শিরোনামঃ-

» সিলেটে স্থাপিত হচ্ছে দেশের প্রথম বায়োড্রায়িং প্ল্যান্ট: বর্জ্য হবে জ্বালানি; নগরভবনে মতবিনিময় সভা

Published: ২৩. জুন. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট সিটি কর্পোরেশনে (সিসিক) আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে দেশের প্রথম ‘বায়োড্রায়িং প্ল্যান্ট’ স্থাপন করা হচ্ছে।

উন্নত প্রযুক্তির এই প্ল্যান্টটি বাস্তবায়িত হলে নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তনের পাশাপাশি বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

​মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেলে নগরভবন সভাকক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এই প্রকল্পের অগ্রগতি ও কর্মপদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

​সভায় সভাপতির বক্তব্যে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আধুনিকায়ন এবং পরিবেশবান্ধব করে তুলতে আমরা এই বায়োড্রায়িং প্ল্যান্ট স্থাপন করতে চাই।

এটি বর্জ্যকে জ্বালানিতে রূপান্তরের মাধ্যমে একটি বৃত্তাকার অর্থনীতি (Circular Economy) গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।”

বিশেষজ্ঞরা জানান, বায়োড্রায়িং হলো বর্জ্য ব্যবস্থাপনার একটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি।

সাধারণত শহরের বর্জ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ জৈব উপাদান এবং প্রচুর পানি থাকে।

প্রচলিত ‘ইনসিনেরেশন’ বা বর্জ্য পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পদ্ধতিতে এই আর্দ্র বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ ব্যয়বহুল ও জটিল।

বায়োড্রায়িং প্রযুক্তিতে অণুজীবের প্রাকৃতিক বিপাকীয় তাপ ও নিয়ন্ত্রিত বায়ুপ্রবাহ ব্যবহার করে গৃহস্থালি বর্জ্য, স্যুয়ারেজ স্লাজ ও কৃষিজ বর্জ্যের অতিরিক্ত আর্দ্রতা দ্রুত শুকিয়ে ফেলা হয়।

ফলে বর্জ্যটি জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের উপযোগী হয়ে ওঠে, যা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত কার্যকর।

মতবিনিময় সভায় সিসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্মসচিব) মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস এবং নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মোহাম্মদ উল্লাহ।

​এছাড়া লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ পিএলসির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন, হেড অফ জিও সাইকেল লতিফুর রহমান, জেনারেল ম্যানেজার সরকার সোয়েব আহমেদ এবং বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার তামরিন চৌধুরী।

» মাদানী ঈদগাহ-ইকো পার্ক সড়কের বেহাল দশা; দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ সিসিক প্রশাসকের

Published: ২৩. জুন. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ
​​মাদানী ঈদগাহ-ইকো পার্ক সড়কের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার (২৩ জুন) সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সড়কের কাজ সম্পন্নের দাবি জানান।

এ সময় সিসিক প্রশাসক দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

নগর ভবনে আয়োজিত এই বৈঠকে সিকৃবির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল সড়কটির বর্তমান পরিস্থিতি এবং শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের ভোগান্তির বিষয়টি তুলে ধরেন।

বৈঠক শেষে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী সড়কটি দ্রুত চলাচলের উপযোগী করে তোলার জন্য সংশ্লিষ্টদের তাৎক্ষণিক নির্দেশনা প্রদান করেন।

তিনি বিশেষ করে পানির লাইন স্থাপনের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করে আরসিসি ঢালাইয়ের কাজ শেষ করতে প্রকৌশল বিভাগকে কড়া নির্দেশ দেন।

আলোচনা সভায় সিকৃবি প্রতিনিধি দল সড়কটির সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষার লক্ষ্যে আরসিসি ঢালাইয়ের আগে নির্দিষ্ট দূরত্বে ব্লক আকারে সোনালু, জারুল ও কাঞ্চন সহ বিভিন্ন দেশীয় ফুলগাছ রোপণের প্রস্তাব দেন।

সিসিক প্রশাসক এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানান এবং দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন।

সিকৃবি প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. জসিম উদ্দীন আহমেদ, প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. সামিউল আহসান তালুকদার, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. মাছুদুর রহমান এবং প্রধান প্রকৌশলী (অ.দা.) প্রফেসর ড. মুহাম্মদ রাশেদ আল মামুন।

