শিরোনামঃ-

» সাবেক ছাত্রনেতা জুনেদ আহমেদকে সিলেট বিমানবন্দরে সংবর্ধনা

Published: ১৯. জুন. ২০২৬ | শুক্রবার

নিউজ ডেস্কঃ
যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফিরেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক ছাত্রনেতা ও সিলেট মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সদস্য এবং যুক্তরাজ্য প্রবাসী জুনেদ আহমদ।

আজ শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল সাড়ে ১১টা সময় তিনি সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে এসে পৌঁছলে তাঁকে স্বাগত জানান, বিএনপির, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল এবং জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দরা থাকে ফুল দিয়ে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

সংবর্ধনা প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন, জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মো. জামাল উদ্দিন, মহানগর ছাত্রদল যুগ্ম সম্পাদক  ও মদন মোহন কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম আলাল, জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রদল আহ্বায়ক মো. মামুনুর রশীদ মামুন, জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রদল সদস্য সচিব শামসুল ইসলাম জাবির।

মহানগর ছাত্রদল নেতা, তুহিন বাদশা ফরহাদ, মদন মোহন কলেজ ছাত্রদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রিপন আহমদ, আজওয়াদ আহমদ ওয়াসী, মহানগর ছাত্রদল নেতা কৃষাণ সেন রাহুল, ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ছাত্রদল নেতা আকিবউল্ল্যাহ্ আকিব, মদন মোহন কলেজ ছাত্রদল নির্বাহী সদস্য বাছিত ইসলাম, মাহমুদুল হাসান ওমর, মদন মোহন কলেজ ছাত্রদল নেতা সায়েম আহমদ, আপন নিষান, জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রদল, ইমন আহমদ, আহবায়ক, জগন্নাথপুর পৌর ছাত্রদল মো. মারজান আহমদ, যুগ্ম আহবায়ক, জগন্নাথপুর পৌর ছাত্রদল, মো. ইকবাল হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক, জগন্নাথপুর পৌর ছাত্রদল, আমিনুল ইসলাম, পৌর ছাত্রদল, সাফওয়ান আহমদ, পৌর ছাত্রদল সহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ প্রমুখ।

» সিলেট মহানগর শ্রমিক কল্যাণের বাছাইকৃত কর্মী শিক্ষাশিবির

Published: ১৯. জুন. ২০২৬ | শুক্রবার

বাজেটে নিম্ন আয়ের মানুষের উপর করের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে : মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম

নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সিলেট মহানগরীর প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেছেন, শ্রমজীবী মানুষের ঘাম ও শ্রমে দেশের অর্থনীতি সচল হলেও বাজেটে শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষায় কোন কার্যকর দিকনির্দেশনা নেই।
বরং এবারের বাজেটে রাজস্ব আদায়কে টার্গেট করা হয়েছে।
ফলে বর্তমান করকাঠামোতে সমাজের নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর করের বোঝা চাপিয়ে দেয়া হয়েছে।
কারণ রাজস্ব আদায়ের বড় একটি অংশ আসে ভ্যাট ও শুল্ক থেকে, যা ধনী ও গরিব সবার জন্য সমান। ফলে আয় কম হলেও নিম্ন আয়ের মানুষকে নিত্যপণ্য ও পরিষেবার জন্য সমান হারে পরোক্ষ কর দিতে হবে। যা শ্রমজীবি মানুষের উপর জুলুমের শামিল।
তিনি বলেন, ইনসাফভিত্তিক সমাজ ও ইসলামী শ্রমনীতির বাস্তবায়ন ছাড়া শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। দেশের শ্রমজীবী মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কাজ করে যাচ্ছে।
সংগঠনের আদর্শ, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য এবং শ্রমিকদের কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা পালনের জন্য শ্রমিক কল্যাণের প্রতিটি সদস্যকে নিজেদেরকে যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি, সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে হবে।
তিনি শুক্রবার (১৯ জুন) বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সিলেট মহানগর আয়োজিত বাছাইকৃত কর্মী শিক্ষাশিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।
শিক্ষাশিবিরে ফেডারেশনের মহানগর আওতাধিন বিভিন্ন থানা, ট্রেড ইউনিয়ন, ওয়ার্ডের বাছাইকৃত কর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।
ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট মহানগর সভাপতি অ্যাডভোকেট জামিল আহমদ রাজুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ ফারুকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত শিক্ষাশিবিরে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ফেডারেশনের সিলেট মহানগরীর উপদেষ্টা শাহজাহান আলী এবং ফেডারেশনের সিলেট অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মাওলানা ফারুক আহমদ।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ফেডারেশনের মহানগর সহ-সাধারণ সম্পাদক আক্কাস আলী, নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক দিলশাদ মিয়া, অর্থ সম্পাদক আব্দুল জলিল, প্রচার সম্পাদক নাজমুল ইসলাম ও সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মুহিবুর রহমান শামীম প্রমূখ।

