শিরোনামঃ-

» জলাতঙ্ক থেকে সুরক্ষা পাবেন নগরবাসী; সিলেটে ৩৭২৩ কুকুর পেল জলাতঙ্কের প্রতিষেধক

Published: ০১. নভে. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ

বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রবে সিলেট নগরীর মানুষের স্বাভাবিক চলাফেরা একসময় ছিল আতঙ্ক ও উদ্বেগের বিষয়।

বিশেষ করে কাকডাকা ভোরে কিংবা রাতে রাস্তাঘাটে যাতায়াতকারী পথচারী এবং বিদ্যালয়গামী কোমলমতি শিক্ষার্থীরা প্রায়ই পড়ত চরম ভোগান্তিতে।

সমস্যা সমাধানে নগরবাসীর অনেকেই সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর কাছে সরাসরি প্রতিকার চেয়ে আবেদন জানান।

তবে বিদ্যমান ‘প্রাণী কল্যাণ আইন’ অনুযায়ী কুকুর নিধন বা কোনো প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। রয়েছে উচ্চ আদালতের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞাও।

তাই কেবল জনদুর্ভোগ নয়, প্রাণিসম্পদের সুরক্ষা ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই একটি সময়োপযোগী বিকল্প বেছে নেয় নগর কর্তৃপক্ষ।

কুকুর নিধনের পরিবর্তে নগরবাসীকে জলাতঙ্কের হাত থেকে সম্পূর্ণ নিরাপদ রাখতে মাস ডগ ভ্যাকসিনেশন (MDV) কর্মসূচির মাধ্যমে ব্যাপক টিকাদান অভিযান সম্পন্ন করেছে সিসিক।

সিসিক ও সিলেট জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই বিস্তৃত কার্যক্রম ১২ অক্টোবর উদ্বোধন করেন, সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

উদ্বোধনের পর থেকে নগরীর ৪২টি ওয়ার্ডজুড়ে ধাপে ধাপে পরিচালিত এ অভিযানে ৩ হাজার ৭২৩টি বেওয়ারিশ ও মালিকানাধীন কুকুরকে জলাতঙ্কের টিকাদান করা হয়। টিকাদানের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ হাজার।

বিশেষ চিহ্নিতকরণ ও সচেতনতা: টিকাদান কার্যক্রম শেষে প্রতিটি কুকুরকে গোলাপি রং দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সিসিক সূত্র জানায়, এর মূল উদ্দেশ্য হলো, কোন এলাকা বা কুকুর যাতে টিকাদানের আওতার বাইরে থেকে না যায়, তা সহজে শনাক্ত করা এবং ভবিষ্যতের স্বাস্থ্য কার্যক্রমেও এ পরিসংখ্যান কাজে লাগানো।

এ বিষয়ে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “নগরীর যেখানে-সেখানে উচ্ছিষ্ট বা পরিত্যক্ত খাবার ফেলা রাখা হয়, বিশেষ করে বর্জ্য অপসারণের ঠিক আগের মুহূর্তে খাবারের খোঁজে সেখানে বেওয়ারিশ কুকুরের আনাগোনা বেশি দেখা যায়। বাসাবাড়ি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশপাশেও তাঁদের বিচরণ লক্ষ করা যায়।

এসব বিষয় মাথায় রেখেই জনস্বার্থ ও নাগরিক নিরাপত্তার সুবিধার্থে আমরা গণ-টিকাদানের এই বিশেষ উদ্যোগ নিই।

কুকুর নিধন কোন সমাধান নয়; বরং টিকাদানের মাধ্যমে সংক্রমণ দূর করে নগরবাসীকে নিরাপদ রাখাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”

তিনি আরও যোগ করেন, “কোন টিকাপ্রাপ্ত কুকুর যদি কাউকে কামড়ায় বা আঁচড় দেয়, তাহলেও আতঙ্কিত না হয়ে বাড়তি সতর্কতা হিসেবে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতাল বা অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সিটি কর্পোরেশন সর্বদা তৎপর রয়েছে এবং এতে নগরবাসীর সচেতনতা ও সহযোগিতা একান্ত কাম্য।”

সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, “জলাতঙ্কসহ বিভিন্ন রোগ থেকে নগরবাসীকে সুরক্ষা দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। সেই দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে কুকুরের টিকাদান কর্মসূচি ছিল অত্যন্ত সময়োপযোগী।

এই উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হওয়ায় সিলেট নগরবাসীর জলাতঙ্কের ঝুঁকি বহুলাংশে হ্রাস পাবে।”

প্রকৃতি ও প্রাণীর ভারসাম্য বজায় রেখে নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিতের এই উদ্ভাবনী উদ্যোগ সিলেট নগরীতে ইতোমধ্যেই সাধারণ মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

» ফুটপাত দখলমুক্ত করতে মাঠে সিসিক প্রশাসক সড়ক-ফুটপাতে পসরা নিয়ে বসা যাবে না

Published: ০১. নভে. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট নগরীর ফুটপাত দখলমুক্ত করে পথচারীদের চলাচল নির্বিঘ্ন এবং যানজট নিরসনে মাঠে নেমেছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীর আম্বরখানা এলাকায় ফুটপাত ও সড়ক দখল করে ব্যবসা পরিচালনাকারীদের বুঝিয়ে সেখান থেকে সরিয়ে দেন তিনি।

অভিযানকালে সিসিক প্রশাসক বলেন, ফুটপাত মানুষের চলাচলের জন্য, আর সড়ক যানবাহন চলাচলের জন্য।

ফুটপাত বা সড়কে পণ্য নিয়ে বসার কারণে পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটে এবং নগরীতে যানজটের সৃষ্টি হয়। তাই কোন অবস্থাতেই ফুটপাত বা সড়ক দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করা যাবে না।

তিনি বলেন, নগরভবনের পেছনে হকার মার্কেটে ব্যবসা পরিচালনার জন্য নির্ধারিত স্থান রয়েছে।

হকাররা সেখানে বসে ব্যবসা করতে পারবেন। তবে কোনভাবেই সড়ক বা ফুটপাতে বসে যানবাহন ও পথচারী চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না।

সিসিক প্রশাসক আরও বলেন, নগরবাসীর নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা সিটি করপোরেশনের অন্যতম দায়িত্ব।

নগরকে যানজটমুক্ত ও শৃঙ্খলাপূর্ণ রাখতে ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত রাখার বিষয়ে সিটি করপোরেশন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। এ ক্ষেত্রে ব্যবসায়ী, হকার ও নগরবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “আমরা প্রথমে ফুটপাত ও রাস্তায় বসা হকারদের সরে যাওয়ার অনুরোধ করছি।

সে অনুযায়ী মাঠে নেমে তাদের সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এরপরও কেউ যদি আবার ফুটপাত বা রাস্তায় পসরা নিয়ে বসেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তিনি বলেন, নগরবাসীর স্বার্থে সড়ক ও ফুটপাতের স্বাভাবিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

অভিযানকালে সিসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

» কালী পূজা উপলক্ষে পটকা বর্জন ও বিক্রি বন্ধের দাবিতে সিসিক প্রশাসককে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের স্মারকলিপি

Published: ০১. নভে. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ

আসন্ন কালী পূজা উপলক্ষে সিলেট সিটি করপোরেশন এলাকায় বিপজ্জনক বিস্ফোরক পটকা বর্জন, ক্রয়-বিক্রি বন্ধ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ূম চৌধুরী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট সিলেট জেলা ও মহানগর।

রোববার (১ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় সংগঠনটির জেলা ও মহানগর শাখার নেতৃবৃন্দ সিসিক প্রশাসকের হাতে এ স্মারকলিপি তুলে দেন।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, আগামী ০৮ নভেম্বর রবিবার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কালী পূজা অনুষ্ঠিত হবে।

