শিরোনামঃ-

» ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নে নির্ভুল তথ্য সংগ্রহ করতে হবে : সিসিক প্রশাসক

Published: ১৬. অক্টো. ২০২৬ | শুক্রবার

সিলেটে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট নগরীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী নগরের রাজারগলি এলাকায় ১, ২ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড সহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচি বিএনপি সরকারের অন্যতম নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল।

দায়িত্ব গ্রহণের পরই প্রধানমন্ত্রী এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

পর্যায়ক্রমে সারাদেশের প্রতিটি পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।

এর অংশ হিসেবে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৪২টি ওয়ার্ডের প্রতিটি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নে নির্ভুল তথ্য সংগ্রহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সঠিক তথ্য উঠে না এলে কোনো দরিদ্র পরিবার ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে পারে।

এ কারণে তথ্য সংগ্রহের জন্য উপযুক্ত কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে এবং তাদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

ডাটাবেজে তথ্য সংযুক্ত করার জন্য তথ্য সংগ্রহকারীদের ট্যাবও দেওয়া হয়েছে। তিনি তথ্য সংগ্রহকারীদের নির্ভুলভাবে তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দেন।

নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করে সিসিক প্রশাসক বলেন, বাংলাদেশের অতি দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

এ কারণে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে সবার সহযোগিতা করা উচিত।

সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তথ্য সংগ্রহ থেকে শুরু করে কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (অঞ্চল-৫) নূসরাত লায়লা নীরা, সিলেট জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. আব্দুর রফিক, ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি রায়হান উদ্দিন মুন্না, সহসভাপতি সৈয়দ রাজন আহমদ, সিনিয়র সহ সভাপতি এজাহারুল হক, সাধারণ সম্পাদক নজির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল মুনতাসের চৌধুরী, রাজার গলি সমাজকল্যাণ সংঘের সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম চৌধুরী, সিসিকের জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থ সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, শহর সমাজসেবা কার্যালয়ের সমাজসেবা অফিসার মোহাম্মদ শাহিনুর আলম।

» কারাতে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আত্মবিশ্বাসী প্রজন্ম গড়ে তুলতে হবে : সিসিক প্রশাসক

Published: ১৬. অক্টো. ২০২৬ | শুক্রবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, খেলাধুলা শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি তরুণদের শৃঙ্খলাবোধ, আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বিশেষ করে কারাতে প্রশিক্ষণ তরুণদের আত্মরক্ষার সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের শৃঙ্খলাবদ্ধ ও আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তুলতে সহায়তা করে।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত ৩য় জেলা সোতোকান কারাতে সেমিনার ও ড্যান গ্রেডিং (ব্ল্যাক বেল্ট) পরীক্ষা-২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, একটি সুস্থ, সুন্দর ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলার কোন বিকল্প নেই।

তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে পারলে তাঁদের মেধা ও প্রতিভার বিকাশ ঘটবে এবং তাঁরা বিভিন্ন ধরনের নেতিবাচক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকবে।

কারাতে সহ বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়াতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ক্রীড়া সংগঠনগুলোকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, সিলেটে ক্রীড়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। ক্রিকেটের পাশাপাশি কারাতে সহ অন্যান্য খেলাধুলায়ও সিলেটের খেলোয়াড়রা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভালো করার সক্ষমতা রাখেন।

প্রশিক্ষণ, প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ও পৃষ্ঠপোষকতা নিশ্চিত করা গেলে সিলেট থেকে আরও প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদ তৈরি হবে।

বাংলাদেশ ব্ল্যাক ড্রাগন মার্শালআর্ট একাডেমির ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত সেমিনারে তিনি আরও বলেন, খেলোয়াড়দের নিয়মিত অনুশীলন, কঠোর পরিশ্রম ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে।

শুধু প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ নয়, নিজেদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে।

একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ ও প্রতিযোগিতার সুযোগ তৈরি করতে সংশ্লিষ্টদের উদ্যোগী হতে হবে।

বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের রেফারি ও কারাতে কোচ এবং বাংলাদেশ ব্ল্যাক ড্রাগন মার্শালআর্ট একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. আবদুল্লাহ আমিন মাসুদের সভাপতিত্বে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামের ক্রীড়া ভবনে আয়োজিত সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য-সচিব রেজাউল করিম নাচন, বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের সহসভাপতি মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, জেলা ক্রীড়া অফিসার মো. নূর হোসেন, বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের সদস্য মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন ও সৈয়দ রুকনুজ্জামান রনি এবং বাংলাদেশ ব্ল্যাক ড্রাগন মার্শালআর্ট একাডেমির সাধারণ সম্পাদক মো. আফজাল আহমেদ।