» সিলেট মহানগর কোতোয়ালী পশ্চিম থানা জামায়াতের রুকন শিক্ষা সমাবেশ

Published: ১৯. জুন. ২০২৬ | শুক্রবার

ইসলামী আন্দোলনের জনশক্তিকে  জনসম্পদে পরিনত করতে হবে : ড. নুরুল ইসলাম বাবুল

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. নূরুল ইসলাম বাবুল বলেছেন, ইসলামী আন্দোলনের দায়িত্বশীলদের একমাত্র লক্ষ্য আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা।
জামায়াতে ইসলামী হচ্ছে একটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান। কারণ আমরা দেশ ও জাতির কল্যাণের জন্য সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব তৈরী করি।
মানুষ জামায়াতে ইসলামীকে ঘিরে আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে। দিন দিন জামায়াতের জনশক্তি বাড়ছে। এই জনশক্তিকে জনসম্পদে পরিনত করতে হবে। তাহলে দেশ জাতি ও ইসলামী আন্দোলন উপকৃত হবে।
তিনি বলেন, ইসলামী আন্দোলনের পথ কোনকালেই সহজ ছিলনা। কারণ দ্বীন প্রতিষ্ঠার পথ জুলুম, নিপীড়ন ও শাহাদাতের পথ।
সর্বোচ্চ ত্যাগের শপথ নিয়েই আমরা ইসলামী আন্দোলনে শামিল হয়েছি। এদেশে ইসলামী আন্দোলনের জন্য আমরা সর্বোচ্চ সেক্রিফাইস করেছি। তবু অন্যায়ের সাথে আপোষ করিনি।
বৈষম্যৗহীন মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের পথচলা অব্যাহত থাকবে। ইনশাআল্লাহ।
তিনি শুক্রবার (১৯ জুন) সিলেট মহানগরীর কোতোয়ালী পশ্চিম থানা জামায়াত আয়োজিত রুকন শিক্ষা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।
থানা আমীর মু. আজিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী পারভেজ আহমদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মহানগর সহকারী সেক্রেটারি জাহেদুর রহমান চৌধুরী ও নগর জামায়াত নেতা মাওলানা আব্দুল মুকিত।
বক্তব্য রাখেন, থানা নায়েবে আমীর এডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, অফিস সম্পাদক এস এম মাহমুদ, যুব বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল হাকিম ও সমাজসেবা সম্পাদক ইফতেখার আহমদ প্রমুখ।

» সি‌লে‌টের গোয়াইনঘাটে নদীপথে চাঁদাবাজি; হাতেনাতে আটক ১, নৌকা ও নগদ টাকা জব্দ

Published: ১৯. জুন. ২০২৬ | শুক্রবার

ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার সালুটিকর এলাকায় নদীপথে চলাচলকারী বাল্কহেড ও কার্গোজাহাজ থেকে অবৈধভাবে চাঁদা আদায়ের সময় এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করেছে ছাতক নৌ পু‌লিশ গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ।

