে রাজপথে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।
বিগত সময়ে ফেসিস্ট হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে স্বেচ্ছাসেবক দল অত্যন্ত সাহসী ভূমিকা পালন করেছে।
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশের গণতান্ত্রিক ধারা সমুন্নত রাখতে এবং যেকোন অপতৎপরতা রুখে দিতে স্বেচ্ছাসেবক দল সহ জাতীয়তাবাদী শক্তির সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে মহানগরের প্রতিটি ওয়ার্ডে সাংগঠনিক ভিত্তি আরও জোরদার করতে হবে এবং দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রেখে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আস্থা অর্জন করতে হবে।
সিলেট মহানগর বিএনপির উদ্যোগে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃবৃন্দের সাথে সাংগঠনিক ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীর কাজীরবাজার তোপখানাস্থ মহানগর বিএনপির কার্যালয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভা পরিচালনা করেন সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী।
এসময় তিনি বলেন, বিএনপি সরকারকে বিপদে ফেলে দেশকে অস্থিতিশীল করতে একটি গোষ্ঠী তৎপর রয়েছে। তাই যেকোন অপতৎপরতা রুখে দিতে এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমাদের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করার কোন বিকল্প নেই।
মতবিনিময় সভায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃবৃন্দ মহানগরের আওতাধীন বিভিন্ন ইউনিটের সাংগঠনিক কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরেন এবং আগামী দিনে কেন্দ্রের যেকোনো কর্মসূচি সফল করতে সর্বাত্মক প্রস্তুত থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আফসর খান, যুগ্ম আহবায়ক মাছুম রাজ্জাক রুমেল, আবু ছালেহ মোহাম্মদ তাহের, সৈয়দ আমির আলী, সিনিয়র সদস্য জেহিন আহমেদ, আবির হাসান মুহিন, সালাউদ্দীন সাকের আহমদ, ইকবাল আহমেদ, জিয়া চৌধুরী, সোবহান আজাদ ও মো. সামাদ হোসেন, কোতোয়ালি থানার আহবায়ক কামরুজ্জামান দিপু, সদস্য সচিব আমজাদ হোসেন ও সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক রাসেল মিয়া, শাহপরান থানার সদস্য সচিব সোলেমান খান ও সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আব্দুস সালাম, দক্ষিণ সুরমা থানার আহবায়ক হোসেন আহমদ রোহুল ও সদস্য সচিব মুন্না ঘোষ, জালালাবাদ থানার আহবায়ক সফিক রহমান ও সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ফজল রানা, এয়ারপোর্ট থানার আহবায়ক সৈকত ফাহাদ চৌধুরী তুষার ও সদস্য সচিব এম এ হাসান, মোগলা বাজার থানার সদস্য সচিব ছয়েফ উদ্দীন ও সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক লিমন আহমদ প্রমুখ।
» সাইফুর রহমানের স্বপ্নের সিলেটকে উন্নয়নের শিখরে নিতে চাই : আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী
Published: ০৫. সেপ্টে. ২০২৬ | শনিবার
গভীর শ্রদ্ধায় সাবেক অর্থমন্ত্রীকে স্মরণ
নিউজ ডেস্কঃ
সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী, বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা এম. সাইফুর রহমানের ১৭তম শাহাদাৎবার্ষিকীতে তাঁর স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সিলেট জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি ও সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর নেতৃত্বে নেতৃবৃন্দ এম. সাইফুর রহমানের সমাধিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন।
পরে তাঁরা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করেন। এ সময় এম. সাইফুর রহমানের ছেলে এম. নাসের রহমান এমপি, সিলেট জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ এবং মৌলভীবাজারের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, এম. সাইফুর রহমানের ১৭তম শাহাদাৎবার্ষিকীতে আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তাঁকে স্মরণ করছি।
তিনি শুধু একজন জাতীয় নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন আমাদের মতো অসংখ্য নেতাকর্মীর অভিভাবক। আমরা তাঁর স্নেহধন্য হয়ে রাজনীতিতে পথ চলেছি।
তিনি বলেন, আমাদের ছাত্ররাজনীতি ও পরবর্তী রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘ পথচলায় এম. সাইফুর রহমানের মতো নেতাদের কাছ থেকে আমরা অনেক কিছু শিখেছি।
গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যে রাজনৈতিক পথ আমরা অতিক্রম করেছি, সেই সময়ে তিনি ছিলেন আমাদের জন্য একজন অভিভাবকতুল্য নেতা।
