- আলোর দিশারী হয়ে এসেছিলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) : সিসিক প্রশাসক
- সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে তরুণদের সামাজিক দুর্গ গড়ে তুলতে হবে : মাওলানা আসআদ উদ্দিন
- ফুলবাড়ী চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন করুন : গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট
- ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সিসিক প্রশাসক
- সিলেটে বেসিক সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক
- ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে সিলেটে জশনে জুলুস বুধবার
- নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটিতে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- বাণিজ্য মন্ত্রীর সঙ্গে ইসকন নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ,জন্মাষ্টমী ও সম্প্রীতি নিয়ে আলোচনা
- মৌলভীবাজার বড়লেখা ডিগ্রি কলেজ ছাত্রশিবিরের সীরাত মাহফিল
- সিলেটে বিএমবিএফ-এর আইডি কার্ড বিতরণ
» আলোর দিশারী হয়ে এসেছিলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) : সিসিক প্রশাসক
Published: ২৬. আগ. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এই পৃথিবীতে আলোর দিশারী হয়ে এসেছিলেন।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁকে আখেরি জামানার নবী হিসেবে প্রেরণ করেছেন। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে জীবন পরিচালনা করতে পারলেই আমরা প্রকৃত অর্থে তাঁর উম্মত হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারব।
বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে পাঠানটুলা দ্বিপাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক মিলাদ মাহফিল উপলক্ষে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শের ওপর আলোচনা সভা এবং পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ আমাদের জন্য সর্বোত্তম পথনির্দেশনা। তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে জীবন অতিবাহিত করার তৌফিকের জন্য আমাদের মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতে হবে।
প্রশাসক বলেন, ইসলামে জ্ঞান অর্জনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো জ্ঞান অর্জনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র।
পাঠানটুলা দ্বিপাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয় সিলেট নগরীর পশ্চিমাংশের একটি প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। দীর্ঘদিন ধরে এই প্রতিষ্ঠানটি এ অঞ্চলের মানুষের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নানা সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষা খাতে বড় ধরনের বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হলেও বিপুল জনগোষ্ঠীর প্রয়োজনের তুলনায় তা অনেক ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত নয়।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোর পাশাপাশি স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হয়।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিলেট সিটি করপোরেশন নগরের উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।
সীমিত নিজস্ব আয় ও নানা আর্থিক সংকটের মধ্যেও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে নগরের রাস্তাঘাট, ড্রেন, কালভার্ট ও আলোকায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, পাঠানটুলা দ্বিপাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ের সড়কসংলগ্ন সীমানাপ্রাচীর ও গেটের বিষয়টি তাঁর নজরে এসেছে।
এটি দ্রুত সংস্কার ও পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের প্রয়োজনগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নির্ধারণ করে জানালে পর্যায়ক্রমে সেগুলো বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে।
বিদ্যালয়ের মাঠ সংস্কারের বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সিসিক প্রশাসক বলেন, বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন ও হলরুম সহ অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়নও পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল মুকিত জাহাঙ্গীর, সাবেক সভাপতি মো. আব্দুর রাজ্জাক খাঁন রাজা ও টুকেরবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শফিকুর রহমান শফিক।
