- তেলিরাইয়ে সড়ক ও ড্রেনের কাজ পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক
- ২০ মাসের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, ছাতকে যুবক গ্রেপ্তার
- আগামীকাল সিলেট আসছেন জালালাবাদ গ্যাসের নবনিযুক্ত পরিচালক বদরুজ্জামান সেলিম
- পুবালী ব্যাংকের উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস মদিনা মার্কেট’ ক্যাম্পেইন শুরু
- ১লা সেপ্টেম্বর এমএজি ওসমানীর ১০৮তম জন্মবার্ষিকী
- চালিবন্দর বিষহরি মন্দিরে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ও আবুল কাহের শামীমকে সংবর্ধনা প্রদান
- এমসি কলেজের রসায়ন বিভাগের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে র্যালি
- এসআইইউ ইংরেজি বিভাগের আয়োজনে সিলেটে প্রথমবারের মতো পোস্টার ফ্যাস্টিভ্যাল ২০ আগস্ট
- সিলেটে শাহজালাল জামেয়া নাজিরেরগাঁওয়ে শিক্ষকের বিদায়ী সংবর্ধনা
- ৯ প্রাণহানির পর স্লিপার বাসে অভিযান, বেঙ্গল সহ ৫ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
» তেলিরাইয়ে সড়ক ও ড্রেনের কাজ পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক
Published: ১৮. আগ. ২০২৬ | মঙ্গলবার
আমরা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন উন্নত নগরী গড়তে কাজ করছি
নিউজ ডেস্কঃ
বৃহত্তর স্বার্থে সড়ক নির্মাণের জন্য নিজেদের ভূমি ছেড়ে দেওয়ায় দক্ষিণ সুরমার তেলিরাই এলাকাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সবার সহযোগিতায় আমরা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন একটি উন্নত নগরী গড়ার কাজে হাত দিয়েছি। সবার সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে অবশ্যই আমরা এ কাজে সফল হব।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে দক্ষিণ সুরমার তেলিরাই এলাকা পরিদর্শন এবং সড়ক ও ড্রেনের কাজ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, “তেলিরাই একটি অবহেলিত ও অনুন্নত এলাকা।
এখানকার মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবে রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণকাজের গতি বাড়িয়ে অতি দ্রুত তা সম্পন্ন করা হবে।”
সিসিক প্রশাসক জানান, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বর্তমানে এই এলাকায় রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণের কাজ চলছে। রাস্তা সম্প্রসারণের স্বার্থে অনেক এলাকাবাসী নিজেদের ভূমি স্বেচ্ছায় ছেড়ে দিয়েছেন, যা প্রশংসনীয়।
এ সময় তিনি তেলিরাইয়ের সচেতন নাগরিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
তিনি আরও বলেন, একটিমাত্র রাস্তার কারণে তেলিরাইবাসীকে দীর্ঘদিন ধরে সীমাহীন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
নগরবাসীর এই দুর্ভোগের অবসান ঘটাতে সংশ্লিষ্টদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন তিনি।
এলাকা পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর, সহকারী প্রকৌশলী দেবব্রত দাশ, সাবেক কাউন্সিলর মো. রায়হান হোসেন, শানর মিয়া, আজাদ মিয়া, এমদাই হোসেন, মো. আবুল কালাম আজাদ, এবং মো. শাহেদ আহমদসহ এলাকার মুরুব্বি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় স্থানীয় এলাকাবাসী সিসিক প্রশাসকের এই তদারকি ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগকে স্বাগত জানান ও সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
» ২০ মাসের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, ছাতকে যুবক গ্রেপ্তার
Published: ১৮. আগ. ২০২৬ | মঙ্গলবার
» আগামীকাল সিলেট আসছেন জালালাবাদ গ্যাসের নবনিযুক্ত পরিচালক বদরুজ্জামান সেলিম
Published: ১৮. আগ. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেড (জেজিটিডিএসএল)-এর নবনিযুক্ত পরিচালক মো. বদরুজ্জামান সেলিম আগামীকাল বুধবার (১৯ আগস্ট) সিলেট আসছেন।
পূর্বনির্ধারিত সফরসূচি অনুযায়ী, আগামীকাল তিনি ঢাকা থেকে আকাশপথে যাত্রা করে দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন।
বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর দুপুর ৩টা ১০ মিনিটে তিনি হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত ও বিশেষ দোয়ায় অংশ নেবেন।
