- বিশ্ব প্রকৃতি সংরক্ষণ দিবস উপলক্ষে সিসিকের র্যালি
- সুরমা মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সিসিক প্রশাসক
- অর্থ আইন-২০২৬ এর বিধান ব্যক্তি করদাতাদের আয়কর প্রদানে নিরুৎসাহিত করবে : অধ্যাপক শফিকুর রহমান
- গর্ভবতী মায়েদের জন্য বিশেষ ‘মা ফ্রি মেডিকেল হেলথ ক্যাম্প’
- ২৫০ সদস্য বিশিষ্ট্য সিলেট জেলা হাসপাতাল চালুর দাবীতে ৩০ মিনিট অবস্থান কর্মসূচী অনুষ্ঠিত
- হেডওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে বিদায় সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত
- স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে শিক্ষক সভা অনুষ্ঠিত
- নাগরী নিউজের বিশ্বকাপ ম্যাচ প্রেডিকশনের পুরষ্কার বিতরণ
- সিলেটে সিএনজি ফিলিং স্টেশন এন্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত
- সাংবাদিকতা শুধু পেশা নয়, এটি জনসেবা : বিভাগীয় কমিশনার
» বিশ্ব প্রকৃতি সংরক্ষণ দিবস উপলক্ষে সিসিকের র্যালি
Published: ২৮. জুলা. ২০২৬ | মঙ্গলবার
গ্রিন ও ক্লিন সিলেট গড়তে নাগরিকদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ : আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, গ্রিন ও ক্লিন সিলেট গড়ে তোলার লক্ষ্যে সিটি কর্পোরেশন ইতোমধ্যে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।
তবে এ উদ্যোগ সফল করতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে নগরবাসীকেই। কারণ একদিকে সিটি কর্পোরেশন নগর পরিচ্ছন্ন রাখতে কাজ করছে, অন্যদিকে কিছু মানুষের অসচেতন আচরণে যত্রতত্র আবর্জনা ফেলে পরিবেশ দূষণ করা হচ্ছে।
নাগরিকদের সচেতনতা ছাড়া একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিশ্ব প্রকৃতি সংরক্ষণ দিবস উপলক্ষে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে আয়োজিত র্যালি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে সিসিক প্রশাসকের নেতৃত্বে নগর ভবন প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। র্যালিটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় নগর ভবনে এসে শেষ হয়।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “পরিবেশ বাঁচলে দেশ বাঁচবে, দেশ বাঁচলে মানুষ বাঁচবে।”
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব দিন দিন বাড়ছে এবং পরিবেশগত ঝুঁকি মোকাবিলায় এখনই কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের বিকল্প নেই। এ কারণে সিলেট সিটি কর্পোরেশন পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।
তিনি বলেন, সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার সারাদেশে পাঁচ কোটি বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সিলেট সিটি কর্পোরেশন নগর এলাকায় অন্তত ৫০ হাজার গাছ রোপণের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।
সিসিক প্রশাসক আরও বলেন, পরিচ্ছন্ন ও জলাবদ্ধতামুক্ত নগর গড়তে নিয়মিতভাবে ছড়া, খাল ও ড্রেন পরিষ্কার করা হচ্ছে।
পাশাপাশি ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও সড়ক যোগাযোগের উন্নয়নেও ব্যাপক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, “শুধু সিটি কর্পোরেশনের একার পক্ষে একটি পরিচ্ছন্ন ও সবুজ নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়।
নগরবাসী যদি নির্ধারিত স্থানে আবর্জনা ফেলেন, পরিবেশ রক্ষায় সচেতন হন এবং বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসেন, তাহলে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা অবশ্যই একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য সিলেট গড়ে তুলতে সক্ষম হব।”
র্যালিতে সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্মসচিব) মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (অঞ্চল-২) সুমন চন্দ্র দাশ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন, জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থ, লাইসেন্স কর্মকর্তা রুবেল আহমদসহ সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।
» সুরমা মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সিসিক প্রশাসক
Published: ২৮. জুলা. ২০২৬ | মঙ্গলবার
স্বল্পমূল্যে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে : আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য মানুষের মৌলিক অধিকারের অন্যতম।
তাই প্রতিটি মানুষ যাতে স্বল্পমূল্যে মানসম্মত ও কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা পায়, তা নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি-উভয় খাতকেই সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে সুরমা মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেডের অধীনে পরিচালিত মাউন্ট এডোরা হাসপাতালের হলরুমে আয়োজিত সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার। সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে নাগরিকদের জন্য উন্নত ও সহজলভ্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
