শিরোনামঃ-

» স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে ‘সাংস্কৃতিক সপ্তাহ’-এর উদ্বোধন

Published: ০৬. জুলা. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ

শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা অন্বেষণ, নৈতিক মূল্যবোধের অবয়ব তৈরি ও সাংস্কৃতিক বিকাশের লক্ষ্যে স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজের প্রাথমিক শাখায় ‘সাংস্কৃতিক সপ্তাহ-২০২৬’-এর বর্ণাঢ্য উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) কলেজ প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি এক প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্কলার্সহোম, সিলেট-এর একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর জয়নাল আবেদিন চৌধুরী।

তিনি তাঁর বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি সংস্কৃতি চর্চায় অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, সহশিক্ষা কার্যক্রম শিশুদের আত্মবিশ্বাস, নেতৃত্বের গুণাবলি, যোগাযোগ দক্ষতা ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তিনি শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে তাদের জন্য বিশেষ দোয়া ও শুভকামনা জানান।

স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, অত্র ক্যাম্পাসের প্রাক্তন অধ্যক্ষ নাজমুল বারি জামালী।

অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, কলেজের প্রাথমিক শাখার উপাধ্যক্ষ নাহিদা খান এবং পুরো অনুষ্ঠানটি চমৎকারভাবে সঞ্চালনা করেন সিনিয়র শিক্ষিকা তমালিকা তালুকদার তমা।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক বলেন, ইংরেজি ভার্সনে পাঠদানের পাশাপাশি আমরা শিক্ষার্থীদের এমনভাবে গড়ে তুলতে চাই, যাতে তারা জ্ঞান, নৈতিকতা, সংস্কৃতি ও নেতৃত্ব-সব ক্ষেত্রেই দক্ষ হয়ে ভবিষ্যতের বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।

একটি শিশুর প্রকৃত শিক্ষা শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; তার চিন্তা, সৃজনশীলতা, মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক চর্চার মধ্য দিয়েই একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষ গড়ে ওঠে।

তিনি আরও যোগ করেন, এই সাংস্কৃতিক সপ্তাহ শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশ, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি এবং দলগত কাজের মানসিকতা গড়ে তোলার একটি অনন্য প্ল্যাটফর্ম।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর জামালী শিক্ষার্থীদের বড় স্বপ্ন দেখতে, নিয়মিত অনুশীলন করতে এবং প্রতিটি সুযোগকে নিজেদের দক্ষতা বিকাশের মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করার আহ্বান জানান।

আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই সপ্তাহব্যাপী আয়োজনে শিক্ষার্থীদের বহুমাত্রিক প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্যে-আবৃত্তি, সংগীত, নৃত্য, চিত্রাঙ্কন, গল্প বলা, কুইজ, অভিনয় এবং তাৎক্ষণিক বক্তৃতাসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

শিক্ষা ও সংস্কৃতির এমন চমৎকার মেলবন্ধন শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে এক ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজের প্রাথমিক শাখার সকল শিক্ষার্থী ইংরেজি ভার্সনে অধ্যয়নরত।

একাডেমিক উৎকর্ষের পাশাপাশি তাদের ভাষাগত দক্ষতা, সৃজনশীল চিন্তাশক্তি, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং সাংস্কৃতিক বিকাশ নিশ্চিত করতেই প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিত এই সহশিক্ষা কার্যক্রমের আয়োজন করে থাকে।

» রহমানীয়া প্রতিবন্ধী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সংবর্ধনাঅনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক

Published: ০৬. জুলা. ২০২৬ | সোমবার

ক্রীড়া ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী খেলোয়াড়দের সাফল্যে সিলেট তথা দেশবাসী গর্বিত

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)-এর পরিচালক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, প্রতিবন্ধী ক্রীড়াবিদদের সাফল্য সিলেট তথা সমগ্র দেশের জন্য গর্বের।

তাদের এই অর্জন প্রমাণ করে, সুযোগ ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরাও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের মুখ উজ্জ্বল করতে পারেন।

সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে সিলেট সিটি কর্পোরেশন মিলনায়তনে রহমানীয়া প্রতিবন্ধী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে ফাউন্ডেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক, সিলেট ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড ক্রিকেট দলের অধিনায়ক এবং বাংলাদেশ প্যারা গেমস ব্যাডমিন্টনে স্বর্ণপদকজয়ী জাবেদ আহমদকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

সম্প্রতি মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় এশিয়ান প্যারা থ্রোবল প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক হিসেবে নেতৃত্ব দিয়ে বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনে অবদান রাখায় তাকে এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পিছিয়ে রেখে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। সরকার তাদের শিক্ষা, ক্রীড়া ও সামাজিক উন্নয়নে কাজ করছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও এ বিষয়ে আন্তরিক। সিলেট সিটি কর্পোরেশনও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কল্যাণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

তিনি বলেন, স্বর্ণপদকজয়ী জাবেদ আহমদের এই অসাধারণ অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে সিলেট সিটি কর্পোরেশন থেকেও তাকে সম্মাননা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

পাশাপাশি প্রতিবন্ধীদের অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সমাজসেবা অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হবে।

রহমানীয়া প্রতিবন্ধী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও সিলেট ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড ক্রিকেট দলের সভাপতি আলহাজ আতাউর রহমান খান শামছুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন আহমেদ নাঈমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক জালালাবাদের সম্পাদক মুকতাবিস-উন-নূর, সিলেট জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আব্দুর রফিক, জেলা ক্রীড়া অফিসার নুর হোসেন, ফুলকলি ফুড প্রডাক্টস সিলেট অঞ্চলের ডিএজিএম জসিম উদ্দিন, সিলেট বধির সংঘের সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক হাজী এম. আহমদ আলী এবং গ্রীন ডিসএ্যাবল্ড ফাউন্ডেশন (জিডিএফ)-এর মহাসচিব ও নির্বাহী পরিচালক বায়জিদ খান।

সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, জাবেদ আহমদ।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, সমাজভিত্তিক প্রতিবন্ধী ও শিশু সুরক্ষা সংস্থার সভাপতি কাজী মহসিন কবির দিদার, শাহজালাল রাগীব-রাবেয়া প্রতিবন্ধী ইনস্টিটিউটের প্রিন্সিপাল হ্যাপী রাণী দেব, ব্লাস্ট সিলেটের সাবেক কো-অর্ডিনেটর অ্যাডভোকেট সত্যজিৎ কুমার দাস, অ্যাডভোকেট সৈয়দ কাউছার আহমদ, রহমানীয়া প্রতিবন্ধী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি সৈয়দ শওকত আলী, নির্বাহী সদস্য স্বপন আহমদ, সদস্য জাকারিয়া আহমদ সহ বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

অনুষ্ঠানের শেষে প্রধান অতিথি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী এবং অন্যান্য অতিথিবৃন্দ সংবর্ধিত ক্রীড়াবিদ জাবেদ আহমদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন।

» ছাতকে বিভিন্ন আয়োজনে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত

Published: ০৬. জুলা. ২০২৬ | সোমবার

ছাতক প্রতিনিধিঃ
নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি), ছাতক উপজেলার উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‌্যালি, আলোচনা সভা এবং সমবায়ীদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষের চারা বিতরণ করা হয়।

সোমবার (৬ জুলাই) সকালে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়।

পরে উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মহি উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা রজত দাসের সঞ্চালনায় আয়োজিত সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. তৌফিক হোসেন খান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. মিলন মিয়া, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আব্দুর রহমান, উপজেলা বিএনপির প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক ফজলুল করিম, বিআরডিবির চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা প্রণব লাল দাস, ফিল্ড অফিসার বিদূষ বর্মন, উষা রাণী দেবনাথ, তাতিকোনা সমবায় দলের নাইমা বেগম এবং মাধবপুর সমবায় দলের নেতা রোকসানা বেগম।

অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতা আজর আলী মেম্বার, নিজাম উদ্দিন, বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন সমবায় সমিতির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও মো. মহি উদ্দিন বলেন, গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নারীর ক্ষমতায়ন এবং সঞ্চয় ও সমবায়ভিত্তিক কার্যক্রম সম্প্রসারণের মাধ্যমে টেকসই পল্লী উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে নিষ্ঠা, সততা, দায়িত্ববোধ ও দেশপ্রেমের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের পল্লী উন্নয়ন কার্যক্রমকে সফল করতে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, সমবায় সংগঠন এবং সাধারণ মানুষের সমন্বিত অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রামীণ উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে এবং আত্মনির্ভরশীল গ্রাম গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

আলোচনা সভা শেষে বিআরডিবির উপকারভোগী ও বিভিন্ন সমবায় সমিতির সদস্যদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষের চারা বিতরণ করা হয়।

» স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে ‘সাংস্কৃতিক সপ্তাহ’-এর উদ্বোধন

Published: ০৬. জুলা. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ
শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা অন্বেষণ, নৈতিক মূল্যবোধের অবয়ব তৈরি ও সাংস্কৃতিক বিকাশের লক্ষ্যে স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজের প্রাথমিক শাখায় ‘সাংস্কৃতিক সপ্তাহ-২০২৬’-এর বর্ণাঢ্য উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) কলেজ প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি এক প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, স্কলার্সহোম, সিলেট-এর একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর জয়নাল আবেদিন চৌধুরী।

তিনি তাঁর বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি সংস্কৃতি চর্চায় অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, সহশিক্ষা কার্যক্রম শিশুদের আত্মবিশ্বাস, নেতৃত্বের গুণাবলি, যোগাযোগ দক্ষতা ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তিনি শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে তাদের জন্য বিশেষ দোয়া ও শুভকামনা জানান।

স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, অত্র ক্যাম্পাসের প্রাক্তন অধ্যক্ষ নাজমুল বারি জামালী।

অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, কলেজের প্রাথমিক শাখার উপাধ্যক্ষ নাহিদা খান এবং পুরো অনুষ্ঠানটি চমৎকারভাবে সঞ্চালনা করেন সিনিয়র শিক্ষিকা তমালিকা তালুকদার তমা।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক বলেন, ইংরেজি ভার্সনে পাঠদানের পাশাপাশি আমরা শিক্ষার্থীদের এমনভাবে গড়ে তুলতে চাই, যাতে তারা জ্ঞান, নৈতিকতা, সংস্কৃতি ও নেতৃত্ব-সব ক্ষেত্রেই দক্ষ হয়ে ভবিষ্যতের বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। একটি শিশুর প্রকৃত শিক্ষা শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; তার চিন্তা, সৃজনশীলতা, মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক চর্চার মধ্য দিয়েই একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষ গড়ে ওঠে।

তিনি আরও যোগ করেন, এই সাংস্কৃতিক সপ্তাহ শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশ, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি এবং দলগত কাজের মানসিকতা গড়ে তোলার একটি অনন্য প্ল্যাটফর্ম।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর জামালী শিক্ষার্থীদের বড় স্বপ্ন দেখতে, নিয়মিত অনুশীলন করতে এবং প্রতিটি সুযোগকে নিজেদের দক্ষতা বিকাশের মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করার আহ্বান জানান।

আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই সপ্তাহব্যাপী আয়োজনে শিক্ষার্থীদের বহুমাত্রিক প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্যে-আবৃত্তি, সংগীত, নৃত্য, চিত্রাঙ্কন, গল্প বলা, কুইজ, অভিনয় এবং তাৎক্ষণিক বক্তৃতাসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

শিক্ষা ও সংস্কৃতির এমন চমৎকার মেলবন্ধন শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে এক ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজের প্রাথমিক শাখার সকল শিক্ষার্থী ইংরেজি ভার্সনে অধ্যয়নরত।

একাডেমিক উৎকর্ষের পাশাপাশি তাদের ভাষাগত দক্ষতা, সৃজনশীল চিন্তাশক্তি, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং সাংস্কৃতিক বিকাশ নিশ্চিত করতেই প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিত এই সহশিক্ষা কার্যক্রমের আয়োজন করে থাকে।