পরবর্তীতে তিনি হযরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন।
মাজার জিয়ারত শেষে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে সিলেট সার্কিট হাউজের কনফারেন্স রুমে জালালাবাদ গ্যাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও মতবিনিময় সভায় মিলিত হবেন তিনি।
আলোচনা সভা শেষে সেখানে উপস্থিত স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করার কথা রয়েছে তাঁর।
উল্লেখ্য, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ কর্তৃক সম্প্রতি পেট্রোবাংলার আওতাধীন জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেড (জেজিটিডিএসএল)-এর পরিচালনা পর্ষদে পরিচালক হিসেবে তাঁকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।
» পুবালী ব্যাংকের উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস মদিনা মার্কেট’ ক্যাম্পেইন শুরু
Published: ১৮. আগ. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
ডিজিটাল লেনদেন উৎসাহিত করতে এবং নগদ টাকার ব্যবহার কমিয়ে ক্যাশলেস সমাজ গড়ার লক্ষ্যে সিলেটে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস মদিনা মার্কেট’ উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি।
পূবালী ব্যাংক পিএলসি, পাঠানটুলা শাখা সিলেটের আয়োজনে মদিনা মার্কেট এলাকায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
‘এক দেশ এক কিউআর, লেনদেন বাংলা কিউআর’ স্লোগানকে সামনে রেখে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ প্রচারণামূলক ক্যাম্পেইন চলবে বুধবার (১৯ আগস্ট) পর্যন্ত।
ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পূবালী ব্যাংক পিএলসি আঞ্চলিক কার্যালয় সিলেট পশ্চিম অঞ্চলের অঞ্চল প্রধান ও উপমহাব্যবস্থাপক মো. রুহুল আমিন।
এসময় তিনি বলেন, ক্যাশলেস লেনদেনের সুফল, গ্রাহক নিরাপত্তা ও সহজ পেমেন্ট ব্যবস্থা সম্পর্কে ব্যবসায়ী এবং সাধারণ ক্রেতাদের সচেতন করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বাংলা কিউআর কোড ব্যবহার করে ক্রেতারা অতি সহজেই নগদ টাকা ছাড়াই কেনাকাটার বিল পরিশোধ করতে পারছেন।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পূবালী ব্যাংক পিএলসি স্টেডিয়াম শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক আবু হানিফা রনি, সিলেট পশ্চিম ও আঞ্চলিক কার্যালয়ের এসপিও গোলাম দস্তগীর, টুকেরবাজার শাখার ব্যবস্থাপক এসপিও কায়সার আহমদ, জালালপুর শাখার ব্যবস্থাপক এসপিও কায়সার আহমদ, পাঠানটুলা শাখার ব্যবস্থাপক এসপিও উত্তম চন্দ্র দাস, প্রিন্সিপাল অফিসার মো. জালাল উদ্দিন, বৃহত্তর মদিনা মার্কেট ব্যবসা সমিতির সভাপতি আমির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আজাদ রহমান, ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান সহ পূবালী ব্যাংক পিএলসি-এর কর্মকর্তা, মদিনা মার্কেটের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন।
দু’দিনব্যাপী এই প্রচারণায় ব্যবসায়ীদের বাংলা কিউআর সেবার আওতায় আনা এবং সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে।
» ১লা সেপ্টেম্বর এমএজি ওসমানীর ১০৮তম জন্মবার্ষিকী
Published: ১৮. আগ. ২০২৬ | মঙ্গলবার
৫৪ বছর পরেও ওসমানীকে মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য দেয়া হয়নি ‘স্বাধীনতা পদক’
নিউজ ডেস্কঃ
আগামী ১লা সেপ্টেম্বর মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর জেনারেল (অব:) এম এ জি ওসমানীর ১০৮তম জন্মবার্ষিকী।
এই বীর মুক্তিযোদ্ধ্রা জন্মবার্ষিকী পালন উপলক্ষ্যে বঙ্গবীর ওসমানী স্মৃতি সংসদ, সিলেট বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
তাঁর রূহের মাগফিরাত কামনা করে ওইদিন কোরআন তেলাওয়াত, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হবে।
এছাড়া তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে জানিয়েছেন সংগঠনের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ আহমদ বহলুল জানান, ওসমানীকে যথাযোগ্য সম্মান দিয়ে দেশ ও জাতির জন্য তাঁর অবদান স্বীকার করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার কারণে মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক প্রদান সহ ১১ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দিন যায়, মাস যায়, বছরের পর বছর যায়, দেখতে দেখতে চলে গেল প্রায় ৫৪টি বছর।