বিশেষ করে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সিলেট সিটি কর্পোরেশনও এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
তিনি বলেন, সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকেও জনকল্যাণে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
বেসরকারি হাসপাতালগুলো যদি স্বল্প খরচে উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করে, তাহলে সরকারি হাসপাতালগুলোর ওপর রোগীর চাপ কমবে এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী আরও বলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশন সবসময় জনস্বার্থে পরিচালিত স্বাস্থ্যসেবা উদ্যোগের পাশে থাকবে।
যেসব বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে থেকে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা প্রদান করবে, তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে সিটি কর্পোরেশন প্রস্তুত।
তিনি চিকিৎসা খাতে মানবিকতা, সেবার মান এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন, সুরমা মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. মতিউর রহমান, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোস্তফা তৌফিক আহমেদ, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, সুরমা মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ডা. খন্দকার মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান এবং মাউন্ট এডোরা হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম।
সভায় অধ্যাপক ডা. মো. মতিউর রহমান বলেন, কম খরচে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা প্রদানই সুরমা মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেডের মূল লক্ষ্য।
উন্নত চিকিৎসার জন্য যাতে সিলেটের মানুষকে অন্যত্র যেতে না হয়, সে লক্ষ্যে আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা সম্প্রসারণে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে যাচ্ছে। তিনি ভবিষ্যতেও জনবান্ধব ও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
» অর্থ আইন-২০২৬ এর বিধান ব্যক্তি করদাতাদের আয়কর প্রদানে নিরুৎসাহিত করবে : অধ্যাপক শফিকুর রহমান
Published: ২৮. জুলা. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
অর্থ আইন-২০২৬ এ ব্যক্তি করদাতাদের ২০২৬-২০২৭ কর বছরের আয়কর রিটার্নে যেসব বিষয় উল্লেখ বাধ্য করা হয়েছে, তা ব্যক্তি করদাতাকে ক্ষতিগ্রস্ত ও আয়কর দানে নিরুৎসাহিত করবে বলে মন্তব্য করেছেন, বাংলাদেশ কর আইনজীবী সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটি (বি.টি.এল)-এর সাবেক সহ-সভাপতি ও সিলেট জেলা কর আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক শফিকুর রহমান।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, সরকার অর্থ আইন-২০২৬ এ ব্যক্তি করদাতাদের ২০২৬-২০২৭ করবছরের আয়কর রিটার্নের সাথে সব ধরনের ব্যবসা ও পেশায় ১% টার্ন ওভার ট্যাক্স দেওয়ার যে বিধান করেছে, তা কোন সময়ই ছিল না।
এই বিধান ব্যক্তি করদাতাদের আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত ও আয়করদানে নিরুৎসাহিত করবে। তাই পূর্বের ন্যায় ৪ কোটি টাকার উপরে ১% করে ট্যাক্স ধার্য করার জোর দাবি জানান তিনি।
নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের বেশিরভাগ ব্যক্তি করদাতা সঞ্চয়পত্রের আয়ের উপর নির্ভরশীল। তাই সঞ্চয়পত্রের উক্ত পরিশোধিত করকে চূড়ান্ত করদায় হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।
অন্যথায় সঞ্চয়পত্র ক্রয়ে ব্যক্তিরা হতাশা ও নিরুৎসাহিত হয়ে পড়বে। সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে ১৫% কর রহিত করে পূর্বের চূড়ান্ত করদায় বহাল না রাখলে জমি হস্তান্তর কমে যাবে।
এতে করে সরকার বিপুল আর্থিক ক্ষতি সম্মুখীন হবে। আপিল পর্যায়ে ১% কর পরিশোধের বিধানটি রহিত করার আহ্বান জানানো হয়। কারণ কোনো ব্যক্তি করদাতা আপিলে সম্পূর্ণ কর রেহাই পেলে তিনি আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
অংশীদারী ফার্মের আয়কে সব সময় ব্যক্তি করদাতার অনুরূপ ছিল। বর্তমানে অংশীদারের আয়কে প্রস্তাবিত কোম্পানীর করহারের অনুরূপ ঘোষণার সিদ্ধান্ত বাতিল করে পূর্বের ন্যায় ব্যক্তি শ্রেণীর কর হার অনুযায়ী করার জোর দাবি জানানো হয়।
ই-রিটার্ন ওয়েবসাইট পরিপূর্ণ কার্যকর করে বর্ধিত সময়ে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সুযোগ করে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
