শিরোনামঃ-

» বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সমন্বয় সভায় সিসিক প্রশাসক

Published: ০৩. নভে. ২০২৬ | মঙ্গলবার

মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পরিধি আরও বাড়ানো হবে

নিউজ ডেস্কঃ

নগরবাসীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে সিলেট মহানগরী ও নগরের বাইরে মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পরিধি আরও সম্প্রসারিত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

​মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে নগরভবনের কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

​সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকারের সভাপতিত্বে সভায় প্রশাসক বলেন, সাধারণ বর্জ্যের মতো মেডিকেল বর্জ্য অপসারণ করা সম্ভব নয়।

এটি সঠিকভাবে নিষ্কাশন করা না হলে জনস্বাস্থ্যে মারাত্মক ঝুঁকি ও রোগবালাই তৈরি হয়।

সিসিক ও প্রিজম বাংলাদেশ যৌথভাবে দীর্ঘদিন ধরে লালমাটিয়া প্ল্যান্টে বৈজ্ঞানিক উপায়ে এ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করে আসছে।

এই কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সিসিকের পক্ষ থেকে প্রিজম বাংলাদেশকে নতুন জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং নগরীর সীমানা ছাড়িয়ে বাইরেও সেবা সম্প্রসারণে সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে।

​সভায় জানানো হয়, লালমাটিয়া প্ল্যান্টে সংগৃহীত চিকিৎসা বর্জ্য থেকে শুকনো ও ভেজা অংশ পৃথকীকরণ, শুকনো বর্জ্য দাহকরণ, পুনর্ব্যবহারযোগ্য দ্রব্যাদি জীবাণুমুক্তকরণ এবং ধারালো বস্তু ও শারীরিক টিস্যু গভীর কূপে প্রক্রিয়াজাত করা হয়।

​সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলামের পরিচালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি মুকতাবিস-উন্ নূর, সিসিকের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ একলিম আবদীন, প্রিজম বাংলাদেশের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা।

» বিভিন্ন উন্নয়নকাজ পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক নগরীর কোন রাস্তা কাঁচা থাকবে না

Published: ০৩. নভে. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, ২০০২ সালে সিলেট সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠিত হলেও এখনও মহানগরীর প্রায় অর্ধেক রাস্তা কাঁচা রয়েছে।

অতীতে উন্নয়নের নামে শুধু লুটপাট হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে নগরীর প্রতিটি রাস্তা সম্প্রসারণ ও পাকাকরণ করা হবে। নগরীর কোনো রাস্তা কাঁচা থাকবে না।

মঙ্গলবার সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সড়ক ও ড্রেনের উন্নয়নকাজ উদ্বোধন ও পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সিসিক প্রশাসক বলেন, সিটি করপোরেশনের বর্ধিত ওয়ার্ডগুলো এখনও অনেকটাই অনুন্নত। এসব এলাকার বাসিন্দারা নগরীর কাঙ্ক্ষিত নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত।

বর্ধিত ওয়ার্ডগুলোকে উন্নয়নের মূলধারায় আনতে সিটি করপোরেশন কাজ করছে। এসব এলাকায় ২০ ফুট প্রশস্ত সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য এবং বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সিলেটের উন্নয়নে অত্যন্ত আন্তরিকভাবে কাজ করছেন।

তিনি নগরীর প্রতিটি সড়ক পাকাকরণের উদ্যোগ নিয়েছেন। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সিলেট নগরীর চেহারা পাল্টে দেওয়া সম্ভব হবে।

দুপুরে ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের আল বারাকা আবাসিক এলাকায় সড়ক সম্প্রসারণকাজের উদ্বোধন করেন সিসিক প্রশাসক।

এ সময় তিনি বলেন, দুই মাস আগে এ এলাকায় এসে এলাকাবাসীকে সড়ক সম্প্রসারণের আশ্বাস দিয়েছিলেন।

প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দুই মাসের মধ্যেই কাজ শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য সড়কটি আরসিসি ঢালাইয়ের মাধ্যমে নির্মাণ করা হচ্ছে। সড়কটি ২০ ফুট প্রশস্ত করা হবে।

টেন্ডারের শর্ত অনুযায়ী গুণগত মান বজায় রেখে কাজ সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে নির্দেশ দেন তিনি। পাশাপাশি কাজের মান তদারকি করতে এলাকাবাসীকে অনুরোধ করেন।

এ সময় সিসিকের সহকারী প্রকৌশলী সেলিম আহমদ, কামরুজ্জামান কামরুল সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং এলাকার বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।

এক মাসেই মুক্তিরচকে সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু
এরপর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের মুক্তিরচক এলাকায় নতুন সড়ক নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। আরসিসি ঢালাইয়ের মাধ্যমে সড়কটি নির্মাণ করা হচ্ছে।

এ সময় সিসিক প্রশাসক বলেন, এক মাস আগে মুক্তিরচক এলাকা পরিদর্শনে এসে সড়কটি নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। এক মাসের মধ্যেই সেই কাজ শুরু হয়েছে।

এতে এলাকার দীর্ঘদিনের সড়ক যোগাযোগের সমস্যা দূর হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এ সময় সিসিকের উপসহকারী প্রকৌশলী খায়রুল ইসলাম অপু, কার্যসহকারী দেলোয়ার, মেঘনা এন্টারপ্রাইজের প্রকৌশলী আরিফ ও ফারহানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয়দের মধ্যে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের প্রবীণ বিএনপি নেতা মঈনউদ্দিন আহমেদ, শাহীন মিয়া, আবুল মিয়া, বাছা আহমদ, মামুনুর রশিদ, ছাবু মিয়া, জামাল উদ্দিন, মুক্তিরচক জামে মসজিদের মোতাওয়াল্লি রশিদ মিয়াসহ এলাকার মুরব্বিরা উপস্থিত ছিলেন।

