- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে : খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির
- সিলেটে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
- বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেট মহানগর তাঁতীদলের র্যালি ও আলোচনা সভা
- বঙ্গবীর ওসমানীর ১০৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় জনতা পার্টির শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ
- সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সপ্তাহ শুরু
- নতুন আঙ্গিকে যাত্রা শুরু উৎসব রেষ্টুরেন্ট’র
- সিলেটে তেমুখীতে জামায়াতের সহযোগী সদস্য সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন
- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নজরে আনলেন এমপি এমরান পুলিশ কমিশনারকে সুষ্ঠু তদন্তের নির্দেশ সিলেটের আলোচিত ট্রিপল মার্ডার
- সিলেট ঐতিহ্যগতভাবেই ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নগরী : সিসিক প্রশাসক
- জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে সম্মানিত সাংবাদিকবৃন্দকে সাদর আমন্ত্রণ
» প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে : খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির
Published: ০১. সেপ্টে. ২০২৬ | মঙ্গলবার
সিলেট মহানগর বিএনপির বিশাল প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী র্যালি
নিউজ ডেস্কঃ
“গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দীর্ঘ লড়াই শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন এক নতুন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের শিল্প, বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাটখাতকে বিশ্বদরবারে আরও শক্তিশালী ও স্বনির্ভর করতে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।”
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নগরীর ঐতিহাসিক রেজিস্টারি মাঠে সিলেট মহানগর বিএনপি আয়োজিত র্যালি পূর্ববর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন, সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য এবং বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
সমাবেশে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আরও বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে লক্ষ্য ও জাতীয়তাবাদী চেতনা নিয়ে ১৯৭৮ সালে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, জনগণের সীমাহীন ভালোবাসায় আজ সেই আদর্শ আরও সুদৃঢ় হয়েছে।
বিগত দিনগুলোতে ফ্যাসিবাদের হাত থেকে গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে গিয়ে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর যে নজিরবিহীন জুলুম, অত্যাচার ও নির্যাতন চলেছে, সিলেটের মাটি ও মানুষের কর্মীরা রাজপথে থেকে তার দাঁতভাঙা জবাব দিয়েছে। আমরা এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার এবং ভেতরের অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি সংকট কাটিয়ে একটি শিল্পবান্ধব বাংলাদেশ বিনির্মাণের দিকে এগোচ্ছি।
দেশীয় পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ, রপ্তানি বৃদ্ধি ও বেকারত্ব দূরীকরণে তরুণ সমাজকে উদ্যোক্তা হিসেবে এগিয়ে আসতে হবে।
এই ক্রান্তিকালে দলমত নির্বিশেষে নতুন ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীর পরিচালনায় র্যালি ও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের শামীম, বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক, কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ্ সিদ্দিকী, সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম, সিলেট মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি ডাক্তার নাজমুল ইসলাম, সহ-সভাপতি জিয়াউল গণি আরেফিন জিল্লুর, সহ-সভাপতি সৈয়দ মঈনুদ্দিন সোহেল, সহ-সভাপতি সুদীপ সেন বাপ্পু, সহ-সভাপতি ডাক্তার আশরাফ আলী, সহ-সভাপতি আব্দুর রহিম মল্লিক, সহ-সভাপতি আফজাল উদ্দিন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নজিবুর রহমান নজিব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোর্শেদ আহমদ মুকুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম মজুমদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর হক চৌধুরী মাহবুব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মির্জা বেলায়েত হোসেন লিটন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শুয়াইব আহমদ শুয়েব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াহিদ সুহেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনজুরুল হাসান মঞ্জু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউল বারী খোরশেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাদির খান, নির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ সাফেক মাহবুব, জেলা যুবদলের সভাপতি এডভোকেট মুমিনুল ইসলাম মুমিন প্রমুখ।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে নাসিম হোসাইন বলেন, “আজকের এই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া এবং অবিরাম বৃষ্টিও বিএনপির প্রতি মানুষের ভালোবাসাকে আটকে রাখতে পারেনি।