» সুরমা বয়েজ ক্লাবের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ

Published: ০৬. জুলা. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজায়নের লক্ষ্য নিয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে সামাজিক সংগঠন ‘সুরমা বয়েজ ক্লাব’।

সোমবার (৬ জুলাই) বিকালে নগরীর শাহী ঈদগাহ টিবি গেইট এলাকায় এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সুরমা বয়েজ ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা আনোয়ার হোসেন, সহ-সভাপতি গোপাল বাহাদুর, সিনিয়র সদস্য আব্দুল আহাদ এলিছ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আহাদ এলিছ, সদস্য মাসুক আহমদ, সদস্য সুমন বাহাদুর প্রমুখ।

সুরমা বয়েজ ক্লাবের নেতৃবৃন্দ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং নগরীর পরিবেশকে সতেজ ও বাসযোগ্য রাখতে তাঁদের এই সামাজিক ও পরিবেশবাদী ক্ষুদ্র প্রয়াস।

আগামীতেও নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ক্লাবের পক্ষ থেকে এমন জনকল্যাণমূলক ও পরিবেশবান্ধব ধারাবাহিক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

কর্মসূচি চলাকালে ক্লাবের নেতৃবৃন্দ টিবি গেইট এলাকার বিভিন্ন উপযুক্ত স্থানে ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করেন।

সেই সাথে রোপণকৃত চারাগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা ও সুরক্ষার জন্য স্থানীয় তরুণ সমাজ ও পথচারীদের প্রতি আহ্বান জানান।

» সিলেটে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত

Published: ০৬. জুলা. ২০২৬ | সোমবার

উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে পল্লীর উন্নয়নের কোন বিকল্প নেই : সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান বলেছেন, একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে পল্লীর উন্নয়নের কোন বিকল্প নেই।

আমাদের মোট জনসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশই পল্লী অঞ্চলে বসবাস করে। তাই গ্রামীণ জনপদের অবকাঠামো, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি ও ক্ষুদ্র উদ্যোগের প্রসার ঘটানো সম্ভব হলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।

তিনি মঙ্গলবার (৬ জুলাই) সিলেট জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (বিআরডিবি) যৌথ উদ্যোগে ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

এবারের দিবসের মূল প্রতিপাদ্য ছিল, ‘উন্নত পল্লী সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

বিভাগীয় কমিশনার গ্রামীণ উন্নয়নের রূপরেখা তুলে ধরে বলেন, পল্লী উন্নয়ন বলতে আমরা মূলত একটি আত্মনির্ভরশীল গ্রামীণ সমাজকে বোঝাচ্ছি, যেখানে একজন মানুষ তার জীবনযাপনের মৌলিক সব সুবিধা পাবেন।

কৃষক ও উদ্যোক্তারা যেন স্থানীয়ভাবেই তাদের প্রয়োজন মেটাতে পারেন এবং উন্নত স্কুল-হাসপাতালসহ আধুনিক সব নাগরিক সুবিধা যেন গ্রামেই নিশ্চিত হয়- সেটাই আমাদের লক্ষ্য।

দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার পরও আমরা পল্লীর কাঙ্ক্ষিত উন্নতি পুরোপুরি স্পর্শ করতে পারিনি। তাই এই দিবসকে সামনে রেখে আমাদের নতুন করে এগিয়ে যেতে হবে।

একটি আত্মনির্ভরশীল পল্লী গঠনে সরকার ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি সর্বস্তরের জনগণকে একযোগে কাজ করতে হবে।

এর আগে সকাল ১০টায় সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে দিবসের কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হয়।

পরে একটি বর্ণাঢ্য রেলি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। রেলি শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সিলেটের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পিংকি সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেটের পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেক এবং বিআরডিবি সিলেট বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মুহম্মদ রাশেদুল মামুন চৌধুরী।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বিআরডিবি সিলেটের উপপরিচালক মরিয়ম দিলসাদ মনি।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কর্মকর্তা সীমা রানী বিশ্বাস, সিলেট জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শাহীনা আক্তার, প্রবীণ সাংবাদিক ও কলামিস্ট আফতাব চৌধুরী এবং বিআরডিবির সুবিধাভোগী অনিবালা দেবী।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন, আল-আমিন এবং গীতা পাঠ করেন উপ-প্রকল্প কর্মকর্তা অসীম কুমার বাড়ৈ।

