- দুর্গাপূজা উপলক্ষে বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক
- সিলেটের মানুষ যুগ যুগ ধরে সম্প্রীতির ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন : সিসিক প্রশাসক
- সিলেটে চৈতালী সংঘের উদ্যোগে শারদীয় দুর্গাপূজার আয়োজন
- বিশ্ববাংলার ২৩ বছরের প্রকাশনা কেমুসাস লাইব্রেরিতে প্রদান
- আন্তরিকতার সঙ্গে রোগীদের সেবা দিতে হবে; টেস্টে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া থেকে বিরত থাকুন : এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী
- ৩ দফা দাবিতে সিলেটে অটোরিকশা মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের মানববন্ধন
- বিভিন্ন পূজা মন্ডব পরিদর্শন করল বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দ
- বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি-সম্পাদক সহ নেতৃবৃন্দ
- ওসমানীনগরে পুজা মন্ডপে পররাস্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ূন কবিরের শুভেচ্ছা উপহার বিতরন
- গ্যাস, বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানে পদক্ষেপ সম্বলিত দক্ষিণ সুরমা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের লিফলেট বিতরণ
» দুর্গাপূজা উপলক্ষে বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক
Published: ১৮. অক্টো. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে সবাইকে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে চাই
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই বাংলাদেশের নাগরিক।
মুসলিম, সনাতন, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ সহ বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব আনন্দ ও উৎসাহের সঙ্গে উদযাপন করবেন, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রেখে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে কাষ্টঘর শিবমন্দিরে রাইজিং স্টার সর্বজনীন পূজা কমিটির উদ্যোগে দুর্গাপূজা উপলক্ষে আয়োজিত বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, দিনশেষে আমরা সবাই এই দেশের মানুষ, এই দেশের নাগরিক। আমাদের সবার দেশ বাংলাদেশ। রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো প্রত্যেক নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রশাসন নাগরিকদের নিরাপত্তা বিধানে কাজ করে যাচ্ছে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবেও আমাদের দায়িত্ব হলো প্রত্যেক ধর্মের মানুষের পাশে দাঁড়ানো।
তিনি বলেন, অতীতে দেশের কোথাও কোথাও বিভিন্ন সময়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিপদ-আপদ বা অসুবিধা দেখা দিলে মুসলিম সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
সিলেট মহানগরও যুগ যুগ ধরে ধর্মীয় সম্প্রীতির ঐতিহ্য ধারণ করে আসছে।
ভবিষ্যতেও এই সম্প্রীতি অটুট রেখে সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই।আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, এবারের দুর্গাপূজায় অন্যান্য বছরের তুলনায় সরকারি বরাদ্দ বেশি দেওয়া হয়েছে।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকেও পূজামণ্ডপগুলোতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হচ্ছে।
নগরের দায়িত্বে থাকার কারণে এবার বিভিন্ন পূজামণ্ডপের জন্য আগের তুলনায় বেশি বরাদ্দ দেওয়ার চেষ্টা করেছি। কিছু ক্ষেত্রে বিশেষ বরাদ্দও দেওয়া হয়েছে।
কুমারী পূজার জন্যও পৃথকভাবে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, আমরা চাই দেশের মূল স্রোতধারায় দল-মত ও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে।
এ জন্য সবার ইতিবাচক মানসিকতা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব প্রয়োজন। সবাই একসঙ্গে পথ চললেই একটি সুন্দর ও সম্প্রীতির সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
সিসিক প্রশাসক বলেন, নগরবাসী যেকোন বিষয়ে সহযোগিতা চাইলে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সাধ্যের মধ্যে তা করার চেষ্টা করা হয়।
সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব আয় সীমিত হলেও নাগরিকদের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
এবারের দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিভিন্ন পূজামণ্ডপের পক্ষ থেকে সড়ক সংস্কারের অনুরোধ করা হয়েছিল।
কাষ্টঘর শিবমন্দিরে পূজায় বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম হয়। কিন্তু মন্দিরে আসার সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ ছিল।