প্রতিকূল পরিবেশ উপেক্ষা করে ৪২টি ওয়ার্ডের হাজার হাজার নেতাকর্মী প্রমাণ করেছেন সিলেট হচ্ছে ধানের শীষের অভেদ্য দুর্গ। শহীদ জিয়ার আদর্শ এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্ব আজ প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে গেছে।
স্বৈরাচারী শক্তির পতন হলেও তাদের দোসররা এখনো নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তাই যেকোনো ধরনের চক্রান্ত রুখে দিতে মহানগর বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সজাগ পাহারাদারের ভূমিকা পালন করতে হবে।
সমাবেশ সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, আজকের এই বিশাল ঐতিহাসিক জনসমুদ্র প্রমাণ করে বিএনপি জনগণের দল।
শত বাধা-বিপত্তি ও ঝড়-বৃষ্টির মধ্যেও ৪২টি ওয়ার্ড থেকে যেভাবে সুশৃঙ্খল মিছিল নিয়ে শত শত নেতাকর্মী ব্যানারসহ উপস্থিত হয়েছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।
আমাদের এই সুশৃঙ্খল অগ্রযাত্রাই প্রমাণ করে সিলেটে বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি কতটা সুসংহত। আমরা অতীতের সব ভেদাভেদ ভুলে আমাদের নেতা তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে ঐক্যবদ্ধ। দেশের উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে আমাদের এই ঐক্য বজায় থাকবে।
সমাবেশ শেষে রেজিস্টারি মাঠ থেকে এক বিশাল বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া ও বৃষ্টির মধ্যেও সিলেট মহানগর বিএনপির অধীনস্থ ৪২টি ওয়ার্ডের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা পৃথক পৃথক ব্যানার ও ফেস্টুন সহকারে মিছিল নিয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে র্যালিতে অংশগ্রহণ করেন।
স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত র্যালিটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করে।
র্যালিতে মহানগর বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, কৃষক দল, তাঁতি দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
» সিলেটে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
Published: ০১. সেপ্টে. ২০২৬ | মঙ্গলবার
জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম উন্নয়নের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করেন
নিউজ ডেস্কঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এমপি বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে প্রথম বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।
তিনি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন। একই সঙ্গে তিনিই বাংলাদেশে প্রথম উন্নয়নের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করেন।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেট জেলা বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে শহীদ জিয়াউর রহমান একজন ক্ষণজন্মা পুরুষ।
১৯৭১ সালে বিএনপির প্রতিষ্ঠা না হলেও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক ভূমিকার সূচনা হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে।
তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং তাঁর আহ্বানে এ দেশের ছাত্র-জনতা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে দেশ স্বাধীন করে।
তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালে দেশ যখন আবারও পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ হওয়ার আশঙ্কার মুখে পড়েছিল, তখন ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে মেজর জিয়াউর রহমান দেশকে সেই সংকট থেকে রক্ষা করেন। পরবর্তীতে তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের উন্নয়নের রাজনীতির সূচনা করেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে শহীদ জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই তাঁর রাজনীতিতে হাতেখড়ি হয়েছিল। জীবনের এই পর্যায়ে এসে তিনি গর্ববোধ করেন যে, বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়া তাঁর জীবনের অন্যতম সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল।
আলোচনা সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এবং বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এমন এক সময়ে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যখন বাংলাদেশ আদৌ টিকে থাকবে কি না- তা নিয়ে বিশ্ববাসীর মধ্যে নানা আশঙ্কা ছিল।
তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর অত্যন্ত স্বল্প সময়ের মধ্যে জিয়াউর রহমান একটি প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত দেশকে ঘুরে দাঁড় করানোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন।
