- সিলেটের উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে : মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী
- শহীদ ওয়াসিম ও শহীদ মোস্তাকের কবর জিয়ারতে সিলেট মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ
- হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে রুম্মান গুলজারের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন : মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর শোক
- বাংলাদেশ মণিপুরী ছাত্র সমিতির মেধাবৃত্তির পুরস্কার বিতরণ
- শুধুমাত্র বুর্জোয়া শাসক পাল্টালে হবে না ব্যবস্থার পরিবর্তন করতে হবে : কমরেড রাজেকুজ্জামান রতন
- নৈতিকতায় সমৃদ্ধ তরুণরাই আগামীর বাংলাদেশ: ইসকন ইয়ুথ ফোরামের উৎসবে হুমায়ুন কবির
- এমসি কলেজে এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী সংবর্ধিত
- জুলাই শহিদ দিবসের আলোচনা সভায় সিসিক প্রশাসক
- জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসবের আলোচনা সভায় সিসিক প্রশাসক
- পূর্ব শাপলাবাগে মতবিনিময় সভায় সিসিক প্রশাসক
» সিলেটের উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে : মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী
Published: ১৭. জুলা. ২০২৬ | শুক্রবার
মহাশ্মশান কমপ্লেক্স আধুনিক নগর উন্নয়নের অনন্য সংযোজন : সিসিক প্রশাসক
নিউজ ডেস্কঃ
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, সিলেটের উন্নয়নের স্বার্থে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই সিলেটের অসমাপ্ত উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন সম্ভব।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে নির্মিত চালিবন্দর মহাশ্মশান কমপ্লেক্স উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, সিলেট সম্প্রীতির নগরী।
এ অঞ্চলের মানুষ যুগ যুগ ধরে ধর্মীয় সহাবস্থান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে আসছেন। সেই ঐতিহ্য আজও সমানভাবে সমুজ্জ্বল।
তিনি বলেন, অতীতেও সিলেটে সব ধর্মের উপাসনালয়ের উন্নয়নে কাজ করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে।
একই সঙ্গে তিনি সিলেটের উন্নয়নে সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম. সাইফুর রহমানের অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, চালিবন্দর মহাশ্মশান কমপ্লেক্স শুধু একটি ধর্মীয় স্থাপনা নয়, এটি সিলেটের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, নান্দনিকতা এবং আধুনিক নগর উন্নয়নের একটি অনন্য সংযোজন।
তিনি বলেন, এমন একটি দৃষ্টিনন্দন কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হয়েছে, যা দেখতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ এখানে আসবেন।
তিনি মহাশ্মশান কমপ্লেক্সের কালীমন্দিরে পুরোহিতসহ প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের ঘোষণা দিয়ে বলেন, এই প্রতিষ্ঠান যাতে যুগের পর যুগ সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নভাবে পরিচালিত হতে পারে, সে জন্য সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
নগর উন্নয়ন ও সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নে তিনি সর্বস্তরের নাগরিকের সহযোগিতা কামনা করেন।
চালিবন্দর মহাশ্মশান সংস্কার ও সংরক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট বেদানন্দ ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. এনামুল হক, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন, সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাই কমিশনার অনিরুদ্ধ দাশ এবং রামকৃষ্ণ মিশন ও আশ্রম, সিলেটের অধ্যক্ষ স্বামী চন্দ্রনাথানন্দ মহারাজ।
স্বাগত বক্তব্য দেন শ্মশান সংস্কার ও সংরক্ষণ কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মলয় পুরকায়স্থ।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা, ইসকন বাংলাদেশের সহ-সভাপতি শ্রীমৎ স্বামী ভক্তি অদ্বৈত নবদ্বীপ মহারাজ, ভারতের সহকারী হাই কমিশনের সেকেন্ড সেক্রেটারি রাজেশ ভাটিয়া, সিটি কর্পোরেশনের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, সাবেক কাউন্সিলর শান্তনু দত্ত সন্তু, জিল্লুর রহমান উজ্জ্বল, দিবা রানী দে বাবলী, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ দেব, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চন্দ্র দাশ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, শ্মশান সংস্কার ও সংরক্ষণ কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষ।
» শহীদ ওয়াসিম ও শহীদ মোস্তাকের কবর জিয়ারতে সিলেট মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ
Published: ১৭. জুলা. ২০২৬ | শুক্রবার
