- সানিহিল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পুরস্কার বিতরণ
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী
- নজরুলের সাহিত্য ও সংগীত দুই বাংলার বন্ধন সুদৃঢ় করেছে : সিসিক প্রশাসক
- স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে এসএসসি কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান
- সিলেটে শুক্রবার বর্ণাঢ্য আয়োজনে বলরাম জয়ন্তী ও ঝুলনযাত্রার সমাপনী
- শেকড় থেকে শিখরে পৌঁছা পর্যন্ত লক্ষে অটুট থাকতে হবে : অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাসুদ রানা
- জিডিএফ’র উদ্যোগে মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইনকে সংবর্ধনা প্রদান
- জালালাবাদ গ্যাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে নবনিযুক্ত পরিচালকের বৈঠক
- দক্ষিণ সুরমাকে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত করা হোক : ব্যারিস্টার নুরুল হুদা জুনেদ
- বতর্মান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্রামঅঞ্চলকে শহরের ন্যায় গড়ে তুলতে বিভিন্ন পদক্ষেপ পরিকল্পনা গ্রহণ করছেন: আবুল কাহের চৌধুরী শামীম
» সানিহিল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পুরস্কার বিতরণ
Published: ২৭. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
বিশিষ্ট ভূ-বিজ্ঞানী, মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ও সানিহিল স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আব্দুর রব বলেছেন, জীবনে সফল হতে হলে একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমেও শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত হতে হবে।
» আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী
Published: ২৭. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
» নজরুলের সাহিত্য ও সংগীত দুই বাংলার বন্ধন সুদৃঢ় করেছে : সিসিক প্রশাসক
Published: ২৭. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন সময়ের কবি, বিদ্রোহের কবি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার কবি। তাঁর সৃষ্টিকর্ম ভারত ও বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বাংলা ভাষাভাষী মানুষের কাছে সমানভাবে সমাদৃত।
সাম্য, মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের যে চেতনা তিনি তাঁর সাহিত্য ও সংগীতে ধারণ করেছেন, তা আজও আমাদের অনুপ্রাণিত করে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় সিলেটে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ঐতিহাসিক সফরের শতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে সিলেটে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন আয়োজিত ‘কাজী নজরুল ইসলাম স্মরণ সন্ধ্যা’য় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে সিলেটের সম্পর্ক আমাদের সাংস্কৃতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ১৯২৪ সালে প্রথমবার সিলেটে এসে তিনি সিংহবাড়িতে অবস্থান করেন।
পরবর্তীতে ১৯২৬ সালেও তিনি সিলেট সফর করেন। তাঁর সিলেট আগমন শুধু একটি ঐতিহাসিক ঘটনা নয়; এর সঙ্গে সিলেটের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনারও গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
তিনি বলেন, নজরুলের সিলেট আগমনের শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন সিলেটবাসীর জন্য গৌরবের বিষয়। সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে এ ঐতিহাসিক ঘটনাকে যথাযথভাবে স্মরণ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এ লক্ষ্যে সিলেটের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সাহিত্যিক, শিল্পী, গবেষক ও নজরুলপ্রেমীদের নিয়ে একটি উদযাপন কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির মাধ্যমে কবির সিলেট আগমনের শতবর্ষকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী আরও বলেন, কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতি ও সৃষ্টিকর্ম নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
সিলেটের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সঙ্গে নজরুলের স্মৃতিকে আরও গভীরভাবে যুক্ত করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তা সংরক্ষণ ও তুলে ধরতে সিটি কর্পোরেশন কাজ করবে।
