শিরোনামঃ-

» চলন্তিকা প্রিন্টার্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক

Published: ২০. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

সংস্কৃতিচর্চায় সবসময়ই অগ্রগণ্য সিলেট

নিউজ ডেস্কঃ
সংস্কৃতি চর্চায় সিলেট সবসময়ই অগ্রগণ্য বলে মন্তব্য করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

তিনি বলেন, ১৯৪৭ সালের পূর্ববর্তী সময় থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পূর্বাপর এবং পরবর্তী সময়েও সংস্কৃতি চর্চায় সিলেট তার অগ্রণী ভূমিকা ধরে রেখেছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেলে সিলেটের ৫১ বছরের প্রাচীন মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান চলন্তিকা প্রিন্টার্সের নবরূপে নতুন ভবনে স্থানান্তর উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উদ্বোধকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সিসিক প্রশাসক বলেন, “সিলেটের সংস্কৃতি ও সাহিত্যচর্চার রয়েছে সমৃদ্ধ ঐতিহ্য।

এই অঞ্চলের অনেক গুণী ব্যক্তি দেশের সংস্কৃতি ও সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন। সেই ঐতিহ্যকে ধারণ করে বর্তমান প্রজন্মও সংস্কৃতিচর্চাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে—এটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।”

তিনি বলেন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৯ সালে সিলেট ভ্রমণ করেন।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামও দুইবার সিলেটে এসেছেন। এই দুই মহামতি সিংহবাড়িতে অবস্থান করেছেন। তাঁদের স্মৃতির সঙ্গে সিলেটের সাংস্কৃতিক ইতিহাসের গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিলেটের সংস্কৃতি অঙ্গনে সিংহবাড়ির যেমন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে, তেমনি শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চার বিকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর ধরে চলন্তিকা প্রিন্টার্সও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

একটি মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান শুধু বই, পত্রিকা বা বিভিন্ন প্রকাশনা ছাপার কাজ করে না; এর মাধ্যমে একটি অঞ্চলের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও জ্ঞানচর্চার ইতিহাসও সংরক্ষিত হয়।

তিনি আরও বলেন, “চলন্তিকা প্রিন্টার্সের দীর্ঘ পথচলার সঙ্গে সিলেটের শিল্প-সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে।

নতুন ভবনে নবরূপে প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা আরও সমৃদ্ধ হবে এবং ভবিষ্যতে সিলেটের সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চায় আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি আশা করি।”

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন চলন্তিকা প্রিন্টার্সের স্বত্বাধিকারী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক জ্যোতির্ময় সিংহ মজুমদার চন্দন।

তিনি ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত চলন্তিকা প্রিন্টার্সের দীর্ঘ পথচলার বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাতের কথা তুলে ধরেন এবং প্রতিষ্ঠানটির পাশে থাকার জন্য শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. হিমাদ্রী শেখর রায়, সিলেট শিক্ষা বোর্ডের সাবেক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর অরুণ চন্দ্র পাল এবং সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন। এ সময় সিলেটের সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও বক্তব্য দেন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শিক্ষক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সঞ্জয় নাথ সঞ্জু।

এর আগে অতিথিরা ফলক উন্মোচন ও ফিতা কেটে নবরূপে নতুন ভবনে চলন্তিকা প্রিন্টার্সের উদ্বোধন করেন।

» কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ডের পুকুর পরিষ্কারের ঘোষণা সিসিক প্রশাসকের

Published: ২০. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ

গ্রিন-ক্লিন সিলেট গড়তে পরিচ্ছন্নতা ও জলাশয় পুনরুদ্ধারে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে

সিলেট নগরীর কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ডের পুকুরের কচুরিপানা ও আবর্জনা অপসারণ করে পুকুরটিকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেলে উত্তর সুরমা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এ ঘোষণা দেন।

সিসিক প্রশাসক বলেন, “আমরা গ্রিন-ক্লিন সিলেট গড়তে চাই। এ জন্য নগরীর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