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে কেন্দ্র ঘোষিত মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিলেট মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই শহীদ মো. ওয়াসিম আহমদ ও মো. মোস্তাক আহমদের কবর জিয়ারত করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সিলেট সদর উপজেলার ইনাতাবাদ গ্রামে সমাহিত শহীদ মো. ওয়াসিম আহমদ ও টুকেরবাজারের গৌরীপুর গ্রামে সমাহিত শহীদ মুস্তাক আহমদের কবর জিয়ারত করেন, সিলেট মহানগর জামায়াতের নেতৃবৃন্দ।
সিলেট মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. নুরুল ইসলাম বাবুলের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত পৃথক জিয়ারত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট সদর উপজেলা জামায়াতের আমীর নাজির উদ্দিন, সেক্রেটারী আল ইমরান, সহকারী সেক্রেটারি আমিনুর রহমান ও জৈন উদ্দিন, ৮নং কান্দিগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল মনাফ, জামায়াত নেতা মাওলানা আব্দুল হাফিজ মাসুদ, সাবেক শিবির নেতা কাওসার আহমদ লাহিন, ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর আব্দুস সামাদ, নায়েবে আমীর মখলিসুর রহমান ইমরান, সেক্রেটারি আব্দুল কাইয়ুম, ওয়ার্ড সভাপতি জসিম উদ্দিন, শহীদ ওয়াসিমের পিতা কনর মিয়া ও চাচাতো ভাই আরব আলী সহ স্থানীয় জামায়াত ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
জিয়ারত শেষে নেতৃবৃন্দ শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।
» হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে রুম্মান গুলজারের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন : মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর শোক
Published: ১৭. জুলা. ২০২৬ | শুক্রবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক জুরেজ আব্দুল্লাহ গুলজারের বড় ভাই রুম্মান গুলজারের জানাজার নামাজ ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
আজ শুক্রবার (১৭ জুলাই) বাদ জুমা বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে হযরত মানিক পীর (র.) মাজার সংলগ্ন টিলায় তাকে দাফন করা হয়।
মরহুমের জানাজার নামাজে রাজনৈতিক, সামাজিক ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের ঢল নামে।
জানাজায় উপস্থিত ছিলেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট ইমরান আহমেদ চৌধুরী, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সিলেট ইউনিটের সভাপতি বদরুজ্জামন সেলিম।
এ ছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, ব্যবসায়ী সংগঠন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণ জানাজায় অংশ নেন।
জানাজা শেষে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এরপর মানিক পীর (র.) মাজারের টিলায় তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রুম্মান গুলজারের মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন, জানাজায় আসা অতিথিবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এ ছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, ব্যবসায়ী সংগঠন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণ জানাজায় অংশ নেন।
জানাজা শেষে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
এরপর মানিক পীর (র.) মাজারের টিলায় তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়। জানাযার নামাজের ইমামতি করেন, মরহুমের ছোট ভাই হাফিজ রাগিব গুলজা।
মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর শোকঃ
সিলেটের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব জুরেজ আব্দুল্লাহ গুলজারের বড় ভাই রুম্মান গুলজারের অকাল ইন্তেকালে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন, শ্রম-কর্মস্থান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
আজ এক শোক বার্তায় আরিফুল হক চৌধুরী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
শোক বার্তায় মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “রুম্মান গুলজারের আকস্মিক চলে যাওয়া অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তিনি একজন সদালাপী ও অত্যন্ত সজ্জন ব্যক্তি ছিলেন।
তাঁর এই অকাল মৃত্যুতে তাঁর পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
আমি পরম করুণাময় আল্লাহর দরবারে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং আল্লাহ যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করেন।”
তিনি মরহুমের ছোট ভাই জুরেজ আব্দুল্লাহ গুলজার সহ পরিবারের সকল সদস্য, আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহীদের এই কঠিন শোক সহ্য করার শক্তি দান করার জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন।
