- সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে এসএমপি কমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ
- শ্রীরামপুরে সড়ক ও ড্রেনেজ উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক
- শাহজালাল জামেয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজে বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ
- সিলেটে আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও ‘সমতল ভূমি কমিশন’ গঠনের দাবী
- জিন্দাবাজার শাখায় সিআরএম মেশিনের উদ্বোধন
- সিলেট সিটি পিপিপি পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেবে
- পীর সাহেব চরমোনাই সিলেট সফর উপলক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত
- মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের দালাল সৌদি আরব সরকারের নেতৃত্বে ‘মাল্টিন্যাশনাল মেরিটাইম ডিফেন্স অ্যালায়েন্স’ জোট-এ বাংলাদেশ যুক্ত হওয়ার প্রতিবাদে সিলেটে এনডিএফ এর সমাবেশ
- ছাতকে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় শালিশে নিষ্পত্তি, প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করলেন অভিযুক্তরা
- সিলেট নগরীতে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলম
» সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে এসএমপি কমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ
Published: ০৯. আগ. ২০২৬ | রবিবার
সিলেটে মাদক ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আলোচনা
নিউজ ডেস্কঃ
নবনিযুক্ত সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
রোববার (৯ জুলাই) বিকেলে নগর ভবনে সিসিক প্রশাসকের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় সিলেট নগরীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক, অনলাইন জুয়া ও কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “সিলেট নগরবাসীর নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সিটি কর্পোরেশন ও পুলিশের মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার করা প্রয়োজন।
বিশেষ করে মাদক, অনলাইন জুয়া ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে সিটি কর্পোরেশন।”
তিনি নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের তৎপরতা আরও বাড়ানোর অনুরোধ জানান।
এ সময় এসএমপি কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম বলেন, মাদক, অনলাইন জুয়া ও কিশোর গ্যাং সহ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সাক্ষাৎকালে সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (উত্তর) মো. সাইফুল ইসলাম, কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খান মো. মঈনুল জাকির উপস্থিত ছিলেন।
» শ্রীরামপুরে সড়ক ও ড্রেনেজ উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক
Published: ০৯. আগ. ২০২৬ | রবিবার
প্রত্যন্ত এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি
দক্ষিন সুরমা প্রতিনিধিঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, নগরীর প্রত্যন্ত এলাকাগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন।
পর্যায়ক্রমে সড়ক, ড্রেনেজ ও সড়কবাতিসহ প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।
রোববার (৯ আগস্ট) বিকেলে ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম শ্রীরামপুর এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক এ সময় শ্রীরামপুর প্রধান সড়কের দুই পাশে চলমান ড্রেন নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি সড়কবাতি স্থাপনের কাজের অগ্রগতিও ঘুরে দেখেন।
পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, শ্রীরামপুর প্রধান সড়কের দুই পাশের ড্রেন নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সড়কবাতি স্থাপনের কাজও প্রায় শেষ।
দ্রুততম সময়ের মধ্যে ড্রেন ও সড়কবাতির কাজ সম্পন্ন করে এগুলোর উদ্বোধন করা হবে। এরপর সড়ক উন্নয়নের কাজ শুরু হবে।
তিনি আরও বলেন, এলাকার অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়নেও পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