একই সঙ্গে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পুকুর ও জলাশয় পুনরুদ্ধারেও আমরা কাজ করছি।

নগরীর যেসব পুকুর ও জলাশয় দীর্ঘদিন ধরে অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় রয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে পরিষ্কার ও পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রয়োজনে সেগুলো খননও করা হবে।”

তিনি বলেন, “ইতোমধ্যে নগরীর কয়েকটি পুকুর ও জলাশয় পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।

এর ধারাবাহিকতায় কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ডের পুকুরটিও কচুরিপানা ও আবর্জনামুক্ত করে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া হবে।

পরিচ্ছন্ন জলাশয় শুধু পরিবেশের সৌন্দর্যই বাড়ায় না, মশার প্রজননও কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তাই জলাশয়গুলো পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি এগুলোর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, নগরীর পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে শুধু সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; নগরবাসী, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকেও দায়িত্বশীল হতে হবে।

যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলে নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলার জন্য তিনি সবাইকে আহ্বান জানান।

এর আগে সিসিক প্রশাসক কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ডের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

এ সময় তিনি বাসস্ট্যান্ডের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখেন এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বিকেলে সিসিক প্রশাসক নগরীর ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের সোনারপাড়া এলাকা পরিদর্শন করেন।

এ সময় তিনি এলাকার বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা ও অবকাঠামোগত বিষয় সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

পরিদর্শনকালে সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

» স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে দুই দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা সম্পন্ন

Published: ২০. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ
শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, সুপ্ত প্রতিভা ও সাংস্কৃতিক চর্চাকে বিকশিত করার লক্ষ্যে সিলেটের স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে অনুষ্ঠিত হয়েছে দুই দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য ‘সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ২০২৬’

১৯ ও ২০ আগস্ট কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ আয়োজন শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত ও প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে এক আনন্দঘন সাংস্কৃতিক উৎসবে পরিণত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, স্কলার্সহোমের একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর জয়নুল আবেদিন চৌধুরী।

স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হকের সভাপতিত্বে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, কলেজের একাডেমিক ইনচার্জ প্রভাষক কাজী শাখাওয়াত হোসেন।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক বলেন, সংস্কৃতি মানুষের আত্মপরিচয়ের অন্যতম প্রধান অংশ।

শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননশীলতার বিকাশের পাশাপাশি নিজস্ব সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আমাদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক শিকড়কে ধারণ করেই আধুনিক ও বিশ্বমানের জ্ঞানচর্চায় শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলতে হবে।

নিয়মিত সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড তাঁদের মূল্যবোধ, সৃজনশীলতা ও আত্মবিশ্বাস বিকাশে অনন্য ভূমিকা রাখে।

দুই দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতায় লোকসংগীত, রবীন্দ্রসংগীত, দেশাত্মবোধক গান ও নৃত্যে মেতে ওঠে শিক্ষার্থীরা।

দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি ও অনুশীলনের পর লোকসংগীতের সুর, রবীন্দ্রসংগীতের আবেশ, দেশাত্মবোধক গানের উদ্দীপনা এবং নৃত্যের নান্দনিক পরিবেশনা উপস্থিত দর্শকদের গভীর আবেগ ও মুগ্ধতায় বিমোহিত করে।

অনুষ্ঠানে কলেজের প্রাথমিক শাখার উপাধ্যক্ষ নাহিদা খান, বিভিন্ন বিভাগের প্রধানগণ, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজনটির সার্বিক সমন্বয় ও দায়িত্বে ছিলেন, কলেজের সিনিয়র প্রভাষক রনজিত পুরকায়স্থ, প্রভাষক (সংগীত) জুঁই তালুকদার এবং প্রভাষক উমা সরকার।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের নাম ঘোষণা ও অভিনন্দন জানানো হয়।

ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এ ধরনের সাংস্কৃতিক আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে উৎসবের সমাপ্তি টানা হয়।