তাঁর পররাষ্ট্রনীতিও ছিল অত্যন্ত দূরদর্শী। স্বল্প সময়ের মধ্যেই তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা সুদৃঢ় করতে সক্ষম হন।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, কৃষি, শিল্পসহ দেশের প্রায় প্রতিটি খাতে জিয়াউর রহমানের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ছোঁয়া লেগেছিল।
তাঁর সময় বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে যায় এবং চাল রপ্তানি শুরু করে। দেশের মানুষের কল্যাণ ও উন্নয়নের জন্য তাঁর নেওয়া উদ্যোগগুলো আজও গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের অনুসারী হিসেবে তাঁর আদর্শ ও মর্যাদা সমুন্নত রেখে মানুষের জন্য কাজ করে যেতে হবে।
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর পিতা ও মায়ের মতোই বড় চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে দেশের উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশকে একটি ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে।
দেশের মানুষ বিপুল প্রত্যাশা নিয়ে বিএনপিকে যে ম্যান্ডেট দিয়েছে, সেই প্রত্যাশা পূরণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
স্বাগত বক্তব্যে সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রধান সিপাহসালার হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিএনপির নেতাকর্মীদের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।
তিনি বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পর একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিএনপি জনগণের বিপুল ম্যান্ডেট নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশ গঠনের জন্য নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দিচ্ছেন।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, আমরা তাঁর সৈনিক হিসেবে আগামী দিনে সিলেট সিটি কর্পোরেশনসহ পুরো সিলেটের উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে আরও গতিশীল করতে কাজ করব।
সিলেটের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরও এগিয়ে নেওয়া হবে।
সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী এমপির সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন, সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবদুল মালিক, বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ্ সিদ্দিকী, বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্ষুদ্র ঋণবিষয়ক সহসম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক, সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী এবং মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী।
» বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেট মহানগর তাঁতীদলের র্যালি ও আলোচনা সভা
Published: ০১. সেপ্টে. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে সিলেটে আনন্দ র্যালি ও আলোচনা সভা করেছে সিলেট মহানগর তাঁতীদল।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় নগরীর বন্দরবাজার এলাকা থেকে এক বর্ণাঢ্য আনন্দ র্যালি বের করা হয়।
র্যালিটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ঐতিহাসিক রেজিস্ট্রি মাঠে গিয়ে শেষ হয়। র্যালির পূর্বে নগরীর রংমহল টাওয়ারের সামনে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সিলেট মহানগর তাঁতীদলের আহ্বায়ক কয়েস আহমদের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব আমিনুল হক বেলালের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, তাঁতীদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ও সিলেট জেলার আহ্বায়ক ফয়েজ আহমদ দৌলত।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বিএনপির ইতিহাস ও ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরে বলেন, দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষায় জাতীয়তাবাদী শক্তির উত্থান ঘটেছিল বিএনপির প্রতিষ্ঠালগ্নে।
সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে মেহনতী ও শ্রমজীবী মানুষকে সাথে নিয়ে দেশ পুনর্গঠনে তাঁতীদল রাজপথে ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করে যাবে।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মহানগর তাঁতীদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জসিম উদ্দিন, যুগ্ম আহ্বায়ক রাহুল হোসেন শাহের, নুরুল ইসলাম, মনু মিয়া, ইসমাইল হোসেন, আমির হাসান শামীম, সিদ্দিক আহমেদ, শফিকুল হাসান এবং মহানগর সদস্য ইয়াসিন আহমদ, শাহপরান থানার আহ্বায়ক মুর্শেদ আহমদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রিনুক আহমদ, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মতিন ও আরজূ খান; কোতোয়ালী থানার আব্দুল জলিল; বিমানবন্দর থানার মুমিন আহমেদ ও কয়েস মিয়া এবং জালালাবাদ থানার রায়সুল হক, আসিকুর রহমান ও মিসির আলি।
সমাবেশ শেষে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করে নেতা-কর্মীরা র্যালিতে অংশ নেন।
» বঙ্গবীর ওসমানীর ১০৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় জনতা পার্টির শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ
Published: ০১. সেপ্টে. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
জাতীয় জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক, বঙ্গবীর জেনারেল মুহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানীর ১০৮তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করেছে পার্টির জাতীয় কমিটি ও সিলেট বিভাগ, জেলা ও মহানগর শাখা।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাদ যোহর হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার প্রাঙ্গণে জাতীয় জনতা পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ এডভোকেট মো. নুরুল ইসলাম খানের পূত্র পার্টির চেয়ারম্যান ও সূূপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী তাহমিনুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে ওসমানীর সমাধিতে পূস্পস্তবক অর্পণ, জিয়ারত ও মাজার মসজিদে মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় কমিটির মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযুদ্ধা কাজী গোলাম মর্তুজা, জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, গণদাবী পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক শফিকুর রহমান, সিলেট বিভাগীয় সমন্বয়কারী ও সিলেট জেলা কমিটির সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক আকলিছ আহমদ চৌধুরী, সহ-সভাপতি দেলওয়ার হোসেন খান, মহানগরের সভাপতি মো. শফিকুর রহমান, প্রফেসর আব্দুল মুহিত, সেলিম আহমদ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বকুল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক তুহিন আহমদ খান, দপ্তর সম্পাদক কিরণ দেব নাথ, মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমদ চৌধুরী, আমিরুল ইসলাম চৌধুরী এহিয়া, জাকারিয়া তালুকদার, ইউছুফ শেলু, আব্দুল ওয়াদুদ, এমএজি ওসমানীর গাড়ি চালক বীর মুক্তিযোদ্ধা খলিলুর রহমান, মহানগর দপ্তর সম্পাদক আব্দুর রহিম, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনি সহায়তাকারী সংস্থার সিলেট আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি আবু সাঈদ সবুজ, সহ-সভাপতি জাবেদ হোসেন, সংগঠনিক সম্পদক সুহেল আহমদ, যুগ্ম সম্পাদক সুমন শিকদার ও আমির হোসেন, দপ্তর সম্পাদক কামরুল আহমদ প্রমুখ।
দোয়া পরিচালনা করেন, মাওলানা আবু ইউসুফ চৌধুরী ও হাফিজ আব্দুস সালাম।
জাতীয় জনতা পার্টির চেয়ারম্যান ও সুপ্রীম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী এডভোকেট তাহমিনুল ইসলাম খান দোয়া মাহফিল পূর্ব আলোচনা সভায় বলেন, জেনারেল ওসমানী মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়কের দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে জাতিকে সংগঠিত করে স্বাধীনতার মহান বিজয়ের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
তাঁর সূদক্ষ্য রণকৌশলে দেশ মাত্র নয় মাসে স্বাধীনতা লাভ করে।
আমরা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি মুক্তিযুদ্ধের সর্রবাধিনায়, বঙ্গবীর, জেনারেল মহাম্মদ আতাউল গণী ওসমানী সহ সকল সেক্টর কামান্ডার, মুক্তিযুদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের এবং গণতন্ত্র রক্ষায় আত্মোৎসর্গকারী সকল শহীদকে।
তিনি সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, দেশের অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া জরুরি।
জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে গণতন্ত্র ও উন্নয়ন কোনোটিই টিকবে না।
আমরা উদ্বিগ্ন, দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান অবনতির পথে রয়েছে, যেখানে শিক্ষার চেয়ে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
দেশব্যাপী বিদ্যুৎ বিভ্রাট, তেল গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য জনগনের নাগালের বাইরে চলে গেছে,শিশু ধর্ষণ, বলাতকার বেড়ে গেছে এসব বিষয়ে প্রতিকারের জন্য সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।
বঙ্গবীর ওসমানীর সব স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করে শিক্ষার মান উন্নয়ন ও রাজনৈতিক প্রভাব হ্রাস করাই প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ।
জাতীয় জনতা পার্টি বিশ্বাস করে, বঙ্গবীর ওসমানীর স্বপ্ন ছিল সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা।
তাই নির্বাচন এলাকাভিত্তিক হতে হবে ব্যক্তির ইমেজের ভিত্তিতে, যাতে যোগ্য ও সৎ প্রার্থীরা নির্বাচিত হন। তাঁরা সংসদে গিয়ে নিজ নিজ দল বেছে নেবেন।
এ ব্যবস্থায় মনোনয়ন বাণিজ্য ও দুর্নীতিবাজদের দৌরাত্ম্য বন্ধ হবে, বড় দলের অযাচিত প্রভাব কমবে এবং গণতন্ত্র জনগণের প্রকৃত অধিকারভিত্তিক হবে।
তিনি বিগত নির্বাচনে জাতীয় জনতা পার্টিকে নিবন্ধন না দিয়ে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে না দেয়ায় কড়া প্রতিবাদ জানান।
» সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সপ্তাহ শুরু
Published: ০১. সেপ্টে. ২০২৬ | মঙ্গলবার
চিকিৎসক পেশার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চা শিক্ষার্থীদের গুণাবলি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. ফজলুর রহিম কায়সার