তারপরেও মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর ওসমানীর ভাগ্যে জোটেনি স্বাধীনতার পদক। এ দাবী করেছেন বঙ্গবীর ওসমানী স্মৃতি সংসদ, সিলেট।
সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ আহমদ বহলুল আর ও জানান, মহান এই বীর সেনানীকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি।
মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা এবং স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে দেশ ও জাতির জন্য বঙ্গবীর ওসমানী নিঃস্বার্থভাবে কাজ করেছেন।
সামাজিক ক্ষেত্রেও তাঁর অনেক অবদান রয়েছে। জীবন বাজি রেখে দেশ, জাতি ও দেশের মানুষের জন্য যুদ্ধ করেছেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিস্বরূপ স্বাধীনতা পদক দেয়া হয়নি।
এই স্বাধীনতা পদক সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ১১ দফা দাবী নিয়ে প্রধানমন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী সহ ১৯ জন সংসদ সদস্যের নিকট আবেদন করেছে সংগঠনটি।
সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ আহমদ বহলুল বলেন, সম্প্রতি ডাং জাফর উল্লাহকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক দেয়া হয়েছে।
এজন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বঙ্গবীর এম, এ, জি ওসমানীকেও মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক দেয়ার দাবী জানাচ্ছি।
সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ আহমদ বহলুল জানান, মহান মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ অবদান রাখার জন্য স্বাধীনতা পদক প্রদান বিধান শিথিল করে বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানীকে রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মান ‘স্বাধীনতা’ পদক (মরণোত্তর) ভূষিত করা হোক।
বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানী জীবন বাজি রেখে ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের জন্য বাংলা রণ এবং নৃত্য সঙ্গীত নির্ধারণ করেন।
যার জন্য তাঁকে পাকিস্তানিদের রোষানলে পড়তে হয়। তার এই অবদানের জন্য তাঁকে মহান একুশে পদকে (মরণোত্তর) ভূষিত করা হোক।
১৯৫১ ইংরেজিতে বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানী কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত “চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট” নামের সঙ্গে বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানীর নাম সংযোজন করে “চট্টগ্রাম বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানী ক্যান্টনমেন্ট” নামকরণ করা হোক এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট সেনানিবাসসমূহের যে কোন একটিতে সি.ইন.সি বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানী আর্মি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হোক।
সিলেটস্থ ওসমানী জাদুঘরের মূল স্থাপনা ঠিক রেখে আধুনিক জাদুঘরের মিলনায়তনসহ কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হোক।
মহান মুক্তিযুদ্ধে অবিস্মরণীয় অবদানের জন্য দেশবাসী কর্তৃক প্রদত্ত উপাধী ‘বঙ্গবীর একান্তই ওসমানীর, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদের সিদ্দিকী (বাঘা কাদের সিদ্দিকী) বীর উত্তম’ নামের পূর্বে ব্যবহৃত ‘বঙ্গবীর’ উপাধি বাতিল করা হোক।
২৫ মার্চ ১৯৭১ পাক হানাদার বাহিনীর বাঙালিদের উপর চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের মোকাবেলায় প্রতিরোধ যুদ্ধে নেতৃত্ব দানকারী সামরিক কর্মকর্তাদের অনুষ্ঠিত ‘৪ঠা এপ্রিল ১৯৭১’ বৈঠকে কর্নেল পরবর্তীতে বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানীর সর্বাধিনায়কত্বে মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।
মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ৪ঠা এপ্রিল ১৯৭১-কে স্মরণীয় করে রাখতে “তেলিয়াপাড়া দিবস” হিসেবে ঘোষণা করা হোক।