» কবি সুকান্তের শততম জন্মবার্ষিকীতে জাগরণী সংঘ সিলেটের দিনব্যাপী নানা আয়োজন

Published: ২০. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ
বিপ্লবী কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের শততম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে সিলেটের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘জাগরণী বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংঘ’-এর উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা বর্ণাঢ্য কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

আগামী শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেল ৩টায় নগরীর জিন্দাবাজারস্থ নজরুল একাডেমিতে সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত হবে।

উৎসবের অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয়েছে বিতর্ক প্রতিযোগিতা, আবৃত্তি, বক্তৃতা প্রতিযোগিতা, বিষয়াভিত্তিক আলোচনা সভা এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ফারুক উদ্দিন।

আয়োজক সংগঠনের পক্ষ থেকে সাহিত্যপ্রেমী, শিক্ষার্থী ও সর্বসাধারণকে উক্ত উদযাপন অনুষ্ঠানে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।

» সিলেটে পাঠানটুলা জামেয়ায় দাখিল উত্তীর্ণ সংবর্ধনা

Published: ২০. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

জ্ঞান-বিজ্ঞানে মুসলিমদের গৌরবময় ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিতে হবে : সহকারী সচিব মোস্তাফিজুর রহমান

নিউজ ডেস্কঃ
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, সময়ের সদ্ব্যবহারই মানুষকে সফলতার সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছে দেয়।

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সোনালী অতীত স্মরণ করে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

নবম শতকের মধ্যভাগে বাইতুল হিকমাহ বিশ্বের বৃহৎ গ্রন্থভান্ডার ও শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চায় অনন্য ভূমিকা রেখেছিল।

সেই গৌরবময় ইতিহাস থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে শিক্ষার্থীদের জ্ঞানার্জন ও গবেষণায় এগিয়ে যেতে হবে।

কঠোর পরিশ্রম, পরিকল্পিত জীবনযাপন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত উপস্থিতি মেধা ও মনন বিকাশের অন্যতম উপায়।

তিনি বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সিলেটের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি বিদ্যাপীঠ শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল (স্নাতকোত্তর) মাদরাসা পাঠানটুলা আয়োজিত দাখিল উত্তীর্ণদের সংবর্ধনা ও তাদের প্রকাশিত স্মারক ‘উদ্ভাস’-এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

জামেয়ার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. লুৎফুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার মো. ইকবাল।

প্রভাষক মাওলানা ফখরুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, জামেয়ার উপাধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ ফয়জুল্লাহ বাহার, উপাধ্যক্ষ (অতিরিক্ত) মাওলানা কমর উদ্দীন, মুহাদ্দিস মাওলানা মো. হাবিবুল্লাহ, শায়খ সাঈদ বিন নুরুজ্জামান মাদানী, সহকারী অধ্যাপক সালা উদ্দিন, আব্দুল মোত্তালেব ইবনে কাবেদ, ফারুক মিয়া, নাজিরেরগাঁও শাখার ইনচার্জ মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার, শ্রেণি শিক্ষক মাওলানা সাইফুর রহমান, ছাত্র প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান গালিব ও দাখিল উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থী আহমদ আব্দুল বাসিত।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মো. ইকবাল বলেন, শুধু সার্টিফিকেট অর্জন কিংবা বড় হওয়াই শিক্ষার উদ্দেশ্য নয়।

জ্ঞানার্জনের মূল লক্ষ্য হতে হবে সত্যিকারের মানুষ হওয়া এবং নৈতিক শক্তিতে এগিয়ে থাকা।

দুর্নীতি ও অন্যায় থেকে দূরে থাকতে ধর্মীয় শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে গ্রহণ ও জীবনে প্রয়োগ করতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মাওলানা মো. লুৎফুর রহমান বলেন, পরীক্ষা কিংবা যেকোন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসী মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে।