নরসিংটিলায় সড়ক সম্প্রসারণে জমি দেওয়ায় এলাকাবাসীকে ধন্যবাদ
বিকেলে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নরসিংটিলা এলাকায় সড়ক সম্প্রসারণকাজ পরিদর্শন করেন, সিসিক প্রশাসক।

এ সময় জনস্বার্থে সড়ক সম্প্রসারণের জন্য স্বেচ্ছায় জমি ছেড়ে দেওয়ায় এলাকাবাসীকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

এ সময় সিসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শামসুল হক পাটোয়ারী, নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত) রজি উদ্দিন খান, সহকারী প্রকৌশলী কামরুজ্জামান কামরুল, কর্নেল (অব.) সৈয়দ আলী আহমদসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

টুকেরবাজারে ড্রেন ও শাহপুরে প্রধান সড়কের কাজ শুরু
সন্ধ্যায় ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের টুকেরবাজারে হায়দরপুর মসজিদসংলগ্ন এলাকায় সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের পাশে ড্রেন নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন, সিসিক প্রশাসক।

পরে ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের শাদীখালের পাড়স্থ টুকেরবাজার সংযোগস্থল থেকে শাহপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ পয়েন্ট পর্যন্ত বৃহত্তর শাহপুর গ্রামের প্রধান সড়ক নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি।

এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে সড়ক নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন সিসিক প্রশাসক।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি শহীদ আহমদ ও সাবেক কাউন্সিলর আলতাফ হোসেন সুমন।

অধ্যক্ষ জালাল উদ্দিন আল কাদরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিমানবন্দর থানা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল কাদির সমছু, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কোহিনূর আহমদ, ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি এনাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ফখর উদ্দিন সহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

» হলিসিটি পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরুষ্কার বিতরন অনুষ্ঠিত

Published: ০৩. নভে. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ
নগরীর সুবিদবাজারস্থ হলিসিটি পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে নগরীর সুবিদবাজারস্থ হলিসিটি পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্কুলের প্রিন্সিপাল শিলা দেবী।

ভাইস প্রিন্সিপাল মো. একরাম হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ও নিসচা সিলেট জেলা শাখার সভাপতি জহিরুল ইসলাম মিশু।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, এপেক্স বাংলাদেশ জেলা ৪ এর সাবেক ডিস্ট্রিক্ট গর্ভনর আহমদ জাকারিয়া, স্কুলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ আহাদ আলী লিটন, বাংলাদেশ সোসিয়াল কালচারাল কমিটি মন্ট্রিয়াল কানাডা এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সুহেল মিয়া, কবি শামীমা কালাম ও সমাজসেবী নজরুল ইসলাম।

প্রধান অতিথি বক্তব্যে জহিরুল ইসলাম মিশু বলেন, হলিসিটি পাবলিক স্কুল দীর্ঘ ২৫ বছর থেকে সুনামের সহিত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা শিশুদের সুস্থ বিকাশে অনেক ভূমিকা রাখে।

এসময় তিনি শিশুদের আগামী দিনের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

তাঁরা বলেন, শিশুদের আনন্দের মধ্য দিয়েই এগিয়ে নিতে হবে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, স্কুলের অভিভাবক কমিটির সভাপতি গিয়াস উদ্দিন, স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক কানিজ ফাতেমা, মনিকা সিনহা, পূরবী নাথ।

অনুষ্ঠান শেষে স্কুলের শিক্ষার্থীদের নিয়ে মনোঙ্গ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

» দীপদান উৎসবে প্রতিদিন বাড়ছে দর্শনার্থীদের আগ্রহ

Published: ০৩. নভে. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ
সন্ধ্যা নামতেই সিলেটের ইসকন মন্দির প্রাঙ্গণে জ্বলে ওঠে সারি সারি প্রদীপ। ভগবান দামোদরের উদ্দেশে প্রদীপ নিবেদন করতে আসেন নানা বয়সের মানুষ।

কেউ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অংশ নেন দীপদানে, কেউ আবার মন্দিরে এসে দামোদর দীপদানের মহিমা  শোনেন।

প্রদীপের আলোয় মন্দির প্রাঙ্গণ দেখতে ভিড় করেন দর্শনার্থীরা। কার্তিক মাসজুড়ে চলা এ আয়োজনে প্রতিদিনই বাড়ছে মানুষের অংশগ্রহণ।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ছিল মাসব্যাপী দামোদর দীপদান উৎসবের নবম দিন।

গত ২৬ অক্টোবর শুরু হওয়া এ উৎসব চলবে পুরো কার্তিক মাসজুড়ে। প্রতিদিন সন্ধ্যায় ইসকন সিলেট মন্দিরে গৌরসুন্দরের আরতির পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে দীপদান।

এ সময় ভক্ত ও দর্শনার্থীরা প্রদীপ জ্বালিয়ে ভগবান দামোদরের উদ্দেশে প্রদীপ  নিবেদন করেন। পাশাপাশি রয়েছে ধর্মীয় আলোচনা, দামোদরাষ্টকম,হরিনাম সংকীর্তন ও মহাপ্রসাদ বিতরণের আয়োজন।

উৎসবে অংশ নিতে আসা হালদারপাড়ার এক ছাত্রী সম্প্রতি এইচএসসি পরীক্ষায় ভালো ফল করেছেন।

তিনি বলেন, ‘দামোদরের কৃপায় আমার ফলাফল অত্যন্ত ভালো হয়েছে। এ জন্য আমি কৃতজ্ঞ। দীপদান উৎসবে অংশ নিতে পেরে আমার খুব ভালো লাগছে।’

