শিরোনামঃ-

» সর্বদা পরিবহন শ্রমিকদের পাশে আছে সরকার : সিসিক প্রশাসক

Published: ২৫. অক্টো. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, পরিবহন সেক্টরের কাজ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

একজন চালক দক্ষ হওয়া সত্ত্বেও অনেক সময় অন্য কোনো অদক্ষ চালকের কারণে দুর্ঘটনার শিকার হন।

অনেকের প্রাণ পর্যন্ত চলে যায়। আর এতে বিপদে পড়ে ওই শ্রমিকের পরিবার।

বিএনপি সরকার শ্রমিকবান্ধব। সরকার সর্বদা শ্রমিকদের পাশে আছে। সিলেট সিটি কর্পোরেশনও সর্বদা শ্রমিকদের কল্যাণে পাশে থাকবে।

রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে সিলেট জেলা বাস-মিনিবাস-কোচ-মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের (রেজি. নং বি-১৪১৮) মৃত্যুবরণকারী শ্রমিকদের পরিবারের মধ্যে কল্যাণ তহবিল থেকে অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, একজন কর্মক্ষম মানুষ পরিবার থেকে চলে গেলে শুধু ওই পরিবারই নয়, তার ওপর নির্ভরশীল সদস্যরাও বিপদের মধ্যে পড়েন।

এ ধরনের মানবকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শ্রমিকদের সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়ানোর জন্য সংগঠনের এ উদ্যোগ প্রশংসনীয়।

পরিবহন শ্রমিকদের কল্যাণে শ্রমিক ইউনিয়ন ও সরকারের পাশাপাশি সমাজের সামর্থ্যবানদেরও এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি বলেন, সিলেট সিটি করপোরেশন সবসময় পরিবহন শ্রমিকদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকবে।

নগরীর উন্নয়ন ও নাগরিকসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে পরিবহন শ্রমিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন। পারস্পরিক সহযোগিতা ছাড়া কোন কাজই সফলভাবে করা কঠিন।

তাই সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমে পরিবহন শ্রমিকদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি।

সিসিক প্রশাসক বলেন, শ্রমিকদের কল্যাণে সংগঠনগুলো যেসব মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করছে, তা অব্যাহত রাখতে হবে। একই সঙ্গে শ্রমিকদের নিরাপত্তা, কল্যাণ ও পরিবারের দুর্দিনে পাশে দাঁড়ানোর বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে।

এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে মানবিক মূল্যবোধ ও পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ আরও শক্তিশালী করে।

সংগঠনের সভাপতি হাজী ময়নুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর রাজনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিক সমন্বয় পরিষদের সভাপতি নাজিম উদ্দীন লস্কর ও ট্রাক মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি সাহেব আলী, সহসভাপতি মানিক মিয়া, সহ সাধারণ সম্পাদক মাহবুব মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাসনাত আবুল, প্রচার সম্পাদক হারিছ আলী, কোষাধ্যক্ষ আব্দুস শহিদ, কার্যকরী সদস্য আজিজ আহমদ, সাইফুল ইসলাম, শাহাব উদ্দিন ও শেখ ফরিদ।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে শ্রমিক ইউনিয়নের কল্যাণ তহবিল থেকে মৃত্যুবরণকারী সদস্যদের পরিবারের মধ্যে ৫০ হাজার টাকা করে অনুদান প্রদান করা হয়।

অনুদানপ্রাপ্ত পরিবারগুলো হলো, গোয়ালাবাজার মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের মরহুম হেলাল মিয়ার পরিবার; কদমতলী মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের মরহুম সোয়েদ আহমদের পরিবার ও মরহুম রফিক আহমদের পরিবার; সিলেট-ঢাকা বাস শ্রমিক মরহুম মুহিব উদ্দিনের পরিবার, মরহুম আতিকুর রহমানের পরিবার, প্রয়াত রঞ্জিত দেবের পরিবার ও মরহুম শিশু মিয়ার পরিবার; সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের বাস শ্রমিক প্রয়াত দিলীপ দেবের পরিবার; সিলেট-তামাবিল সড়কের মিনিবাস শ্রমিক মরহুম সুলেমান আলীর পরিবার, মরহুম সমছির আলীর পরিবার, মরহুম মোহাম্মদ আলীর পরিবার, মরহুম রেজাউল করিমের পরিবার, মরহুম ফলিক আহমদের পরিবার, মরহুম আব্দুল গনির পরিবার, মরহুম হিরা মিয়ার পরিবার, প্রয়াত প্রজেশ রঞ্জন দাসের পরিবার, প্রয়াত দীপু মালাকারের পরিবার, মরহুম জয়নাল আহমদের পরিবার, মরহুম ফরহাদ আহমদের পরিবার এবং মরহুম আনোয়ার হোসেনের পরিবার।