» সিসিক পরিচ্ছনতা কর্মী হৃদয় হত্যার প্রতিবাদে নগরিতে সমাবেশ

Published: ১৬. অক্টো. ২০২৬ | শুক্রবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছনতা কর্মী হৃদয় কুমার হরিজন এর হত্যাকারী ইমন ও আমিন গংদের ফাঁসি ও নিহতের পরিবারকে আজীবন আয়ের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবিতে আজ শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১০টায় সিলেট সিটি পয়েন্টে সমাবেশ করে হরিজন ঐক্য কল্যাণ পরিষদ সিলেট জেলা।

সংগঠনের জেলা সভাপতি সুজন বাশঁফোর সভাপতিত্বে এবং বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা সাধারণ সম্পাদক মো. ছাদেক মিয়ার পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, নিহতের ছোট বোন নূপুর বাশঁফোর, স্ত্রী পিংকি বাশঁফোর, হরিজন ঐক্য কল্যাণ পরিষদ সিলেট জেলা সহ-সভাপতি জাফরু বাশঁফোর, সাধারণ সম্পাদক রাজু লাল, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সেহেলী রানী বাশঁফোর, সন্দীপ বাশঁফোর।

সমাবেশে সংহতি বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, যুগ্ম সম্পাদক রমজান আলী পটু, কোষাধ্যক্ষ আব্দুস সালাম।

নেতৃবৃন্দ বলেন, নিহত হৃদয় চার সন্তান ও তার পরিবার পরিজন নিয়ে অত্যান্ত মানবেতর জীবন যাপন করে আসছিল।

গত ১১ তারিখ রাত ৮টায় নিহত হৃদয়ের স্ত্রীর ছবি তোলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়।

হৃদয় পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি থাকায় বর্তমানে তার পরিবারের ব্যয় নির্বাহ করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।

সমাবেশ থেকে হৃদয়ের হত্যাকারী ইমন ও আমিন গংদের অতিদ্রুত গ্রেফতার করে সবোর্চ্ছ শাস্তি ফাঁসির দাবি জানান এবং নিহতের আজীবন আয়ের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদানের প্রেক্ষিতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করেন।

» সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বপ্নচূড়া ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

Published: ১৬. অক্টো. ২০২৬ | শুক্রবার

নিউজ ডেস্কঃ

অসহায়, এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ে সিলেটে প্রায় কয়েক শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেছে সামাজিক সংগঠন স্বপ্নচূড়া ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন, সিলেট।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সিলেটের উপশহরস্থ সাদারপাড়া এলাকায় এ শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রায় কয়েক শতাধিক শিক্ষার্থীর হাতে খাতা, কলম, পেন্সিল, রাবার, পরিক্ষার জন্য পিছবোর্ড ও অন্যন্য শিক্ষা সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

স্বপ্নচূড়া ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন সিলেটের সভাপতি সাংবাদিক মো. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে ও অর্থ সম্পাদক মাওলানা মো. মিজানুর রহমান এর তত্ত্বাবধানে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

শিক্ষা সামগ্রী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট সমাজসেবক কামরাম আহমেদ শাকেল, স্বপ্নচূড়ার সহ সভাপতি মো. হাফিজুর রহমান, সহ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজ তামিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আজিজ, দপ্তর সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান, প্রচার সম্পাদক সাকির আহমদ, সদস্য মাহি আহমদ, মাহফুজুর রহমান তালহা ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

এ সময় সভাপতি বলেন, অসহায় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ, তাদের পাশে দাঁড়ানো এবং মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে সামাজিক কর্মকাণ্ডে এগিয়ে রয়েছে স্বপ্নচূড়া ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন, সিলেট।

তাঁরা আরো বলেন, স্বপ্নচূড়া ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন, সিলেটের এ উদ্যোগকে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের কল্যাণে একটি মানবিক প্রয়াস হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এ ধরনের কার্যক্রম শিশুদের শিক্ষা গ্রহণে উৎসাহিত করার পাশাপাশি সমাজে মানবিকতা ও সহমর্মিতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মানবিক ও কল্যাণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয়ে কাজ করে যাচ্ছে স্বপ্নচূড়া ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন, সিলেট।

» নবগঠিত যুবদল কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে যুবদল বাগবাড়ীতে আনন্দ মিছিল, নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস

Published: ১৬. অক্টো. ২০২৬ | শুক্রবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে সিলেট নগরীর বাগবাড়ীতে আনন্দ মিছিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। নতুন কমিটিকে ঘিরে তাঁদের মধ্যে দেখা যায় উৎসাহ-উদ্দীপনা।

আনন্দ মিছিল শেষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট জেলা যুবদলের সাবেক গ্রামবিষয়ক সম্পাদক ময়নুল ইসলাম মিনু।

