শিরোনামঃ-

» সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের লিফলেট বিতরণ

Published: ১৭. মে. ২০২৬ | রবিবার

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে বিএনপি অক্ষরে অক্ষরে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : অ্যাড. মোমিনুল ইসলাম মোমিন

নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি সবসময়ই জনগণের আকাঙক্ষা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে স্বাক্ষরিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নে বিএনপি অক্ষরে অক্ষরে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দেশ পরিচালনায় এই সনদের মূল চেতনাকে পুরোপুরি ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে দলটি বদ্ধপরিকর।

রবিবার (১৭ মে) বিকেল ৪ টায় নগরীর বন্দরবাজারস্থ মধুবন সুপার মার্কেটের সামনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের উদ্যোগে লিফলেট বিতরণ পূর্বে পথসভায় সভাপতির বক্তব্যে সিলেট জেলা যুবদলের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোমিনুল ইসলাম মোমিন উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

তিনি আরও বলেন, জনগণের আশা-আকাঙক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়ে এবং জুলাই সনদের মর্যাদাকে অক্ষুন্ন রেখেই বিএনপি এই দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট সংসদ ব্যবস্থা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। এই বার্তা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে যুবদলের প্রতিটি নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে কাজ করে যেতে হবে।

সিলেট মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক, মির্জা মো. সম্রাট হোসেন পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, মহানগর যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন বেলাল, জেলার সিনিয়র সহ-সভাপতি আলমগীর বক্ত চৌধুরী সুয়েব, মহানগরের সহ-সভাপতি ময়নুল ইসলাম, মামুন আহমদ মিন্টু, মো. লাহিন আহমেদ, মুমিনুর রহমান তানিম, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক স্বপন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কল্লোল জ্যোতি বিশ্বাস জয়, পারভেজ খান জুয়েল, জেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ফখরুর ইসলাম রুমেল, মো. মোজাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, মহানগরের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম রেজা, জাহিদ হাসান, মো. দিলাজ আহমদ, মো. নূর উদ্দিন খাঁন হাসান, সহ-সাধারণ সম্পাদক এম এ হাসান, হিবজুর বিশ্বাস রাজু, জেলার সহ-সাধারণ সম্পাদক নাহিয়ান আহমদ রিপন, আনছার আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসরুর রাসেল, দপ্তর মো. রেদওয়ান আহমদ, মহানগরের দপ্তর সম্পাদক পারভেজ আহমদ, জেলার সাহিত্য ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আজিজুর রহমান মিসবাহ, তথ্য যোগাযোগ ও বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক মো. সাজেদুল ইসলাম সাজু, মহানগরের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মো. আব্দুল আজিম চৌধুরী গিলমান, কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক মো. মিনার আহমদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রাজন আচার্য্য, জেলার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মো. জাকির হোসেন, আব্দুল আলীম, সহ-দপ্তর সম্পাদক মোস্তাক আহমদ চৌধুরী, মহানগরের সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. জুয়েল, মো. রেজাউল করিম, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মো: আব্দুল্লাহ বিপ্লব, জেলার সহ-কৃষি বিষয়ক সম্পাদক সামাদ হোসেন সাজু, সহ-মৎস্য ও পশুপালন বিষয়ক সম্পাদক মো. আবদাল আহমদ চৌধুরী প্রমুখ।

এ সময় যুবদল নেতৃবৃন্দ বর্তমান সরকারের এই জনকল্যাণমুখী ও রাষ্ট্র সংস্কারের পদক্ষেপগুলোকে সফল করতে সর্বস্তরের জনগণকে রাজপথে ও স্ব-স্ব অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

পথ সভাশেষে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে বন্দরবাজার ও মধুবন সুপার মার্কেট এলাকার সাধারণ ব্যবসায়ী, পথচারী ও সাধারণ মানুষের মাঝে লিফলেট বিতরণ করা হয়।

» পাকিস্তান হাই কমিশনারের সাথে সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বার নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়

Published: ১৭. মে. ২০২৬ | রবিবার

বাংলাদেশের সাথে পাকিস্তানের ব্যবসা বাণিজ্যের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সফররত ঢাকাস্থ পাকিস্তানের হাই কমিশনার ইমরান হায়দার এর সাথে সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র পরিচালনা পরিষদের নেতৃবৃন্দের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১৭ মে) দুপুরে নগরীর জেলরোডস্থ এসএমসিসিআই’র কনফারেন্স হলরুমে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র সভাপতি খায়রুল হোসেন এর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, ঢাকাস্থ পাকিস্তানের হাই কমিশনার ইমরান হায়দার।

সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাই কমিশনারের সফরসঙ্গী কাউন্সেলর (রাজনৈতিক) কামরান ধাঙ্গাল, কাউন্সেলর (বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সংযুক্ত) জাইন আজিজ।

সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন এসএমসিসিআই’র ১ম সহ-সভাপতি মো. ফেরদৌস আলম। বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, এসএমসিসিআই’র পরিচালনা পরিষদের সহ-সভাপতি আলীমুছ ছাদাত চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ মো. জহির হোসেন, পরিচালক মো. মাহবুবুর রহমান, মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, দিলওয়ার হোসেন, মো. কাপ্তান হোসেন, মোহাম্মদ আনিস, মো.  জিল্লুর রহমান সুমন, সদস্য সাহেদ আহমদ, মো. সাবুল মিয়া, আব্দুল কাদের ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।

