- আগামীকাল সিলেট সফরে আসছেন মন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির
- ভেজিটেবল মার্কেট ট্রেড সেন্টার ও হাজী নওয়াব আলী সবজি মার্কেটের যৌথ ‘সাল পরবর্তী আলোচনা সভা’
- বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে কানাডার হাইকমিশনারের বৈঠক
- সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : বাণিজ্যমন্ত্রী
- কবি শেরাম নিরঞ্জনের মাতা আর নেই
- সিটি মডেল স্কুলে শিক্ষক ও অভিভাবক সমাবেশ
- বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতি সিলেটের উদ্যোগে সংবর্ধনা
- ৫৫ বছর আশ্বাসে আটকে থাকা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ এমপি এমরান চৌধুরীর
- সিলেটে বিশ্ব হিমোফিলিয়া দিবস পালিত
- রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় আটকে পড়া বড়চক বিদ্যালয় জাতীয়করণ সময়ের দাবি
» আগামীকাল সিলেট সফরে আসছেন মন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির
Published: ১৯. এপ্রি. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি আগামীকাল সোমবার (২০ এপ্রিল) এক সরকারি সফরে সিলেট আসছেন।
দিনব্যাপী এই সফরে তিনি একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্প পরিদর্শন, গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় সভা এবং ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
সফরের সময়সূচি:
* সকাল ৯টায় শামসুদ্দিন হাসপাতাল এবং নবনির্মিত ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নতুন হাসপাতাল ভবন পরিদর্শন করবেন।
* সকাল ১০টায় সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ‘হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬’-এর শুভ উদ্বোধন করবেন।
* সকাল সাড়ে ১০টায় সিলেট সার্কিট হাউজে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বিএডিসি, পানি উন্নয়ন বোর্ড, বন বিভাগ এবং এলজিইডি’র কর্মকর্তাদের সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় সভা।
* বেলা সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর সিলেট সফর উপলক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে একটি প্রস্তুতিমূলক সভা।
* দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ৩৬টি স্পোর্টস একাডেমির মধ্যে খেলার সামগ্রী বিতরণ।
» ভেজিটেবল মার্কেট ট্রেড সেন্টার ও হাজী নওয়াব আলী সবজি মার্কেটের যৌথ ‘সাল পরবর্তী আলোচনা সভা’
Published: ১৯. এপ্রি. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
ভেজিটেবল মার্কেট ট্রেড সেন্টার ও হাজী নওয়াব আলী সবজি মার্কেটের যৌথ উদ্যোগে ‘সাল পরবর্তী আলোচনা সভা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) বিকালে নগরীর সোবহানীঘাটস্থ ভেজিটেবল মার্কেট ট্রেড সেন্টারের কার্যালয়ে এই সভার আয়োজন করা হয়।
প্রধান বক্তা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনামূলক প্রদান করেন, ভেজিটেবল মার্কেট ট্রেড সেন্টারের সভাপতি মো. ছাদ মিয়া।
তিনি তার বক্তব্যে বাজারের শৃঙ্খলা বজায় রাখা, ক্রেতা সাধারণের সুবিধার্থে মানসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, যৌথ প্রচেষ্টার মাধ্যমেই একটি আদর্শ ও আধুনিক বাজার ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।
সভায় বাজারের শৃঙ্খলা ফেরাতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
বিশেষ করে ভেজিটেবল মার্কেট ট্রেড সেন্টার ও হাজী নওয়াব আলী সবজি মার্কেটের সামনের দীর্ঘদিনের যানজট নিরসন করতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ট্রাক বা মালবাহী গাড়ি থেকে পণ্য খালাস (আনলোড) করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পণ্য খালাস শেষ হওয়া মাত্রই গাড়ি মার্কেট এলাকা ত্যাগ করতে হবে বলে সভায় ঐক্যমত পোষণ করা হয়।