জ্ঞান ও চরিত্রের সমন্বয়ে নিজেদের গড়ে তোলার পাশাপাশি শিক্ষকদের মর্যাদা সমুন্নত রাখতে হবে।

বাবা-মায়ের চক্ষুশীতল সন্তান হওয়ার চেষ্টা করতে হবে। দুনিয়া ও আখেরাতে সফলতা অর্জনেও যত্নশীল হতে হবে।

» সিলেটে সাধারণ আলেম সমাজের অভিষেক শুক্রবার

Published: ২০. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সাধারণ আলেম সমাজ সিলেট জেলার নতুন কমিটির অভিষেক এবং আলেম সমাজের ভাবনায় নতুন বাংলাদেশ; আমারও কিছু বলার ছিল’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

আগামীকাল শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সিলেট নগরীর দরগাহ গেইটস্থ শহীদ সুলেমান হলে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

সাধারণ আলেম সমাজ সিলেট জেলার আহ্বায়ক মাওলানা এহতেশামুল হক কাসেমির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতব্য এ সভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, মাওলানা আতাউল হক জালালাবাদি, মাওলানা সাজিদুর রহমান, মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরি, মাওলানা মাশুক আহমদ সালামী, মাওলানা তাজুল ইসলাম হাসান, মাওলানা যুবায়ের আহমদ কাসিমি, মাওলানা মাহমুদুল হাসান (এলএলবি), মাওলানা রশীদ আহমদ, মাওলানা শাহ মমশাদ আহমদ এবং মাওলানা আহমদ শরীফ নোমান।

অনুষ্ঠানে মূল বিষয়ের ওপর গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশ নেবেন, মাওলানা আহমদ কবীর খলীল, মাওলানা রিদওয়ান হাসান, মাওলানা আল মামুন, মাওলানা জিয়াউর রহমান, মাওলানা আকিফ আবদুল্লাহ, মাওলানা ইউসুফ আহমাদ, মাওলানা যফীর উদ্দীন, মাওলানা সাদিকুর রহমান, মাওলানা নাছরুল্লাহ মুয়াজ, মাওলানা এনাম বিন সিদ্দীক এবং মাওলানা মিসবাহুর রহমান শামীম।

উক্ত অভিষেক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভায় সংশ্লিষ্ট সকলকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে।

» শাহজালাল উপশহর একাডেমিতে আন্তঃহাউস বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত

Published: ২০. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের অভিজাত এলাকা শাহজালাল উপশহর এর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শাহজালাল উপশহর একাডেমিতে উৎসবমুখর পরিবেশে আন্তঃহাউস বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্কতা, উদ্ভাবনী চিন্তা ও সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) আয়োজিত এ মেলায় হাউসের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রকল্প ও বিজ্ঞানভিত্তিক মডেল উপস্থাপন করে।

প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মো. রিয়াজুর রহমানের স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক বলেন, বর্তমান সময়ে বিজ্ঞানচর্চা ও গবেষণামুখী শিক্ষা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি শিক্ষার্থীদের কৌতূহল, অনুসন্ধিৎসা ও সৃজনশীল চিন্তাকে আরও বিকশিত করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি এহতেশামুল হক চৌধুরী।

তিনি বলেন, পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি ব্যবহারিক বিজ্ঞানচর্চা শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী জ্ঞান অর্জনে সহায়তা করে এবং এ ধরনের আয়োজন তাদের আত্মবিশ্বাস ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বৃদ্ধি করে।

প্রধান অতিথিকে নিয়ে কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ, অত্র এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বৃন্দ ও অভিভাবকরা, শিক্ষার্থীদের প্রদর্শিত প্রকল্প ঘুরে দেখেন এবং তাদের উদ্ভাবনী প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।

দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত বিজ্ঞান মেলায় অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

» শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে সিলেট বিভাগীয় বৃক্ষমেলা