এ সময় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রাক্তন সহকারী পরিচালক ডা. মো. আব্দুস সালাম, সহকারী প্রধান শিক্ষক শামছুল ইসলাম, অভিভাবক সদস্য মো. নূর কাশেম, প্রাক্তন শিক্ষার্থী মো. ফয়জুল হক, মো. আফসর খান, ইমদান হোসেন রিপন, আজিজ খান সজিব, আব্দুর রাজ্জাক রাজন, জাবেদ আহমদ, শাহীন আহমদ, অ্যাডভোকেট মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী, সিনিয়র শিক্ষক ইকবাল হোসেন আকন্দ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সহকারী শিক্ষক সৈয়দ মোহাম্মদ আদনান।
» সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে তরুণদের সামাজিক দুর্গ গড়ে তুলতে হবে : মাওলানা আসআদ উদ্দিন
Published: ২৬. আগ. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
যুব জমিয়ত বাংলাদেশ সিলেট মহানগরীর ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড কমিটি গঠনের লক্ষ্যে এক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) বাদ আছর মজেরটিলার একটি অভিজাত হোটেলে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভা বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক হাফিজ মাওলানা আব্দুল হাদির সভাপতিত্বে ও মাওলানা আব্দুল ওয়াজিদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, যুব জমিয়ত বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও সিলেট মহানগরীর সভাপতি মাওলানা আসআদ উদ্দিন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মহানগর যুব জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আব্দুল করিম দিলদার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা আসআদ উদ্দিন বলেন, বর্তমান অবক্ষয়যুক্ত সমাজে তরুণদের চরিত্র গঠন ও অধিকার রক্ষায় যুব জমিয়ত রাজপথে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।
৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের এই নতুন নেতৃত্বকে মাঠপর্যায়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ইসলামের সুমহান সেবামূলক বার্তা পৌঁছে দিতে হবে।
সব ধরনের অন্যায় ও মাদকের বিরুদ্ধে তরুণদের নিয়ে এক শক্তিশালী সামাজিক দুর্গ গড়ে তোলাই হোক আমাদের মূল লক্ষ্য।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে হাফিজ আব্দুল করিম দিলদার বলেন, সংগঠনকে তৃণমূল স্তরে শক্তিশালী ও গতিশীল করার অংশ হিসেবেই আজকের এই নতুন কমিটি।
নবনির্বাচিত দায়িত্বশীলদের কাঁধে এখন ওয়ার্ডের প্রতিটি ঘরে ঘরে যুব জমিয়তের আদর্শ পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব।
আমি আশা করি, আগামী দিনে যেকোনো ত্যাগ স্বীকার করে তারা এই ওয়ার্ডকে একটি আদর্শ সাংগঠনিক ইউনিট হিসেবে রূপান্তর করবেন।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন শাহপরান থানা যুব জমিয়তের সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ দিলদার হোসাইন, মাওলানা ইয়াহিয়া, মুহাম্মদ আল আমীন, মাওলানা আব্দুল হামিদ, মুহাম্মদ সাইফুর রহমান, মারুফ আহমদ ও বিলাল উদ্দিন প্রমুখ।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে হাফিজ মাওলানা আব্দুল হাদিকে আহ্বায়ক ও মাওলানা আব্দুল ওয়াজিদকে সদস্য সচিব করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
সিলেট মহানগর যুব জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আব্দুল করিম দিলদার এই কমিটি ঘোষণা করেন।
» ফুলবাড়ী চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন করুন : গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট
Published: ২৬. আগ. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
ফুলবাড়ী দিবস উপলক্ষে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট সিলেট জেলা শাখার উদ্যোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকাল ৫টায় সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে মানববন্ধনে সিপিবি জেলা সভাপতি সৈয়দ ফরহাদ হোসেন এর সভাপতিত্বে ও বাসদ জেলা সদস্য সচিব প্রণব জ্যোতি পাল এর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, বাসদ জেলা আহ্বায়ক আবু জাফর, তেল-গ্যাস-বিদ্যুৎ-বন্দর ও সম্পদ রক্ষা জাতীয় কমিটি সিলেট জেলা সদস্য সচিব এডভোকেট আনোয়ার হোসেন, বাসদ (মার্ক্সবাদী) জেলা সদস্য সুমিত রঞ্জন দাস পিনাক, ছাত্র ইউনিয়নের জেলা সভাপতি মাশরুখ জলিল।
উপস্থিত ছিলেন, সিপিবি জেলা সাধারণ সম্পাদক খায়রুল হাসান,চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সভাপতি নাজিকুল ইসলাম রানা, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের দোয়েল রায়, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের মনজুর আহমদ প্রমূখ।
সমাবেশে পূর্বে ফুলবাড়ী শহীদ স্মরণে শহীদ মিনারের শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ ও এক মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ২০০৬ সালের ২৬শে আগস্ট দিনাজপুরের ফুলবাড়িতে এশিয়া এনার্জির তত্ত্বাবধানে পরিবেশ বিধ্বংসী উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলনের বিরুদ্ধে লাখো মানুষ রাস্তায় নামে।