এছাড়া বাজারে কোনো ধরনের অবৈধ মালামাল কেনাবেচা বা মজুত করা যাবে না বলে ব্যবসায়ীদের কঠোরভাবে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।
যদি কোন ব্যবসায়ী নিয়ম লঙ্ঘন করেন, তবে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
মানবিক ও সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত ব্যবসায়ীদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখতে সভায় একটি বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ওজন পরিমাণ সঠিক মালামাল আদান প্রদান করতে হবে। যদি কোনো ব্যবসায়ী মৃত্যুবরণ করেন, তবে তার প্রতি সম্মান প্রদর্শনার্থে মার্কেট ১ ঘণ্টা বন্ধ রাখা হবে।
পাশাপাশি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করবে মার্কেট কর্তৃপক্ষ।
হাজী নওয়াব আলী সবজি মার্কেটের সভাপতি মো. আবুল হোসাইন এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, ভেজিটেবল মার্কেট ট্রেড সেন্টারের সাধারণ সম্পাদক মো. রাজু আহমদ, হাজী নওয়াব আলী সবজি মার্কেটের সাধারণ সম্পাদক মো. কাজী বুরহান উদ্দিন, ভেজিটেবল মার্কেট ট্রেড সেন্টারের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আলেক মিয়া, হাজী নওয়াব আলী সবজি মার্কেটের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আফরোজ আলী, ভেজিটেবল মার্কেট ট্রেড সেন্টারের সহ-সভাপতি মো. হারিছ মিয়া, মো. আলা উদ্দিন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. দুলাল আহমদ।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মো. মাসুদ কাজী, মো. মঞ্জুর হোসেন, মো. মুজিবুর রহমান, মো. নজির আহমদ, মো. আমির আলী, মো. আব্দুর রব, মো. আজম আলী, মো. আব্দুল মান্নান, মো. তেরা মিয়া, মো. দুলাল আহমদ, আব্দুর রহমান, সেলিম আহমদ, আব্দুল রকিব, মো. কাপতান মিয়া, মো. নজরুল ইসলাম, মো. কাছা মিয়া, মো. বাচ্ছু মিয়া, মো. আল আমীন, মো. ছালিক মিয়া, রিংকু তালুকদার, মজনু মিয়া, নয়ন, আব্দুর রব, হেলাল আহমদ, মো. রুহুল আমিন, মো. ইব্রাহিম মিয়া, মো. আফরোজ, হারিছ মিয়া, মো. বুরহান উদ্দীন, রাজু আহমদ প্রমুখ।
সভায় উভয় মার্কেটের পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং সাধারণ ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
» বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে কানাডার হাইকমিশনারের বৈঠক
Published: ১৯. এপ্রি. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যকার বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার লক্ষ্যে বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বর্তমান সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
তিনি জানান, ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে।
এ খাতে বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা প্রদান করা হবে উল্লেখ করে তিনি কানাডার উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে সৌর বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।
কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং বাংলাদেশ ও কানাডার বিদ্যমান সুদৃঢ় সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি বলেন, বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি প্রবাসী কানাডায় বসবাস করছেন, যারা দুই দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।
তিনি আরও জানান, কানাডার বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে এগ্রি-ফুড, ফিনটেক এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি-বিশেষ করে সৌর বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী।
বাণিজ্য সম্প্রসারণের মাধ্যমে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) মো. আবদুর রহিম খান এবং অতিরিক্ত সচিব (আইআইটি) শিবির বিচিত্র বড়ুয়া উপস্থিত ছিলেন।
» সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : বাণিজ্যমন্ত্রী