Published: ২০. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ

শেষ মুহূর্তে ক্রেতা-দর্শনার্থীদের ভিড়ে জমে উঠেছে সিলেট বিভাগীয় বৃক্ষমেলা।

চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী, অভিভাবক সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের পদচারণায় প্রতিদিনই প্রাণ ফিরে পাচ্ছে মেলা প্রাঙ্গণ।

বিশেষ করে সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে ক্রেতা-দর্শনার্থীদের সমাগম বাড়ছে উল্লেখযোগ্য হারে।

ইট-পাথরের নগরীর মাঝখানে সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে বসা এ বৃক্ষমেলা যেন হয়ে উঠেছে অক্সিজেনসমৃদ্ধ এক টুকরো লাল-সবুজ।

দেশি-বিদেশি নানা প্রজাতির ফল ও ফুলের গাছে সাজানো মেলার প্রতিটি স্টলই আকৃষ্ট করছে গাছপ্রেমীদের।

সিলেট জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে পক্ষকালব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও সিলেট বিভাগীয় বৃক্ষমেলার আয়োজন করা হয়েছে।

প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা উন্মুক্ত থাকছে। মেলা চলবে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত।

মেলায় দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রজাতির দুর্লভ ও আকর্ষণীয় গাছের পাশাপাশি রয়েছে বনসাই, ক্যাকটাস, ইনডোর প্ল্যান্ট, ফুল ও ফলের হাজারো চারা।

এর মধ্যে মালয়েশিয়ান ফলজ গাছ রামবুটান বিশেষ নজর কেড়েছে। একটি রামবুটান গাছের দাম হাঁকা হয়েছে ১ লাখ টাকা; তবে ক্রেতাদের দরদামে তা ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত উঠেছে।

এ ছাড়া ফিলিপাইনি আর্ক গাছের দাম ২৫০ থেকে ৬ হাজার টাকা, জাপানের জাতীয় ফল পারসিমন গাছের দাম সর্বোচ্চ ৪০ হাজার টাকা, চীনের ভ্যারিগেটেড কাঁঠাল ২৫ হাজার টাকা, দেশি সাতকরা গাছ ৫ হাজার টাকা, বড় নাশপাতি গাছ ২৫ হাজার টাকা, চালতা গাছ ১০ হাজার টাকা, অস্ট্রেলিয়ান ফিঙ্গার লেমন ১০ হাজার টাকা এবং মেলিনা চেরি গাছের দাম ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত রয়েছে।

মেলায় ঘুরতে আসা নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাহিমা আক্তার বলেন, “বৃক্ষমেলায় এসে বিভিন্ন ধরনের গাছ ও বৃক্ষের উপকারিতা সম্পর্কে জানতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত।

গাছ আমাদের পরিবেশকে সুন্দর ও নির্মল রাখার পাশাপাশি জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।”

চাকরিজীবী দ্বিপালী রানী বলেন, “বৃক্ষ আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ, সুন্দর ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে বেশি বেশি গাছ লাগানোর কোনো বিকল্প নেই।

বৃক্ষমেলার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণের সচেতনতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”

নার্সারি মালিক কল্যাণ সংস্থার সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুর রব জানান, মেলায় সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে ছাদবাগানের উপযোগী ফল ও ফুলের গাছ।

নগরজীবনের বাসিন্দারা নিজেদের ছাদকে সবুজ করে তুলতে বিভিন্ন ধরনের গাছ কিনছেন। কেউ ঘর সাজানোর জন্য ফুলের গাছ নিচ্ছেন, আবার কেউ পরিবারের চাহিদা মেটাতে ছাদে ফলের বাগান গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছেন।

তিনি বলেন, “আম, পেয়ারা, লেবু, ডালিম, মাল্টা, কমলা, কামরাঙা, লিচু, বারোমাসি আম ও বিভিন্ন জাতের পেঁপে গাছের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি।

পাশাপাশি ড্রাগন ফল, স্ট্রবেরি ও বিদেশি জাতের বিভিন্ন ফলের গাছও ভালো বিক্রি হচ্ছে।”