বিএনপি যখনই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে, তিনি অর্থমন্ত্রী হিসেবে দেশের অর্থনীতি ও উন্নয়ন অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা, অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এম. সাইফুর রহমানের অনেক গুরুত্বপূর্ণ চিন্তা ও উদ্যোগ ছিল।
সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনী সহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির ক্ষেত্রেও তাঁর নীতিগত ভূমিকা ছিল।শিক্ষা, বিশেষ করে নারী শিক্ষার প্রসারে তাঁর সময়ের বিভিন্ন উদ্যোগ দেশের সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
তাঁর অর্থনৈতিক চিন্তা ও রাষ্ট্র পরিচালনায় দূরদর্শিতা বাংলাদেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তিনি আরও বলেন, এম. সাইফুর রহমান ছিলেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন নেতাদের অন্যতম।শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি প্রতিষ্ঠার সময় যারা দল গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন, তিনি তাঁদের একজন। সিলেটের মানুষ তাঁকে শুধু একজন রাজনীতিক হিসেবে নয়, নিজেদের একজন আপন মানুষ হিসেবে ভালোবাসতেন।সিলেটের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য তিনি যে ভূমিকা রেখেছেন, তা এই অঞ্চলের মানুষ কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে।
সিসিক প্রশাসক বলেন, দীর্ঘ সময় সিলেটের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়েছে।এখন দেশের মানুষ নতুন করে বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে।সিলেটের মানুষও বিপুলভাবে বিএনপির প্রার্থীদের নির্বাচিত করেছেন।
সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে সিলেটের প্রতিনিধিরাও রয়েছেন।আমরা যারা রাষ্ট্র ও সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছি, আমাদের প্রত্যেকের লক্ষ্য হওয়া উচিত সিলেটের উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে আরও এগিয়ে নেওয়া।
তিনি বলেন, এম. সাইফুর রহমান যেভাবে সিলেটের উন্নয়ন নিয়ে ভাবতেন, সিলেটের মানুষের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিতেন এবং উন্নয়নের জন্য কাজ করতেন, আমরা তাঁর স্নেহধন্য হিসেবে সেই পথ অনুসরণ করতে চাই।
আমাদের সামর্থ্য হয়তো তাঁর মতো ব্যাপক নয়, কিন্তু আমরা আমাদের অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব সিলেটকে আরও উন্নত ও সমৃদ্ধ করার।
এম. সাইফুর রহমানের শাহাদাৎবার্ষিকীতে আমাদের প্রত্যাশা—তাঁর স্বপ্নের সিলেটকে উন্নয়ন ও অগ্রগতির আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া।তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই এবং মহান আল্লাহর কাছে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করি।
এদিকে, এম. সাইফুর রহমানের ১৭তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেট জেলা বিএনপির উদ্যোগে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বাদ মাগরিব হযরত শাহজালাল (রহ.) দরগাহ মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দোয়া মাহফিলে এম. সাইফুর রহমানের কর্মময় জীবনের ওপর আলোকপাত করে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সভাপতি, সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
দোয়া মাহফিলে জেলা বিএনপির সহসভাপতি নাজিম উদ্দীন লস্কর, কামরুল হাসান শাহিন, আহমেদুর রহমান চৌধুরী মিলু, জিল্লুর রহমান সোয়েব, কুহিনুর আহমদ, শাকিল মোর্শেদ, এডভোকেট আল আসলাম মুমিন, লোকমান আহমদ, সালিক আহমদ, মনিরুল ইসলাম তোরন, সোলেমান আহমদ, শওকত মিয়া, শাহিন আলম জয়, আতাউর রহমান কাচা, সেলিম আহমদ, সাহেদ আহমদ, মিজানুর রহমান বেলাল, মোস্তাক আহমদ মোস্তাক, মাহবুব আলম, জাহেদূর রহমান, মুক্তার আহমদ, জুনেদ আহমদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
» সবার আগে আমরা মানুষ, প্রভুপাদের অমৃতবাণী ছড়িয়ে দিতে হবে : অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক
Published: ০৫. সেপ্টে. ২০২৬ | শনিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটে ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা-আচার্য শ্রীল এ. সি. ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদের ১৩০তম আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে মহাভিষেক, আলোচনা সভা, কেক কাটা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরের ইসকন সিলেট মন্দিরে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মাসুদ রানা।
তিনি বলেন, প্রত্যেক ধর্মীয় নেতা মানবকল্যাণ, মানুষের উন্নতি ও মুক্তির জন্য কাজ করেন। তাঁদের সেই অমৃতবাণী মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পারলেই বিশ্বভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