সভায় এসএমসিসিআই’র পক্ষ থেকে সভাপতি খায়রুল হোসেন পাকিস্তানের  হাই কমিশনার ইমরান হায়দারকে থেকে ধন্যবাদ পত্র প্রদান করেন।

এছাড়াও পাকিস্তানের হাই কমিশনার ও প্রতিনিধি দলের সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে চেম্বারের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং সম্মাণনা স্মারক ও উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পাকিস্তান হাই কমিশনার ইমরান হায়দার এসএমসিসিআই এর পরিচালনা পরিষদকে আতিথিয়তা ও সম্মাণনা প্রদানের জন্য ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, আজকের এই মতবিনিময় সভার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের সিঁড়ি হিসাবে ব্যবহৃত হবে।

তিনি দুই অঞ্চলের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বি টু বি সভার মাধ্যমে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের উদ্যোগের প্রস্তাব করেন।

তিনি সিলেটের ব্যবসায়ীদের পাকিস্তান সফরের আহবান জানান এবং এ ব্যাপারে পাকিস্তান হাই কমিশন সর্বাত্মক সহযোগীতা করবে বলে আশ্বাস দেন।

স্বাগত বক্তব্যে চেম্বারের ১ম সহ-সভাপতি মো. ফেরদৌস আলম বলেন, এই মতবিনিময় সভার মাধ্যমে সিলেট তথা বাংলাদেশের সাথে পাকিস্তানের ব্যবসা বাণিজ্যের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

তিনি পাকিস্তানের বিনিয়োগকারীদের সিলেটের সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগের আহবান জানিয়ে এ বিষয়ে পাকিস্তান হাই কমিশনের সক্রিয় সহযোগীতা কামনা করেন।

সভায় চেম্বার নেতৃবৃন্দ বলেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি প্রয়োজন।

বিশেষ করে সিলেট অঞ্চলের সম্ভাবনাময় শিল্প, পর্যটন ও কৃষিভিত্তিক খাতে বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে।

এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় প্রয়োজন।

এসময় নেতৃবৃন্দ সিলেটের সাথে পাকিস্থানের বিভিন্ন পণ্য আমদানি রপ্তানী করতে সহায়তা এবং কৃষিজাত পণ্য, শুকনো খাবার, এফএমসিজি পণ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, পর্যটনখাত সহ বিভিন্ন খাতে যৌথভাবে বিনিয়োগ করার জন্য পাকিস্তানী বিনিয়োগকারীদের আহবান জানান।

» সিলেট উইমেন চেম্বারে পাকিস্তান হাইকমিশনার

Published: ১৭. মে. ২০২৬ | রবিবার

দু-দেশের বাণিজ্য জোরদারে নতুন দিগন্তের আশা

নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি, পর্যটন খাতের বিকাশ এবং বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের এক নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

সিলেটে নারী উদ্যোক্তাদের তৈরি হস্তশিল্প ও ঐতিহ্যবাহী পণ্যের ভূয়সী প্রশংসা করে দু-দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাই কমিশনার ইমরান হায়দার।

রবিবার (১৭ মে) বিকাল সাড়ে ৩টায় সিলেট উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালনা পর্ষদের সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

হাই কমিশনার চেম্বার কার্যালয়ে পৌঁছালে তাকে পরিচালনা পরিষদের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়।

পরিদর্শনকালে হাই কমিশনার ইমরান হায়দার সিলেট উইমেন চেম্বারের উদ্যোক্তাদের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে তৈরি বিভিন্ন হস্তশিল্প ও ঐতিহ্যবাহী পণ্যসামগ্রী ঘুরে দেখেন।

বিশেষ করে সিলেটের ঐতিহ্যবাহী মনিপুরী শাড়ি, জামদানি এবং নারী উদ্যোক্তাদের হাতের নিখুঁত কারুকাজে তৈরি বিভিন্ন সামগ্রী দেখে তিনি অভিভূত হন।

ঐতিহ্য ও আধুনিকতার সংমিশ্রণে তৈরি এসব পণ্যের গুণগত মানের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি নারী উদ্যোক্তাদের সৃজনশীলতা ও ব্যবসায়িক দক্ষতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

চেম্বারের সভাপতি লুবানা ইয়াসমিন শম্পার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পরবর্তী দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে পাকিস্তানের হাই কমিশনার বলেন, আজকের এই বৈঠকটি কেবল একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, বরং এটি দুই দেশের বাণিজ্য, ব্যবসায়িক সহযোগিতা এবং নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নসহ পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার একটি কার্যকর মাধ্যম।”

উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে যৌথ বাণিজ্য মেলা ও প্রদর্শনী আয়োজনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন হাই কমিশনার।

তিনি জানান, এমন আয়োজনের মাধ্যমে দু-দেশের উদ্যোক্তারা তাদের পণ্য প্রদর্শন, ব্যবসায়িক ধারণা বিনিময় এবং দীর্ঘমেয়াদী টেকসই অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার সুবর্ণ সুযোগ পাবেন।

