- পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে সিলেটের কাকুয়ার পারে বর্ণাঢ্য র্যালি
- ৩ দিনের মধ্যে ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় না আনলে বৃহত্তর আন্দোলনে যাবে এলাকাবাসী
- কোনভাবেই কাউকে নিপীড়িত হতে দেব না : সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী
- বিয়ানীবাজারে বাংলার চিরায়ত সংস্কৃতি নৌকাবাইচে উপস্থিত হয়ে অনুপ্রেরণা যোগালেন এমপি এমরান চৌধুরী
- সানিহিল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পুরস্কার বিতরণ
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী
- নজরুলের সাহিত্য ও সংগীত দুই বাংলার বন্ধন সুদৃঢ় করেছে : সিসিক প্রশাসক
- স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে এসএসসি কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান
- সিলেটে শুক্রবার বর্ণাঢ্য আয়োজনে বলরাম জয়ন্তী ও ঝুলনযাত্রার সমাপনী
- শেকড় থেকে শিখরে পৌঁছা পর্যন্ত লক্ষে অটুট থাকতে হবে : অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাসুদ রানা
» পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে সিলেটের কাকুয়ার পারে বর্ণাঢ্য র্যালি
Published: ২৮. আগ. ২০২৬ | শুক্রবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সদর উপজেলার কাকুয়ার পার এলাকাবাসীর উদ্যোগে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার জুমার নামাজের পর কাকুয়ার পার পয়েন্ট থেকে র্যালিটি বের হয়। এতে এলাকার শতাধিক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশ নেন।
মহানবীর (সা.) উপর দুরুদ আর সালামের মধুর সূরে র্যালিটি সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ মহাসড়কের বাইপাস পয়েন্ট প্রদক্ষিণ করে পুনরায় কাকুয়ার পার পয়েন্টে এসে শেষ হয়।
পরে কাকুয়ার পার পয়েন্টে এলাকার প্রবীণ মুরব্বি জহির আলীর সভাপতিত্বে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বক্তারা পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর তাৎপর্য তুলে ধরে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানান।
বক্তারা বলেন, মহানবী (সা.)-এর শানে কটূক্তি করে তাঁর মর্যাদা ও সম্মানে কোনো প্রভাব ফেলা সম্ভব নয়।
ইতিহাসে কটূক্তিকারীদের পরিণতি থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তাঁরা বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ মানবজাতির জন্য শান্তি, মানবতা ও ন্যায়বিচারের অনন্য দৃষ্টান্ত। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করলেই সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মাওলানা আব্দুল খালিক (বড় হুজুর), মাওলানা ফয়ছল আহমদ নোমানী, মাওলানা আব্দুল হক্ব, ক্বারী সালেহ আহমদ, ক্বারী দেলোয়ার আহমদ নোমান, ক্বারী কামরুল ইসলাম, মফিজ মিয়া, মুক্তার হোসেন, এবাদুর রহমান, কামরুল ইসলাম, আব্দুল বাসিত, ইব্রাহিম আলী ও মতিউর রহমান শাওন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, আরমান আলী, রেজওয়ান, মুন্না, আব্দুল জব্বার, আল-আমিন, আজির, রুহুল আমিন ও মাদ্রাসার ছাত্রসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।
» ৩ দিনের মধ্যে ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় না আনলে বৃহত্তর আন্দোলনে যাবে এলাকাবাসী
Published: ২৮. আগ. ২০২৬ | শুক্রবার
কান্নাজড়িত কণ্ঠে নিহত মা-বাবার হত্যাকারীদের বিচার দাবি প্রবাসী কন্যাদের
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের রায়নগরের চাঞ্চল্যকর ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মানববন্ধনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে নিহত দম্পতির কন্যারা তাদের মা-বাবার হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ও সমাজসেবক হেলাল চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী সোহাগ আহমদের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন নিহত দম্পতির কন্যা তাহমিনা সাত্তার এনি ও সেলিনা সুলতানা শিখা।
মানববন্ধনে নিহত পরিবারের সদস্যরা বলেন, গত ১২ আগস্ট সিলেট নগরীর রায়নগরের মিতালী এলাকায় অত্যন্ত নৃশংসভাবে তিনজন মানুষকে হত্যা করা হয়।
তারা বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন কারণের কথা বলা হয়েছে।