শুক্রবার (১৯ জুন) সাকা‌লে সালুটিকর ইউনিয়নের রানীগঞ্জ গ্রামসংলগ্ন সালুটিকর ব্রিজের নিচে সারি-গোয়াইন (চেঙ্গেরখাল) নদীতে পরিচালিত এক অভিযানে তাকে আটক করা হয়।

আটককৃত ব্যক্তি হলেন মামুন মিয়া (৪২)। তিনি সিলেট বিমানবন্দর থানার নয়াটিলা গ্রামের মৃত সুনু মিয়ার ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটের দিকে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, খাদিমনগর ইউনিয়ন ও বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের নাম ব্যবহার করে একটি চক্র গোয়াইনঘাট থেকে ছেড়ে আসা বিভিন্ন বাল্কহেড ও কার্গোজাহাজ থেকে অবৈধভাবে চাঁদা আদায় করছে।

খবর পাওয়ার পরপরই গোয়াইনঘাট থানার একটি চৌকস পুলিশ দল ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করে।

সালুটিকর ব্রিজসংলগ্ন নদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে স্থানীয় জনসাধারণের সহযোগিতায় চাঁদা আদায়ের সময় মামুন মিয়াকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

এ সময় তার হেফাজত থেকে চাঁদাবাজির নগদ ২ হাজার ২২০ টাকা, চাঁদা আদায়ের কাজে ব্যবহৃত দুটি রিসিট বই এবং একটি নৌকা জব্দ করে নৌপু‌লিশ।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, নদীপথে চলাচলকারী নৌযানগুলো থেকে বিভিন্ন অজুহাতে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের কর্মকাণ্ড বেড়ে যাওয়ায় প্রশাসন বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছিল।

ছাতক নৌ পু‌লিশের ইনচার্জ আনোয়ার হো‌সেন এসব ঘটনার সত‌্যতা নি‌শ্চিত ক‌রে ব‌লেন, নদীপথে চাঁদাবাজি, অবৈধ অর্থ আদায় এবং যেকোন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

স্থানীয় সচেতন মহল পুলিশের এ অভিযানের প্রশংসা করে নদীপথে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন নৌযান চলাচল নিশ্চিত করতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন

» সিউক’র প্রথম চেয়ারম্যান কয়েস লোদীকে এসডিএম জগিং ক্লাবের সংবর্ধনা

Published: ১৯. জুন. ২০২৬ | শুক্রবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় রেজাউল হাসান কয়েস লোদীকে উষ্ণ সংবর্ধনা জানিয়েছে এসডিএম জগিং ক্লাব।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে সিলেটের ঐতিহ্যবাহী মালনীছড়া চা বাগানের এক মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে ক্লাবের প্রধান পৃষ্ঠপোষক রেজাউল হাসান কয়েস লোদীকে এই আন্তরিক সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সিলেট মহানগরী ও এর আশেপাশের এলাকাকে একটি পরিকল্পিত, পরিবেশসম্মত এবং টেকসই উন্নয়নের আওতায় আনার লক্ষ্যেই যাত্রা শুরু করেছে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।

এই গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে একজন নিবেদিতপ্রাণ, অভিজ্ঞ ও দূরদর্শী নেতাকে পাওয়ায় সিলেটের সর্বস্তরের মানুষের প্রত্যাশা এখন আকাশচুম্বী।

একজন সফল জননেতা থেকে উন্নয়নের রূপকার হিসেবে কয়েস লোদীর দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সামাজিক অভিজ্ঞতা সিলেটের রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও সামগ্রিক অবকাঠামোগত চাহিদা পূরণে বিশেষভাবে সহায়ক হবে।

তাঁর সুদক্ষ পরিচালনায় সিলেট অদূর ভবিষ্যতে একটি অনন্য ও আধুনিক মডেল শহরে পরিণত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ক্লাব সদস্যরা।

অনুষ্ঠানে সিউকের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানকে ক্লাবের পক্ষ থেকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়।