সংগঠনটির দাবি, বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানীর কর্মময় জীবনী স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হোক এবং বঙ্গবীর ওসমানীর লেখা ঐতিহাসিক পাণ্ডুলিপি উদ্ধার করে রাষ্ট্রীয় খরচে প্রকাশের ব্যবস্থা করা হোক।
মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সি.ইন.সি (সর্বাধিনায়ক), বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানীর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হোক।
বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানীর নামে প্রতিষ্ঠিত ওসমানী আন্তর্জাতিক সিলেট বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চালু করা হোক।
এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সিলেট, ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তন ঢাকা, ওসমানী উদ্যান ঢাকা ও ওসমানী পৌর স্টেডিয়াম চাষাড়া, নারায়ণগঞ্জ সমূহ স্থাপনার আধুনিকায়নসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় প্রতিষ্ঠিত স্থাপনাসমূহের রাষ্ট্রীয়ভাবে যথাযথ সংরক্ষণ, উন্নয়ন এবং সমূহ স্থাপনার পূর্বে “বঙ্গবীর” শব্দ সংযোজন করা হোক।
ঢাকাস্থ ওসমানী উদ্যানকে অবৈধ দখলমুক্ত করে আধুনিক উদ্যানে রূপান্তরিত ও ওসমানী মিলনায়তনকে আধুনিক করা হোক।
ওসমানীনগর উপজেলাস্থ দয়ামীরে প্রতিষ্ঠিত মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানী গণগ্রন্থাগার, স্মৃতি জাদুঘর ও দাতব্য চিকিৎসালয়টি অবিলম্বে চালু করা হোক।
বঙ্গবীর ওসমানীর জন্মস্থান সুনামগঞ্জে বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানী স্মরণে মিলনায়তন নির্মাণ এবং যেকোন একটি প্রতিষ্ঠানের নামকরণ বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানীর নামে করা হোক।
বঙ্গবীর ওসমানীকে স্বাধীনতার পদক দেয়ার পাশাপাশি তাঁর বিভিন্ন অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পাঠ্য বইয়ে ওসমানীর জীবনী ও কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছে “বঙ্গবীর ওসমানী স্মৃতি সংসদ সিলেট”-এর নেতৃবৃন্দ।
» চালিবন্দর বিষহরি মন্দিরে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ও আবুল কাহের শামীমকে সংবর্ধনা প্রদান
Published: ১৮. আগ. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট মহানগরীর চালিবন্দরে শ্রীশ্রী বিষহরি মায়ের বার্ষিক পূজা উপলক্ষে এক বিশেষ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বেলা ১২টায় শ্রীশ্রী বিষহরি মন্দির পরিচালনা কমিটির উদ্যোগে মন্দির প্রাঙ্গণে এই উৎসবমুখর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সিলেটের সামাজিক, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ও সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীমকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিলেট সবসময়ই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য চারণভূমি।
যুগ যুগ ধরে এখানে সকল ধর্মের মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তাদের ধর্মীয় উৎসবগুলো পালন করে আসছে।
বর্তমান বিএনপি সরকার প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় অধিকার রক্ষায় অত্যন্ত সচেষ্ট। এই দেশেই আমাদের জন্ম এবং এদেশেই আমাদের মৃত্যুবরণ করতে হবে।
আমাদের অন্য কোথাও যাওয়ার সুযোগ নেই। তাই আমাদের সবাইকে দল-মত নির্বিশেষে একত্রে এই দেশটাকে একটি শান্তিপূর্ণ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
সিলেট সিটি কর্পোরেশন নগরীর প্রতিটি নাগরিকের উৎসব উদযাপনে সব ধরনের প্রশাসনিক সুবিধা নিশ্চিত করতে সর্বদা পাশে থাকবে।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম বলেন, আমরা এদেশের প্রতিটি মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতায় বিশ্বাসী।
দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান বিএনপি সরকার সকল ধর্মের মানুষের অধিকার রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে।
একটি উন্নত, বৈষম্যহীন ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তোলতে হলে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
তিনি বলেন, আবহমান কাল ধরে এদেশে আমরা সকল সম্প্রদায়ের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করে আসছি।