হাই কমিশনার ইমরান হায়দার স্পষ্ট করেন যে, পাকিস্তানের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পণ্যের ব্যাপক চাহিদা ও সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশেষ করে,নারী উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত বৈচিত্র্যময় পণ্য ও হস্তশিল্প,উন্নত মানের তৈরি পোশাক ও চামড়াজাত পণ্য, বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী চা ও কৃষিভিত্তিক পণ্য

তিনি আশ্বস্ত করেন, পাকিস্তানি ও বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ সহজতর করতে এবং এই রপ্তানি বাজারকে আরও সম্প্রসারিত করতে পাকিস্তান হাইকমিশন সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবে।

বৈঠকে সিলেট উইমেন চেম্বারের সভাপতি লুবানা ইয়াসমিন শম্পা আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকার জন্য পণ্যের গুণগত মান, উন্নত প্যাকেজিং ও ব্র্যান্ডিংয়ের ওপর জোর দেন। এই লক্ষ্য অর্জনে দু-দেশের মধ্যে জ্ঞান বিনিময় ও যৌথ প্রশিক্ষণের আহ্বান জানান তিনি।

নারী নেতৃত্বকে বিশ্বমঞ্চে এগিয়ে নিতে তিনি একটি চমৎকার প্রস্তাব পেশ করে বলেন, উভয় দেশের নারী ব্যবসায়িক নেতাদের অংশগ্রহণে একটি “নারী উদ্যোক্তা শীর্ষ সম্মেলন” আয়োজন করা যেতে পারে।

এই উদ্যোগ নারী উদ্যোক্তাদের নেটওয়ার্কিং, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনাকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।

বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ ছিল সিলেটের পর্যটন শিল্প। সিলেটের নৈসর্গিক প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, বিস্তীর্ণ চা বাগান, ইকো-ট্যুরিজম এবং সমৃদ্ধ আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যকে পাকিস্তানের পর্যটকদের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানানো হয়।

বক্তারা একমত হন যে, পর্যটন খাতের যৌথ সহযোগিতা এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি দু-দেশের জনগণের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ককে (People-to-People Connectivity) আরও গভীর ও অর্থবহ করে তুলবে।

বৈঠক শেষে উইমেন চেম্বারের পক্ষ থেকে হাই কমিশনারকে ধন্যবাদ জানিয়ে আশা প্রকাশ করা হয় যে, এই ফলপ্রসূ আলোচনার সূত্র ধরে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পর্যটন এবং নারী-নেতৃত্বাধীন ব্যবসা উন্নয়নে সহযোগিতার এক নতুন দ্বার উন্মোচন হবে।

বৈঠকে এসময় উপস্থিত ছিলেন, চেম্বারের পরিচালক সামা হক চৌধুরী, সাইমা সুলতানা চৌধুরী,রেহানা আফরোজ,রেহানা ফারুক শিরিন, আসমা উল হাসনা খান,জাকিরা ফাতেমা লিমি চৌধুরী, শাহানা আক্তার ও তাহমিনা হাসান চৌধুরী।

সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছেন, পাকিস্তানের হাই কমিশনারের এই সিলেট সফর এবং নারী উদ্যোক্তাদের প্রতি তার এই ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি আগামী দিনে দু-দেশের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

» সিলেটে পিভিএইচপি প্রকল্পের অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

Published: ১৭. মে. ২০২৬ | রবিবার

শিশু ও নারীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরিতে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটে শিশু ও নারীদের ওপর সহিংসতা রোধে এবং সামাজিক সুরক্ষাবলয় তেরীতে গৃহীত ‘প্রিভেনশন অফ ভায়োলেন্স অ্যান্ড হার্মফুল প্র্যাকটিসেস এগেইনস্ট চিলড্রেন অ্যান্ড উইমেন ইন বাংলাদেশ’ প্রকল্পের জেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত প্রকল্প অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (১৭ মে) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর সিলেটের উপরিচালকের কার্যালয়ের উদ্যোগে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

ইউনিসেফের সহায়তায় এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অধীনে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

কর্মশালায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ও পিভিএইচপি প্রকল্পের পরিচালক ড. শামীমা নাসরীন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাঈদা পারভীন।

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ও প্রকল্পের পরিচিতি এবং সিলেট জেলার নারী ও শিশু-র প্রতি সহিংসতার তথ্য উপাত্ত তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর সিলেটের উপপরিচালক শাহীনা আক্তার।

কর্মশালায় পিভিএইচপি প্রকল্পের শিশু সুরক্ষা কর্মকর্তা প্রিয়াঙ্কা দাস রায়, বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর সিলেটের কর্মকর্তাবৃন্দ ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, নারী ও শিশুদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় এবং একটি নিরাপদ ও অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে ইউনিসেফ ও বাংলাদেশ সরকার যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। এর মাধ্যমে পরিচালিত হাবগুলো সারাদেশে শিশুর সুরক্ষায় কাজ করবে।

স্কুলের বাইরেও শিশুদের সুজনশীলতা ও মেধা বিকাশে এ হাবগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বক্তারা আরো বলেন, শিশুর উপর সহিংসতা, বাল্যবিবাহসহ নানান ক্ষতিকর আচরণ শুধু তাদের মৌলিক অধিকার ক্ষুন্ন করছে না, তাদের শারীরিক, আবেগীয় ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে।