​বৈঠক শেষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি দল সড়ক উন্নয়নে সিসিক প্রশাসকের আন্তরিক উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে কর্পোরেশনের সহযোগিতা কামনা করেন।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রশাসককে শুভেচ্ছা স্মারক হিসেবে নতুন বছরের ডায়েরি উপহার দেওয়া হয়।

​উল্লেখ্য, ২৪ ফুট প্রশস্ত এই সড়কটির দুই পাশে ৬ ফুট ফুটপাত, আধুনিক লাইটিং ব্যবস্থা এবং বৃক্ষরোপণ নিশ্চিত করা হবে।

প্রকল্পের কাজ শেষ হলে এলাকাটি নগরবাসীর জন্য একটি নান্দনিক ও প্রশান্তিময় স্থানে পরিণত হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

» নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি মেলা শুরু

Published: ২৩. জুন. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ
নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (এনইইউবি)-এর ফল সেমিস্টার ২০২৬ সালের তিনদিনব্যাপী ভর্তি মেলা ২৩ জুন ২০২৬ খ্রি. মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে।

ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির জন্য মেলা চলবে ২৫ জুন ২০২৬ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত।

ভর্তি মেলার ১ম দিন মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল ১০ টায় নগরীর শেখঘাট ক্যাম্পাসে ইউনিভার্সিটির ভারপ্রাপ্ত ভাইস চ্যান্সেলর, ন্যাচারাল সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন ও সিএসই বিভাগের প্রধান ড. আরিফ অহমদ বর্ণাঢ্য এ আয়োজনের শুভ উদ্বোধন করেন।

এনইইউবি এডমিশন ফেয়ার কমিটির আহ্বায়ক, স্কুল অব বিজনেসের ডিন ও ব্যবসায় প্রশাসনের বিভাগীয় প্রধান রেবেকা সুলতানা চৌধুরীর উপস্থাপনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, স্কুল অব হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সের ডিন ও ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোহাম্মদ শামসুল কবির, এনইইউবি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সেক্রেটারি ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. লিয়াকত আলী শাহ ফরিদী, পরিচালক (অর্থ) অশোক রঞ্জন চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার নূর জাহান কাকলী, ছাত্র কল্যাণ উপদেষ্টা ও সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রথীন্দ্র চন্দ্র গোপ, গ্রন্থাগারিক জিলুন্নাাহার চৌধুরী, আইন ও বিচার বিভাগের ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান মাহমুদ উন নবী রূপক, ডেভেলাপমেন্ট স্টাডিজের ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান মোছা. সুইটি খাতুন ও এনইইউবি এডমিশন ফেয়ার কমিটির সদস্য সচিব আমির হোসেন সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উচ্চ শিক্ষার প্রসারে নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই বিশ^বিদ্যালয়ের উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা মেধা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে দেশে-বিদেশে সুনামের সাথে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে রয়েছেন।

কর্মসংস্থানমুখী অত্যাধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিষয় এই বিশ^বিদ্যালয়ে চালু আছে ও আগামীতে আরও নতুন নতুন বিষয় খোলা হবে।

বক্তারা বলেন, মধ্যবিত্ত অভিভাবকদের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনা করে এই এডমিশন ফেয়ারে শিক্ষার্থীদের বিশেষ আর্থিক সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।

ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা এডমিশন ফেয়ারে প্রদত্ত সুবিধা গ্রহণ করে নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হতে আগ্রহী হবেন।

সকাল ১০টা থেকে নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ-এর শেখঘাটস্থ ক্যাম্পাস ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে।

ভর্তি মেলায় বিভিন্ন বিভাগের প্রধানগণ ভর্তিচ্ছু ছাত্র-ছাত্রী ও তাদের অভিবাবকবৃন্দকে স্বাগত জানান এবং নিজ নিজ বিভাগ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করেন।

নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটিতে অনার্স কোর্সে বিবিএ, বিএসসি (ইঞ্জিনিয়ারিং) ইন সিএসই, ইংলিশ ও এলএলবি এবং মাস্টার্স কোর্সে এমবিএ, এমএ ইন ইংলিশ, এলএলএম, মাস্টার্স ইন ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (এমডিএস) ও মাস্টার্স অব পাবলিক হেল্থ (এমপিএইচ) এ ভর্তি চলছে।