অধ্যাপক শফিকুর রহমান একটি উদাহরণের মাধ্যমে সরকারের নতুন কর কাঠামোর অসঙ্গতি তুলে ধরেন।
অর্থ আইন-২০২৬ এর কর মুক্ত আয় ৪,০০,০০০/- টাকা। কিন্তু কর মুক্ত ৪,০০,০০০/- টাকা আয়ের জন্য বিক্রয় হতে হবে ৪০,০০,০০০/- টাকা। ১৫% হারে জিপি (এৎড়ংং চৎড়ভরঃ) আসলে দাঁড়ায় ৬,০০,০০০/- টাকা। ১/৩ হিসাবে খরচ ২,০০,০০০/- টাকা বাদ দিলে নিট আয় হয় ৪,০০,০০০/- টাকা, যা নিয়ম অনুযায়ী করমুক্ত আয়।
কিন্তু ২০২৬ এর বিধানে এই করদাতাদের ৪০,০০,০০০/- টাকা বিক্রয়/টার্ন ওভারের জন্য ১% কর হিসেবে ৪০,০০০/- টাকা পরিশোধ করতে হবে। এটি একটি শুভংকরের ফাঁকি।
এই স্বল্প আয়ের মানুষেরা কীভাবে কর পরিশোধ করবে? অন্যদিকে আইনে বলা হয়েছে যাদের আয় ৪,০০,০০০/- টাকা তাদের কর দিতে হবে না। এই অসঙ্গতি থেকে দেশের মানুষ মুক্তি চায়।
বিবৃতিতে মাননীয় এনবিআর চেয়ারম্যান ও অর্থ মন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর প্রান্তিক ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর করদাতাদের বিষয়টি সদয় বিবেচনায় রেখে উক্ত নির্দেশনাবলী কার্যকর রহিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
একই সাথে এ ব্যাপারে সকল সংসদ সদস্যবৃন্দ ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানসমূহকে সোচ্চার প্রতিবাদ জানানোর জোর দাবি জানানো হয়।
» গর্ভবতী মায়েদের জন্য বিশেষ ‘মা ফ্রি মেডিকেল হেলথ ক্যাম্প’
Published: ২৮. জুলা. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
কুমারপাড়া ওসমান মিয়া মার্চেন্ট মা ও শিশু হাসপাতালে ইউকেভিত্তিক আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা ‘মেটারনেল এইড এসোসিয়েশন (Maa)’ এবং হাসপাতালের যৌথ উদ্যোগে অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও আনন্দঘন পরিবেশে দিনব্যাপী গর্ভবতী মায়েদের জন্য বিশেষ ‘মা ফ্রি মেডিকেল হেলথ ক্যাম্প’ সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত পরিচালিত এই বিশেষ স্বাস্থ্য ক্যাম্পে এলাকার শত শত অন্তঃসত্ত্বা মা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আধুনিক ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: মো. জাহিদুল ইসলাম আনুষ্ঠানিকভাবে এই হেলথ ক্যাম্পের সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে আয়োজকদের সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, গর্ভবতী মা এবং গর্ভস্থ শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষাই একটি সুস্থ সুন্দর জাতির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে, তাই মাতৃত্বকালীন স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রান্তিক পর্যায়ের মায়েদের বিনামূল্যে সেবা পৌঁছানোর এই মহতী উদ্যোগ নিঃসন্দেহে অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এই ফ্রি ক্যাম্পে উপস্থিত গর্ভবতী মায়েদের রক্তচাপ পরিমাপ, ডায়াবেটিস পরীক্ষা, ওজন পরিমাপ ও প্রস্রাব পরীক্ষাসহ প্রয়োজনীয় মৌলিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়।
এছাড়াও সকল নিবন্ধিত গর্ভবতী মায়েদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আধুনিক আল্ট্রাসাউন্ড (Ultrasound) পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয় এবং অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আয়রন, জিংক, ক্যালসিয়ামসহ বিভিন্ন জরুরি ওষুধ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।
মানবিক সেবামূলক আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন, ওসমান মিয়া মার্চেন্ট মা ও শিশু হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. রুমানা মালেক তানিয়া ও ডা. ফেরদৌসী জাহান মুন্নী, মেটারনেল এইড এসোসিয়েশন (Maa)-এর সিলেট ডিভিশনাল হেড ডা. ফয়জুল হাসান চৌধুরী, অপারেশন ম্যানেজার ডা. শাহনেওয়াজ ফুয়াদ, ডা. দুর্জয় রায়, ওসমান মিয়া মার্চেন্ট মা ও শিশু হাসপাতালের ব্যবস্থাপক আলমগীর কবির মুন্না এবং সামাজিক সংগঠন এসিড সন্ত্রাস নির্মুল কমিটির সাধারন সম্পাদক জুরেজ আব্দুল্লাহ গোলজার সহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
উপস্থিত অতিথিবৃন্দ এবং চিকিৎসা নিতে আসা মায়েরা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের স্বাস্থ্যসেবামূলক আয়োজন অব্যাহত থাকলে ওই অঞ্চলের মা ও শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
» ২৫০ সদস্য বিশিষ্ট্য সিলেট জেলা হাসপাতাল চালুর দাবীতে ৩০ মিনিট অবস্থান কর্মসূচী অনুষ্ঠিত
Published: ২৮. জুলা. ২০২৬ | মঙ্গলবার
আগামী ২ মাসের মধ্যে সিলেট জেলা হাসপাতাল চালু করা না হলে রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে শোয়া কর্মসূচী পালন করবে সিলেট কল্যাণ সংস্থা
