- সৃজনশীলতার বিকাশে স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে দেয়ালিকা ‘বাঙালিয়ানা’ উন্মোচন
- কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের ঘটনায় আহত শ্রমিকদের পাশে মালিক সমিতি
- ভুটানের সঙ্গে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ বাণিজ্যমন্ত্রীর
- সিলেটে ভূমিহীন অসহায় মানুষের বাসস্থানের দাবিতে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান
- বিপ্লবী চেতনাকে ধারন করে মহান মে দিবস পালন করুন
- সিলেটে বইমেলার ব্যাপারে অভিযোগ দাতাদের বিবৃতি
- সিলেট মহানগর তাঁতীদলের শোক সভা ও দোয়া মাহফিল
- সিলেটে তারেক রহমানের আগমন বরণ করতে প্রস্তুত মহানগর বিএনপি
- গোলাপগঞ্জে জনস্বার্থের রাস্তায় ‘বাধা’ আইনজীবির বিরুদ্ধে ‘অপপ্রচার’
- “কানাডার এমপি নির্বাচনে জয়ী ডলি বেগমকে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র অভিনন্দন
» সৃজনশীলতার বিকাশে স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে দেয়ালিকা ‘বাঙালিয়ানা’ উন্মোচন
Published: ২৮. এপ্রি. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
সৃজনশীল চিন্তা ও জ্ঞানচর্চার প্রসারে সিলেটের অন্যতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ‘বাঙালিয়ানা’ নামক দেয়ালিকা উন্মোচন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) কলেজ প্রাঙ্গণে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে এই নান্দনিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দেয়ালিকার আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন করেন, স্কলার্সহোমের একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর জয়নুল আবেদীন চৌধুরী।
তিনি তাঁর বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি সৃজনশীল ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চায় আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।
স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি শিক্ষার্থীদের জন্য এক আনন্দদায়ক ঘোষণা প্রদান করেন।
অধ্যক্ষ বলেন, এখন থেকে কলেজে নিয়মিত ত্রৈমাসিক দেয়ালিকা প্রকাশ করা হবে এবং বছর শেষে সেরা দেয়ালিকা নির্বাচন করে আনুষ্ঠানিক পুরস্কার প্রদান করা হবে। এই ঘোষণা শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করে।
প্রভাষক মাওলানা উসমান গণীর পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত এবং প্রভাষক জুই রাণী তালুকদারের গীতা পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক মোহিয়ারা বেগম। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন, কলেজ শাখার একাডেমিক ইনচার্জ প্রভাষক কাজী শাখাওয়াত হোসেন।
শিক্ষকদের পক্ষ থেকে বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রভাষক মীর হোসাইন সরকার এবং শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী সুমাইয়া বাহার শিমু বক্তব্য রাখেন।
একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী আশফাক হোসেন ও নুজহাত তাসফিয়া চৌধুরীর সাবলীল উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
দেয়াল পত্রিকা প্রকাশনার সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন, প্রভাষক মোহিয়ারা বেগম ও প্রভাষক মো. মাহবুবুর রহমান।
উল্লেখ্য, দেয়ালিকাটি ছিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও নান্দনিক, যা উপস্থিত সকলের প্রশংসা কুড়ায়।
পরিশেষে আমন্ত্রিত অতিথিদের দেয়ালিকা প্রদর্শনী ও ফটোসেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
» কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের ঘটনায় আহত শ্রমিকদের পাশে মালিক সমিতি
Published: ২৮. এপ্রি. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে সোমবার শ্রমিকদের দুই পক্ষের মধ্যে সংগঠিত রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে গুরুতর আহত শ্রমিকদের দেখতে হাসপাতালে গিয়েছেন সিলেট জেলা বাস মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাতে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শ্রমিক দিলওয়ার, রিপন ও সোহেলকে দেখতে যান তারা।
এসময় নেতৃবৃন্দ আহতদের চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং দায়িত্বরত চিকিৎসকদের সাথে কথা বলে তাদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।