স্থানীয় মুরব্বিরা বিষয়টি জানালে পূজার আগে দ্রুত সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
মানুষের চলাচলের সুবিধা, বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের কথা বিবেচনা করেই এক রাতের মধ্যে সড়কটি সংস্কার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতেও নগরের উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার ক্ষেত্রে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। ধর্মীয় উৎসব সহ যেকোন প্রয়োজনে নগরবাসীর পাশে থাকার চেষ্টা করব।
রাইজিং স্টার সর্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি রানা প্রসাদ ত্রিবেদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি সুদীপ রঞ্জন সেন বাপ্পু।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, রামেন্দ্র চৌধুরী তপু, সুমিত শ্যাম পল, জগৎজ্যোতি নারায়ণ দেব, সুমন চক্রবর্তী, ঝুমন চক্রবর্তী, মিষ্টু দাশ, সুমন দত্ত, প্রিয়ম দত্ত, স্বপন কর্মকার ও শপথ দেব প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে অতিথিবৃন্দ সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে বস্ত্র বিতরণ করেন।
» সিলেটের মানুষ যুগ যুগ ধরে সম্প্রীতির ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন : সিসিক প্রশাসক
Published: ১৮. অক্টো. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, ধর্মীয় সম্প্রীতির শহর সিলেটে প্রতিবছর অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপিত হয়।
এ সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের ঐতিহ্য ধরে রেখে শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন করতে হবে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সিলেট নগরের নাইওরপুলে রামকৃষ্ণ মিশন দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, দুর্গাপূজা শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি আমাদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেরও অংশ। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলেমিশে এই উৎসব উদযাপন করলে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য আরও সুদৃঢ় হবে।
সিলেটের মানুষ যুগ যুগ ধরে এই সম্প্রীতির ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন।
তিনি আরও বলেন, পূজার সার্বিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
কোন ধরনের সমস্যা বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি দেখা দিলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কিংবা সিটি করপোরেশনকে অবহিত করতে হবে।
একই দিন আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী সিলেট নগরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন এবং পূজার সার্বিক খোঁজখবর নেন।
এ সময় তিনি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সড়কবাতি ও অন্যান্য নাগরিক সুবিধার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন।
তিনি বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা যাতে নির্বিঘ্নে ও আনন্দমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়, সে জন্য সিলেট সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।
পূজার সময় নগরবাসীর চলাচল ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে সিসিকের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে সক্রিয় রাখা হয়েছে। যেকোনো সমস্যা দ্রুত সমাধানে সিটি করপোরেশন পাশে থাকবে।
সিসিক প্রশাসক বলেন, বর্তমান সরকার দেশের সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তরিকভাবে কাজ করছে।
শারদীয় দুর্গাপূজা যাতে শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়, সে জন্য সরকার প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছে।
পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পূজার সার্বিক পরিবেশ সুন্দর রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সব ধর্মের মানুষের পাশে রয়েছে। দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কোথাও যাতে কোন ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক রয়েছে।