বি ডি আর এর গুলিতে শহিদ হন আমিন, সালেকীন ও তরিকুল,আহত হয় অর্ধ শতাধিক মানুষ। সেই দিনটি এরপর থেকে ফুলবাড়ি দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
এরপর ফুলবাড়ি সহ সারাদেশে গণপ্রতিরোধের মুখে ২০০৬ সালের ৩০ আগস্ট বি এন পি সরকার বাধ্য হয় আন্দোলনকারীদের সাত দফা দাবি মেনে নিয়ে ফুলবাড়ি চুক্তি স্বাক্ষর করতে।
সরকারের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের চুক্তিতে বলা হয়, ফুলবাড়ী সহ বাংলাদেশের কোন জায়গায় উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লাখনি করা হবে না, এশিয়া এনার্জির সঙ্গে সব চুক্তি বাতিল করা হবে এবং কোম্পানিকে এলাকা ত্যাগ করতে হবে।
কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের বিভিন্ন দায়িত্বশীল ব্যাক্তিরা আবারও ফুলবাড়ি থেকে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলনের পরিকল্পনার কথা জানাচ্ছেন।
ফুলবাড়ি চুক্তি বাস্তবায়ন না করে উলটো আবার এই উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলনের পাঁয়তারা শুধু শহিদের রক্তের সাথে বেইমানিই নয়, এটা সম্পূর্ণ গণবিরোধী অবস্থান।
বক্তারা বলেন, ফুলবাড়িতে এশিয়া এনার্জির সাথে করা অসম চুক্তিতে একদিকে যেমন পরিবেশ বিধ্বংসী উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা তোলার কথা বলা হয়েছিল, আরেকদিকে এই চুক্তিতে ১০০ টাকার কয়লায় বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ হত ৬ টাকা আর ৯৪ টাকা যেত এশিয়া এনার্জির পকেটে।
অপরদিকে এই কয়লা উত্তোলনের জন্য পানির স্তর সরাতে গেলে দিনাজপুরের চারটি উপজেলায় ৮০ থেকে ১২০ মিটার পানির স্তর নেমে যাবার সম্ভাবনা ছিল।
এতে ধানের ভান্ডারখ্যাত দিনাজপুরে কৃষি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হত।
১ লক্ষ মানুষের বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ হবার সম্ভাবনা ছিল। গবেষকদের তৎকালীন রিপোর্ট অনুযায়ী এই প্রকল্পের ফলে বাংলাদেশের ৫০ বছরে ২৫ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি সাধিত হত।
এই দেশবিরোধী পরিবেশ বিধ্বংসী সর্বনাশা প্রকল্প করে এশিয়া এনার্জি বা জি সি এম কোম্পানি এবং তার দোসররা হয়তো লাভবান হবে, কিন্তু বাংলাদেশের জন্য এই প্রকল্প আত্মঘাতী।
বক্তারা শহিদের রক্তের সাথে বেইমানি করে এই দেশবিরোধী প্রকল্প পুনরায় চালু করার অপচেষ্টা থেকে সরকারকে অবিলম্বে সরে আসার আহবান জানান।
অন্যথায় বক্তারা জনগনকে সাথে নিয়ে আবার ফুলবাড়িতে প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
» ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সিসিক প্রশাসক
Published: ২৫. আগ. ২০২৬ | মঙ্গলবার
ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হবে
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, ব্যবসায়ীরা দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। তাই ব্যবসায়ীদের ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে যেসব প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, সেগুলো দূর করা জরুরি।
সিলেট নগরীতে একটি সুন্দর ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করতে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) রাতে নগর ভবনে সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, একটি নগরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড যত বেশি গতিশীল হবে, সেই নগরের উন্নয়নও তত বেশি ত্বরান্বিত হবে।
ব্যবসায়ীরা যাতে নির্বিঘ্নে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন, একই সঙ্গে নগরবাসী যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল করতে পারেন-দুটি বিষয়কে সমন্বয় করেই নগর ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, সিলেট নগরীর যানজট নিরসন, সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত এবং নগরের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সিলেট মহানগর পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে সিটি কর্পোরেশন। পর্যায়ক্রমে নগরীর সড়ক ও ফুটপাত সম্পূর্ণ হকারমুক্ত করা হবে।
অবৈধভাবে সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন নগরীতে প্রবেশ ও চলাচল নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি যত্রতত্র যানবাহন পার্কিংও করতে দেওয়া হবে না।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, নগরীর ফুটপাত পথচারীদের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে।
ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি নগরের শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বও ব্যবসায়ীদের রয়েছে। নিজেদের মার্কেট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সামনে যাতে অবৈধভাবে কোন যানবাহন পার্কিং না করা হয় এবং হকাররা যাতে ফুটপাত দখল করে বসতে না পারেন, সে বিষয়ে ব্যবসায়ীদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সিটি কর্পোরেশন একা চাইলেই একটি নগরের সব সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়।
নগরকে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য করে তুলতে সিটি কর্পোরেশন, পুলিশ, ব্যবসায়ী, পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং সাধারণ নগরবাসী-সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। ব্যবসায়ীরা সহযোগিতা করলে যানজট নিরসন ও ফুটপাত দখলমুক্ত করার কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।
সিসিক প্রশাসক ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে বলেন, আমরা এমন একটি নগর গড়ে তুলতে চাই, যেখানে ব্যবসায়ীরা স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবসা করবেন, ক্রেতারা নির্বিঘ্নে কেনাকাটা করবেন এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারবেন।
এ লক্ষ্যেই নগরীর অবকাঠামো উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার পাশাপাশি ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতেও কাজ করা হচ্ছে।
মতবিনিময় সভায় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ট্রেড লাইসেন্স সহজীকরণসহ ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যা ও দাবিদাওয়া তুলে ধরে সিসিক প্রশাসকের সহযোগিতা কামনা করেন। তারা পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও উন্নত নগর গড়ে তুলতে সিটি কর্পোরেশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, সিলেট নগরী সবার। নগরীর উন্নয়ন ও শৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যবসায়ীরাও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে চান।
সিটি কর্পোরেশন ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করলে ব্যবসায়ীরা নগর উন্নয়নের প্রতিটি কার্যক্রমে সহযোগিতা করবেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুল মুনিম মল্লিক মুন্না।
সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাদী পাভেলের সঞ্চালনায় সহসাধারণ সম্পাদক নিয়াজ মোহাম্মদ আজিজুল করিম, হোসেন আহমদ, আমিনুল হক বেলাল, মনজুর আহমদসহ নগরীর বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ নিজেদের মতামত ও দাবিদাওয়া তুলে ধরেন।
» সিলেটে বেসিক সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক
Published: ২৫. আগ. ২০২৬ | মঙ্গলবার
প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান বাস্তব জীবনেও ভূমিকা রাখে
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই।
প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান শুধু ক্রিকেটের মাঠেই নয়, বাস্তব জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আয়োজনে দুই দিনব্যাপী বেসিক সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, দুই দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া সবাইকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানাই।
প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আপনারা নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন, তা দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেন, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম একটি আন্তর্জাতিক ভেন্যু। এখানে নিয়মিত দেশি-বিদেশি ক্রিকেট দল অংশ নেয়।
টেস্ট ক্রিকেট, নারী ক্রিকেটসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আয়োজন এখানে অনুষ্ঠিত হয়।
ভবিষ্যতেও সিলেটে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের আয়োজন রয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সিসিক প্রশাসক বলেন, সরকারের বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ও নিরাপত্তা বাহিনী আন্তর্জাতিক ম্যাচে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে। তবে ক্রিকেট বোর্ডের নিজস্ব নিরাপত্তাকর্মীদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, মাঠের নিরাপত্তা বজায় রাখা, দর্শকদের ব্যবস্থাপনা এবং যেকোন পরিস্থিতিতে দ্রুত ও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বা একাডেমিক যোগ্যতা থাকলেই দায়িত্ব পালনে দক্ষতা অর্জন করা যায় না। বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা, প্রশিক্ষণ, দায়িত্ববোধ, আন্তরিকতা ও নিষ্ঠা একজন কর্মীকে দক্ষ করে তোলে। তাই প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান বাস্তব কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে হবে।