» জনগণের ভালোবাসা নিয়ে শেওলা ইউনিয়নের উন্নয়নে কাজ করতে চান খন্দকার অলিউর রহমান নাসির

Published: ২৫. অক্টো. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার ৪নং শেওলা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে কাজ করছেন খন্দকার অলিউর রহমান নাসির।

তিনি শেওলা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।

এলাকার মানুষের সেবা, উন্নয়ন ও জনকল্যাণকে সামনে রেখে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াচ্ছেন তিনি।

খন্দকার অলিউর রহমান নাসির বলেন, “আমি ৪নং শেওলা ইউনিয়নের মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে চাই।

এলাকার মানুষের ভালোবাসা, দোয়া ও সমর্থন নিয়ে ইউনিয়নের উন্নয়ন এবং জনকল্যাণে ভূমিকা রাখাই আমার মূল লক্ষ্য।”

তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে হলে মানুষের কথা শুনতে হবে, তাদের সমস্যা বুঝতে হবে এবং সাধ্যমতো সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে।

ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে জনগণের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি মনে করেন।

সম্ভাব্য নির্বাচনী পরিকল্পনার বিষয়ে নাসির জানান, চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, পরিচ্ছন্নতা, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্ব দিতে চান তিনি।

পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদকে সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভরসার জায়গা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন।

তিনি আরও বলেন, “আমি দল-মত নির্বিশেষে সবার জন্য কাজ করতে চাই।

কোন ধরনের বৈষম্য নয়, বরং সবার মতামত ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে শেওলা ইউনিয়নকে একটি সুন্দর ও উন্নত জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করব।”

এলাকার মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা কামনা করে নাসির বলেন, জনগণের সমর্থন পেলে সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে এলাকার উন্নয়নে কাজ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।

এদিকে, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা ও স্থানীয় রাজনৈতিক আলোচনা বাড়ছে।

এরই মধ্যে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে খন্দকার অলিউর রহমান নাসিরের সক্রিয়তা শেওলা ইউনিয়নের স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

» সাবাস সিলেট সোসাইটির আহবায়ক কমিটি গঠন

Published: ২৫. অক্টো. ২০২৬ | রবিবার

আহবায়ক রেখাবুল আলম সায়েম, সদস্য সচিব মো. লুৎফুর রহমান

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট বিভাগের শিক্ষা ও সমাজ উন্নয়নমূলক সংস্থা সাবাস এর আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সিলেট নগরীর একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টের হলরুমে এ উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে রেখাবুল আলম সায়েম কে আহবায়ক এবং প্রভাষক মো. লুৎফুর রহমানকে সদস্য সচিব করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায় কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, প্রভাষক মো. জহিরুল ইসলাম, মো. জাকির হোসেন, প্রভাষক মো. জামাল হোসেন। ২০০৬ সালে এই সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

২০০৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে ২০১১ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের পাশাপাশি ৩য় শ্রেণি থেকে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত সিলেট বিভাগের শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশ ও উৎসাহ প্রদানের জন্য শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরীক্ষা কেন্দ্র করে ৫ বার মেধা ভিত্তিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

দীর্ঘদিন কার্যক্রম স্থগিত থাকলেও নতুন উদ্যোগে আবার সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করল সাবাস সিলেট সোসাইটি।

এই আহ্বায়ক কমিটি খুব শীঘ্রই পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটির গঠন করবে।

সদস্য হতে ইচ্ছুক স্বেচ্ছাসেবীদেরকে আহ্বায়ক এবং সদস্য সচিবের সাথে যোগাযোগ করে প্রাথমিক সদস্য হওয়ার জন্য আহ্বান করা হলো।

» সিলেটে দুই প্রবাসীর কোটি টাকার পৈতৃক সম্পত্তি দখল ও জালিয়াতি

Published: ২৫. অক্টো. ২০২৬ | রবিবার

আইনগত ব্যবস্থা ও নিরাপত্তার দাবিতে প্রশাসন, পুলিশ ও মন্ত্রীর কাছে তিন আবেদন

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট নগরীর সুবিদবাজার এলাকার প্রবাসী দুই ভাইয়ের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া আমমোক্তারনামা তৈরি, কোটি টাকার ভাড়া আত্মসাৎ, পৈতৃক সম্পত্তি জবরদখল এবং সাইবার ব্ল্যাকমেইলিং ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে এক প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় নিজেদের জীবনের নিরাপত্তা এবং জবরদখলকৃত সম্পত্তি উদ্ধারে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) কমিশনার, সিলেট জেলা প্রশাসক এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বরাবর পৃথক তিনটি আবেদন জমা দিয়েছেন ভুক্তভোগী দুই প্রবাসী।