এই সম্প্রীতির বন্ধনকে যেন কেউ নস্যাৎ করতে না পারে, সেদিকে সবার সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে তিনি যেকোন প্রয়োজনে সনাতন সম্প্রদায়ের মানুষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
শ্রীশ্রী বিষহরি মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি এড. শশাঙ্ক শেখর পাল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি সুদীপ রঞ্জন সেন বাপ্পু এবং বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এড. মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সিলেট মহানগরের সাধারণ সম্পাদক চন্দন দাশ এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোপীকা শ্যাম পুরকায়স্থ চয়ন, দিপক কুমার দাস, মদন মোহন কর্মকার, হারাধন দেব প্রভাষ, ধনেশ দেব, উত্তম ঘোষ, দিপক চন্দ, এডভোকেট শিশির কুমার রায়, পিন্টু বৈদ্য, অরূন দে, রনি চক্রবর্তী প্রমুখ।
এছাড়াও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে চালিবন্দর এলাকার বিপুলসংখ্যক ভক্ত ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
» এমসি কলেজের রসায়ন বিভাগের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে র্যালি
Published: ১৮. আগ. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের ঐতিহ্যবাহী মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজের রসায়ন বিভাগের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) এক বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কেমিস্ট্রি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে র্যালিটি রসায়ন বিভাগ থেকে বের হয়ে কলেজ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় বিভাগে এসে শেষ হয়।
র্যালিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, এমসি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ তোফায়েল আহমদ।
সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আকমল হোমেন এবং এমসি কলেজ শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আবুল কালাম আহমদ।
র্যালিতে রসায়ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. শাহজাহান কবীরসহ বিভাগের অন্যান্য শিক্ষক, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী এবং বিভাগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা অংশ নেন।
র্যালিতে অংশগ্রহণকারীদের হাতে বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।
এ সময় তারা রসায়ন বিভাগের শতবর্ষের গৌরবময় পথচলা, ঐতিহ্য ও অর্জন তুলে ধরেন। র্যালিকে ঘিরে কলেজ ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, দীর্ঘ একশ বছরের পথচলায় এমসি কলেজের রসায়ন বিভাগ শিক্ষা, গবেষণা ও মানবসম্পদ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।
ভবিষ্যতেও বিভাগের এই গৌরবময় অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
র্যালি শেষে রসায়ন বিভাগের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে কেমিস্ট্রি ক্লাব আয়োজিত ‘কেমিস্ট্রি স্পোর্টস ফেস্ট ২০২৬’-এর বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
» এসআইইউ ইংরেজি বিভাগের আয়োজনে সিলেটে প্রথমবারের মতো পোস্টার ফ্যাস্টিভ্যাল ২০ আগস্ট
Published: ১৮. আগ. ২০২৬ | মঙ্গলবার
» সিলেটে শাহজালাল জামেয়া নাজিরেরগাঁওয়ে শিক্ষকের বিদায়ী সংবর্ধনা
Published: ১৮. আগ. ২০২৬ | মঙ্গলবার
শিক্ষকরা মানুষ গড়ার কারিগর ও শিক্ষার্থীদের প্রেরণার বাতিঘর : মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার
নিউজ ডেস্কঃ
শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল মাদরাসা নাজিরেরগাঁও শাখা সিলেটের ইনচার্জ মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার বলেছেন, শিক্ষকরা মানুষ গড়ার কারিগর এবং শিক্ষার্থীদের প্রেরণার বাতিঘর।
মা-বাবার পাশাপাশি শিক্ষকরা কোমলমতি শিশু-কিশোরদের জ্ঞান, নৈতিকতা ও মূল্যবোধে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
সঠিক দিকনির্দেশনা ও অনুপ্রেরণার মাধ্যমে তারা শিক্ষার্থীদের জীবনে এগিয়ে যেতে সহায়তা করেন।