উৎসবে আসা ব্যবসায়ী বিনোদ দাস বলেন, ‘আমি প্রায়ই মন্দিরে আসি।

তবে দামোদর মাসটি আমার কাছে অত্যন্ত প্রিয়। এ মাসে ইসকন মন্দিরে দীপদান, আলোচনা ও মহাপ্রসাদের আয়োজন করা হয়। সব মিলিয়ে পুরো আয়োজনটি আমার কাছে খুব আকর্ষণীয়।’

শুধু সন্ধ্যার দীপদান নয়, কার্তিক মাসজুড়ে ধর্মীয় প্রচার ও ভক্তিমূলক নানা কার্যক্রমও পরিচালনা করছে ইসকন সিলেট।

প্রতিদিন সকালে মন্দির থেকে বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে নগরের বিভিন্ন এলাকায় বের হন ভক্তরা।

তাঁরা নগরসংকীর্তন করেন। এ সময় ভক্তদের নৃত্য ও হরিনাম কীর্তনে অংশ নেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। কৃষ্ণভক্তির বাণী মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে এসব কার্যক্রমে আগ্রহ নিয়ে যুক্ত হচ্ছেন অনেকে।

কার্তিক মাস সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এ মাসে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের দামোদর রূপের উদ্দেশে প্রদীপ নিবেদন করেন ভক্তরা।

শ্রীমদ্ভাগবতে বর্ণিত দামোদর লীলার স্মরণে এ আয়োজন করা হয়। শাস্ত্রীয় বর্ণনা অনুযায়ী, এ মাসে ভক্তিভরে ভগবানের উদ্দেশে প্রদীপ নিবেদন করলে বিশেষ কৃপা লাভ করা যায়।

ইসকন সিলেটের সাধারণ সম্পাদক ভাগবত করুণা দাস ব্রহ্মচারী বলেন, ‘কার্তিক মাস ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কাছে অত্যন্ত প্রিয়।

এ মাসে ভগবান দামোদরের উদ্দেশে প্রদীপ নিবেদনের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।

আমরা চাই, এই আয়োজনের মাধ্যমে মানুষ পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কথা জানুক এবং তাঁর প্রতি আগ্রহী হোক। সবাই পরিবার-পরিজন নিয়ে মন্দিরে এসে দীপদান উৎসবে অংশ নিতে পারেন।’

কার্তিক মাসের শেষ দিন পর্যন্ত ইসকন সিলেটে প্রতিদিন সন্ধ্যায় এ আয়োজন চলবে।

আয়োজকেরা আশা করছেন, উৎসবের বাকি দিনগুলোতেও দর্শনার্থীদের অংশগ্রহণ আরও বাড়বে।

» উদয় সমাজ কল্যাণ সংস্থা সিলেটের ২০তম বার্ষিক তাফসিরুল কোরআন মাহফিল ৪ ডিসেম্বর

Published: ০৩. নভে. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের স্বনামধন্য সামাজিক ও সেবামূলক সংগঠন ‘উদয় সমাজ কল্যাণ সংস্থা সিলেট’-এর উদ্যোগে আগামী ৪ ডিসেম্বর ২০২৬ (২৪ জামাদিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি) শুক্রবার সংস্থার ২০তম বার্ষিক তাফসিরুল কোরআন মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

খাসদবীর ৫নং ওয়ার্ডের ১ম গলিতে অনুষ্ঠিতব্য এই মাহফিলে দুপুর ২টা থেকে শুরু হয়ে মধ্যরাত পর্যন্ত পবিত্র কোরআন ও হাদিসের আলোকে তাফসির পেশ করা হবে।

মাহফিলে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, খাসদবীর মদনী জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মুফতি নাসির উদ্দিন সাহেব।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত উলামায়ে কেরাম হিসেবে দেশবরেণ্য ও প্রখ্যাত বক্তাগণ তাফসির পেশ করবেন,  মুফতি গাজী মাসুদুর রহমান খাঁন (প্রিন্সিপাল, নয়াগাঙ্গেরপার আঞ্জব কোম্পানি দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসা, কোম্পানীগঞ্জ, সিলেট), মাওলানা হাফিজুর রহমান সাহেব, বাহুবলী (বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ, বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর), মাওলানা এমদাদ উল্লাহ সাহেব (প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, উম্মুল কুরা মাদ্রাসা, সাগরদিঘীরপাড়, সিলেট), হাফিজ মাওলানা আফতাব উদ্দিন মাসুমী সাহেব (ইমাম ও খতিব, হাজী আঙ্গুর মিয়া জামে মসজিদ, চৌকিদেখি, সিলেট), হাফিজ মাওলানা জুনায়েদ আহমদ আনসারী সাহেব (সহকারী খতিব ও ইমাম, শাহী ঈদগাহ ও বন্দর বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ)

হাফিজ মাওলানা দিলোয়ার সফিক সাহেব (সিনিয়র শিক্ষক, শিবগঞ্জ হাবিমিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা, সিলেট) মাওলানা ক্বারী মোশাহিদ শিকদার সাহেব, সিলেট, মাওলানা নিয়ামত উল্লাহ খাসদবীরী সাহেব (সিনিয়র মুদাররিস দারুসসালাম মাদ্রাসা)।

এছাড়াও মাহফিলে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আরও বরেণ্য উলামায়ে কেরামগণ মূল্যবান বয়ান পেশ করবেন।

পবিত্র এই তাফসিরুল কোরআন মাহফিলে ধর্মপ্রাণ সকল মুসলিম ভাইদের উপস্থিতি ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন, উদয় সমাজ কল্যাণ সংস্থা সিলেট সভাপতি সজিবুর রহমান রুবেল।

» প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে সেবা প্রদান শুরু সিউকের