সভা পরিচালনা করেন, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা তাপস কান্তি দাস। এতে বক্তব্য দেন আব্দুল আলিম রাসেল।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মহানগর যুবদলের সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক আনোয়ার কাদির, সাবেক সিনিয়র সদস্য ফয়সল আহমেদ, সিনিয়র সদস্য জাহেদ আহমেদ, জেলা যুবদলের সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিন আহমেদ, মহানগর যুবদল নেতা লিটন আহমেদ, শহীদ ও ডালিম এবং যুবদল নেতা আব্দুল মান্নান, আশিকনুর ও রিয়াজ আহমেদ।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুববিষয়ক সম্পাদক শাহ নেওয়াজ, ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আলাল আহমেদ, ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সদস্যসচিব সাইফুল ইসলাম হিমেল, ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল আমিন, ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য জুয়েল আহমেদ, মহানগর যুবদলের সাবেক সহতথ্য, যোগাযোগ ও বিজ্ঞানবিষয়ক সম্পাদক সিরাজ উদ্দিন শাহনাজ, সাইবার ৭১-এর যুগ্ম আহ্বায়ক মফিজ আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আব্দুল মুতালেব, কোতোয়ালি স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মোতাল্লেব চৌধুরী, ৮ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মিজান উদ্দিন, ছাত্রদল নেতা মামুন আহমেদ এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য রাসেল আহমেদ।

কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন, ফয়সল, এরশাদ, রাহাত, রুকন, সুরাজ ও আলামিনসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

আনন্দ মিছিল ও আলোচনা সভায় অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা নবগঠিত জেলা ও মহানগর যুবদল কমিটিকে অভিনন্দন জানান।

পাশাপাশি সংগঠনকে আরও শক্তিশালী, সুসংগঠিত ও গতিশীল করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তাঁরা।

» কুমারী পূজা ও শতহস্তে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের প্রতিনিধি দল

Published: ১৬. অক্টো. ২০২৬ | শুক্রবার

নিউজ ডেস্কঃ

আজ শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের একটি প্রতিনিধি দল মহানগরীর শিববাড়ী জৈনপুরস্থ শ্রী শ্রী মহালক্ষী ভৈরবী গ্রীবাপীঠ ও শ্রী শ্রী সর্বানন্দ ভৈরব মন্দিরে মহামায়া পূজা মন্ডপের শারদীয় দুর্গাপূজার প্রস্তুতি পরিদর্শন করেন৷

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলার নেতৃত্বে এ পরিদর্শন টীমে ছিলেন, ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মলয় পুরকায়স্থ, মহালক্ষী গ্রীবাপীঠ এর সভাপতি শিবব্রত ভৌমিক চন্দন, সাধারণ সম্পাদক জনার্দন চক্রবর্তী, পূজা পরিষদ মহানগরের সহ-সভাপতি বিশ্বজিৎ গুণ, সাধারণ সম্পাদক চন্দন দাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক অরুন কুমার বিশ্বাস, কোষাধক্ষ হারাধন দেব প্রভাষ, আইন বিষয়ক সম্পাদক বিপ্লব কান্তি দে মাধব, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক অপন দাস, সহ শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সুমন চন্দ্র রায়, দক্ষিণ সুরমা থানা শাখার সভাপতি দীপঙ্কর দাস, মোগলা বজার থানা শাখার সভাপতি মনমোহন দেবনাথ, দক্ষিণ সুরমা থানা শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. নিখিল মালাকার মোগলাবাজার থানা সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ দাস, দক্ষিণ সুরমা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অখিল সরকার, মহামায়া পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি পরিতোষ কান্তি কর পিনাক, সাধারণ সম্পাদক শুভ্র দেব, উপদেষ্টা সুবোধ চন্দ, নিপেশ কান্ত দেব পিযুষ প্রমূখ।

নেতৃবৃন্দ কুমারী পূজার প্রস্তুতি সম্পর্কে ও মহামায়া পূজা মন্ডপের শতহাত দুর্গাপূজার প্রস্তুতি সম্পর্কে খোজ খবর নেন ও বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করেন।

তাঁরা যেকোন প্রয়োজনে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের মহানগর কমিটি ও ১১ সদস্য বিশিষ্ট মনিটরিং সেলের সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন।

» সুধীজনদের মিলনমেলা; সিলেটে জমকালো আয়োজনে কালবেলার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

Published: ১৬. অক্টো. ২০২৬ | শুক্রবার

‘কালোকে কালো বলার নীতিতে এগিয়ে যাচ্ছে কালবেলা’        

‘কালবেলা সময়কে ধারণ করে এগিয়ে যাচ্ছে’


‘কালবেলা মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করছে’