Published: ১৯. এপ্রি. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
নতুন আমদানি নীতি (ইমপোর্ট পলিসি) চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং শিগগিরই তা উন্মুক্ত করা হবে।
পাশাপাশি বস্ত্র ও পাট, শিল্প এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সেবা সহজীকরণে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে আলাদা কমিটি গঠন করা হবে বলেও জানান তিনি।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) সকালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা এবং সরকারের কাছে তাদের দাবি-দাওয়া কার্যকরভাবে উপস্থাপনে এফবিসিসিআই-এর ভূমিকা আরও শক্তিশালী ও সক্রিয় হতে হবে।
প্রয়োজনে ইতিবাচক ও গঠনমূলক চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে নীতিগত সহায়তা আদায়ে সংগঠনটিকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।
তবে এফবিসিসিআইকে কোনভাবেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া যাবে না।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এমন একটি এফবিসিসিআই দেখতে চাই, যা প্রকৃত অর্থেই সকল ব্যবসায়ীর সম্মিলিত প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।’
এফবিসিসিআই বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একটি সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে নীতিনির্ধারণে বাস্তবভিত্তিক মতামত প্রদান করবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সংগঠনটিকে গতিশীল ও ফলপ্রসূ করতে যোগ্য, দূরদর্শী ও উদ্যমী নেতৃত্ব অপরিহার্য।
এফবিসিসিআই-এর নেতৃত্ব ব্যবসায়ীদের মধ্য থেকেই আসা উচিত এবং সংগঠনটি যেন ব্যবসায়ী সমাজের স্বার্থ রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, সেটি নিশ্চিত করা হবে।
বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) ও এফবিসিসিআই-এর প্রশাসক মো. আবদুর রহিম খান বক্তব্য দেন।
এছাড়া ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন, বিজিএমইএ-এর সাবেক সভাপতি এস এম ফজলুল হক; এফবিসিসিআই-এর সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন; বিকেএমইএ-এর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম; এফবিসিসিআই-এর সাবেক পরিচালক নাসরিন ফাতেমা আউয়াল; আব্দুল হক; বাংলাদেশ সিএনজি মেশিনারিজ ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জাকির হোসেন নয়ন; বাংলাদেশ সুপার মার্কেট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন; এফবিসিসিআই-এর সাবেক পরিচালক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী খোকন; রাঙ্গামাটি চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি বেলায়েত হোসেন ভূঁইয়া; এফবিসিসিআই-এর সাবেক সহ-সভাপতি নিজাম উদ্দিন রাজেশ এবং সাবেক পরিচালক সৈয়দ বখতিয়ার প্রমুখ।
বৈঠকে অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ী নেতাদের এফবিসিসিআইকে আরও কার্যকর ও ব্যবসাবান্ধব সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন।
তারা নির্বাচন পূর্ববর্তী সময়ে ব্যবসায়ী সমাজ থেকে একজনকে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাবও উত্থাপন করেন।
» কবি শেরাম নিরঞ্জনের মাতা আর নেই
Published: ১৯. এপ্রি. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ মণিপুরী সাহিত্য সংসদের সাবেক সভাপতি বিশিষ্ট কবি-সংগঠক শেরাম নিরঞ্জনের মাতা লোকমনি দেবী (৮৬) আর নেই।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) দুপুর দেড়টায় সিলেট নগরীর লামাবাজারস্থ নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নগরীর সাগরদীঘিরপাড়স্থ মণিপুরী শ্মশানঘাটে তাঁর অন্ত্যোষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।