নিউজ ডেস্কঃ
হলি সিলেট হোল্ডিং লিমিটেড-এর পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. ফজলুর রহিম কায়সার বলেছেন, চিকিৎসা পেশা অত্যন্ত দায়িত্বশীল ও মানবিক একটি পেশা।
একজন ভালো চিকিৎসক হতে হলে একাডেমিক জ্ঞানের পাশাপাশি মানসিকভাবে সুস্থ, আত্মবিশ্বাসী ও মানবিক গুণাবলিসম্পন্ন হতে হবে। নিয়মিত খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চা শিক্ষার্থীদের সেই গুণাবলি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তিনি বলেন, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আমি আশা করি, শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের পাশাপাশি খেলাধুলার সৌহার্দ্য ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধকে ধারণ করবে এবং ভবিষ্যতে চিকিৎসাসেবায় নিজেদের দক্ষতা ও মানবিকতাকে কাজে লাগাবে।
শিক্ষার্থীদের মানসিক প্রশান্তি, সৃজনশীলতা ও পারস্পরিক বন্ধন দৃঢ় করতে নিয়মিত ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের আয়োজন করা প্রয়োজন।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে নগরীর মিরবক্সটুলাস্থ কলেজের অডিটোরিয়ামে জমকালো আয়োজনে সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজে সপ্তাহব্যাপী ‘বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সপ্তাহ’ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
অনুষ্ঠানটি আগামী ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কলেজ ক্যাম্পাস ও সংশ্লিষ্ট ভেন্যুগুলোতে অনুষ্ঠিত হবে।
সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল অধ্যাপক ডা. শাহানা ফেরদৌস চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল অধ্যাপক ডা. তহুর আবদুল্লাহ চৌধুরী, একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর ও স্পোর্টস ও কানচারাল কমিটির কনভেনর অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আল-মোহাইমিন, অধ্যাপক ডা. মাহবুবা উম্মে সালাম, অধ্যাপক ডা. রুবিনা সুলতানা, অধ্যাপক ডা. সখিনা খাতুন, অধ্যাপক ডা. সিদ্ধার্থ পাল, অধ্যাপক ডা. সুমা বেগম, অধ্যাপক ডা. তাহারাত ফাতেমা চৌধুরী, ডা. এহসান আলী দীপু, স্পোর্টস ও কানচারাল কমিটির সদস্য সচিব ডা. মোর্শেদা আফরোজ লুবনা, ডা. মো. সাইফুল ইসলাম, ডা. জিলওয়াতুন নূর, ডা. এ.টি.এম রাসেল মিশু, ডা. তাফহীম আহমেদ রিফাত, ডা. মৃদুল গুপ্ত, ডা. ইশফাক জামান সজীব, ডা. সাইফুল ইসলাম তুষার, ডা. ইফফানা আযম, ডা. ফাতেমাতুল তানজিনা তান্নি সহ কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসক, শিক্ষার্থী এবং সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
মেডিকেল শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ, শারীরিক সুস্থতা এবং সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করতে এ ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সপ্তাহের আয়োজন করা হয়েছে।
সপ্তাহব্যাপী এ আয়োজনে বহিরাঙ্গন ও আন্তঃকক্ষ খেলাধুলার পাশাপাশি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
উদ্বোধনী দিনে কলেজের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও চিকিৎসকদের অংশগ্রহণে এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
আগামী ৭ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনার পর বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ার মাধ্যমে উৎসবটির সমাপ্তি ঘটবে।
» নতুন আঙ্গিকে যাত্রা শুরু উৎসব রেষ্টুরেন্ট’র
Published: ০১. সেপ্টে. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের প্রাণকেন্দ্র নাইওরপুলে মানসম্পন্ন ও মুখরোচক খাবারের এক নতুন ঠিকানা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করল ‘উৎসব রেষ্টুরেন্ট’।
‘উন্নতমানের পরিবেশে মানসম্পন্ন খাবারের নিশ্চয়তা’– এই মূলমন্ত্র ও শ্লোগানকে সামনে রেখে এক উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে রেস্টুরেন্টটির আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন সম্পন্ন হয়েছে।
নগরীর ব্যস্ততম ও পরিচিত এলাকা নাইওরপুলে অবস্থিত এই রেস্টুরেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে রেষ্টুরেন্টের উদ্বোধন করেন, দরগাহে হযরত শাহজালাল (রহ.) মসজিদের ইমাম হাফিজ মাওলানা আসজাদ আহমদ বিশেষ দোয়া ও মুনাজাতের মাধ্যমে এর আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন।
মুনাজাতে প্রতিষ্ঠানটির সাফল্য, সমৃদ্ধি ও গ্রাহকসেবার মান যেন বজায় থাকে, সেই মঙ্গল কামনা করা হয়।
ভোজনরসিকদের রুচি ও চাহিদার কথা মাথায় রেখে উৎসব রেষ্টুরেন্টে রাখা হয়েছে আধুনিক ও সুসজ্জিত পরিবেশ।
বাংলা খাবারের ঐতিহ্যকে প্রাধান্য দিয়ে এখানে থাকছে হরেক রকমের সুস্বাদু ও মুখরোচক বাংলা খাবারের সুব্যবস্থা। ঘরোয়া স্বাদ ও গুণগত মান নিশ্চিত করাই এই রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষের মূল লক্ষ্য।