নিউজ ডেস্কঃ
জমকালো আয়োজন ও উৎসবমুখর পরিবেশে সিলেটে দৈনিক কালবেলার চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
সুধীজনদের মিলনমেলায় পরিণত হয় প্রতিষ্টাবার্ষিকীর আয়োজন।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে কালবেলার সিলেট কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের অভ্যর্থনা জানান কালবেলার সিলেট ব্যুরো প্রধান মিঠু দাস জয়। পরে অতিথিরা কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনের সূচনা করেন।
এর আগে সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী বলেন, কালবেলা ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে আমরা সংবাদমাধ্যমকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেখছি।
মানুষ নিজেদের মতামত প্রকাশ করতে পারছে, সমালোচনা করার সুযোগও পাচ্ছে। কালবেলার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই পত্রিকাটির সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা রয়েছে। আগামী দিনেও পত্রিকাটির অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, কালবেলা সময়কে ধারণ করতে পেরেছে বলে দিন দিন গ্রহনযোগ্যতা পাঠকের কাছে বাড়ছেই। সমাজের নিপিড়িত, নির্যাতিত, সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে আছে কালবেলা। কালবেলা আগামী দিনেও গণতন্ত্র ও সমাজের কল্যাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ সিদ্দিকী বলেন, বর্তমান সময়ে জনপ্রিয় পত্রিকা হিসেবে কালবেলা সংবাদ পরিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
সাদাকে সাদা, কালোকে কালো বলার নীতিতে এগিয়ে যাচ্ছে পত্রিকাটি। আমরা মনে করি, কালবেলার অনলাইন ও প্রিন্ট সংস্করণ সমানতালে এগিয়ে যাচ্ছে।
বিশেষ করে, কালবেলার অনলাইন সংস্করণ বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) চেয়ারম্যান কয়েস লোদী বলেন, সংবাদমাধ্যম সমাজের দর্পণ।
সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে তাঁরা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে দায়িত্ব পালন করতে পারেন। কালবেলা মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করবে বলে আমরা আশা করি। পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফল হোক।
সিলেটের জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, কালবেলার কাছে আমরা বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সংবাদ প্রত্যাশা করি।
সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে সমাজের সব পক্ষের বক্তব্য তুলে ধরা গুরুত্বপূর্ণ।
আশা করি, কালবেলা নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম হিসেবে মানুষের আস্থা অর্জন করে সামনে এগিয়ে যাবে।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার সারওয়ার মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, কালবেলার চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করছি। আমরা আশা করছি, পত্রিকাটি একসময় বাংলাদেশের শীর্ষ পর্যাযয়ে চলে যাবে।
সিলেট জেলার পুলিশ সুপার ড. জাবেদ চৌধুরী বলেন, বর্তমানে অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের অপব্যাখ্যামূলক ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায়।
এ পরিস্থিতিতে কালবেলা এসবের বাইরে গিয়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করছে। আশা করি সংবাদ মাধ্যমে এই গণমাধ্যমটি শীর্ষ স্থান ধরে রাখবে।

সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন বলেন, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে কালবেলা জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

সমাজের দর্পণ হিসেবে পত্রিকাটি এগিয়ে যাচ্ছে। আমি কালবেলার উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করছি।
ছাত্রশিবিরের সিলেট মহানগর সভাপতি শাহিন আহমদ বলেন, কালবেলার চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমাদের প্রত্যাশা, পত্রিকাটি আগামী দিনে তরুণ সমাজের সমস্যা, বেকারত্ব সহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সংকটগুলো নিয়ে আরও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও তথ্যচিত্র প্রকাশ করবে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, লিডিং ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মোহাম্মদ তাজউদ্দিন, সিলেট জেলা জামাত আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনারের দ্বিতীয় সচিব রাজেশ ভাটীয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মাহবুব ইকবাল, সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি মুকতাবিস উন নুর, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মইন উদ্দিন,সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) সুদীপ্ত রায়, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার (ডিসি উত্তর) মো. সাইফুল ইসলাম, নর্থইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক লিয়াকত শাহ ফরিদী, সিলেট ব্যাবসায়ী সমিতির সভাপতি আব্দুর রহমান রিপন, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের সিলেট ব্যুরো প্রধান শাহ দিদার আলম নবেল, ইমজার সাধারন সম্পাদক আনিস রহমান, সম্মিলিত নাট্য পরিষদের প্রধান পরিচালক শামসুল বাসিত শেরো, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও মদন মোহন সরকারি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক রজত কান্তি ভট্টাচার্য, সিলেট জেলা জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি মো. মনিরুল ইসলাম, সিলেট জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম টিপু, ধরা সিলেটের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম কীম, সিলেট ছাত্রশিবিরের সভাপতি শহিদুল ইসলাম সাজু, সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল বাছিত মোল্লা, দৈনিক যুগান্তরের ব্যুরো প্রধান সংগ্রাম সিংহ, দৈনিক যুগভেরীর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক অপূর্ব শর্মা,সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি হাসিনা বেগম চৌধুরী, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক রবি কিরণ সিংহ রাজেশ, সিলেট চেম্বার অব কমার্স এর নির্বাহী সচিব মোহাম্মদ গোলাম আক্তার ফারুক, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার মুহিবুর রহমান, কোতোয়ালি মডেল থানার সহকারী পুলিশ কমিশনার চৌধুরী ফেরদৌস জামিল, হিন্দু ধর্ম কল্যাণ ট্রাস্টের সাবেক ট্রাস্টি  ও সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি নীহার রঞ্জন দাস, কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি খান মোহাম্মদ মইনুর জাকির, সিলেট জেলার ডিআইও ১ মো. জাবেদ আলী, সিলেট জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক মনজুর হোসেন,সিলেট জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক লোকমান আহমদ, জেলা বিএনপি’র উপদেষ্টা মো. শওকত আলী, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বিএনপির সহ-সভাপতি শওকত আলী, মইনউদ্দিন আদর্শ মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক আলমগীর হোসেন, সিলেট মহানগর পুজা উদযাপন পরিষদের যুগ্ন সম্পাদক নন্দন চন্দ্র পাল, ডেইলিস্টারের ফটো সাংবাদিক শেখ নাসির, দৈনিক যুগান্তরের ফটো সাংবাদিক মামুন হাসান,বাংলা টিভির পার্সন এস আলমগীর, সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজিজ খান সজীব, সিলেট মহানগর বিএনপির সদস্য রাসেল আহমদ খান, কালের কন্ঠের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার আজাদুর রহমান, ব্যবসায়ী বিদ্যুৎ দাস, স্বপন সরকার, টিটু দাস, হিমেল রায়, শাবিপ্রবি প্রতিনিধি নাদির আহমেদ, গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি ফারহান মাসউদ আফসর, জকিগঞ্জ প্রতিনিধি সাইফুর রহমান, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি প্রান্ত, জৈন্তাপুর প্রতিনিধি রুয়েল আহমদ সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা, প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তরা ও বিভিন্ন শ্রেণী প্রেশার মানুষ।