তিনি বলেন, আদর্শ শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের হৃদয়ে জায়গা করে নেন।
স্নেহ, মমতা ও আন্তরিক শাসনের মাধ্যমে তারা শিক্ষার্থীদের সম্ভাবনার বিকাশে সহায়তা করেন।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল (স্নাতকোত্তর) মাদরাসা নাজিরেরগাঁও শাখার সহকারী শিক্ষক (ইংরেজি) মো. ওবায়দুল হকের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জামেয়ার তামাদ্দুনিক কমিটির আহ্বায়ক খোরশেদ আলম মহসিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিদায়ী শিক্ষক মো. ওবায়দুল হক বক্তব্য দেন।
তিনি উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে সম্প্রতি জার্মানি যাচ্ছেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, শিক্ষক মাওলানা হানীফ হোসাইন, সিদ্দিকুর রহমান, শেখ মো. ইউনুস আলী, তানভীর হোসাইন, আজিজুর রহমান, হাফিজ মেহেদী হাসান, মাওলানা আব্দুল খালিক, হাফিজ ইমরান আহমদ, মাওলানা আমীর হোসাইন, মাওলানা কায়েস আহমদ, মাওলানা হোসাইন আহমদ ও হাফিজ সাইদুজ্জামান।
শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন, ছাত্র সংসদের ভিপি হাফিজ ফাহাদ আহমদ, জিএস আব্দুর রাজ্জাক সৈয়দ, এজিএস ফুয়াদ আল রাব্বি, সাহিত্য সম্পাদক জাহেদ উদ্দীন মাহদী, ছাত্রী সংসদের ভিপি রাফা আঞ্জুম, জিএস ফেরদৌসী জান্নাত নওশীন, এজিএস তাহসিন জান্নাত বুশরা এবং প্রচার ও পাঠাগার সম্পাদিকা তাওহিদা আক্তার।
অনুষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বিদায়ী শিক্ষক মো. ওবায়দুল হকের হাতে ক্রেস্ট ও উপহারসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
বিদায়ী শিক্ষক মো. ওবায়দুল হক তাঁর অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, ছাত্রজীবন শেষ হওয়ার পরপরই তিনি জামেয়ায় শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন।
তিন বছরের বেশি সময় এখানে কাটিয়ে প্রিয় সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে শ্রদ্ধা, অকৃত্রিম ভালোবাসা ও অনুপ্রেরণা পেয়েছেন।
তিনি সবার কাছে দোয়া কামনা করেন এবং শিক্ষার্থীদের বড় হওয়ার স্বপ্ন হৃদয়ে ধারণ করে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার আরও বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই আমি শিক্ষক হিসেবে প্রেরিত হয়েছি।’
তিনি শিক্ষকতার ক্ষেত্রে অতুলনীয় আদর্শ রেখে গেছেন।
শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা তাঁর আদর্শ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারলে উপকৃত হবেন।
শিক্ষকরা যদি কথা ও কাজে নিজেদের মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন, তাহলে শিক্ষার্থীরা তা থেকে শিক্ষা নিয়ে দ্বিধাহীনভাবে সামনে এগিয়ে যাবে।
এতে মেধা ও যোগ্যতার বিকাশের পাশাপাশি নৈতিকতার দিক থেকেও তারা শীর্ষে অবস্থান করবে।
» ৯ প্রাণহানির পর স্লিপার বাসে অভিযান, বেঙ্গল সহ ৫ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
Published: ১৮. আগ. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে অনুমোদনহীনভাবে চলাচলকারী স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে প্রশাসন।
ওসমানীনগরে স্লিপার বাস ও যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে ৯ জন নিহত হওয়ার ১১ দিনের মাথায় মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সিলেট নগরের কদমতলী বাস টার্মিনাল ও হুমায়ুন রশীদ চত্বর এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) যৌথ অভিযানে অনুমোদনহীন স্লিপার বাস পরিচালনার দায়ে পাঁচটি পরিবহন প্রতিষ্ঠানকে মোট ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ১৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।
জরিমানা করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো লন্ডন এক্সপ্রেস, জেদ্দা পরিবহন, প্যারাডাইস এক্সপ্রেস, ইম্পেরিয়াল এক্সপ্রেস ও বেঙ্গল পরিবহন।
এর মধ্যে গত ৭ আগস্ট ওসমানীনগরে ৯ প্রাণহানির দুর্ঘটনায় জড়িত বেঙ্গল পরিবহনকেও ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে অভিযান শুরু হয়ে চলে প্রায় দেড় ঘণ্টা।