কবি শেরাম নিরঞ্জনের মাতার অকাল প্রয়াণে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী রানা কুমার সিনহা, বাংলাদেশ মণিপুরী সাহিত্য সংসদের সাধারণ সম্পাদক নামব্রম শংকর, সিলেট দেবালয় রথযাত্রা উদযাপন কমিটির সভাপতি প্রশান্ত কুমার সিংহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিন্টু সিংহ, চিত্রশিল্পী এন. যোগেশ্বর অপু, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সহ-সাধারণ সম্পাদক রবিকিরণ সিংহ রাজেশ, শ্রী শ্রী কৃষ্ণ বলরাম জিউড় আখড়া কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিকাশ সিংহ রাজু প্রমুখ।
» সিটি মডেল স্কুলে শিক্ষক ও অভিভাবক সমাবেশ
Published: ১৮. এপ্রি. ২০২৬ | শনিবার
দক্ষতা ও মূল্যবোধ বিকাশে নিজেরাই উদাহরণ হোন
নগরীর সিটি মডেল স্কুলে শিক্ষক-অভিভাবক সমাবেশ সম্পন্ন হয়েছে।
» বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতি সিলেটের উদ্যোগে সংবর্ধনা
Published: ১৮. এপ্রি. ২০২৬ | শনিবার
জনগণের সেবা ও এলাকার উন্নয়নে কাজ করাই আমার মূল লক্ষ্য : আবুল কাহের চৌধুরী শামীম
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক এবং বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতি সিলেটের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল কাহের চৌধুরী শামীম বলেছেন, জনগণের সেবা ও এলাকার উন্নয়নে কাজ করাই আমার মূল লক্ষ্য।
বিয়ানীবাজার কেবল একটি ভৌগোলিক এলাকা নয়, এটি মেধা ও মননের উর্বর ভূমি। এ জনপদের মানুষ দেশে এবং প্রবাসে তাঁদের কঠোর পরিশ্রম ও মেধা দিয়ে সিলেটের মুখ উজ্জ্বল করেছেন।
তিনি আরও বলেন, উন্নয়ন মানে শুধু রাস্তাঘাট বা কালভার্ট নির্মাণ নয়; প্রকৃত উন্নয়ন হলো মানুষের জীবনযাত্রার মান পরিবর্তন করা।
বিয়ানীবাজারের দীর্ঘদিনের ড্রেনেজ সমস্যা নিরসন এবং গ্রামীণ অবকাঠামোকে আধুনিকায়ন করতে আমরা অগ্রাধিকার দিচ্ছি।
সরকারের বরাদ্দকৃত প্রতিটি পয়সা যাতে সাধারণ মানুষের কল্যাণে স্বচ্ছতার সাথে ব্যয় হয়, তা আমি নিশ্চিত করব।
সমিতির সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমরা দল-মত নির্বিশেষে সবাই বিয়ানীবাজারের সন্তান।
এই পরিচয়টিই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতি দীর্ঘকাল ধরে আর্তমানবতার সেবায় যে অনন্য নজির স্থাপন করেছে, তা আগামীতেও অব্যাহত রাখতে হবে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাতে নগরীর মেন্দিবাগস্থ একটি অভিজাত হোটেলের হলরুমে বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতি সিলেট আয়োজিত এক জমকালো সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সংবর্ধিত অতিথি আবুল কাহের চৌধুরী শামীম সমিতির প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, বিয়ানীবাজারের মানুষের সাথে তাঁর নাড়ির টান। জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে তিনি পুরো জেলার পাশাপাশি বিয়ানীবাজার উপজেলার অবকাঠামোগত ও সামাজিক উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি সমিতির সকল সদস্যকে ঐক্যবদ্ধভাবে আর্তমানবতার সেবায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতি সিলেটের সভাপতি ডা. এম. ফয়েজ আহমদ-এর সভাপতিত্বে এবং এডভোকেট জুবায়ের আহমদ খাঁন-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সমিতির সহ-সভাপতি এডভোকেট এমাদ উল্লাহ শহিদুল ইসলাম।
অন্যানদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন, সমিতির সহ-সভাপতি শামস্ উদ্দিন আহমদ খাঁন, তোফায়েল আহমদ খান, মুসলেহ উদ্দিন খান, ফয়েজ উদ্দিন লোদী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল আহাদ, মো: ছাদ উদ্দিন, জুবায়ের আহমদ চৌধুরী সুমন, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক কবির আহমদ সিদ্দিকি, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট আহমদ রেজা, প্রচার বিষয়ক সম্পাদক সাদেক আহমদ আজাদ, প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক সোলেমান আহমদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট মোধ আব্বাছ উদ্দিন, শিক্ষা ও পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক আজমল হোসেন চৌধুরী ওয়েস, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাক আহমদ খান সাজু, দপ্তর বিষয়ক সম্পাদক মো: রাজ্জাকুজ্জামান চৌধুরী, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট হাদিয়া চৌধুরী মুন্নী, সদস্য এডভোকেট নাসির উদ্দিন খাঁন, মো. আজাদ উদ্দিন, এমদাদ হোসেন চৌধুরী, আব্দুল ফাত্তাহ বক্সী, আজহারুল কবীর চৌধুরী সাজু, মোহাম্মদ আব্দুস সবুর, মো. হানিফ আহমদ, জাকির হোসেন, ইসমত ইবনে ইসহাক সানজিদ, শহিদুল হাসান, মাহবুব আহমদ মুক্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ময়নুল ইসলাম, আবুল ফজল মো. আরিফ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বিয়ানীবাজারের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং সিলেটের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা আবুল কাহের চৌধুরী শামীমের রাজনৈতিক ও সামাজিক অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে তাঁর সাফল্য কামনা করেন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে সমিতির পক্ষ থেকে সংবর্ধিত অতিথিকে বিশেষ সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
» ৫৫ বছর আশ্বাসে আটকে থাকা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ এমপি এমরান চৌধুরীর
Published: ১৮. এপ্রি. ২০২৬ | শনিবার
বিয়ানীবাজারে করতি খালের উপর হচ্ছে ব্রিজ, ফুটছে ১০ গ্রামের মানুষের মুখে হাসি
বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ
স্বাধীনতার পর থেকেই বিয়ানীবাজার উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের করতি খালের উপর সেতু স্থাপনের দাবি ছিলো স্থানীয়দের।
কিন্তু তাদের সেই দাবি পূরণ হয়নি। ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোই ছিলো অবলম্বন। এবার ওই এলাকার ১০ গ্রামের মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে যাচ্ছেন সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী।
আলীনগর ইউনিয়নের পাতন ও ফুলমলিক গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে করতি খালের উপর সেতু স্থাপনের লক্ষ্যে শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বিয়ানীবাজার উপজেলা প্রকৌশলীকে নিয়ে স্থানটি পরিদর্শন করেন নবনির্বাচিত এই সাংসদ।
সেতুটি নির্মাণ হলে ওই ১০ গ্রামের জনজীবনের দুর্দশা কাটবে। বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ- দুটি উপজেলাসদরের সঙ্গেই সহজ হবে যাতায়াত।
সেতু স্থাপনের জায়গা পরিদর্শনকালে এমপি এমরান আহমদ চৌধুরীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ‘স্বাধীনতার পর থেকে আমাদের এই দাবিকে কোনো জনপ্রতিনিধি মূল্যায়ন করেননি।
আশ্বাসেই আটকে ছিলো আমাদের অতি প্রয়োজনীয় সেই দাবি। আমাদের ফুলমলিক, ঘাগওয়া, গোবিন্দশ্রী, দেউলগ্রাম, পাতন, চন্দ্রগ্রাম, কটলিপাড়া ও আঙ্গুরাসহ আশপাশের অন্তত ১০টি গ্রামের মানুষ বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ একটি বাঁশের সাঁকোতে করতি খাল পাড়ি দিয়ে কাজ ও স্কুলে যাচ্ছেন। করতি খালের দুইপাশে ছয়টি প্রাথমিক ও তিনটি মাধ্যমিক স্কুল ও কলেজ রয়েছে।
কোমলমতি শিক্ষার্থেদের ভয়ে ভয়ে প্রতিদিন সাঁকো পাড়ি দিতে হয়। মাঝে মাঝে শিক্ষার্থীদের নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটে।
এছাড়া কেউ অসুস্থ হলে হাসপাতালে বা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া, কিংবা মৃত্যু হলে গ্রামগুলোর মধ্যে আনা-নেয়া করাও কঠিন। এবার আমাদের দুর্ভোগ লাঘব হবে আশার করছি।’