বক্তারা নারী ও শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরীতে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহবান জানান।

» সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন বিভাগীয় কমিটির জরুরী সভা

Published: ১৭. মে. ২০২৬ | রবিবার

সিলেট বিভাগে ১৯ মে’র পরিবহন শ্রমিক কর্মবিরতি ৬ জুন পর্যন্ত স্থগিত

নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির সভাপতি হাজী ময়নুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর রাজন, কোষাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ সহ শ্রমিক নেতৃবৃন্দের উপর দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সিলেট বিভাগে ১৯ মে থেকে আহুত অনির্দিষ্টকালের পরিবহন শ্রমিক কর্মবিরতি ৬ জুন পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।

রোববার (১৭ মে) সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের সাথে মতবিনিময় শেষে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির জরুরী সভায় কর্মসূচী স্থগিত করা হয়।

রোবাবর (১৭ মে) সন্ধ্যায় দক্ষিণ সুরমা বাবনা পয়েন্টস্থ ফেডারেশনের সিলেট বিভাগীয় কমিটির জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ফেডারেশনের সিলেট বিভাগীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সজিব আলীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা ট্রাক মালিক গ্রুপের সভাপতি গোলাম হাদি সাইফুল, কার্যকরী সভাপতি স্বপন আহমদ, সিলেট জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির কার্যকরী সভাপতি নাজিম লস্কর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবেদ সুলতান তারেক, জেলা ট্রাক মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, জেলা ট্রাক পিকাপ কার্ভড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যকরী সভাপতি কাওসার আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মাসুম লস্কর, জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যকরী সভাপতি সাহেব আলী, সহ সভাপতি মানিক মিয়া, সহ সাধারণ সম্পাদক মাহবুব মিয়া মবু, জেলা অটো টেম্পু অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মতছির আলী, সিলেট জেলা সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আজাদ মিয়া, জেলা ইমা লেগুনা হিউম্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি রুনু মিয়া মঈন, সাধারণ সম্পাদক ইনসান আলী ও ট্রাক মালিক গ্রুপের সাংগঠনিক সম্পাদক সাব্বির আহমদ ফয়েজ।

সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, রোববার সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরীর সাথে ফেডারেশনের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত সভায় এসএমপি কমিশনার সুষ্ঠু তদন্তসাপেক্ষে নির্দোষ নেতৃবৃন্দকে মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদানের বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন।

একইসাথে প্রাথমিক তদন্তে ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া না গেলে নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার ও হয়রানী করা হবেনা বলেও আশ^স্ত করেছেন।

এর প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির জরুরী সভায় আগামী ১৯ মে ভোর থেকে সিলেট বিভাগে আহুত অনির্দিষ্টকালের পরিবহন শ্রমিক কর্মবিরতি কর্মসুচী আগামী ৬ জুন পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত- গত ২৭ এপ্রিল কদমতলী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে শ্রমিকদের দুইপক্ষের সংঘর্ষে দুইজন শ্রমিক হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় মারা যান।

এই ঘটনায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির সভাপতি হাজী ময়নুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর রাজন, কোষাধ্যক্ষ আব্দুস শহিদ, সাবেক কোষাধ্যক্ষ সামছুল হক মানিক ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নুর মিয়াসহ নিরপরাধ শ্রমিক নেতৃবৃন্দকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়।

নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ষড়যন্ত্রমুলক মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে গত ১৪ মে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির এক জরুরী সভায় আগামী ১৯ মে থেকে সিলেট বিভাগে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন শ্রমিক কর্মবিরতির ডাক দেয়া হয়।

এর প্রেক্ষিতে এসএমপি কমিশনারের উদ্যোগে রোববার এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত সভায় এসএমপি কমিশনারের আশ্বাসে কর্মবিরতি ৬ জুন পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করা হয়।

» সিলেটে হকারদের অবস্থান ধর্মঘট; দাবি পূরণের আশ্বাসে ধর্মঘট প্রত্যাহার

Published: ১৭. মে. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ
জীবন ও জীবিকার স্বার্থে অন্তত বিকেল ৫টার পর ফুটপাতে ব্যবসা করার সুযোগ চেয়ে সিলেটে অবস্থান ধর্মঘট করেছেন হকাররা।

রোববার দুপুরে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে তৃণমূল হকার ঐক্য কল্যাণ পরিষদের ব্যানারে তারা এ কর্মসূচি পালন করেন।

এতে নগরের বিভিন্ন এলাকার শত শত হকার অংশ নেন। কর্মসূূচি চলাকালে হকারের হাতে ভাতের থালা দেখা যায়। অনেকের হাতে ছিল বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড। তাতে লিখা ছিল, ‘হকার বাঁচলে, বাঁচবে দেশ, তারেক জিয়ার বাংলাদেশ’।

পরে সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদি ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী সহ প্রশাসনের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে অবস্থান কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেন হকাররা।

এসময় সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদি বলেন, হকারদের দাবি নিয়ে আমরা সিলেটের মন্ত্রী মহোদয়ের সাথে আলাপ-আলোচনা করে সমাধানের চেষ্ঠা করবো।