তিনি বলেন, নজরুলের জীবন ও দর্শনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সম্প্রীতি ও মানবতা। ধর্ম-বর্ণের বিভেদ ভুলে মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সাম্যের যে বার্তা তিনি দিয়েছেন, বর্তমান সময়েও সেই চেতনার চর্চা অত্যন্ত জরুরি।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য সিলেটে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে সিসিক প্রশাসক বলেন, নজরুলের সাহিত্য ও সংগীত দুই বাংলার মানুষের সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করেছে। তাঁর স্মৃতিকে ধারণ করে এ ধরনের আয়োজন দুই দেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও সমৃদ্ধ করবে।
সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে আয়োজিত ‘সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যে নজরুল’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন, পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেক, বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী হিমাংশু বিশ্বাস, লেখক নিরঞ্জন দে ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মাসুদ রানা।
কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
অতিথিদের উত্তরীয় পরিয়ে বরণ এবং স্বাগত বক্তব্য দেন, সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাশ।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাচিক শিল্পী জান্নাতুল নাজনীন আশা।
শুভেচ্ছা বক্তব্যের পর শুরু হয় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। বুলবুল ললিতকলা একাডেমির শিল্পীরা বিপ্রদাস ভট্টাচার্যের পরিচালনায় সংগীত পরিবেশন করেন।
নীলাঞ্জনা জুঁইয়ের পরিচালনায় নৃত্য পরিবেশন করেন, নৃত্যশৈলীর শিল্পীরা। এ ছাড়া বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করেন।
অনুষ্ঠানে শিল্পী, সাহিত্যিক, গণমাধ্যমকর্মী, সংস্কৃতিকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
» স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে এসএসসি কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান
Published: ২৭. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
জিপিএ-৫ নয়, সুশিক্ষায় আলোকিত সুনাগরিক হও : প্রফেসর ড. মো. দীদার চৌধুরী
নিউজ ডেস্কঃ
স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজের এসএসসি পরীক্ষা-২০২৬-এ জিপিএ-৫-সহ অর্জনকারী কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) কলেজ প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
পবিত্র কুরআন থেকে মোতাসিন উদ দৌল্লাহ ও পবিত্র গীতা থেকে সুসমিতা সিনহার ভক্তিপূর্ণ পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
এরপর স্বাগত বক্তব্য রাখেন, কলেজের একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর ও রসায়ন বিভাগের প্রধান কাজী সাখাওয়াত হোসেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি), সিলেট অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. দীদার চৌধুরী।
তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর জ্ঞান ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ হয়ে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। আজকের কৃতি শিক্ষার্থীরাই আগামীর বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে।
অনুষ্ঠানের ‘গেস্ট অব অনার’ স্কলার্সহোমের একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর জয়নুল আবেদীন চৌধুরী বলেন, জিপিএ-৫ অর্জনের মধ্য দিয়ে সাফল্যের চূড়ান্ত পথ শেষ হয়ে যায় না; এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক মাত্র।
পরিবর্তনশীল বিশ্বে মেধার পাশাপাশি প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও বিনয় বজায় রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানের সভাপতি ও স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক বলেন, আমাদের লক্ষ্য কেবল ভালো ফল অর্জন করা নয়, বরং শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।
প্রকৃত শিক্ষা তখনই সার্থক হয় যখন মেধার সাথে সৎ চরিত্র, নৈতিকতা ও দেশপ্রেম যুক্ত হয়।
অনুষ্ঠানে কলেজের পক্ষ থেকে প্রধান অতিথি প্রফেসর ড. মো. দীদার চৌধুরীকে বিশেষ সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন, অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক।