» ধর্মীয় উৎসব আয়োজনে সব সম্প্রদায়ের পাশে থাকবে সিটি কর্পোরেশন : প্রশাসক

Published: ১৪. অক্টো. ২০২৬ | বুধবার

দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে আয়োজনে সিসিকের সর্বাত্মক প্রস্তুতি

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, ধর্মীয় উৎসব উদযাপনে সিলেট সিটি কর্পোরেশন সব সম্প্রদায়ের পাশে রয়েছে।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে নগরজুড়ে সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

পূজামণ্ডপগুলোর পরিচ্ছন্নতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানি ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনাসহ প্রয়োজনীয় সব বিষয়ে সিসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, মহালক্ষ্মী মন্দিরে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হবে।

এ পূজাকে কেন্দ্র করে বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম হবে। তাই নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মন্দির ও আশপাশের এলাকার পরিচ্ছন্নতা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে দক্ষিণ সুরমার মহালক্ষ্মী ভৈরবী গ্রীবা মহাপীঠে কুমারী পূজার প্রস্তুতি পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রশাসক বলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশন সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠানকে সমান গুরুত্ব দিয়ে দেখে।

ঈদুল আজহায় যেমন নগর পরিচ্ছন্ন রাখা ও বর্জ্য অপসারণে সিসিক দ্রুতগতিতে কাজ করেছে, তেমনি দুর্গাপূজার আগেও এবং পূজা চলাকালীন মন্দির ও পূজামণ্ডপগুলোতে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

পূজা শেষ হওয়ার পরও প্রয়োজন অনুযায়ী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, সিলেট নগরীতে ৮৫টি সর্বজনীন পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এসব মণ্ডপের পাশাপাশি ব্যক্তি উদ্যোগে আয়োজিত পূজাগুলোতেও যাতে কোন ধরনের সমস্যা না হয়, সে বিষয়েও সিটি কর্পোরেশন নজর রাখছে।

পূজার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করে পাঁচ দিন নিরবচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানি ব্যবস্থাপনা, বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনাসহ সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে বিশেষভাবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী কোনো পূজামণ্ডপে বা পূজা আয়োজনের ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দকে দ্রুত সিটি কর্পোরেশনকে জানানোর আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশনের হটলাইন সহ প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ রয়েছে।

পূজা চলাকালীন সময়ে সিসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন।

তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় উৎসব কোন নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের একার বিষয় নয়; এটি সবার উৎসব। জন্ম, ধর্ম বা পরিচয়ের কোনো ভেদাভেদ না করে নগরবাসীর সেবা করাই সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্ব।

তাই দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন করতে সিসিক সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে।

প্রশাসক বলেন, পূজামণ্ডপগুলোতে নগদ অর্থ সহায়তার পাশাপাশি রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজও করা হচ্ছে।

মন্দিরে মন্দিরে গিয়ে পূজার প্রস্তুতি সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি পূজামণ্ডপের আয়োজক ও সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোন ধরনের অসুবিধা বা প্রয়োজন দেখা দিলে দ্রুত সিটি কর্পোরেশনকে অবহিত করতে হবে।