» বাংলাদেশ মণিপুরী ছাত্র সমিতির মেধাবৃত্তির পুরস্কার বিতরণ
Published: ১৭. জুলা. ২০২৬ | শুক্রবার
নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ মণিপুরী ছাত্র সমিতি (বামছাস) এর প্রাথমিক ও জুনিয়র স্কলারশিপ অনুষ্ঠান ২০২৬ইং অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে নগরীর কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ হলে এই স্কলারশিপ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
মনিপুরী ছাত্র সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খোঞ্জেল মীতৈ সভাপতিত্বে ও বিথিকা সিনহার পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের প্রধান ড. তোফায়েল আহমদ।
প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বামছাসের উপদেষ্টা ও এনএম এডুকেশন ট্রাস্টের চেয়ারম্যান শ্রীমান এল নন্দলাল সিংহ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, হলিসিটি পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্টাতা অধ্যক্ষ সাইফুল করিম চৌধুরী হায়াত, ডা. বাবলী দেবী সিনহা বাবনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্রীমান কে এইচ বীরেন্দ্র সিংহ, সাংবাদিক আব্দুল হাছিব, শিক্ষার্থী ইচেল থৈবা, অয়ন মনি সিংহ।
বাংলাদেশ মণিপুরী ছাত্র সমিতির মেধাবৃত্তিতে সার্বিক সহযোগিতা করেন বামছাস এর প্রধান উপদেষ্টা অসেম সত্যজিত সিংহ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের প্রধান ড. তোফায়েল আহমদ বলেন, বৃত্তি বা স্কলারশিপ শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় আরও উৎসাহিত করে।
বাংলাদেশ মনিপুরী ছাত্র সমিতি দীর্ঘ দিন ধরে শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।
মনিপুরী শিক্ষার্থীরা শিক্ষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
মনিপুরী সহ সকল সম্প্রদায়ের মানুষের অংশ গ্রহনে আমরা সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়বো।
» শুধুমাত্র বুর্জোয়া শাসক পাল্টালে হবে না ব্যবস্থার পরিবর্তন করতে হবে : কমরেড রাজেকুজ্জামান রতন
Published: ১৭. জুলা. ২০২৬ | শুক্রবার
নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ ৯নং জোন(সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ) এর ২ দিনব্যাপী রাজনৈতিক শিক্ষা শিবির শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকাল ১১টায় মিরবক্সটুলাস্থ হোটেল ইন এর কনফারেন্স রুমে শুরু হয়।
৯নং জোন এর সমন্বয়ক, সিলেট জেলা বাসদ আহ্বায়ক আবু জাফর এর সভাপতিত্বে ও জেলা সদস্য সচিব প্রণব জ্যোতি পাল এর সঞ্চালনায় শিক্ষা শিবিরের প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সাধারণ সম্পাদক কমরেড রাজেকুজ্জামান রতন।
শিক্ষা শিবিরে আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য নিখিল দাস, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট এর কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব বুলবুল, মৌলভীবাজার জেলা সমন্বয়ক এডভোকেট মইনুর রহমান মগনু, হবিগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক নুরুজ্জামান তরফদার, মৌলভীবাজার জেলা ইনচার্জ উজ্জ্বল রায়, হবিগঞ্জ জেলা সদস্য সচিব শফিকুল ইসলাম, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র জেলা সভাপতি নাজিকুল ইসলাম রানা, সমাজতান্রিক ছাত্র ফ্রন্ট মৌলভীবাজার জেলা আহ্বায়ক বিশ্বজিৎ নন্দী প্রমূখ।
রাজনৈতিক শিক্ষা শিবিরে বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সাধারণ সম্পাদক কমরেড রাজেকুজ্জামান রতন বলেন, জনগণ অভ্যুত্থান করে সমাজের প্রগতি ও পরিবর্তনের আশায়।
অন্যদিকে ক্ষমতাভোগী ও ক্ষমতালোভীরা সমাজকে পতনের দিকে নিয়ে যায়, গদি দখল ও রক্ষা এবং পকেট ভারী করা আর গোষ্ঠীস্বার্থ সিদ্ধির তাড়নায়।
স্বাধীনতার আগে-পরের ইতিহাস এর বাইরে বড় কিছু ঘটায়নি। কারণ ব্যবস্থা বদল না করে অবস্থার বদল করা যায় না।
২০২৪ এর অভ্যুত্থান এবং অভ্যুত্থান পরবর্তী রাষ্ট্র পরিচালনা এর সর্বশেষ দৃষ্টান্ত।
কমরেড রাজেকুজ্জামান রতন বলেন, বিশ্বে সাম্রাজ্যবাদী দস্যুতা নগ্নরূপ নিয়েছে, কে কতটা সম্পদ ও বাজার দখলে নেবে তার জন্য যুদ্ধ, প্রক্সি যুদ্ধ, যুদ্ধোন্মাদনা চাঙা রাখা, দুর্বল দেশের শাসকদের কোথায়ও বা ঘাড় মটকানো, কোথায়ও বা ঘাড়ে ধরে সুবিধা আদায় চলছে। ওইসব দেশে দালাল সৃষ্টি ও দালাল রপ্তানি বহুগুণ বাড়ানো হচ্ছে।
দেশপ্রেমের বদলে পুঁজি প্রেমিকদের সংখ্যা যত বাড়ছে, ওদের কলকাঠি নাড়ার সুযোগ তত বাড়ছে। কিন্তু পরিস্থিতি যাই হোক না কেন।
যুদ্ধ, ধ্বংস এবং সম্পদ দখল সব কিছুর দায় বহন করতে হবে শ্রমজীবী মানুষকেই।
কমরেড রাজেকুজ্জামান রতন বলেন, বিদ্যমান অবস্থা পাল্টাতে হলে শুধুমাত্র শাসক পাল্টালে হবে না, ব্যবস্থা পাল্টাতে হবে।
