শিরোনামঃ-

» হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানসহ সনাতন ধর্মাবলম্বীদেরকে নিয়ে উন্মুক্ত মঞ্চের মতবিনিময় সভা

Published: ১০. ফেব্রু. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় সম্প্রীতিকে আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় নিয়ে ‘জাতীয়তাবাদী উন্মুক্ত মঞ্চ’ এর উদ্যোগে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ সকল সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিয়ে এক বিশাল মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত ৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার নগরীর একটি স্থানীয় কমিউনিটি হলে এই সভা সম্পন্ন হয়।

সভায় মধ্যমণি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সিলেট-১ আসনে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও চেয়ারপারসনের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিভিক ভয়েজ গ্লোবালের চেয়ারম্যান পাশা খন্দকার এমবিই।

সভায় খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির তার বক্তব্যে বলেন, সিলেট চিরকালই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পুণ্যভূমি।

হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, মণিপুরী ও খাসিয়া সহ সকল ধর্মাবলম্বীদের পূর্বপুরুষদের এই ভিটায় আমরা সবাই ভাই ভাই হিসেবে বাস করছি। আগামীতে এই বন্ধন আরও দৃঢ় করা হবে।

তিনি আরও আশ্বাস দেন যে, নির্বাচিত হলে সিলেটকে কৃষি ও শিল্পে বিপ্লব ঘটিয়ে বেকারত্ব দূর করার পাশাপাশি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কাজ করবেন।

প্রধান অতিথি হুমায়ুন কবির বলেন, সিলেটের সন্তান হিসেবে তারেক রহমানের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আমি সিলেটের জনগণের সুখ-দুঃখের সাথী হতে চাই।

প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মোস্তাফিজ খন্দকার পায়েল জানান, এটি এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই বিএনপিকে এগিয়ে নিতে একত্রিত হবে। বক্তারা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন ভোরেই দলে দলে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষকে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানান।

জুলাই গণআন্দোলনে নিহত পঙ্কজ কুমার কর-এর পিতা নিখিল চন্দ্র করের উপস্থিতি সভায় আবেগঘন পরিবেশ তৈরি করে।

আলতাফ চৌধুরী জুয়েল এবং কামরান জাকির হোসেনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত সভায় যৌথ সঞ্চালনা করেন, সাবেক ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ও কাজল ভট্টাচার্য।

সভায় সভাপতিত্ব করেন, জাতীয়তাবাদী উন্মুক্ত মঞ্চের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মোস্তাফিজ খন্দকার পায়েল।

পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত, গীতা পাঠ ও বাইবেল পাঠের মাধ্যমে শুরু হওয়া মতবিনিময় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট সিলেট জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য উজ্জ্বল রঞ্জন চন্দ, কানাডা বিএনপির সভাপতি আহাদ খন্দকার, যুক্তরাজ্য বিএনপি’র সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসিম হোসেন চৌধুরী, গীতা সংগঠনের সভাপতি রেবুল তালুকদার, সিলেট জেলা ট্রাক কাভার ভেন মালিক সমিতির সভাপতি ইফতেখার আহমেদ সোহেল, মাতৃভক্তি সমিতির সভাপতি সঞ্জয় সরকার, একতা সমিতির সভাপতি ক্লিপেশ রায়, জুলাই গণআন্দোলনে নিহত পঙ্কজ কুমার কর এর পিতা নিখিল চন্দ্র কর, প্রেস ক্রিটারিয়ান চার্চের ডিকন নিঝুম সাংমা, দুবাই থেকে আগত যুবদল নেতা মো. রাসেল, স্বেচ্ছাসেবক দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সাইফুর রহমান হারুন, ফিলিপ সমদ্দার, কামরুন নাহার চৌধুরী তিন্নি, সুদীপ সেন বাপ্পু, চন্দন ভৌমিক, সাবেক ছাত্রদল নেতা যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী মুস্তাফা কামাল পাশা মওদুদ, যুক্তরাজ্য বিএনপি’র সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমদ জিলানী, লন্ডন বিএনপি নেতা মিসবা উদ্দিন,  হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট সিলেট জেলার সদস্য বি পি দেব শুভ, মহানগর সদস্য নির্ঝর রায়, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আগত সাইফুর রহমান হারুন, ইংল্যান্ডের কালচেস্টার বিএনপির সভাপতি মিজবা উদ্দিন।

বক্তারা সকলে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করার জন্য কাজ করার অঙ্গীকার করেন এবং সবাইকে অনুরোধ জানান ১২ তারিখ সবাই যেন দলে দলে, ভোরে উঠেই ভোট কেন্দ্রে চলে যান।

বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব ও বিএনপির চেয়ারপারসনের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেন, যেহেতু তিনি সিলেটেরই সন্তান, তারেক রহমানের দেশ ও জাতির উন্নয়নের পরিকল্পনাকে সামনে রেখে সিলেটের জনগণের দুঃখ সুখের সাথী হতে চান এবং সিলেটের উন্নয়নে নিজেকে যথাযথভাবে সর্বোচ্চ সম্পৃক্ত করার আশাও ব্যক্ত করেন।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কাউন্সিলর দিবারানি দে বাবলি, মহানগর জমিয়তে ওলামা ইসলাম এর সহ-সাধারণ সম্পাদক মৌলানা ওয়ারিস উদ্দিন, ফখরুদ্দিন রাজি, সিলেট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি এডভোকেট আশিক উদ্দিন, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট সিলেট জেলার সদস্য সচিব কল্লোজ জ্যোতি বিশ্বাস জয়, যুগ্ন আহবায়ক এডভোকেট সুদীপ বৈদ্য, মলয় দা ধর, ঝলক আচার্য, নির্ঝর রায়, ১২নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক দেওয়ান জাকি, ১৮নং ওয়ার্ডের ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ আরিফ, ১৯নং ওয়ার্ডের তাতি দল আহবায়ক এনাম খান, ১৯নং ওয়ার্ডের সাবেক সহ-সভাপতি ছাত্রদল নেতা সুদীপ চৌধুরী কৃষ্ণ, যুক্তরাজ্য সিটি ক্লাবের সহ-সভাপতি সেলিম হোসেন, যুক্তরাজ্য বিএনপি নেতা আশরাফ গাজী, জেলা বিএনপি যুগ্ন সম্পাদক জসীমউদ্দীন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি জাকির হোসেন, সাবেক ছাত্রদের নেতা জাকির হোসেন কামরান, সাবেক ছাত্রদল নেতা শাহেদ আহমেদ, জাসাস এর ইউরোপের কোঅর্ডিনেটর ফয়সাল আহমেদ, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আকিরুল ইসলাম চৌধুরী জিলান, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুসাহিদুল ইসলাম মাহি, সিলেট ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বুলবুল হোসাইন, মো. শামীম খান সহ আরও অনেকেই।