একই সঙ্গে পূজা উদযাপন কমিটি, রাজনৈতিক দল, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় এবারের দুর্গাপূজা শান্তি, সম্প্রীতি ও উৎসবের আবহে সফলভাবে উদযাপিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে মিশন ও আশ্রমের অধ্যক্ষ স্বামী চন্দ্রনাথানন্দ মহারাজ, স্বামী পূর্ণব্রতানন্দ মহারাজ, বীর মুক্তিযোদ্ধা পান্নালাল রায়, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মলয় পুরকায়স্থ, পূজা উদযাপন পরিষদ সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি সুব্রত দেব, জেলা শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোপীকা শ্যাম পুরকায়স্থ চয়ন এবং মিরাবাজার সর্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি সৌমিত্র চৌধুরী শ্যামসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
» সিলেটে চৈতালী সংঘের উদ্যোগে শারদীয় দুর্গাপূজার আয়োজন
Published: ১৮. অক্টো. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট নগরীর দাড়িয়াপাড়াস্থ চৈতালী সংঘের উদ্যোগে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দাড়িয়াপাড়া এলাকার এই মণ্ডপটি সিলেটের অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় পূজামণ্ডপ হিসেবে পরিচিত, যা তার ব্যতিক্রমী প্রতিমা, নান্দনিক সাজসজ্জা এবং চোখধাঁধানো আলোকসজ্জার জন্য সর্বস্তরের দর্শনার্থীদের কাছে অন্যতম প্রধান আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
রোববার (১৮ অক্টোবর ) চৈতালী সংঘের পূজামণ্ডপে এক অভূতপূর্ব ধর্মীয় ও সামাজিক সম্মিলন ঘটে। প্রতিবছরের মতো এবারও পূজার আয়োজনে ছিল একাধিক দৃষ্টিনন্দন পরিবেশনা।
তবে এবারের অনুষ্ঠানটির ব্যতিক্রমী ভাবনা, সময়োপযোগী পরিকল্পনা ও নিপুণ বাস্তবায়ন সব মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।
আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন, চৈতালী সংঘের সভাপতি অ্যাডভোকেট অশেষ কর, সহ-সভাপতি গৌতম বণিক, মদন মোহন কর্মকার, সাধারণ সম্পাদক চন্দন সাহা, সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্মল রায় রাজা, অর্থ সম্পাদক পংকজ দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক বিক্রম কর সম্রাট, ব্যবস্থাপনা উপ-পরিষদের আহ্বায়ক মৃদুলাল ভট্টাচার্য্য অপু, যুগ্ম আহ্বায়ক বিনায়ক চক্রবর্তী শুভ, অর্থ উপ-পরিষদের আহ্বায়ক শান্তনু দাস পান্না, যুগ্ম আহ্বায়ক ভ্রমর রায়, সাংগঠনিক উপ-পরিষদের আহ্বায়ক নীহার কুমার রায়, যুগ্ম আহ্বায়ক চমক দে পলু, পূজা অর্চ্চনা ও পরিচালনা উপ-পরিষদের আহ্বায়ক বিপ্রজীত দত্ত বিরাজ, যুগ্ম আহ্বায়ক বিশাল রুদ্র সেন, সাজসজ্জা উপ-পরিষদের আহ্বায়ক বিবেক কর, যুগ্ম আহ্বায়ক কপিলেশ্বর দেব অনুপসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার মণ্ডপে দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। পুরো এলাকা বর্ণিল আলো ও উৎসবের আমেজে মুখর হয়ে ওঠে, যা সামাজিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।
পূজা কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, আমাদের লক্ষ্য শুধু দেবীর আরাধনা নয়; বরং সমাজে পারস্পরিক সম্প্রীতি, মূল্যবোধ ও ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি চর্চাকে উৎসাহিত করা।
সকল শুভানুধ্যায়ী ও স্বেচ্ছাসেবকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে এই আয়োজন সফল ও সার্থক হয়েছে।
» বিশ্ববাংলার ২৩ বছরের প্রকাশনা কেমুসাস লাইব্রেরিতে প্রদান
Published: ১৮. অক্টো. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
ঐতিহ্যবাহী সাহিত্য প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ (কেমুসাস) লাইব্রেরিতে মাসিক বিশ্ববাংলার গত ২৩ বছরের প্রকাশনা প্রদান করা হয়েছে।
পত্রিকাটির দীর্ঘদিনের প্রকাশিত সংখ্যাগুলো বাঁধাই করে লাইব্রেরির সংগ্রহে সংরক্ষণের জন্য প্রদান করেন, বিশ্ববাংলার সম্পাদক, কবি ও সাংবাদিক মুহিত চৌধুরী।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সাধারণ সম্পাদক সেলিম আউয়ালের হাতে বিশ্ববাংলার ২৩ বছরের প্রকাশনাসমূহ তুলে দেওয়া হয়।
দীর্ঘ সময়ের সাহিত্য, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও সমকালীন বিষয়ভিত্তিক লেখার সমৃদ্ধ এই সংকলন কেমুসাস লাইব্রেরির সংগ্রহকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এ সময় কেমুসাসের সাধারণ সম্পাদক সেলিম আউয়াল বলেন, “গত ২৩ বছরে প্রকাশিত বিশ্ববাংলার প্রতিটি সংখ্যায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ লেখা রয়েছে।
এসব লেখা গবেষক, লেখক, শিক্ষার্থী ও সাহিত্য-সংস্কৃতির অনুরাগীদের জন্য অত্যন্ত সহায়ক হবে।