পূজা উপলক্ষে সিলেট মহানগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে বিশেষ করে মহাজনপট্টি ও বন্দরবাজার এলাকায় প্রকাশ্যে ক্ষতিকর বিস্ফোরক পটকা বিক্রি করা হয়, যা অতি সহজে সর্বসাধারণের হাতে পৌঁছে যায় এবং জনজীবনে বিরক্তি ও নিরাপত্তার হুমকি সৃষ্টি করে।

এ লক্ষ্যে সিসিক প্রশাসকের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সাথে নিয়ে মহাজনপট্টি, বন্দরবাজার সহ নগরীর বিভিন্ন স্থানে নিষিদ্ধ ও বিপজ্জনক পটকা বিক্রির বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানানো হয়।

স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট সিলেট মহানগর শাখার আহ্বায়ক অর্জুন ঘোষ, সদস্য সচিব উজ্জ্বল রঞ্জন চন্দ, যুগ্ম আহ্বায়ক দিলীপ কুমার চন্দ, সিলেট জেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অর্পণ ঘোষ, জালালাবাদ থানার আহ্বায়ক বিদ্যুৎ রঞ্জন দাস, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বিশ্বজিৎ সরকার এবং সদস্য সচিব রাহুল সেন সৌরভ সহ জেলা ও মহানগর পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।

» আম্বরখানার যানজট নিরসনে মেগা প্রকল্পের উদ্যোগ সিউকের এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের আদলে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের প্রস্তাব

Published: ০১. নভে. ২০২৬ | রবিবার

মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নে যুক্ত হবেন সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট নগরীর অন্যতম ব্যস্ততম এলাকা আম্বরখানা। প্রতিদিন হাজারো মানুষের যাতায়াত, অসংখ্য যানবাহন চলাচল, ফুটপাত দখল এবং অপরিকল্পিত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় এলাকাটি এখন নগরবাসীর দুর্ভোগের অন্যতম কারণ।

দীর্ঘদিনের এই যানজট সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে এবার সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি মেগা প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক)।

শুধু সাময়িক যানজট নিয়ন্ত্রণ নয়, আম্বরখানাকে পরিকল্পিত, আধুনিক ও চলাচলবান্ধব এলাকায় রূপান্তরের লক্ষ্যে একটি বাস্তবসম্মত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের পথে এগোচ্ছে সংস্থাটি।

এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে রোববার সকালে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে সুধীজন, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে এক বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় আম্বরখানার যানজট নিরসনে সম্ভাব্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ফুটপাত দখলমুক্তকরণ, যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদা) রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, সিলেটকে একটি আধুনিক, আকর্ষণীয় ও দৃষ্টিনন্দন পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সিউক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আম্বরখানা পয়েন্ট সিলেটের যোগাযোগ ব্যবস্থার অন্যতম প্রাণকেন্দ্র।

এই এলাকার যানজট নিরসনে একটি টেকসই ও আধুনিক প্রকল্প গ্রহণের জন্য স্থাপত্য বিশেষজ্ঞ, ট্রাফিক বিভাগ ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সুনির্দিষ্ট মতামত এবং প্রস্তাবনার ভিত্তিতে একটি বাস্তবসম্মত মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করা হবে।

এ প্রকল্প সফল করতে ব্যবসায়ী, সুশীল সমাজ এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোর সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সভায় বিশেষভাবে আলোচনায় আসে যানজট নিরসনে চট্টগ্রামের লালখান বাজার থেকে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত নির্মিত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের আদলে সিলেট নগরে প্রকল্প গ্রহণের সম্ভাবতা প্রসঙ্গ।

সিউকের নির্বাহী পরিচালক (সিনিয়র সহকারী সচিব ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট) মো. সাদিউর রহিম জাদিদ তার বক্তব্যে বলেন, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে এ ধরনের মেগা প্রকল্প গ্রহণ করা সম্ভব কি না, তা বিবেচনা করা যেতে পারে।