অভিভাবকদের পক্ষে রিপন সূত্রধর এবং কৃতি শিক্ষার্থীদের পক্ষে রোজয়ানা হালিম তাহিয়া ও অহনা সূত্রধর অনুভূতি ব্যক্ত করেন।
শ্রেণি শিক্ষকদের মধ্য থেকে আইসিটি বিভাগের প্রধান ও প্রভাষক এস এম আবু সায়েম এবং জীববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন।
ইংরেজি বিভাগের সিনিয়র প্রভাষক মোহিয়ারা বেগম এবং বাংলা বিভাগের প্রভাষক মো. মাহবুবুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, প্রাথমিক শাখার উপাধ্যক্ষ নাহিদা খান।
আলোচনা সভা শেষে অতিথিবৃন্দ কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে সাফল্য ও শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।
» সিলেটে শুক্রবার বর্ণাঢ্য আয়োজনে বলরাম জয়ন্তী ও ঝুলনযাত্রার সমাপনী
Published: ২৭. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট নগরীর ইসকন মন্দির প্রাঙ্গণে আগামীকাল শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হবে শ্রীশ্রী বলরাম জয়ন্তী, শ্রীশ্রী রাধা-মাধবের শ্রীবিগ্রহ প্রতিষ্ঠার ৪র্থ বর্ষপূর্তি এবং ঝুলনযাত্রা উৎসবের সমাপনী পর্ব।
সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে শ্রী বলরাম-কথা। এতে আলোচনা করবেন ইসকন বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক ও ইসকন স্বামীবাগ আশ্রম (ঢাকা)-এর অধ্যক্ষ শ্রীমৎ ভক্তিময় নিতাই স্বামী মহারাজ।
সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে মহা-অভিষেক অনুষ্ঠান। বেলা ১২টায় থাকবে দ্বিতীয় পর্বের বলরাম-কথা।
দুপুর দেড়টায় ভক্তদের মাঝে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হবে। এরপর দুপুর ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে টানা প্রেমধন কীর্তন।
বিকাল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে বিশেষ আলোচনা সভা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
সভায় সভাপতিত্ব করবেন, ইসকন বাংলাদেশের সহ-সভাপতি ও ইসকন সিলেট মন্দিরের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ ভক্তি অদ্বৈত নবদ্বীপ স্বামী মহারাজ।
একই সময়ে শ্রীশ্রী রাধা-মাধবকে ঝুলনে আরোহন করানোর মধ্য দিয়ে এবারের ঝুলনযাত্রা উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠিত হবে।
সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে মহা-আরতি। রাত ৯টা ৩০ মিনিটে থাকবে মণিপুরি রাসনৃত্য পরিবেশনা।
রাত ১২টায় অনুষ্ঠিত হবে লীলা-কীর্তন। এতে পরিবেশনা করবে বালাগঞ্জের শ্রীশ্রী রাধা-শ্যামসুন্দর সম্প্রদায়। সার্বিক লীলা-কীর্তন পরিবেশন করবেন রতিশ দাস।
ইসকন সিলেট মন্দিরের যোগাযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক সিদ্ধ মাধব দাস বলেন, “তিনটি বিশেষ আয়োজনকে ঘিরে এবার আমাদের ব্যাপক প্রস্তুতি রয়েছে।
সিলেটবাসী ও ভক্তদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উৎসবটি আরও আনন্দময় ও সার্থক হবে বলে আশা করছি।”
ইসকন বাংলাদেশের সহ-সভাপতি ও ইসকন সিলেট মন্দিরের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ ভক্তি অদ্বৈত নবদ্বীপ স্বামী মহারাজ বলেন, “ভগবানের মহিমা ও পারমার্থিক এই উৎসবের শেষদিনে সবাইকে সাদর আমন্ত্রণ জানাই।
সকলের অংশগ্রহণে উৎসবটি সুন্দর ও আনন্দময় হয়ে উঠবে।”
» শেকড় থেকে শিখরে পৌঁছা পর্যন্ত লক্ষে অটুট থাকতে হবে : অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাসুদ রানা
Published: ২৭. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
স্কলারশীপ পাওয়া ৬ শিক্ষার্থী সংবর্ধিত
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মাসুদ রানা বলেছেন, শেকড় থেকে শিখরে পৌঁছা পর্যন্ত লক্ষে অটুট থাকতে হবে নতুবা স্বপ্নপূরণ সম্ভব নয়।
দ্যা আল ক্যামিস্টে একটা বিখ্যাত কথা আছে ‘তুমি যখন কোন কিছু মন থেকে চাও, তখন পুরো মহাবিশ্ব সেটা তোমাকে পাইয়ে দেওয়ার জন্য সাহায্য করবে’।
অর্থাৎ তুমি যা হতে চাইবে সৃষ্টিকর্তা তোমাকে সেভাবেই গড়ে তোলার জন্য পৃথিবীর সবকিছু দিয়ে সাহায্য করবেন।
নিশ্চয়ই আল্লাহ কারোও সাধ্যের অতীত কোন দায়িত্ব দেন না। তোমরা কলেজ, অভিভাবক, দেশ এবং সারাবিশ্বে একদিন বড় অবদান রাখবে, এই প্রত্যাশা রাখি।
তিনি এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন হতে উইমেন্স মডেল কলেজের ৬ জন শিক্ষার্থীর স্কলারশীপ পাওয়া উপলক্ষে আয়োজিত স্বপ্নজয়ের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