দীর্ঘ সময়ের প্রকাশনাগুলো একত্রে সংরক্ষিত থাকায় ভবিষ্যৎ প্রজন্মও এসব লেখা থেকে উপকৃত হতে পারবে।”
বিশ্ববাংলার সম্পাদক কবি মুহিত চৌধুরী বলেন, “ঐতিহ্যবাহী কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের লাইব্রেরিতে বিশ্ববাংলার ২৩ বছরের প্রকাশনা প্রদান করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।
একটি পত্রিকার প্রকাশিত সংখ্যাগুলো শুধু সময়ের দলিল নয়, এগুলো সমকালীন সমাজ, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও চিন্তাচর্চারও গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
আমি আশা করি, বিশ্ববাংলার এসব প্রকাশনা কেমুসাস লাইব্রেরির পাঠক ও গবেষকদের প্রয়োজন মেটাতে ভূমিকা রাখবে।”
উল্লেখ্য, দীর্ঘ ২৩ বছরের প্রকাশনা একত্রে বাঁধাই করে একটি ঐতিহ্যবাহী সাহিত্য প্রতিষ্ঠানের লাইব্রেরিতে সংরক্ষণের এই উদ্যোগ সাময়িকী ও সাহিত্যপত্রের আর্কাইভ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
নিয়মিত প্রকাশনার মাধ্যমে সময়ের সাহিত্য-সংস্কৃতি ও চিন্তাধারাকে ধরে রাখার পাশাপাশি এসব প্রকাশনা ভবিষ্যতের গবেষণা ও ইতিহাসচর্চার জন্যও মূল্যবান উপাদান হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কেমুসাসের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মাহমুদ রাজা চৌধুরী, সহসাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল মুকিত অপি, আল ইসলাহ সম্পাদক আহমদ মাহবুব ফেরদৌস, লাইব্রেরি সম্পাদক নাজমুল আনসারী, সাহিত্য সম্পাদক কামরুল আলম, সহলাইব্রেরি সম্পাদক ইশরাক জাহান জেলি, কার্যকরী পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট কামাল তৈয়ব, মিনহাজ ফয়সল এবং জীবন সদস্য সৈয়দ বদরুল আলম প্রমুখ।
» আন্তরিকতার সঙ্গে রোগীদের সেবা দিতে হবে; টেস্টে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া থেকে বিরত থাকুন : এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী
Published: ১৮. অক্টো. ২০২৬ | রবিবার
বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ
সিলেট-৬ (গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী বলেছেন, চিকিৎসা প্রদান করা কোন বাণিজ্য নয়, সেবা দেওয়া।
তাই চিকিৎসকদের উচিৎ- আন্তরিকতার সঙ্গে রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া। আর রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বর্তমান ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রয়োজন ঠিক আছে, কিন্তু মানুষের কাছ থেকে টেস্টের জন্য অতিরিক্ত টাকা নেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) বিকালে বিয়ানীবাজারে ‘দ্যা রয়েল ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক ঞ কনসালটেশন সেন্টার’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় সম্মানিত অতিথিরা ফিতা কেটে এই প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী আরও বলেন, এসব ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বিভিন্ন মেয়াদের প্রশিক্ষণ শেষে বেকার তরুণ ও যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ হচ্ছে। এটি একটি ভালো দিক।
এছাড়া মফস্বলে চিকিৎসাসেবা ঠিকমতো দিলে জেলা বা বিভাগীয় শহরের হাসপাতালগুলোতে চাপ অনেকটাই কমবে। তাই মফস্বলের চিকিৎসা-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সততার সঙ্গে কার্যক্রম চালাতে হবে।
প্রবীণ চিকিৎসক মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিয়ানীবাজার উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আহমদ রেজা ও পৌর বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান রুমেল।
এছাড়া অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন।
» ৩ দফা দাবিতে সিলেটে অটোরিকশা মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের মানববন্ধন
Published: ১৮. অক্টো. ২০২৬ | রবিবার
মানববন্ধনে দাবি বাস্তবায়নে আশ্বাস প্রদান সিসিক প্রশাসকের
নিউজ ডেস্কঃ
পুলিশি হয়রানি বন্ধ, পর্যাপ্ত স্থায়ী পার্কিংয়ের ব্যবস্থা এবং সরকারি ডিউটির নামে গাড়ি আটক বাণিজ্য বন্ধের ৩ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সিলেটে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে ঐতিহ্যবাহী সিলেট কোর্ট পয়েন্টের সামনে ‘সিলেট জেলা সি.এন.জি চালিত অটোরিকশা মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ’-এর উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধন চলাকালে উপস্থিত থেকে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, এখন শারদীয় দুর্গাপূজা চলমান।