হাসপাতাল পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা বাস মালিক সমিতির কার্যকরী সভাপতি নাজিম উদ্দিন লস্কর, সহ সভাপতি সৈয়দ মঈন উদ্দিন সোহেল, আবুল হাসান চৌধুরী,সাধারণ সম্পাদক এমরান হোসেন জুনু,যুগ্ম সম্পাদক আবেদ সুলতান চৌধুরী তারেক, সিলেট কোম্পানীগঞ্জ ভোলাগঙ্জ গোয়ানগাট হাদারপার বাস মালিক সমিতির সভাপতি মাহবুবুল হক চৌধুরী সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এসময় নেতৃবৃন্দ বলেন, পরিবহন সেক্টরের প্রাণ হলো শ্রমিকরা, কিন্তু তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাস টার্মিনালে যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত।
এই ঘটনার কারণে সাধারণ শ্রমিক ও মালিকদের মধ্যে যেমন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তেমনি টার্মিনালের স্বাভাবিক পরিবেশও বিঘ্নিত হয়েছে।
এ ঘটনায় ধৈর্য ও সহনশীলতার পরিচয় দিয়ে মালিক ও শ্রমিকদেরকে পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার উদাত্ত আহ্বান জানান।
» ভুটানের সঙ্গে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ বাণিজ্যমন্ত্রীর
Published: ২৮. এপ্রি. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, এমপি’র সঙ্গে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সচিবালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত দাশো কর্মা হামু দর্জি।
বৈঠকে দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিশেষ করে সৌর ও জলবিদ্যুৎ খাতে যৌথ উদ্যোগের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সম্মিলিত জিডিপি প্রায় ৫৯ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার হলেও পারস্পরিক বাণিজ্য মাত্র ১ শতাংশের কাছাকাছি, যা সম্ভাবনার তুলনায় অত্যন্ত কম।
এ অবস্থায় প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার অপরিহার্য।
খন্দকার মুক্তাদির বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে কার্যকর অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার মাধ্যমে আঞ্চলিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ।
তিনি জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। বাণিজ্য মন্ত্রী বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় স্বল্প দূরত্বে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন পারস্পরিকভাবে লাভজনক হতে পারে।
অন্যদিকে বাণিজ্য মন্ত্রী নিযুক্ত হওয়ায় খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে অভিনন্দন জানান ভুটানের রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে তার দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক বেশ নিবিড়। এ সম্পর্ক আরও জোরদারে আগ্রহী তারা।
দাশো কর্মা হামু দর্জি বলেন, বাংলাদেশের বুড়িমারি সীমান্ত থেকে ভুটানের দূরত্ব একশ’ কিলোমিটারের কাছাকাছি। নিকটবর্তী দেশ হওয়ায় দুদেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ লাভজনক।
তিনি জানান বাংলাদেশের মেডিকেল কলেজগুলোতে ভুটানের শিক্ষার্থীরা পড়তে আসেন এবং ফিরে সেদেশের মানুষের সেবায় নিয়োজিত হন।
এতে করে দুদেশের সংস্কৃতিরও বিনিময় হচ্ছে। বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (এফটিএ) আয়েশা আক্তার এবং ভুটানের মিনিস্টার কাউন্সিলর (ট্রেড) দাওয়া শেরিং উপস্থিত ছিলেন।
» সিলেটে ভূমিহীন অসহায় মানুষের বাসস্থানের দাবিতে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান
Published: ২৮. এপ্রি. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট শহর ও আশপাশ এলাকায় বসবাসরত অসহায়, সহায়-সম্বলহীন ও ভূমিহীন পরিবারের পক্ষ থেকে আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জেলা প্রশাসক সিলেট বরাবর বাসস্থানের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ভূমিহীন এসব পরিবার দীর্ঘদিন ধরে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছে।
অধিকাংশই রিকশাচালক, ভ্যানচালক, দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ। নদীভাঙন, ঋণের বোঝা এবং বিভিন্ন সামাজিক-অর্থনৈতিক কারণে জমি-জমা হারিয়ে তারা শহরের বিভিন্ন বস্তিতে বসবাস করতে বাধ্য হয়েছেন।
অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, অর্ধাহার-অনাহার এবং অনিশ্চিত জীবনের মধ্য দিয়ে তাদের দিন কাটছে।
উল্লেখ করা হয়, একটি জাতীয় জরিপ অনুযায়ী শহরের বস্তিতে বসবাসকারী প্রায় ৯৪ শতাংশ মানুষ ভূমিহীন এবং ৯২ শতাংশ পরিবার খাদ্য অনিরাপত্তায় ভুগছে।
এছাড়া প্রায় ৪১ শতাংশ শিশু কখনো স্কুলে যায়নি, যা তাদের ভবিষ্যৎকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