একই সঙ্গে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে দুর্গাপূজা উদযাপনের আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সিটি কর্পোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন, মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি শিবব্রত ভৌমিক চন্দন, সাধারণ সম্পাদক জনার্দ্ধন চক্রবর্তী মিন্টু, সহ সভাপতি নারায়ণ চক্রবর্তী, চন্দন দাস ও মিন্টু দাস, কোষাধ্যক্ষ সঞ্জিত কর, উপদেষ্টা অধ্যাপক প্রতাপ চৌধুরী, দক্ষিণ সুরমা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নন্দন পাল, আন্তর্জাতিক সম্পাদক মনোজ তালুকদার, লাভলু দেব, নান্টু দাস, অহিভূষণ দেব, ৩০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম, ৩০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য গৌছ উদ্দিন পাপ্পু, শুভংকর দাস, নিরু দেব, সিসিকের সহকারী প্রকৌশলী সুমন চন্দ্র দেব প্রমুখ।

» সড়ক ও ড্রেন উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক

Published: ১৪. অক্টো. ২০২৬ | বুধবার

নিউজ ডেস্কঃ
৪২টি ওয়ার্ডের প্রতিটি সড়ককে উন্নয়নের নেটওয়ার্কে আনতে চাই
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৪২টি ওয়ার্ডের প্রতিটি সড়ককে পর্যায়ক্রমে উন্নয়নের নেটওয়ার্কে আনা হবে।

নগরের যেসব সড়কের উন্নয়ন এখনো হয়নি, সেগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উন্নয়ন কার্যক্রমের আওতায় নেওয়া হচ্ছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে নগরের ফাজিলচিশত খানবাড়ী সড়ক ও ড্রেনের উন্নয়নকাজ উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি সিলেটের উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করছেন।

তাঁর সহযোগিতায় নগরের বিভিন্ন এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।

ইতোমধ্যে অনেক সড়কের কাজ সম্পন্ন হয়েছে, অনেকগুলোর কাজ চলমান রয়েছে এবং বেশ কিছু সড়কের কাজ টেন্ডার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। পর্যায়ক্রমে ৪২টি ওয়ার্ডের সব সড়ক উন্নয়নের আওতায় আনা হবে।

তিনি বলেন, নগরের সড়ক উন্নয়নের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ড্রেন নির্মাণ ও সংস্কার করা হচ্ছে।

টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী উন্নয়নের লক্ষ্যে সড়ক নির্মাণে আরসিসি ব্যবহার করা হচ্ছে।

উন্নয়নকাজের মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ফাজিলচিশত খানবাড়ী সড়ক ও ড্রেনের কাজ আরসিসি দিয়ে সম্পন্ন করা হয়েছে।

ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে সড়ক ও ড্রেনের উন্নয়নকাজ উদ্বোধন শেষে এলাকাবাসীকে নিয়ে মোনাজাত করেন সিসিক প্রশাসক।

পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, নগরের উন্নয়ন কার্যক্রমে এলাকাবাসীর সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উন্নয়নকাজে কোনো ধরনের অনিয়ম বা ত্রুটি দেখা দিলে তা সংশ্লিষ্টদের জানানোর পাশাপাশি কাজের মান নিশ্চিত করতে স্থানীয়দেরও নজর রাখার আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মহসিন খান, হাসিব খান, ওয়ালী খান জাবেদ, ওয়াকিল খান পাবেদ, ওয়াসিফ খান, ইয়াজদান খান, ললিত আহমদ খান, সৈয়দ সাফেক মাহবুব, কায়ের চৌধুরী শাহান, বুরহান আফরোজ, আতিকুর রহমান পাপ্পু, রফিক খান, সাজ্জাদ আহমদ, তৌহিদ আহমদ, স্বাধীন, মেহদী হাসান বাবু, সেলিম আহমদ প্রমুখ।

পরে সিসিক প্রশাসক নগরের চালিবন্দরে কাষ্টঘর প্রধান সড়কের উন্নয়নকাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

এ সময় তিনি সড়কের আরসিসি ঢালাই কাজের উদ্বোধন করেন। উন্নয়নকাজ যথাযথ মান বজায় রেখে দ্রুত সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি।

এ সময় এলাকাবাসীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সড়কের উন্নয়নকাজ চলাকালে এলাকাবাসীকে সহযোগিতা করতে হবে এবং কাজের মান ও অগ্রগতি তদারকিতে স্থানীয়দেরও ভূমিকা রাখতে হবে।

এ সময় সিসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শামসুল হক পাটোয়ারীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

দুপুরে সিসিক প্রশাসক নগরের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের মুরাদপুর এলাকা পরিদর্শন করেন।

এ সময় তিনি মুরাদপুর প্রধান সড়কের উন্নয়নকাজ ঘুরে দেখেন এবং কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে তথ্য নেন।

পরে এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে সড়কের উন্নয়নকাজ নিয়ে তাদের মতামত ও প্রয়োজনের কথা শোনেন।

» সম্প্রসারিত নগর আধুনিকায়ন করতে চাই : সিসিক প্রশাসক

Published: ১৪. অক্টো. ২০২৬ | বুধবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সম্প্রসারিত নগরকে আধুনিক ও নাগরিকবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে পরিকল্পিতভাবে উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