নিউজ ডেস্কঃ
বৃহত্তর সিলেটের অরাজনৈতিক কল্যাণমূলক স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন সিলেট কল্যাণ সংস্থা (সিকস), সিলেট বিভাগ যুব কল্যাণ সংস্থা (সিবিযুকস) ও সিলেট প্রবাসী কল্যাণ সংস্থা (সিপ্রকস)-এর যৌথ আয়োজনে ২৫০ সদস্য বিশিষ্ট্য সিলেট জেলা হাসপাতাল চালুর দাবীতে ২৮ জুলাই ২০২৬ মঙ্গলবার বেলা ১১.০০ ঘটিকায় ২৫০ সদস্য বিশিষ্ট্য সিলেট জেলা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে ৩০ মিনিট অবস্থান কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়।
৩০ মিনিট অবস্থান কর্মসূচীতে বক্তারা বলেন, প্রায় শতকোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট্য সিলেট জেলা হাসপাতালের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে।
তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, হাসপাতাল কমপ্লেক্স বুঝিয়ে দেওয়ার মতো কর্তৃপক্ষ পাচ্ছে না গণপূর্ত বিভাগ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জেলা সিভিল সার্জন অফিস সহ কেউই এর দায়িত্ব নিতে রাজি হচ্ছে না।
ফলে হাসপাতাল দ্রুত চালু করা নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। এর কারণ কি? অথচ এটি চালু হলে ওসমানী হাসপাতালের ওপর চাপ কমবে।
সিলেট অঞ্চলের রোগীরা এখান থেকে স্বাচ্ছন্দ্যে সেবা নিতে পারবেন। এখনও এর চারপাশে নিরাপত্তা বেষ্টনী দেওয়া হয়নি, প্রধান গেইট ও সামনে কতিপয় ব্যক্তির দোকান অপসারণ করা হয়নি।
হাসপাতাল ভবন নির্মাণ শেষ হলেও ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সিভিল সার্জন কার্যালয় নাকি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তা পরিচালনা করবে, সেটি এখনও নির্ধারণ হয়নি।
বক্তারা আরো বলেন, আগামী ২ মাসের মধ্যে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট্য সিলেট জেলা হাসপাতাল চালু করা না হলে রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে শোয়া কর্মসূচী পালন করবে সিলেট কল্যাণ সংস্থার নেতৃবৃন্দ এবং আগামী ১ মাস পর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের স্মারকলিপি প্রদান করা হবে।
জাতীয় যুব দিবস ২০১০ এ জাতীয় যুব পুরস্কার শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠক পদকপ্রাপ্ত, সংস্থাগুলোর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সিলেট কল্যাণ সংস্থার কার্যকরী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ এহছানুল হক তাহেরের সভাপতিত্বে ও সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন রশিদ চৌধুরীর পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সভাপতি মো. আজিজুর রহমান আজিজ। অবস্থান কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুস সালাম, সিনিয়র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক চিত্ত রঞ্জন দাস, সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. সাহেদ আহমদ শান্ত ও সিলেট মহানগর কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান।
৩০ মিনিট অবস্থান কর্মসূচীতে সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাজী মো. আশরাফ উদ্দিন, দ্বীপক রঞ্জন রায় তালুকদার, সহ-সভাপতি রোকনে আলম চৌধুরী, সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক মাসুম মিয়াজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মুসলেহ উদ্দিন চৌধুরী মিলাদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কবি কামাল আহমদ, সহ-অর্থ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন, সহ-দপ্তর সম্পাদক সুধাংশু শেখর দাস, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মো. সুহেল আলী, সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক মো. সেলিম খান, যোগাযোগ ও সমন্বয় সম্পাদক শংকর বিশ্বাস, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক কবি মকসুদ আহমদ লাল, সিলেট মহানগর কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক দিপক কুমার মোদক বিলু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ রাসেল, মহানগর কমিটির সদস্য মো. জুয়েল মিয়া, মো. সাগর, সমাজ সচেতন নাগরিকদের মধ্য থেকে কুমোদ রঞ্জন হাজরা, মকবুল হোসেন বাদল, মো. অলিউর রহমান, মো. দিলদার মিয়া, রাধে শ্যাম দে, মো. হামদু মিয়া, খোকা মিয়া।
৩০ মিনিট অবস্থান কর্মসূচীতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে আশপাশের প্রায় শতাধিক নাগরিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
» হেডওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে বিদায় সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত
Published: ২৮. জুলা. ২০২৬ | মঙ্গলবার