বর্তমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রেক্ষাপটে বাসাভাড়া পরিশোধ করা এসব পরিবারের জন্য অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।
ফলে অনেক পরিবার চরম অনিশ্চয়তা ও দারিদ্র্যের মধ্যে জীবনযাপন করছে।
এমতাবস্থায় স্মারকলিপিতে সিলেট অঞ্চলে বিদ্যমান সরকারি খাস জমিতে সরকারি অর্থায়নে আবাসন নির্মাণ করে ভূমিহীন পরিবারগুলোর জন্য স্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সমূহের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
স্মারকলিপিতে বিষয়টি অবগতির জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহেও অনুলিপি প্রদান করা হয়েছে।
» বিপ্লবী চেতনাকে ধারন করে মহান মে দিবস পালন করুন
Published: ২৮. এপ্রি. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
মহান মে দিবসের বিপ্লবী চেতনাকে ধারণ করে ১ মে মজুরি সহ ছুটি ভোগ করে মহান মে দিবসের কর্মসূচি পালন করার জন্য সকল শ্রমিকদের প্রতি উদাত্ত আহবান জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি: নং চট্ট-১৯৩৩)।
» সিলেটে বইমেলার ব্যাপারে অভিযোগ দাতাদের বিবৃতি
Published: ২৮. এপ্রি. ২০২৬ | মঙ্গলবার
সিলেটে বইমেলা বন্ধ নয়, বিতর্কিত প্রকাশনী বাদ দেওয়ার দাবী ছিলো
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটে প্রকাশক পরিষদ আয়োজিত বইমেলা বন্ধের জন্য কোনো দাবি জানানো হয়নি বলে স্পষ্ট করেছেন বইমেলার ব্যাপারে অভিযোগ দাতারা।
অভিযোগ দাতাদের দাবি, তারা কখনোই বইমেলার বিরোধিতা করেননি, বরং অভিযোগের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট তিনটি বিতর্কিত প্রকাশনীকে বাদ দিয়ে বইমেলা আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছিলেন।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা এই কথা জানান।
প্রকাশক পরিষদের বইমেলার ব্যাপারে অভিযোগ দাতাদের বিবৃতিতে বলা হয় সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি বিভ্রান্তিকর বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে যেন বিএনপিপন্থী সাংস্কৃতিক কর্মীদের দাবির কারণে বইমেলা বন্ধ হয়ে গেছে।
বিষয়টি অনভিপ্রেত, দুঃখজনক এবং সত্যের অপলাপ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিবৃতি দাতারা বলেন, ২৪ এপ্রিল থেকে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রকাশক পরিষদ সিলেটের ব্যানারে একটি বইমেলা আয়োজনের কথা ছিল।
তবে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, ওই মেলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সহযোগী হিসেবে পরিচিত কয়েকটি প্রকাশনী অংশ নিচ্ছে।
বিষয়টি নজরে আসার পর সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে তথ্য-প্রমাণসহ লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়।
তারা জানান, অভিযোগপত্রে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছিল, আমরা বইমেলার বিরুদ্ধে নয়, বরং সাহিত্য-সংস্কৃতির সুস্থ চর্চা অব্যাহত থাকুক, সেটিই আমাদের প্রত্যাশা। তবে বিতর্কিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন থাকায় বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখার অনুরোধ জানানো হয়।
অভিযোগ দাতারা আরো বলেন, মেলায় অংশগ্রহণকারী ২২টি প্রকাশনীর মধ্যে তিনটি প্রকাশনী ঘাস, চৈতন্য ও অভ্র এর বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছিল।
প্রশাসন অভিযোগগুলো যাচাই-বাছাই করে ওই তিন প্রতিষ্ঠানকে বাদ দিয়ে মেলা আয়োজনের প্রস্তাব দিলেও আয়োজকরা প্রথমে কাউকে বাদ না দেওয়ার সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। পরে দুইজনকে বাদ দিয়ে একজনকে রাখার প্রস্তাব দেওয়া হলে সাংস্কৃতিক কর্মীরা নৈতিক অবস্থান থেকে তা প্রত্যাখ্যান করেন।
তাদের দাবি যাদের বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ, সেখানে কাউকে ছাড় দিয়ে বাকিদের বাদ দেওয়া ন্যায়সংগত নয়।
আমরা স্পষ্টভাবে বলেছি অভিযোগের সত্যতা বিবেচনায় তিনজনকেই বাদ দিয়ে বইমেলা আয়োজন করা হোক।
কিন্তু অজ্ঞাত কারণে আয়োজকরা সেই পথ না বেছে পুরো মেলাই বন্ধ করে দিয়েছেন। তারা বলেন, বইমেলা কেবল বই বিক্রির আয়োজন নয় এটি জ্ঞান, মনন ও প্রগতিশীল সমাজ নির্মাণের এক অনন্য উৎসব।
তাই বইমেলার মতো পবিত্র সাংস্কৃতিক আয়োজনে বিতর্কিত ও স্বৈরাচারপন্থী চেতনার আশ্রয় যেন না ঘটে, সে বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি।
বিবৃতিতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, প্রকাশক পরিষদ চাইলে বিতর্কিত প্রকাশনীগুলো বাদ দিয়ে ভবিষ্যতেও বইমেলা আয়োজন করতে পারে এবং সুস্থ, গ্রহণযোগ্য ও বিতর্কমুক্ত আয়োজন হলে সাংস্কৃতিক কর্মীদের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতা ও সমর্থন থাকবে। তারা আশা প্রকাশ করেন, সিলেটের সাংস্কৃতিক অঙ্গন সত্য, ন্যায় ও সুস্থ চর্চার পথে এগিয়ে যাবে এবং বইমেলা হবে জ্ঞানপ্রেমী মানুষের মিলনমেলা, কোনো বিতর্কের কেন্দ্র নয়।
পাশাপাশি আরো উল্লেখ করা হয়, প্রকাশক পরিষদের বইমেলা বন্ধ করা হয়েছে দাবি করে এর প্রতিবাদ জানানো ১৫৩ জন লেখক ও সংস্কৃতিকর্মীদের মধ্যে জুলাই হত্যা মামলার আসামী,আওয়ামিলীগের অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিগত দিনে নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের সাথে সম্পৃক্ত অধিকাংশ লেখক সংস্কৃতিকর্মীর নাম লক্ষ্য করা গেছে।
যা আমাদের জন্য উদ্বেগ উৎকন্ঠার বিষয়।এতে প্রতীয়মান হয় তিনটি প্রকাশনীর বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সত্য ছিলো।
কালচারাল ফ্যাসিস্টরা বইমেলার নামে আবারও ঐক্যবদ্ধ হয়ে সাংস্কৃতিক বিপ্লব ঘটানোর অপপ্রয়াস চালাচ্ছে বলে আমরা আশংকা করছি।
বিবৃতি দাতাদের অনেকের সাথে আমরা কথা বলে জেনেছি তারা জানেনই না তাদের নাম বিবৃতিতে যুক্ত করা হয়েছে এবং কিছু লেখককে ভুল তথ্য নিয়ে নাম দেওয়া হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি যা সৃজনশীল সাহিত্যচর্চার জন্য অশনিসংকেত।
বিবৃতি দাতা হলেন সাজন আহমদ সাজু, সাবেক সদস্য, সংস্কৃতি বিষয়ক উপ-কমিটি সিলেট বিভাগ বিএনপি, জুবায়ের আহমদ, সহ সভাপতি সিলেট মহানগর ছাত্রদল, মাজহারুল ইসলাম মেনন, দপ্তর সম্পাদক,জিয়া স্মৃতি পাঠাগার সিলেট, নাহিদ আহমদ, যুগ্ম আহবায়ক, সিলেট মহানগর জাতীয়তাবাদী প্রচার দল,আল আমিন, যুগ্ম আহবায়ক, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল সিলেট, মহানগর,মোস্তাক আহমদ সাকেল, যুগ্ম সম্পাদক, এমসি কলেজ ছাত্রদল, রেজাউল করিম চৌধুরী, যুগ্ম আহবায়ক ২১ নং ওয়ার্ড ছাত্রদল।
» সিলেট মহানগর তাঁতীদলের শোক সভা ও দোয়া মাহফিল
Published: ২৮. এপ্রি. ২০২৬ | মঙ্গলবার
জুনেলের ত্যাগ বিএনপি পরিবার সর্বদা স্মরণ রাখবে : কয়েস লোদী
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট মহানগর তাঁতীদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জুনেল আহমদের শোক সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকাল ৫টায় নগরীর বন্দরবাজারস্থ রংমহল টাওয়ারে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, “জুনেল আহমদ ছিলেন দলের একজন নিবেদিতপ্রাণ ও পরিশ্রমী কর্মী। তাঁর মৃত্যুতে দলের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।
জাতীয়তাবাদী পরিবার তাঁর ত্যাগের কথা সর্বদা স্মরণ রাখবে। জুনেল তাঁতী দলের হয়ে বিএনপির যেকোন দুঃসময়ে পাশে থেকে কাজ করে গিয়েছেন।
তাঁর এমন মৃত্যুতে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আমরা তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।”
কেন্দ্রীয় তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা তাঁতী দলের আহ্বায়ক ফয়েজ আহমদ দৌলতের সভাপতিত্বে এবং মহানগর তাঁতীদলের সদস্য সচিব আমিনুল হক বেলালের পরিচালনায় সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির প্রথম যুগ্ম সম্পাদক ইশতিয়াক আহমদ সিদ্দিকী।
সভার শুরতে বক্তব্য রাখেন মহানগর তাঁতীদলের আহ্বায়ক কয়েস আহমদ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিমান বন্দর থানা বিএনপির সদস্য সচিব সৈয়দ সরওয়ার রেজা, জেলা তাঁতী দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মালিক, মহানগর তাঁতী দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জসিম উদ্দিন, যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুল হাসান, মোহাম্মদ হানিফ, জিয়াউর রহমান নেওয়ার ও জামাল উদ্দিন।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, যুগ্ম আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন, আলী আহমদ, স্বপন আহমদ, বাচ্চু আহমদ, হানিফ আহমদ, দেওয়ান নিজাম খান, নূর হান্নান, মাছুম আহমদ, চাঁন মিয়া, রেজওয়ান মিয়া, রিপন মিয়া, মন্নান আহমদ, মনু মিয়া, আমিন আহমদ, আলী আকবর, দিলাল আহমদ, শামীম আহমদ, সদস্য সুহেল আহমদ, সিরাজ মিয়া, হেলাল আহমদ, মো. শাহজাহান হোসেন, শফিকুল হাসান, ইয়াসিন আহমদ, এমদাদ হোসেন, হাসান মাসুদ, মানিক আহমদ, আব্দুল কুদ্দুস খান, দুলাল আহমদ, সদর উপজেলা তাঁতী দলের আহবায়ক মাহবুবুর রহমান লোকমান, কোম্পানীগঞ্জ তাঁতীদলের আহ্বায়ক তাজ উদ্দিন, আবুল মতিন, রিংকু আহমদ, এনাম আহমদ, সাইফুল ইসলাম উজ্জ্বল, মিজানুর রহমান, আলী আশরাফ দিপু, হানিফ আহমদ, রেদওয়ান আহমদ, সাইদুর রহমান ও আল-আমিন শেখ প্রমুখ।