» সিলেট-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী এমরান চৌধুরীর রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবরে অভিযোগ দাখিল

Published: ১০. ফেব্রু. ২০২৬ | মঙ্গলবার

কালো টাকার ছড়াছড়ি সহ নানা অভিযোগ-শঙ্কা সিলেট-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী এমরান চৌধুরীর

নিউজ ডেস্কঃ
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষ থেকে কালো টাকার ছড়াছড়ি, সংখ‍্যালঘু বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও বহিরাগতদের দিয়ে মহড়া দেওয়ানো সহ নানা অভিযোগ এবং আশঙ্কার বিষয় জানিয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন সিলেট-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী অ‍্যাডভোকেট এমরান আহমদ চ‍ৌধুরী।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তিনি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলমের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে এ অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
অভিযোগপত্রে এমরান আহমদ চৌধুরী উল্লেখ করেন, ‘সিলেট-৬ (গোলাপগঞ্জ- বিয়ানীবাজার) সংসদীয় আসনের মধ্যে বিয়ানীবাজার উপজেলা একটি প্রবাসী অধ্যুষিত জনবহুল এলাকা।
এতে পৌরসভা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন আছে। কিন্তু ইতোমধ্যে আমরা দেখতে পাচ্ছি, বহিরাগত ক্যাডার ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির অনেক লোক বিয়ানীবাজারের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান নিয়ে নির্বাচনের প্রচারণার বাহানায় সাধারণ ভোটারগণের মধ্যে ভয়ভীতি সৃষ্টি করে আইনশৃঙ্খলার অবনতি করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
আমরা এলাকার জনসাধারণ ও ভোটারদের মাধ্যমে আরো জানতে পেরেছি, বহিরাগত সন্ত্রাসীরা বিয়ানীবাজারের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র দখল এবং জাল ভোট প্রদানসহ ব্যালট বাক্স ছিনতাই করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত প্রতদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কর্মী-সমর্থক ও বাহিরাগতরা।
আমরা আরোও জানতে পেরেছি, বহিরাগতরা সাধারণ ভোটারদের বাসা-বাড়িতে গিয়ে এনআইডি কার্ড সংগ্রহ করে নগদ অর্থ প্রদানের মাধ্যমে ভোট কেনা-বেচাসহ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটারদের বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি প্রদান করছে।’
আবেদনপত্রে সিলেট-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী আরও উল্লেখ করেন- ‘এসব আশঙ্কা ও অভিযোগ আমরা ৪ ও ৫ ফেব্রুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে দাখিল করি এবং সর্বশেষ গত ৮ ফেব্রুয়ারি জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার বরাবরে আরেকটি অভিযগে দায়ের করি। কিন্তু দুঃখের বিষয়, এসব বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
ফলে বিয়ানীবাজার উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে সেনাবাহিনী মোতায়েন না করায় উদ্বেগ প্রকাশ করছি। বিষয়টি বিবেচনা করা একান্ত আবশ্যক।’
এ অভিযোগের অনুলিপি সিলেট আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এবং গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার সহকারী রিটানিং অফিসার বরাবরেও দাখিল করেছন এমরান আহমদ চৌধুরী।
এদিকে, সাক্ষাতকালে সিলেট-৬ আসনের বিএনপরি প্রার্থীকে সর্বপ্রকার নিরাপত্তা প্রদান ও সকল অপ্রীতিকর ঘটনা ঠেকানোর আশ্বাস প্রদান করেছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলম।

» ছাতকে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় ধানের শীষের পক্ষে ভাতগাঁও ইউপির ছাতারপই গ্রামে উঠান বৈঠক

Published: ১০. ফেব্রু. ২০২৬ | মঙ্গলবার

ছাতক সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার) আসনে ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণা প্রতিদিনই জোরদার হচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার গভীর রা‌তে ভাতগাঁও ইউনিয়নের ছাতারপই গ্রামের বিএনপি নেতা আব্দুল দয়াছ লন্ডনীর বাড়িতে অনুষ্ঠিত হয় নির্বাচনী উঠান বৈঠক।

স্থানীয় পর্যায়ের ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি ও উৎসাহ–উদ্দীপনায় জমে ওঠে এ বৈঠকটি।

উঠান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন, লন্ডন প্রবাসী হাজী আব্দুল গৌছ। অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে পরিচালনা করেন, বিএনপি নেতা ডা. ফজলু খান ও মো. ইউসুফ খান।

বৈঠকের প্রধান অতিথি ছিলেন, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আব্দুর রহমান।