Published: ০৩. নভে. ২০২৬ | মঙ্গলবার

মাত্র ১৫ কার্যদিবসে ভূমি ছাড়পত্র ও নকশার অনুমোদন

ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে নিবন্ধনের আওতায় ৩১৫ জন

ভবন নির্মাণে বাড়ছে মালিক, স্থপতি ও প্রকৌশলীদের দায়বদ্ধতা

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটকে একটি পরিকল্পিত, বাসযোগ্য ও নিরাপদ নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয়ে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক)।

দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার পর প্রথমবারের মতো মাত্র ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র, ভবনের নকশা অনুমোদনপত্র ও পেশাজীবী-প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন সনদ বিতরণ কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেছে সংস্থাটি।

এর মধ্য দিয়ে সিলেটে ভবন নির্মাণ, ভূমির ব্যবহার ও নগর পরিকল্পনায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার পথে দৃশ্যমান অগ্রযাত্রা শুরু হলো।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল ১১টায় নগরের নাইওরপুলে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভবন মালিক, স্থপতি, প্রকৌশলী ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে অনুমোদনপত্র ও নিবন্ধন সনদ তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব সনদ বিতরণ করেন সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদা) রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।

অনুষ্ঠানে তিনজন ভবন মালিকের হাতে ভবনের নকশা অনুমোদনপত্র, নয়জনকে ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র, পাঁচজন স্থপতিকে নিবন্ধন সনদ, ছয়জন প্রকৌশলীকে নিবন্ধন সনদ দেওয়া হয়।

পাশাপাশি ছয়টি রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান এবং পাঁচটি কারিগরি উপদেষ্টা প্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধনের সনদ প্রদান করা হয়।

সিউকের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, কার্যক্রম শুরুর পর থেকেই অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র, ভবনের নকশা অনুমোদন এবং স্থপতি ও প্রকৌশলীদের নিবন্ধনের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় গত দুই মাসে ৩১৫ জন পেশাজীবী, সংস্থা, স্থপতি ও প্রকৌশলীর সনদ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে ভবন মালিকদের হাতে অনুমোদিত নকশাও তুলে দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, গত দুই মাসে এসব কার্যক্রম সম্পন্ন করা সিউকের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন।

নির্বাহী পরিচালক সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং সব অংশীজনের সহযোগিতায় অল্প সময়ের মধ্যে এ অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে।

ভবিষ্যতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

নগর পরিকল্পনায় শুধু অনুমোদন দেওয়াই যথেষ্ট নয়, অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী ভবন নির্মাণ হচ্ছে কি না, সেটিও নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করেন সিউক চেয়ারম্যান।

এ কারণে অনুমোদিত নকশার বিপরীতে নির্মাণকাজ হচ্ছে কি না, তা পরিদর্শনের মাধ্যমে নজরদারি করা হচ্ছে।

ভবন মালিকদের পাশাপাশি নির্মাণকাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদেরও সচেতন করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

শুরুতেই আইন প্রয়োগের পথে না গিয়ে প্রথমে মানুষকে নিয়ম মেনে ভবন নির্মাণে উদ্বুদ্ধ করতে চায় সিউক।

নির্দিষ্ট সময় পর প্রয়োজন অনুযায়ী আইন প্রয়োগ করা হবে। ভবন মালিক, শহর ও দেশের স্বার্থেই এসব উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সিলেটকে পরিকল্পিত নগরায়ণের আওতায় এনে একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মো. সাদিউর রহিম জাদিদ বলেন, আজ আনুষ্ঠানিকভাবে সিউকের সেবা প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

যদিও দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু হয়েছিল আরও দুই মাস আগে, এদিন থেকেই মূলত সেবাগ্রহীতাদের কাছে অনুমোদন ও নিবন্ধন সনদ হস্তান্তরের কার্যক্রম দৃশ্যমানভাবে শুরু হলো।

তিনি জানান, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ইমারত নির্মাণ বিধিমালা-১৯৯৬ এবং বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি)-২০২০ অনুসরণ করে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ইতোমধ্যে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যেই ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র অনুমোদন করা হয়েছে।

তবে সীমিত জনবল নিয়ে কার্যক্রম শুরু করায় ভবিষ্যতে আবেদনসংখ্যা বাড়লে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব আবেদন নিষ্পত্তি করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।

এ বিষয়ে নির্বাহী পরিচালক বলেন, বর্তমানে যেসব আবেদন জমা পড়ছে, সেগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রক্রিয়াকরণ করতে পারবে কি না, তা নিয়ে চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

তবে সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই এগিয়ে যাচ্ছে সিউক। এ ছাড়া সংস্থাটির পরিদর্শন কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।

সিউকের নতুন কার্যক্রমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে ভবন নির্মাণ প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের জবাবদিহি নিশ্চিত করা।

নিবন্ধনসংক্রান্ত শর্তাবলি পর্যালোচনায় দেখা যায়, শুধু ভবন মালিক নন, ভবনের নকশা প্রণয়নকারী স্থপতি ও নির্মাণকাজের সঙ্গে যুক্ত প্রকৌশলীদেরও নির্দিষ্ট দায়িত্ব ও দায়বদ্ধতার আওতায় আনা হচ্ছে।

নিবন্ধনের শর্তে নির্মাণকাজের সুপারভিশন বা তদারকির বাধ্যবাধকতা যুক্ত করা হয়েছে।

নির্মাণ শুরুর আগে ভবন মালিক ও সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

নকশা তৈরি করে দায়িত্ব শেষ করার সুযোগ থাকছে না; নির্মাণকাজে পেশাজীবীদের সম্পৃক্ততা ও তদারকিও নিশ্চিত করতে চায় কর্তৃপক্ষ।

অন্যদিকে, রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রেও নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার বিষয়ে কঠোর অবস্থানে থাকবে সিউক।