তাই এই দুর্গাপূজা শেষে প্রশাসন সহ সকলকে নিয়ে আলোচনায় বসে শ্রমিকদের যৌক্তিক ৩ দফা দাবির সঠিক সমাধান করা হবে বল তিনি সকলকে আশ্বস্ত করেন।
সিলেট জেলা সি.এন.জি চালিত অটোরিকশা মালিক সমিতির সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে ও ৭০৭ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মহানগর উপ কমিটির সহ সভাপতি এম বরকত আলীর পরিচালনায় মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সড়ক পরিবহণ সিলেট বিভাগীয় কমিটির সভাপতি ও ১৪১৮ এর সভাপতি হাজী মঈনুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ফেডারেশন কেন্দ্রীয় কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক ও ৭০৭ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. জাকারিয়া আহমদ, ১৪১৮ এর ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর রাজন, ৭০৭ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আজাদ মিয়া, ২০৯৭ এর সিলেট জেলা সভাপতি মতচ্ছির আলী, কার্যকরি সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, ৭০৭ কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরি সভাপতি সুন্দর আলী খান, যুগ্ম সম্পাদক শাহাব উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল আহমদ, ২০৯৭ সহ সভাপতি শাহানুর মিয়া, সাংগঠনিক আবুল হোসেন, সিএনজি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জালাল আহমদ, কার্যকরি কমিটির সভাপতি জামিল আহমদ লিটন, ৭০৭ এর প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, কাওসার আহমদ, আব্দুল মন্নান, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ২০৯৭ এর রাইমুল ইসলাম, ৭০৭ এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রাজা আহমদ রাজা, জমির আলী, মুহিবুর রহমান এপল, লিটন আহমদ, সুজন মিয়া, আব্দুল জলিল, রফিক মিয়া, রফিকুল ইসলাম রফিক, ৭০৭ এর বিভিন্ন উপ পরিষদের নেতৃবৃন্দ মুক্তিযোদ্ধা উপ কমিটির সভাপতি আলী আহমদ, কার্যকরি সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক রাসেল আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক জগলু আহমদ, নেছার আহমদ, আলী হোসেন, শাহী ঈদগাহ ্উপ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক আনামত হোসেন ফগু, তামাবিল শাখার সভাপতি আব্দুস সালাম। এছাড়াও ৭০৭, ২০৯৭, মালিক সমিতি, শ্রমিক সমিতি সহ অসংখ্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, “সিলেট মেট্রোপলিটন এলাকা ও জেলাজুড়ে ট্রাফিক ও থানা পুলিশ সি.এন.জি চালিত অটোরিকশা চালক ও মালিকদের ওপর চরম হয়রানি চালাচ্ছে।
কোন স্থায়ী পার্কিংয়ের ব্যবস্থা না করেই ‘রং পার্কিং’-এর অজুহাতে ৫ হাজার টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত অঙ্কের জরিমানার মামলা দেওয়া হচ্ছে এবং গাড়ি রেকার করে মোটা অঙ্কের বাণিজ্য করা হচ্ছে।
বক্তারা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বলেন, শহরের বুক চিরে ভুয়া নম্বর প্লেটধারী অবৈধ সি.এন.জি, ব্যাটারিচালিত রিকশা, ইজিবাইক ও টমটম অবাধে চলাচল করলেও ট্রাফিক পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
অথচ বৈধ কাগজপত্র ও নিবন্ধিত অটোরিকশাগুলোর ওপরই সব অন্যায়-আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে।
নয়া সড়ক, চৌহাট্টায় উইমেন্স মেডিকেল কলেজের সামন আলিয়া প্লাজার সামনে চালকদের দীর্ঘদিনের পার্কিং স্থানটি উচ্ছেদ করায় চালকরা বর্তমানে চরম মানবিক ও আর্থিক সংকটে পড়েছেন।
সমাবেশ থেকে অটোরিকশা নেতাদের ঘোষিত ৩ দফা দাবি হলো;
১. ট্রাফিক ও থানা পুলিশের অন্যায্য হয়রানি, অতিরিক্ত জরিমানার মামলা ও রেকার বাণিজ্য অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
২. অটোরিকশার সংখ্যার দিক বিবেচনা করে পর্যাপ্ত স্থায়ী পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে এবং পার্কিং স্পেস নিশ্চিত না করা পর্যন্ত মামলা দেওয়া বন্ধ রাখতে হবে।
৩. সরকারি ডিউটির নামে অটোরিকশা আটকে রেখে বাণিজ্য বন্ধ করতে হবে; প্রয়োজনে ডিউটিতে নেওয়া গাড়ির জ্বালানি ও চালকের খোরাকি ভাতা দিতে হবে।
» বিভিন্ন পূজা মন্ডব পরিদর্শন করল বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দ