এ সময় কয়েস লোদী তাঁর এই নতুন ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালনে সবার সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, এসডিএম জগিং ক্লাবের সদস্য মো. মুজিবুর রহমান, ড. মুমিনুল হক, রুম্মান আহমেদ, মো. আবুল কালাম, পাভেল কোরেশি, মো. ফকরুজ্জামান, পাভেল আহমেদ, আশরাফ গাজী, আব্দুল মালিক, খলিলুর রহমান মাসুক, মো. ওমর আলী, কুতুব আলী, হাবিবুর রহমান জুনেদ, জাকিরুল ইসলাম, জাকের মুনশি, মিজানুর রহমান, এশা তালুকদার, এনাম আহমেদ, আহাদ আহমেদ, মুজিবুর রহমান, নুরুল ইসলাম, খায়রুল আহমেদ সহ ক্লাবের আরও বহুসংখ্যক সদস্য।

» গার্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব স্পেশাল চাইল্ড এর অনুদান প্রদান

Published: ১৯. জুন. ২০২৬ | শুক্রবার

সরকার বিশেষ শিশুদের অধিকার রক্ষা ও কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে : উপ-পরিচালক মো: আব্দুর রফিক

নিউজ ডেস্কঃ
সমাজসেবা অধিদপ্তর সিলেটের উপ-পরিচালক মো. আব্দুর রফিক বলেছেন, বিশেষ শিশুরা আমাদের সমাজের কোন বোঝা নয়, বরং সঠিক পরিচর্যা ও ভালোবাসা পেলে তারাও অনন্য সম্পদ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

সরকার এই বিশেষ শিশুদের অধিকার রক্ষা ও কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তবে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি গার্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব স্পেশাল চাইল্ড-এর মতো অন্যান্য সংগঠনের এই ধরনের মানবিক ও আন্তরিক প্রয়াস সত্যিই প্রশংসনীয়।

এই শিশুদের হাসিমুখ ধরে রাখতে আমাদের সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি শুক্রবার (১৯ জুন) সিলেটের লামাবাজারস্থ একটি অভিজাত হোটেলের মিলনায়তনে ‘গার্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব স্পেশাল চাইল্ড’ (জিএএসসি)-এর উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও বিশেষ শিশুদের মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

গার্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব স্পেশাল চাইল্ড-এর সভাপতি মোহাম্মদ জমির আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট জেলা প্রেসক্লাব সভাপতি মঈন উদ্দিন, জালালাবাদ গ্যাস টি অ্যান্ড ডি সিস্টেম লি: এর মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী নিজাম উদ্দিন, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট আফতাব চৌধুরী, বিশিষ্ট সমাজসেবক খন্দকার মাহবুব হোসেন।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাসুমা খানমের পরিচালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সহ সভাপতি আনোয়ার হোসেন এনাম।

বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলিম ভুঁইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম লিটন, প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক শাহীদুর রহমান সুমন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে ১০জন বিশেষ শিশুদের শিক্ষাবৃত্তি ও ৫ জনকে চিকিৎসা বাবৎ অনুদান প্রদান করা হয়। শুরুতে অতিথিবৃন্দকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানায় শিশুরা।

» সিলেট জেলা জামায়াতের উপজেলা আমীর সম্মেলন

Published: ১৯. জুন. ২০২৬ | শুক্রবার

গণরায়ের দাবি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে : মাওলানা হাবিবুর রহমান

নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও সিলেট জেলা আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান বলেছেন, দেশের আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি যে পর্যায়ে অবনতি হচ্ছে তাতে দেশের সাধারণ মানুষ আতংকিত ও উদ্বিগ্ন।
সন্ত্রাস, খুন, ছিনতাই, চুরি, ডাকাতি দিন দিন বেড়েই চলেছে।
এই অপকর্মের সাথে জড়িত অধিকাংশ সরকারী দলের ছত্রছায়ায় রয়েছে। তাই সরকার এদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
এই অবস্থার পরিবর্তনে সরকারকে আন্তরিক ও দায়িত্বশীল হতে হবে। জুলাই সনদকে অস্বীকার করে সরকার নিজেই অসৎ পথ অবলম্বন করেছে।
এর পরিনতি ভালো হবেনা। দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য গণরায়ের দাবি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে।
তিনি শুক্রবার (১৯ জুন) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সিলেট জেলার উপজেলা আমীর সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে একথা বলেন।
সম্মেলনে জেলা নায়েবে আমীর মাওলানা আনোয়ার হোসাইন খান ও অধ্যাপক আব্দুল হান্নান সহ জেলা কর্মপরিষদ সদস্যবৃন্দ, জেলার সকল উপজেলা আমীর, নায়েবে আমীর ও সেক্রেটারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মাওলানা হাবিবুর রহমান আরো বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য বাজেট যে আকারে প্রণয়ন করা হয় তাতে দেশের ভাগ্য পরিবর্তন হওয়ার কথা।
কিন্তু দুর্নীতি আর অপচয়ের কারণে দেশবাসী সেই কাংখিত অগ্রগতি দেখতে পায় না। এর মূল কারণ অসৎ নেতৃত্ব ও দুর্নীতিপরায়ন কর্মকর্তা-কর্মচারী।
তিনি বলেন, এখন সময়ের দাবী দেশের মৌলিক কাঠামো ও আইনের মধ্যে পরিবর্তন আনা। জনগণের মূল দাবিও তাই।
এজন্য প্রায় ৭০ ভাগ মানুষ এই পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছিল। কিন্তু সরকারের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা পার্শ্ববর্তী দেশের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী লোকদের কারণে সেই রায় বাস্তবায়ন করতে সরকার গড়িমসি করছে।
তিনি অবিলম্বে গণরায় বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

» বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর জন্ম জয়ন্তী স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

Published: ১৯. জুন. ২০২৬ | শুক্রবার

নিউজ ডেস্কঃ
বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর জন্ম জয়ন্তী স্মরণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) বিকালে সিলেট নগরীর সুবিদবাজারে শ্রী শ্রী জগন্নাথ জিউর মন্দির প্রাঙ্গনে এই আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মনিপুরী পাড়ার নির্ঝরিণী সঙ্গীতাঙ্গণ আয়োজিত সংগঠনের উপদেষ্টা এল নন্দলাল সিংহ এর সভাপতিত্বে ও রুদ্রানী সিনহা ও মিনতি দেবীর পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা মাধ্যমিক অধিদপ্তরের সিলেট অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর ড. দিদার চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, নির্ঝরিণী সঙ্গীতাঙ্গণের পরিচালক পি. বিধান সিংহ, ইন্টারন্যাশনাল বার এসোসিয়েশন ইউ কে এর সদস্য ও সিলেট জজকোর্টের আইনজীবী এড. সাইফুল ইসলাম তালুকদার, বিশিষ্ট সাংবাদিক আব্দুল হাছিব।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, অনন্ত কুমার সিংহ, চিরঞ্জীব দেব, ময়নুল হাসান, ডা. বাবলী দেবী সিনহা, আল্পনা দেবী, রনজু সিংহ, স্বপন সিংহ প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে মনিপুরী শিশু ও কিশোর অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

» বিদ্যুৎ ও নিত্যপণ্যের দাম কমানো এবং মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে সিলেটে বাসদ (মার্কসবাদী)-র মিছিল ও সমাবেশ

Published: ১৯. জুন. ২০২৬ | শুক্রবার

নিউজ ডেস্কঃ
অবিলম্বে জ্বালানি তেল-বিদ্যুৎ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম কমানো এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পাদিত অসম বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) সিলেট জেলার উদ্যোগে একটি মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) বিকাল ৫টায় সিলেট শহীদ মিনার হতে আম্বরখানা অভিমুখে এই মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

দলের জেলা কমিটির সদস্য সুমিত কান্তি দাসের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) সিলেট জেলার সমন্বয়ক সঞ্জয় কান্ত দাস।