নিবন্ধন ছাড়া ব্যবসা পরিচালনার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে সংস্থাটি।

সিউক সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র ও ভবনের নকশা অনুমোদনের আবেদন পাওয়ার পর ইমারত নির্মাণ বিধিমালা-১৯৯৬ এবং বিএনবিসি-২০২০ অনুসারে মাঠপর্যায়ে পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করছে সিউক।

সংস্থাটিতে কর্মরত অথরাইজড অফিসার, সহকারী স্থপতি, উপসহকারী প্রকৌশলী, ইমারত পরিদর্শকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসব পরিদর্শনে অংশ নিচ্ছেন।

এর মাধ্যমে প্রস্তাবিত ভবন নির্মাণের আগে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো যাচাইয়ের পাশাপাশি নির্মাণ-পরবর্তী নিয়ম মেনে চলার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

সিউক চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী জানিয়েছেন, ভবন নির্মাণ কমিটির (বিসি কমিটি) মাধ্যমে নকশা অনুমোদনের পরও তদারকি কার্যক্রম নিশ্চিত করা হবে।

শুধু তাই নয়, নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর ভবন ব্যবহারের আগে অকুপেন্সি সার্টিফিকেট বা ব্যবহার সনদ প্রদানও নিশ্চিত করা হবে।

এর মাধ্যমে ভূমির ব্যবহার থেকে শুরু করে নকশা অনুমোদন, নির্মাণকাজের তদারকি এবং ভবন ব্যবহারের অনুমতি পুরো প্রক্রিয়াকে একটি নিয়মতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসতে চায় সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ- এমনটি জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে স্বল্প সময়ের মধ্যে কাঙ্খিত ছাড়পত্র ও নিবন্ধন সনদ হাতে পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সেবাগ্রহীতারা।

তাঁদের ভাষ্য, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই তারা প্রয়োজনীয় সেবা পেয়েছেন।

এ জন্য সংস্থাটির প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তারা।

সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন কার্যকর হওয়ার ফলে ভবন নির্মাণসংক্রান্ত অনুমোদন প্রদানের ক্ষেত্রে নতুন আইনগত বাস্তবতা তৈরি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমান প্রেক্ষাপটে অন্য কোনো সংস্থা থেকে ভবন নির্মাণের অনুমোদনসংক্রান্ত কার্যক্রম গ্রহণ করা হলে তা আইন অনুযায়ী অকার্যকর ও অননুমোদিত হিসেবে গণ্য হবে।

এ অবস্থায় সিলেটে ভবন নির্মাণে সিউকের অনুমোদন ও নির্ধারিত বিধিবিধান অনুসরণের গুরুত্ব আরও বেড়েছে।

» পূবালী ব্যাংক পিএলসি বন্দরবাজার শাখার উদ্যোগে পৌর বিপণী কেন্দ্রকে ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

Published: ০৩. নভে. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ

ডিজিটাল লেনদেন উৎসাহিত করতে এবং ক্যাশলেস সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে সিলেটে পৌর বিপণী কেন্দ্রকে ক্যাশলেস ঘোষণা করার উদ্যোগ নিয়েছে পূবালী ব্যাংক পিএলসি।

এক দেশ এক কিউআর, লেনদেনে বাংলা কিউআর” স্লোগানকে সামনে রেখে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় নগরীর বন্দরবাজারস্থ পৌর বিপণী কেন্দ্র মার্কেটের সামনে পূবালী ব্যাংক পিএলসি, বন্দরবাজার শাখা সিলেটের আয়োজনে দুই দিনব্যাপী এই বিশেষ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

পূবালী ব্যাংক পিএলসি বন্দরবাজার শাখার সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার ম্যানেজার (এসপিও) সুবীর কুমার দাসের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, পৌর বিপনী কেন্দ্র দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. সিকান্দর আলী।

বিশেষ অতিথির হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পৌর বিপনী কেন্দ্র দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সভাপতি আহমেদুর রহমান মিনু, আলমগীর আলী সাহেদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কয়েছ আহমদ, তাছলিম আহমদ শুভ, পূবালী ব্যাংক পিএলসি সিলেট পূর্বাঞ্চলের এডিসি বিভাগের অফিসার সৈয়দ আহমদ মোহসি উদ্দিন, বন্দরবাজার শাখার জুনিয়র অফিসার দেবাশীষ রায়, ডেপুটি জুনিয়র অফিসার রাজীব ধর, জিয়াউর রহমান, আশীষ রায় প্রমূখ।

কার্যক্রমে ক্যাশলেস লেনদেন প্রসারের লক্ষ্যে বিভিন্ন সেবা প্রদান করা হয়।

যার মধ্যে ফ্রি ব্যাংক হিসাব খোলার সুবিধা, তাৎক্ষণিক ফ্রি ডেবিট কার্ড প্রদান, পূবালী ব্যাংকিং অ্যাপ রেজিস্ট্রেশন সুবিধা, পূবালী ব্যাংক হিসাবের সাথে বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন সুবিধা, ব্যবসায়ীদের জন্য পজ ও বাংলা কিউআর আবেদনের সুবিধাসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং সেবা।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা সহজেই আধুনিক, নিরাপদ এবং ক্যাশলেস লেনদেন ব্যবস্থায় অভ্যস্ত হয়ে উঠবেন বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।

» কালীপূজায় ক্ষতিকর পটকা বিক্রি বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি সিলেট ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের

Published: ০৩. নভে. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ

আসন্ন শ্যামাপূজা ও কালীপূজায় সর্বসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জনদুর্ভোগ এড়াতে বিপজ্জনক বিস্ফোরক ও ক্ষতিকর পটকা বর্জন এবং বেচাকেনা সম্পূর্ণ বন্ধে প্রশাসনের কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, সিলেটের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।