সিসিকের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার আগে এসব এলাকা ইউনিয়ন পরিষদের অধীনে থাকাকালে এলজিইডি সর্বোচ্চ ৬ থেকে ৮ ফুট প্রশস্ত সড়ক নির্মাণ করেছে।

বর্তমানে নগরের অংশ হওয়ায় এসব এলাকায় ড্রেনসহ কমপক্ষে ২০ ফুট প্রশস্ত সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে ৩৭, ৩৮ ও ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের সামগ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও টেকসইকরণের লক্ষ্যে হোল্ডিং ট্যাক্স চালুকরণ সহ আনুষঙ্গিক বিষয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সিসিক প্রশাসক বলেন, নতুন ওয়ার্ডগুলোতে নগরের অন্যান্য এলাকার মতো সব ধরনের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

ইতোমধ্যে এসব এলাকায় অনেক সড়ক, ড্রেন ও স্ট্রিটলাইট স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে। কিছু কাজ চলমান রয়েছে এবং আরও কিছু কাজ টেন্ডার প্রক্রিয়ায় আছে।

ধারাবাহিকভাবে এসব উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করা হবে। বর্তমানে ৩৭, ৩৮ ও ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডে প্রায় ১১০ কোটি টাকার উন্নয়নকাজ চলমান রয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা টেকসই উন্নয়ন চাই। সড়কগুলো আরসিসি দিয়ে এমনভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে, যাতে দীর্ঘদিন যানবাহন চলাচলের উপযোগী থাকে।

এ জন্য সড়কের প্রশস্ততা কমপক্ষে ২০ ফুট করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

তেমুখী এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত সভায় আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, বিভিন্ন ইউনিয়নের অংশ সিলেট সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এসব এলাকার বাসিন্দারাও নগরের অন্যান্য এলাকার মতো সব ধরনের নাগরিক সুবিধা পাওয়ার অধিকার রাখেন।

সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে তাদের প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ২৭টি ওয়ার্ড নিয়ে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।

বর্তমানে এর সঙ্গে আরও ১৫টি ওয়ার্ড যুক্ত হয়েছে। কিন্তু ওয়ার্ডের সংখ্যা বাড়লেও সে অনুযায়ী সিসিকের নিজস্ব আয় বাড়েনি।

অথচ সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব আয় থেকেই উন্নয়ন কার্যক্রম ও নাগরিক সেবা পরিচালনা করতে হয়।

তাই নগরের উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা আরও সম্প্রসারণের জন্য সিসিকের নিজস্ব আয় বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

সিসিক প্রশাসক নগরবাসীকে নিয়মিত হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন কার্যক্রমে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

সিসিকের সচিব মো. আশিক নূরের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন, সিসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, সিলেট জেলা বিএনপির সহসভাপতি শহিদ আহমদ এবং সাবেক কাউন্সিলর আলতাফ হোসেন সুমন ও ফাতেমা বেগম।

সভায় ৩৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি রাজু মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক কাহির মিয়া, ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক শাহজাহান মিয়া ও সদস্য সচিব রিয়াজ আহমদ সুমন, ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি এনামুল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ফখর উদ্দিন সহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সিসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস, সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

» স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান

Published: ১৪. অক্টো. ২০২৬ | বুধবার

নিউজ ডেস্কঃ

মেধা, সৃজনশীলতা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের কৃতিত্বের স্বীকৃতি দিতে স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) কলেজের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।

এ ছাড়া বিজ্ঞান মেলায় বিজয়ীদের পুরস্কার হিসেবে প্রাইজমানি প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শিক্ষা শুধু পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; জ্ঞান, সৃজনশীলতা, নৈতিকতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জনের মধ্য দিয়েই একজন শিক্ষার্থী প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে।

প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মধ্যেই রয়েছে অপার সম্ভাবনা। সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের যোগ্য, দক্ষ ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আজকের ছোট্ট একটি অর্জনই আগামী দিনের বড় সাফল্যের ভিত্তি হতে পারে।

তাই শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন দেখতে হবে, কঠোর পরিশ্রম করতে হবে এবং ব্যর্থতাকে সাফল্যের সোপান হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।

অর্জিত সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল ও কৃতিত্ব অর্জনে সবাইকে সচেষ্ট থাকতে হবে।

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, কলেজ শাখার ইনচার্জ প্রভাষক কাজী সাখাওয়াত হোসেন এবং সঞ্চালনা করেন, আয়োজন কমিটির আহ্বায়ক প্রভাষক হাসান শাহরিয়ার মজুমদার। এসময় কলেজের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কলেজের বিভিন্ন বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতাগুলোর মধ্যে ছিল বিজ্ঞান মেলা, গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ও রসায়ন অলিম্পিয়াড, ইংলিশ স্পেলিং বি, বাংলাবিদ, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা এবং সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতা।

এসব প্রতিযোগিতায় জুনিয়র, ইন্টারমিডিয়েট ও সিনিয়র গ্রুপের শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে।