তিনি বলেন, আমরা সচরাচর দেখে থাকি এইচএএসসির পর শিক্ষার্থীরা নিজ দায়িত্বে বিশ্ববিদ্যালয় বা উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কিন্তু উইমেন্স মডেল কলেজ শিক্ষার্থীদেরকে ছেড়ে না দিয়ে তাদেরকে নার্সিং করছে, স্বপ্নের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে, যা অবশ্যই প্রসংশার দাবী রাখে।
৬ জন শিক্ষার্থীর এশিয়ান ইউনিভার্সিটিতে ফুলফান্ডে স্কলারশিপ পাওয়ার পিছনে সবচেয়ে বেশি অবদান উইমেন্স মডেল কলেজের।
নারীশিক্ষার জন্য যে পরিকল্পনা এবং উদ্যোগ এই কলেজ গ্রহণ করেছে তা সিলেটবাসীর জন্য গর্বের বিষয়।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মালঞ্চ কমিউনিটি সেন্টারে সকাল ১১টায় ইএসডি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মনসুর আহমদ লস্করের সভাপতিত্বে এবং পৌরনীতি ও সুশাসন বিভাগের সিনিয়র প্রভাষক হেলাল হামামের সঞ্চালনায় শুরু হওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন, চিফ একাউন্টস অফিসার ছালেহ আহমদ।
স্বাগত বক্তব্য নিয়ে আসেন, উইমেন্স মডেল কলেজের উপাধ্যক্ষ জাকিয়া সুলতানা এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, কলেজ অধ্যক্ষ আব্দুল ওয়াদুদ তাপাদার।
এরপর একে একে কৃতি শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
৬ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে স্বপ্নজয়ের অনুভূতি প্রকাশ করেন, যথাক্রমে সুমাইয়া খান রুবাইয়া, মেরিন জামান রুহি, মুমতাহিনা তানহা, সোহানা আক্তার, আয়শা সিদ্দিকা, নাফিসা সাব্বির চৌধুরী।
উল্লেখ্য যে, ২০২৫ সালেও এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন থেকে উইমেন্স মডেল কলেজের দুইজন শিক্ষার্থী- তাছলিমা খানম ও তাওহিদা বুশরা তালুকদার স্কলারশীপ অর্জন করে।
পাশাপশি গত বছর Emerging Women Leader in STEM Award অর্জনকারী নাবিহা সাব্বির চৌধুরীরকেও এই অনুষ্ঠানে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, শেভরন বাংলাদেশ ম্যানেজার, ফিল্ড কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স খন্দকার তুষারুজ্জামান এবং ইএসডি ফাউন্ডেশনের ভাইস-চেয়ারম্যান জেএমএইচজে ফেরদৌস। খন্দকার তুষারুজ্জামান তাঁর বক্তব্যে শেভরনের এই উদ্যোগকে কাজে লাগানোর জন্য উইমেন্স মডেল কলেজের শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানান।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও শেভরন কর্তৃক নারী শিক্ষার উন্নয়নে গৃহীত সকল উদ্যোগে উইমেন্স মডেল কলেজ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করবে।
কলেজ অধ্যক্ষ আব্দুল ওয়াদুদ তাপাদার তার বক্তব্যে শেভরন বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, শেভরন Emerging Women Leader in STEM Award প্রোগ্রামে শিক্ষার্থীদের স্পন্সর না করলে আজকের এই স্কলারশীপ অর্জন সম্ভব হত না।
তিনি শিক্ষার্থীদের স্কলারশীপ প্রদান করায় এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
একই সাথে তিনি শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করার জন্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকমন্ডলী এবং অভিভাবকদেরও ধন্যবাদ জানান।
তিনি শিক্ষার্থীদের সাফল্যের খবরগুলো প্রচার করে সহযোগিতা করার জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে অভিভাবকদের মধ্যে অনুভূতি প্রকাশ করেন, স্কলারশীপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী সোহানা আক্তারের গর্বিত বড় ভাই সুজন আহমদ এবং মুমতাহিনা তানহার গর্বিত পিতা গোলাম কিবরিয়া।
এছাড়া বক্তব্য রাখেন, বখতিয়ার বিবি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জেসমিন সুলতানা।
সবশেষে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে এবং কৃতি শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে অনুষ্ঠানের সভাপিত মনসুর আহমদ লস্কর অনুষ্ঠানের ইতি টানেন।
» জিডিএফ’র উদ্যোগে মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইনকে সংবর্ধনা প্রদান
Published: ২৭. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভাকে বিকশিত করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে : নাসিম হোসাইন