Published: ১৮. অক্টো. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিভিন্ন পূজামন্ডব পরিদর্শন করেছেন, বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের (বিএমবিএফ) সিলেট বিভাগ, জেলা ও মহানগর শাখার নেতৃবৃন্দ।
রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে নগরীর বিভিন্ন দুর্গোৎসব মন্ডব পরিদর্শন করেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের সিলেট বিভাগীয় সভাপতি ও জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আতাউর রহমানের নেতৃত্বে পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট বিভাগীয় সিনিয়র সহ-সভাপতি ও জাতীয় সদর দপ্তরের সমাজকল্যাণ সম্পাদক আলহাজ্ব মনসুর আহমদ লস্কর, সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় সদর দপ্তরের সিনিয়র সহকারী মহাসচিব মনোরঞ্জন তালুকদার, সিলেট বিভাগীয় সহ-সভাপতি মোসলেহ উদ্দিন, শ্যামল চৌধুরী ও যুগ্ম সম্পাদক মো. খালেদ মিয়া প্রমুখ।
পরিদর্শন শেষে নেতৃবৃন্দ রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজ স্বামী চন্দ্রনাথ নান্দজী মহারাজের সাথে আইনশৃঙ্খলা সহ বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন।
পরিদর্শনকালে নেতৃবৃন্দ পূজামন্ডবের সার্বিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনে আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান।
» বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি-সম্পাদক সহ নেতৃবৃন্দ
Published: ১৮. অক্টো. ২০২৬ | রবিবার
» ওসমানীনগরে পুজা মন্ডপে পররাস্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ূন কবিরের শুভেচ্ছা উপহার বিতরন
Published: ১৮. অক্টো. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের ওসমানীনগরের সব পুজা মন্ডপে পররাস্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ূন কবিরের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করা হয়েছে।
শনিবার ও রোববার (১৭ ও ১৮ অক্টোবর) দিনভর প্রতিটি ইউনিয়নের পুজা মন্ডপে গিয়ে প্রতিমন্ত্রীর পক্ষে একটি প্রতিনিধি দল এ উপহার পৌছে দেন।
এ সময় প্রতিমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ওসমানীনগর উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় শুভেচ্ছা জানানো হয়।
রাস্ট্রীয় কাজে বর্তমানে আজারবাইজান, ইরাক ও আলজেরিয়া সফর করছেন পররাস্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ূন কবির।
এজন্য তার পক্ষে রাজনৈতিক বিশেষ সহকারী শামীম আহমদ চৌধুরী উপহার সামগ্রী হস্তান্তর করেন এবং শুভেচ্ছা বার্তা পৌছে দেন।
ওসমানীনগরে অনুদান বিতরনের সময় উপস্থিত ছিলেন, বালাগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও সিলেট জেলা বিএনপির উপদেষ্টা আব্দাল মিয়া, জেলা বিএনপির সহ সভাপতি ফখরুল ইসলাম ফারুক, তাজপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক ইমরান রব্বানী, দয়ামীর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি নুনু মিয়া, ওসমানীনগর উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান গয়াছ মিয়া, সিলেট জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ন সাধারন সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ সহ ওসমানী নগর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
» গ্যাস, বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানে পদক্ষেপ সম্বলিত দক্ষিণ সুরমা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের লিফলেট বিতরণ
Published: ১৮. অক্টো. ২০২৬ | রবিবার
দক্ষিণ সুরমা প্রতিনিধিঃ
দক্ষিণ সুরমা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে গ্যাস, বিদ্যুৎ সহ বিভিন্ন সংকট মোকাবিলায় তাৎক্ষণিক সরকারের উদ্যোগ এবং উন্নয়ন কর্মকান্ডের তথ্য সম্বলিত লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে রেলগেইট থেকে শুরু করে বাবনা পয়েন্ট গিয়ে লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম শেষ হয়।
লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পূর্ব সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আব্দুল মালিক মল্লিক।
উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. নুরুল আমিনের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল হাসান জুয়েল।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী, সদস্য আব্দুল আমিন, নুরুল ইসলাম রুহুল, প্রভাষক মকসুদ আলম, মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক শাহাদাত খান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইমন আহমদ, সদস্য আব্দুল মুকিত মুকুল, শাহেদ আহমদ, এনামুল হক জেলা ছাত্রদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়া চৌধুরী লাভলু, জামিল আহমদ, এলাইছ মিয়া, জয়নাল আবেদীন, সাজু আহমদ প্রমুখ।