রবিবার (২৫ অক্টোবর ২০২৬) দাখিল করা এ আবেদনগুলোতে ভুক্তভোগী কানাডা প্রবাসী মো. এহসানুল ইসলাম চৌধুরী ও আমেরিকা প্রবাসী তাজিন ইসলাম চৌধুরী অভিযোগ করেন যে, তাদের বাবা মরহুম এনামুল ইসলাম চৌধুরী ২০২১ সালের ৩ জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করার পর তারা পৈতৃক সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হন।

পরবর্তীতে ২০২২ সালের ২৮ মার্চ আইনি প্রক্রিয়ায় রেজিস্ট্রি বাঁটোয়ারানামা সম্পাদিত হলে সুবিদবাজারস্থ ব্র্যাক ব্যাংক ভবনের অর্ধাংশ এবং পল্লবী কমিউনিটি সেন্টার ভূমির অর্ধাংশ তাঁদের প্রাপ্ত অংশ হিসেবে নির্ধারিত হয়।

আবেদনে তারা উল্লেখ করেন, তাঁরা বিদেশে থাকাকালীন তাদের অনুপস্থিতির সুযোগে প্রতিপক্ষ মুমিনুল ইসলাম চৌধুরী (রিমু), বুলবুল নাহার চৌধুরী, মাসুক মিয়া ও নওশেবা ফারাহ তুনা পরস্পর যোগসাজশে জাল স্বাক্ষরে ভুয়া আমমোক্তারনামা তৈরি করে।

উক্ত ভুয়া আমমোক্তারনামা ব্যবহার করে ২০২১ সাল থেকে সুবিদবাজারস্থ ব্র্যাক ব্যাংক ভবনের প্রাপ্ত অর্ধাংশের আনুমানিক ১ কোটি ২০ লাখ টাকা ভাড়া অবৈধভাবে আত্মসাৎ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সিলেটের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা (কোতোয়ালী সি.আর. মামলা নং-৪৯৭/২০২৬) দায়ের করা হলে বিজ্ঞ আদালত মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), সিলেট-কে তদন্তের নির্দেশ দেন এবং স্বাক্ষর পরীক্ষার আদেশ প্রদান করেন।

পরবর্তীতে গত ২২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে কানাডার টরন্টোস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের মাধ্যমে প্রবাসীরা আইনি প্রক্রিয়ায় ভুয়া আমমোক্তারনামাটি সম্পূর্ণরূপে বাতিল করেন। এছাড়া বিবাদীপক্ষের তৈরিকৃত বেআইনি ৭১/২০১০ নং অছিয়তনামাটি সিলেট যুগ্ম জেলা জজ ২য় আদালত কর্তৃক স্থগিত করা হয়েছে।

বর্তমানে বিবাদীগণ সুবিদবাজারের খতিয়ান নং-২০ ৩৬৫ ও ২০৩৬৮ এর ০.৩২১৩ শতক জমি, পল্লবী কমিউনিটি সেন্টার, চার তলা বিশিষ্ট ব্র্যাক ব্যাংক ভবনের অর্ধাংশ, সিলেট সদরের নালিয়া আঙ্গারুয়া মৌজার প্রায় ২৬২ শতক জমি এবং ঢাকার ধানমণ্ডিস্থ পৈতৃক বাড়ি বেআইনিভাবে জবরদখল করে রেখেছে বলে অভিযোগে জানা যায়।

ভুক্তভোগী প্রবাসীরা জানান, গত ১৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ৮টার দিকে সুবিদবাজারস্থ বাসায় অবস্থানকালে বিবাদীগণ মোবাইলে সরাসরি তাদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়।

এছাড়া বার্তা (ঝগঝ) ও হোয়াটসঅ্যাপে বিভিন্ন ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে সাইবার ব্ল্যাকমেইলিং করা হচ্ছে, যা নিয়ে সিলেটের কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং: ১৬০৮, তারিখ: ১৫/১০/২০২৬) দায়ের করা হয়েছে। প্রবাস ফেরত এই দুই ভাই বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও জীবন ঝুঁকিতে রয়েছেন, উল্লেখ করে প্রশাসন ও সরকারের কাছে জরুরি আইনি পদক্ষেপ এবং সার্বিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

» আন্তর্জাতিক বিজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হীরাকে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের সংবর্ধনা

Published: ২৫. অক্টো. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ

মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করায় হাফেজ ইহতেশামুল হক হীরাকে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের উদ্যোগে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