নগরবাসীর নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
পরিদর্শনকালে ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি কামাল আহমেদ, এমাদ আহমেদ বাচ্চু মিয়া, নেখাল আহমেদ, নুরেখ আহমেদ, বিএনপি সদস্য রানা আহমেদ, জাকারিয়া আহমদ, যুবদল নেতা রাজু আহমেদ, ৪২ নম্বর ওয়ার্ড কৃষকদলের আহ্বায়ক তিতন আহমেদ, আব্দুল মালেক, সিসিকের জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থ, উপসহকারী প্রকৌশলী খায়রুল ইসলাম অপুসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
» শাহজালাল জামেয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজে বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ
Published: ০৯. আগ. ২০২৬ | রবিবার
ইসলামের মূল্যবোধকে সমাজে জাগ্রত ও সমুন্নতরাখতে ইসলামী সংস্কৃতির চর্চার কোন বিকল্প নেই : সংসদ সদস্য অধ্যাপক মাহফুজা সিদ্দিকা
নিউজ ডেস্কঃ
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য অধ্যাপক মাহফুজা সিদ্দিকা বলেছেন, জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত নতুন বাস্তবতার ওপর দাঁড়িয়ে আজকের পার্লামেন্ট এগিয়ে যাচ্ছে।
বর্তমান পার্লামেন্ট ও রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে তাঁদের রক্তের অবদান চিরস্মরণীয়। ইসলামের মূল্যবোধকে সমাজে জাগ্রত ও সমুন্নত রাখতে ইসলামী সংস্কৃতির চর্চার কোন বিকল্প নেই।
তাই প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইসলামী সংস্কৃতি ও নৈতিক মূল্যবোধ চর্চার পরিধি আরও বাড়ানো জরুরি।
শিক্ষা খাতের মানোন্নয়ন ও শিক্ষকদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, দেশের শিক্ষার অগ্রগতি ও সার্বিক মানোন্নয়নে শিক্ষক সমাজকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।
শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যপুস্তকের শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না রেখে নৈতিক, মানবিক ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব মূলত শিক্ষকদেরই।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি লেখাপড়ার পাশাপাশি সংস্কৃতি চর্চা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধে বলীয়ান হওয়ার আহ্বান জানান।
একই সাথে একটি সুন্দর, সমৃদ্ধ ও আদর্শ সমাজ গঠনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সক্রিয় ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
রোববার (৯ আগস্ট) সকালে নগরীর মিরাবাজাস্থ শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের হলরুমে বালিকা শাখার বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত বালিকা শাখার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ গোলাম রব্বানীর সভাপতিত্বে ও প্রভাষক রুবানা চৌধুরী এবং সহকারী শিক্ষিকা মরিয়ম আক্তার মুক্তার যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন, সাংস্কৃতিক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক দিলরুবা আক্তার।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান ড. ফজলুর রহিম কায়সার।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কলেজ শাখার ইনচার্জ মোর্শেদা আক্তার, মাধ্যমিক শাখার ইনচার্জ জাকিয়া নূরী চৌধুরী, প্রাথমিক বাংলা শাখার কো-অর্ডিনেটর জাহানারা আক্তার বেগম, ইংলিশ ভার্সনের ইনচার্জ আইরিন পারভীন।
এদিকে সকাল ১১টায় বালক শাখার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়।
অধ্যক্ষ মোহাম্মদ গোলাম রব্বানীর সভাপতিত্বে ও প্রভাষক মুহিবুর রহমান শামীম এবং ফয়ছল মাহমুদ সাকিবের পরিচালনায় এই পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান ড. ফজলুর রহিম কায়সার।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক প্রিন্সিপাল অধ্যাপক আবদুল হান্নান।
বক্তব্য রাখেন, কলেজ ইনচার্জ রফিকুল ইসলাম মজুমদার, সহকারী প্রধান শিক্ষক মোস্তফা কামাল, সিনিয়র শিক্ষক আব্দুর রব, সাংস্কৃতিক কমিটির আহ্বায়ক মো. আব্দুর রশিদ।
এছাড়াও প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