এ সময় বক্তব্য রাখেন, দলের জেলা কমিটির সদস্য ও চা শ্রমিক ঐক্য কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অজিত রায়, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট সিলেট নগর শাখার সাধারণ সম্পাদক বুশরা সোহেল, এম.সি কলেজ শাখার নেতা দোয়েল রায়, মঞ্জুর রহমান রিপন প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, “নতুন সরকারের কাছে প্রত্যাশা ছিল তারা অতীতের মতো জনগণের কাঁধে মূল্যবৃদ্ধির বোঝা চাপাবে না।

ক্ষমতা গ্রহণের পর সরকারের তরফ থেকে বলা হয়েছিল আগামী ২ বছর বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে না। কিন্তু সে কথা ভুলে মাত্র ৩ মাসের মধ্যে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে।

ফলে সংশ্লিষ্ট সকল পণ্যদ্রব্যের দাম বাড়বে। সম্প্রতি সরকার যে বাজেট ঘোষণা করেছে, সেখানেও জনগণের উপর কর ও ঋণের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে; নারী ও শিশু নির্যাতন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। দিনের আলোয়, সকলের চোখের সামনে ফিল্মি কায়দায় হত্যাকাণ্ড প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে। সরকারকে অবিলম্বে জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।”

তারা বলেন, “অপরদিকে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর গণতান্ত্রিক সংস্কারের কাজ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

বিএনপি নির্বাচনী ইশতেহারে সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কারের যেসকল বিষয়ে ওয়াদা করেছিল এবং যেসব বিষয়ে ঐকমত্য কমিশনে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয়েছিল, সেগুলোও তারা বাস্তবায়ন করছে না।

বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী সংস্কারের বিষয়ে খুব সরব ভাব দেখালেও সেটা তারা মূলত ক্ষমতায় যাওয়ার স্বার্থেই করছে। সংস্কার তাদের কাছে রাজনৈতিক দরকষাকষির হাতিয়ার।

আওয়ামী লীগ বিরোধী দীর্ঘ আন্দোলনের সময় কোন পর্যায়েই জামায়াতের পক্ষ থেকে সংস্কারের কোনো প্রস্তাবনা আসেনি।

সংবিধানে দেশের মানুষের মৌলিক অধিকারের কোন স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি, আইনি বাধ্যবাধকতা তৈরি করা হয়নি।

অন্তর্র্বতীকালীন সরকার এসবের বিষয়ে কোনো উদ্যোগ না নিয়ে রাষ্ট্রের ইতিহাস পাল্টানোর কাজে মনোনিবেশ করেছে। অথচ এটা তাদের কাজ ছিল না।

নিজের মতো করে ইতিহাস লিখতে এবং তাকেই একমাত্র ইতিহাসে পরিণত করতে চেয়েছিলেন শেখ হাসিনা; তার পরিণতি আমরা দেখেছি। একই প্রচেষ্টা অন্য কেউ করলে তারও পরিণতি একই হবে।”

বক্তারা আরোও বলেন, “নির্বাচনের মাত্র ৩ দিন আগে এখতিয়ারের বাইরে গিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে অসম বাণিজ্য চুক্তি করে অন্তর্র্বতীকালীন সরকার। নামে বাণিজ্য চুক্তি হলেও এটি বাস্তবে একটি দাসত্বের দলিল।

তাই এই চুক্তি বাতিল করা জরুরি। একই সাথে আমরা দেখছি সিলেটের সারি, পিয়াইনসহ বিভিন্ন নদীর উজানে ভারত নানা ধরনের প্রকল্প চালু করে পানি প্রত্যাহার করছে, যা সিলেট অঞ্চলকে শুকিয়ে মারবে। এ জন্য সরকারের তড়িৎ পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।”

নেতৃবৃন্দ এ সকল বিষয়ে সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান এবং একই সাথে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

» আউশকান্দি রশিদিয়া পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতির সাথে অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

Published: ১৮. জুন. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নবীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

আউশকান্দি রশিদিয়া পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি, অত্র প্রতিষ্ঠানের সাবেক কৃতি শিক্ষার্থী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আবুল ফজল শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) শিক্ষক-কর্মচারীদের সাথে এক মত বিনিময় সভা করেন।