প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন, কমিউনিটি নেতা ও সমাজসেবী আব্দুল দয়াছ লন্ডনী। তিনি প্রজেক্টরের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি, জিয়া ব্রিগেড সিলেট মহানগর ও সহ-সভাপতি ছাতক-দোয়ারা জাতীয়তাবাদী ফোরাম সিলেট আব্দুল মুক্তাদির আলমগীর, ভাতগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক এস এম ছমরু মিয়া, জাউয়াবাজার ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন, লন্ডন প্রবাসী আব্দুল ওয়াহিদ, আজির উদ্দিন, আক্তার হোসেন রাজু,ফ্রান্স যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল ইসলাম সায়েম, ঢাকা কবি নজরুল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কাজী নাজিম উদ্দীন পলাশ, সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রদলের শিক্ষার্থীনেতা সুনামে দেব, বিএনপি নেতা আবুল কাশেম খান কাজল, মো. ছায়াদ মিয়া, আমির আলী, আং জাহির, হোসেন আহমেদ, হাসনাত মিয়া প্রমুখ।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন, মো. জিলু মিয়া।

এছাড়া বক্তব্য দেন উপজেলা যুবদল নেতা অলিউর রহমান আলেক, খালেদ মাসুদ সুজন, রায়হান আবু, শেখ রেজওয়ানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

বৈঠকে বক্তারা বলেন, “যত বেশি ভোটে আমরা নির্বাচিত হবো, তত বেশি উন্নয়ন ছাতকে পৌঁছে দিতে পারবো।”

তারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে ছাতকের দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়ন বঞ্চনার শিকার। তাই আগামী নির্বাচনে ধানের শীষকে জয়ী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান বক্তারা।

প্রধান অতিথি আব্দুর রহমান বলেন, বিএনপির প্রার্থী নির্বাচিত হলে দক্ষিণ ছাতককে আলাদা উপজেলা হিসেবে গঠন করা হবে।

এতে প্রশাসনিক সুবিধা, উন্নয়ন বাজেট বৃদ্ধি এবং সেবার মান আরও ঘনিষ্ঠ পর্যায়ে পৌঁছাবে।

পাশাপাশি রাস্তাঘাট, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সার্বিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে।

প্রধান বক্তা আব্দুল দয়াছ লন্ডনী তার ভার্চুয়াল বক্তব্যে বলেন, আমরা প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। কারো ক্ষতি নয়-মানুষের কল্যাণে কাজ করাই হবে আমাদের মূল লক্ষ্য।

যে উন্নয়ন বঞ্চনার কথা দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ ছাতকের মানুষ বলে আসছে, তা দূর করতে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করবো। উঠান বৈঠককে ঘিরে পুরো ছাতারপই গ্রামে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।

শেষে আগত ভোটারদের ধন্যবাদ জানান আয়োজকরা এবং আগামী ১২ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

» জালালাবাদ গ্যাস অফিসে পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

Published: ১০. ফেব্রু. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ
পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেড-এর অফিসে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বাদ জোহর নগরীর মেন্দিবাগস্থ গ্যাস ভবনের দ্বিতীয় তলার নামাজ কক্ষে জালালাবাদ গ্যাস ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক পরিষদ (জেজিক্রীসাপ) এর উদ্যোগে এই মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন, জালালাবাদ গ্যাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আতিকুর রহমান।

এছাড়াও জালালাবাদ গ্যাস অফিসের মহাব্যবস্থাপকবৃন্দ, উপ-মহাব্যবস্থাপক, জালালাবাদ গ্যাস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়শন-এর নেতৃবৃন্দ, জালালাবাদ গ্যাস সিবিএ-এর নেতৃবৃন্দ, জালালাবাদ গ্যাস ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক পরিষদ এর নেতৃবৃন্দ সহ সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মিলাদ মাহফিলে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

» নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটিতে নব নিযুক্ত ডিনদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

Published: ১০. ফেব্রু. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ
নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (এনইইউবি)) এ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত তিনজন ডিনের আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব অর্পন উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, উপাচার্য প্রফেসর ড. ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ইকবাল।

নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (এনইইউবি)) এর শেখঘাট ক্যাম্পাসের কনফারেন্স রুমে নবনিযুক্ত তিনটি স্কুলের ডিনদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয়।

উপাচার্য ফুলের তোড়া দিয়ে তাঁদের শুভেচ্ছা জানান এবং বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান।

নবনিযুক্ত ডিনরা হচ্ছেন, স্কুল অব সায়েন্সের ডিন প্রফেসর ডা. রনজিত কুমার দে, স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির ডিন ড. আরিফ আহমদ ও স্কুল অব হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সের ডিন মোহাম্মদ শামসুল কবির।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, স্কুল অব বিজনেসের ডিন ও ব্যবসায় প্রশাসনের বিভাগীয় প্রধান রেবেকা সুলতানা চৌধুরী, এনইইউবি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সেক্রেটারি ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. লিয়াকত আলী শাহ ফরিদী, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার নূরজাহান কাকলী, অর্থ পরিচালক অশোক রঞ্জন চৌধুরী, লাইব্রেরিয়ান জিলুননাহার চৌধুরী, আইন ও বিচার বিভাগের ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান মাহমুদ উন নবী রূপক, ডেভেলাপমেন্ট স্টাডিজের ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান মোছা. সুইটি খাতুন, সিনিয়র সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সঞ্জয় নন্দী ও একাউন্টস অফিসার মো. আসলাম খান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য প্রফেসর ড. ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ইকবাল বলেন, শিক্ষার গুনগত মান উন্নয়নে আমরা বিশ্বাসী, কেননা আমাদের বিশ^বিদ্যালয়ের শ্লোগানই হচ্ছে, ‘এডুকেশন উইথ ইনোভেশন’।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, নবনিযুক্ত ডিনদের নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট স্কুল সমূহ আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও গবেষণায় বিশেষ অবদান রাখবে, একই সাথে এনইইউবি সাফল্যের শিখরে পৌঁছবে।