দেশ গঠনে কারিগরি শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ বক্তাদের
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের ‘হেডওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট’-এর ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের বিদায় সংবর্ধনা, পুরস্কার বিতরণী ও মনোজ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সিলেট নগরীর জিন্দাবাজার গ্যালারিয়া কমপ্লেক্সস্থ প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, হেডওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাস।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী মো: সুমন মিয়া।
আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, পরম্পরা মিউজিক একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক বিমলেন্দু দাশ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে দীপক রঞ্জন দাস বলেন, দেশ ও জাতির কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের জন্য কারিগরি শিক্ষার প্রসার ও আধুনিকায়ন অপরিহার্য।
দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়নে আমাদের সবাইকে যৌথভাবে কাজ করতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চেয়ারম্যান মো. সুমন মিয়া বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে কারিগরি শিক্ষায় যুগোপযোগী দক্ষতা অর্জনের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন, শরীফ উদ্দিন।
বিদায়ী শিক্ষার্থীদের পক্ষে অনুভূতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন, আবু বক্কর ছিদ্দিক উদয়, তোফাজ্জল হক, মামুন আহমদ ও জাকির হোসেন।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, শিক্ষার্থী মহিমা আক্তার। বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব ও কর্মজীবনে এর ইতিবাচক প্রভাবের নানা দিক তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে প্রাতিষ্ঠানিক সফলতা ও বিভিন্ন সহ-শিক্ষা কার্যক্রমে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে সম্মাননা ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
হিমেল ও নয়নের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠান শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
» স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে শিক্ষক সভা অনুষ্ঠিত
Published: ২৭. জুলা. ২০২৬ | সোমবার
‘শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন ও লেসন প্ল্যান বাস্তবায়নে অধ্যক্ষের নির্দেশনা’
নিউজ ডেস্কঃ
স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টায় কলেজের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এ সভায় একাডেমিক কার্যক্রমের অগ্রগতি, শ্রেণিকক্ষ ব্যবস্থাপনা, কার্যকর চর্চা, বিষয়ভিত্তিক যথাযথ বাস্তবায়ন, নিয়মিত মূল্যায়ন পদ্ধতি এবং ফলাফল উন্নয়নের কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন, একাডেমিক ইনচার্জ ও সিনিয়র প্রভাষক কাজী শাখাওয়াত হোসেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে পূর্ববর্তী সভার গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের বাস্তবায়নের অগ্রগতি তুলে ধরার পাশাপাশি দিনের মূল আলোচ্যসূচি উপস্থাপন করেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন, অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক। দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে তিনি বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত শক্তি তার অবকাঠামো নয়, বরং দক্ষ, দায়িত্বশীল ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ শিক্ষকবৃন্দ।
একজন শিক্ষকের প্রতিটি শ্রেণি যেন পরিকল্পিত, প্রাণবন্ত, শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক এবং ফলাফলমুখী হয়-এটাই আমাদের লক্ষ্য।
কোন আনুষ্ঠানিক কাগজ নয়; এটি একজন শিক্ষকের পেশাগত দক্ষতার প্রতিফলন। পরিকল্পিত পাঠদানই শিক্ষার্থীদের শেখার আগ্রহ বৃদ্ধি করে এবং কাঙ্ক্ষিত শিক্ষালব্ধ ফল নিশ্চিত করে।
তিনি আরও যুক্ত করেন, আমাদের লক্ষ্য শুধু জিপিএ অর্জন নয়; বরং এমন শিক্ষার্থী গড়ে তোলা, যারা জ্ঞান, নৈতিকতা, নেতৃত্ব ও মানবিক গুণাবলীতে সমৃদ্ধ হয়ে দেশ ও জাতির জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
শিক্ষকদের প্রতি অধ্যক্ষের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাগুলো হলো প্রতিটি শ্রেণি হতে হবে সময়ানুবর্তী, পরিকল্পিত ও শিক্ষার্থী-অংশগ্রহণমূলক।
শিক্ষার্থীদের ভাষাগত দক্ষতা স্বাভাবিকভাবে বিকশিত করতে শ্রেণিকক্ষে ইংরেজি এর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