রবিবার (২৫ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় নগরীর নাইওরপুল পয়েন্টস্থ একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট জেলা যুবদলের সভাপতি মোহাম্মদ মকসুদ আহমদের সভাপতিত্বে এবং জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম টিপু ও মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দিনারের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, হাফেজ ইহতেশামুল হক হীরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রথম স্থান অর্জন করে সিলেট তথা সমগ্র বাংলাদেশের জন্য এক বিরল সম্মান বয়ে এনেছেন।

তাঁর এই অসামান্য সাফল্য নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের কোরআন চর্চায় আরও অনুপ্রেরণা যোগাবে।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেস অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী এবং মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মহানগর যুবদলের সভাপতি মির্জা মো. সম্রাট হোসেন, জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি কয়েস আহমদ, সহ-সভাপতি মকসুদুল করিম নুহেল, মহানগর যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি এমদাদুল হক স্বপন, জেলা যুবদলের ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসরুর রাসেল, মহানগর যুবদলের ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাহসিন মেহেদী প্রিন্স, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুল বাশার হাবিব এবং মহানগর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হোসাইন আহমদ প্রমূখ।

সংবর্ধিত অতিথি বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হীরার হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।

» যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের তিন দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা

Published: ২৫. অক্টো. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের গৌরব, ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ, বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও এতিমদের মাঝে খাবার বিতরণ সহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় সিলেট নগরীর তেমুখিস্থ মাসুক বাজারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।

পরদিন মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মূল দিনে বিকেল ৩টায় সিলেট নগরীর ঐতিহ্যবাহী রেজিস্ট্রারি মাঠ থেকে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হবে।

একই দিন বাদ এশা এয়ারপোর্ট রোডস্থ বাইশটিলার হযরত আলী (রাঃ) ইসলামিক সেন্টার মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষার্থীদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হবে।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বর্ণাঢ্য র‌্যালি সহ সব কর্মসূচি সফল করতে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের অধীনস্থ ১৩টি উপজেলা, ৫টি পৌর যুবদল ও মহানগর যুবদলের অধীনস্থ ৪২টি ওয়ার্ড ও ৬টি থানা যুবদলের নেতাকর্মীদের যথাসময়ে মিছিল সহ উপস্থিত থেকে অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট জেলা যুবদলের সভাপতি মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ, মহানগর যুবদলের সভাপতি মির্জা মো. সম্রাট হোসেন, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম টিপু এবং মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দিনার।

» ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনের অন্যতম ভিত্তি : জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন

Published: ২৫. অক্টো. ২০২৬ | রবিবার

সিলেট বৌদ্ধবিহারে প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনের অন্যতম ভিত্তি। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ।

এ দেশের সব ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান স্বাধীনভাবে পালন করে আসছেন।

সবাইকে পারস্পরিক ভালোবাসা, সহনশীলতা ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে হবে।

তিনি বলেন, গত কয়েকদিন আগে সিলেট সহ সারা বাংলাদেশে দূর্গাপূজা অত্যন্ত সুন্দরভাবে উদযাপিত হয়েছে।

বাংলাদেশ ঐতিহ্যভাবে সকল ধর্মের সহ অবস্থান। এখানে সকল ধর্মের সহবস্থান করছে এটাই বালাদেশের ঐতিহ্য। এক্ষেত্রে সিলেট এগিয়ে আছে।

তিনি বলেন, ধর্মীয় মূল্যবোধ মানুষকে সত্য, সুন্দর ও কল্যাণের পথে পরিচালিত করে।

সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা, মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখতে সব ধর্মের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলো মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করার পাশাপাশি সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তিনি আরও বলেন, একটি সুন্দর ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা এবং সব নাগরিকের ধর্মীয় অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

রবিবার (২৫ অক্টোবর) নগরীর আখালিয়া নয়াবাজারস্থ ব্রাহ্মণশাসনস্থ সিলেট বৌদ্ধ সমিতির উদ্যোগে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের ২য় পর্বে আলোচনা সভা ও প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে ফানুস উত্তোলন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সিলেট বৌদ্ধ বিহারের উপাধ্যক্ষ শ্রীমৎ দিপষ্কর ভিক্ষু এর সভাপতিত্বে ও চন্দ্রিকা বড়ুয়া মন্টি এর উপস্থাপনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সিলেট বৌদ্ধ সমিতির এডহক কমিটির আহ্বায়ক সুকান্তি বড়ুয়া।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, সিলেট বৌদ্ধ সমিতির এডহক কমিটির সদস্য সচিব সুজন বড়ুয়া।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সিলেট বৌদ্ধ সমিতির সাবেক সভাপতি চন্দ্র শেখর বড়ুয়া, আখালিয়া নয়া বাজার কমিটির সভাপতি দেলওয়ার হোসেন জয়, মুসলিম নগর মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল করিম, বৌদ্ধ সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক উৎপল বড়ুয়া, তপন কান্তি বড়ুয়া।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সিলেট বৌদ্ধ সমিতির এডহক কমিটির সদস্য পলাশ বড়ুয়া প্রমুখ।