নিহতদের কন্যারা বলেন, একেক সময় একেক ধরনের বক্তব্য আসায় হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ নিয়ে তাদের মধ্যে গভীর সংশয় তৈরি হয়েছে।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ঘটনার প্রায় তিন সপ্তাহ অতিবাহিত হলেও মামলার তদন্তে দৃশ্যমান কোন অগ্রগতি নেই।
সভাপতির বক্তব্যে যুক্তরাজ্য প্রবাসী সমাজসেবক হেলাল চৌধুরী বলেন, তিনজন মানুষের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে একেক সময় একেক ধরনের বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, যা সাধারণ মানুষকে হতাশ করেছে।
হেলাল চৌধুরী আরও বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে জায়গা-সম্পত্তি কিংবা অন্য কোন বিরোধের যোগসূত্র রয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, রংপুরের একটি ঘটনায় তিন দিনের মধ্যে তদন্ত সংস্থা পরিবর্তন করা হলেও সিলেটের মতো একটি ন্যক্কারজনক হত্যাকাণ্ডের প্রায় তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও তদন্তে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি নেই। এতে নিহত পরিবারের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
তারা আরও বলেন, আমরা কোন নির্দোষ ব্যক্তিকে হয়রানি কিংবা সাজা দেওয়ার পক্ষে নই। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যারা প্রকৃতপক্ষে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং আদালতের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
এ সময় বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আগামী তিন দিনের মধ্যে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে তদন্তে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
মানববন্ধনে এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বি মিল্লাত আহমেদ, সুয়েব আহমদ, রুবেল আহমেদ, ফাহিদ আহমদ, তানভীর আহমদ সহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
» কোনভাবেই কাউকে নিপীড়িত হতে দেব না : সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী
Published: ২৮. আগ. ২০২৬ | শুক্রবার
নিউজ ডেস্কঃ
‘প্রত্যেক মানুষ নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করবেন, নিজ নিজ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান থাকবে-কোনভাবেই কাউকে নিপীড়িত হতে দেব না।’
সিলেটে শ্রীশ্রী বলরাম জয়ন্তী ও ঝুলনযাত্রার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেছেন, সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সিলেটের ইসকন মন্দিরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীশ্রী বলরাম জয়ন্তী, শ্রীশ্রী রাধা-মাধবের শ্রীবিগ্রহ প্রতিষ্ঠার চতুর্থ বর্ষপূর্তি ও ঝুলনযাত্রার সমাপনী উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রত্যেক মানুষের নিজ নিজ ধর্ম ও বিশ্বাস পালনের অধিকার রয়েছে।
সবাইকে নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণভাবে বসবাসের সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর। মানুষের প্রয়োজন অনুযায়ী সহযোগিতার পাশাপাশি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক স্থাপনা নির্মাণেও সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।
ইসকনের সদস্যদের নিয়ে বিভিন্ন সময় ভুল ব্যাখ্যা দেওয়া হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনো সম্প্রদায়ের প্রতি বৈষম্য করা হবে না। সিলেটের উন্নয়ন ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে ইসকন বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক শ্রীমৎ ভক্তিময় নিতাই স্বামী মহারাজ উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতিত্ব করেন, ইসকন বাংলাদেশের সহ সভাপতি ও ইসকন সিলেটের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ ভক্তি অদ্বৈত নবদ্বীপ স্বামী মহারাজ।
সভাপতির বক্তব্যে শ্রীমৎ ভক্তি অদ্বৈত নবদ্বীপ স্বামী মহারাজ ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও মানবিক মূল্যবোধের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। শ্রীশ্রী বলরাম জয়ন্তীর শিক্ষা ধারণ করে মানুষের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, দেবামৃত নিতাই দাস ব্রহ্মচারী।