স্থান পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, মুফতি মাওলানা মুজিবুর রহমান, বিয়ানীবাজার ক্যান্সার হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম সাব উদ্দিন, ড. জুনায়েদ আজম চৌধুরী, এনাম উদ্দিন, রফিক উদ্দীন, সরফ উদ্দীন, ডাক্তার নাদিয়া সুলতানা, ইউপি সদস্য শামিম আহমদ ও গোলাপগঞ্জ উপজেলা যুবদল নেতা আশরাফুল হক।
এর আগে গোলাপগঞ্জের কায়স্তগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘সিলেট বিভাগে শিশুদের মধ্যে থ্যালাসেমিয়ার প্রাদুর্ভাব’ শীর্ষক গবেষণামূলক কার্যক্রম ও মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দেশের মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে সচেষ্ট রয়েছে। এরমধ্যে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
» সিলেটে বিশ্ব হিমোফিলিয়া দিবস পালিত
Published: ১৮. এপ্রি. ২০২৬ | শনিবার
রোগ নির্ণয় ও সমন্বিত চিকিৎসায় হিমোফিলিয়া রোগীরা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন : অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোঃ জিয়াউর রহমান চৌধুরী
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ এর অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা.মোঃ জিয়াউর রহমান চৌধুরী বলেছেন, হিমোফিলিয়া একটি দীর্ঘমেয়াদি রক্তক্ষরণজনিত রোগ।
অনেক সময় এই রোগটি সময়মতো নির্ণয় না করার ফলে রোগটি জটিল রুপ ধারণ করে।
সময়মতো রোগ নির্ণয় ও সমন্বিত চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে হিমোফিলিয়া রোগীরা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন। তাই হিমোফিলিয়া রোগের প্রাথমিক লক্ষণ, আধুনিক চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।
বিশ্ব হিমোফিলিয়া দিবস-২০২৬ উপলক্ষে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের হেমাটোলজি বিভাগ ও হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ সিলেট চ্যাপ্টারের যৌথ উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র্যালি পরবর্তী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের সামন থেকে বর্ণাঢ্য রেলিটি বের হয়।
পরে মেডিকেল এডুকেশন ইউনিটে ( ২য়তলা) অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন হেমাটোলজি বিভাগের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম।
এ সময় বক্তব্য রাখেন, এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হরমোন বিভাগের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ডা. শাহ ইমরান, হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ সিলেট চ্যাপ্টারের সভাপতি মাওলানা মো. ইসমাইল আলী, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আতিক মিয়া, মোহিত মিয়া, আতাউর রহমান খান শামসু, সৈয়দ শওকত আলী, ডা. ইফতেখার আহমেদ খান, বেবি রানী পাল, আহমদ আল আরিফ, মোহাম্মদ আতিক মিয়া, ফায়েজ আহমদ, উসামা চৌধুরী, আব্দুল কাদির, আশিকুর রহমান, সোহান তালুকদার, নাদিরা আক্তার, মনসুর আহমদ, শেখুল ইসলাম, মো. জাকির, এডভোকেট বিশ্বজিৎ রায়, মো. আতিক মিয়া, শেখ মোবারক আলী প্রমুখ।
» রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় আটকে পড়া বড়চক বিদ্যালয় জাতীয়করণ সময়ের দাবি
Published: ১৮. এপ্রি. ২০২৬ | শনিবার
বড়চক উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ
দক্ষিণ সুরমা প্রতিনিধিঃ
সিলেটের দক্ষিণ সুরমার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানহীন জনপদে স্থানীয় শিক্ষানুরাগীদের ত্যাগে প্রতিষ্ঠিত বড়চক উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শনিবার সম্পন্ন হয়েছে।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মফিজ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, সিলেট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও দক্ষিণ সুরমা বিএনপির সভাপতি হাজী সাহাব উদ্দিন।