» সিলেট জেলা ও মহানগর জামায়াতের প্রেস ব্রিফিং

Published: ০৯. ফেব্রু. ২০২৬ | সোমবার

সিলেট-১ আসনে দাঁড়িপাল্লার গণজোয়ার দেখে প্রতিপক্ষ অপপ্রচারে মেতে উঠেছেন

নিউজ ডেস্কঃ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে দাঁড়িপাল্লার গণজোয়ার দেখে প্রতিদ্বন্দ্বি পক্ষ অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে জামায়াত। নিজেদের প্রার্থীর ৮৪০ কোটি টাকা ঋণের তথ্য আড়াল করতেই ১১ দলীয় জোট প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে ঋণের অপপ্রচারে মেতে উঠেছেন তারা।
প্রতিপক্ষ ভোটের মাঠে প্রভাব বিস্তার করতে একের পর এক আচরণবিধি লংঘন করে সিলেটের রাজনৈতিক সম্প্রীতি বিনষ্টে মেতে উঠেছে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টায় নগরীর ধোপাদিঘীরপারস্থ ইউনাইটেড কমিউনিটি সেন্টারে সিলেট-১ (মহানগর ও সদর) আসনে জামায়াত ও ১১ দলীয় জোট মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমানের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সিলেট মহানগর জামায়াত আমীর মো. ফখরুল ইসলাম উপরোক্ত কথা বলেন।

এসময় জামায়াত নেতৃবৃন্দ ছাড়াও ১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রেস ব্রিফিংয়ে সিলেটে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তব্য রাখেন ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, সিলেট মহানগরী আমীর ও মহানগর ১১ দলীয় জোটের সমন্বয়কারী মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, যদি ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে তাহলে ১১ দলীয় জোটের বিজয় হবে। এজন্য প্রতিপক্ষ বন্ধুগণ আবোলতাবোল বকছেন।

সাবেক সিটি মেয়র মরহুম বদর উদ্দিন আহমদ কামরান ও এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজের সাথে মাওলানা হাবিবুর রহমানের কোন পার্টনারশীপ ব্যবসা কোনদিন ছিলনা। এটি নিয়েও তারা অপপ্রচার করছে।
সিলেট-৩ আসনে জোটের প্রার্থী মাওলানা মুসলেহ উদ্দিন রাজুর রিক্সা প্রতীকের ব্যানার ফেস্টুন ছিড়ে ফেলা হয়েছে। সিলেট-৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর স্ত্রীর ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ সিলেটবাসীকে হতবাক করেছে। যা কোনভাবে কাম্য নয়।
সিলেট-১ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘন করে স্কলার্সহোমের টিচার্স সম্মেলনে বক্তব্য রেখেছেন।
দক্ষিণ সুরমার লতিফা শফি কলেজের শিক্ষক সম্মেলনেও এক প্রার্থী আচরণবিধি লংঘন করে বক্তব্য রেখেছেন।

মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী বন্ধুদের সাথে আমরা দীর্ঘদিন শুধু আন্দোলন সংগ্রামই করিনি, একসাথে জেল খেটেছি, এক বেডে ঘুমিয়েছি, এমনকি এক কাপ চা দুজনে ভাগ করে খেয়েছি। তাই আমরা রাজনৈতিক সহমর্মিতায় বিশ্বাসী।

কিন্তু প্রতিপক্ষ বন্ধুগণ পরিকল্পিতভাবে আগামী নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে এবং ভোটের মাঠে প্রভাব বিস্তারের ষড়যন্ত্র করছেন। আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছেন আমরা নাকি কেন্দ্র দখলের ও টাকা দিয়ে ভোট কেনার প্রস্তুতি নিচ্ছি।
দখল বাণিজ্য ও টাকা দিয়ে ভোট কারা কিনেন সিলেটের মানুষ জানে। কেন্দ্র দখল ও টাকা দিয়ে ভোট কেনা আমাদের আদর্শ ও নৈতিকতার সাথে যায়না। তাদের নগদ লেনদেনের তথ্য আড়াল করতেই মিথ্যাচারে নেমেছেন। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও দখলের সাথে কারা জড়িত সিলেটবাসীর জানা রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর আমরাই প্রথম সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় উদ্যোগ নিয়েছিলাম। ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের বাসা-বাড়ী, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মন্দির পাহারা দিয়েছিলাম।

গণঅভ্যুত্থানের পর সিলেটের সবচেয়ে বেশী বাসা-বাড়ী ও মন্ডপ-আশ্রমে পুজা অনুষ্ঠান উদযাপিত হয়েছে। আমাদের ভাইয়েরা সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে মাঠে ছিলেন।
যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জল দৃষ্টান্ত। কিন্তু প্রতিপক্ষ বন্ধুগণ পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের ন্যায় ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের ভোট টানতে মিথ্যার আশ্রয় নিচ্ছেন।
আমরা নাকি তাদেরকে ভোটকেন্দ্রে যেতে হুমকী ধামকী দিচ্ছি। আমরা ক্ষমতায় গেলে নাকি অন্য ধর্মের মানুষ ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদি পালন করতে পারবেন না। এসব অভিযোগ শুধু মিথ্যা বানোয়াটই নয় বরং হাস্যকর।
সিলেটের সাংবাদিক সমাজই এর বাস্তব স্বাক্ষী। সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান জামায়াত আমীর। সেই প্রতিষ্ঠানের সাথে সকল দলের, সকল মতের মানুষ সম্পৃক্ত রয়েছেন। এমনকি সেই প্রতিষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক ভিন্ন ধর্মাবলম্বী অত্যন্ত সুনামের সাথে কাজ করছেন।
এই প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী বিদেশী এবং তারা পার্শ্ববর্তী প্রতিবেশী দেশ গুলো। বিগত পুজা অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা সেই প্রতিষ্ঠানে নির্বিঘ্নে পুজা উদযাপন করেছেন। এর মাধ্যমে আমরা যে অন্যধর্মের প্রতি কতটা শ্রদ্ধাশীল সেটা প্রমাণিত হয়।