দিনব্যাপি প্রার্থনা, মোমবাতি প্রজ্জলন ও ফানুস উত্তোলনসহ নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে।

রবিবার সন্ধ্যায় ফানুস উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপনী হয়। সকালের অধিবেশনে এডহক কমিটির সদস্য প্রধান বাবু ইমন বড়ুয়া এর উপস্থাপনায় উপস্থিত ছিলেন, লিটন বড়ুয়া,পলাশ বড়ুয়, সেবু বড়ুয়া, সুজন বড়ুয়া, রায়ধন বড়ুয়া প্রমুখ।

» এবার ২৬ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে মাসব্যাপী দামোদর দীপদান উৎসব

Published: ২৪. অক্টো. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ
ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রতি ভক্তি নিবেদন ও তাঁর বাল্যলীলার স্মরণে আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে সিলেটে শুরু হচ্ছে মাসব্যাপী দামোদর দীপদান উৎসব।

আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘের (ইসকন) সিলেট মন্দিরে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত এ উৎসব চলবে।

প্রতিদিন সন্ধ্যায় গৌর আরতির পর পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের উদ্দেশে প্রদীপ নিবেদনের আয়োজন করা হবে। উৎসবকে কেন্দ্র করে মন্দিরে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

বৈষ্ণবীয় ঐতিহ্যে কার্তিক মাস দামোদর মাস হিসেবে পরিচিত।

এ মাসে ভক্তরা ভগবান শ্রীকৃষ্ণের উদ্দেশে ঘিয়ের প্রদীপ নিবেদন করেন, দামোদর অষ্টকম কীর্তন করেন এবং তাঁর অপ্রাকৃত লীলা স্মরণ করেন। বৈষ্ণবদের কাছে এ মাস ভক্তি, প্রার্থনা ও সাধনার বিশেষ সময় হিসেবে বিবেচিত।

অমল পুরাণ শ্রীমদ্ভাগবতে বর্ণিত পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের বাল্যলীলার সঙ্গে দামোদর নামের সম্পর্ক রয়েছে। একদিন বালক কৃষ্ণ দুধের পাত্র ভেঙে পালিয়ে গেলে মা যশোদা তাঁকে ধরতে ছোটেন।

পরে স্নেহের বন্ধনে তিনি কৃষ্ণকে কোমরে দড়ি দিয়ে বেঁধেছিলেন।

‘দাম’ অর্থ দড়ি এবং ‘উদর’ অর্থ পেট। কোমরে দড়ি দিয়ে বাঁধা হয়েছিল বলে শ্রীকৃষ্ণের নাম হয় দামোদর। বৈষ্ণবীয় ব্যাখ্যায় এ লীলা ভগবানের প্রতি ভক্তের অকৃত্রিম ভালোবাসা ও বাৎসল্য প্রেমের মহিমা প্রকাশ করে।

ইসকন বাংলাদেশের সহ-সভাপতি ও ইসকন  সিলেট মন্দিরের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ ভক্তি অদ্বৈত নবদ্বীপ স্বামী মহারাজ বলেন, “দামোদর মাস ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রতি শুদ্ধ ভক্তি নিবেদনের এক বিশেষ সুযোগ।

এ মাসে প্রদীপ নিবেদন, হরিনাম সংকীর্তন এবং ভগবানের লীলা শ্রবণ ও স্মরণের মাধ্যমে ভক্তরা তাঁদের কৃষ্ণভাবনাকে আরও গভীর করতে পারেন।

ভক্তিপূর্ণ চিত্তে ভগবানের উদ্দেশে প্রদীপ নিবেদন করা শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং তাঁর প্রতি ভালোবাসা ও আত্মনিবেদনের প্রকাশ।”

তিনি আরও বলেন, দামোদর মাসের মাহাত্ম্য মানুষের মধ্যে ভক্তি ও আধ্যাত্মিক চেতনা জাগ্রত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এ মাসে ভগবানের নাম শ্রবণ, কীর্তন ও স্মরণের পাশাপাশি ভক্তদের সঙ্গ এবং পারমার্থিক জীবনচর্চায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

ইসকন সিলেট মন্দিরের যোগাযোগ বিভাগের পরিচালক সিদ্ধ মাধব দাস বলেন, “দামোদর দীপদান উৎসবের মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের মধ্যে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রতি ভক্তি জাগ্রত করা এবং বৈষ্ণবীয় সংস্কৃতির শিক্ষা সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া।