এতে উপস্থিত ছিলেন, অভিভাবক প্রতিনিধি মো. সুলতান আলী ও প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ।

সভা শেষে সভাপতি প্রতিষ্ঠানের লাইব্রেরী, বিজ্ঞানাগার ও কম্পিউটার ল্যাব পরিদর্শন করেন।

শিক্ষক-কর্মচারীরা সভাপতিকে আন্তরিকভাবে ফুলেল অভ্যর্থনা জানান।

সভায় শিক্ষার মানোন্নয়নে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

» সিসিকের পাঁচ ওয়ার্ডে এক হাজার গাছের চারা বিতরণ

Published: ১৮. জুন. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

যার যেখানে খালি জায়গা আছে, গাছ লাগান : আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেটকে আরও সবুজ, পরিবেশবান্ধব ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) পাঁচটি ওয়ার্ডে এক হাজার ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

জাতিসংঘের গণতন্ত্র তহবিলের (ইউএনডিইএফ) সহায়তায় এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এফআইভিডিবি’র উদ্যোগে পরিচালিত ‘ইয়াং পিপল বিল্ডিং আরবান রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ’ প্রকল্পের আওতায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৮ই জুন) দুপুরে নগরভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চারা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে প্রকল্প সমন্বয়ক আবু বকর শিকদারের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার এবং এফআইভিডিবির কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স অফিসার তাসমিয়া তাহসিনা চৌধুরী।

এ সময় সিটি কর্পোরেশনের পাঁচটি ওয়ার্ডের সচিব সহ এফআইভিডিবির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, পরিবেশ রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ।

সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতোমধ্যে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন।

তিনি বলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনও একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও পরিবেশবান্ধব নগরী গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে। এফআইভিডিবির দেওয়া এসব চারা পর্যায়ক্রমে নগরের বিভিন্ন এলাকায় রোপণ করা হবে।

পাশাপাশি সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব উদ্যোগে চলতি বছর নগরজুড়ে ৫০ হাজার গাছের চারা রোপণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী আরও বলেন, নগর এলাকায় খালি জায়গা তুলনামূলক কম হলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, খেলার মাঠ, উন্মুক্ত স্থান, সড়কের পাশে এবং অন্যান্য উপযুক্ত স্থানে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

একটি গাছ শুধু পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে না, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও সুন্দর পৃথিবী গঠনেরও ভিত্তি তৈরি করে।

তিনি নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “শুধু সরকারের উদ্যোগে নয়, সবার অংশগ্রহণেই একটি সবুজ নগরী গড়ে তোলা সম্ভব।

যার যেখানে খালি জায়গা আছে, সেখানে অন্তত একটি করে গাছ লাগান। গাছ লাগানো যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি এর পরিচর্যাও নিশ্চিত করতে হবে।”

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা বৃদ্ধি, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি বাড়ছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণ অপরিহার্য।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত জাতীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিলেট সিটি কর্পোরেশন এলাকায় চলতি বছর ৫০ হাজার গাছ রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে এফআইভিডিবির দেওয়া এক হাজার চারা সেই উদ্যোগকে আরও গতিশীল করবে।

পর্যায়ক্রমে সংস্থাটি নগরীর বিভিন্ন এলাকায় আরও পাঁচ হাজার চারা বিতরণ করবে বলেও তিনি জানান।

অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন ওয়ার্ডের প্রতিনিধিদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

আয়োজকরা জানান, পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু সহনশীল নগর গঠন এবং তরুণদের পরিবেশবান্ধব কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

» সম্প্রসারিত ওয়ার্ডে আধুনিক নাগরিক সুবিধা করতে কাজ করছে সিসিক : সিসিক প্রশাসক

Published: ১৮. জুন. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সম্প্রসারিত ওয়ার্ডগুলোতে আধুনিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে সিটি কর্পোরেশন নিরলসভাবে কাজ করছে।