এ বিষয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার প্রস্তাব দেন তিনি।

সভায় যানজট নিয়ন্ত্রণে বিকল্প কিছু প্রশাসনিক ও ব্যবস্থাপনাগত প্রস্তাবও উঠে এসেছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (ডিডি এলজি) মাহমুদা সুলতানা রাজধানী ঢাকার মতো সিলেট নগরীর মার্কেটগুলোর সাপ্তাহিক ছুটির দিন সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেন।

তাঁর মতে, একদিন একটি মার্কেট বন্ধ এবং পরদিন অন্য একটি মার্কেট বন্ধ রাখার ব্যবস্থা চালু হলে ব্যবসায়িক কার্যক্রম সচলের সাথে সাথে নগরীর যানজট নিয়ন্ত্রণেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

অন্যদিকে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) গৌতম দেব যানবাহন চলাচলে সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তাঁর মতে, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, বাস ও রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি এসব যানবাহনের জন্য নির্দিষ্ট চলাচল এলাকা ও নিয়মনীতি কার্যকর করা জরুরি।

আর পরিকল্পিতভাবে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা গেলে নগরীর যানজট অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।

এ ক্ষেত্রে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।

সভায় জানানো হয়, এ বিষয় নিয়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, ট্রাফিক বিভাগ, ব্যবসায়ী সমিতি, পরিবহন সমিতি, মসজিদ কমিটি এবং এলাকার অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা করে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।

এই মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নে স্থপতি ও নগর পরিকল্পনাবিদ জেরিনা হোসাইনকে আহবায়ক করে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে দেয়া হয়েছে।

একই সাথে সরেজমিনে আম্বরখানা এলাকা পরিদর্শন করে বাস্তব পরিস্থিতি, যানবাহনের চাপ, সড়কের ব্যবহার এবং বিদ্যমান অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়ার কথাও সভায় জানানো হয়েছে।

পাশাপাশি সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৩-এর আলোকে পরিবেশ ও প্রতিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে পর্যটনবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

» সিলেটে সাবেক মেয়র কামরান হত্যাচেষ্টা মামলা থেকে ৭০ বিএনপি নেতাকর্মী খালাস

Published: ০১. নভে. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মরহুম বদরউদ্দিন আহমদ কামরানের ওপর বোমা হামলার অভিযোগে দায়ের করা মামলার সব আসামি খালাস পেয়েছেন।
রোববার (১ নভেম্বর) বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে করা মামলায় বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের ৭০ নেতা-কর্মীকে খালাস দেন, আদালত। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ১১ বছর পর মামলাটির বিচারিক কার্যক্রমের সমাপ্তি হলো।
সিলেটের জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৩৬/১৫ নম্বর মামলায় এ রায় ঘোষণা করেন।
এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মির্জা মো. ইয়াকুত হোসেন।
এর আগে একই ঘটনায় দায়ের করা মামলার দণ্ডবিধির ধারার অংশে ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর সব আসামিকে খালাস দেন সিলেটের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. আবদুল মোমেন।
ফলে সর্বশেষ বিস্ফোরক আইনের মামলায় রায়ের মধ্য দিয়ে এঘটনায় দায়ের করা দুই মামলাতেই সব আসামি খালাস পেলেন।
মামলার রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব আফছর খান, মহানগর যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি এমদাদুল হক স্বপন, সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ফারুক আহমদ, ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল করিম সাচ্চু, কবির আহমদ, জালালাবাদ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব মানিক মিয়া, স্বেচ্ছাসেব দল নেতা আকমল খান, জুনেদ আহমদ ও মুমিন আহমদ প্রমূখ।
মামলা থেকে খালাস পাওয়া উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন, সিলেট মহানগর যুবদলের সভাপতি মির্জা মো. সম্রাট হোসেন, মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মো. লোকমান, সাবেক সহ-সভাপতি চৌধুরী মো. সুহেল, বিমানবন্দর থানা বিএনপির সদস্যসচিব সৈয়দ সরওয়ার রেজা, সিলেট জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি শিহাব খান ও আব্দুল হাফিজ রানা।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ১ জানুয়ারি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার প্রতিবাদে সিলেট মহানগরের পাঠানটুলা এলাকায় মিছিল বের করেন যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা।
ওই মিছিল থেকে বদরউদ্দিন আহমদ কামরানের ওপর বোমা হামলার অভিযোগ এনে পুলিশ মামলাটি দায়ের করে।
জালালাবাদ থানা-পুলিশের করা মামলাটির অভিযোগপত্র দণ্ডবিধি ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে পৃথকভাবে দেওয়া হয়। দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে মামলাটির রায়ে সকল আসামীকে খালাস প্রদান করা হলো।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ১৪ জুন দিবাগত রাতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সাবেক মেয়র বদরউদ্দিন আহমদ কামরান।