এ সময় ইসকন বাংলাদেশের ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিকেশন বিভাগের চেয়ারম্যান হৃষিকেশ গৌরাঙ্গ দাস, ইসকন বাংলাদেশের রিসলভের চেয়ারম্যান যুগধর্ম দাস অধিকারী, ইসকন সিলেট বিভাগীয় কমিটির বিবাহ ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় সম্পাদক বলদেব কৃপা দাস অধিকারী, ইসকন সিলেট বিভাগীয় কমিটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও সমাজসেবা বিভাগের বিভাগীয় সম্পাদক বুদ্ধি গৌর দাস অধিকারী সহ ইসকন বাংলাদেশের ও সিলেটের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে শুরু হয় উৎসবের বিভিন্ন আয়োজন। শ্রীশ্রী বলরাম জয়ন্তী ও ঝুলনযাত্রার সমাপনী উপলক্ষে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হয় গৌর আরতি। এরপর রাত সাড়ে ৯টায় পরিবেশিত হয় মণিপুরি রাসনৃত্য।
রাত ১২টায় অনুষ্ঠিত হবে লীলা-কীর্তন। এতে পরিবেশনা করবে বালাগঞ্জের শ্রীশ্রী রাধা-শ্যামসুন্দর সম্প্রদায়। সার্বিক লীলা-কীর্তন পরিবেশন করবেন রতিশ দাস।
ধর্মীয় আলোচনা, কীর্তন, গৌর আরতি, নৃত্য ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় শ্রীশ্রী বলরাম জয়ন্তী, শ্রীশ্রী রাধা-মাধবের শ্রীবিগ্রহ প্রতিষ্ঠার চতুর্থ বর্ষপূর্তি ও ঝুলনযাত্রার সমাপনী পর্ব।
» বিয়ানীবাজারে বাংলার চিরায়ত সংস্কৃতি নৌকাবাইচে উপস্থিত হয়ে অনুপ্রেরণা যোগালেন এমপি এমরান চৌধুরী
Published: ২৮. আগ. ২০২৬ | শুক্রবার
নিউজ ডেস্কঃ
উদ্বেগ-উত্তেজনা পেরিয়ে অবশেষে সিলেটের বিয়ানীবাজারে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলার চিরায়ত ঐতিহ্য নৌকাবাইচ।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার লাউতা ইউনিয়নের সুনাই নদীর তৃগাংগারমুখ এলাকায় এ বাইচ অনুষ্ঠিত হয়।
এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ সংস্কৃতি-আয়োজনে উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন, সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বাইচ উপভোগ করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাবিবা মজুমদার, বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ আবু জাফর মো. মাহফুজুল করিম, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা এম এ বাতিন, বিয়ানীবাজার উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আহমদ রেজা ও লাউতা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো. গৌছ উদ্দিন।
সিলেটের বিয়ানীবাজার ও মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার সীমান্তবর্তী সোনাই নদীতে অনুষ্ঠিত নৌকাবাইচে কোনো নৌকা বিজয়ী হয়নি।
এই প্রতিযোগিতায় সিলেটের গোলাপগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা থেকে তিনটি নৌকা অংশ নেয়। নৌকাবাইচ দেখতে দুই উপজেলার হাজারো মানুষ নদীর দুই তীরে ভিড় করেন।
বিকাল সাড়ে ৪টায় প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া নৌকাগুলোর নাম ‘স্বাধীন বাংলা’, ‘বাঘ’ ও ‘পাগলা নাও’। নৌকাগুলোর হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দর্শকদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ তৈরি করে।
সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরীও নৌকাবাইচ দেখতে উপস্থিত ছিলেন।
দুপুরের পর থেকেই সোনাই নদীর দুই তীরে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়তে থাকে। নারী, পুরুষ ও শিশু সহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ নৌকাবাইচ দেখতে জড়ো হন।
দূর-দূরান্ত থেকেও অনেকে আসেন। মাঝিদের বৈঠার ছন্দ ও দ্রুতগতির নৌকা ঘিরে নদীর দুই পাড়ে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
এর আগে নৌকাবাইচ আয়োজন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। স্থানীয় তৌহিদী জনতার ব্যানারে কয়েকজন ব্যক্তি নৌকাবাইচ বন্ধের দাবি জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখালেখি ও সভা করেন।