সভার শেষ পর্যায়ে মরহুম জুনেল আহমদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন, রংমহল টাওয়ার মসজিদের ইমাম।
» সিলেটে তারেক রহমানের আগমন বরণ করতে প্রস্তুত মহানগর বিএনপি
Published: ২৮. এপ্রি. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
আগামী ২ মে শনিবার সিলেট সফরে আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাঁর এই সফরকে ঘিরে উজ্জীবিত হয়ে উঠেছে সিলেটের রাজনৈতিক অঙ্গন। সফর সফল করতে এবং দলের চেয়ারম্যানকে রাজকীয় সংবর্ধনা দিতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে সিলেট মহানগর বিএনপি।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সিলেট মহানগর বিএনপির এক বিশেষ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতির বক্তব্য রাখেন, সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, “বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বরণ করতে সিলেটের বিএনপি পরিবার পুরোপুরি প্রস্তুত। তাঁর এই সফর সিলেটবাসীর জন্য অত্যন্ত আনন্দের এবং অনুপ্রেরণার।
তারেক রহমানের এই সফর কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
তিনি সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সুশৃঙ্খলভাবে নির্ধারিত কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।
মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীর সঞ্চালনায় সভায় দলের শীর্ষ নেতারা এই সফরকে সফল করতে নানা দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইমদাদ হোসেন চৌধুরীর সঞ্চালনায় প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালি পংকি, সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম, সাবেক সহ-সভাপতি এডভোকেট হাবিবুর রহমান, সহ-সভাপতি জিয়াউল গণি আরেফিন জিল্লুর, জিয়াউল হক জিয়া ও আফজল উদ্দিন, সাদিকুর রহমান সাদিক, মহানগর বিএনপির প্রথম যুগ্ম সম্পাদক নজিবুর রহমান নজিব, মহিলা দলের সভানেত্রী নিগার সুলতানা ডেইজি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউল বারী খোরশেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ সাফেক মাহবুব, জাকির মজুমদার, রফিকুল ইসলাম রফিক, শাহপরান থানা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল মুনিম এবং বিমানবন্দর থানা বিএনপির সদস্য সচিব সৈয়দ সারোয়ার রেজা।
এছাড়াও মহানগর বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ, থানা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা সভাশেষে তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করেন এবং ২ মে’র কর্মসূচি সফল করতে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে প্রস্তুতি সভা ও প্রচার কার্যক্রম জোরদার করার ঘোষণা দেন।
» গোলাপগঞ্জে জনস্বার্থের রাস্তায় ‘বাধা’ আইনজীবির বিরুদ্ধে ‘অপপ্রচার’
Published: ২৮. এপ্রি. ২০২৬ | মঙ্গলবার
অভিযুক্ত নারী ও কথিত দেবরের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন
গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
একটি পাড়ায় ২ শতাধিক পরিবারের বাস। বাসিন্দার সংখ্যা ৫ শতাধিক।
চলাচলের উপযোগী রাস্তা ছিলো না দীর্ঘ ৩০ বছর। রোগী কিংবা মৃতদেহ নিয়েও যাতায়াতের ক্ষেত্রে ছিলো চরম ভোগান্তি।
এ অবস্থায় গত বছর সরকারি জায়গায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে একটি খালের অংশ ভরাট করে তৈরি করা হয় চলাচলের উপযোগী রাস্তা।
এতে স্বস্তি নেমে আসে ওই পাড়ার ৫ শতাধিক মানুষের মাঝে। সদ্য হওয়া কাঁচা রাস্তাটি এখন পাকাকরণের দাবি স্থানীয়দের।
কিন্তু গ্রামীণ এই উন্নয়নে প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়িয়েছেন এক প্রবাসী নারী ও তার কথিত দেবর। ঘটনাটি সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়নের পশ্চিম বারকোট গ্রামের।
এ দুজন এক আইনজীবি ও স্থানীয় মুরুব্বিদের বিরুদ্ধে ফেসবুকসহ বিভিন্নভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকালে স্থানীয় বাসিন্দারা ওই নারী ও তার দেবরের বিরুদ্ধে মানবব্ন্ধন করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এতে ৫ শতাধিক নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধন কর্মসূচিতে স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পশ্চিম বারকোটের মৃত মাসুক উদ্দিনের স্ত্রী প্রবাসী হেনা বেগম ও তার কথিত দেবর মৃত ফলিক মিয়ার ছেলে ফয়সল আহমদ তাদের ধানি জমির পাশ ঘেষে বয়ে যাওয়া স্থানীয় মোকামের খালের (তিখালার শাখা) অন্তত ২০ ফুট অংশ জবরদখল করে ফেলেছেন।