এ সময় বিআরডিবির কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ পল্লী উদ্যোক্তা হিসেবে পানি বালা দেবীর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

এছাড়া ‘আমার চোখে দেখা পল্লী’ শীর্ষক চিত্রাঙ্গন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দ।

সবশেষে গ্রামীণ পরিবেশ রক্ষা ও টেকসই উন্নয়নের অংশ হিসেবে বিআরডিবির উপকারভোগীদের মাঝে বিভিন্ন ফলদ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

» সিলেট সিটি ও এসএনভির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মশালা

Published: ০৬. জুলা. ২০২৬ | সোমবার

পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে সবার আগে প্রয়োজন উৎসে বর্জ্য পৃথকীকরণ

নিউজ ডেস্কঃ

পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব নগরী গড়ার লক্ষ্যে উৎস থেকেই বর্জ্য পৃথকীকরণ বিষয়ে এক কর্মশালা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) নগরীর সোবহানীঘাটস্থ একটি হোটেলের হলরুমে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পানি চক্রের টেকসই রূপান্তর প্রকল্প এবং নেদারল্যান্ডসভিত্তিক আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা এসএনভির যৌথ উদ্যোগে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

কর্মশালায় নগরীর ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন পেশাজীবী, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠনের নেতা, ব্যবসায়ী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে গৃহস্থালি পর্যায় থেকেই জৈব ও অজৈব বর্জ্য পৃথকীকরণের প্রয়োজনীয়তা, সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পরিচ্ছন্ন নগর গঠনে নাগরিকদের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

এসএনভি সিলেট প্রকল্পের ক্লাস্টার কো-অর্ডিনেটর রাহিমা বেগমের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন ও রিডো বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক নাসির উদ্দিন আহমদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন বলেন, “পরিচ্ছন্ন নগরী গড়তে শুধু সিটি কর্পোরেশনের একার উদ্যোগ যথেষ্ট নয়।

প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ বাসা থেকেই বর্জ্য আলাদা করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

উৎসে বর্জ্য পৃথকীকরণ নিশ্চিত হলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আরও সহজ, কার্যকর ও পরিবেশবান্ধব হবে।”

তিনি আরো বলেন, বর্জ্যকে সমস্যা নয়, সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

সঠিকভাবে বর্জ্য পৃথকীকরণ ও পুনর্ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে পরিবেশ দূষণ কমবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং একটি টেকসই নগর ব্যবস্থাপনা গড়ে উঠবে।

এ লক্ষ্য অর্জনে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সকলের সম্মিলিত অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে নাগরিকদের আচরণগত পরিবর্তন অপরিহার্য।

পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনকে সম্পৃক্ত করে উৎস থেকে বর্জ্য পৃথকীকরণ কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

অনুষ্ঠানের শেষে অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয় এবং নিজ নিজ এলাকায় বর্জ্য পৃথকীকরণ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়।

» সিলেট-ম্যানচেস্টার ফ্লাইট পুনরায় চালু হওয়ায় ড. কাজী কামালের কৃতজ্ঞতা

Published: ০৬. জুলা. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট-ম্যানচেস্টার ফ্লাইট পুনরায় চালু হওয়ায় রকীব শাহ রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান, সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক)-এর নির্বাচনে দু’বারের মেয়র পদপ্রার্থী, বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক ড. কাজী কামাল আহমদ প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন|

সোমবার (৬ জুলাই) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বার্তায় ড. কাজী কামাল আহমদ বলেন, ‘বৃহত্তর সিলেটবাসী তথা রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সুবিধার্থে সিলেট-ম্যানচেস্টার ফ্লাইটটি কোন প্রকার সাময়িক বিরতি ছাড়া সারা বছরব্যাপী পরিচালনা করার জন্য বাংলাদেশ বিমানের প্রতি আহ্বান জানাই|’