মহানগর আমীর তাঁর বক্তব্যে আরো বলেন, সিলেট-১ আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমানের দাঁড়িপাল্লার পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

মাওলানা হাবিবুর রহমানের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে এবং রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলায় ব্যর্থ হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে ভুয়া ঋণের দাবী তুলে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তাঁর ব্যক্তিগত কোন ঋণই যেখানে নেই সেখানে তথ্যগোপনের প্রশ্নই আসেনা। ইবনে সিনা পরিচালিত হয়ে ট্রাস্টের মাধ্যমে এবং সিলেটের ইবনে সিনার আল কারামাহ কোম্পানীর মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
মাওলানা হাবিবুর রহমান আল কারামা কোম্পানীর একজন প্রতিনিধি এবং ইবনে সিনা হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান। ব্যক্তি হাবিবুর রহমানেরও কোন ঋণ নেই। এ নিয়ে সিলেটবাসীকে বিভ্রান্ত না হওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, আমরা বার বার তাগিদ দেয়ার পরও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও অস্ত্র উদ্ধারের কোন অগ্রগতি হয়নি। ফলে জনমনে শঙ্কা বিরাজ করছে। এখন পর্যন্ত প্রশাসন নিরপেক্ষ ভুমিকা পালন করছে। কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর জোর জবরদস্তিমূলক কার্যক্রম প্রশাসনকে প্রভাবিত করার আশঙ্কা সৃষ্টি করেছে।

এক চিহ্নিত ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করায় প্রতিপক্ষ দলের একটি ওয়ার্ডের সাবেক সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে প্রকাশ্যে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালানো হয়েছে। পুলিশ সদস্যগণ হেনস্থার শিকার হয়েছেন। এজন্য প্রতিপক্ষ দল কর্তৃক ওসির অপসারণের দাবি জানিয়েছেন। সেটা আমাদের জন্য দুর্ভাগ্য।
এতে প্রশাসন অপরাধীদের গ্রেফতারে নিরুৎসাহিত হবে। ভোটের মাঠে নিরাপত্ত বিঘ্নিত হবে। আমরা দেখেছি ২ জন তালিকাভুক্ত দাগী সন্ত্রাসীকে অস্ত্রসহ যৌথবাহিনী গ্রেফতার করেছিল।
কিন্তু প্রতিপক্ষের চাপে তাদেরকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে আবার মুক্ত করে ফুলের মালা পরিয়ে বরণ করেছেন। এর মাধ্যমে সন্ত্রাসী, দখলবাজ ও চাঁদাবাজদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। যা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য হুমকী স্বরুপ।

তিনি আরও বলেন, আগামী ত্রয়োদশ নির্বাচনে জনগণ যাতে নির্বিঘ্নে ভোট প্রয়োগ করতে পারে সেটি নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে কার্যকর ভুমিকা পালন করতে হবে।

মিথ্যাচার ও অপপ্রচার চালিয়ে সিলেট-১ আসনে দাঁড়িপাল্লার বিজয় ঠেকানো যাবেনা।

প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট-১ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ও সিলেট মহানগর নায়েবে আমীর ড. নূরুল ইসলাম বাবুল, জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এহতেশামুল হক, সিলেট মহানগর আহ্বায়ক এডভোকেট আব্দুর রহমান আফজল, জেলা আহ্বায়ক জুনেদ আহমদ, খেলাফত মজলিসের সিলেট মহানগর সভাপতি হাফিজ মাওলানা তাজুল ইসলাম হাসান, এলডিপির সিলেট মহানগর সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন লিটন, এবি পার্টির সিলেট মহানগর আহ্বায়ক মো. ওমর ফারুক, জাগপা সিলেট মহানগর সভাপতি শাহজাহান আহমদ লিটন, বিডিপি সিলেট মহানগর আহ্বায়ক কবির আহমদ, মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারী মোহাম্মদ শাহজাহান আলী, সহকারী সেক্রেটারী জাহেদুর রহমান চৌধুরী ও মাওলানা ইসলাম উদ্দিন প্রমূখ।

» শেষ নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত; ‘গোলাপগঞ্জের জনসমুদ্র প্রমাণ করে সিলেট-৬ আসন ধানের শীষের’

Published: ০৯. ফেব্রু. ২০২৬ | সোমবার

গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সিলেট-৬ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও জেলার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরীর শেষ নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকালে গোলাপগঞ্জ উপজেলা সদরের বাস টার্মিনালে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।

জনসভা বিকালে হলেও দুপুরের পর থেকে সভাস্থলে বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকসহ সাধারণ মানুষ জড়ো হতে থাকেন। খন্ড খন্ড মিছিলসহকারে বিভিন্ন স্থান থেকে নেতাকর্মীরা এসে শামিল হন সেখানে।

বিকালে সভাস্থল যেন জনসমুদ্রে পরিণত হয়। এ ‘জনসমুদ্র’ থেকে আওয়াজ উঠে শুধু- ভোট দিবো কিসে; ধানের শীষে।

গোলাপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি নোমান উদ্দিন মুরাদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান উজ্জ্বলের পরিচালনায় জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমরান আহমদ চৌধুরী বলেন, গোলাপঞ্জ-বিয়ানীবাজারবাসীর ভালোবাসায় আমি অভিভূত।