আমরা চাই, ভক্তদের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মও এ উৎসবের তাৎপর্য জানুক। সবাই মন্দিরে এসে প্রদীপ নিবেদন, কীর্তন ও প্রার্থনায় অংশ নেওয়ার মাধ্যমে ভক্তিময় পরিবেশের সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন।”

ইসকন সিলেট সূত্রে জানা গেছে, উৎসব সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের জন্য মন্দিরে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। প্রতিদিন সন্ধ্যায় গৌর আরতির পর প্রদীপ নিবেদন করা হবে।

এ সময় ভক্তরা দামোদর অষ্টকম কীর্তন,পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের লীলা শ্রবণ ও প্রার্থনায় অংশ নিতে পারবেন। আগ্রহী দর্শনার্থীদেরও এ আয়োজনে অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে।

বৈদিক শাস্ত্র অনুযায়ী, ভক্তি ও শ্রদ্ধার সঙ্গে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের উদ্দেশে প্রদীপ নিবেদন করলে ভক্তের হৃদয়ে কৃষ্ণভক্তি জাগ্রত হয়।

দামোদর মাসে ঘরে বসেও পরমেশ্বর ভগবান  শ্রীকৃষ্ণের চিত্রপট   বা বিগ্রহের সামনে প্রদীপ নিবেদন, হরিনাম সংকীর্তন ও তাঁর লীলা স্মরণের মাধ্যমে এ ব্রত পালন করা যায়।

আগামী ২৪ নভেম্বর সমাপনী আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে মাসব্যাপী দামোদর দীপদান উৎসব।

» নবীগঞ্জে ‘সনাতন-দীননাথ কিশোর সংসদ’ এর কমিটি গঠন

Published: ২৪. অক্টো. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ
নবীগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক সংগঠন ‘সনাতন-দীননাথ যুব ও সমাজকল্যাণ সংস্থা’-এর সহযোগী সংগঠন ‘সনাতন-দীননাথ কিশোর সংসদ’-এর নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে এই সভা সম্পন্ন হয়।
‘সনাতন-দীননাথ যুব ও সমাজকল্যাণ সংস্থা’-এর প্রধান উপদেষ্টা রত্নদীপ দাস রাজু’র সভায় সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক জনি দাশের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সভাপতি তীর্থ দাশ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রান্ত দাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক স্বপন দাশ, দপ্তর সম্পাদক গোপাল দাশ জিৎ, দীপ শেখর দাশ প্রমুখ।
বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে কিশোরদের মেধা, মনন ও সামাজিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।
মাদক ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে থেকে কীভাবে একটি সুন্দর ও মানবিক সমাজ গঠনে কিশোরেরা ভূমিকা রাখতে পারে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভার সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও বেগবান করার লক্ষ্যে সর্বসম্মতিক্রমে ‘সনাতন-দীননাথ কিশোর সংসদ’-এর (২০২৬-২০২৭) মেয়াদের জন্য নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়।
নবগঠিত কমিটিতে তীর্থ দাশকে সভাপতি, স্বপন দাশ-কে সাধারণ সম্পাদক ও গোপাল দাশ জিৎ কে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।
নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি তাঁর অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, “আমাদের ওপর যে দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে, তা আমরা নিষ্ঠার সাথে পালন করব।
কিশোরদের সৃজনশীলতা বিকাশ ও সামাজিক কল্যাণে এই সংসদ আগামী দিনে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।”

» ব্যবসায়ী বাবলার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের, নিন্দা

Published: ২৪. অক্টো. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সম্প্রতি কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত আম্বরখানা ‘সুরমা সুপার মার্কেটে দালালদের দৌরাত্ম্য’ শীর্ষক সংবাদ ও কয়েকটি সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত এ সংক্রান্ত ভিডিওর অংশ বিশেষের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করেছেন, সুরমা সুপার মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ।

সমিতির সহ সভাপতি জসিম উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সুরমা সুপার মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক বাবলা সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ওই সংবাদে মার্কেটের ব্যবসায়ী ও সুরমা সুপার মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক বাবলাকে ‘দালালদের আশ্রয়দাতা’ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

বাস্তবে তিনি একজন সৎ ব্যবসায়ী। দীর্ঘদিন ধরে নিজে দোকান ভাড়া নিয়ে সততার সঙ্গে ব্যবসা করছেন। কোন ধরনের অনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে তিনি জড়িত নয়।

বিজ্ঞপ্তিতে তারা উল্লেখ করেন, বাবলার সুনামের প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে বিশেষ কোনো স্বার্থান্বেষী মহলের প্ররোচনায় প্রতিবেদনে তার নাম জড়ানো হতে পারে।