» নৈতিকতায় সমৃদ্ধ তরুণরাই আগামীর বাংলাদেশ: ইসকন ইয়ুথ ফোরামের উৎসবে হুমায়ুন কবির
Published: ১৭. জুলা. ২০২৬ | শুক্রবার
নিউজ ডেস্কঃ
নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও আধ্যাত্মিক চেতনায় সমৃদ্ধ তরুণ প্রজন্মই আগামীর বাংলাদেশ গঠনে নেতৃত্ব দেবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলে সিলেটে ইসকন সিলেট মন্দির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত ইসকন ইয়ুথ ফোরামের উৎসবে তিনি এসব কথা বলেন।
রথযাত্রার দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বের প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে সফল হতে হলে শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা অর্জনই যথেষ্ট নয়; এর পাশাপাশি নৈতিকতা, সততা, মানবিক মূল্যবোধ ও আত্মনিয়ন্ত্রণের চর্চাও অপরিহার্য।
তিনি আরো বলেন, “স্বপ্ন তখনই বাস্তবে রূপ নেয়, যখন আমরা নৈতিক চরিত্রে সমৃদ্ধ হই। জ্ঞান, দক্ষতা ও প্রযুক্তির সঙ্গে নৈতিকতার সমন্বয় ঘটাতে পারলেই একজন মানুষ প্রকৃত অর্থে সফল হতে পারে।”
হুমায়ুন কবির বলেন, তরুণরাই দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি ও সম্ভাবনা। তাঁদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলি, দায়িত্ববোধ, দেশপ্রেম এবং মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজকে একযোগে কাজ করতে হবে।
আধ্যাত্মিক শিক্ষা মানুষের আত্মবিশ্বাস, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও সেবার মনোভাব বৃদ্ধি করে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
বক্তব্যের একটি বড় অংশ তিনি সিলেটি ভাষা ও ইংরেজিতে উপস্থাপন করেন।
তাঁর প্রাণবন্ত উপস্থাপনা, আন্তরিকতা ও অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্যে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা বারবার করতালির মাধ্যমে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তাঁর বক্তব্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি করে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, ইসকন বাংলাদেশের সহ-সভাপতি ও ইসকন সিলেটের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ ভক্তি অদ্বৈত নবদ্বীপ স্বামী মহারাজ।
সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, ভগবদ্গীতার শিক্ষা মানুষকে আদর্শ চরিত্র, নৈতিকতা ও আত্মশুদ্ধির পথে পরিচালিত করে। একটি সুন্দর সমাজ ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনে তরুণদের আধ্যাত্মিক ও নৈতিক শিক্ষায় সমৃদ্ধ হওয়ার কোনো বিকল্প নেই।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, ইসকন বাংলাদেশের রিসলভের চেয়ারম্যান যুগধর্ম দাস, ইসকন বাংলাদেশের ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্টের চেয়ারম্যান ঋষিকেশ গৌরাঙ্গ দাস, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সিলেটের ট্রাস্টি সুদীপ রঞ্জন সেন বাপ্পু, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ এমদাদ হোসেন চৌধুরী, বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকি, ইসকন সিলেটের সাধারণ সম্পাদক ভাগবত করুনা দাস ব্রহ্মচারী এবং ইসকন সিলেট বিভাগীয় কমিটির দুর্যোগ ত্রাণ ও সমাজসেবা বিভাগের সম্পাদক বুদ্ধি গৌর দাস অধিকারী প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন, ইসকন সিলেট ইয়ুথ ফোরামের সমন্বয়ক দেবর্ষি শ্রীবাস দাস ব্রহ্মচারী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দেবামৃত নিতাই দাস ব্রহ্মচারী।
অনুষ্ঠানে ডিপ্লোমা ইন ভগবদ্গীতা কোর্স সফলভাবে সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।
এ সময় সিলেটের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী, শিক্ষক, ভক্তবৃন্দ এবং সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইসকন ইয়ুথ ফোরাম তরুণদের নৈতিক, মানবিক ও আধ্যাত্মিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ করে আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে শিক্ষা, নেতৃত্ব বিকাশ, ব্যক্তিত্ব উন্নয়ন ও চরিত্র গঠনমূলক বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করে আসছে।
» এমসি কলেজে এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী সংবর্ধিত
Published: ১৭. জুলা. ২০২৬ | শুক্রবার
নিউজ ডেস্কঃ
ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ মুরারিচাঁদ কলেজে (এমসি) সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।
কলেজের পদার্থবিজ্ঞান অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের উদ্যোগে শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকালে এ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