» শহীদ জিলু আহমেদ দিলুর ৩য় মৃত্যুবার্ষিকীতে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের দোয়া মাহফিল

Published: ০১. নভে. ২০২৬ | রবিবার

গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

গোলাপগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শহীদ জিলু আহমেদ দিলুর ৩য় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১ নভেম্বর) বাদ আছর হযরত শাহজালাল (রহ.) দরগাহ মসজিদ প্রাঙ্গণে এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

মাহফিলে শহীদ জিলু আহমেদ দিলুর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

উক্ত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট জেলা যুবদলের সভাপতি মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ, সিলেট মহানগর যুবদলের সভাপতি মির্জা মো. সম্রাট হোসেন, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম টিপু, মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দিনার, মহানগর যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি এমদাদুল হক স্বপন, জেলা যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি কয়েস আহমদ সহ-সভাপতি মকসুদ করিম নোহেল, ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসরুর রাসেল, মহানগর যুবদলের ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাহসিন মেহেদি প্রিন্স, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুল বাশার হাবিব, মহানগর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হোসাইন আহমদ সহ জেলা ও মহানগর যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

» ব্যাটারিচালিত রিকশা-ইজিবাইক বিধিমালার গেজেট প্রকাশ করায় সিলেটে মালিক-শ্রমিক ঐক্যজোটের আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ

Published: ০১. নভে. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ

দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পর সব সিটি করপোরেশন এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইককে রেজিস্ট্রেশন এবং রুট পারমিট প্রদানপূর্বক বৈধভাবে চলাচলের আইনি স্বীকৃতি দিয়ে ‘বিধিমালা-২০২৬’ গেজেট আকারে প্রকাশ করায় আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ব্যাটারিচালিত রিকশা-ইজিবাইক মালিক শ্রমিক ঐক্যজোট সিলেট।

রোববার (১ নভেম্বর) সকাল ১১টায় সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে একটি বিশাল আনন্দ মিছিল বের করা হয়।

মিছিলটি নগরীর প্রধান প্রধান গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কোর্ট পয়েন্টে গিয়ে শেষ হয়। এতে সিলেটের হাজার হাজার ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক মালিক এবং শ্রমিক স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আনন্দ মিছিল শুরুর আগে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এবং শেষে কোর্ট পয়েন্টে সংক্ষিপ্ত সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উভয় সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, সংগঠনের সভাপতি ও শ্রমিক নেতা অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন সুমন এবং সঞ্চালনা করেন যুগ্ম সদস্য সচিব মাশরুখ জলিল।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন।

বিশেষ অতিথির রাখেন সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) সিলেট জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক খায়রুল হাছান, সদস্য সচিব বুরহান উদ্দিন ভান্ডারী।

এছাড়াও সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যুগ্ম সদস্য সচিব রায়হান আহমেদ, আবদুল জলিল, ধানিছ মিয়া, রাজু কান্তি দাশ, আজিজ আহমেদ, সবুজ আহমেদ, মর্তুজা আলী, তাহের হোসেন, জুবায়ের আহমেদ, খায়রুল ইসলাম, আজিবর রহমান ও তাজুল ইসলামসহ সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশে বক্তারা দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের পর শ্রমিকের দাবি মেনে নিয়ে আইনি স্বীকৃতি দেওয়ায় বর্তমান সরকারকে আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানান।