নিয়মিত ক্লাস টেস্ট, টিউটোরিয়াল, অ্যাসাইনমেন্ট ও ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক সহায়ক পরিকল্পনা এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের আরও এগিয়ে নেওয়ার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিতে হবে।
বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি, প্রযুক্তিনির্ভর পাঠদান এবং সৃজনশীল শিক্ষণ-পদ্ধতি অনুসরণের মাধ্যমে শ্রেণিকক্ষকে প্রাণবন্ত করে তুলতে হবে।
পরীক্ষার ফলাফলের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মাঝে শৃঙ্খলা, নৈতিকতা, নেতৃত্ব, যোগাযোগ দক্ষতা, দেশপ্রেম এবং মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে হবে।
অভিভাবক, শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত প্রচেষ্টাই শিক্ষার্থীদের টেকসই সাফল্যের মূল ভিত্তি।
উক্ত শিক্ষক সভায় কলেজের সকল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এবং প্রভাষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভার শেষান্তে শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, আধুনিক ও কার্যকর পাঠদান নিশ্চিতকরণ এবং শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ সাফল্য অর্জনের লক্ষ্যে সবাই সম্মিলিতভাবে নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
» নাগরী নিউজের বিশ্বকাপ ম্যাচ প্রেডিকশনের পুরষ্কার বিতরণ
Published: ২৭. জুলা. ২০২৬ | সোমবার
নাগরী নিউজ বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ দ্রুত পাঠকের কাছে পৌঁছে দেবে : কয়েস লোদী
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেছেন, সংবাদপত্র সমাজের আয়না।
সমাজের ভালো-মন্দ আমরা সংবাদ পত্রের মাধ্যমে জানতে পারি। বর্তমানে অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলো দ্রুত সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে।
তাই অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলোকে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করতে হবে। আমি আশা করি নাগরী নিউজ তার বর্তমান বস্তুনিষ্ঠতা ধরে রেখে দ্রুত পাঠকের কাছে সংবাদ পৌঁছে দেবে।
এবারের ফিফা বিশ্বকাপে প্রতিদিন নাগরী নিউজ ম্যাচ প্রেডিকশনের আয়োজন করেছে ও পুরষ্কার প্রদান করেছে এবং ফাইনাল ম্যাচে একটি ব্যতিক্রম আয়োজন করেছে, এমন উদ্যোগ সত্যিই আমাকে আনন্দিত করেছে।
নাগরী নিউজের সম্পাদক স্বপন শিকদারকে এমন আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে সিলেটের হোটেল সিলেট রিজেন্সীতে পদ্মা ট্রাভেলস-নাগরী নিউজ ফিফা বিশ্বকাপ-২০২৬ এর ফাইনাল ম্যাচ প্রেডিকশনের পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথাগুলো বলেন।
নাগরী নিউজের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক তারেক আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন, দৈনিক শুভ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক ও সিলেট প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি মো. ফয়ছল আলম, বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ) সিলেট শাখার সাধারণ সম্পাদক আহবাব মোস্তফা খান, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম সাইফুর রহমান তালুকদার, বাংলাদেশ মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির সিনিয়র সহ সভাপতি এ এইচ আরিফ।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক শেখ মো. আব্দুল মজিদ, সাংবাদিক মাজিদ চৌধুরী, সাইদুর রহমান, নাগরী নিউজের ম্যানেজমেন্ট ইনচার্জ হুমায়ুন রশিদ মাহদী, নাগরী নিউজের অনলাইন ইনচার্জ মাহমুদ খানসহ আরও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন।
পরে, ফাইনাল ম্যাচ প্রেডিকশনের বিজয়ীর মনোনীত প্রতিনিধির হাতে প্রাইজমানি হিসেবে নগদ ২০ হাজার টাকা তুলে দেয়া হয়।
» সিলেটে সিএনজি ফিলিং স্টেশন এন্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত
Published: ২৭. জুলা. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন এন্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, সিলেট বিভাগের এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল ১১টায় শাহজালাল উপশহরস্থ অ্যাসোসিয়েশনের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন সাজুওয়ান আহমদ।
অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুস শাকুর চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমানের পরিচালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন, প্রফেসর সিরাজুল হক, আলী আফছার মোঃ ফাহিম, সুব্রত ধর বাপ্পি, আনহার উদ্দিন, জিহাদ আহমেদ, লোকমান আহমদ মাছুম, সাব্বির আহমদ, এম মনোয়ার হোসেন, ফরহাদ আলী ইমন, মেঘনা সিএনজির ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ, হারুনুর রশীদ, সাইমুন আলম সেতু, বুুরহান উদ্দিন, আখতারুল ইসলাম প্রমুখ।