আমি সুযোগ পেলে এই দুই উপজেলার মানুষের ভালোবাসার ঋণ রক্ত দিয়ে হলেও শোধ করতে চাই। প্রতীক বরাদ্দের পর সময় স্বল্পতার কারণে আমি অনেক এলাকায় যেতে পারিনি, আমি আপনাদের কাছে এ ব্যাপারে ক্ষমাপ্রার্থী। কথা দিচ্ছি, বিজয়ী হলে সর্বপ্রথম এসব এলাকাতেই আমি যাবো।

তিনি বলেন, গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারকে আমি ঢেলে সাজাতে চাই। এজন্য ১২ তারিখ আপনাদের সর্বাত্মক ও সর্বোচ্চ ভালোবাসা চাই।

গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের একটি ঘরও আমি গ্যাসবঞ্চিত রাখতে চাই না। রাখতে চাই না কোনো গ্রাম উন্নয়নবঞ্চিত। আমি আপনাদের এলাকার সন্তান। আপনাদের সামনেই আমার বেড়ে উঠা।

দীর্ঘ ২৫টি বছর ধরে এই দুই উপজেলার প্রতি এলাকায় চষে বেড়িয়েছি। প্রতিটি গ্রামের সমস্যা আমি জানি। বিজয়ী হলে আমাকে বলা লাগবে না, নিজে থেকেই আপনাদের সমস্যা সমাধান করে দিবো ইনশা আল্লাহ।

এমরান আহমদ চৌধুরী বক্তব্যের শুরুতেই গোলাপগঞ্জের বীর শহিদ মুক্তিযোদ্ধা, জুলাই শহিদ, ইলিয়াস আলী ও ইফতেখার আহমদ জুনেদসহ সিলেটের গুম হওয়া নেতাকর্মী এবং সিলেট-৬ আসনের সাবেক সাংসদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।

সভায় অন্য বক্তারা বলেন, এমরান আহমদ চৌধুরী একজন জনবান্ধব নেতা। তিনি পরিক্ষিত জনসেবক।

সুতরাং গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের প্রকৃত উন্নয়নের স্বার্থে ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দিন স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জনতার প্রতীক ধানের শীষে ভোট দিয়ে এমরান আহমদকে বিজয়ী করুন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ও সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আবুল কাহের শামীম, সাবেক সাংসদ ড. সৈয়দ মকবুল হোসেন লেচু মিয়ার কন্যা সৈয়দা আদিবা হোসেন, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস শায়েস্তা, সিলেট জেলা বিএনপির উপদেষ্টা ডাক্তার আব্দুল গফার কুটি, মহি সুন্নাহ চৌধুরী নারজিস ও গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী শাহিন, জেলা বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক অ্যাড. মুজিবুর রহমান মুজিব, সাংগঠনিক সম্পাদক ও গোলাপগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি মশিকুর রহমান মহি, আঞ্জুমানে আল-ইসলাহ’র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মাওলানা রফিকুল ইসলাম, সিলেট জেলা মহিলা দলের সভাানেত্রী তাহসীন শারমিন তামান্না, সিলেট-৬ আসনের গোলাপগঞ্জ উপজেলার নির্বাচন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক এমদাদ হোসেন টিপু, গোলাপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভাদেশ্বর ইউনিয়ন সাবেক চেয়ারম্যান জিলাল উদ্দিন, লন্ডন মহানগর বিএনপির সভাপতি তাজুল ইসলাম, যুক্তরাজ্য বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আলম।

আরও বক্তব্য রাখেন, গোলাপগঞ্জ পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, যুগ্ম-সম্পাদক নুরুল আম্বিয়া চৌধুরী জামিল, গোলাপগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক অ্যাড. মামুন আহমদ রিপন, সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক সালাউদ্দিন, যুগ্ম-আহবায়ক সাহনুর আহমদ, গোলাপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক তানজিম আহাদ ও পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক তারেক আহমদ চৌধুরী।

জনসভায় উপজেলা, পৌর, ইউনিয়ন ও সকল ওয়ার্ড বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

» ধানের শীষের সমর্থনে সিলেট মহানগর শ্রমিক দলের বিশাল প্রচার মিছিল

Published: ০৯. ফেব্রু. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এর সমর্থনে সিলেট মহানগর শ্রমিক দলের উদ্যোগে বিশাল প্রচার মিছিল বের করা হয়েছে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সিলেট মহানগর শ্রমিক দলের আহবায়ক আবদুল আহাদ ও সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জীবনের নেতৃত্বে নগরীর ক্বীনব্রিজের সামন থেকে মিছিলটি বের হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
মিছিলে আরো উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মহানগর শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল রহিম, যুগ্ম আহবায়ক মো. খোকন ইসলাম, সিলেট জেলা শ্রমিক দলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ফয়সাল আহমেদ, যুগ্ম আহবায়ক বাবুল হোসেন বাবুল, যুগ্ম আহবায়ক জিলানী আহমেদ জিলা, যুগ্ম আহবায়ক নুর আহমদ, যুগ্ম আহবায়ক মোঃ রফিক মিয়া, যুগ্ম আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, দপ্তর সম্পাদক কামরান সামি, শাহপরান থানা শ্রমিক দলের আহবায়ক মো. রফিকুল ইসলাম রফিক, কোতোয়ালি মডেল থানা শ্রমিক দলের আহবায়ক মো. লিটন আহমদ, সিলেট মহানগর হর্কাস দলের সদস্য সচিব মো. শাহজাহান আহমেদ, কোতোয়ালি মডেল থানা শ্রমিক দলের সদস্য সচিব এম নোমান আহমদ, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এম শাআলম, জালালাবাদ থানা শ্রমিক দলের আহবায়ক শাহিনুর রহমান সুহিন, সদস্য সচিব মো. আনোয়ার হোসেন, দক্ষিণ সুরমা থানা শ্রমিক দলের সদস্য সচিব মো. জুমেল আহমেদ, সিলেট মহানগর  হর্কাস দলের যুগ্ম আহবায়ক নজরুল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক মো. হাসিম উদ্দিন, যুগ্ম আহবায়ক মো. জাবেদ আহমেদ, যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মনু মিয়া, যুগ্ম আহবায়ক আবু কাসেম, যুগ্ম আহবায়ক পকির আলী,  যুগ্ম আহবায়ক তিতাব আলী, যুগ্ম আহবায়ক কাবুল আহমেদ, সিলেট মহানগর শ্রমিক দল সদস্য মো. মুন্না আহমদ, মো. তারেক আহমদ, মো. আলী, মো. রফিক ছোট, মো. রহিম উদ্দিন, রিয়াজ কুরশী, মোঃ জিতু আহমদ, সুমন তালুকদার, হেলাল মিয়া, নিজাম মরল সহ মহানগরের ৪২টি ওয়ার্ড শ্রমিক দলের নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশের মানুষ ভোটাধিকারের সুযোগ পেয়েছে। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে বাংলাদেশকে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