বক্তারা বলেন, দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে চলা লাগাতার আন্দোলন, হাজার হাজার শ্রমিকের জেল-জুলুম, নির্যাতন ও আত্মত্যাগের ফসল এই বিধিমালা। এই খাতের সাথে সরাসরি প্রায় ৫০ লাখ মানুষের জীবন-জীবিকা জড়িত। তাই আইনটিকে পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর করতে কিছু দফা-উপদফা সংশোধন করে আরও শ্রমিকবান্ধব করা জরুরি।

সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন সুমন বলেন, বিধিমালা-২০২৬ গেজেট আকারে প্রকাশের মাধ্যমে এদেশের মেহনতি অটোরিকশা শ্রমিকদের ঐতিহাসিক বিজয় সূচিত হয়েছে।

এখন অবিলম্বে রুট পারমিট ও লাইসেন্স প্রদান করে এ খাতকে সুশৃঙ্খল করতে হবে।

ব্যাটারিচালিত রিকশার লাইসেন্স সিটি কর্পোরেশনের বদলে বিআরটিএ থেকে প্রদান করা হলে তা অধিক শ্রমিকবান্ধব হবে।

তিনি আরও বলেন, ঘোষিত বিধিমালাকে আরও শ্রমিকবান্ধব ও পরিমার্জিত করার দাবিতে আগামী ৯ নভেম্বর সোমবার সিলেটের জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হবে।

» এইচএসসি উত্তীর্ণ কৃতী শিক্ষার্থীদের সিসিক প্রশাসকের অভিনন্দন

Published: ৩১. অক্টো. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতী শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি কৃতী শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে বলেন, এইচএসসি পরীক্ষায় সাফল্য শিক্ষার্থীদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন।

এ সাফল্যকে কাজে লাগিয়ে তাঁদের উচ্চশিক্ষায় মনোনিবেশ করতে হবে।

তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষার মাধ্যমে নিজেদের জ্ঞান, দক্ষতা ও যোগ্যতা আরও সমৃদ্ধ করে দেশ ও সমাজের কল্যাণে ভূমিকা রাখতে হবে।

শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে নিজেদের যোগ্যতা ও মেধাকে কাজে লাগিয়ে সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলবে-এটাই প্রত্যাশা।

সিসিক প্রশাসক এইচএসসি উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থীর শিক্ষা ও কর্মজীবনের সাফল্য কামনা করেন।

» পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানির সুস্থতা কামনায় বিএনপি নেতা কামরুল হাসান চৌধুরী শাহিনের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল

Published: ৩১. অক্টো. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, মরহুমা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, মরহুম আরাফাত রহমান কোকার রুহের মাগফিরাত এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু ও পানিসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির সুস্থতা কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) হযরত শাহজালাল (রহ.) দরগাহ মসজিদ প্রাঙ্গণে সিলেট জেলা বিএনপির উপদেষ্টা ও সাবেক ছাত্রনেতা কামরুল হাসান চৌধুরী শাহিনের উদ্যোগে এ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেট আউটসোর্সিং কর্মচারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি মো. বিলাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. মজনু মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আহাদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুল হক, আখতারুজ্জামান চৌধুরী টিপু, রুবেল আহমদ, ফরিদ আহমদ, মুন্না আহমদ ও রবিন মিয়াসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নেতৃবৃন্দ।

দোয়া মাহফিলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়।

পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য ও সফলতা এবং পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

» এইচএসসিতে স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজের পাসের হার ৯৫.৩৩ শতাংশ

Published: ৩১. অক্টো. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ

২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজ ৯৫ দশমিক ৩৩ শতাংশ পাসের হার অর্জন করেছে।

এ বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৩০০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ২৮৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে একজন শিক্ষার্থী।