এডমিশন ফেয়ার উপলক্ষে বিশেষ ছাড় ঘোষণা করা হয়েছে। ভর্তিতে ৩০ শতাংশ ও টিউশন ফিতে ৩০ শতাংশ থেকে রেজাল্ট অনুযায়ী ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বিশেষ ছাড় দেওয়া হচ্ছে।

» ডিপিপি উপস্থাপন ও কনসালটেশন কর্মশালায় খন্দকার মুক্তাদির

Published: ২৩. জুন. ২০২৬ | মঙ্গলবার

পাঁচ-সাতটি খাতেই বদলে যেতে পারে রপ্তানি অর্থনীতি

নিউজ ডেস্কঃ
দেশের রপ্তানি আয় বর্তমান প্রায় ৫০-৫৫ বিলিয়ন ডলার থেকে ১৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, এমপি।

তিনি বলেন, সম্ভাবনাময় কয়েকটি খাতকে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা, নীতিগত সহায়তা, গবেষণা ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে এগিয়ে নিতে পারলে এ লক্ষ্য অর্জন কঠিন নয়।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় বেসরকারি খাতগুলোর প্রতিযোগিতা সক্ষমতা মূল্যায়ন গবেষণা’ শীর্ষক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রস্তাবিত প্রকল্পের ডিপিপি উপস্থাপন ও কনসালটেশন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণের সকল শর্ত পূরণ করেছে। এখন মূল চ্যালেঞ্জ হচ্ছে উত্তরণের পর বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা এবং পরবর্তী ধাপে অগ্রসর হওয়ার সক্ষমতা অর্জন করা।

এজন্য শিল্পখাতে দক্ষতা বৃদ্ধি, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তি অভিযোজনের ওপর জোর দিতে হবে।

তিনি বলেন, এক্সপোর্ট কমপিটিটিভনেস ফর জবস (ইসিফোর-জে) প্রকল্পের মূল ধারণা সময়োপযোগী হলেও প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রিতা দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অন্যতম বড় দুর্বলতা।

ভবিষ্যতে প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কাজ সম্পন্ন নিশ্চিত করতে হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে অভিযোজন সক্ষমতা রাখতে হবে।

মন্ত্রী জানান, লেদার ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে প্রতিষ্ঠিত অবকাঠামো আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা উন্নয়ন কেন্দ্র হিসেবে পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালনা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে দেশীয় শিল্প দ্রুত বৈশ্বিক মানদণ্ডে পৌঁছাতে পারে।

জুট খাতের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কাঁচা পাট রপ্তানির তুলনায় মূল্য সংযোজিত পাটপণ্য ও জুট-ভিত্তিক ফ্যাব্রিক উৎপাদনে বহুগুণ বেশি আয় সম্ভব।

এ খাতে গবেষণা, প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করতে চীনের সঙ্গে যৌথ গবেষণা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শিল্প উন্নয়নে সরকার, বেসরকারি খাত ও একাডেমিয়ার মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা গড়ে তুলতে হবে।

সফল দেশগুলোর অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নিয়ে প্রতিটি প্রকল্পের লক্ষ্য, কর্মপদ্ধতি ও ফলাফল নিয়মিত মূল্যায়নের ব্যবস্থা রাখতে হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের সমস্যা সমাধানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, “আপনাদের সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা শুনতে আমরা প্রস্তুত।

সরকার ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে কার্যকর সেতুবন্ধন গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।”

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট (র্যাপিড)-এর চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন।

বাণিজ্য সচিব বলেন, স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং দেশের রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার একটি সমন্বিত প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে বেসরকারি খাতের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও চাহিদাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সেক্টরভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে।

আজ অনুষ্ঠিত স্টেকহোল্ডার কনসালটেশন ওয়ার্কশপে বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান ও বিশেষজ্ঞদের দেওয়া মতামত প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, রপ্তানি খাতের পুনরুদ্ধার, পুনর্গঠন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়গুলোকে জাতীয় বাজেটের অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

ব্যবসা সহজীকরণ, ডিজিটালাইজেশন, নীতিগত সহায়তা এবং প্রক্রিয়া সরলীকরণের মাধ্যমে একটি কার্যকর ও টেকসই মডেল গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এবং সম্ভব হলে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)-কে বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসেবে সম্পৃক্ত করে প্রকল্পটি পরিচালনার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এমন একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে, যা এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং দেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, এক্সপোর্ট কমপিটিটিভনেস ফর জবস (ইসিফোর-জে) প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক সেখ মোহাম্মদ আব্দুর রহমান এবং বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র প্রাইভেট সেক্টর স্পেশালিস্ট হোসনা ফেরদৌস সুমি।