কর্মসূচি চলাকালে হকার নেতৃবৃন্দ বলেন, সারাদিন ব্যবসা করার সুযোগ না থাকলেও অন্তত বিকেল ৫টার পর ফুটপাতে বসে জীবিকা নির্বাহের সুযোগ দেওয়া উচিত।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সময়ে একমাত্র আয়ের উৎস ফুটপাতের এই ছোট ব্যবসা বন্ধ হওয়ায় হকাররা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অত্যন্ত মানবেতন জীবনযাপন করছেন।

এহেন পরিস্থিতিতে অসহায় হয়ে আমাদের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গেছে। নেতৃবৃন্ধ আরো বলেন, বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না করে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলে বহু পরিবার চরম সংকটে পড়বে।

উচ্ছেদ অভিযানের সময় হকারদের সাথে দুর্ব্যবহার করা হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে মালামাল জব্দ করা হয়।

মানবিক দিক বিবেচনা করে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য হলেও ফুটপাতে ব্যবসার সুযোগ দেওয়ার জন্য আমরা প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।

তৃণমূল হকার ঐক্য কল্যাণ পরিষদের সংগ্রামী আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব রুহুল আমিন রুবেল এর পরিচালনায় অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন, খলিল মিয়া, আওয়াল হোসেন, মিজানুর রহমান, নাসির হোসেন, রুবেল ইসলাম, জাকির হোসেন, শাহ আলম, আব্দুশ শহিদ, জামাল উদ্দিন, হোসেন, আলো দাস, কৃষ্ণ, দেলোয়ার, বারেক আহমদ, তিলু মিয়া, নাহিদ মিয়া, আব্দুর রহিম, অপু মিয়া, রফিক, জুয়েল মিয়া, কাজল মিয়া, শাহাদাত হোসেন প্রমুখ।

» শ্রমিক নেতা সুরমান আলীর শয্যা পাশে স্কপ জেলা নেতৃবৃন্দ

Published: ১৭. মে. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ
শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ-স্কপ ও জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল সিলেট জেলা আহ্বায়ক সুরমান আলী গুরুত্বর অসুস্থ হয়ে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

রোববার (১৭ মে) সন্ধ্যা ৭টায় অসুস্থ শ্রমিক নেতা সুরমান আলী কে দেখতে হাসপাতালে যান শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ-স্কপ এর সিলেট জেলা নেতৃবৃন্দ।

এসময় নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা স্কপ এর সদস্য সচিব, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট এর জেলা সভাপতি আবু জাফর, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি সিকন্দর আলী, ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের এডভোকেট আনোয়ার হোসেন সুমন, ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবু কালাম আজাদ ও ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের সাধারণ সম্পাদক সাদেক হোসেন, বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম ও আব্দুর রউফ প্রমূখ।

শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ-স্কপ সিলেট জেলা নেতৃবৃন্দ শ্রমিক নেতা সুরমান আলীর চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং আশু রোগমুক্তি কামনা করেন।

» সিলেট মহানগর জামায়াতের রুকন সম্মেলন

Published: ১৬. মে. ২০২৬ | শনিবার

জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে জামায়াত  জনগণের পক্ষে কথা বলে যাবে : এ.টি.এম আজহার এমপি

নিউজ ডেস্কঃ
জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর এ.টি.এম আজহারুল ইসলাম এমপি বলেছেন, জামায়াত দায়িত্বশীলদের আত্মশুদ্ধি, শৃঙ্খলা, ত্যাগ ও নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন করতে হবে।
নিয়মিত সাংগঠনিক চর্চা, দাওয়াতি কার্যক্রম এবং জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধির মাধ্যমে কর্মীদের মধ্যে গতি, উদ্যম ও দায়িত্ববোধ বাড়াতে হবে। আমাদেরকে ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে পারিবারিক জীবন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে ইসলামের আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে কল্যাণমুখী সমাজ প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে। তাহলে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, অগ্রগতি ও কল্যাণ নিশ্চিত করা সম্ভব।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হওয়ার কারণে দেশে ফের গণতান্ত্রিক যাত্রা শুরু হয়েছে।

বিগত সংসদ নির্বাচনে জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে জামায়াতকে ভোট প্রদান করেছে। কিন্তু দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্র ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে গণরায় পাল্টে দেওয়া হয়েছে।
জনগণ বর্তমান সংসদের বিরোধী দল ও আদর্শিক দল হিসেবে জামায়াতের নেতৃত্বের অপেক্ষার প্রহর গুণছে। এ বিষয়টি মাথায় রেখে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে আমাদেরকে জনগণের পক্ষে কথা বলতে হবে। এক্ষেত্রে কোন আপস চলবেনা।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের স্বপ্ন পূরণে জামায়াত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
দেশে নতুন ফ্যাসিবাদ ঠেকাতে ও আগামী দিনের যেকোন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দেশপ্রেমিক জনতাকে ঐক্যবদ্ধ করতে জামায়াত দায়িত্বশীলদের অগ্রনী ভুমিকা পালন করতে হবে।