সুগন্ধা নার্সারির স্বত্বাধিকারী মনোয়ারা বেগম বলেন, ফুলের গাছের মধ্যে গোলাপ, জুঁই, বেলি, হাসনাহেনা, রজনীগন্ধা, গাঁদা, জবা, বাগানবিলাস, নয়নতারা ও অর্কিডের চাহিদা বেশি।

এ ছাড়া মানিপ্ল্যান্ট, এরিকা পাম, স্নেক প্ল্যান্ট, ফাইকাস ও বিভিন্ন প্রজাতির ক্যাকটাসও কিনছেন ক্রেতারা।

মেলায় আসা অনেক দর্শনার্থী নাম না-জানা কিংবা দুর্লভ কোনো গাছের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে সেটির সঙ্গে ছবি তুলছেন। কেউ আবার গাছের পরিচর্যা ও চাষাবাদ সম্পর্কে বিক্রেতাদের কাছ থেকে পরামর্শ নিচ্ছেন।

ফলে মেলাটি শুধু গাছের কেনাবেচার কেন্দ্রই নয়, নগরবাসীর মধ্যে বৃক্ষপ্রেম ও পরিবেশ সচেতনতা তৈরিরও একটি কার্যকর মাধ্যম হয়ে উঠেছে।

সিলেট নার্সারি মালিক কল্যাণ সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মলয় লাল ধর বলেন, “বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কারণে নির্ধারিত সময়ের পরে মেলা শুরু হওয়ায় শুরুতে ব্যবসায়ীদের মধ্যে হতাশা ছিল।

তবে শেষ সময়ে ক্রেতা-দর্শনার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতি সেই হতাশা অনেকটাই কাটিয়ে দিয়েছে। এখন ব্যবসায়ীদের চোখে আশার আলো ফুটেছে।”

তিনি আরও বলেন, রোদ-বৃষ্টি, লোডশেডিং এবং সিএনজি স্টেশনে গ্যাসের স্বল্প চাপজনিত যানবাহন সংকট মেলায় কিছুটা প্রভাব ফেলছে।

এরপরও শেষ সময়ে মানুষের আগ্রহ ও উপস্থিতি ব্যবসায়ীদের আশাবাদী করে তুলেছে।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মেলায় প্রতিদিন গড়ে ৫ লাখ টাকার বেশি গাছপালা ও সংশ্লিষ্ট সামগ্রী কেনাবেচা হচ্ছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বিক্রির পরিমাণ আরও বেড়ে যাচ্ছে।

আয়োজকদের আশা, মেলার শেষ দিনগুলোতে ক্রেতা-দর্শনার্থীর উপস্থিতি আরও বাড়বে।

ছাদবাগান, বৃক্ষরোপণ ও সবুজায়নের প্রতি নগরবাসীর আগ্রহকে কাজে লাগিয়ে সিলেটকে আরও সবুজ ও বাসযোগ্য নগর হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

» নবীগঞ্জে শতবর্ষী ও চিরকুমার মুকুন্দ চন্দ্র দাসকে ‘সনাতন-দীননাথ কল্যাণ ট্রাস্ট’-এর সম্মাননা স্মারক প্রদান