তবে উন্নয়ন কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে নগরবাসীকেও হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের মাধ্যমে সহযোগিতা করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেলে নগরীর আরামবাগস্থ আমানউল্লাহ কনভেনশন সেন্টারে ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের সার্বিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন, টেকসইকরণ এবং হোল্ডিং ট্যাক্স কার্যক্রম চালুকরণ বিষয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সিসিক প্রশাসক বলেন, ২০০২ সালে ২৭টি ওয়ার্ড নিয়ে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে এর পরিধি বৃদ্ধি পেয়ে ৪২টি ওয়ার্ডে উন্নীত হয়েছে। নতুন সংযুক্ত ১৫টি ওয়ার্ডে সড়ক, ড্রেন, সড়কবাতি, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও জলাবদ্ধতা নিরসন সহ বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে সিটি কর্পোরেশন ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, সম্প্রসারিত এলাকাগুলোর অধিকাংশ স্থাপনা ইউনিয়ন পরিষদের অনুমোদনে নির্মিত হওয়ায় অনেক সড়ক প্রয়োজনীয় প্রশস্ততা পায়নি। ফলে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে নানা জটিলতা তৈরি হচ্ছে।

এ অবস্থায় অনেক সচেতন নাগরিক স্বেচ্ছায় জমি ছেড়ে দিয়ে সড়ক প্রশস্তকরণ কাজে সহযোগিতা করেছেন। তাদের প্রতি সিটি কর্পোরেশন কৃতজ্ঞ।

যেসব স্থানে দেয়াল অপসারণ করতে হয়েছে, সেখানে সিটি কর্পোরেশন নিজ উদ্যোগে পুনর্নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব আয়ের প্রধান উৎস হলো হোল্ডিং ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্স ফি এবং বিভিন্ন ইজারা।

কিন্তু সম্প্রসারিত ১৫টি ওয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হলেও সেখান থেকে এখনো কোন হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় করা হয়নি। এমনকি আইন অনুযায়ী কর নির্ধারণের প্রক্রিয়াও শুরু হয়নি।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক স্বনির্ভরতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করছে।

সিটি কর্পোরেশন যত বেশি নিজস্ব রাজস্ব আয় করতে পারবে, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নেও তত বেশি সরকারি সহায়তা পাওয়া যাবে।

তাই নগর উন্নয়নের স্বার্থে সবাইকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধে এগিয়ে আসতে হবে।

সিসিক প্রশাসক বলেন, সিটি কর্পোরেশন কোনোভাবেই জোরপূর্বক কর আদায়ে বিশ্বাসী নয়। আমরা আলোচনার মাধ্যমে নাগরিকদের মতামত গ্রহণ করে সমস্যার সমাধান করতে চাই।

উন্নয়নের অংশীদার হিসেবে জনগণকে সঙ্গে নিয়েই একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা পেলে সম্প্রসারিত ওয়ার্ডগুলোতেও দ্রুত আধুনিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

সিসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার।

বক্তব্য দেন, সিসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর।

মতবিনিময় সভায় ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের পক্ষে বক্তব্য দেন মো. মোকাদ্দেম চৌধুরী, ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী, সেলিম আহমদ চৌধুরী, সফি উদ্দিন আহমদ, মো. আব্দুস সামাদ, অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান, কাজী মুহিবুর রহমান, মনজুর আহমদ, মো. আফরাফ হোসেন, মো. বজলুর রহমান, মো. এজাজুল হক, মো. জুবের আহমদ, বদরুল হক, সফিকুর রহমান, আব্দুল বাছিত চৌধুরী, মো. কলিম উদ্দিন, ইকবাল আহমদ বাদল, খবীর আহমদ, আব্দুস সালাম, শহীদ আহমদ ও মো. শাহাব উদ্দিন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সিসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিকুল ইসলাম, প্রধান অ্যাসেসর আবদুল বাছিত, কর কর্মকর্তা জামিলুর রহমান, অ্যাসেসর আখতার সিদ্দিকী বাবলু সহ সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

Callender

June 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930