মাসুদ রানা বলেন, বিশ্বে বর্তমানে অরাজকতা বাড়ছে। শ্রীল প্রভুপাদের আবির্ভাব তিথিতে তাঁর কল্যাণকামী শিক্ষা ও বাণী দ্রুত সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন। এতে মানুষের মধ্যে শান্তি ও সম্প্রীতি ফিরে আসবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কিংবা মুসলিম-এটি বড় পরিচয় নয়; সবার আগে আমরা মানুষ।
কাজী নজরুল ইসলামের ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ কবিতার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, মানুষের পরিচয়ই সবচেয়ে বড় পরিচয়।
সবার রক্তের রং একই। তাই মানবতার ঊর্ধ্বে কোনো পরিচয় হতে পারে না। শ্রীল প্রভুপাদের মানবকল্যাণের শিক্ষা ও অমৃতবাণী সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথিকে ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করেন ইসকন সিলেট মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক ভাগবত করুণা দাস ব্রহ্মচারী। আলোচনা সভা শেষে গীতা শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি।
আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন, ইসকন সিলেট বিভাগীয় কমিটির বিবাহ ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় সম্পাদক বলদেব কৃপা দাস অধিকারী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ইসকন সিলেট বিভাগীয় কমিটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় সম্পাদক বুদ্ধি গৌর দাস অধিকারী।
ইসকন সিলেট ইয়ুথ ফোরামের কো-অর্ডিনেটর দেবামৃত নিতাই দাস ব্রহ্মচারীর সঞ্চালনায় এবং ইসকন সিলেট মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক ভাগবত করুণা দাস ব্রহ্মচারীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইসকন সিলেট বিভাগীয় কমিটির ভক্ত কল্যাণ ও আধিবাসী উন্নয়নের বিভাগীয় সম্পাদক পরমেশ্বর কৃষ্ণ দাস অধিকারী, ইসকন সিলেট মন্দিরের যোগাযোগ বিভাগের পরিচালক সিদ্ধ মাধব দাস, কমান্ডার দেবেন্দ্র কেশব দাস ব্রহ্মচারীসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও ভক্তরা।
এর আগে শ্রীল প্রভুপাদের আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে মহাভিষেক অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভা শেষে ১৩০ পাউন্ড ওজনের কেক কেটে ভক্তরা তাঁর আবির্ভাব তিথি উদ্যাপন করেন। পরে দিনব্যাপী প্রভুপাদের মহিমা কীর্তন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সহ বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
» সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এ রোটারী ক্লাবের চারা গাছ হস্তান্তর ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
Published: ০৫. সেপ্টে. ২০২৬ | শনিবার
নিউজ ডেস্কঃ
পরিবেশ সুরক্ষা ও সুফলা প্রাঙ্গণ গড়ে তোলার লক্ষ্যে রোটারী ক্লাব অব সিলেট সেন্ট্রাল-এর মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এ ফলজ ও ভেষজ গাছের চারা হস্তান্তর অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
কর্মসূচির উদ্বোধন ও প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বণিক।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি রোটারী ক্লাবের এই মানবিক ও সামাজিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজ বেষ্টনী তৈরিতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই।
কারাগারের সার্বিক পরিবেশ দৃষ্টিনন্দন রাখা এবং বন্দিদের মাঝে প্রকৃতির ইতিবাচক প্রভাব ছড়িয়ে দিতে চারা গাছ হস্তান্তর ও রোপণের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখবে।
রোটারী ক্লাব অব সিলেট সেন্ট্রাল-এর সভাপতি রোটারিয়ান পিপি ইঞ্জিনিয়ার মো. রুহুল আলম খান পিএইচএফ এর সভাপতিত্বে ও ক্লাব সেক্রেটারি রোটারিয়ান নিশি কান্ত দাস আরএফএসএম-এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, রিপসা টিমের কো-অর্ডিনেটর (অর্থ) রোটারিয়ান পিপি বিকাশ কান্তি দাস পিএইচএফ, রোটারিয়ান পিপি হুমায়ুন ইসলাম কামাল, রোটারিয়ান পিপি মো. জিয়াউল হক এমপিএইচএফ, রোটারিয়ান পিপি মো. আব্দুল মুকিত আরএফএসএম, রোটারিয়ান পিপি মো. সাব্বির আহমেদ আরএফএসএম, রোটারিয়ান পিপি মোহাম্মদ শামসুদ্দিন পিএইচএফ, রোটারিয়ান আইপিপি মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম সুমন আরএফএসএম, রোটারিয়ান আহমেদ রশীদ চৌধুরী আরএফএসএম ও সঞ্জিত শর্মা।
অনুষ্ঠানে রোটারী ক্লাব অব সিলেট সেন্ট্রালের সদস্যবৃন্দ ছাড়াও সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এ কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভা শেষে কারাগারের অভ্যন্তরে নির্ধারিত স্থানে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ চারা রোপণ করা হয়।