একইসঙ্গে এসব ক্ষতিকর সামগ্রী বিক্রি না করার জন্য সাধারণ ব্যবসায়ীদের প্রতিও আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে ‘বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি সিলেট জেলা শাখা’ এবং ‘সিলেট জেলা ব্যবসায়ী ঐক্যকল্যাণ পরিষদ’-এর নেতৃবৃন্দ এই আহ্বান জানান।

এদিকে, ক্ষতিকর পটকা ও বিস্ফোরক দ্রব্যাদি বন্ধের লক্ষে সম্প্রতি ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা ও স্মারকিলিপি প্রদান করেন ‘বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট সিলেট মহানগর শাখা’র নেতৃবৃন্দ।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, আগামী ৮ নভেম্বর (রবিবার) সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব কালীপূজা অনুষ্ঠিত হবে।

এ উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর সিলেটের কিছু চিহ্নিত এলাকায় প্রকাশ্যে নানা ধরনের ক্ষতিকর ও বিপজ্জনক পটকা বিক্রি করা হয়।

এতে তীব্র শব্দদূষণের পাশাপাশি জনজীবনে বিরক্তি এবং সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, অনাকাঙ্ক্ষিত পটকা বা আতশবাজির ব্যবহার সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় এবং যেকোন সময় বড় ধরণের অগ্নিকাণ্ড বা দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি করে।

তাই অনতিবিলম্বে অবৈধ পটকা বিক্রির পয়েন্টগুলো চিহ্নিত করে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সিলেট জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।

বিবৃতিদাতা নেতৃবৃন্দরা হলেন, সিলেট জেলাব্যবাসয়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের সভাপতি ও বাংলাদেশ দোকানমালিক সমিতি সিলেট জেলার মহাসচিব আব্দুর রহমান রিপন, সিলেট জেলা ব্যবাসয়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আহাদ, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি সিলেট জেলার সহ-সভাপতি মো. আব্দুস ছোবহান, সাংগঠনিক সম্পাদক নিয়াজ মো. আজিজুল করিম, শ্রম সচিব শুয়েভ আহমদ অভি, সহ সাংগঠিনক সম্পাদকমীর মোহাম্মদ জাকারিয়া।

পরিশেষে সিলেটের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে ধর্মীয় উৎসব উদযাপনে সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসার এবং বিপজ্জনক পটকা বর্জনে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।

» মুহিবুর রহমান একাডেমি’র আর্ট অ্যান্ড ক্রাফট প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

Published: ০৩. নভে. ২০২৬ | মঙ্গলবার

পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে যোগ্য করে তুলতে হবে

নিউজ ডেস্কঃ
মুহিবুর রহমান একাডেমির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ মুহিবুর রহমান বলেছেন, শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না বরং বিভিন্ন সৃজনশীল ও শিক্ষামূলক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করে তাদের প্রতিভা বিকাশ এবং ভবিষ্যতের জন্য যোগ্য করে তুলতে হবে।

মুহিবুর রহমান একাডেমির শিক্ষার্থীরা আর্ট এন্ড ক্রাফট প্রদর্শনীর মাধ্যমে গ্রামবাংলার জীবনচিত্র ও প্রাচীর ঐতিহ্য তুলে ধরেছে।

তাঁদের এই উদ্যোগ প্রমাণ করে, শিক্ষার্থীরা যেমন নিজেদের গ্রামের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে লালন করে, তেমনি তাদের প্রিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মুহিবুর রহমান একাডেমিকেও লালন করে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) নগরীর মুহিবুর রহমান একাডেমি আয়োজিত আর্ট অ্যান্ড ক্রাফট প্রদর্শনী ২০২৬’র উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি শিল্প, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল চর্চার ওপর গুরুত্ব ও তাদের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখবে মুহবিুর রহমান একাডেমি।

মুহিবুর রহমান একাডেমির কো-অর্ডিনেটর আব্দুস শহীদ চৌধুরী জিয়া’র পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, একাডেমির রেক্টর সালমা খানম চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. ইমদাদ উদ্দিন, সিলেট কমার্স কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল ওয়াদুদ, সিলেট বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজের অধ্যক্ষ জুয়েল মিয়া।

প্রদর্শনীতে একাডেমির বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীদের চিত্রকর্ম, হাতে তৈরি কারুশিল্প ও সৃজনশীল নানা শিল্পকর্ম স্থান পায়।

শিক্ষার্থীদের কল্পনাশক্তি, উদ্ভাবনী চিন্তা, শৈল্পিক দক্ষতা ও সৃজনশীলতার চমৎকার বহিঃপ্রকাশ ঘটে প্রতিটি শিল্পকর্মে।

প্রদর্শনীতে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

আর্ট এন্ড ক্রাফট প্রদর্শনীতে বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে তাঁদের মধ্যে নির্বাচিত ২০ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষার্থী-দলের সদস্যদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

পুরষ্কারপ্রাপ্তরা হলেন, অষ্টম শ্রেণির বাংলা ভার্সনের জয়িতা আলম, রাবিয়া বিনতে হাসান ও নাফিসা চৌধুরী; চতুর্থ শ্রেণির বাংলা ভার্সনের মেহরুন জান্নাত ও আদিবা জান্নাত; দশম শ্রেণির শামস, ইশাম, আরিয়ান ও ইসান; কেজি-২-এর মিরহা হুসাইন মিরা; তৃতীয় শ্রেণির ইংরেজি ভার্সনের রত্ন প্রসাদ দাস এবং বাংলা ভার্সনের মাহেরা ইসলাম ও আদিত্য রায়; প্রথম শ্রেণির ইংরেজি ভার্সনের মো. জিসান আহমেদ; চতুর্থ শ্রেণির ইংরেজি ভার্সনের আনা ইসলাম ও করিমা হোসাইন; ষষ্ঠ শ্রেণির ইংরেজি ভার্সনের রাবদিয়া রহমান রাহা এবং বাংলা ভার্সনের আদিল জাহান আবিদ; পঞ্চম শ্রেণির বাংলা ভার্সনের মাশিয়াত সারা এবং ইংরেজি ভার্সনের আলা আল দীন আফফান শান ও নুসাইবা হোসাইন; সপ্তম শ্রেণির ইংরেজি ভার্সনের এলিনা নুজহাত এবং অষ্টম শ্রেণির ইংরেজি ভার্সনের তাসনিম।