বিভিন্ন শিল্পখাতের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, নীতিনির্ধারক এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

» সোবহানীঘাট কামিল মাদরাসার বার্ষিক পাগড়ী প্রদান মাহফিল সম্পন্ন

Published: ২৩. জুন. ২০২৬ | মঙ্গলবার

জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি মানুষকে দ্বীনের পথে আহ্বান করবেন : আল্লামা ইমাদ উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী

নিউজ ডেস্কঃ
মুরশিদে বরহক হযরত আল্লামা ইমাদ উদ্দিন চৌধুরী বড় ছাহেব কিবলাহ ফুলতলী বিদায়ী ছাত্রদের উদ্দ্যেশ্যে বলেন, তিনটি নেক আমলের প্রতিদান মৃত্যুর পরেও কবরে পৌঁছে যায়।

তন্মধ্যে একটি হলো উপকারী ইলম। সুতরাং আপনারা যারা মাদ্রাসার খেদমত করবেন তারা এ হাদীসের আমলের মধ্যে শামিল আছেন।

কিন্তু যারা বিভিন্ন পেশায় জড়িত হবেন, তারা মাঝে মাঝে যেন দ্বীনী ইলমের দরস প্রদান করেন।

আপনারা যে যেই বিষয়ের পাঠদান করবেন, সেই বিষয়ে পূর্বেই ভালোভাবে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ব্যাখ্যাগ্রন্থ অধ্যয়ন করবেন।

জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি মানুষকে দ্বীনের পথে আহবান করবেন। আপনারা সহীহ আকীদা এবং সুন্নতে নববীর উপর অবিচল থাকবেন।

তিনি আরও বলেন, এ মাস মহররম মাস। এ মাসের দশ তারিখকে আশুরা বলা হয়ে থাকে।

এ দিবসের অনেক তাৎপর্য ও গুরুত্ব রয়েছে। আপনারা উক্ত দিবসকে কেন্দ্র করে দুটি রোজা রাখার চেষ্টা করবেন।

এছাড়াও কুরআন তেলাওয়াত, দান-সাদাকা প্রদান করবেন। আহলে বাইতের মহব্বতের ব্যাপারে ওরুত্বারোপ বলেন, ইমাম হুসাইন (রা:) এবং আহলে বাইতের মহব্বত অন্তরে প্রতিষ্ঠিত করবেন তাহলে আমাদের ভিতর থেকে ইয়াযিদের প্রতি ভালোবাসার প্রভাব উঠে যাবে। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে অন্তরে আহলে বাইতের প্রেম-ভালোবাসা অধিক পরিমাণে বৃদ্ধি করে দিন।

গতকাল ২২ জুন”২৬, সোমবার সিলেট মহানগরীর সোবহানীঘাটস্থ শামসুল উলামা হযরত আল্লামা ফুলতলী ছাহেব কিবলাহ (র.) প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী দ্বীনী প্রতিষ্ঠান হযরত শাহজালাল দারুচ্ছুন্নাহ ইয়াকুবিয়া কামিল মাদ্রাসার উদ্যোগে হাজী নওয়াব আলী জামে মসজিদ কমপ্লেক্সে বার্ষিক পাগড়ী প্রদান মাহফিলে প্রধান অতিথির নসিহতে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহফিলে মাদরাসা থেকে ২০২৫ সালে পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণীতে টেলেন্টপুল ও সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের পুরস্কার প্রদান করা হয়।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বয়ান পেশ করেন, দারুল ফিকর ওয়াল ইফতা আল ইসলামীর চেয়ারম্যান হযরত মাওলানা মুফতি গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী, বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহর মুহতারাম সভাপতি হযরত মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী।

সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

মাদরাসার স্বনামধন্য অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) হযরত মাওলানা মো. কুতবুল আলম এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জালালপুর জালালিয়া সিনিয়র মাদরাসার প্রিন্সিপাল হযরত মাওলানা জ. উ. ম. আব্দুল মুনঈম মনজলালী, বাদেদেওরাইল ফুলতলী কামিল মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মাওলানা মোহাম্মদ নজমুল হুদা খাঁন, লতিফি হ্যান্ডস বাংলাদেশের জেনারেল সেক্রেটারি মাওলানা গুফরান আহমদ চৌধুরী ফুলতলী, বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় সভাপতি মনজুরুল করিম মহসিন, আনজুমানে আল ইসলাহর কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজির উদ্দিন পাশা, তালামীযে ইসলামিয়ার সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা আলমগীর হোসাইন, মাওলানা মুফতি বেলাল আহমদ, মাওলানা মাহবুবুর রহমান ফরহাদ, বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এস এম মনোয়ার হোসেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মারুফ আহমদ, হযরত বড় ছাহেব কিবলাহ ফুলতলীর ছাহেবজাদা মাওলানা লুকমান আহমদ চৌধুরী ছাদী, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান, গোলাপগন্জ উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান নাবেদ হোসেন।

মাদ্রাসার প্রভাষক মাওলানা যুবায়ের আহমদ ও সহকারী শিক্ষক মাওলানা জইন উদ্দিনের পরিচালনায় বাদ আছর থেকে বয়ান পেশ করেন, মাদ্রাসার প্রধান মুহাদ্দিস মাওলানা মারজানুর রহমান খান, মুহাদ্দিস মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম।

মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন, মাদ্রাসার প্রধান ফকিহ ড. মাওলানা মুহিবুল্লাহ, সহকারী অধ্যাপক মাওলানা ইউনুছ আহমদ, মাওলানা রেদ্বাউল করিম, মাওলানা শাব্বির আহমদ, হাদীস প্রভাষক মাওলানা আমিনুল হুদা খান, আরবী প্রভাষক মাওলানা মিজানুর রহমান, সহকারী শিক্ষক মোঃ জসিম উদ্দিন প্রমুখ।

» সিলেট আইডিয়াল কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

Published: ২৩. জুন. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট আইডিয়াল কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন ২০২৬) সিলেট আইডিয়াল কলেজের আয়োজনে কলেজের হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান ও দোয়া মাহফিল-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়ে।

প্রাণবন্ত ও আবেগঘন এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ আবুল হাশেম।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. ঈসমাইল হোসাইন।

প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি বলেন, আমরা জন্মের পরে যখন থেকে বাঁচতে শিখি, তখন সবার মধ্যেই আস্তে আস্তে করে একটা স্বপ্ন তৈরি হয়। আমরা নিজেরা নিজেদেরকে ভাবতে শিখি এবং স্বপ্ন দেখি যে আমি বড় হবো।

কেউ ভাবে ডাক্তার হবে, কেউ ইঞ্জিনিয়ার হবে, একেক জনের একেক ধরনের স্বপ্ন থাকে এবং আমাদের এই স্বপ্ন বুনে দেয় আমাদের পরিবারের সদস্যরা বিশেষ করে মা-বাবা। তাঁরা প্রথমেই স্বপ্নটা দেখান এবং সেই স্বপ্ন নিয়ে আমরা হাটি হাটি পা পা করে জীবনে এগিয়ে যাই।

তারই ধারাবাহিকতায় তোমরা আজ উচ্চমাধ্যমিকের গন্ডি পেরিয়ে যাচ্ছো। তোমাদের আগামীর জন্য শুভ কামনা রইলো।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান এ এইচ মাহমুদ রাজা চৌধুরী, সিলেট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম এবং চন্দন মিয়া ছৈদুননেছা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা মিয়া মো. আবদুল বারী।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিলেট আইডিয়াল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অধ্যাপক নুরুর রহমান।

কলেজের প্রভাষক সুব্রত দেবনাথের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের সূচনা হয় অতিথিদের আসন গ্রহণের মধ্য দিয়ে।

এরপর পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও গীতাপাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের মূল পর্ব শুরু হয়।

কোরআন তেলাওয়াত করেন, বিদায়ী শিক্ষার্থী শাকিল এবং গীতাপাঠ করেন বিদায়ী শিক্ষার্থী মৌ।

বক্তব্যের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন, কলেজের প্রভাষক অভিজিৎ আচার্য। পরবর্তীতে বক্তব্য রাখেন কলেজের সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ।

তাঁদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সহকারী অধ্যাপক সৈয়দা মাহফুজা কাওসার, সহকারী অধ্যাপক রোকেয়া বেগম, সহকারী অধ্যাপক খুররম আজাদ, প্রভাষক মাওলানা মো. সাদিকুর রহমান, প্রভাষক মো. নূরে কামাল, প্রভাষক আকলাকুল আসপিয়া, প্রভাষক রেজাউল করিম, প্রভাষক কাউসার আহমদ চৌধুরী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম এবং আলিয়া বেগম প্রমুখ।