Published: ২০. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নবীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সামাজিক ও শিক্ষামূলক সংগঠন ‘সনাতন-দীননাথ কল্যাণ ট্রাস্ট’-এর উদ্যোগে এলাকার প্রবীণ ব্যক্তিত্ব, শতবর্ষী ও চিরকুমার মুকুন্দ চন্দ্র দাসকে এক বিশেষ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়েছে।
অবহেলিত গ্রামীণ সমাজে তাঁর দীর্ঘ জীবনের ত্যাগ, সামাজিক অবদান এবং নিষ্কলুষ জীবনযাপনের স্বীকৃতিস্বরূপ ট্রাস্টের পক্ষ থেকে এই সম্মাননার আয়োজন করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২০ আগষ্ট) উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের মুক্তাহার গ্রামে আনুষ্ঠানিকভাবে মুকুন্দ চন্দ্র দাসের (বটু দাস; জন্ম ১৯১৭ খ্রি.) হাতে এই সম্মাননা স্মারক তুলে দেন, ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক রত্নদীপ দাস (রাজু), ‘সনাতন-দীননাথ যুব ও সমাজকল্যাণ সংস্থা’-এর সভাপতি দেবাশীষ দাশ রতন, সহ-সভাপতি সাগর দাশ জনি, সদস্য জয়ন্ত কুমার দাশ জয়, ‘সনাতন-দীননাথ কিশোর সংসদ’-এর সহ-সভাপতি খোকন দাশ ও দপ্তর সম্পাদক গোপাল দাশ জিৎ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, মুকুন্দ চন্দ্র দাসের (বটু দাস) বড়ো ভাইয়ের স্ত্রী ও ভাতিজা ক্ষেত্রমোহন দাস।
সম্মাননা প্রদানকালে উপস্থিত বক্তারা বলেন, শতবর্ষী মুকুন্দ চন্দ্র দাস আমাদের সমাজের এক জীবন্ত ইতিহাস।
সারাজীবন অবিবাহিত (চিরকুমার) থেকে তিনি নিজেকে যেভাবে সমাজ ও মানুষের কল্যাণে বিলিয়ে দিয়েছেন, তা বর্তমান প্রজন্মের জন্য অত্যন্ত অনুকরণীয়।
প্রচারবিমুখ এই গুণী মানুষকে সম্মানিত করতে পেরে ‘সনাতন-দীননাথ কল্যাণ ট্রাস্ট’ নিজেরাও গর্বিত।
এ ধরণের উদ্যোগ গ্রামীণ জনপদে প্রবীণদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা বাড়াতে অনন্য ভূমিকা রাখবে।
সম্মাননা প্রাপ্তির পর আবেগঘন অনুভূতি প্রকাশ করে শতবর্ষী মুকুন্দ চন্দ্র দাস (বটু দাস) ট্রাস্টের সকল সদস্য এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও আশীর্বাদ জ্ঞাপন করেন।
উল্লেখ্য, ব্রিটিশ আমলের খ্যাতিমান ব্যক্তিত্ব দ্বয় ও পঞ্চায়েত প্রধান শ্রীমান সনাতন দাস এবং শ্রীমান দীননাথ দাসের স্মৃতি রক্ষার্থে গঠিত ‘সনাতন-দীননাথ কল্যাণ ট্রাস্ট’ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এলাকায় শিক্ষা, ক্রীড়া, মেধা অন্বেষণ এবং সমাজকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসিত হয়ে আসছে।

» গোলাপগঞ্জে সাংবাদিক খালেদকে হেনস্তা ও হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন

Published: ২০. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সিলেটের গোলাপগঞ্জে কর্মরত সাংবাদিক এবং ‘সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন’-এর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঢাকা প্রেসক্লাবের সদস্য খালেদ আহমদকে পেশাগত দায়িত্ব পালনে হেনস্তা ও ভয়ভীতি দেখানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ১২টায় উপজেলার স্থানীয় এলাকাবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত এ মানববন্ধনে গণমাধ্যমকর্মী, সমাজসেবক, কবি-সাহিত্যিক সহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ একাত্মতা প্রকাশ করে অংশ নেন।

পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে সূচিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন, বিশিষ্ট সমাজসেবক ড. লায়েক আহমদ এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, কবি ও সাংবাদিক জুবের আহমদ সার্জন।

মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জাতীয় দৈনিক ‘ঢাকার ডাক’-এর সিলেট ব্যুরো প্রধান এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া।

প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঢাকা প্রেস ক্লাবের সদস্য কামাল খান।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাংবাদিক খালেদ আহমদ দেশের স্বার্থে এবং সত্য প্রকাশের জন্য নিজের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে চরম হেনস্তা ও কুরুচিপূর্ণ হুমকির শিকার হয়েছেন।