বিষয়টি জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে এলাকায় সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি সমাধানে বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে হাবিবা মজুমদার লাউতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলওয়ার হোসেনকে দায়িত্ব দেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার রাতে চেয়ারম্যান দেলওয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে উপজেলার বারইগ্রাম বাজারে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও যুবসমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। আলোচনার মাধ্যমে উদ্ভূত ভুল বোঝাবুঝির অবসান হয়।
পরে লাউতা ইউনিয়নের লাউতা ও বাহাদুরপুর গ্রামের যুবসমাজের উদ্যোগে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হয়।
» সানিহিল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পুরস্কার বিতরণ
Published: ২৭. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
বিশিষ্ট ভূ-বিজ্ঞানী, মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ও সানিহিল স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আব্দুর রব বলেছেন, জীবনে সফল হতে হলে একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমেও শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত হতে হবে।
» আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী
Published: ২৭. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
» নজরুলের সাহিত্য ও সংগীত দুই বাংলার বন্ধন সুদৃঢ় করেছে : সিসিক প্রশাসক
Published: ২৭. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন সময়ের কবি, বিদ্রোহের কবি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার কবি। তাঁর সৃষ্টিকর্ম ভারত ও বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বাংলা ভাষাভাষী মানুষের কাছে সমানভাবে সমাদৃত।
সাম্য, মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের যে চেতনা তিনি তাঁর সাহিত্য ও সংগীতে ধারণ করেছেন, তা আজও আমাদের অনুপ্রাণিত করে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় সিলেটে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ঐতিহাসিক সফরের শতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে সিলেটে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন আয়োজিত ‘কাজী নজরুল ইসলাম স্মরণ সন্ধ্যা’য় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে সিলেটের সম্পর্ক আমাদের সাংস্কৃতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ১৯২৪ সালে প্রথমবার সিলেটে এসে তিনি সিংহবাড়িতে অবস্থান করেন।
পরবর্তীতে ১৯২৬ সালেও তিনি সিলেট সফর করেন। তাঁর সিলেট আগমন শুধু একটি ঐতিহাসিক ঘটনা নয়; এর সঙ্গে সিলেটের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনারও গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
তিনি বলেন, নজরুলের সিলেট আগমনের শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন সিলেটবাসীর জন্য গৌরবের বিষয়। সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে এ ঐতিহাসিক ঘটনাকে যথাযথভাবে স্মরণ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এ লক্ষ্যে সিলেটের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সাহিত্যিক, শিল্পী, গবেষক ও নজরুলপ্রেমীদের নিয়ে একটি উদযাপন কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির মাধ্যমে কবির সিলেট আগমনের শতবর্ষকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী আরও বলেন, কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতি ও সৃষ্টিকর্ম নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
সিলেটের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সঙ্গে নজরুলের স্মৃতিকে আরও গভীরভাবে যুক্ত করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তা সংরক্ষণ ও তুলে ধরতে সিটি কর্পোরেশন কাজ করবে।
তিনি বলেন, নজরুলের জীবন ও দর্শনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সম্প্রীতি ও মানবতা। ধর্ম-বর্ণের বিভেদ ভুলে মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সাম্যের যে বার্তা তিনি দিয়েছেন, বর্তমান সময়েও সেই চেতনার চর্চা অত্যন্ত জরুরি।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য সিলেটে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে সিসিক প্রশাসক বলেন, নজরুলের সাহিত্য ও সংগীত দুই বাংলার মানুষের সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করেছে। তাঁর স্মৃতিকে ধারণ করে এ ধরনের আয়োজন দুই দেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও সমৃদ্ধ করবে।
সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে আয়োজিত ‘সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যে নজরুল’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন, পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেক, বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী হিমাংশু বিশ্বাস, লেখক নিরঞ্জন দে ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মাসুদ রানা।
কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
অতিথিদের উত্তরীয় পরিয়ে বরণ এবং স্বাগত বক্তব্য দেন, সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাশ।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাচিক শিল্পী জান্নাতুল নাজনীন আশা।
শুভেচ্ছা বক্তব্যের পর শুরু হয় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। বুলবুল ললিতকলা একাডেমির শিল্পীরা বিপ্রদাস ভট্টাচার্যের পরিচালনায় সংগীত পরিবেশন করেন।
নীলাঞ্জনা জুঁইয়ের পরিচালনায় নৃত্য পরিবেশন করেন, নৃত্যশৈলীর শিল্পীরা। এ ছাড়া বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করেন।
অনুষ্ঠানে শিল্পী, সাহিত্যিক, গণমাধ্যমকর্মী, সংস্কৃতিকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
» স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে এসএসসি কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান
Published: ২৭. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
জিপিএ-৫ নয়, সুশিক্ষায় আলোকিত সুনাগরিক হও : প্রফেসর ড. মো. দীদার চৌধুরী
নিউজ ডেস্কঃ
স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজের এসএসসি পরীক্ষা-২০২৬-এ জিপিএ-৫-সহ অর্জনকারী কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) কলেজ প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
পবিত্র কুরআন থেকে মোতাসিন উদ দৌল্লাহ ও পবিত্র গীতা থেকে সুসমিতা সিনহার ভক্তিপূর্ণ পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
এরপর স্বাগত বক্তব্য রাখেন, কলেজের একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর ও রসায়ন বিভাগের প্রধান কাজী সাখাওয়াত হোসেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি), সিলেট অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. দীদার চৌধুরী।
তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর জ্ঞান ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ হয়ে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। আজকের কৃতি শিক্ষার্থীরাই আগামীর বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে।
অনুষ্ঠানের ‘গেস্ট অব অনার’ স্কলার্সহোমের একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর জয়নুল আবেদীন চৌধুরী বলেন, জিপিএ-৫ অর্জনের মধ্য দিয়ে সাফল্যের চূড়ান্ত পথ শেষ হয়ে যায় না; এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক মাত্র।
পরিবর্তনশীল বিশ্বে মেধার পাশাপাশি প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও বিনয় বজায় রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানের সভাপতি ও স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক বলেন, আমাদের লক্ষ্য কেবল ভালো ফল অর্জন করা নয়, বরং শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।
প্রকৃত শিক্ষা তখনই সার্থক হয় যখন মেধার সাথে সৎ চরিত্র, নৈতিকতা ও দেশপ্রেম যুক্ত হয়।
অনুষ্ঠানে কলেজের পক্ষ থেকে প্রধান অতিথি প্রফেসর ড. মো. দীদার চৌধুরীকে বিশেষ সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন, অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক।
অভিভাবকদের পক্ষে রিপন সূত্রধর এবং কৃতি শিক্ষার্থীদের পক্ষে রোজয়ানা হালিম তাহিয়া ও অহনা সূত্রধর অনুভূতি ব্যক্ত করেন।