রেস্টুরেন্টের এই বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী আয়োজনে সিলেটের রাজনৈতিক, সামাজিক, ব্যবসায়ী ও পেশাজীবী সংগঠনের স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ বিপুল সংখ্যক ভোজনরসিক শুভানুধ্যায়ী উপস্থিত ছিলেন।
আমন্ত্রিত অতিথিরা রেস্টুরেন্টের দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ, চমৎকার বিন্যাস এবং পরিবেশনার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, উৎসব রেষ্টুরেন্ট নগরবাসীর প্রিয় খাদ্যতালিকায় শীর্ষ স্থান করে নেবে।
» সিলেটে তেমুখীতে জামায়াতের সহযোগী সদস্য সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন
Published: ০১. সেপ্টে. ২০২৬ | মঙ্গলবার
জামায়াত ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে : মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম
জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেছেন, একজন মুমিনের সফলতা শুধু দুনিয়াবি অর্জনে নয়; প্রকৃত সফলতা হলো আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য জীবন গড়ে তোলা।
তিনি বলেন, দুনিয়ার জীবন ক্ষণস্থায়ী; একদিন প্রত্যেক মানুষকে এই পৃথিবী ছেড়ে আল্লাহর দরবারে ফিরে যেতে হবে।
তিনি মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিলেট নগরীর তেমুখী পয়েন্টে মহানগরীর জালালাবাদ থানার ৩৮নং ওয়ার্ড জামায়াতের উদ্যোগে সহযোগি সদস্য সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।
৩৮নং ওয়ার্ড সভাপতি প্রভাষক দুলাল আহমদের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মাওলানা হোসাইন আহমদের পরিচালনায় সহযোগি সদস্য সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সিলেট মহানগরীর সভাপতি এডভোকেট জামিল আহমদ রাজু, জালালাবাদ থানা আমীর ক্বারী আ.স.ম আলা উদ্দীন ও মহানগর উলামা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার।
বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, ওয়ার্ডের সহ-সভাপতি মাওলানা ওসমান গণি, মাস্টার গোলজার আহমদ ও সহকারী সেক্রেটারি হাফিজ ইমরান আহমদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, প্রত্যেক মানুষকে মনে রাখতে হবে, আজ যে ক্ষমতা ও সুযোগ আমাদের হাতে, একদিন তারও হিসাব দিতে হবে। তাই আল্লাহভীতি, আমানতদারি, ন্যায় ও ইনসাফকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ধারণ করতে হবে।
» স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নজরে আনলেন এমপি এমরান পুলিশ কমিশনারকে সুষ্ঠু তদন্তের নির্দেশ সিলেটের আলোচিত ট্রিপল মার্ডার
Published: ০১. সেপ্টে. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটে আলোচিত ট্রিপল মার্ডারের প্রকৃত রহস্য উন্মোচন ও জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) কমিশনারকে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এমপি।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টায় সিলেট সার্কিট হাউসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠককালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ নির্দেশ প্রদান করেন।
বৈঠকে সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী বহুল আলোচিত এই ট্রিপল হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর করলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন পুলিশ কমিশনারকে।
সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য বৈঠকে বলেন, হত্যাকাণ্ডের এতদিন পার হলেও এখনো পুরো রহস্য উদঘাটন হয়নি।
মামলার অগ্রগতির বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকেও ভিন্ন অভিযোগ ও অসন্তোষ রয়েছে।
সাংসদ এমরান আহমদ চৌধুরীর এ বক্তব্যের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসএমপি কমিশনারকে নির্দেশ দিয়ে বলেন, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন করে কোন ধরনের পক্ষপাত ছাড়া প্রকৃত দোষীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে শনাক্ত ও গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
উল্লেখ্য, গত ১২ আগস্ট সিলেটের রায়নগর এলাকার নিজ বাসা থেকে প্রবীণ দম্পতি এম এ সাত্তার (৯০), তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭৬) এবং তাঁদের গৃহপরিচারিকা তাহমিনা বেগম (১৫)-এর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
প্রাথমিকভাবে পুলিশ এক রংমিস্ত্রিকে গ্রেফতার করে এবং ব্যক্তিগত বিরোধ বা ক্ষোভের জেরে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানায়।
তবে নিহতের স্বজন ও পরিবারের সদস্যরা পুলিশের এই প্রাথমিক দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন।
নিহতের যুক্তরাজ্যপ্রবাসী কন্যা ও পরিবারের অভিযোগ- জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্রের সঙ্গে তাঁদের মূল্যবান জমি নিয়ে বিরোধ ও আদালতে মামলা চলছিল।
তাঁদের দাবি, মূল অভিযুক্তদের বাঁচাতে বা মূল ঘটনা আড়াল করতে পথ ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
এটি মূলত জমি দখল ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র চুরির উদ্দেশ্যে সংঘটিত একটি সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