এতে সরকারি এ খালটি সংকীর্ণ হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় গত বছরের ডিসেম্বরে বারকোট ১নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশ থেকে পশ্চিম দিকে যাওয়া (মোকামের খালের পাশাপাশি) ছোট রাস্তাটি বড় করার জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়।
বরাদ্দের পর মাটি ভরাট করে রাস্তাটি বড় করে সংস্কার করা হয়। এতে বর্তমানে পশ্চিম বারকোটের দুই শতাধিক পরিবারের ৫ শতাধিক বাসিন্দার যাতায়াতে সুবিধা তৈরি হয়েছে।
শুধু এ গ্রামের বাসিন্দারাই নন, এ রাস্তা দিয়ে আশপাশের অন্তত ৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন যাতায়াত করেন।
রাস্তাটি বড় করে সংস্কার করায় তাদের মাঝেও বিরাজ করছে স্বস্তি। কিন্তু রাস্তা বড় করায় এবং খাল সংকীর্ণ হয়ে পড়ায় প্রবাসী হেনা বেগম ও তার কথিত দেবর ফয়সল আহমদের সরকারি খাল দখলের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠে। পরে বিষয়টি ধামচাপা দিতে উঠেপড়ে লাগেন এ দুজন।
এরই অংশ হিসেবে গত দুদিন ধরে ভার্চুয়াল মাধ্যম ফেসবুকসহ নানাভাবে এই গ্রামীণ উন্নয়নের পক্ষে থাকা স্থানীয় মুরুব্বি ও যুবসমাজের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।
তাদের অপপ্রচার থেকে রক্ষা পাননি সিলেট জেলা বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক ও জেলা জজ কোর্টের আইনজীবি এম আবু তাহের।
অপপ্রচারে এ দুজন বলছেন, অ্যাডভোকেট আবু তাহের দলীয় প্রভাব খাটিয়ে প্রবাসীদের জায়গা দখল করে রাস্তা বড় করেছেন। এটি সম্পূর্ণ অপপ্রচার।
এখানে হেনা বেগম ছাড়া আর কোনো প্রবাসীর জায়গা নেই। মূলত হেনা বেগম ও তার দেবর নিজেদের অন্যায় ঢাকতে গিয়েই এমন অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছেন।
তবে সুবিধাভোগী স্থানীয়রা বলছেন, অ্যাডভোকেট আবু তাহেরের এখানে কোনো নেতিবাচক ভূমিকা নেই।
বরং দীর্ঘদিন ধরে অবহেলি এই গ্রামের মানুষের পক্ষে দাঁড়ানোর কারণেই তিনি ওই নারী ও তার কথিত দেবরের অপপ্রচাররের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছেন না।
মানববন্ধনে উপস্থিত নারী-পুরুষরা এমন অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, হেনা বেগম ও তার দেবর ফয়সল আহমদ আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
স্বৈরশাসক হাসিনার আমলে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে ওই রাস্তাটি বড় করতে দেননি এবং সরকারির খাল ভরাট করে নিজেদের জমিতে ঢুকিয়ে দিয়েছেন।
এর প্রমাণ হচ্ছে, তাদের জমির অংশ ছাড়া বাকি অংশ এখনো বড় খাল হিসেবেই বিদ্যমান আছে। এ দুজন ও তাদের সহযোগিরা বছরের পর বছরে ধরে স্থানীয়দেরকে যাতায়াতের সুবিধাবঞ্চিত করে জুলুম করে আসছেন।
এছাড়া বারকোট ১নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জায়গাতেই তারা জোরপূর্বক নিজেদের চলাচলের রাস্তা বানিয়ে রেখেছেন। নির্মাণ করতে দিচ্ছেন না ওই বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি দেওয়াল। এর ফলে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা রয়েছেন প্রাণঝুঁকিতে।
বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরাও মঙ্গলবারের মানববন্ধনে উপস্থিত হন। তারা তাদের বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি দেওয়াল নির্মাণের জোর দাবি জানিয়েছেন।
মানববন্ধনে মকবুল আলী, ছকই মিয়া, সালাউদ্দিন, লুতু মিয়া, দুদু মিয়া, বাবুল মিয়া, আব্দুল হান্নান, শাহান আহমদ, মুন্না আহমদ, মাছুম আহমদ, কয়েস আহমদ, শাহজাহান আহমদ, রাব্বি আহমদ, পিন্টু আহমদ, আবুল মিয়া, ইসলাম উদ্দিন, রিমন আহমদ, হেনা বেগম, খালেদা বেগম ও শাহানারা বেগমসহ ৫ শতাধিক নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।
» “কানাডার এমপি নির্বাচনে জয়ী ডলি বেগমকে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র অভিনন্দন
Published: ২৭. এপ্রি. ২০২৬ | সোমবার
লন্ডন থেকে শেখ নুরুল ইসলামঃ
কানাডার ফেডারেল উপনির্বাচনে টরোন্টোর স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট আসন থেকে কানাডার সংসদে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত মৌলভীবাজার জেলার