শ্রেণি শিক্ষকদের মধ্য থেকে আইসিটি বিভাগের প্রধান ও প্রভাষক এস এম আবু সায়েম এবং জীববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন।
ইংরেজি বিভাগের সিনিয়র প্রভাষক মোহিয়ারা বেগম এবং বাংলা বিভাগের প্রভাষক মো. মাহবুবুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, প্রাথমিক শাখার উপাধ্যক্ষ নাহিদা খান।
আলোচনা সভা শেষে অতিথিবৃন্দ কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে সাফল্য ও শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।
» সিলেটে শুক্রবার বর্ণাঢ্য আয়োজনে বলরাম জয়ন্তী ও ঝুলনযাত্রার সমাপনী
Published: ২৭. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট নগরীর ইসকন মন্দির প্রাঙ্গণে আগামীকাল শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হবে শ্রীশ্রী বলরাম জয়ন্তী, শ্রীশ্রী রাধা-মাধবের শ্রীবিগ্রহ প্রতিষ্ঠার ৪র্থ বর্ষপূর্তি এবং ঝুলনযাত্রা উৎসবের সমাপনী পর্ব।
সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে শ্রী বলরাম-কথা। এতে আলোচনা করবেন ইসকন বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক ও ইসকন স্বামীবাগ আশ্রম (ঢাকা)-এর অধ্যক্ষ শ্রীমৎ ভক্তিময় নিতাই স্বামী মহারাজ।
সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে মহা-অভিষেক অনুষ্ঠান। বেলা ১২টায় থাকবে দ্বিতীয় পর্বের বলরাম-কথা।
দুপুর দেড়টায় ভক্তদের মাঝে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হবে। এরপর দুপুর ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে টানা প্রেমধন কীর্তন।
বিকাল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে বিশেষ আলোচনা সভা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
সভায় সভাপতিত্ব করবেন, ইসকন বাংলাদেশের সহ-সভাপতি ও ইসকন সিলেট মন্দিরের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ ভক্তি অদ্বৈত নবদ্বীপ স্বামী মহারাজ।
একই সময়ে শ্রীশ্রী রাধা-মাধবকে ঝুলনে আরোহন করানোর মধ্য দিয়ে এবারের ঝুলনযাত্রা উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠিত হবে।
সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে মহা-আরতি। রাত ৯টা ৩০ মিনিটে থাকবে মণিপুরি রাসনৃত্য পরিবেশনা।
রাত ১২টায় অনুষ্ঠিত হবে লীলা-কীর্তন। এতে পরিবেশনা করবে বালাগঞ্জের শ্রীশ্রী রাধা-শ্যামসুন্দর সম্প্রদায়। সার্বিক লীলা-কীর্তন পরিবেশন করবেন রতিশ দাস।
ইসকন সিলেট মন্দিরের যোগাযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক সিদ্ধ মাধব দাস বলেন, “তিনটি বিশেষ আয়োজনকে ঘিরে এবার আমাদের ব্যাপক প্রস্তুতি রয়েছে।
সিলেটবাসী ও ভক্তদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উৎসবটি আরও আনন্দময় ও সার্থক হবে বলে আশা করছি।”
ইসকন বাংলাদেশের সহ-সভাপতি ও ইসকন সিলেট মন্দিরের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ ভক্তি অদ্বৈত নবদ্বীপ স্বামী মহারাজ বলেন, “ভগবানের মহিমা ও পারমার্থিক এই উৎসবের শেষদিনে সবাইকে সাদর আমন্ত্রণ জানাই।
সকলের অংশগ্রহণে উৎসবটি সুন্দর ও আনন্দময় হয়ে উঠবে।”
» শেকড় থেকে শিখরে পৌঁছা পর্যন্ত লক্ষে অটুট থাকতে হবে : অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাসুদ রানা
Published: ২৭. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
স্কলারশীপ পাওয়া ৬ শিক্ষার্থী সংবর্ধিত
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মাসুদ রানা বলেছেন, শেকড় থেকে শিখরে পৌঁছা পর্যন্ত লক্ষে অটুট থাকতে হবে নতুবা স্বপ্নপূরণ সম্ভব নয়।
দ্যা আল ক্যামিস্টে একটা বিখ্যাত কথা আছে ‘তুমি যখন কোন কিছু মন থেকে চাও, তখন পুরো মহাবিশ্ব সেটা তোমাকে পাইয়ে দেওয়ার জন্য সাহায্য করবে’।
অর্থাৎ তুমি যা হতে চাইবে সৃষ্টিকর্তা তোমাকে সেভাবেই গড়ে তোলার জন্য পৃথিবীর সবকিছু দিয়ে সাহায্য করবেন।
নিশ্চয়ই আল্লাহ কারোও সাধ্যের অতীত কোন দায়িত্ব দেন না। তোমরা কলেজ, অভিভাবক, দেশ এবং সারাবিশ্বে একদিন বড় অবদান রাখবে, এই প্রত্যাশা রাখি।
তিনি এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন হতে উইমেন্স মডেল কলেজের ৬ জন শিক্ষার্থীর স্কলারশীপ পাওয়া উপলক্ষে আয়োজিত স্বপ্নজয়ের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