» সিলেটে আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও ‘সমতল ভূমি কমিশন’ গঠনের দাবী
Published: ০৯. আগ. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে (সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ) প্রায় অর্ধশতাধিক ভিন্ন ভিন্ন আদিবাসী সম্প্রদায় বসবাস করে।
তবে তাঁদের মধ্যে জনসংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে প্রধান এবং বৃহৎ দুটি জনগোষ্ঠী হলো খাসি ও মণিপুরি।
এছাড়া পাত্র, ওরাঁও, গারো, ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের মানুষজন বসবাস করেন।
সিলেটের আদিবাসী নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশে বসবাসরত সকল আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও সমতলের আদিবাসীদের জন্য স্বাধীন ও কার্যকর ”সমতল ভূমি কমিশন’ গঠনের দাবী করেছেন।
রবিবার (৯ই আগস্ট) বেলা ১২টায় আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উদযাপন উপলক্ষে এথনিক কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (একডো) আয়োজনে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এই দাবী তুলেন সিলেটে বসবাসরত আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা।
‘আদিবাসী ধাত্রীদের সম্মান: জীবন ও সুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তাদের অবদান’ শীর্ষক প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে সিলেট শহরের একটি হোটেলের হলরুমে মতবিনিময় সভা ও সভা শেষে মনিপুরী ও চা-শ্রমিক শিল্পীদের পরিবেশনায় একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এর পূর্বে সিলেটের দলদলী চা বাগানে একডো ও চা শ্রমিক নারী মঞ্চের উদ্যোগে একটি র্যালি করা হয়।
সভায় অংশগ্রহনকারী আদিবাসী নেতৃবৃন্দ নিজেদের সংকটের কথা তুলে ধরে বলেন, চা বাগান বেষ্টিত সিলেট অঞ্চলে আদিবাসীদের একটি অংশ চা শ্রমিক হিসেবে কাজ করছেন। এই আদিবাসী জনগোষ্ঠী প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে সিলেটে বসবাস করছেন।
কিন্তু অন্যান্য সমস্যার পাশাপাশি এখনো সিলেটে এখনো চ্যালেঞ্জের মুখে আদিবাসী নারীদের নিরাপদ মাতৃত্ব।
মতবিনিময় সভার শুরুতেই সভার মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন এথনিক কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (একডো) এর নির্বাহী পরিচালক লক্ষ্মীকান্ত সিংহ।
তিনি বলেন, সিলেট অঞ্চলের খাসি, পাত্র, ওরাঁওসহ বিভিন্ন আদিবাসী জনগোষ্ঠী প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে যে প্রথাগতভাবে ভূমি ব্যবহার ও সংরক্ষণ করে আসছে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট আইনি স্বীকৃতি নেই।
অবিলম্বে রাষ্ট্রীয় আইনি কাঠামোর মাধ্যমে আদিবাসী জনগোষ্ঠী কর্তৃক প্রথাগতভাবে বসবাস করে আসা এই ভূমির মালিকানা ও ব্যবহারের অধিকারকে স্বীকৃতি দিতে হবে।
একমাত্র প্রথাগত ভূমির আইনি স্বীকৃতি প্রদানের মাধ্যমে বন বিভাগ বা প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে আদিবাসীদের ঐতিহ্যগত ভূমি থেকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি বন্ধ করা সম্ভব।
তিনি বলেন, সিলেট অঞ্চলে আদিবাসীদের একটি অংশ চা শ্রমিক হিসেবে কাজ করছেন।
আদিবাসী জনগোষ্ঠীর এলাকা এবং অধিকাংশ চা-বাগানগুলোর কাছাকাছি কার্যকর কোন স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা কমিউনিটি ক্লিনিক নেই।
সেখানে পর্যাপ্ত ওষুধ, সার্বক্ষণিক নার্স, দক্ষ ধাত্রী এবং চিকিৎসক সহ কমিউনিটি ক্লিনিক নেই। তাই এখনো এখনো চ্যালেঞ্জের মুখে আদিবাসী নারীদের নিরাপদ মাতৃত্ব।
তাছাড়া আদিবাসী জনগোষ্ঠীর প্রবীণ, শিশু এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য পুষ্টি কর্মসূচি ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তির প্রক্রিয়া সহজতর করা এখন সময়ের দাবী।