বিদায়ী শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন, মোছা. সাহিদা বেগম। তিনি তাঁর বক্তব্যে কলেজে কাটানো গত দুই বছরের স্মৃতি, অভিজ্ঞতা ও অনুভূতির কথা আবেগঘনভাবে তুলে ধরেন।

এরপর বিদায়ী শিক্ষার্থী সোপা বেগম একটি দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করে অনুষ্ঠানে ভিন্নমাত্রা যোগ করেন।

পরবর্তীতে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিবৃন্দ তাঁদের বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতি, নৈতিকতা, অধ্যবসায় এবং ভবিষ্যৎ জীবনের সাফল্য অর্জনের বিষয়ে মূল্যবান ও গঠনমূলক পরামর্শ প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের হাতে স্মারক ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।

সবশেষে সভাপতির সমাপনী বক্তব্য ও শিক্ষার্থীদের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনায় দোয়ার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

» আম্বরখানা গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে কয়েস লোদীকে সংবর্ধনা প্রদান

Published: ২৩. জুন. ২০২৬ | মঙ্গলবার

‘সিলেটের পরিকল্পিত উন্নয়ন ও শিক্ষার আধুনিকায়নে কাজ করব’

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং আম্বরখানা গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) সিলেট নগরীর হাউজিং এস্টেট রোডস্থ আম্বরখানা গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে এই সংবর্ধনা সভার আয়োজন করা হয়।
সম্পূর্ণ ক্যাম্পাসটি সিসি ক্যামেরা দ্বারা সুনিয়ন্ত্রিত ও উৎসবমুখর পরিবেশে এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মালেকা খানমের সভাপতিত্বে এবং সহকারী শিক্ষক যুম্নাম উজ্জ্বল্লার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে রেজাউল হাসান কয়েস লোদী তাঁকে এই সম্মাননা প্রদানের জন্য গভর্নিং বডি, শিক্ষক মণ্ডলী ও শিক্ষার্থীদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
তিনি বলেন, “সিলেটের সামগ্রিক ও পরিকল্পিত উন্নয়ন এবং শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রাখব।”
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, গভর্নিং বডির সদস্য সিরাজ উদ্দিন, বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. আবুল কালাম, কলেজের সহকারী অধ্যাপক মহরম আলী এবং সহকারী শিক্ষক আব্দুল করিম শেখ সহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ও শেষে অতিথিবৃন্দ নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান কয়েস লোদীকে ফুল ও শুভেচ্ছা স্মারক দিয়ে অভিনন্দন জানান এবং তাঁর নতুন দায়িত্ব পালনে সাফল্য কামনা করেন।

» ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে ২৫ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প চলমান

Published: ২২. জুন. ২০২৬ | সোমবার

নগরবাসীর সহযোগিতা চাইলেন সিসিক প্রশাসক

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট নগরীর উন্নয়নে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

সোমবার (২২ জুন) দুপুরে সিসিকের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের মুক্তিরচক এলাকায় কবরস্থান রোডের আরসিসি সড়ক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

সিসিক প্রশাসক বলেন, “এই নগরের নাগরিকদের দেখভাল করার দায়িত্ব আমাদের। তাই নাগরিকদের যে কোন সমস্যা সমাধানে আমরা তাদের কাছে ছুটে যাই।”

তিনি বলেন, “স্বল্প সময়ের মধ্যেই ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে প্রায় ২৫ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে ১৭টি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

এর মধ্যে ৬টি প্রকল্পের কাজ চলমান, ৫টি প্রকল্প টেন্ডার প্রক্রিয়ায় রয়েছে, ২টি প্রকল্পের টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে এবং আরও ২টি প্রকল্প কাজ শুরুর অপেক্ষায় রয়েছে। এছাড়া একটি প্রকল্পের ডিজাইন প্রস্তুতের কাজ চলছে।”

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী আরও বলেন, “ওয়ার্ডে রাস্তা, ড্রেন ও সেতু নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে।

মুরাদপুর থেকে টিলাগড় পর্যন্ত একটি আধুনিক এসফল্ট সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। এ এলাকায় পানির সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে সড়কবাতিও স্থাপন করা হবে।”