উল্লেখ্য, মুহিবুর রহমান একাডেমি প্রচলিত পাঠ্যক্রমভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিক, সাংস্কৃতিক, সৃজনশীল ও মানবিক গুণাবলির বিকাশে বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। আর্ট অ্যান্ড ক্রাফট প্রদর্শনী তারই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

» ২৫ নভেম্বর সিলেটে আন্তর্জাতিক ইসলামী মহাসম্মেলন

Published: ০৩. নভে. ২০২৬ | মঙ্গলবার

প্রায় দুই দশক পর সিলেট আসছেন শায়খুল ইসলাম মুফতি তাকি উসমানী

নিউজ ডেস্কঃ

মুসলিম বিশ্বের প্রাতঃস্মরণীয় ব্যক্তিত্ব, বিশ্ববরেণ্য আলেম, জগদ্বিখ্যাত ফকিহ ও শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইসলামী মনীষী শায়খুল ইসলাম হযরত মাওলানা মুফতি মুহাম্মদ তাকী উসমানী দা. বা. দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর আগামী ২৫ নভেম্বর পুণ্যভূমি সিলেটে আগমন করছেন।

তাঁর এই সফরকে কেন্দ্র করে সিলেটসহ দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমান, উলামায়ে কেরাম ও দ্বীনি অঙ্গনে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।

সিলেটের প্রথম স্বতন্ত্র উচ্চতর গবেষণামূলক দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামেয়াতুল খাইর আল ইসলামিয়া সিলেটের উদ্যোগে এ সফরের আয়োজন করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান পরিচালক মুফতি আবদুল মুনতাকিম দীর্ঘদিন ধরে শায়খুল ইসলাম মুফতি মুহাম্মদ তকী উসমানীকে সিলেট ও বাংলাদেশ সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়ে আসছিলেন।

এ উদ্দেশ্যে তিনি বিভিন্ন সময়ে সরাসরি সাক্ষাৎ করেও তাঁকে সিলেটে আগমনের অনুরোধ জানান। গত বছরও তাঁর সফরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে কিছু অনিবার্য কারণে সে সফর স্থগিত হয়ে যায়।

অবশেষে এ বছর মুফতি তাকী উসমানীর সম্মতি ও আগ্রহে চলতি নভেম্বর মাসে তাঁর সিলেট সফরের দিনক্ষণ নির্ধারিত হয়েছে।

দ্বীনি মাদ্রাসাগুলোর বার্ষিক পরীক্ষার সময়সূচি বিবেচনায় রেখে নভেম্বর মাসকে সফরের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।

সফরকালে বাংলাদেশের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বীনি ও ইসলামী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন, শায়খুল ইসলাম মুফতি তাকি উসমানী।

এ উপলক্ষে আগামী ২৫ নভেম্বর বুধবার সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে জামেয়াতুল খাইর আল ইসলামিয়ার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হবে এক আন্তর্জাতিক ইসলামী মহাসম্মেলন।

এতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উলামায়ে কেরাম, মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, মসজিদের ইমাম-খতিব, ইসলামী চিন্তাবিদ ও সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসলমানের ব্যাপক সমাগম প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

মুফতি আব্দুল মুনতাকিম বলেন, “শায়খুল ইসলাম মুফতি মুহাম্মদ তাকী উসমানী সমকালীন মুসলিম বিশ্বের এক অনন্যসাধারণ ইসলামী ব্যক্তিত্ব।

আরব-আজমে বর্তমান সময়ের শ্রেষ্ঠ ইসলামী স্কলার হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।

ইলম, ফিকহ, গবেষণা, লেখনী, ইসলাহী মেহনত ও উম্মাহর পথনির্দেশনায় তাঁর অবদান বিশ্বব্যাপী স্মরণীয়।

এমন একজন মহান মনীষীর সান্নিধ্য লাভ এবং তাঁর কাছ থেকে ইলমি ও আমলি দিকনির্দেশনা গ্রহণের সুযোগ আমাদের জন্য এক বিরাট নেয়ামত।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর তাঁর সিলেট আগমন আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও সৌভাগ্যের বিষয়।

বয়স ও শারীরিক বাস্তবতার কারণে ভবিষ্যতে তাঁর এ ধরনের সফরের সুযোগ কতটা পাওয়া যাবে, তা বলা কঠিন।

তাই এই সফরকে আমরা অত্যন্ত মূল্যবান ও ঐতিহাসিক সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করতে চাই।

উলামায়ে কেরাম, মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষক, মসজিদের ইমাম-খতিব, আধুনিক শিক্ষিত সমাজ এবং সর্বস্তরের মুসলমান যেন এ সুযোগের যথাযথ মূল্যায়ন করেন।

তাঁর সান্নিধ্য থেকে উপকৃত হন, তাঁর ইলমি আলোচনা ও দিকনির্দেশনা গ্রহণ করেন এবং যথাযোগ্য সম্মান ও ভালোবাসার সঙ্গে তাঁকে বরণ করে নেন, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