» সিলেট জেলা বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক উপ-কমিটির প্রতিবাদ সভা
Published: ১৮. অক্টো. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
ঢাকা দক্ষিণ ও বাদেশ্বর রোডের গাড়ি পারমিট পাস ছাড়া অবৈধভাবে মৌলভীবাজার রোডে চলাচল করার প্রতিবাদে প্রতিবাদ সভা করেছে সিলেট জেলা বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক উপ-কমিটি।
রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর বাস টার্মিনাল অফিস কক্ষের হলরুমে এ প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়।
সিলেট-জকিগঞ্জ বাস শ্রমিক উপ-কমিটির সভাপতি মুহিত মিয়ার সভাপতিত্বে ও তামাবিল উপ-কমিটির পরিচালক রিয়াজ হাজির পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, সিলেট জেলা বাস মালিক সমিতির সভাপতি নাজিম লস্কর, জকিগঞ্জের বাস মালিকের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম, জেলা বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ আহমদ, হবিগঞ্জের সহ-সভাপতি হেলাল আহমদ, জেলার সহ-সভাপতি আবুল হাছান জোহান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারেক আহমদ, সিলেট-ফেঞ্চুগঞ্জ-কুলাউড়া বাস মালিক সমিতির সভাপতি রিহাদ আহমদ, সহ-সম্পাদক সিরাজ উদ্দিন, সিলেট-কুলাউড়া বাস মালিক সমিতির সদস্য ফজিল মিয়া, রিপন আহমদ, জকিগঞ্জ মিনিবাস উপ-কমিটির সভাপতি হেলাল আহমদ, জগন্নাথপুর উপ-কমিটির সম্পাদক ইরন মিয়া, ঢাকা আন্তঃজেলা রোড উপ-কমিটির ইব্রাহিম, সম্পাদক তমুজ, ঢাকা মিতালী সম্পাদক ধনু মিয়া, সাবেক সভাপতি রিয়াজ মিয়া, ঢাকা দক্ষিণ রোড পরিচালনা কমিটির মানিক মিয়া, হারিছ মিয়া এবং সিলেট কেন্দ্রীয় কুলাউড়া রোড উপ-কমিটির নেতৃবৃন্দ।
প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, নির্ধারিত রুট পারমিট ব্যতিরেকে এক রোডের গাড়ি অন্য রোডে অবৈধভাবে চলাচল করায় নিয়ম মেনে পরিচালিত পরিবহন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং সড়কে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে।
অনতিবিলম্বে এই অবৈধ চলাচল বন্ধ না করা হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি ব্যক্ত করেন নেতৃবৃন্দ।
» নানা আয়োজনে প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর পরিবেশে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের আনন্দঘন ফ্যামিলি ডে উদযাপন
Published: ১৮. অক্টো. ২০২৬ | রবিবার
‘সময় এখন অনলাইন গণমাধ্যমের’ : মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী
নিউজ ডেস্কঃ
নানা আয়োজনে প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর পরিবেশে “সাংবাদিকতার ব্যস্ততার মাঝে পরিবার হোক আনন্দের ঠিকানা-একসঙ্গে আমরা, এক পরিবার” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাব ফ্যামিলি ডে ২০২৬ উদযাপন করেছে।
সাংবাদিকতার ব্যস্ততা ও কর্মময় জীবনের মাঝে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ব ও পারিবারিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাব আয়োজন করে এ আনন্দঘন “ফ্যামিলি ডে”।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এমপি।
অনলাইন গণমাধ্যম সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মন্তব্য করে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এমপি বলেন, সাংবাদিকরা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সংবাদের পেছনে ছুটে বেড়ান।
শত ব্যস্ততার মধ্যেও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আনন্দময় সময় কাটানোর সুযোগ তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের ফ্যামিলি ডে আয়োজন সাংবাদিকদের কর্মব্যস্ত জীবনে নতুন উদ্দীপনা জোগাবে। আশাকরি এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরো বলেন, সময় এখন অনলাইনের। অনলাইন গণমাধ্যম সবার আগে খবর প্রচার ও প্রকাশ করে।
শনিবার সকালে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের ফ্যামিলি ডে অনুষ্ঠানের যাত্রালগ্নে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাব সব সময় সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ তুলে ধরার চেষ্টা করে।
তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লবের ফলে এখন অনলাইনের যুগ। সব কিছু এখন অনলাইন নির্ভর। তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লবের ফলে অনলাইন সাংবাদিকতার গুরুত্ব অনেক বেশি।
দ্রুত সংবাদ প্রকাশের পাশাপাশি সত্য ও নির্ভরযোগ্য তথ্য তুলে ধরাও জরুরি।
প্রতি বছরের মতো এবারও সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সদস্যরা তাঁদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তাঁর নির্বাচনী এলাকা জাফলং ও জৈন্তাপুর ভ্রমণে যাচ্ছেন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, অনলাইন প্রেসক্লাবের সদস্যদের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ার ইচ্ছা আমারও রয়েছে। সময় করে একদিন অনলাইন প্রেসক্লাবের সদস্যদের সঙ্গে আনন্দময় সময় কাটানোর চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।
সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ গোলজার আহমদ হেলালের সভাপতি সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম. সাইফুর রহমান তালুকদার।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের সভাপতি আব্দুর রহমান রিপন, জেলা কর আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি সিরাজুল হোসেন আলমগীর, কেমুসাসের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মাহমুদ রাজা চৌধুরী, এসিড সন্ত্রাস নির্মুল কমিটির সাধারণ সম্পাদক জুরেজ আব্দুল্লাহ গুলজার।
এসময় সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি জহিরুল ইসলাম মিশু, কোষাধ্যক্ষ শহিদুর রহমান জুয়েল, তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক কামরুল আলম, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সম্পাদক তারেক আহমদ খান, সাবেক ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সম্পাদক মো. কামাল আহমদ, দপ্তর সম্পাদক দেলওয়ার হোসেন মান্না, কার্যকরী পরিষদ সদস্য সাদিকুর রহমান চৌধুরী সহ প্রেসক্লাবের সাধারণ ও সহযোগী সদস্যবৃন্দ ও সাংবাদিকদের পরিবারের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের ফ্যামেলি ডে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে জৈন্তাহিল রিসোর্টে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ বেসরকারি হসপিটাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার এ্যাসোসিয়েশন সিলেট জেলা শাখার সভাপতি ডা. নুরুল হাসান সিদ্দিকী ও যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ মো. তাহমীম সোবহান বাবু।এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন, জৈন্তাপুর অনলাইন প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ইমাম উদ্দিন, গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাব ও জৈন্তাপুর অনলাইন প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ সহ স্থানীয় অন্যান্য সংবাদকর্মীগণ।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপার লীলাভূমি,অপরূপ সৌন্দর্যের আধার জাফলং ও জৈন্তাপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হলো সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের বার্ষিক ‘ফ্যামিলি ডে-২০২৬।
বাংলাদেশ লাস্ট হাউস জৈন্তিয়া হিল রিসোর্টে দিনব্যাপী আনন্দভ্রমণ, প্রকৃতির রূপ সৌন্দর্য অবলোকন,আনন্দ ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, মধ্যাহ্নভোজ, উপহার ও পুরস্কার বিতরণ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রেসক্লাবের সদস্য ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা দিনটি উপভোগ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের এই ফ্যামিলি ডে সাংবাদিকদের কর্মজীবনে নতুন উদ্দীপনা জোগাবে।
পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ আরো বাড়বে।তিনি প্রতি বছর এ ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজনের তাগিদ দেন।
দিনব্যাপী এই আয়োজনে শিশু, নারী ও ক্লাবের সদস্যদের জন্য অনুষ্ঠিত হয় বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, যার মধ্যে হাড়ি ভাঙাসহ নানা বিনোদনমূলক ইভেন্ট অন্তর্ভুক্ত ছিল।
অনুষ্ঠানে বিজয়ী প্রতিযোগী ও ক্লাব সদস্য ও তাঁদের পরিবার ও সন্তানদের হাতে সম্মাননা ও পুরষ্কার তুলে দেন, অতিথিবৃন্দ।
কর্মব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি দূর করে এমন আনন্দঘন আয়োজনে অংশ নিতে পেরে উচ্ছাাস প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা।