আদিবাসী জনগণের মানবাধিকার রক্ষা ও উন্নয়নে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকার অঙ্গীকারাবদ্ধ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আদিবাসী জনগণকে এমন জনগোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত করেছে, যারা ঐতিহাসিকভাবে নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে বসবাস করে আসছে, নিজেদের স্বতন্ত্র সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান বজায় রেখেছে এবং মূলধারার জনগোষ্ঠী থেকে ভিন্ন পরিচয় ধারণ করে।
একই সঙ্গে তাদের ভূমি, সম্পদ, সংস্কৃতি এবং উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় কার্যকর অংশগ্রহণের অধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
গণ-প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যে ILO Convention 107 এবং UNDRIP 2007-এর পক্ষে সমর্থন প্রদান করেছে।
ফলে আদিবাসী জনগণের মানবাধিকার, সাংস্কৃতিক পরিচয়, ভূমির অধিকার এবং উন্নয়নে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার অঙ্গীকারাবদ্ধ।
মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ইকরামুল কবির, ডিবিসি নিউজের সিলেট ব্যুরো প্রধান প্রত্যুষ তালুকদার, দ্যা বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার সিলেট ব্যুরো প্রধান দেবাশিষ দেবু, খবরের কাগজের নিজস্ব প্রতিবেদক শাকিলা ববি, চ্যানেল টুয়েন্টিফোরের সিলেট প্রতিনিধি আজহার উদ্দিন শিমুল প্রমুখ।
আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পাত্র সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি ছিলেন, সুমি পাত্র, মনিপুরী সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে ছিলেন অর্ঘ্য সিংহ, হিমেশ সিংহ, চা শ্রমিক নারী মঞ্চের সভাপতি সুমি নায়েক, লাক্কাতুড়া চা চাগানের নারী ইউপি সদস্য দিপালী গোয়ালা, কেওয়াছড়া চা বাগানের বাসন্তি কুর্মি প্রমুখ।
সভা সঞ্চালনা করেন, একডোর সমন্বয়কারী তাসনিম চৌধুরী।
» জিন্দাবাজার শাখায় সিআরএম মেশিনের উদ্বোধন
Published: ০৯. আগ. ২০২৬ | রবিবার
গ্রাহকদের উন্নত সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে উত্তরা ব্যাংক কাজ করে যাচ্ছে : উপমহাব্যবস্থাপক জাহাঙ্গীর আলম
নিউজ ডেস্কঃ
উত্তরা ব্যাংক পিএলসি সিলেট অঞ্চলের উপমহাব্যবস্থাপক ও আঞ্চলিক প্রধান মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, গ্রাহকদের উন্নত সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে উত্তরা ব্যাংক কাজ করে যাচ্ছে।
আবহমান বাংলার ঐতিহ্যে লালিত উত্তরা ব্যাংক সর্বদা গ্রাহকবান্ধব সেবা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এই আধুনিক ক্যাশ রিসাইক্লার মেশিনের মাধ্যমে গ্রাহকগণ এখন থেকে দিনে-রাতে যেকোন সময় নিরাপদে টাকা জমা ও উত্তোলন করতে পারবেন, যা তাঁদের সময় সাশ্রয় করবে এবং ব্যাংকিং কার্যক্রমকে আরও সহজতর করবে।
রোববার (৯ আগস্ট) বিকালে সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারস্থ উত্তরা ব্যাংক পিএলসি শাখায় গ্রাহকদের আধুনিক ও দ্রুততম ব্যাংকিং সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ২৪ ঘণ্টা টাকা জমা ও উত্তোলনের সুবিধা সম্বলিত সিআরএম এর মেশিনের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, জিন্দাবাজারস্থ উত্তরা ব্যাংক পিএলসি শাখার এজিএম মো. সাইফুল ইসলাম, এসপিও এ. এফ. এম জিয়াউদ্দিন সহ উত্তরা ব্যাংক সিলেট শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও গ্রাহকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
» সিলেট সিটি পিপিপি পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেবে
Published: ০৯. আগ. ২০২৬ | রবিবার
ফোকাল পয়েন্ট নিয়োগ, পৃথক পিপিপি সেল গঠনের সিদ্ধান্ত
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “সিলেটের নগর সেবার মান উন্নয়ন ও অবকাঠামোগত চাহিদা পূরণে পিপিপি একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।
সীমিত সরকারি অর্থায়নের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অর্থ, প্রযুক্তি ও ব্যবস্থাপনা দক্ষতাকে কাজে লাগাতে আমরা আগ্রহী।
প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমাদের কর্মকর্তারা পিপিপির কাঠামো, প্রকল্প প্রস্তুতি ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে বাস্তব ধারণা পেয়েছেন।