তিনি শনিবার (১৬ মে) সকালে সিলেট মহানগর জামায়াত আয়োজিত রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। সম্মেলনে সিলেট মহানগরীর আওতাধিন সকল রুকন অংশ নেন।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং মহানগর সেক্রেটারী মোহাম্মদ শাহজাহান আলীর পরিচালনায় নগরীর রিকাবীবাজারস্থ এম. সাইফুর রহমান অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও সিলেট জেলা আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান এবং সিলেট অঞ্চল টিম সদস্য হাফিজ আবদুল হাই হারুন।
দারসুল কুরআন পেশ করেন মধ্যপ্রাচ্য জামায়াতের দায়িত্বশীল মাওলানা আব্দুস সোবহান আজাদ।
বক্তব্য রাখেন, মহানগর নায়েবে আমীর হাফিজ মাওলানা মিফতাহুদ্দীন আহমদ ও ড. নূরুল ইসলাম বাবুল, সহকারী সেক্রেটারী এডভোকেট মোহাম্মদ আব্দুর রব, জাহেদুর রহমান চৌধুরী ও মাওলানা ইসলাম উদ্দিন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মজলুম জননেতা এ.টি.এম আজহারুল ইসলাম এমপি বলেন, সীমাহীন জুলুম-নির্যাতন, খুন-গুম ও শাহাদাতের বিনিময়ে জনগণের আস্তা অর্জনের মাধ্যমে জামায়াত আজকের অবস্থানে দাঁড়িয়েছে।

আদর্শিক মোকাবেলায় ব্যর্থ হয়ে শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে ফাঁসি দিয়ে ও কারাগারে নির্যাতন চালিয়ে শহীদ করা হয়েছে।
আমি নিজেও ফাঁসির কাষ্ঠ থেকে আজকে জনপ্রতিধি নির্বাচিত হয়ে আপনাদের সামনে এসে দাঁড়াতে পেরেছি।
এটাই আল্লাহর বিচার। কারণ আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাজ করি। দ্বীনের জন্য সবসময় জান ও মালের সাথে জীবন উৎসর্গ করাই ইসলামী আন্দোলনের শিক্ষা।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ইসলামী আন্দোলনের পথ জুলুম, নিপীড়ন ও শাহাদাতের পথ। সর্বোচ্চ ত্যাগের শপথ নিয়েই আমরা ইসলামী আন্দোলনে শামিল হয়েছি।

আজকের প্রধান অতিথি এ.টি.এম আজহার ভাই জীবন্ত শহীদ। আল্লাহ তাঁকে ফাঁসির সেল থেকে আবার ইসলামী আন্দোলনের ময়দানের জন্য ফিরিয়ে দিয়েছেন। সুতরাং আমাদেরকে ভয়ভীতি দেখিয়ে কোন লাভ নেই।
জামায়াতকে নিয়ে ষড়যন্ত্র হয়েছে, কিন্তু দমিয়ে রাখা যায়নি। জামায়াতের সর্বস্তরের জনশক্তি জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে। সামাজিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিলেট জেলা আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর জাতি একটি পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেছিলো। কিন্তু নতুন সরকার ক্ষমতায় গিয়ে ফের ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটতে শুরু করেছে।

তারা জুলাই সনদকে উপেক্ষা ও গণভোটের রায় বাতিলের মাধ্যমে ছাত্র-জনতার রক্তের সাথে প্রতারণা করেছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্খা পূরণ ও বৈষম্যহীন মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে জামায়াতের দায়িত্বশীলদের ময়দানের তৎপরতা বৃদ্ধি করতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন ও ন্যায়ভিত্তিক ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

অতীতে জুলুম-নিপীড়ন উপেক্ষা করে জামায়াত আর্ত মানবতার কল্যাণে সর্বোচ্চ ভুমিকা পালন করেছে। বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভুমিকা পালন করতে হবে।

» এমরান আহমদ চৌধুরী এমপি’র কাছে বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতির ৯ দফা দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি

Published: ১৬. মে. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট-৬ (বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরীর কাছে বিয়ানীবাজারের উন্নয়নকল্পে ৯ দফা সম্বলিত একটি স্মারকলিপি প্রদান করেছে বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতি সিলেট।

সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জুবায়ের আহমদ খান স্বাক্ষরিত এই পত্রে এলাকার দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যা নিরসন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের দাবি জানানো হয়।

স্মারকলিপিতে উল্লেখিত দাবিগুলো হলো, বিয়ানীবাজার উপজেলার সকল উন্নয়নমূলক কাজ এবং সরকারি সাহায্য বণ্টন প্রক্রিয়ায় সমিতিকে  সহযোগী হিসেবে সম্পৃক্ত করা। হয়।

সিলেট-সুতারকান্দি রাস্তার কাজ ত্বরান্বিত করা এবং সুতারকান্দি স্থল বন্দরকে আধুনিক ও উন্নত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া শেওলা-বিয়ানীবাজার-চারখাই অত্যন্ত ব্যস্ত সড়কটির প্রশস্ততা ৭-৮ ফুট থেকে বাড়িয়ে ১২-১৫ ফুটে উন্নীত করার দাবি জানানো সহ বিয়ানীবাজারের গ্রামীণ রাস্তাঘাট পাকাকরণ এবং পৌর শহরকে আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন নগরীতে রূপান্তরের দাবিও পত্রে স্থান পেয়েছে।