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা যে জ্ঞান অর্জন করেছেন, তা শুধু সনদ পাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখবেন না। দায়িত্ব পালনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এই জ্ঞান কাজে লাগাতে হবে। আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করলে আপনাদের দক্ষতা ও অবদানের যথাযথ মূল্যায়ন হবে।
সমাপনী অনুষ্ঠানে ৫০ জন প্রশিক্ষণার্থীর মাঝে সনদ বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কাউন্সিলর আশরাফ আরমান, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের হেড অব সিকিউরিটি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) কাজী শামীম ফরহাদ, বিসিবির সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্টের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার এস এম ওয়াসিকুর রহমান, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ভেন্যু ম্যানেজার জয়দীপ দাস সুজক, সিকিউরিটি কো-অর্ডিনেটর আলী ওয়াসিকুজ্জামান অনিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
» ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে সিলেটে জশনে জুলুস বুধবার
Published: ২৫. আগ. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে পবিত্র জশনে জুলুস-২০২৬ বুধবার (২৬ আগস্ট ) হযরত শাহজালাল (রঃ) এর দরগাহ শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে সকাল ১০ ঘটিকায় জুলুছ রওয়ানা হবে।
জুলুস সিলেট শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জালালাবাদ থানাধীন মইয়ারচরস্থ মাদ্রাসা এ তৈয়্যবিয়া তাহেরিয়া হেলিমিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে জুলুসোত্তর আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।
উক্ত জশনে জুলুস সফল করতে সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের আহবান জানিয়েছেন মাদ্রাসা এ তৈয়্যবিয়া তাহেরিয়া হেলিমিয়া সুন্নিয়ার আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জালালুদ্দিন আল-কাদরী ও গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ সিলেট জেলার সভাপতি হাফিজ মিছবাহ উদ্দিন চৌধুরী।
» নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটিতে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
Published: ২৫. আগ. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (এনইইউবি), সিলেট এ ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে কুইজ প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বেলা আড়াইটায় এনইইউবি অডিটরিয়ামে অয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) এর তাৎপর্য নিয়ে অলোচনা ও মোনাজাত পরিচালনা করেন, নগরীর শেখঘাট ছানা উল্লাহ জামে মসজিদের পেশ ইমাম হযরত মাওলানা ইসমাইল আহমদ।
নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর নগরীর শেখঘাট ক্যাম্পাসে এনইইউবি ডেভেলাপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক আব্দুল্লাহ হারিস পাশার পরিচালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন, ইউনিভার্সিটির ভারপ্রাপ্ত ভাইস চ্যান্সেলর স্কুল অব সায়েন্সের ডিন ও এমপিএইচ এর বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ডা. রনজিত কুমার দে, স্কুল অব হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সের ডিন ও ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোহাম্মদ শামসুল কবির, স্কুল অব বিজনেসের ডিন ও ব্যবসায় প্রশাসনের বিভাগীয় প্রধান রেবেকা সুলতানা চৌধুরী, এনইইউবি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সেক্রেটারি ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. লিয়াকত আলী শাহ ফরিদী, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার নূর জাহান কাকলী, পরিচালক (অর্থ) অশোক রঞ্জন চৌধুরী, গ্রন্থাগারিক জিলুন নাহার চৌধুরী, ডেভেলাপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মেছা. সুইটি খানম প্রমুখ।
অলোচনা সভার আগে শিক্ষার্থীদের মধ্যে কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