» সিলেট ঐতিহ্যগতভাবেই ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নগরী : সিসিক প্রশাসক
Published: ৩১. আগ. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সিলেট ঐতিহ্যগতভাবেই ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নগরী।
এ অঞ্চলের আলেম-ওলামা ও ধর্মপ্রাণ মানুষের উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত হয়ে আসছে।
এসব ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সমাজে শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে খাসদবির জামেয়া মদিনাতুল উলূম দারুস সালাম মাদ্রাসা পরিদর্শন ও শিক্ষকবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় এবং বিকেলে জামেয়া ইসলামিয়া আরাবিয়া শামীমাবাদ মাদ্রাসা পরিদর্শন ও তাকে দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথাগুলো বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, অতীতে সিলেটের অনেক বরেণ্য আলেম ধর্মীয় শিক্ষার প্রসার ও সমাজকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁদের অবদান সিলেটের ধর্মীয় ও সামাজিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বর্তমানে যারা ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন, তাঁদেরও সমাজের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন প্রজন্ম গড়ে তুলতে এসব প্রতিষ্ঠানের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, মাদ্রাসাগুলো সাধারণত স্থানীয় মানুষের দান ও সহযোগিতায় পরিচালিত হয়। এসব প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নেও এলাকাবাসীর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকেও মাদ্রাসার প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নে সহযোগিতার সুযোগগুলো বিবেচনা করা হবে।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৪২টি ওয়ার্ডে বিভিন্ন ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে মানুষের চাহিদাও অনেক। সীমিত সম্পদের মধ্যেই নগরীর বিভিন্ন এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে।
এরপরও প্রয়োজন ও অগ্রাধিকার বিবেচনায় পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও এলাকার উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
তিনি মাদ্রাসার শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির সদস্যদের সিসিকের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে একটি সুন্দর, উন্নত ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তোলা সম্ভব।
এ সময় খাসদবির মদিনাতুল উলূম দারুস সালাম মাদ্রাসার কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য হুমায়ুন আহমদ মাসুক, ডা. জিয়াউল ইসলাম, ফারুক আহমেদ মিছবাহ, মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি মাওলানা ওলিউর রহমান, শিক্ষক মুফতি মাওলানা আব্দুল খালিক, মুফতি মাওলানা নাসির উদ্দীন, মাওলানা মাসুক আহমেদ সালামী, মাওলানা নিয়ামত উল্লাহ, হাফিজ মঞ্জুর আহমদ, মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম, মইনুল ইসলাম, মামুন আহমদ মিন্টু, লুৎফুর রহমান, মনসুর বক্স প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
পরে সিসিক প্রশাসক জামেয়া ইসলামিয়া আরাবিয়া শামীমাবাদ মাদ্রাসা পরিদর্শন করেন। এ সময় জামেয়ার মাদানী মসজিদ কমপ্লেক্সে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
জামেয়ার মুহতামিম সৈয়দ শামীম আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শামসুল হক পাটোয়ারী, সহকারী প্রকৌশলী অংশুমান ভট্টাচার্য, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের পরিচালক লিমন আহমদ, হেলাল চৌধুরী, জামেয়ার শুরা সদস্য আব্দুল জলিল ও রফিকুল ইসলাম বাদল এবং সিসিকের উপসহকারী প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক নগরীর জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে সবার সহযোগিতা কামনা করেন এবং জামেয়ার অবকাঠামো উন্নয়নেও সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
» জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে সম্মানিত সাংবাদিকবৃন্দকে সাদর আমন্ত্রণ
Published: ৩১. আগ. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
সারাদেশের মতো সিলেটেও বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করবে সিলেট জেলা বিএনপি।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এমপি।
প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এবং বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি।
এছাড়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য সম্মানিত সাংবাদিকবৃন্দকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি জনাব আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক জনাব এমরান আহমদ চৌধুরী এমপি।
» স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে ইংরেজি স্পেলিং বি অনুষ্ঠিত
Published: ৩১. আগ. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