দীর্ঘদিনের পুরনো দাবি হিসেবে মেঘার খাল ব্রিজ এবং অবহেলিত করতী ব্রিজ নির্মাণের মাধ্যমে জনদুর্ভোগ লাঘবের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

পাশাপাশি দুবাগ-কুড়ার বাজার, শেওলা, চারখাই, আলীনগর ও বারহাল ইউনিয়নের সমন্বয়ে চারখাইকে পৃথক থানায় উন্নীত করার জোরালো দাবি জানানো হয়।

১৯৬৪ সাল থেকে পরিচালিত এই ঐতিহ্যবাহী সংগঠনটি দীর্ঘ ৬০ বছরেও সিলেট শহরে নিজস্ব কোনো স্থায়ী ঠিকানা গড়ে তুলতে পারেনি।

সমিতির জন্য একটি স্থায়ী কার্যালয় বা ভবন গড়ে তুলতে সংসদ সদস্যের আন্তরিক সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

সমিতির নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন যে, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য তাঁর গতিশীল নেতৃত্বে বিয়ানীবাজারবাসীর এই ন্যায্য দাবিগুলো বাস্তবায়নে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতি সিলেট-এর সভাপতি ডা. এম. ফয়েজ আহমদ, সহ-সভাপতি তোফায়েল আহমদ খান, মুছলেহ উদ্দিন খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আহাদ, অর্থ সম্পাদক কবির আহমদ সিদ্দিকি, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট আহমদ রেজা, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সোলেমান আহমদ, দপ্তর সম্পাদক মোঃ রাজ্জাকুজ্জামান চৌধুরী, সদস্য এমাদ হোসেন চৌধুরী, মো. হানিফ আহমদ, জাকির হোসেন খান, শহীদুল হাসান, মাহবুব আহমদ মুক্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ময়নুল ইসলাম, আবুল ফজল মো. আরিফ, সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, এডভোকেট আব্দুল মুকিত অপি, হোটেল স্টার প্যাসিফিক এর চেয়ারম্যান ফখর উদ্দিন আলী আহমদ, ফালাহ উদ্দিন আলী আহমদ এবং বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতি সিলেটের নেতৃবৃন্দ ও এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

» সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৯ শ্রমিক পরিবারের পাশে এসনিক

Published: ১৬. মে. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের তেলী বাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত নয় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে এসিড সন্ত্রাস নির্মূল কমিটি (এসনিক)।

ভোরের সড়কে প্রাণ হারানো শ্রমিকদের পরিবারগুলো যখন দিশেহারা, তখন এই সংগঠনের সহযোগিতা তাদের মুখে ফুটিয়েছে একটুখানি আশার আলো।  মানবিক এই উদ্যোগে ভরসা খুঁজে পেল স্বজনরা।

গত ৩ মে আম্বরখানা থেকে লালাবাজারে কাজে যাওয়ার পথে নির্মাণ শ্রমিকদের বহনকারী একটি পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষে নয়জন শ্রমিক প্রাণ হারান।

নিহতদের মধ্যে ছিলেন দুই নারী শ্রমিক এবং একই পরিবারের দুই ভাই। জীবিকার একমাত্র ভরসা হারিয়ে অনেক পরিবার এখন অনিশ্চয়তার অন্ধকারে।

শনিবার (১৬ মে) দুপুরে নগরীর জেলরোডে একটি রেস্তোরাঁয় নিহত পরিবারের সদস্যদের হাতে আর্থিক সহযোগিতা তুলে দেয় এসনিক।

সাংবাদিক ফয়সল আহমদ বাবলুর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক জুরেজ আব্দুল্লা গুলজার।

সাংবাদিক তাইনুল ইসলামের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর মাহবুব।

এসময় স্বজন হারানো ৯ পরিবারের লোকজন কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তাদের কান্নায় অনুষ্টানে আগত অনেকেই চোখে জল ধরে রাখতে পারেন নি।

নিহত নার্গিসের ১২ বছরের মেয়ে মোহিনী কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে। সে তার মাকে ফেরত চায়। তার এই বক্তব্যে উপস্থিত সকলের মনে দাগ কাটে।  বাবা-মা হীন নিহত মনি বেগমের তিন সন্তানকে নিয়ে এসেছিলেন বৃদ্ধা নানী।

তিনি বললেন যে যাওয়ার চলে গেছে; এখন যারা বেঁচে আছেন তাদের প্রতি সহানুভূতির আহবান জানান। একইভাবে সেদিন মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসা হাফিজা বেগম বক্তব্য দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। ওই ঘটনায় তার স্বামী প্রান হারান।

হাফিজা বলেন, আমি মৃত্যুকে দেখলাম খুব কাছ থেকে। ওই দিন আমার স্বামী বদরুল আমিন তার পাশেই বসা ছিলেন।

গাড়ি যখন উল্টে যায় তখন তার স্বামী তাকে ধাক্কা দেন। তখন মিক্সার মেশিন  অনেকের উপর গড়িয়ে পড়ে। আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি।

সেদিন কোন রকম বেঁচে গেছি এখন চার সন্তান নিয়ে অন্ধকার দেখছি। আগে দুজন মিলে পরিবার সামলেছি এখন এই সন্তানদের সবই আমার উপর। এছাড়াও অপরাপর ৬ নিহত পরিবারের সদস্যরা সহযোগিতার আহবান জানান।