গ্রীণ ডিসএ্যাবল্ড ফাউন্ডেশন (জিডিএফ)-এর উদ্যোগে সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইনকে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।
কার্যালয় পরিদর্শনকালে নাসিম হোসাইন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের চমৎকার সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপভোগ করেন এবং তাদের সুপ্ত প্রতিভার ভূয়সী প্রশংসা করেন।
গ্রীণ ডিসএ্যাবল্ড ফাউন্ডেশন (জিডিএফ)-এর উপদেষ্টা বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী হিমাংশু বিশ্বাস এর সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব ও নির্বাহী পরিচালক মো. বায়জিদ খান এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ও প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন জিডিএফ এর নির্বাহী সদস্য মাহমুদুল হক জাবেদ।
বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, জিডিএফ সদস্য পার্থ সারথি দত্ত, রহমানিয়া প্রতিবন্ধী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সদস্য স্বপন আহমদ, জিডিএফ এর হিসাব রক্ষক মোঃ শাহজাহান, সমন্বয়কারী শারমিন আক্তার রেবা, শিক্ষক আফজাল শিকদার, শিক্ষিকা স্বরূপা বেগম, ব্রেইল শিক্ষক সমীরঞ্জন বিশ্বাস, অভিভাবক সীমা বেগম, রোকেয়া বেগম, রেহানা বেগম, শিক্ষার্থী অহনা বেগম, খাদিজাতুল কুবরা সিফা, রেশমা আক্তার রিয়া, আফসানা আক্তার মুন্নি, জুঁই রানী দাস, মারিয়াম বিনতে আরিফ, তাসকিয়া জান্নাত ইশা, ফাইজান আহমদ হাফিজ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী মোহাম্মদ ইসমাইল খানের পক্ষ থেকে অনুবাদসহ পবিত্র কুরআন মজিদ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেন, প্রধান অতিথি সহ অতিথিবৃন্দ।
প্রধান অতিথিকে স্বাগত জানিয়ে শিক্ষার্থীরা ব্রেইল ভাষায় মানপত্র পাঠ করেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরা আমাদের সমাজের বোঝা নয়, বরং আমাদের সম্পদ।
তিনি দেশের সামাজিক উন্নয়নে বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করে আরও বলেন, “একটি রাষ্ট্রকে প্রকৃত অর্থে উন্নত করতে হলে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে সাথে নিয়ে এগোতে হবে।
তিনি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মানুষের যেকোন প্রয়োজনে, তাদের শিক্ষা ও কল্যাণের যেকোনো উদ্যোগে আমরা অতীতেও মহানগর বিএনপি পাশে ছিলাম, বর্তমানেও আছি এবং ভবিষ্যতেও সর্বোচ্চ সহযোগিতা নিয়ে পাশে থাকবো ইনশাআল্লাহ।
» জালালাবাদ গ্যাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে নবনিযুক্ত পরিচালকের বৈঠক
Published: ২৭. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটে জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেড পরিদর্শন ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন, নবনিযুক্ত পরিচালক বদরুজ্জামান সেলিম।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে নগরীর মেন্দিবাগস্থ জালালাবাদ গ্যাসের কার্যালয় পরিদর্শন শেষে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে দপ্তরের হলরুম ও অডিটরিয়াম আধুনিকায়ন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মপরিবেশের উন্নয়ন এবং প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও দক্ষ করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
এ সময় দক্ষিণ সুরমার জালালপুর এলাকায় গ্যাস সংযোগ থেকে বঞ্চিত গ্রাহকদের গ্যাস সংযোগ দেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনায় আসে।
স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন পরিচালক বদরুজ্জামান সেলিম।
বৈঠকে জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেডের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
তাঁরা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে পরিচালকের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
নবনিযুক্ত পরিচালক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বশীলতা, আন্তরিকতা ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
একই সঙ্গে গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন এবং প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে আরও স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনার ওপর গুরুত্ব দেন।
» দক্ষিণ সুরমাকে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত করা হোক : ব্যারিস্টার নুরুল হুদা জুনেদ