ধানের শীষ কেবল বিএনপির নয়, বরং দল-মত নির্বিশেষে দেশের মানুষের আবেগ ও প্রত্যাশার প্রতীক। তাই আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।

» মুক্তাদিরের সমর্থনে দিনার খান হাসুর গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ

Published: ০৯. ফেব্রু. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট-১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সমর্থনে সাবেক প্যানেল মেয়র এবং ১৯নং ওয়ার্ডের সাবেক তিনবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর দিনার খান হাসুর উদ্যোগে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে ১৯নং ওয়ার্ডের দপ্তরিপাড়া এলাকায় ধানের শীষে ভোট চেয়ে জনসাধারণের মাঝে লিফলেট বিতরণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, মাসুক আহমদ গাজী, আওয়াল আহমদ, মো: মুছা খান, সুমন আহমদ, জাহাঙ্গীর আহমদ, পাবেল আহমদ, রবিন মিয়া, রুমেল মিয়া প্রমুখ।

এসময় দিনার খান হাসু বলেন, সিলেট-১ আসনের মানুষ বারবার প্রমাণ করেছে তারা অন্যায়ের কাছে মাথা নত করে না।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির একজন সৎ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক নেতা। এই আসনে তাকে বিজয়ী করতে জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষে ভোট দেবে- এ ব্যাপারে আমরা আশাবাদী।

তিনি আরো বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হবে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে এবং সিলেট অঞ্চলের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তরুণ সমাজ আজ ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে, যা আগামীর বিজয়ের বার্তা বহন করছে।

» নির্বাচিত হলে পাথরকোয়ারী খুলে দেব, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ করব : জয়নাল আবেদীন

Published: ০৯. ফেব্রু. ২০২৬ | সোমবার

জৈন্তাপুর প্রতিনিধিঃ
সিলেট-৪ (জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ) আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মো: জয়নাল আবেদীন বলেছেন, নির্বাচিত হলে পাথরকোয়ারী খুলে দেব, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ করব।

তিনি এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের সংগ্রামের কথা স্মরণ করে বলেন, আপনাদের পরিশ্রমের ফসল হলো ১২ তারিখ দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে ফলাফল না পাওয়া পর্যন্ত ভোট কেন্দ্র পাহারা দিয়ে শেষ পর্যন্ত বিজয়ের মিছিল নিয়ে বাড়ি ফিরে যাওয়া।

প্রতিপক্ষের হুমকি ও ভয় দেখানোর প্রসঙ্গ টেনে তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, আমরা ২৪ এর জুলাই যোদ্ধা, কোন ভাড়াটিয়া বাহিনীর লাল চক্ষু আমরা ভয় পাই না।

তাদের কারণেই পাথর কোয়ারী বন্ধ হয়ে গেছে। তিনি বলেন, আমরা নির্বাচিত হলে পাথর কোয়ারী খুলে দেব। ১২ তারিখ হল দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে পাথর কোয়ারী খোলার দিন এবং দুর্নীতি বন্ধ করার দিন।

তিনি তার উন্নয়ন পরিকল্পনা উপস্থাপন করে বলেন, নির্বাচিত হলে কোম্পানীগঞ্জে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, হাসপাতাল নির্মাণ, স্কুল-কলেজ-মসজিদ-মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা এবং একটি শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা হবে।

২০২২ সালের বন্যার সময় এলাকাবাসীর দুঃখ-কষ্টের স্মৃতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ২২শের বন্যায় আমি আপনার পাশে থেকে আপনাদের দুঃখ কষ্ট উপলব্ধি করেছি, সেদিন তারা আপনাদের পাশে আসেনি।

আজ আমি কথা দিচ্ছি, আমি নিজে দুর্নীতি করব না এবং কাউকে করতেও দেব না। পাথরকোয়ারী খুলে দেব এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার গ্যাস সংযোগ নিশ্চিত করব।

আলহাজ্ব জয়নাল আবেদীন সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কোম্পানীগঞ্জে তাঁর সমর্থনে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে  এসব কথা বলেন।

উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা ফয়জুর রহমানের সভাপতিত্বে ও জামায়াত নেতা মাষ্টার শফিকুল ইসলামের পরিচালনায় স্থানীয় টুকেরবাজার স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মাশুক আহমদ, খেলাফত মজলিস কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সভাপতি হাফিজ মাসুম আহমেদ, সহ-সভাপতি মাওলানা ফারুক আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের উপজেলা সভাপতি শফিকুল হক, বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্র শিবির, সিলেট জেলা পশ্চিমের সভাপতি আবু আইয়ুব মঞ্জু, এনসিপি সিলেট জেলার যুগ্ম সদস্য সচিব মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ শিপন, কোম্পানীগঞ্জ এনসিপির যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ ইমরান, জাতীয় যুবশক্তি সিলেটের মুখ্য সংগঠক মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান, যুক্তরাজ্যের কাউন্সিলর আব্দুল মুবিন, ছাত্র মজলিস সাইফুর রহমান কলেজের সভাপতি আবু হামজা শফিক, সাংবাদিক শাব্বির আহমদ, কোম্পানিগঞ্জ জামায়াতের সাবেক আমীর আজমান আলী প্রমুখ।