কুইজ প্রতিযোগিতায় অর্ধ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করেন। এই কুইজ প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছেন, সিএসই বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ রুবাইয়াত হোসেন, দ্বিতীয় হয়েছেন আইন ও বিচার বিভাগের মোছা. নিলীমা হক তালুকদার, তৃতীয় হয়েছেন সিএসই বিভাগের মুরাদ আহমদ তাহমিম ও চতুর্থ হয়েছেন সিএসই বিভাগের ফাহিমা হক তালুকদার জেলি।
আলোচনা সভা ও দোয় মাহফিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
» বাণিজ্য মন্ত্রীর সঙ্গে ইসকন নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ,জন্মাষ্টমী ও সম্প্রীতি নিয়ে আলোচনা
Published: ২৫. আগ. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
আসন্ন পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বাণিজ্য মন্ত্রীকে আমন্ত্রণ এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি, সামাজিক কল্যাণ ও ইসকনের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করতে বাণিজ্য মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ইসকন বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দ।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর ১২টায় সিলেট সার্কিট হাউসে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। ইসকন বাংলাদেশের সহ-সভাপতি ও ইসকন সিলেটের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ ভক্তি অদ্বৈত নবদ্বীপ স্বামী মহারাজের নেতৃত্বে এবং ইসকন বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক শ্রীমৎ ভক্তিময় নিতাই স্বামী মহারাজের উপস্থিতিতে ইসকন বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দ বাণিজ্য মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাৎকালে আসন্ন জন্মাষ্টমী অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
একই সঙ্গে ইসকনের ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রম, মাদকবিরোধী সচেতনতা, যুবসমাজকে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করা, ধর্মীয় সম্প্রীতি এবং সমাজের কল্যাণে ইসকনের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়।
ইসকন নেতৃবৃন্দ বলেন, ইসকন একটি অরাজনৈতিক ধর্মীয় ও মানবকল্যাণমূলক সংগঠন হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ, মাদকবিরোধী সচেতনতা ও মানবসেবামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
দেশের ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রাখতে ইসকন ভবিষ্যতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে চায়।
বাণিজ্য মন্ত্রী ইসকনের বিভিন্ন কার্যক্রমের বিষয়ে মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন।
সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী,সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মোহাম্মদ আব্দুল মালিক, সিলেট-৬ (বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী এবং সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক জনাব আবুল কাহের চৌধুরী (শামীম)।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, সিলেট হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি সুদীপ রঞ্জন সেন বাপ্পু, সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট সিলেটের সাবেক ট্রাস্টি নিহার রঞ্জন দাস।
ইসকন বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল ইসকন কমিউনিকেশন বিভাগের চেয়ারম্যান হৃষিকেশ গৌরাঙ্গ দাস,বাংলাদেশ ইসকনের রিসলভের চেয়ারম্যান যুগধর্ম দাস অধিকারী, বাংলাদেশ ইসকনের ল্যান্ড অ্যান্ড লিগ্যাল বিভাগের ভাইস চেয়ারম্যান চিন্ময় গদাধর দাস, ইসকন সিলেট মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক ভাগবত করুনা দাস ব্রহ্মচারী, সিলেট বিভাগীয় কমিটির অফিস ব্যবস্থাপক সচ্চিদানন্দ শ্যামসুন্দর দাস এবং ইসকন সিলেট মন্দিরের যোগাযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক সিদ্ধ মাধব দাস অধিকারীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সাক্ষাৎ শেষে ইসকন বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে বাণিজ্য মন্ত্রীকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
এ সময় নেতৃবৃন্দ তাদের বিভিন্ন বিষয় ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরলে বাণিজ্য মন্ত্রী মনোযোগ সহকারে তা শোনেন।
সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে ইসকন নেতৃবৃন্দ বলেন, পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সামাজিক কল্যাণে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা আরও জোরদার হবে- এমন প্রত্যাশা নিয়েই এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
» মৌলভীবাজার বড়লেখা ডিগ্রি কলেজ ছাত্রশিবিরের সীরাত মাহফিল
Published: ২৫. আগ. ২০২৬ | মঙ্গলবার