Published: ২৭. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
দক্ষিণ সুরমা প্রতিনিধিঃ
নতুন পৌরসভা গঠনের মাধ্যমে আরও প্রশাসনিক জটিলতা বৃদ্ধি না করে পুরো দক্ষিণ সুরমাকে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সদস্য ব্যারিস্টার নুরুল হুদা জুনেদ।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় তিনি বলেন, দক্ষিণ সুরমা এখন আর আগের সেই গ্রামীণ কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। পুরো এলাকাই দ্রুত নগরায়িত হচ্ছে এবং মেট্রোপলিটনের মধ্যেও রয়েছে। তাই এখন থেকেই আমাদের ভাবনার জায়গাটা হওয়া উচিত আগামী ২০-৩০ বছরে দক্ষিণ সুরমাকে আমরা কোথায় দেখতে চাই।
তিনি বলেন, অপরিকল্পিতভাবে ঘরবাড়ি ও স্থাপনা নির্মাণ হচ্ছে, খাল-বিল ও জলাধার সংকুচিত হচ্ছে, ড্রেনেজের জায়গাও কমে আসছে।
এগুলো আরও কয়েক বছর এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে রাস্তা প্রশস্ত করা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা তৈরি করা কিংবা প্রয়োজনীয় নাগরিক অবকাঠামো গড়ে তোলা অনেক বেশি কঠিন ও ব্যয়বহুল হয়ে পড়বে।
তাই নতুন করে পৌরসভা গঠন করে আরেকটি মধ্যবর্তী প্রশাসনিক স্তরে যাওয়ার পাশাপাশি এর চেয়েও দীর্ঘমেয়াদি কোনো চিন্তা করা যায় কি না, সেটাও বিবেচনায় রাখা দরকার।
পুরো দক্ষিণ সুরমাকে ভবিষ্যৎ সিলেট নগরীর অংশ হিসেবে ধরে এখন থেকেই একটি মাস্টারপ্ল্যানের আওতায় আনার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
কোথায় আবাসিক এলাকা হবে, কোথায় বাণিজ্যিক এলাকা, ভবিষ্যতের রাস্তা কতটা প্রশস্ত হবে, ড্রেনেজ ব্যবস্থা কীভাবে হবে এবং খাল-বিল ও জলাধার কীভাবে সংরক্ষণ করা হবে এসব বিষয়ে এখনই একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা থাকলে ভবিষ্যতের দক্ষিণ সুরমাকে অনেক বেশি পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
» বতর্মান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্রামঅঞ্চলকে শহরের ন্যায় গড়ে তুলতে বিভিন্ন পদক্ষেপ পরিকল্পনা গ্রহণ করছেন: আবুল কাহের চৌধুরী শামীম
Published: ২৭. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম বলেছেন, বতর্মান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার গ্রামঅঞ্চলকে শহরের ন্যায় সকল ধরনের সুযোগ সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ-পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন।
যাতে সর্বস্তরের মানুষ শহরের মত গ্রামে সেই সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
ইতোমধ্যে সিলেটে বিভাগের রাস্তাঘাট-অবকাটামো উন্নয়নের ৫হাজার, ৩শত কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন।
তিনি বলেন, জেলা পরিষদ সরকারের গ্রামীণ উন্নয়নের জন্য সকল পদক্ষেপ-পরিকল্পনা ও উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে বদ্ধপরিকর।
বিয়ানীবাজার উপজেলায় জেলা পরিষদ সিলেট এর উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন দপ্তর প্রধান, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সুধীজনদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি একথাগুলো বলেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) উপজেলা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাবিবা মজুমদার।
এর পূর্বে তিনি সিলেট জেলা পরিষদ কর্তৃক বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতাল ফাউন্ডেশনে পোর্টেবল এক্সরে মেশিন প্রদান ও সংবর্ধনা সভা, বিয়ানীবাজারের পৌর শহরে জেলা পরিষদের মালিকানাধীন মার্কেট ও পুকুর পরিদর্শন, বিয়ানীবাজার থানা পরিদর্শন এবং দুবাগ স্কুল এন্ড কলেজ পরিদর্শন করেন।