এছাড়া তিনি বৃহত্তর সিলেটের রেমিট্যান্স যোদ্ধা অধ্যুষিত বার্মিংহাম ও লিভারপুলে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সপ্তাহে অনন্ত একটি করে দু’টি ফ্লাইট পরিচালনার জন্য বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয় তথা সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান|

তিনি বলেন, ‘যুদ্ধের প্রভাবে বিশ^বাজারে তেলের মূল্য সাময়িক বৃদ্ধি পাওয়ায় অভ্যন্তরীণ টিকিটের মূল্য প্রায় দ্বিগুণ করা হয়েছে|

এখন তেলের মূল্য কমেছে| তাই টিকিটের মূল্য কমানোর জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় তথা সরকারের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি|’

এছাড়া তিনি সিলেট-ঢাকা দু’টি এবং সিলেট-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার একটি বিরতিহীন ট্রেন চালুর দাবি জানান| সেই সাথে তিনি সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের কাজ দ্রুত সম্পন্নের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান|

» সিলেট মহানগর যুব জমিয়তের জরুরি প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

Published: ০৫. জুলা. ২০২৬ | রবিবার

১৫ জুলাই আলোচনা সভা সফল করার আহ্বান

নিউজ ডেস্কঃ
আগামী ১৫ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য ২৪শে জুলাই জমিয়তের অবদান ও যুবসমাজের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা সফল করার লক্ষ্যে এক জরুরি প্রস্তুতি সভা করেছে যুব জমিয়ত বাংলাদেশ সিলেট মহানগর শাখা।

শনিবার (৪ জুলাই) বাদ এশা দলীয় কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সিলেট মহানগর যুব জমিয়তের সভাপতি মাওলানা আসআদ উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আব্দুল করিম দিলদারের সঞ্চালনায় সভায় আগামী ১৫ জুলাইয়ের কর্মসূচির সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

এতে অতিথি আমন্ত্রণ, প্রচার-প্রচারণা, ব্যবস্থাপনা এবং সাংগঠনিক বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় যুব জমিয়ত বাংলাদেশ সিলেট মহানগরীর নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি এম বেলাল আহমদ চৌধুরী, সহ-সভাপতি মাওলানা শাহিদ হাতিমী, মাওলানা আব্দুল হাসিব খান, যুগ্ম সম্পাদক ফরহাদ হোসাইন কোরেশী, সহ-সাধারণ সম্পাদক আফতাব উদ্দিন খান, সহ সাংগঠনিক এম বশীর আলী, অর্থ সম্পাদক এম ফয়ছল আহমদ, প্রচার সম্পাদক নোমান বিন আফসার, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এম ইমাম উদ্দীন, দপ্তর সম্পাদক হাফিজ আব্দুল কাদির প্রমুখ।

সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, “জুলাইয়ের ঐতিহাসিক চেতনা, জমিয়তের গৌরবোজ্জ্বল অবদান এবং দেশ ও জাতি গঠনে যুবসমাজের দায়িত্ব সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে সচেতন করার লক্ষ্যেই এই বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

পরিশেষে, আগামী ১৫ জুলাইয়ের অনুষ্ঠানটি সর্বাত্মকভাবে সফল করার লক্ষ্যে মহানগর ও মহানগরীর আওতাধীন সকল থানা দায়িত্বশীল, সংগঠনের সকল স্তরের নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করা হয়।

» জুন মাসে সিলেটে ২৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ২৯ জনের

Published: ০৫. জুলা. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ
চলতি বছরে মে মাস থেকে জুন মাসে সিলেট বিভাগে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রানহানি কিছুটা কমেছে। জুন মাসে সিলেট বিভাগে সড়ক দুর্ঘটনায় ২৯ জনের প্রানহানি হয়েছে।

এরমধ্যে ১২ জনই পথচারী। জুন মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেট বিভাগে সবচেয়ে বেশি প্রানহানি ঘটেছে সুনামগঞ্জ জেলায়। কম সংঘটিত হয়েছে সিলেট জেলায়।