তিনি বলেন, সকল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও বিগত সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে বড়চক প্রাথমিক বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ করা হয়নি।
বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ এখন সময়ের দাবি। এব্যাপারে তিনি স্থানীয় এমপি, সরকারের শিক্ষামন্ত্রী ছাড়াও খোদ প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে দৈনিক যুগান্তরের ব্যুরো প্রধান সংগ্রাম সিংহ শিক্ষার্থীদের প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় একেকজন মানবিক মানুষ হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্ণালিস্ট এসোসিয়েশন (ইমজা)-র সাধারণ সম্পাদক আনিস রহমান, টিনের চালার নিচে বড়চক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা প্রচণ্ড গরমে মানবেতর অবস্থায় আছেন। তাই বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন এখন সময়ের দাবি।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হাজী আসাদ উদ্দিন, সিলেট জেলা বিএনপির সহ-কৃষি বিষয়ক সম্পাদক শামসুর রহমান সুজা, যুবনেতা সিরাজ মিয়া, মুজেফর মিয়া, আজিজ মিয়া, নজরুল ইসলাম, আবিদ নুর, মুস্তাব আলী, আমিরুন মেম্বার, ফাহিম আহমেদ, সহকারী শিক্ষক রামিম আহমদ, শান্ত দেবনাথ ও মাজেদা বেগম।
অনুষ্ঠানের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন, প্রধান শিক্ষক মো. জয়নাল খান এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সহকারী শিক্ষক ফয়েজ আহমদ ও সাইদুর রহমান মনসুর।
সভায় বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়া মেধাবী শিক্ষার্থী ফাহিম আহমদকে সংবর্ধিত করা হয় এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য কামনায় দোয়া পরিচালনা করেন ক্বারী আব্দুল অদুদ।
» বাণিজ্য সচিবের ইন্তেকাল : মন্ত্রীর শোক ও সিলেট সফর স্থগিত
Published: ১৭. এপ্রি. ২০২৬ | শুক্রবার
নিউজ ডেস্কঃ
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান আর নেই। আজ শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) ভোর ৬টা ২৫ মিনিটে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর। তিনি স্ত্রী, তিন কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
সচিবের আকস্মিক প্রয়াণের কারণে বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপির পূর্বনির্ধারিত সিলেট সফর স্থগিত করা হয়েছে। আজ তাঁর সিলেটে পৌঁছানোর কথা ছিল।
পারিবারিক ও মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, রক্তে প্লাটিলেট কমে যাওয়ায় গত ১৩ এপ্রিল মাহবুবুর রহমানকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরবর্তীতে পরীক্ষায় তাঁর শরীরে ম্যালেরিয়া শনাক্ত হয়। নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকা অবস্থায় শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) ভোরে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
মাহবুবুর রহমান ১৩তম বিসিএস (শুল্ক ও আবগারি) ক্যাডারের একজন মেধাবী কর্মকর্তা ছিলেন।
দীর্ঘ কর্মজীবনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন শেষে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে তিনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে যোগদান করেন।
বাণিজ্যমন্ত্রীর শোক: বাণিজ্য সচিবের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
এক শোকবার্তায় মন্ত্রী বলেন, “মাহবুবুর রহমান ছিলেন, একজন সৎ, দক্ষ ও নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা।
তাঁর পেশাদারিত্ব, দায়িত্ববোধ ও সততা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। তাঁর অকাল মৃত্যুতে দেশ একজন অভিজ্ঞ প্রশাসককে হারালো, যা পূরণ করা কঠিন।”
মন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
» ছাত্রদল নেতা সাঈদের মায়ের মৃত্যুতে মিফতাহ্ সিদ্দিকী শোক
Published: ১৭. এপ্রি. ২০২৬ | শুক্রবার