তিনি বলেন, আমরা সচরাচর দেখে থাকি এইচএএসসির পর শিক্ষার্থীরা নিজ দায়িত্বে বিশ্ববিদ্যালয় বা উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কিন্তু উইমেন্স মডেল কলেজ শিক্ষার্থীদেরকে ছেড়ে না দিয়ে তাদেরকে নার্সিং করছে, স্বপ্নের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে, যা অবশ্যই প্রসংশার দাবী রাখে।
৬ জন শিক্ষার্থীর এশিয়ান ইউনিভার্সিটিতে ফুলফান্ডে স্কলারশিপ পাওয়ার পিছনে সবচেয়ে বেশি অবদান উইমেন্স মডেল কলেজের।
নারীশিক্ষার জন্য যে পরিকল্পনা এবং উদ্যোগ এই কলেজ গ্রহণ করেছে তা সিলেটবাসীর জন্য গর্বের বিষয়।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মালঞ্চ কমিউনিটি সেন্টারে সকাল ১১টায় ইএসডি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মনসুর আহমদ লস্করের সভাপতিত্বে এবং পৌরনীতি ও সুশাসন বিভাগের সিনিয়র প্রভাষক হেলাল হামামের সঞ্চালনায় শুরু হওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন, চিফ একাউন্টস অফিসার ছালেহ আহমদ।
স্বাগত বক্তব্য নিয়ে আসেন, উইমেন্স মডেল কলেজের উপাধ্যক্ষ জাকিয়া সুলতানা এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, কলেজ অধ্যক্ষ আব্দুল ওয়াদুদ তাপাদার।
এরপর একে একে কৃতি শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
৬ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে স্বপ্নজয়ের অনুভূতি প্রকাশ করেন, যথাক্রমে সুমাইয়া খান রুবাইয়া, মেরিন জামান রুহি, মুমতাহিনা তানহা, সোহানা আক্তার, আয়শা সিদ্দিকা, নাফিসা সাব্বির চৌধুরী।
উল্লেখ্য যে, ২০২৫ সালেও এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন থেকে উইমেন্স মডেল কলেজের দুইজন শিক্ষার্থী- তাছলিমা খানম ও তাওহিদা বুশরা তালুকদার স্কলারশীপ অর্জন করে।
পাশাপশি গত বছর Emerging Women Leader in STEM Award অর্জনকারী নাবিহা সাব্বির চৌধুরীরকেও এই অনুষ্ঠানে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, শেভরন বাংলাদেশ ম্যানেজার, ফিল্ড কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স খন্দকার তুষারুজ্জামান এবং ইএসডি ফাউন্ডেশনের ভাইস-চেয়ারম্যান জেএমএইচজে ফেরদৌস। খন্দকার তুষারুজ্জামান তাঁর বক্তব্যে শেভরনের এই উদ্যোগকে কাজে লাগানোর জন্য উইমেন্স মডেল কলেজের শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানান।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও শেভরন কর্তৃক নারী শিক্ষার উন্নয়নে গৃহীত সকল উদ্যোগে উইমেন্স মডেল কলেজ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করবে।
কলেজ অধ্যক্ষ আব্দুল ওয়াদুদ তাপাদার তার বক্তব্যে শেভরন বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, শেভরন Emerging Women Leader in STEM Award প্রোগ্রামে শিক্ষার্থীদের স্পন্সর না করলে আজকের এই স্কলারশীপ অর্জন সম্ভব হত না।
তিনি শিক্ষার্থীদের স্কলারশীপ প্রদান করায় এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
একই সাথে তিনি শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করার জন্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকমন্ডলী এবং অভিভাবকদেরও ধন্যবাদ জানান।
তিনি শিক্ষার্থীদের সাফল্যের খবরগুলো প্রচার করে সহযোগিতা করার জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে অভিভাবকদের মধ্যে অনুভূতি প্রকাশ করেন, স্কলারশীপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী সোহানা আক্তারের গর্বিত বড় ভাই সুজন আহমদ এবং মুমতাহিনা তানহার গর্বিত পিতা গোলাম কিবরিয়া।
এছাড়া বক্তব্য রাখেন, বখতিয়ার বিবি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জেসমিন সুলতানা।
সবশেষে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে এবং কৃতি শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে অনুষ্ঠানের সভাপিত মনসুর আহমদ লস্কর অনুষ্ঠানের ইতি টানেন।
» জিডিএফ’র উদ্যোগে মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইনকে সংবর্ধনা প্রদান
Published: ২৭. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভাকে বিকশিত করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে : নাসিম হোসাইন
গ্রীণ ডিসএ্যাবল্ড ফাউন্ডেশন (জিডিএফ)-এর উদ্যোগে সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইনকে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।