প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১০১ জন জিপিএ-৪ থেকে ৫-এর নিচে এবং ১৮৪ জন জিপিএ-৪-এর নিচে নম্বর পেয়েছে।

বিভাগভিত্তিক ফলাফলে বিজ্ঞান বিভাগের বাংলা ভার্সনে পাসের হার ৯৬ দশমিক ৫ শতাংশ, ইংরেজি ভার্সনে ৮৮ দশমিক ৫ শতাংশ, মানবিক বিভাগে ৯৫ শতাংশ এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৯৫ দশমিক ৫ শতাংশ।

এবারের ফলাফলে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, অনুত্তীর্ণ ১৪ জন শিক্ষার্থীর কেউই একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়নি।

এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের দুর্বলতার জায়গাগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে পরবর্তী পরীক্ষায় শতভাগ পাস নিশ্চিত করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক।

ফলাফল প্রকাশের পরপরই তিনি বিভাগীয় প্রধান ও বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকদের নিয়ে জরুরি পর্যালোচনা সভা করেন।

সভায় শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট পৃথকভাবে বিশ্লেষণ করে ফলাফলের দুর্বল দিকগুলো চিহ্নিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন অধ্যক্ষ।

কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক বলেন, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান, ধারাবাহিক মূল্যায়ন, বিশেষ ক্লাস, মডেল টেস্ট এবং অভিভাবকদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের মাধ্যমে বছরজুড়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ ফলাফল অর্জিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা এ ফলাফলে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নই। ফলাফলের বিস্তারিত পর্যালোচনা করে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতার মূল কারণগুলো চিহ্নিত করা হবে।

অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের বিশেষ প্রস্তুতির আওতায় এনে আগামী এক মাসের মধ্যে অনুষ্ঠেয় পরবর্তী পরীক্ষায় শতভাগ পাস নিশ্চিত করতে আমরা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাব, ইনশাআল্লাহ।

শিক্ষার মানোন্নয়নে কলেজের অঙ্গীকার তুলে ধরে অধ্যক্ষ বলেন, আমাদের লক্ষ্য শুধু পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া নয়; বরং শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটানো।

এবারের ফলাফল থেকে শিক্ষা নিয়ে দুর্বলতাগুলো কাটিয়ে উঠতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

তিনি ফলাফলে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান এবং তাঁদের উচ্চশিক্ষা ও ভবিষ্যৎ জীবনের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন।

একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের আরও ভালো ফলাফল অর্জনে শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।

» এইচএসসিতে সিলেট কমার্স কলেজ এবং সিলেট বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজের সাফল্য অর্জন

Published: ৩১. অক্টো. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ

২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে সাফল্য অর্জন করেছে সিলেটের দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

এর মধ্যে সিলেট কমার্স কলেজে পাসের হার ৭৫ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং সিলেট বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজে পাসের হার ৮৫ শতাংশ।

প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ মহিবুর রহমান বলেন, সারা দেশের সামগ্রিক ফলাফল আশানুরূপ না হলেও শিক্ষার মান উন্নয়নে সরকারের গৃহীত উদ্যোগকে স্বাগত জানান তিনি।

উচ্চশিক্ষার ভিত্তি মজবুত করতে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত কলেজে উপস্থিতি ও শ্রেণিকক্ষে পাঠ গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের কলেজে অনুপস্থিত থাকার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি, শিক্ষকদের নির্দেশনা অনুসরণ এবং ধারাবাহিক অধ্যয়নের গুরুত্ব উপলব্ধি করতে হবে।

শুধু পরীক্ষার আগে প্রস্তুতি নিলে ভালো ফলাফল সম্ভব নয়; বরং সারা বছর নিয়মিত পড়াশোনার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

অভিভাবকদের দায়িত্বের বিষয়ে তিনি বলেন, সন্তানদের নিয়মিত কলেজে পাঠানো এবং তাদের পড়াশোনার খোঁজখবর রাখা অভিভাবকদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত কলেজমুখী করতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