৩১ নম্বর ওয়ার্ড সচিব মো. ডালিম আহমদের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্মসচিব) মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত) রজি উদ্দিন খান, সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর নজমুল হোসেন, সহকারী প্রকৌশলী আংশুমান ভট্টাচার্য রাকু এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলী খায়রুল ইসলাম অপু সহ অন্যান্যরা।

» দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সিসিক প্রশাসক

Published: ২২. জুন. ২০২৬ | সোমবার

নগরবাসীকে সুরক্ষায় আগাম প্রস্তুতির নির্দেশ

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, নগরবাসীর সেবা করতেই আমি দায়িত্ব নিয়েছি।

সাধ্যমতো সেই দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করে যাচ্ছি। যে কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে নগরবাসীকে রক্ষায় সিলেট সিটি কর্পোরেশন সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করবে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার (২২ জুন) বিকেলে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় জানানো হয়, আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী এক সপ্তাহ সিলেট অঞ্চলে হালকা থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।

অতিবৃষ্টি এবং উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসিক প্রশাসকের নির্দেশে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি সভা আহ্বান করা হয়।

সভায় কমিটির সদস্যরা সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় বিভিন্ন প্রস্তুতিমূলক প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।

এ সময় সিসিক প্রশাসক সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও কর্মকর্তাদের আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ, জরুরি সেবা সমূহ প্রস্তুত রাখা এবং সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, একসময় সুরমা ও কুশিয়ারা ছিল খরস্রোতা নদী। দখল ও দূষণের কারণে আজ এ নদীগুলো বিপন্ন হয়ে পড়েছে।

নদীর তলদেশ পলি ও পলিথিন বর্জ্যে ভরাট হয়ে যাওয়ায় বৃষ্টির পানি ও উজানের ঢল দ্রুত নিষ্কাশন হতে পারে না।

ফলে সামান্য অতিবৃষ্টিতেই নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।

তিনি বলেন, আমরা চাই না কোন ধরনের দুর্যোগের সম্মুখীন হতে হোক। তবে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে যাতে নগরবাসীকে নিরাপদ রাখা যায় এবং ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব হয়, সে লক্ষ্যেই আমরা আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করছি।

সিটি কর্পোরেশনের সব বিভাগকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সভায় বক্তব্য দেন, সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্মসচিব) মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, সচিব মো. আশিক নূর এবং প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবরসহ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির নেতৃবৃন্দ।

এ সময় সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা এবং ওয়ার্ড পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরাও সভায় অংশগ্রহণ করেন।

» বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগরীর ২৯নং ওয়ার্ডের কমিটি গঠন

Published: ২২. জুন. ২০২৬ | সোমবার

দুর্নীতিমুক্ত সমাজ ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে  খেলাফত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই : আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলম

নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস (বি.কে.এম) সিলেট মহানগর শাখার ২৯নং ওয়ার্ডের বৈঠক  সোমবার (২২ জুন) বাদ এশা স্থানীয় একটি কার্যালয়ে মুহাম্মদ আব্দুল কাদিরে সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস (বি.কে.এম) সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি জননেতা আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মহানগর সহ-সভাপতি মাওলানা মুহিবুর রহমান।

বৈঠকে উপস্থিত দায়িত্বশীলদের মতামতের ভিত্তিতে বি.কে.এম সিলেট মহানগরীর ২৯নং ওয়ার্ড কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটির দায়িত্বশীলরা হলেন, সভাপতি মুহাম্মদ আব্দুল কাদির, সহ-সভাপতি আরফান মিয়া, হাফিজ আমির আলী, সাধারণ সম্পাদক ইমামুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মকবুল হোসেন, বায়তুল মাল সম্পাদক মাওলানা মাহিদুর রহমান, প্রচার সম্পাদক জাকারিয়া রব্বানী, সদস্য আফতাব আলী, আজিজুর রহমান, বেলাল আহমদ, আবু বকর, শাহরিয়ার, মুক্তার আহমদ, নুরুল ইসলাম, আলীম উদ্দিন, আজাদ মিয়া, মাজেদ আহমদ সহ ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে খেলাফত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণে বি.কে.এম ব্যাপক কাজ করে যাচ্ছে।

আমিরে মজলিস আল্লামা মামনুল হকের হাতকে শক্তিশালী করতে সকল নেতাকর্মীদের তৃণমূল পর্যায়ের সংগঠনের কার্যক্রম আরো জোরদার করার আহবান জানান।