এছাড়াও জনসভায় উপস্থিত ছিলেন, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলজার আহমদ হেলাল, যুক্তরাজ্য প্রবাসী কমিউনিটি নেতা আব্দুল বাসিত সেলিম, মাওলানা ইমাম উদ্দিন, মো. শাফি, রফিক আহমদ, আবু তোরাব, মইনুল ইসলাম, ইকবাল হোসেন ইমাদ, জুয়েল আমিন, আল আমিন, শামসুল ইসলাম, রহিম উদ্দিন, আহাদ মিয়া, কাওছার আহমদ প্রমুখ।

প্রধান অতিথি সকল নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীকে ১২ তারিখ দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে বিজয়ী করার আহ্বান জানান।

» সুহেল চৌধুরীর মৃত্যুতে বিএনপি যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবিরের শোক

Published: ০৯. ফেব্রু. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক দুইবারের চেয়ারম্যান সুহেল আহমদ চৌধুরীর আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব (আন্তর্জাতিক) হুমায়ূন কবির।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক শোকবার্তায় হুমায়ূন কবির বলেন, মরহুম সুহেল আহমদ চৌধুরী জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত শহীদ জিয়ার আদর্শের একজন পরীক্ষিত সৈনিক ছিলেন।

দেশ ও জনগণের নিঃস্বার্থ সেবায় নিয়োজিত থাকা অবস্থায় নির্বাচনী মিছিলে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন, যা তার আদর্শিক দৃঢ়তারই প্রমাণ দেয়।

হুমায়ূন কবির মরহুমের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, আদর্শিক দৃঢ়তা: সুহেল চৌধুরী দলের প্রতি অত্যন্ত আন্তরিক ছিলেন।

বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে চরম নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েও তিনি কখনো আদর্শচ্যুত হননি।

ব্যক্তিগতভাবে আমি একজন অত্যন্ত আন্তরিক মানুষকে হারালাম।

জাতীয়তাবাদী শক্তির উন্মেষ সাধনে তার ব্যাকুলতা আমাদের জন্য সবসময় অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। তার এই আকস্মিক মৃত্যু দল এবং বিশ্বনাথের গণমানুষের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।

হুমায়ূন কবির মরহুম সুহেল আহমদ চৌধুরীর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাকে যেন আল্লাহ জান্নাতুল ফেরদাউস নসীব করেন সেই দোয়া করেন।

একইসাথে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের এই কঠিন শোক সইবার শক্তি প্রদানের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা জানান।

উল্লেখ্য, সোমবার বিকেলে নির্বাচনী জনসভায় মিছিল নিয়ে আসার পথে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে রাজপথেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন, বিশ্বনাথ জগন্নাথপুর বাস মালিক সমিতির এই চেয়ারম্যান।

» ধানের শীষের বিজয়ের লক্ষ্যে দক্ষিণ সুরমায় ছাত্রদলের মিছিল-সমাবেশ

Published: ০৯. ফেব্রু. ২০২৬ | সোমবার

দক্ষিণ সুরমা প্রতিনিধিঃ
দক্ষিণ সুরমা উপজেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সিলেট-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. আব্দুল মালিকের পক্ষে বিশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দক্ষিণ সুরমা চন্ডিপুল থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে মারকাজ পয়েন্টে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।

এসময় নেতাকর্মীরা ১২ তারিখ শুভ দিন, ধানের শীষে ভোট দিন, তারেক রহমানের সালাম নিন, ধানের শীষে ভোট দিন, গণতন্ত্রের মার্কা ধানের শীষ মার্কা’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সভায় দক্ষিণ সুরমা উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মিজানুর রহমান মিজানের সভাপতিত্বে ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব আবু সালেহ এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামুন মাহমুদ, সিলেট জেলা যুবদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইকবাল বাহার চৌধুরী।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, ধানের শীষের বিজয় মানেই গণতন্ত্রের বিজয়। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থাকতে হবে।

বক্তরা আরও বলেন, ধানের শীষের পক্ষে যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, তা আগামী দিনগুলোতে আরও বিস্তৃত হবে।

পাশাপাশি ১২ ফেব্রুয়ারি সকালে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য সাধারণ ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানানো হয় ।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক মোজাক্কির ফাহিম, মেহেদী হাসান মোহন, রিফাত জামিল, আবু সাঈদ আদনান। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক জুবায়ের আহমদ লিলু, মহানগর ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, মহানগর ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন আহমদ ফাহিম, মহানগর ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসান রাসেল, জেলা ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আলী বাহার, মহানগর ছাত্রদলের ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সামাদ,  জেলা ছাত্রদলের পাঠাগার সম্পাদক জহরুল আজম, জেলা ছাত্রদলের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শাহ ইমন সুলতান, জেলা ছাত্রদলের সদস্য নাজমুল হোসেন হামজা, সানোয়ার হোসেন বক্ত রাহিন,দক্ষিণ সুরমা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি মামুন মিয়া, দক্ষিণ সুরমা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ফুয়াদ মাহিন, দক্ষিণ সুরমা কলেজ ছাত্রদলের প্রথম যুগ্ম সম্পাদক মাহিন ইসলাম, ছাত্রদল নেতা মাহফুজ আহমদসহ প্রমুখ।

Callender

February 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
232425262728