সুযোগ্য কন্যারত্ন ডলি বেগম এমপি বিজয়ী হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করায় গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র কেন্দ্রীয় কনভেনর ও মৌলভীবাজার ডিস্ট্রিক্ট ডেভেলপমেন্ট এন্ড ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন অব ওয়ালর্ড হোয়াইডের ফাউন্ডার্স প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মকিস মনসুর, গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র কো-কনভেনর মসুদ আহমদ, সদস্য সচিব ড. মুজিবুর রহমান ও অর্থ সচিব কাউন্সিলর আসরাফ মিয়া, সাউথইস্ট রিজিওনাল কনভেনর হারুনুর রশিদ, কো কনভেনর জামাল হোসেন, যুগ্ম কনভেনর সিপার করিম ও সদস্য সচিব তাজুল ইসলাম সহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় ও রিজিওনাল কমিটির নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে বিজয়ের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান এবং তার এই সাফল্যে বাংলাদেশ তথা সিলেটবাসীর জন্য এটি একটি বিশেষ সম্মানের বলে উল্লেখ করেছেন।
অভিনন্দন বার্তায় কানাডার পার্লামেন্টে বাবা,মা সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আজ সম্প্ন্ন হওয়ায় ইউকে বিডি টিভির চেয়ারম্যান ও গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র কেন্দ্রীয় কনভেনর
মোহাম্মদ মকিস মনসুর বলেন, মৌলভীবাজারের বাজরাকোনা গ্রামের সুযোগ্য কন্যারত্ন ডলি বেগম কানাডার রাজনীতিতে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন।
টরন্টোর স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট আসন থেকে ফেডারেল উপনির্বাচনে প্রথমবারের মতো এমপি নির্বাচিত হয়ে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
তার এই অর্জন শুধু সিলেট বা মৌলভীবাজারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি পুরো বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য এক অনন্য সম্মান।
প্রবাসে থেকেও নেতৃত্ব, সততা এবং যোগ্যতার মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে জায়গা করে নেওয়া সম্ভব—ডলি বেগম তার বাস্তব প্রমাণ।
কমিউনিটি লিডার ও সিনিয়র সাংবাদিক মোহাম্মদ মকিস মনসুর আর ও বলেন ডলি বেগমের এই সাফল্য নতুন প্রজন্মকে আরও বড় স্বপ্ন দেখতে অনুপ্রাণিত করবে। ব্যবসা বা পেশাগত ক্ষেত্রের বাইরে গিয়ে নীতি-নির্ধারণী পর্যায়েও নিজেদের অবস্থান তৈরি করার সাহস যোগাবে এ অর্জন।
ডলি বেগমের এই যাত্রা নিঃসন্দেহে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পথপ্রদর্শক হয়ে থাকবে এবং প্রবাসে বাংলাদেশিদের সক্ষমতার এক উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে তিনি অভিমত ব্যাক্ত করেছেন।
এদিকে নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর ডলি বেগমকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে কার্নি বলেন, স্কারবোরো সাউথওয়েস্টের নতুন এমপি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় ডলি বেগমকে অভিনন্দন।
ডলি তার কমিউনিটির জন্য একটি উন্নত ভবিষ্যৎ গড়তে অত্যন্ত জোরালো এবং কার্যকরভাবে লড়াই করেছেন। তার অক্লান্ত কণ্ঠস্বর এবং অভিজ্ঞতা সবার জন্য একটি শক্তিশালী ও অধিকতর ন্যায়পরায়ণ কানাডা গঠনে সহায়তা করবে।
উল্লেখ্য যে, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আধ্যাত্মিকতার আলোকধারা ও ইতিহাসের গৌরবে ভরা এক জনপদ-বাজরাকোনা।
এই পবিত্র মাটিতে শায়িত আছেন হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর অন্যতম সফরসঙ্গী হযরত শাহ মঈন উদ্দিন (রহ.)। সেই পুণ্যভূমি আজ আবারও এক উজ্জ্বল ইতিহাসের সাক্ষী হলো এক অনন্য অর্জনের মাধ্যমে।
আধুনিক বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র কানাডার সংসদে প্রতিনিধিত্ব করছেন। এটি শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; এটি একটি জাতির অগ্রযাত্রার প্রতীক, একটি স্বপ্নের বাস্তব রূপ।
ছোট্ট ডলি মা-ও বাবা রাজা-মিয়ার একমাত্র কন্যা-বাংলাদেশের সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার মনুমুখ বাজরাকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া শুরু করেন।
পরবর্তীতে মনুমুখ পিটি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অবস্থায় ১৯৯৯ সালে পরিবারসহ কানাডায় পাড়ি জমান, আর সেখান থেকেই শুরু হয় তার নতুন জীবনের যাত্রা।
কানাডায় তিনি নিজেকে গড়ে তোলেন একজন সমাজসেবক হিসেবে। গবেষণা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং অভিবাসী অধিকার নিয়ে কাজ করে ধীরে ধীরে কমিউনিটিতে নিজের একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেন।