মুফতি আব্দুল মুনতাকিম সিলেট বিভাগের সর্বস্তরের উলামায়ে কেরামের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটি শুধু একটি সাধারণ সম্মেলন নয়; বরং সমকালীন মুসলিম বিশ্বের একজন শীর্ষস্থানীয় আলেম ও সর্বজন শ্রদ্ধেয় ফকিহের সান্নিধ্য লাভের এক বিরল সুযোগ।

তাই দল-মত, শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে সবাইকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করতে হবে।

সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও আন্তরিক সহযোগিতার মাধ্যমে এ সম্মেলনকে সিলেটের ইতিহাসে স্মরণকালের বৃহত্তম ও স্মরণীয় ইসলামী সমাবেশে পরিণত করতে হবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সিলেটের সর্বস্তরের উলামায়ে কেরাম, মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, শিক্ষক, মসজিদের ইমাম-খতিব, ইসলামী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ মুসলমান সম্মেলনে ব্যাপকভাবে অংশগ্রহণ করে শায়খুল ইসলাম মুফতি মুহাম্মদ তকী উসমানীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাবেন।

উল্লেখ্য, আগামী ২৫ নভেম্বর বুধবার সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিতব্য এ আন্তর্জাতিক ইসলামী মহাসম্মেলনকে ঘিরে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিকেল ৩টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এ সম্মেলনের শুরুতে পাকিস্তান মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের মহাসচিব আল্লামা হানিফ জালন্ধরীও গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য পেশ করবেন।

এছাড়াও দেশ বিদেশের শীর্ষস্থানীয় উলামায়ে কেরাম ও ইসলামী চিন্তাবিদ গন এ মহা সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এ সম্মেলন সিলেটের দ্বীনি অঙ্গনে এক স্মরণীয় অধ্যায়ের সূচনা করবে।

» এলপিজি ও অটোগ্যাসের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি সিলেট মহানগর জামায়াতের নিন্দা ও প্রতিবাদ

Published: ০৩. নভে. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ
১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে ২২৩ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণ এবং অটোগ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সিলেট মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ।

একই সঙ্গে এলপিজি ও অটোগ্যাসের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সিলেট মহানগর জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, নায়েবে আমীর ড. নূরুল ইসলাম বাবুল ও সেক্রেটারি মোহাম্মদ শাহজাহান আলী বলেন, ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা থেকে ২২৩ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

পাশাপাশি যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দাম প্রতি লিটারে ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৯১ টাকা ৯৫ পয়সা করা হয়েছে।

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষ যখন দিশেহারা, তখন জ্বালানি খাতের এ মূল্যবৃদ্ধি জনজীবনে নতুন করে দুর্ভোগ সৃষ্টি করবে।

বিশেষ করে রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ায় সাধারণ পরিবারের ব্যয় আরও বেড়ে যাবে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, অটোগ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পরিবহন খাতেও পড়বে। যানবাহনের পরিচালন ব্যয় বেড়ে গেলে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হবে।

পাশাপাশি গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধি এবং পণ্য পরিবহনের খরচ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এতে যাত্রীসাধারণের যাতায়াত ব্যয় ও নিত্যপণ্যের দাম আরও বেড়ে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়বে।

তাঁরা আরও বলেন, সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে জানা গেছে, মাত্র ১২টি কোম্পানির হাতে পুরো এলপিজি খাত জিম্মি হয়ে আছে।

সিন্ডিকেট ভেঙে বাজারে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করার পরিবর্তে সরকার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে লুটপাটের সুযোগ করে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

এর দায়ভার শেষ পর্যন্ত সাধারণ জনগণকেই বহন করতে হচ্ছে।

অবিলম্বে এলপিজি ও অটোগ্যাসের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার এবং বাজারে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান জামায়াত নেতৃবৃন্দ।

» মৃত্যুবার্ষিকীতে সাইক্লোনের আলোচনা সভা

Published: ০৩. নভে. ২০২৬ | মঙ্গলবার

দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ একজন মানবতাবাদী ছিলেন : আবদুল কাদের তাপাদার

নিউজ ডেস্কঃ
দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ একজন মানবতাবাদী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি তার লেখায়-চিন্তায় ছিলেন অভিন্ন।

জমিদার পরিবারে জন্ম হলেও তিনি প্রজাদের অধিকার আদায়ের জন্যে তাদের পক্ষাবলম্বন করেছেন।

ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন।

সাইক্লোন কেন্দ্রীয় সংসদের ৩৪৯তম সাহিত্য আসরে জাতীয় অধ্যাপক দার্শনিক দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় মূখ্য আলোচকের বক্তব্যে সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি আবদুল কাদের তাপাদার এ কথা বলেন।

সংসদের কেমুসাস সাহিত্য আসর কক্ষে সাইক্লোনের সভাপতি ভ্রমণকাহিনি লেখক মোয়াজ আফসারের সভাপতিত্বে গত সোমবার (২ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত সভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মুসলিম সাহিত্য সংসদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মাহমুদ রাজা চৌধুরী।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সাইক্লোনের সাধারণ সম্পাদক ইশরাক জাহান জেলি।

সাইক্লোনের সাবেক সভাপতি সেলিম আউয়ালের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন, এডিশনাল পিপি এডভোকেট আব্দুল মুকিত অপি, কবি শামসীর হারুনুর রশীদ, কবি সরওয়ার ফারুকী।

সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন, কবি কামাল আহমদ।

অনুষ্ঠানের শেষ পযায়ে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন, আন্তর্জাতিকভাবে কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হাফিজ আজহারুল ইসলাম উসামা।

পরে হাফিজ উসামাকে সাইক্লোনের পক্ষ থেকে দেওয়ান মাহমুদ রাজার সৌজন্যে সম্মানী প্রদান করা হয়।

Callender

November 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30