এখন আমরা একটি সম্ভাবনাময় প্রকল্পকে পাইলট হিসেবে এগিয়ে নিতে চাই। এজন্য একজন ফোকাল পয়েন্ট নিয়োগ এবং পর্যায়ক্রমে পৃথক পিপিপি সেল গঠন করা হবে।
পিপিপি কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় আমরা একটি বাস্তবসম্মত ও টেকসই প্রকল্প প্রস্তুত করে বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।”
রোববার (৯ আগষ্ট) নগরীর দরগা গেইটস্থ একটি অভিজাত হোটেলের হলরুমে সিলেট সিটি করপোরেশন ও এসএনভি নেদারল্যান্ডস ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের ‘সাসটেইনেবল আরবান ওয়াটার সাইকেলস (এসইউডব্লিউসি)’ কর্মসূচির আওতায় আয়োজিত পিপিপি বিষয়ক ৮ ও ৯ আগস্ট দুই দিনের প্রশিক্ষণ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।
প্রশিক্ষনের উদ্বোধন করেন, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার।
প্রশিক্ষণে সিটি করপোরেশনের ৩৬ জন কর্মকর্তা অংশ নেন।
প্রশিক্ষণ শেষে বক্তব্যে তাঁরা জানান, সিলেট সিটি করপোরেশন একটি পিপিপি প্রকল্প পাইলট আকারে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেবে।
এ জন্য প্রথমে একজন পিপিপি ফোকাল পয়েন্ট নিয়োগ করা হবে।
পরবর্তী সময়ে একটি পৃথক পিপিপি সেল গঠন করা হবে। সেলটি পিপিপি প্রকল্পের প্রস্তুতি, বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত কাজ এবং পিপিপি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করবে।
প্রশিক্ষণে সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর এবং প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ একলিম আবদীন উপস্থিত ছিলেন।
প্রথম দিনের প্রশিক্ষণে নগর সেবার বর্তমান পরিস্থিতি, প্রচলিত সরকারি অর্থায়নের সীমাবদ্ধতা, পিপিপির ধারণা ও কাঠামো, পিপিপি আইন-২০১৫ এর আওতায় বাংলাদেশের পিপিপি কাঠামো, ক্রয় পদ্ধতি, চুক্তি ব্যবস্থাপনা এবং কর্মদক্ষতা পর্যবেক্ষণ নিয়ে আলোচনা করা হয়।
দ্বিতীয় দিনে সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন খাতে পিপিপির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
এর মধ্যে ছিল কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানি সরবরাহ, পার্কিং, বাজার, টার্মিনাল ও সড়কবাতি।
এ সময় প্রকল্পে ঝুঁকি বণ্টন, অর্থায়নের মৌলিক বিষয় এবং ঋণদাতাদের বিবেচ্য বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়।
প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে অংশগ্রহণকারীরা দলগতভাবে বিভিন্ন প্রকল্পের ধারণা তৈরি করেন।
পরে সিলেট সিটি করপোরেশনের জন্য একটি কর্মপরিকল্পনার খসড়া করা হয়। প্রতিটি দল আগামী ৯০ দিনের মধ্যে তিনটি করে কাজ সম্পন্ন করার অঙ্গীকার করে।
প্রশিক্ষণে সম্পদ ব্যক্তি হিসেবে পিপিপি কর্তৃপক্ষের পরিচালক মো. আলী আজম আল আজাদ, পিপিপি বিশেষজ্ঞ এম মুর্শেদ হায়দার এবং এসএনভির পাবলিক ফাইন্যান্স অ্যাডভাইজার এম জি শাওন, সিএফএ অংশ নেন।
সিটি করপোরেশন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সিলেটে ক্রমবর্ধমান নগর সেবার চাহিদা পূরণে পিপিপি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সীমিত পৌর বাজেটের মধ্যে বর্জ্য সংগ্রহ, পয়ঃনিষ্কাশন, পানি সরবরাহ ও বাজার অবকাঠামোর মতো খাতে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ নিশ্চিত করা কঠিন।
এ ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতের অর্থায়ন ও পরিচালন দক্ষতা কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি করতে পারে পিপিপি।
তবে এ ধরনের প্রকল্প সফল করতে ঝুঁকি যথাযথভাবে বণ্টন, কার্যকর চুক্তি ব্যবস্থাপনা এবং প্রকল্পের আর্থিক ও কারিগরি সম্ভাব্যতা নিশ্চিত করা জরুরি।
ফোকাল পয়েন্ট ও পৃথক পিপিপি সেল গঠনের মাধ্যমে এসব বিষয়ে সিটি করপোরেশনের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

» পীর সাহেব চরমোনাই সিলেট সফর উপলক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত
Published: ০৯. আগ. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