তারা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে যেসব  অনলাইন পত্রিকায় ওই প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে সেগুলো সহ প্রচারিত ভিডিও সম্পাদন করে সৎ ব্যবসায়ী ও সমাজসেবী বাবলার নাম বাদ দিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

» বিশ্ব পোলিও দিবসে সিলেটে রোটারির র‌্যালি

Published: ২৪. অক্টো. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ

বিশ্ব পোলিও দিবস উপলক্ষে সিলেটে র‌্যালি করেছে রোটারি ক্লাব ডি-৬৫ সিলেট জোন।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে নগরের শারদা হল প্রাঙ্গণ থেকে র‌্যালিটি বের করা হয়।

সকাল সাড়ে ৯টায় শুরু হওয়া র‌্যালিটি চৌহাট্টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় অংশগ্রহণকারীদের হাতে ‘End Polio Now’ ও ‘One World, One Goal’ লেখা প্ল্যাকার্ড ছিল।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্ম সচিব) মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোটারি পিডিজি শহীদ আহমেদ চৌধুরী।

বক্তব্য রাখেন, রিপসা ২০২৬-২০২৭ স্পেশাল অ্যাডভাইজার রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট সিদ্দিকুর রহমান, সিনিয়র কো-অর্ডিনেটর (ফাইন্যান্স) রোটারিয়ান মো. কবির উদ্দিন, অ্যাসিস্ট্যান্ট কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর রোটারিয়ান জাকির আহমেদ, কো-অর্ডিনেটর (এডমিন) অ্যাডভোকেট সালেহ আহমেদ চৌধুরী, পাস্ট প্রেসিডেন্ট আলী আশরাফ খালেদ।

প্রোগ্রাম চেয়ারপারসন রোটারিয়ান মো. আবুল কালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, প্রোগ্রাম সেক্রেটারি রোটারিয়ান পিপি অ্যাডভোকেট এমএ হাফিজ পিএইচএফ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, অ্যাসিস্ট্যান্ট কো-অর্ডিনেটর সেলীনা আক্তার চৌধুরী, রেজিস্ট্রেশন চেয়ার রোটারিয়ান এএসএমজি কিবরিয়া এবং ফুড চেয়ার ফারুক আহমেদ।

এ ছাড়া সিলেট জোনের প্রায় সব ক্লাবের প্রেসিডেন্ট, অফিসিয়ালস ও রোটারিয়ানরা ছাড়াও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ডি-৬৫ সিলেট জোনের প্রোগ্রাম চেয়ারপারসন মো. আবুল কালাম বলেন, “বাংলাদেশ সহ বিশ্বব্যাপী পোলিও নির্মূলে রোটারির অবদান অনন্য। এই কার্যক্রমের সম্পূর্ণ বাজেট রোটারি থেকে দেওয়া হয়। র‌্যালির মাধ্যমে আমরা চাই সারা বিশ্ব জানুক—পোলিও নির্মূলে রোটারি এখনো অগ্রণী ভূমিকা রাখছে।”

বিশ্বব্যাপী পোলিও নির্মূল রোটারি ইন্টারন্যাশনালের দীর্ঘদিনের অন্যতম প্রধান কার্যক্রম।

১৯৭৯ সালে ফিলিপাইনে শিশুদের পোলিও টিকা দেওয়ার একটি প্রকল্পের মাধ্যমে সংস্থাটি পোলিও নির্মূলের কার্যক্রম শুরু করে।

পরে ১৯৮৮ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), ইউনিসেফ ও যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) সঙ্গে রোটারি গ্লোবাল পোলিও ইরাডিকেশন ইনিশিয়েটিভের প্রতিষ্ঠাতা অংশীদার হয়।

এই বৈশ্বিক উদ্যোগ শুরুর পর বিশ্বে পোলিওর ঘটনা ৯৯ দশমিক ৯ শতাংশের বেশি কমেছে।

বাংলাদেশে পোলিও নির্মূলে রোটারি ইন্টারন্যাশনাল, বাংলাদেশ সরকার, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ সহ বিভিন্ন সংস্থার সাথে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছে।

১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ বৈশ্বিক পোলিও নির্মূল কার্যক্রমের অংশ হিসেবে জাতীয় টিকাদান দিবস পালন শুরু করে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৫ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দেশে ২১টি জাতীয় টিকাদান দিবস অনুষ্ঠিত হয়।

এসব কার্যক্রমে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের প্রায় ১০০ কোটি ডোজ মুখে খাওয়ার পোলিও টিকা দেওয়া হয়।

বাংলাদেশে সর্বশেষ পোলিওভাইরাস শনাক্ত হয়েছিল ২০০৬ সালে। এরপর দেশে আর পোলিওভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়নি।