জুন মাসে সিলেট বিভাগে ২৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৯ জন নিহত ও ৩৬ জন আহত হয়েছেন।

প্রতিবেদনে জুন মাসের সড়ক দুর্ঘটনায় প্রধান কারন হিসাবে পথচারীদের মধ্যে সচেতনতার অভাব, অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, নিয়ম না মেনে ওভারটেকিং করা, মোটরসাইকেল চালক, আরোহীদের মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার না করা ও সড়কে নির্মান ত্রুটিকে উল্লেখ করা হয়।

রবিবার (৫ জুলাই) নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) সিলেট বিভাগীয় কমিটি এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

প্রকাশিত প্রতিবেদনে জুন মাসে সিলেট বিভাগে ২৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৯ জন নিহত ও ৩৬ জন আহত হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়। জুন মাসে সিলেট জেলায় ৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ জন নিহত ও ৮ জন আহত হয়েছেন।

সুনামগঞ্জ জেলায় ১১টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১০ জন নিহত ও ১২ জন আহত হয়েছেন। মৌলভীবাজার জেলায় ৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ জন নিহত ও ৪ জন আহত হয়েছেন ও হবিগঞ্জ জেলায় ৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ জন নিহত ও ১২ জন আহত হয়েছেন।

নিসচা কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, সিলেট বিভাগীয় কমিটির সদস্য সচিব ও সিলেট জেলার আহবায়ক জহিরুল ইসলাম মিশু গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে জানান, পাঁচটি স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা, অনলাইন পত্রিকার তথ্য, দুটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার তথ্য, অনুমেয় অনুজ্জ বা অপ্রকাশিত ঘটনা ও নিসচা সিলেটের শাখা সংগঠনগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে নিসচা বিভাগীয় কমিটি এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, জুন মাসে সিলেট বিভাগে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের মধ্যে ৪টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ জন মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী, ৪টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ জন সিএনজি ও টমটম চালক ও আরোহী, ৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৯ জন চালক ও ১২টি সড়ক দূর্ঘটনায় ১২ জন পথচারী নিহত হয়েছেন।

এছাড়া নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়ি উল্টে ৪টি দুর্ঘটনায় ২ জন, মুখোমুখি সংঘর্ষে ৬টি দুর্ঘটনায় ৫ জন, গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটির সাথে আঘাতে ৩টি দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত হয়েছেন।

এছাড়া জুন মাসে নিহত ২৯ জনের মধ্যে ২০ জন পুরুষ, ৫ জন নারী ও ৪ জন শিশু রয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

উল্লেখ্য, মে মাসে সিলেট বিভাগে ৪২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫১ জন নিহত ও ৬৫ জন আহত হয়েছেন।

» ইউনাইটেড এইড ফর নেশন ও দেশ যুব সংগঠন সিলেট’র আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

Published: ০৫. জুলা. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সামাজিক উন্নয়ন, মানবিক সহায়তা, যুব ক্ষমতায়ন এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে একযোগে কাজ করার লক্ষ্যে ‘ইউনাইটেড এইড ফর নেশন’ এবং ‘দেশ যুব সংগঠন, সিলেট’-এর মধ্যে সম্ভাব্য অংশীদারিত্ব বিষয়ক এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (৫ জুলাই) দুপুরে নগরীর একটি ট্রেনিং সেন্টারের হলরুমে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউনাইটেড এইড ফর নেশন-এর সেক্রেটারি জেনারেল, আন্তর্জাতিক মানবিক কর্মী ও গ্লোবাল ডিপ্লোম্যাট কাজী আব্দুল্লাহ বলেন, বর্তমান বিশ্বের জটিল চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় মানবিক মূল্যবোধ, দক্ষ যুব নেতৃত্ব এবং পারস্পরিক সহযোগিতাই টেকসই উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, শুধু সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর না করে সামাজিক সংগঠনগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে আমাদের বিশাল যুবসমাজকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব।”

এ সময় তিনি মানবিক সহায়তা, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণে উভয় সংগঠনকে যৌথভাবে কাজ করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