উপস্থিত ছিলেন, বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ আবু জাফর মো. ফায়জুল করিম, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগন এবং রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি আব্দুল মান্নান, সহ সভাপতি নজমুল সোসেন পুতুল, মহানগর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মহবুব চৌধুরী, সিলেট জেলা জমিয়তের সভাপতি মুফতি মুজিবুর রহমান, বিয়ানীবাজার উপজেলা বিএনপির সভাপতি এড আহমেদ রেজা, পৌর বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান রুমেল, মহানগর বিএনপি নেতা ফাত্তাহ বকসী, জেলা বিএনপি নেতা সিদ্দিক আহমেদ, উপজেলা জমিয়তের সভাপতি মুফতি আব্দুল করিম হক্কানী, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক শাহীনুর চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি আতাউর রহমান, হারুনুর রশীদ, ফয়ছল উদ্দিন, সাবেক সহ সভাপতি এম সাইফুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নজমুল হোসেন, উপজেলা বিএনপির সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক সারওয়ার হোসেন, গোলাপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিন উদ্দিন আহমেদ, পৌর বিএনপির সহ সভাপতি নজরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবির আকিল, গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্চাসেবক দলের আহবায়ক সুমন চৌধুরী, উপজেলা বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান, কামাল হোসেন, দুবাগ ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া, লাউতা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জালাল উদ্দীন মেম্বার, সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন, আলীনগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন, তিলপারা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সায়েক আহমদ, সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী, শেওলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন, জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক নওয়াজিস চৌধুরী সাকি, বাবেল তাপাদার, সামু আহমদ, জেলা ছাত্রদল নেতা রেদোয়ান হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্য সচিব আফজল আহমদ, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ইমরান আহমদ চৌধুরী ইমন, বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজ ছাত্রদলের গঠনিক সম্পাদক প্রমুখ।
» সিলেট শিক্ষা বোর্ড এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক সম্পন্ন
Published: ২৭. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট শিক্ষা বোর্ড এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (রেজি. নং: চট্ট-২২৪১)-এর নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে সিলেট শিক্ষা বোর্ডের মিলনায়তনে আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
সিলেট শিক্ষা বোর্ড এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সভাপতি মো. তাজুল ইসলাম-এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. হেলাল উদ্দিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সিলেটের চেয়ারম্যান প্রফেসর মোঃ শহীদুল আলম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. শহীদুল আলম শিক্ষা বোর্ডের সেবার মান বৃদ্ধি ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ সহ সকল কর্মচারীকে দায়িত্বশীল ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান।
পরবর্তীতে অতিথিবৃন্দ নবনির্বাচিত কমিটির কর্মকর্তাদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান ও তাঁদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সিলেটের সচিব প্রফেসর চৌধুরী মামুন আকবর, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর বিলকিস ইয়াছমীন, শেখ মো. নজরুল ইসলাম, বিদ্যালয় পরিদর্শক আবু মুসা মো. তারেক, সিস্টেম এনালিস্ট সরকার ম. আতিকুর রহমান, হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা নিহার কান্তি রায়, বিদায়ী সভাপতি নিরঞ্জন সিংহ, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের সভাপতি ধ্রুব গৌতম, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ সিলেট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল মিয়া।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিলেট শিক্ষা বোর্ড এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সহ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মানিক, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আমিনুল বাশার, প্রচার ও সাহিত্য সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান, অর্থ সম্পাদক খোদেজা খাতুন, দপ্তর সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত পাঠ করেন, শিক্ষা বোর্ড মসজিদের ইমাম আবদুস ছালাম।