আগামী ১৭ আগস্ট সোমবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর আমীর মুফতী সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই এর সিলেটে সফর উপলক্ষ্যে ইসলামী আন্দোলন সিলেট জেলা ও মহানগরের উদ্যোগে যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আগামী ১৭ আগস্ট পীর সাহেব চরমোনাই’র কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে-সোমবার বেলা ১২টায় হুমায়ুন চত্বর শাহজালাল জামিয়া কারীমিয়া মাদ্রাসায় তারবিয়াতের আয়োজন, বিকাল ৩টায় ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ সিলেট জেলা ও মহানগরে উদ্যোগে মুসলিম সাহিত্য সংসদ (সোলেমান হলে) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা, বাদ মাগরিব বালাগঞ্জ থানার দেওয়ান বাজার ইউনিয়নের মুরার বাজার (গওরপুর) ওয়াজ মাহফিল ও হালকা জিকির আয়োজন করা হয়েছে সকল প্রোগ্রামে প্রধান অতিথি হিসেবে বর্তমান বক্তব্য রাখবেন হযরত পীর সাহেব চরমোনাই।
১৭ আগস্টের কর্মসূচি সফলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সিলেট জেলা মহানগর উদ্যোগ রবিবার (৯ আগস্ট) বিকেল ৩টায় আইএবি মহানগর কার্যালয় সহযোগী সংগঠনদের নিয়ে এক যৌথ বৈঠকের আয়োজন করা হয়।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সিলেট মহানগর সভাপতি ডা. রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ এর সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সিলেট জেলা সভাপতি মুফতী সাঈদ আহমেদ, মহানগর সেক্রেটারী হাফিজ মাওলানা ইমাদ উদ্দিন, ইসলামিক শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশ সিলেট জেলা সভাপতি আলহাজ ফজলুল হক, ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ সিলেট মহানগর সভাপতি মো. জাকির হোসাইন, সহ-সভাপতি মো. আবুল হেসেন, সাধারণ সম্পাদক শারাফাতুল্লাহ আরফান, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ সিলেট জেলা সহ-সভাপতি আবু নাসের মোহাম্মদ জাহের, সাংগঠনিক সম্পাদক শাফায়াত আসজাদ জেলা মহানগর নেতৃবৃন্দ।
» মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের দালাল সৌদি আরব সরকারের নেতৃত্বে ‘মাল্টিন্যাশনাল মেরিটাইম ডিফেন্স অ্যালায়েন্স’ জোট-এ বাংলাদেশ যুক্ত হওয়ার প্রতিবাদে সিলেটে এনডিএফ এর সমাবেশ
Published: ০৯. আগ. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
» ছাতকে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় শালিশে নিষ্পত্তি, প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করলেন অভিযুক্তরা
Published: ০৯. আগ. ২০২৬ | রবিবার
চাদাবাজির অভিযোগ সঠিক নয়
ছাতক প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জের ছাতকে সিনিয়র সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন রনির ওপর অতর্কিত হামলার ঘটনায় শালিশ বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তি হয়েছে।
এ সময় হামলার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে অভিযুক্তরা সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন রনির কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
রোববার (৯ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ-সৈদেরগাঁও ইউনিয়নের বুড়াইরগাঁও ভূমি অফিসের সামনে এ শালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বিএনপি নেতা রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
শালিশ বৈঠকে বক্তব্য রাখেন, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির নেতা নজরুল ইসলাম, সাবেক চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন, মখলিছুর রহমান, উপজেলা বিএনপি নেতা আশরাফুর রহমান এনাম, বিএনপির নেতা আমিন উদ্দিন, উপজেলা কৃষকদলের যুন্ম আহবায়ক, ইব্রাহিম আলী রাসেল, উপজেলা বিএনপির নেতা এমাদ উদ্দিন এমাদ, যুবদল নেতা আব্দুস সাক্তার, মনির উদ্দিন, কৃষকদল নেতা সাজ্জাদ হোসেন, ব্যবসায়ি শিমুল আহমদ আবু, আবুল কালাম,ইউপি সদস্য সাদ উদ্দিন, সাজল মেম্বার, সোনাফর আলী, নুর আলী, সারব আলী, আব্দুস ছোবহান, লিলু মিয়া, সাইফ উদ্দিন, নাসির উদ্দিন ও আলীম উদ্দিন সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