» সিলেটে বিএমবিএফ-এর আইডি কার্ড বিতরণ
Published: ২৫. আগ. ২০২৬ | মঙ্গলবার
মানবাধিকার কর্মীরা মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে : নজরুল ইসলাম
নিউজ ডেস্কঃ
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড সিলেটের কলেজ পরিদর্শক শেখ মো. নজরুল ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সচেতনতা তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে।
সমতা, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় মানবাধিকার কর্মীরা দায়িত্বশীল ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে।
তিনি বলেন, সমাজের সাধারণ, অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের অধিকার রক্ষায় মানবাধিকার কর্মীদের সবসময় সোচ্চার থাকতে হবে।
মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা শুধু কথার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তা বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
অন্যায়, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে মানবাধিকার কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, নতুন মেয়াদের আইডি কার্ড গ্রহণের মাধ্যমে সংগঠনের প্রতিটি কর্মীর দায়িত্ব আরও বেড়ে গেল।
এই পরিচয়পত্র শুধু পরিচয়ের প্রতীক নয়, বরং এটি মানুষের অধিকার রক্ষায় দায়িত্ব পালনের একটি অঙ্গীকার।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেল ৪টায় নগরীর জিন্দাবাজারস্থ নজরুল একাডেমী মিলনায়তনে বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন (বিএমবিএফ) সিলেট বিভাগীয় কমিটির উদ্যোগে নতুন মেয়াদের ‘আইডি কার্ড বিতরণ-২০২৬’ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালির মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
বিএমবিএফ সিলেট বিভাগের সভাপতি, জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং সুনামগঞ্জ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সভাপতি আলহাজ্ব আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে ও বিএমবিএফ সিলেট বিভাগের সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় সদর দপ্তর (ঢাকা)-এর সহকারী মহাসচিব মনোরঞ্জন তালুকদারের পরিচালনায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন, ফুলকলি ফুড প্রোডাক্টস লিঃ-এর ডিজিএম এবং বিএমবিএফ সিলেট বিভাগের উপদেষ্টা জসিম উদ্দিন খন্দকার।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় সদর দপ্তর (ঢাকা)-এর সমাজকল্যাণ সম্পাদক ও বিএমবিএফ সিলেট মহানগরের সভাপতি আলহাজ্ব মনসুর আহমদ লস্কর, সিলেট প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও বিএমবিএফ সিলেট বিভাগের সহ-সভাপতি এম. এ হান্নান, বিএমবিএফ সিলেট বিভাগের সহ-সভাপতি হাজী মো. আনোয়ার হোসেন, সিলেট জেলার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আশরাফুর রহমান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ও বিএমবিএফ সিলেট মহানগরের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি ইঞ্জিনিয়ার সবুজ বিশ্বাস।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মো. মুসলেহ উদ্দিন আহমদ, মীর্জা রেজওয়ান বেগ, আলহাজ্ব ডা. এম এ রকিব, শ্যামল চৌধুরী, মো. খালেদ মিয়া, শফিকুর রহমান শফিক, গোলাম আজম মঞ্জু, শিরিন আক্তার চৌধুরী, মোছাম্মত রুনা সুলতানা, শফিকুর রহমান, আল মামুন খান, নৃরেন্দ্র সিংহ, কামনা সীষ দাস বাপ্পু, মো: ইউসুফ সেলু, আব্দুল ওয়াদুদ প্রমুখ।
আলোচনা পর্ব শেষে বিএমবিএফ সিলেট বিভাগীয় কমিটির সকল সদস্য ও দায়িত্বশীলদের হাতে অফিসিয়াল আইডি কার্ড তুলে দেন আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।
» সিটি কর্পোরেশনের কোন এলাকাই অনুন্নত থাকবে না : সিসিক প্রশাসক
Published: ২৪. আগ. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সিটি কর্পোরেশনের কোন এলাকাই অনুন্নত থাকবে না।
নগরীর বর্ধিত এলাকাগুলো উন্নয়নের দিক থেকে পিছিয়ে থাকলেও পর্যায়ক্রমে এসব এলাকার সড়ক, ড্রেন সহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর উন্নয়ন করা হচ্ছে।
নগরবাসীর নাগরিক দুর্ভোগ কমাতে দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, সিটি কর্পোরেশনের সীমানা সম্প্রসারিত হয়েছে, কিন্তু সে অনুযায়ী আয় বাড়েনি। তারপরও নাগরিক সেবা ও উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে।
কীভাবে সিলেট নগরীকে বন্যা ও জলাবদ্ধতামুক্ত করা যায়, কীভাবে নগরীকে আরও সুন্দর ও বসবাসযোগ্য করে গড়ে তোলা যায়—এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, আমি শুধু প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাসী নই, কাজ বাস্তবায়নে বিশ্বাসী। কাউকে মিথ্যা আশ্বাস দিতে চাই না। যেসব উন্নয়ন কাজের প্রয়োজন রয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।