বৈদিক মন্ত্র পাঠ করেন, সিলেট শিক্ষা বোর্ড এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সহ সভাপতি প্রেমেন্দ্র কুমার রায়।
অভিষেক অনুষ্ঠানে শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অধিকার রক্ষা, কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ উন্নয়ন এবং প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক গতিশীলতা বজায় রাখার বিষয়ে আলোকপাত করা হয়।
» আলোর দিশারী হয়ে এসেছিলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) : সিসিক প্রশাসক
Published: ২৬. আগ. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এই পৃথিবীতে আলোর দিশারী হয়ে এসেছিলেন।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁকে আখেরি জামানার নবী হিসেবে প্রেরণ করেছেন। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে জীবন পরিচালনা করতে পারলেই আমরা প্রকৃত অর্থে তাঁর উম্মত হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারব।
বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে পাঠানটুলা দ্বিপাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক মিলাদ মাহফিল উপলক্ষে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শের ওপর আলোচনা সভা এবং পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ আমাদের জন্য সর্বোত্তম পথনির্দেশনা। তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে জীবন অতিবাহিত করার তৌফিকের জন্য আমাদের মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতে হবে।
প্রশাসক বলেন, ইসলামে জ্ঞান অর্জনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো জ্ঞান অর্জনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র।
পাঠানটুলা দ্বিপাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয় সিলেট নগরীর পশ্চিমাংশের একটি প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। দীর্ঘদিন ধরে এই প্রতিষ্ঠানটি এ অঞ্চলের মানুষের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নানা সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষা খাতে বড় ধরনের বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হলেও বিপুল জনগোষ্ঠীর প্রয়োজনের তুলনায় তা অনেক ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত নয়।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোর পাশাপাশি স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হয়।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিলেট সিটি করপোরেশন নগরের উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।
সীমিত নিজস্ব আয় ও নানা আর্থিক সংকটের মধ্যেও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে নগরের রাস্তাঘাট, ড্রেন, কালভার্ট ও আলোকায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, পাঠানটুলা দ্বিপাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ের সড়কসংলগ্ন সীমানাপ্রাচীর ও গেটের বিষয়টি তাঁর নজরে এসেছে।
এটি দ্রুত সংস্কার ও পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের প্রয়োজনগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নির্ধারণ করে জানালে পর্যায়ক্রমে সেগুলো বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে।
বিদ্যালয়ের মাঠ সংস্কারের বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সিসিক প্রশাসক বলেন, বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন ও হলরুম সহ অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়নও পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল মুকিত জাহাঙ্গীর, সাবেক সভাপতি মো. আব্দুর রাজ্জাক খাঁন রাজা ও টুকেরবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শফিকুর রহমান শফিক।
এ সময় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রাক্তন সহকারী পরিচালক ডা. মো. আব্দুস সালাম, সহকারী প্রধান শিক্ষক শামছুল ইসলাম, অভিভাবক সদস্য মো. নূর কাশেম, প্রাক্তন শিক্ষার্থী মো. ফয়জুল হক, মো. আফসর খান, ইমদান হোসেন রিপন, আজিজ খান সজিব, আব্দুর রাজ্জাক রাজন, জাবেদ আহমদ, শাহীন আহমদ, অ্যাডভোকেট মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী, সিনিয়র শিক্ষক ইকবাল হোসেন আকন্দ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সহকারী শিক্ষক সৈয়দ মোহাম্মদ আদনান।