সাধারণ সম্পাদক জুরেজ আব্দুল্লাহ গুলজার বলেন, কোনো কিছুর বিনিময়ে একটি প্রাণ ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। তবে যারা স্বজন হারিয়েছেন, তাদের পাশে আমাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। সমাজের সামর্থ্যবানদের প্রতি আহ্বান জানাই, অসহায় এই পরিবারের পাশে দাঁড়ান।

সভাপতি ফয়সল আহমদ বাবলু বলেন, শ্রমিকরা আমাদের দেশের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি। তাদের ঘাম ও শ্রমে দাঁড়িয়ে আছে দেশের অবকাঠামো।

অথচ মৃত্যুর পর তারা হয়ে ওঠেন অদৃশ্য। নিহত পরিবারের পাশে সরকারের সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা জরুরি। এসনিকের সদস্যরা তাদের পাশে থেকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ঘোষনা দেন।

নিহত পরিবারের সদস্যরা এসনিকের সহযোগিতায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তাদের চোখে অশ্রু থাকলেও এই সহায়তা এনে দিয়েছে একটুখানি স্বস্তি।

» ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের লিফলেট বিতরণ আগামীকাল

Published: ১৬. মে. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ
‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যকে সামনে রেখে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের উদ্যোগে আগামীকাল রবিবার (১৭ মে) লিফলেট বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

শনিবার (১৬ মে) এক যৌথ বিবৃতিতে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এই কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেন।

বিবৃতিতে তাঁরা উল্লেখ করেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) অক্ষরে অক্ষরে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এরই ধারাবাহিকতায় এই জনসচেতনতামূলক কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে।

কর্মসূচির বিবরণ:
স্থান: মধুবন সুপার মার্কেটের সম্মুখভাগ, সিলেট।
সময়: আগামীকাল রবিবার, বিকেল ৪টা।

উক্ত লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি সফল ও সার্থক করার লক্ষ্যে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের আওতাধীন সকল ইউনিটের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়েছে।

যৌথ বিবৃতিতে এই আহ্বান জানান, সিলেট জেলা যুবদলের সভাপতি এডভোকেট মোমিনুল ইসলাম মোমিন, সিলেট মহানগর যুবদলের সভাপতি শাহ নেওয়াজ বক্ত চৌধুরী তারেক, সিলেট জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মকসুদ আহমদ এবং সিলেট মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মির্জা মো. সম্রাট হোসেন।

নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, দলের সকল স্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আগামীকালকের এই কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হবে।

» সিলটি পাঞ্চায়িত কেন্দ্রীয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

Published: ১৬. মে. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট বিভাগের রাজনৈতিক সংগঠন সিলটি পাঞ্চায়িত কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৬ মে) বিকেলে নগরীর বন্দরবাজারস্থ মধুবন সুপার মার্কেটের ৫তলাস্থ কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমদ চৌধুরী সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সম্পাদক কবি কামাল আহমদের পরিচালনায় সাধারণ সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা জিলাল আহমদ, যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ ফেরদৌস আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট ওয়ারিছ আলী মামুন, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মো. আমিনুজ্জামান চৌধুরী, সালেহ আহমদ, ছড়াকার সাজ্জাদ আহমদ সাজু, আফসার আহমদ, মোহাম্মদ ফোরকান মিয়া, জোবায়দা বেগম আখি, মো. নজরুল ইসলাম, মোহাম্মদ শাহ আলম, মো. আফরোজ তালুকদার, মো. বাহার উদ্দিন বাহার প্রমুখ।

সাধারণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে নাসির উদ্দিন আহমদ চৌধুরী বলেন, দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় সিলেট বিভাগ সবসময়ই উন্নয়ন বৈষম্যের শিকার।

অন্যান্য বিভাগে হাজার হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন হলেও সিলেট বিভাগের উন্নয়নের ক্ষেত্রে সকল সরকার বিমাতাসুলভ আচরণ করেছেন।

তিনি আরো বলেন, সিলেট বিভাগ প্রবাসী-অধ্যুষিত অঞ্চল। প্রবাসী ও স্থানীয়দের যাতায়াতের সুবিধার্থে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সরাসরি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রুটে নিয়মিত ফ্লাইট ওঠানামার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।

সিলেটের সড়ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থার চরম বেহাল দশা। এই করুণ দশা থেকে উত্তরণের জন্য দ্রুত এবং কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, সিলেট অঞ্চলের নদীগুলো মাটি জমে ভরাট হয়ে গেছে।

তাই জলাবদ্ধতা ও বন্যা দূরীকরণে ও ধান-ফসলি জমির সুরক্ষার লক্ষ্যে সিলেট বিভাগের নদীগুলো নিয়মিত খনন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

বক্তারা আরো বলেন, সিলেট বিভাগের সকল সরকারি দপ্তরে স্থানীয় সিলেট বিভাগের যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার প্রদান করতে হবে।

বক্তারা বর্তমান সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়ে বলেন, আমরা সিলেটবাসী সবসময় বৈষম্যের শিকার হচ্ছি।

আশা করি বর্তমান সরকার সিলেটের উন্নয়নের ব্যাপারে কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে প্রত্যাশা করি।

Callender

May 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031