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. পারভেজ ও বিআরটিএর সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) আবদুর রশীদের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারাও অংশ নেন।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. পারভেজ বলেন, স্লিপার বাস চলাচলের কোনো অনুমোদন নেই। প্রথম দিনের অভিযানে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ও সতর্ক করা হয়েছে।
এরপরও এসব বাস চলাচল অব্যাহত রাখলে বাস জব্দ ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গত ৭ আগস্ট সকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ওসমানীনগরের কাশিকাপন এলাকায় ইউনিক পরিবহনের বাসের সঙ্গে বেঙ্গল পরিবহনের একটি স্লিপার বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে ঘটনাস্থলে সাতজন এবং পরে হাসপাতালে আরও দুজনসহ মোট ৯ জন নিহত হন।
দুর্ঘটনার পর সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে অনুমোদনহীন স্লিপার বাস চলাচল নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।
এরই মধ্যে মঙ্গলবার প্রথমবারের মতো মাঠে নামল প্রশাসন ও বিআরটিএ।
একসঙ্গে পাঁচটি স্লিপার বাস সার্ভিসকে জরিমানা এবং সতর্ক করার মধ্য দিয়ে অভিযান শুরু হলেও এখন নজর থাকবে পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবারের অভিযান ছিল প্রথম দিনের।
অনুমোদনহীন স্লিপার বাস চলাচল বন্ধে ভবিষ্যতেও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
» সিলেট জেলা বিএনপি নেতা আকবরের মায়ের মৃত্যুতে মিফতাহ্ সিদ্দিকীর গভীর শোক
Published: ১৮. আগ. ২০২৬ | মঙ্গলবার
» আইজিসিএসই পরীক্ষায় রাইজ স্কুলের অনন্য সাফল্য, ৮টি এ পেয়ে শীর্ষে তেহজীবা
Published: ১৮. আগ. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
কেমব্রিজ কারিকুলামের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের জুন সেশনের আইজিসিএসই ও ও-লেভেল পরীক্ষায় অনন্য সাফল্য অর্জন করেছে সিলেটের রয়্যাল ইনস্টিটিউট অব স্মার্ট এডুকেশনের শিক্ষার্থীরা।
প্রকাশিত ফলাফলে একাধিক শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ গ্রেড এ অর্জন করে নজর কেড়েছে। এর মধ্যে একাই ৮টি বিষয়ে এ পেয়ে প্রাতিষ্ঠানিক ফলাফলে শীর্ষস্থান দখল করেছে মেধাবী শিক্ষার্থী তেহজীবা সুলতানা।
প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, রাইজ স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অর্জিত এ গ্রেডের সংখ্যা এবং পরবর্তীতে এ ও বি গ্রেডের ক্রমানুসারে মেধা তালিকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রথম স্থান ৮টি বিষয়ের সবকটিতেই এ পেয়েছে তেহজীবা সুলতানা, দ্বিতীয় স্থান ৭টি এ ও ১টি এ অর্জন করেছে নাফিসা আনজুম, তৃতীয় স্থান ৭টি এ ও ১টি বি পেয়েছে সামারাহ চৌধুরী, যৌথভাবে চতুর্থ স্থান বাহরিয়া আহামেদ রাদিতা ও মাহিন রহমান উভয়েই ৭টি করে এ অর্জন করেছে।
অন্যান্য কৃতী শিক্ষার্থী ৩টি এ ৪টি বি পেয়ে মেহদি হুসাইন দীপ ষষ্ঠ; ৩টি এ, ৩টি এ ও ১টি বি পেয়ে সামেরা কবির সপ্তম এবং ৩টি এ, ২টি এ ও ১টি বি পেয়ে অষ্টম স্থান অর্জন করেছে মুহাম্মদ সাকিব খান। পাশাপাশি সাদিয়া চৌধুরী ১টি এ, ৫টি এ ও ১টি বি লাভ করেছে।
এছাড়াও সাররিনাহ আহমাদ, ফাহাদ হুসাইন, ফাতিন ইলহাম, আশেম আদিতি সিনহা, মো. ইশামুজ্জামান ইশহাম, ইউসুফ নাবির, সফওয়ান উদ্দিন আহমেদ, ওয়াজিহুর রহমান, খাদিজাহ, ওয়াহিদুজ্জামান মাহি, সাইয়েদ সাফওয়ান গাজ্জালী এবং আফসানা মিমি মাহমুদসহ অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও বিভিন্ন বিষয়ে এ, বি ও সি গ্রেড অর্জন করে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে।
শিক্ষার্থীদের এই গৌরবোজ্জ্বল অর্জনে গভীর আনন্দ ও গর্ব প্রকাশ করেছে রাইজ স্কুল কর্তৃপক্ষ।
তাঁরা জানান, শিক্ষার্থীদের নিরলস পরিশ্রম, বিষয়ভিত্তিক সঠিক প্রস্তুতি, অভিজ্ঞ শিক্ষকবৃন্দের সঠিক দিকনির্দেশনা এবং অভিভাবকদের সার্বিক সহযোগিতার ফলেই এই গৌরবময় ফলাফল সম্ভব হয়েছে।
কৃতি শিক্ষার্থীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে ভবিষ্যতেও সাফল্যের এই ধারাবহিকতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা ব্যক্ত করে প্রতিষ্ঠানটি।