» সাংবাদিকতা শুধু পেশা নয়, এটি জনসেবা : বিভাগীয় কমিশনার
Published: ২৭. জুলা. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান বলেছেন, সাংবাদিকতা শুধু পেশা নয়, এটি জনসেবা।
সাংবাদিকরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করেন। আমরা ঘুম থেকে উঠেই অনলাইনে খবর দেখি।
কারন খবরের সাথে সব সময় আপডেট থাকতে হয়। অনলাইন সাংবাদিকতা যেহেতু যুগোপযোগী তাই আপনাদের দায়িত্ব হলো সঠিক সংবাদ উপস্থাপন করা।
সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে আপনাদের অবিচল অবস্থান সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। জীবনে চলার পথে খেলাধুলা বিনোদনের প্রয়োজন আছে। খেলাধুলা সকলের মধ্যে টিম বিল্ডিং করে, পারষ্পরিক সম্পর্ক তৈরি হয়।
আবার খেলাধুলা কাজের মধ্যে স্পিরিট বাড়ায়। তিনি সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের নতুন সদস্যদের অভিনন্দন জানান।
সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাব-ইকরা ট্রাভেলস্ এন্ড ট্যুরস বার্ষিক অভ্যন্তরীণ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান ও নতুন সদস্যদের পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের ড. রাগীব আলী মিলনায়তনে ক্লাব সভাপতি মোহাম্মদ গোলজার আহমদ হেলালের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম. সাইফুর রহমান তালুকদার।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেটের পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো: যাবেদ সাদেক ও সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের জীবন সদস্য আফতাব চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিলেটের পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো: যাবেদ সাদেক বলেন, ৫ আগস্টের পরে অনলাইন গণমাধ্যমই জনগণের মুখপাত্র হয়ে উঠেছে।
তবে, দুঃখজনক কিছু কিছু তথাকথিত পেজের এডমিন বৃন্দ সমাজে নেতিবাচক ভূমিকা রাখছে। আমরা আশাকরি অনলাইন প্রেসক্লাব এদের নেতিবাচক ভূমিকার বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ক্লাব সদস্য নুরুল আলম আলমাসের পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত এবং জনি কান্ত শর্মার গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে সূচিত সভায় শুরুেতই স্বাগত বক্তব্য রাখেন, ক্লাবের সহ সভাপতি জহিরুল ইসলাম মিশু এবং ক্রীড়া ও সংষ্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক তারেক আহমদ খান। নতুন সদস্যদের মধ্য থেকে অনুভূিত ব্যক্ত করেন বাংলাভিশন ও শ্যামল সিলেট এর ক্যামেরাপার্সন আজমল আলী।
অনুষ্ঠান সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি আব্দুল মুহিত দিদার, কোষাধ্যক্ষ শহিদুর রহমান জুয়েল, দপ্তর সম্পাদক দেলওয়ার হোসেন মান্না, ক্লাবের কার্যকরী কমিটির সদস্য মোশাহিদ আলী ও সৈয়দ রাসেল আহমদ সহ ক্রীড়া উপকমিটির সদস্যবৃন্দ ও ক্লাব সদস্যবৃন্দবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে ক্লাবের নতুন সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ ও ক্রীড়া প্রতিযোগীয় বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দ।
» আম্বরখানায় সিলেট আরবান কমিউনিটি ভলেন্টিয়ার গ্রুপের দূর্যোগ বিষয়ক মহড়া
Published: ২৬. জুলা. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
যেকোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা দুর্ভোগে সরকারি সংস্থার পাশাপাশি বেসরকারি সংগঠনগুলো এগিয়ে আসলে পরিস্থিতি মোকাবেলা সহজ হয়।
স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সিলেট আরবান কমিউনিটি ভলেন্টিয়ার গ্রুপ সেই লক্ষ্যে কাজ করছে।
রোববার (২৬ জুলাই) নগরের আম্বরখানা দরগা গেইট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুর্যোগ মোকাবেলায় বিভিন্ন কর্মসূচি শেষে কুইজ বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তারা উপরোক্ত কথা বলেন।
স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা ফাতেমা জাফরিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংস্থার সভাপতি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবী আব্দুল আলিম জুয়েল।
অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, লন্ডন প্রবাসী বিশিষ্ট সমাজসেবী মীর জিলহাজ আহমদ ও আব্দুল মুমিন মুকুট। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নাট্য অভিনেতা আফজল হোসেন, রুনা আক্তার, আশরাফুল আলম মাশরাফি, আব্দুর রহমান সানি ও নাদিম আহমদ টিপু প্রমুখ।
» প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের নিয়ে জিডিএফ’র মৌসুমী ফল উৎসব অনুষ্ঠান
Published: ২৬. জুলা. ২০২৬ | রবিবার