পাসের হার সাময়িকভাবে কমে গেলেও শিক্ষার প্রকৃত মান যেন ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন ও আন্তরিক হতে হবে।

মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের গৃহীত উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি মনে করেন।

প্রকাশিত ফলাফলে সিলেট বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজের সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জুয়েল মিয়া।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের এ অর্জনে আমরা গর্বিত। তাদের অধ্যবসায়, শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং অভিভাবকদের সহযোগিতা এ ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

নির্বাচনি পরীক্ষার পরও শিক্ষার্থীদের কলেজের সঙ্গে সম্পৃক্ত রেখে নিয়মিত পড়াশোনা ও একাডেমিক কার্যক্রমের আওতায় রাখার চেষ্টা করা হয়।

আমাদের লক্ষ্য শুধু পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন নয়, বরং শিক্ষার্থীদের প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলা।

অন্যদিকে, সিলেট কমার্স কলেজের ব্যবসায় শিক্ষা, বিজ্ঞান ও বিএমটি শাখায় সম্মিলিত পাসের হার ৭৫ দশমিক ২৫ শতাংশ।

সিলেট কমার্স কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল ওয়াদুদ এবং কলেজের শিক্ষক শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তাঁরা বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়ন, নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, শিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধান এবং শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আগামীতে আরও ভালো ফলাফল অর্জন সম্ভব।

» অংশীদারিত্বের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের সংকট নিরসন সম্ভব : অধ্যাপক শফিক

Published: ৩১. অক্টো. ২০২৬ | শনিবার

জেএসডির ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

নিউজ ডেস্কঃ
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি’র কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, সিলেট পৌরসভার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান, বর্ষিয়ান রাজনীতিবদি অধ্যাপক মোহাম্মদ শফিক বলেছেন, শুধু শাষক পরিবর্তন নয়, পুরানো শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তন করতে হবে।

তিনি মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় অংশীদারিত্বের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রাষ্ট্র পরিচালনায় শ্রমজীবী কর্মজীবী ও পেশাজীবীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জন্য জেএসডির আন্দোলন সংগ্রাম জোরদার করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকাল ৪টায় নগরীর হাওয়াপাড়াস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি সিলেট জেলা শাখার উদ্যোগে দলের ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি সিলেট জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সাংবাদিক চৌধুরী দেলওয়ার হোসেন জিলনের সভাপতিত্বে এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক জোট সিলেট জেলার সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেনের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, জেএসডি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য যুক্তরাজ্য প্রবাসী চৌধুরী শাহেদ কামাল টিটু, সিলেট জেলার সদস্য রিয়াজ উদ্দিন, জেএসডি নেতা আব্দুল আব্দুল গফ্ফার সুইট, মাসুক আহমদ প্রমুখ।

বক্তাগণ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধি, গ্যাস বিদ্যুৎ, জ্বালানি সংকট, আইনশৃংখলার অবনতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, শুধু শাষক বদল নয়, পুরনো শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তন অপরিহার্য।

সেজন্য দেশে ফেডারেল প্রদ্ধতির শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে হবে।

জাতীয় সংসদের উচ্চ কক্ষ গঠন, দেশে ৯টি প্রদেশ ও প্রাদেশিক সরকার গঠন এবং শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা, সম্বলিত অংশীদারিত্বের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই দেশ ও জাতির সংকট নিরসন সম্ভব।

বক্তারা বলেন, জাতীয় সংসদে রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি শ্রম, কর্ম পেশার জনগণ, নারী, ক্ষুদ্র গতিসত্তা ও অন্যান্য সামাজিক শক্তি সাংবিধানিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে।

দুই কক্ষ বিশিষ্ট সংসদের উচ্চ কক্ষে সমাজশক্তির অংশীদারিত্বের প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দিতে হবে।

কেন্দ্র থেকে জেলা, উপজেলা, পৌরসভা, মহানগর গঠন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও তদারকিতে পেশাজীবীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

Callender

November 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30