শিক্ষার্থীদের ইংরেজি বানান দক্ষতা, শব্দভাণ্ডার বৃদ্ধি ও সঠিক উচ্চারণের সক্ষমতা তরান্বিত করার লক্ষ্যে সিলেটের স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে অনুষ্ঠিত হয়েছে ইংলিশ স্পেলিং বি প্রতিযোগিতা।
সোমবার (৩১ আগস্ট) কলেজটির ইংরেজি বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ক্যাম্পাসজুড়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা জুনিয়র, ইন্টারমিডিয়েট ও সিনিয়র এই তিনটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। কয়েকটি ধাপে তাদের ইংরেজি বানান, শব্দজ্ঞান ও সাবলীল উচ্চারণের স্থানিক দক্ষতা যাচাই করা হয়।
স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হকের সভাপতিত্বে ও লেকচারার সজিবুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্কলার্সহোমের একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক জয়নুল আবেদীন চৌধুরী বলেন, তুমি যত বেশি কঠিন ও নতুন শব্দ শিখবে, ততই একজন দক্ষ ইংরেজি শিক্ষার্থী হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারবে।
শিক্ষার্থীদের নিয়মিত শব্দচর্চা, সঠিক উচ্চারণ অনুশীলন এবং ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ভাষার সমৃদ্ধি ঘটানো উচিত।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক বলেন, স্পেলিং বি শুধু প্রতিযোগিতা নয়; এটি নতুন শব্দ শেখার পাশাপাশি ইংরেজিতে দক্ষতা বাড়ানোর একটি চমৎকার সুযোগ তৈরি করে।
ভুল করতে ভয় না পেয়ে প্রতিটি ভুল থেকে শেখার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। এমন শিক্ষামূলক আয়োজন শিক্ষার্থীদের শুদ্ধ ও সাবলীল ইংরেজি শেখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রতিযোগিতায় প্রধান বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান জাকারিয়া আল মামুন এবং সিনিয়র লেকচারার মুইহয়ারা বেগম।
আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা করেন, ইংরেজি বিভাগের লেকচারার মেহেদী ইসলাম তাপাদার তানভি, প্রভাষক মুনাব্বির জোহান, প্রভাষক ওমর ফারুক এবং প্রভাষক তানভীর বিশ্বাস।
প্রতিযোগিতা শেষে প্রধান অতিথি বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন। এরপর অনুষ্ঠানের সভাপতি ও অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক বিজয়ী শিক্ষার্থীদের শুভকামনা জানিয়ে অনুষ্ঠানের ইতি টানেন।
অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পরিশেষে অতিথি, শিক্ষক ও বিজয়ী শিক্ষার্থীদের ফটোসেশনের মাধ্যমে সফল এই আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।
» কবি ও সংগঠক এম. আলী হোসাইনের বাবার ইন্তেকাল : বিভিন্ন সংগঠনের শোক
Published: ৩১. আগ. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
মাসিক প্রতিভাত’র সম্পাদক, প্রতিভাত সাহিত্য পরিষদের সভাপতি, গ্রীণ প্ল্যান সিলেট, স্বদেশ ফোরাম সিলেট ও দক্ষিণ সুরমা সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক, সুরমা নন্দিনীর সহ সাধারণ সম্পাদক কবি ও সংগঠক এবং প্রকাশক এম. আলী হোসাইন এর বাবা শহরতলীর তেতলি নিশ্চিন্তপুর
গ্রামের সর্বজন শ্রদ্ধেয় প্রবীণ মুরব্বি হাজী হাফিজ মো. আফতাব মিয়া সোমবার (৩১ আগস্ট) রাত ১২:৫০ মিনিটে ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মরহুমের জানাজার নামাজ আজ সোমবার (৩১ আগস্ট) বেলা দুই ঘটিকার সময় নিশ্চিন্তপুর জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে।
তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক, শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা এবং পরকালীন শান্তি কামনা ও শোক প্রকাশ করেছেন, প্রতিভাত সাহিত্য পরিষদ সিলেট, সুরমা নন্দিনী, গ্রীণপ্ল্যান সিলেট, ঐতিহ্য সন্ধানী কাগজ অনুপ্রাণন, স্বদেশ ফোরাম সিলট, দক্ষিণ সুরমা সাহিত্য পরিষদ সহ বিভিন্ন সংগঠনের সকল পর্যায়ের দায়িত্বশীল ও সদস্যবৃন্দ ।
নেতৃবৃন্দ এক শোক বার্তায় বলেন, হাজী হাফিজ মোঃ আফতাব মিয়া (৯৫) অত্যন্ত খোদাভীরু, পরহেজগার, বিনয়ী ও অমায়িক হিসেবে সকলের প্রিয় ছিলেন।
তিনি অত্যন্ত সাদামাটা জীবন যাপন করতেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবারের যে ক্ষতি হয়েছে তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
শহরতলীর নিশ্চিন্তপুর মোল্লাবাড়ি তথা অত্র এলাকার সবচেয়ে প্রবীণ এই গুণীজন দীর্ঘদিন যাবৎ বার্ধক্যজনিত রোগে ভোগছিলেন।
মৃত্যুকালে তিনি ৭ ছেলে ১ মেয়ে সহ, ভাতিজা-ভাতিজি, নাতি-নাতনী, অন্যান্য আত্মীয় স্বজন সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
বৃহত্তর কামাল বাজার এলাকার বিভিন্ন মসজিদে ইমামতি ও মক্তবে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করেছেন বিধায় দেশ বিদেশে অনেক ছাত্র-ছাত্রী ছড়িয়ে আছেন।
তাঁর ইন্তেকালে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
শোকবার্তায় বিবৃতিদাতা সকলেই মরহুমের পরকালীন শান্তি কামনা এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারে প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