২০১২ সালে University of Toronto থেকে স্নাতক এবং University College London থেকে উন্নয়ন, প্রশাসন ও পরিকল্পনা বিষয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।
এরপর তিনি City of Toronto-এ রিসার্চ অ্যানালিস্ট হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।
সমাজসেবার এই পথ ধরে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন এবং New Democratic Party (NDP)-এর প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন লাভ করেন।
২০১৮ সালে অন্টারিও প্রাদেশিক নির্বাচনে স্কারবোরো সাউথ ওয়েস্ট থেকে নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়েন-প্রথমবারের মতো কোন বাংলাদেশি প্রাদেশিক এমপি নির্বাচিত হন।
এরপর তিনি ধারাবাহিকভাবে তিনবার এই এলাকায় প্রতিনিধিত্ব করেন, যা তার জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতারই প্রমাণ।
তবে তার এই সংগ্রামের পথে একটি গভীর ব্যক্তিগত শোকও রয়েছে-২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি তার প্রিয় স্বামী, টরন্টোর বাংলাদেশি-কানাডিয়ান আইনজীবী ব্যারিস্টার রিজওয়ান রহমানকে হারান। এই কঠিন সময়েও তিনি ভেঙে না পড়ে দৃঢ়তার সঙ্গে সামনে এগিয়ে গেছেন-যা তার মানসিক শক্তি ও নেতৃত্বের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
পরবর্তীতে বৃহত্তর পরিসরে কমিউনিটির কণ্ঠস্বরকে আরও শক্তিশালী করতে তিনি Liberal Party of Canada-এ যোগ দেন এবং প্রথমবারের মতো ফেডারেল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন।
এই উপ-নির্বাচনে স্কারবোরো সাউথ ওয়েস্ট থেকে বিজয়ী হয়ে তিনি এখন কানাডার সংসদে আমাদের প্রতিনিধিত্ব করবেন।
এই বিজয়ের মাধ্যমে তিনি নিজেকে একজন শক্তিশালী immigrant voice এবং Muslim নারী নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
» ১ মে শুক্রবার বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগরের আলোচনা সভা
Published: ২৭. এপ্রি. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগর শাখার উদ্যোগে আগামী ১ মে শুক্রবার আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে লালদিঘীরপারস্থ মজলিস কার্যালয়ে বাদ মাগরিব আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
এতে সিলেট মহানগর ও ওয়ার্ড শাখাগুলোর সকল দায়িত্বশীলদের যথাসময়ে উপস্থিত থাকার আহবান জানিয়েছেন, শাখা সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলম ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আব্দুল গাফফার।
» ডাচ বিনিয়োগকারীদের কৃষি ও পানি ব্যবস্থাপনায় বিনিয়োগের আহ্বান মন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদিরের
Published: ২৭. এপ্রি. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
নেদারল্যান্ডসের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের কৃষি, পানি ব্যবস্থাপনা ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন, বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
তিনি বলেন, প্রথাগত উন্নয়ন সহায়তার গণ্ডি পেরিয়ে এখন কৌশলগত সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) ভিত্তিক সহযোগিতা বৃদ্ধির সময় এসেছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) শিল্প মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এসব কথা বলেন।
সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, “বাংলাদেশ এখন টেকসই উন্নয়নের দিকে এগোচ্ছে।
বিশেষ করে কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, আধুনিক পানি ব্যবস্থাপনা, সামুদ্রিক শিল্প উন্নয়ন এবং টেকসই ভ্যালু চেইন বা মূল্য শৃঙ্খল গড়ে তোলাকে আমাদের সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে।”
এসব খাতে নেদারল্যান্ডসের উন্নত প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য সহায়ক হতে পারে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সরকার বিদেশি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করছে।
ডাচ বিনিয়োগকারীরা যদি এই সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে এগিয়ে আসেন, তবে উভয় দেশই অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে।
রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেল বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রশংসা করেন এবং উল্লেখিত খাতগুলোতে ডাচ প্রতিষ্ঠানগুলোর আগ্রহ ও কারিগরি সহায়তার আশ্বাস দেন।
বৈঠকে উভয় পক্ষই ভবিষ্যতে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