বৈঠকে বক্তারা সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন রনির ওপর হামলার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন।
একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাকে কেন্দ্র করে মিথ্যা, বানোয়াট ও কাল্পনিক বক্তব্য বা কাহিনী প্রচারের অভিযোগ নিয়েও আলোচনা হয়।
শালিশে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে এসব বক্তব্যের সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করা হয়। পরে অভিযুক্তরা সাংবাদিকের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা চেয়েছেন।
বক্তারা বলেন, স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রতি তারা গভীর শ্রদ্ধাশীল।
সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি করা কিংবা হামলা-মামলার মাধ্যমে তাদের কণ্ঠরোধের কোনো সুযোগ নেই।
সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে সাংবাদিকদের ভূমিকা সমাজে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোন ধরনের চাপ বা ভয়ভীতি দেখিয়ে সাংবাদিকদের কলম বন্ধ করা যাবে না।
বক্তারা আরও বলেন, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ বজায় রাখা সবার দায়িত্ব।
ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়।
এদিকে সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন রনি বলেন, “সাহসী সাংবাদিকতাকে হামলা-মামলা দিয়ে থামিয়ে রাখা যায় না। সত্য কখনো চাপা পড়ে থাকে না; সত্যের শেষ পর্যন্ত জয় হয়।”
তিনি আরও বলেন, আলমপুর-মাজিহারা গ্রামবাসীর নাম ব্যবহার করে কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর অপতৎপরতার দায় সাধারণ মানুষের ওপর চাপানো উচিত নয়।
সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে তিনি ভবিষ্যতেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন বলে জানান।
শালিশ বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টির শান্তিপূর্ণ সমাধান হওয়ায় স্থানীয়ভাবে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
উপস্থিত ব্যক্তিরা ভবিষ্যতে সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রেখে যেকোন ভুল-বোঝাবুঝি আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
» সিলেট নগরীতে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলম
Published: ০৯. আগ. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগর শাখার নির্বাহী পরিষদের বৈঠক রবিবার (৯ আগষ্ট) শাখা সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আব্দুল গাফফারের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
নির্বাহী বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, বি.কে.এম সিলেট মহানগর শাখার সহ-সভাপতি প্রিন্সিপাল মাওলানা পীর আব্দুল জব্বার, মাওলানা মুহিবুর রহমান, মুফতি আলী আহমদ, মাওলানা সানা উল্লাহ, মাওলানা কমর উদ্দিন, ডা. মাওলানা মোস্তাফা আহমদ আজাদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক হাফিজ কয়েছ আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ মাওলানা রিয়াজ উদ্দিন আল মামুন, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুফতি আব্দুস সালাম, মাওলানা ফয়জুন নুর, মাওলানা শামসুল ইসলাম, হাজী আব্বাস জালালী, ক্বারী মাওলানা আবুল হুসাইন, মাওলানা আইয়ুব আলী কামালী, হাফিজ মাওলানা তফজ্জুল হক, মাওলানা জহুরুল হক প্রমুখ।
সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, সিলেট নগরীতে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষ।
নগরের অধিকাংশ এলাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না।
গরমের মধ্যে লোডশেডিংয়ের পাশাপাশি মশার উৎপাত বেড়ে যাওয়ায় দুর্ভোগ আরও বাড়ছে নগরজুড়ে।
দিনের পাশাপাশি রাতেও বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন নগরবাসী।
তিনি আরও বলেন, পাইকারি ও খুচরা বাজারে সবজি-সহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
তাই অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করার পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