প্রশাসক বলেন, ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের সুনামপুর এলাকায় ১ কোটি ৮৪ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়ক উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। পাশাপাশি ২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ড্রেন নির্মাণের কাজও চলছে।
ধারাবাহিকভাবে এলাকার অন্যান্য সড়ক ও ড্রেনের উন্নয়ন কাজও বাস্তবায়ন করা হবে।
তিনি বলেন, নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত করার পাশাপাশি সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থারও উন্নয়ন করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি এলাকার প্রয়োজনীয় উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করা হবে।
সকালে সিসিক প্রশাসক ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। পরে জামেয়া তাহফিজুল কোরআন বরইকান্দি সুনামপুর মাদ্রাসায় এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এ সময় তিনি এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও নাগরিকদের দাবিদাওয়া শোনেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।
এ সময় ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মো. রায়হান হোসেন, সাবেক চেয়ারম্যান রইছ আলী, মকসুদ মিয়া, মসকুর মিয়াসহ মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
দুপুরে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের কুচাই মাঝপাড়া এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরে কুচাই পূর্বপাড়ায় আরসিসি ড্রেন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন।
এ সময় মোগলাবাজার থানা বিএনপির সদস্য সচিব জামাল আহমদ, সিলেট মহানগর যুবদলের সহসাধারণ সম্পাদক বাবর আহমদ, সিলেট মহানগর ছাত্রদলের সহসভাপতি আব্দুল হাছিব, কুচাই ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদ উদ্দীন রুকন, ইসমাইল হোসেন তকবির, আব্দুল জলিল, আনোয়ার হোসেন, নুরে আলম সাদেক, দিলাল আহমদ, ফখরুল ইসলাম, নাহিদ আহমদ, রিমন আহমদ, সাব্বির আহমদ, তানজির আহমদসহ স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
» হাসান মার্কেটের স্থলে হবে অত্যাধুনিক সুপার মার্কেট : সিসিক প্রশাসক
Published: ২৪. আগ. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট নগরীর প্রাণকেন্দ্র বন্দরবাজারে হাসান মার্কেটের স্থলে অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত সুপার মার্কেট নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে হাসান মার্কেটের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।
মার্কেটের ব্যবসায়ী সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত সভায় সিসিক প্রশাসক বলেন, হাসান মার্কেট সিলেট নগরীর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত।
ঐতিহ্যবাহী এই মার্কেটের স্থলে একটি অত্যাধুনিক সুপার মার্কেট নির্মাণ করা প্রয়োজন।
যেহেতু এই স্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাই এখানে মার্কেট নির্মাণের আগে ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট এবং নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। আমরা সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে যত দ্রুত সম্ভব মার্কেট নির্মাণের পথে এগোব।
মার্কেটে থাকবে আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিং সহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা।
পাশাপাশি এখন যারা ব্যবসা করছেন তারা যাতে কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হন সেদিকেও আমরা দৃষ্টি রাখব।
মতবিনিময় সভার সভাপতিত্ব করেন হাসান মার্কেট দোকান মালিক ও ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. রইছ আলী।
সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিয়াজ মো. আজিজুল করিমের সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, সমিতির উপদেষ্টা মোহাম্মদ আলী আকিক, আজমল হোসেন চৌধুরী, সহসভাপতি আক্তার হোসেন সোহেল, সহসাধারণ সম্পাদক মো. সাহেদ বকস্, আজিজুল মকসুদ তালহা, কোষাধ্যক্ষ জাবেদ আহমদ, কার্যনির্বাহী সদস্য মো. নুরুল ইসলাম, মো. সিরাজুল ইসলাম, রিন্টু চক্রবর্তী, মো. আব্দুল রহিম, সাদ্দাম হোসেন মিলন, বিজয় দাস সানি, সমিতির সদস্য মীর মোহাম্মদ জাকারিয়া, নিটু দেব, শাহজাহান আহমদ, আবু হানিফ, সবুজ আহমদ, আব্দুল্লাহ আহমদ খোকন, এরশাদ আলম, কাউসার আহমদ, অফিস সহকারী সালমান হোসেন ইমন প্রমুখ।