» অপপ্রচার ও শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে নগরীতে মহানগর যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল

Published: ২২. জুন. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ
কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসুচীর অংশ হিসেবে অপপ্রচার ও শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে মহানগর যুবদল।

সোমবার (২২ জুন) রাতে নগরীর কাজলশাহস্থ ওসমানী মেডিকেলের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে রিকাবীবাজার পয়েন্টে গিয়ে সমাপ্ত হয়।

মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মির্জা মোঃ সম্রাট হোসেনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ মিছিলে মহানগর, বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ড যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

মিছিলে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম লয়লু, মহানগর যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পারভেজ খান জুয়েল, বাবলু মিয়া, সহ সাধারণ সম্পাদক এম এ হাসান, মকসুদুল করিম ইমন, মাহফুজুল করিম শিপলু, শাহিন উদ্দিন আহমদ, হোসেন আহমদ, রাজু আহমদ, মো হোসেনুর রহমান রিজভী, দপ্তর সম্পাদক পারভেজ আহমদ, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মুস্তাক আহমদ বাপ্পি, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আব্দুল আজিম চৌধুরী গিলমান, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয় সম্পাদক রুমন আহমদ, স্বাস্থ্য বিষয় সম্পাদক রাসেল আহমদ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ হোসেন সুহেব, মো: আবুল কালাম, শিবলু জামান, সহ-সাহিত্য লায়েক আহমদ ও জাবেদ আহমদ প্রমূখ।

মিছিল পরবর্তী সমাবেশে মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মির্জা মো. সম্রাট হোসেন বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে বিএনপি সরকার গঠন করেছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার সহনশীলতার রাজনীতি চালিয়ে যাচ্ছে।

বিএনপির এই সহনশীল মনোভাবকে দুর্বলতা ভেবে কেউ কেউ অপপ্রচার ও শিষ্টাচার বহির্ভুত রাজনীতির চর্চা করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার ষড়যন্ত্র করছেন।

সবধরনের ষড়যন্ত্রের জবাব দিতে যুবদল প্রস্তুত রয়েছে। পতিত ফ্যাসিস্ট ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী অপশক্তি দেশে কোনধরনের অরাজক পরিস্থিতির চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলার পাশাপাশি দেশপ্রেমিক জনতা তাদের প্রতিহত করতে প্রস্তুত রয়েছে।

» ডিসি সারওয়ার আলমের বদলীর আদেশ প্রত্যাহারের দাবী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

Published: ২২. জুন. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের সর্বজন শ্রদ্ধেয় গ্রহণযোগ্য জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমকে আকস্মিক বদলীর আদেশের তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়ে অবিলম্বে এই আদেশ প্রত্যাহারের দাবী জানিয়েছেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস (বি.কে.এম) সিলেট মহানগর শাখার নেতৃবৃন্দ।

সোমবার (২২ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যুক্ত বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস (বি.কে.এম) সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি জননেতা আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলম ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আব্দুল গাফফার বলেন, ‘যখন হযরত শাহজালাল মুজাররদে ইয়ামনি রহ. ও শাহপরান রহ. এর মাজারের মদ গাঁজার আসর বন্ধ ও দান-অনুদানকে জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসতে উদ্যোগী হয়েছেন মো. সারওয়ার আলম, ঠিক তেমনি একটি সময়ে তাঁর বদলীর আদেশে সিলেটবাসী হতবাক।

এরকম আদেশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের স্বচ্ছতা ও দুর্নীতিহীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।’

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, ‘যখন গোটা সিলেটের সর্বস্তরের মানুষ ডিসি সারওয়ার আলমের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন, তখন এরকম গণবিরোধী আদেশ কার স্বার্থে এবং কেন দেয়া হয়েছে? সিলেটবাসীর তা জানার অধিকার আছে।’

নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে এ আদেশ প্রত্যাহারের দাবী জানিয়ে বলেন, ‘অনতিবিলম্বে গণধিকৃত ও মাজারের দান-অনুদান আত্মসাৎকারীদের স্বার্থে জারিকৃত আদেশ প্রত্যাহার করে সারওয়ার আলমকে সিলেটের জেলা প্রশাসক হিসেবে বহাল রাখতে হবে।

অন্যথায় সিলেটের জনগণকে সাথে নিয়ে দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে তোলা হবে।’

Callender

June 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930