প্রতিবন্ধীরা মেধা ও প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে সমাজের সম্পদে পরিণত হতে পারে : ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস বলেছেন, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা কেবল লেখাপড়া করেই এগিয়ে যাচ্ছে না, বরং তাদের অনেকের মধ্যেই লুকিয়ে আছে সত্যিকার মেধা ও সুপ্ত প্রতিভা।
সঠিক সুযোগ ও পরিবেশ পেলে তারা আর দশটা সাধারণ মানুষের মতোই সমাজের সর্বস্তরে অবদান রাখতে সক্ষম হবে এবং সমাজের কল্যাণে নিজেদের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে যাবে।
তাঁদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা এবং কল্যাণে বড় পরিসরে কাজ করা ভারত ও বাংলাদেশ উভয় দেশের জন্যই একটি অভিন্ন লক্ষ্য।
তিনি রবিবার (২৬ জুলাই) সকালে সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারস্থ গ্রীণ ডিসএ্যাবল্ড ফাউন্ডেশন (জিডিএফ) কার্যালয়ে আয়োজিত ‘মৌসুমী ফল উৎসব’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
জিডিএফ’র উপদেষ্টা বিশিষ্ট সংঙ্গীত শিল্পী হিমাংশু বিশ্বস এর সভাপতিত্বে ও গ্রীণ ডিসএ্যাবল্ড ফাউন্ডেশনের মহাসচিব ও নির্বাহী পরিচালক মো. বায়জিদ খানের পরিচালনায় ফল উৎসবে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান, শ্রম মন্ত্রী আরিফুল চৌধুরী এমপির সহধর্মিণী হিউম্যান কেয়ার সিলেটের চেয়ারম্যান শামা হক চৌধুরী, সিলেট জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, বিশিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার জহিরুল ইসলাম অচিনপুরী, দৈনিক যুগান্তর সিলেট অফিসের ব্যুরো চিফ সংগ্রাম সিংহ, নিউ হামবারার কাউন্সিলর সাব্বির আহমদ সানি, বিশিষ্ট অভিনেতা বেলাল আহমদ মুরাদ, রহমানিয়া প্রতিবন্ধী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি আলতাউর রহমান খান শামছু।
জিডিএফ’র নির্বাহী সদস্য সৈয়দ মাহমুদুল হক জাবেদ এর স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে সুচিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, জিডিএফ’র সভাপতি প্রমেশ দত্ত, জিডিএফ ডিকেএফ’র কোষাধ্যক্ষ দিদার আহমদ, দিশারী প্রতিবন্ধী কল্যাণ সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ও সভাপতি আবুল লেইছ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. সাইদুল ইসলাম, ব্যবসায়ী নার্গিস বেগম, জিডিএফ’র নির্বাহী সদস্য সাবিলা কান্তা, সদস্য পাথর্ সারথি দত্ত, ফাতেমা বেগম, নৃত্যশিল্পী অনিতা সিংহ, স্বপ্না বেগম, সংগঠক মখন মিয়া ও কামাল আহমদ, জিডিএফ’র সমন্বয়কারী শারমিন আক্তার রেবা, সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম সোহেল ও রাব্বানী হোসেন, সদস্য ববি বেগম, অভিভাবক সোনিয়া বেগম, সীমা বেগম, রেহেনা বেগম ও রোকিয়া বেগম, শিক্ষক মো. ফয়েজুল হাসান ফারহান, আনিসুল হক, ওয়াসিম আহমদ, স্বরূপা বেগম, আফজাল শিকদার ও মলয় রায়, ব্রেইল শিক্ষক সমীরঞ্জন বিশ্বাস, হিসাব রক্ষক মোহাম্মদ শাহজাহান, কম্পিউটার অপারেটর তাজকিয়া জান্নাত সুইটি।
উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষার্থী তাহমিনা আক্তার মৌমী, রাজিয়া জান্নাত তালুকদার, রেশমা আক্তার রিয়া, খাদিজাতুল কুবরা শিফা, অহনা বেগম, আফসানা আক্তার মুন্নি, জুই রানী দাস, তোফায়েল আহমদ শুয়েব, ফাইজান আহমদ হাফিজ, জারা খান, মারিয়াম জান্নাত আরিফ প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস আরও বলেন, প্রতিবন্ধী মানুষের কল্যাণে ও তাদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করার সুযোগ পাওয়াটা আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও সৌভাগ্যের।
আমরা বর্তমানে সিলেট সিটি কর্পোরেশন সহ বিভিন্ন অংশীজনের সাথে যৌথভাবে বেশ কিছু উন্নয়নমূলক প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করছি।
গ্রিন ডিসএবল্ড ফাউন্ডেশনের মতো মানবিক ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের পাশে দাঁড়াতে পেরে আমরা গর্বিত।
আগামীতেও আমাদের সাধ্যানুযায়ী এই ফাউন্ডেশন ও প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর কল্যাণে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
সিলেটের ভূয়সী প্রশংসা করে সহকারী হাইকমিশনার বলেন, সিলেটের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও প্রকৃতির অনেক বিষয়ই রয়েছে যা নিয়ে গর্ব করা যায়।
গ্রীণ ডিসএ্যাবল্ড ফাউন্ডেশন’ও সিলেটের তেমনি একটি অনন্য রত্ন। তারা যেভাবে প্রতিকূলতার মাঝেও প্রতিবন্ধী মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয় ও অনুকরণীয়।
সমাজের প্রতিটি সচেতন মানুষের উচিত এই মানবিক উদ্যোগের পাশে এসে দাঁড়ানো। অনুষ্ঠানে জিডিএফ’র পক্ষ থেকে অতিথিবৃন্দকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