২০১৪ সালে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলকে পোলিওমুক্ত হিসেবে সনদ দেওয়া হয়।

তবে বিশ্ব থেকে রোগটি পুরোপুরি নির্মূল না হওয়ায় পোলিওর বিরুদ্ধে টিকাদান ও নজরদারি অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বিশ্ব পোলিও দিবস প্রতিবছর ২৪ অক্টোবর পালিত হয়। পোলিও টিকার উদ্ভাবক জোনাস সালকের জন্মদিন স্মরণে রোটারি ইন্টারন্যাশনাল এ দিবস পালনের উদ্যোগ নেয়।

দিবসটির অন্যতম উদ্দেশ্য পোলিও নির্মূলে বিশ্বব্যাপী চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি এবং রোগটি পুরোপুরি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত টিকাদান কার্যক্রমের প্রতি সমর্থন ধরে রাখা।

এ সময় সর্বোচ্চ রেজিস্ট্রেশন করা ক্লাবগুলোর মধ্যে রোটারি ক্লাব অব সিলেট মেট্রোপলিটন, রোটারি ক্লাব অব সিলেট ক্বীন ব্রিজ, রোটারি ক্লাব অব সিলেট আর্কেডিয়া, রোটারি ক্লাব অব সিলেট সেন্ট্রাল ও রোটারি ক্লাব অব বিয়ানীবাজারকে ক্রেস্ট দিয়ে সম্মানিত করা হয়।

» বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন সিলেট বিভাগের আলোচনা সভা

Published: ২৪. অক্টো. ২০২৬ | শনিবার

বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার সুরক্ষায় জাতিসংঘের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ : আলহাজ্ব আতাউর রহমান

নিউজ ডেস্কঃ

বিএমবিএএফ সিলেট বিভাগের সভাপতি ও জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান বলেছেন, বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা ও বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার সুরক্ষায় বিগত আট দশকে জাতিসংঘের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

বিশ শতকের দুটি বিধ্বংসী বিশ্বযুদ্ধের পরই মূলত বিশ্বশান্তির তাগিদ থেকে ১৯৪১ সালে সানফ্রান্সিসকো চুক্তির ধারাবাহিকতায় জাতিসংঘের যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে আন্তর্জাতিক এ সংস্থাটি কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বাংলাদেশের সাথে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরে আরও বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ১ কোটি শরণার্থীকে সহায়তা প্রদান, ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভ, ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি প্রদান এবং মিয়ানমারের সাথে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তিতে জাতিসংঘের ভূমিকা অপরিসীম।

এছাড়া ১৯৮৮ সাল থেকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের ১.৪৫ লক্ষাধিক সেনাসদস্য ও নারী পুলিশের অবদানের কথা বিশ্বের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টায় নগরীর জিন্দাবাজারস্থ বাংলাদেশ ওভারসীজ সার্ভিসেসের কনফারেন্স হলে ৮০তম জাতিসংঘ দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন (বিএমবিএএফ) সিলেট বিভাগের উদ্যোগে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

বিএমবিএএফ সিলেট বিভাগের সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং জাতীয় সদর দপ্তর, ঢাকার সমাজকল্যাণ সম্পাদক আলহাজ্ব মনসুর আহমদ লস্করের সভাপতিত্বে ও বিএমবিএএফ সিলেট বিভাগের সাধারণ সম্পাদক এবং জাতীয় সদর দপ্তর ঢাকার সিনিয়র সহকারী মহাসচিব মনোরঞ্জন তালুকদারের পরিচালনায় সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন, বিএমবিএএফ সিলেট বিভাগের উপদেষ্টা ও ফুলকলি ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেডের ডিজিএম জসিম উদ্দিন খন্দকার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, বিএমবিএএফ সিলেট বিভাগের সহ-সভাপতি ও সিলেট প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি এম এ হান্নান, বিএমবিএএফ সিলেট বিভাগের সহ-সভাপতি হাজী মো. আনোয়ার হোসেন, সহ-সভাপতি মো. মোছলেহ উদ্দিন এবং বিএমবিএএফ সিলেট জেলা কমিটির সভাপতি আশরাফুর রহমান চৌধুরী, সহ-সভাপতি শ্যামল চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক মো. খালেদ মিয়া, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. বেলাল উদ্দিন, মহিলা সম্পাদিকা শিরিন আক্তার চৌধুরী, প্রচার সম্পাদক মো. ইউসুফ সেলু, শিশু কিশোর সম্পাদক মোছাম্মৎ রুনা সুলতানা, নারী নেত্রী সাহেদা বেগম, জাওয়ারন্নেছা বেগম, আব্দুল ওয়াদুদ প্রমুখ।

Callender

October 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031