স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর এ ধরনের আঘাত কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার প্রতি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে আলটিমেটাম ঘোষণা করেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

মানববন্ধনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, প্রাইম টেলিভিশনের সিলেট প্রতিনিধি সিনিয়র সাংবাদিক নিয়াজ খান, সিনিয়র সাংবাদিক শহীদুল ইসলাম সুহেল এবং সাংবাদিক মো. শিহাব উদ্দিন।

স্বাগত বক্তব্য দেন, ভুক্তভোগী সাংবাদিক খালেদ আহমদ।

এছাড়া সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক সেলিম আহমদ, তবারক আলী, সাহেদ আহমদ, শেখ মজির উদ্দিন, নাঈম আহমদ এবং মীর কাওছারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

» গ্রাহকের সাথে প্রতারণা; ভিশন ইলেকট্রনিক্স’কে ভোক্তার জরিমানা

Published: ২০. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ
গ্রাহকের কাছ থেকে পণ্যের নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সিলেট নগরীর উপশহরের সাত্তার ম্যানশনস্থ ভিশন ইলেকট্রনিক্সকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) গোটাটিকরস্থ সিলেট জেলা কার্যালয়ে অভিযোগের ভিত্তিতে শুনানি শেষে প্রতিষ্ঠানটিকে এ জরিমানা করা হয়।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ সুরমার ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা খায়রুল আমিন রাফসান গত ১৫ জুলাই উপশহরের সাত্তার ম্যানশনস্থ ভিশন ইলেকট্রনিক্স থেকে একটি থ্রি-পিন মাল্টিপ্লাগ কেনেন।

এ সময় পণ্যের গায়ে উল্লেখিত মূল্যের চেয়ে ৪০ টাকা বেশি নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

পরে বিষয়টি নিয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সিলেট জেলা কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন খায়রুল আমিন রাফসান।

অভিযোগের শুনানি শেষে অতিরিক্ত মূল্য নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ভিশন ইলেকট্রনিক্সকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

» বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগরীর ১নং ওয়ার্ডের দাওয়াতি মাহফিল ও যোগদান অনুষ্ঠিত

Published: ২০. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

বি.কে.এম দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর  কল্যাণে ব্যাপক কাজ করে যাচ্ছে : আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলম

নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস (বি.কে.এম) সিলেট মহানগরীর ১নং ওর্য়াডের দাওয়াতি মাহফিল ও যোগদান অনুষ্ঠান বৃহস্পতিবার (২০ আগষ্ট) বাদ মাগরিব স্থানীয় একটি কার্যালয়ে শাখা সভাপতি হাফিজ মাওলানা আব্দুস সামাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন (বি.কে.এম) সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি জননেতা আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলম, বিশেষ অতিথি মহানগর সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আব্দুল গাফফার।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন, বি.কে.এম ১নং ওয়ার্ড সহ-সভাপতি মাওলানা মাসকুর আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মুফতি জাহিদ আহমদ জিয়া, মাওলানা আতিকুর রহমান প্রমুখ।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, বি.কে.এম দেশ,জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণে ব্যাপক কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, হেকমতের মাধ্যমে ইসলামের সুমহান আদর্শ মানুষে কাছে পৌছে দিয়ে সংগঠনের দাওয়াতি কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে।

মাহফিলে সংগঠনের উদ্দেশ্য ও আদর্শকে ধারণ করে আমিরে মজলিস আল্লামা মামুনুল হকের নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে দরগাহ বাজারের ব্যবসায়ী মুহাম্মদ আলেক মিয়া, মুহাম্মদ ওমর ফারুক, মুহাম্মদ কলিম উদ্দিন, মুহাম্মদ নাজমুল ইসলাম, মুহাম্মদ কিবরিয়া আহমদ, মুহাম্মদ তারেক আহমদ সংগঠনে যোগদান করেন।

Callender

August 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31