» সিলেট-আখাউড়া রেলপথ ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন করার দাবি সিলেট বিভাগ গণদাবি পরিষদের
Published: ০৮. আগ. ২০২৬ | শনিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট-আখাউড়া রেলপথকে ডুয়েলগেজ সিঙ্গেল লাইনের পরিবর্তে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে উন্নীত করার জোরালো দাবি জানিয়েছে সিলেট বিভাগ গণদাবি পরিষদ।
শনিবার (৮ আগস্ট) এক যৌথ বিবৃতিতে সিলেট বিভাগ গণদাবি পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক এম শফিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মনসুর আহমদ লস্কর, পর্তুগাল শাখার সভাপতি হারুন অর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক সানী আহমেদ সুমন এবং নিউইয়র্ক শাখার আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান চৌধুরী বলেন, সিলেট-আখাউড়া রেলপথ ডুয়েলগেজে রূপান্তরের উদ্যোগ ইতিবাচক হলেও এটিকে ডাবল লাইন না করে সিঙ্গেল লাইন করা সিলেটবাসী মেনে নেবে না।
নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, সিঙ্গেল লাইন হলে ট্রেনের ক্রসিংয়ের জন্য অপেক্ষা করতে হবে, ফলে শিডিউল বিপর্যয়ের ঝুঁকি থেকেই যাবে।
এছাড়া কোনো দুর্ঘটনা বা লাইনে সমস্যা দেখা দিলে পুরো লাইন বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা থাকবে।
ভবিষ্যতে বাড়তি ট্রাফিকের চাপে আবার নতুন করে ডাবল লাইনের প্রকল্প নিতে হবে, যা সময় ও অর্থ উভয় দিক থেকেই অপচয়মূলক।
তাই শুরুতেই দূরদর্শী পরিকল্পনার মাধ্যমে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণের আহ্বান জানান তারা।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সিলেট বিভাগের প্রবাসীরা প্রতি বছর প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার রেমিটেন্স প্রেরণ করে দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখলেও সিলেটের অবকাঠামোগত উন্নয়নে অবহেলা ও গড়িমসি করা হচ্ছে।
সিলেট বিভাগের মাননীয় মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের প্রতি অবকাঠামোগত উন্নয়নে সচেষ্ট হওয়ার আহ্বান জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, আমাদের একটাই দাবি, সিলেটের উন্নয়নে আপস নয়—টেকসই পরিকল্পনাই হোক অগ্রাধিকার।
» দুর্ঘটনায় নিহত প্রিতমের একমাত্র বোনের লেখাপড়ার দায়িত্ব নিলো মহানগর জামায়াত
Published: ০৮. আগ. ২০২৬ | শনিবার
সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ওসমানীনগরে দুই বাসের সংঘর্ষে নিহত প্রিতমের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন, সিলেট মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ।
এসময় জামায়াত নেতৃবৃন্দ নিহত প্রিতমের বাবার কাছে নগদ আর্থিক অনুদান তুলে দেন, এবং শোকাহত পরিবারকে সহমর্মিতা জানান।
পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রীতমই ছিলেন তাদের পরিবারের একমাত্র অবলম্বন। তার আয়ের ওপর নির্ভর করেই চলত বৃদ্ধ মা ও বোনের পুরো সংসার। অনেক কষ্ট আর অভাবের মধ্য দিয়েই দিন পার করছিল পরিবারটি।
সিলেট মহানগর জামায়াত আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম তাদের বাসায় গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত প্রিতমের পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে বলেন, মহানগর জামায়াতের পক্ষ থেকে কিশোরী মোহন স্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্রী প্রিতমের একমাত্র বোনের লেখাপড়ার সকল খরচ বহন করা হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মহানগর জামায়াত আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, কোতোয়ালী পূর্ব থানা আমীর রফিকুল ইসলাম মজুমদার, ১৫নং ওয়ার্ড সভাপতি গিয়াস উদ্দিন, সেক্রেটারী আব্দুর রশিদ।
উল্লেখ্য, শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল প্রায় ৭টায় সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ওসমানীনগর উপজেলার কাশিকাপন এলাকায় সিলেটগামী বেঙ্গল স্লিপার কোচ ও ঢাকাগামী ইউনিক পরিবহনের একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই ৭ জন নিহত হন।