কার্যালয় পরিদর্শনকালে নাসিম হোসাইন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের চমৎকার সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপভোগ করেন এবং তাদের সুপ্ত প্রতিভার ভূয়সী প্রশংসা করেন।
গ্রীণ ডিসএ্যাবল্ড ফাউন্ডেশন (জিডিএফ)-এর উপদেষ্টা বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী হিমাংশু বিশ্বাস এর সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব ও নির্বাহী পরিচালক মো. বায়জিদ খান এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ও প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন জিডিএফ এর নির্বাহী সদস্য মাহমুদুল হক জাবেদ।
বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, জিডিএফ সদস্য পার্থ সারথি দত্ত, রহমানিয়া প্রতিবন্ধী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সদস্য স্বপন আহমদ, জিডিএফ এর হিসাব রক্ষক মোঃ শাহজাহান, সমন্বয়কারী শারমিন আক্তার রেবা, শিক্ষক আফজাল শিকদার, শিক্ষিকা স্বরূপা বেগম, ব্রেইল শিক্ষক সমীরঞ্জন বিশ্বাস, অভিভাবক সীমা বেগম, রোকেয়া বেগম, রেহানা বেগম, শিক্ষার্থী অহনা বেগম, খাদিজাতুল কুবরা সিফা, রেশমা আক্তার রিয়া, আফসানা আক্তার মুন্নি, জুঁই রানী দাস, মারিয়াম বিনতে আরিফ, তাসকিয়া জান্নাত ইশা, ফাইজান আহমদ হাফিজ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী মোহাম্মদ ইসমাইল খানের পক্ষ থেকে অনুবাদসহ পবিত্র কুরআন মজিদ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেন, প্রধান অতিথি সহ অতিথিবৃন্দ।
প্রধান অতিথিকে স্বাগত জানিয়ে শিক্ষার্থীরা ব্রেইল ভাষায় মানপত্র পাঠ করেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরা আমাদের সমাজের বোঝা নয়, বরং আমাদের সম্পদ।
তিনি দেশের সামাজিক উন্নয়নে বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করে আরও বলেন, “একটি রাষ্ট্রকে প্রকৃত অর্থে উন্নত করতে হলে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে সাথে নিয়ে এগোতে হবে।
তিনি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মানুষের যেকোন প্রয়োজনে, তাদের শিক্ষা ও কল্যাণের যেকোনো উদ্যোগে আমরা অতীতেও মহানগর বিএনপি পাশে ছিলাম, বর্তমানেও আছি এবং ভবিষ্যতেও সর্বোচ্চ সহযোগিতা নিয়ে পাশে থাকবো ইনশাআল্লাহ।
» জালালাবাদ গ্যাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে নবনিযুক্ত পরিচালকের বৈঠক
Published: ২৭. আগ. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটে জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেড পরিদর্শন ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন, নবনিযুক্ত পরিচালক বদরুজ্জামান সেলিম।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে নগরীর মেন্দিবাগস্থ জালালাবাদ গ্যাসের কার্যালয় পরিদর্শন শেষে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে দপ্তরের হলরুম ও অডিটরিয়াম আধুনিকায়ন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মপরিবেশের উন্নয়ন এবং প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও দক্ষ করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
এ সময় দক্ষিণ সুরমার জালালপুর এলাকায় গ্যাস সংযোগ থেকে বঞ্চিত গ্রাহকদের গ্যাস সংযোগ দেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনায় আসে।
স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন পরিচালক বদরুজ্জামান সেলিম।
বৈঠকে জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেডের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
তাঁরা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে পরিচালকের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
নবনিযুক্ত পরিচালক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বশীলতা, আন্তরিকতা ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
একই সঙ্গে গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন এবং প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে আরও স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনার ওপর গুরুত্ব দেন।