দেশ যুব সংগঠন, সিলেট-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, সিলেট জেলার শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠক ও বিশিষ্ট অভিনয়শিল্পী মো. কামাল-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন, সংগঠনের উপদেষ্টা ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া।

তরুণ উদ্যোক্তা ও উপস্থাপক হ্যাপি জান্নাত এবং সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক গরিবের ডাক্তার খ্যাত এম. এইচ. হাফিজ-এর যৌথ ও প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, সিলেট-এর প্রধান প্রশিক্ষক (মৎস্য) ও জেলা নিবন্ধিত যুব সংগঠনের প্রতিনিধি, জাতীয় যুব পুরস্কারপ্রাপ্ত সংগঠক মো. নজরুল ইসলাম, হাসন রাজা লোকসাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদ, সিলেট-এর সাধারণ সম্পাদক সুলেমান হোসেন চুন্নু, ইউনাইটেড এইড ফর নেশন-এর অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার অ্যান্ড ইয়ুথ কোলাবোরেটর মো. মেহেদী হাসান এবং জেলা নিবন্ধিত যুব সংগঠনের প্রতিনিধি মো. শাহ আলম।

অনুষ্ঠানের সূচনা পর্বে পবিত্র কুরআন মাজিদ থেকে তিলাওয়াত করেন দেশ যুব সংগঠনের সদস্য রুবিনা আক্তার পলি।

আলোচনা সভায় উভয় সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ মানবিক সহায়তা, যুব উন্নয়ন, নেতৃত্ব বিকাশ, দক্ষতা বৃদ্ধি, সামাজিক সচেতনতা তৈরি এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে একটি বাস্তবমুখী যৌথ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের বিষয়ে ইতিবাচক মতবিনিময় করেন।

সভার শেষাংশে ভবিষ্যতে একটি আনুষ্ঠানিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক ও টেকসই কর্মসূচি মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

» সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজে হাসপাতালের কার্যক্রম চালুর দাবিতে শান্তিগঞ্জ সমিতি সিলেটের মানববন্ধন

Published: ০৫. জুলা. ২০২৬ | রবিবার

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাস চালু ও হাসপাতালের কার্যক্রম দ্রুত চালুর দাবিতে সিলেটে মানববন্ধন কর্মসুচী পালিত হয়েছে।

রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে সিলেট নগরীর চৌহাট্টাস্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে শান্তিগঞ্জ সমিতি সিলেটের উদ্যোগে উক্ত মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে সিলেটে অবস্থানরত সুনামগঞ্জের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

শান্তিগঞ্জ সমিতি সিলেটের সভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যাংকার মো. কবিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সমিতির যুগ্ম সম্পাদক সাংবাদিক এমজেএইচ জামিলের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও মহানগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এমদাদুল হক স্বপন।

বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, শান্তিগঞ্জ সমিতি সিলেটের সিনিয়র সহ-সভাপতি হযরত আলী তালুকদার, সহ-সভাপতি শোয়েব আহমদ, মো. মশিউর রহমান ও মো. তালেব হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক বশির আহমদ, সিলেটস্থ মনাফ ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো. শাহ আলম, শান্তিগঞ্জ সমিতির সহ-দপ্তর সম্পাদক রাফি মিজান ও কার্যকরী সদস্য সোহাগ ভূঁইয়া প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, হাওরপাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্নের ফসল সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজে ৫০০ শয্যার হাসপাতালের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ শেষ হলেও এক বছর ধরে হাসপাতাল চালু করা হচ্ছে না।

এতে একদিকে শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, অপরদিকে জেলাবাসী স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

সবকিছু প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও জনবল নিয়োগ ও লজিস্টিক সাপোর্টেনর অভাবে হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল চালুতে বিলম্ব হওয়া সুনামগঞ্জ জেলার মানুষ মেনে নিবেনা।

অবিলম্বে কলেজে পুর্ণাঙ্গ একাডেমিক ক্লাস এবং হাসপাতালের চালুর জন্য প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর প্রতি জোর দাবী জানান তারা।

Callender

July 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031