» বিশ্বনাথে প্রবীণ ব্রিটিশ নাগরিকের ১৭০ শতক জমি দখলের অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে

Published: ১৪. অক্টো. ২০২৬ | বুধবার

বিশ্বনাথ প্রতিনিধিঃ

সিলেটের বিশ্বনাথে প্রবীণ বাংলাদেশ বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক ৮০ বছর বয়সী আরিফুন নেছার ক্রয়কৃত ১৭০ শতক বসতবাড়ি ও কৃষি জমি জোরপূর্বক দখল করে রাখার অভিযোগ উঠেছে তাঁর আপন ভাতিজা ও স্থানীয় যুবদল নেতা কয়েছ আহমদ কালার বিরুদ্ধে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিএমজেএ), সিলেট বিভাগীয় কমিটির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে এই অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী আরিফুন নেছা।

অভিযুক্ত কয়েছ আহমদ কালা বিশ্বনাথ থানার ৬নং বিশ্বনাথ ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সিলেট জেলার বিশ্বনাথ থানাধিন ৬নং বিশ্বনাথ ইউনিয়নে পূর্ব শ্বাসরাম গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা আরিফুন নেছা জানান, তাঁর স্বামী আব্দুল মজিদ (মাস্টার মজিদ), ছেলে ও মেয়েরা দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে ও যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন।

বিশ্বনাথ থানাধীন শ্বাসরাম মৌজার ১নং বহি, ৭২নং জেএল এবং ১০৫৬ নং দলিলভুক্ত ১৭০ ডেসিমেল জায়গা-জমি ও বসতবাড়ি রয়েছে তাঁদের। প্রবাসে থাকার কারণে এই বিপুল সম্পত্তি দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তাঁর ভাই মরহুম ফরিদ মিয়াকে।

২০০১ সালের ৫ আগস্ট আরিফুন নেছার মেয়ে মিনা বেগম মামা ফরিদ মিয়ার কাছ থেকে বসতবাড়িসহ উক্ত ভূমি ক্রয় করেন।

পরবর্তীতে ২০১৭ সালে সাফকবালা দলিলের মাধ্যমে সেই সম্পত্তি পুনরায় আরিফুন নেছার নামে হস্তান্তর করা হয়।

২০০১ সালে ফরিদ মিয়ার মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে ও ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি কয়েছ আহমদ কালা উক্ত সম্পত্তি দেখভালের দায়িত্ব পান।

আরিফুন নেছা অভিযোগ করেন, ১৯৯৪ সালে তাঁর মেয়ে মিনা বেগমের সাথে কয়েছের ভাই কয়ছর মিয়ার বিয়ে হয়েছিল এবং ৭ বছর পূর্বে তাঁদের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে।

কয়েছ কালা ২০২৪ সালের মে মাস থেকে সম্পত্তি দেখভালের দায়িত্বে থাকলেও, ভাইয়ের বিবাহ বিচ্ছেদের পারিবারিক আক্রোশ থেকে পরবর্তীতে রাজনৈতিক ও দলীয় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে পুরো বসতবাড়ি ও জমি অবৈধভাবে দখল করে নেন।

ভুক্তভোগী প্রবীণ নারী জানান, বিগত ৯ মাস পূর্বে তিনি লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন। গত ১ জুলাই ২০২৬ তারিখ বিকেলে তিনি নিজ বসতবাড়িতে প্রবেশ করতে গেলে ভাতিজা কয়েছ আহমদ কালা (৩৫), ভাতিজি আছমা (৩৬) ও রাহেলা (৩২) এবং ভাবী ছগিরা খাতুন (৬৫) জোরপূর্বক তাঁকে বাধা দেন এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও অপদস্থ করেন।

বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ৮নং ওয়ার্ডের ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিনিধি সামছুদ্দিন শানু (ইউনিয়ন মেম্বার) ও স্থানীয় বিএনপি সভাপতি জামাল উদ্দিন সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে বিচার-শালিস অনুষ্ঠিত হলেও প্রভাবশালী বিবাদীরা শালিস অমান্য করে এবং জমি দখল বহাল রাখে।

আরিফুন নেছা বলেন, বর্তমানে আমি নিজ বাসায় ঢুকতে গেলে বিবাদীরা আমাকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। থানা পুলিশ সরজমিনে তদন্তে গেলে কয়েছ যুবদল সভাপতির পরিচয় দিয়ে পুলিশকেও ফিরিয়ে দেয়।

বর্তমানে আমি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এই পরিস্থিতিতে তিনি অনতিবিলম্বে বেআইনি দখলদারদের হাত থেকে নিজ সম্পত্তি উদ্ধার এবং একজন ৮০ বছরের বৃদ্ধ প্রবাস ফেরত নারী হিসেবে নিজ বাড়িতে নিরাপদে বসবাসের সুযোগ করে দিতে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আশু হস্তক্ষেপ ও বিচার দাবি করেছেন।

Callender

October 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031