এমসি কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের হলরুমে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, সংগঠনটির সভাপতি আবু আলা মোহাম্মদ রিয়াজ।
সংবর্ধিত ও প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী বলেন- ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আমার অধ্যয়ন।
আজ আর আমার এই অবস্থানে আসার পেছনে এখানকার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অবদান অনস্বীকার্য। এমসি কলেজ ক্যাম্পাসের স্মৃতি কখনো ভোলার নয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন, এমসি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ তোফায়েল আহমদ।
পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী অ্যাডভোকেট মুস্তাকিম আহমদ কাওছার ও ফৌজিয়া আক্তার মনির যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, প্রফেসর আকমল হোসেন, প্রফেসর তৌফিক ইয়াজদানী, আব্দুল মুমিন চৌধুরী রিমু, সাব্বির আহমদ, পদার্থবিজ্ঞান অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি আনোয়ার রেজা চৌধুরী, অ্যাড. আনোয়ার হোসেন সুমন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তাজ উদ্দিন আহমদ, বিশ্বজিৎ সরকার ও ইব্রাহিম চৌধুরী সিয়াম প্রমুখ।
এর আগে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রাক্তন দুই শিক্ষার্থ আজাদ উদ্দিন ও শরিফ আল ফাহমির মৃত্যুতে শোক সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

» জুলাই শহিদ দিবসের আলোচনা সভায় সিসিক প্রশাসক
Published: ১৬. জুলা. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
সরকার জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের পাশে সবসময় থাকবে
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, জুলাই আন্দোলনের শহীদ ও যোদ্ধাদের আত্মত্যাগ জাতি কখনো ভুলবে না।
তাঁদের রক্তের বিনিময়েই গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়েছে।
জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের প্রতি সরকার অত্যন্ত সংবেদনশীল।
তাঁদের কল্যাণ, পুনর্বাসন ও সম্মান নিশ্চিত করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ‘জুলাই শহিদ দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে সিলেট জেলা প্রশাসনের আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় সিসিক প্রশাসক বলেন, বিগত ১৭ বছরের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান চূড়ান্ত রূপ লাভ করে।
দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত সেই আন্দোলনে অসংখ্য নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ জীবন উৎসর্গ করেছেন এবং নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।
তিনি বলেন, “যারা দীর্ঘ ১৭ বছর রাজপথে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন করেছেন এবং যারা জুলাই আন্দোলনে সরাসরি অংশ নিয়ে আত্মত্যাগ ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন, তাদের অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।”
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনে আহতদের সুচিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং শহীদ পরিবারের সার্বিক কল্যাণে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
রাষ্ট্র তাদের পাশে ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাই আন্দোলনের ইতিহাস ও আত্মত্যাগের চেতনা তুলে ধরার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।
আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. এনামুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেলুর রহমান, সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. মো. নাসির উদ্দিন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. শামসুজ্জামান এবং সমাজসেবা অধিদপ্তর, সিলেটের উপপরিচালক মো. আব্দুর রফিক।
শহীদ পরিবারের পক্ষে বক্তব্য দেন শহীদ পাভেলের পিতা মো. রফিক উদ্দিন এবং শহীদ মিনহাজ আহমদের বড় ভাই সাঈদ আলমগীর।
এছাড়া বক্তব্য দেন জুলাই যোদ্ধা সংসদ সিলেটের আহ্বায়ক লিটন আহমেদ এবং ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’র সদস্যসচিব আব্দুল মতিন।
আলোচনা সভায় শহীদ পরিবারের সদস্যরা নিয়মিত তাঁদের খোঁজখবর রাখা, আর্থিক ও সামাজিক সহায়তা অব্যাহত রাখা, আহতদের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা, জুলাই আন্দোলনে সিলেট জেলার ১৪ জন শহীদের স্মৃতি সংরক্ষণে তাঁদের নামে সড়ক বা গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের নামকরণ এবং শহীদ পরিবার ও আহতদের জন্য একটি স্থায়ী কল্যাণ তহবিল গঠনের দাবি জানান।
এর আগে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর নেতৃত্বে রিকাবীবাজারে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তারা।
এ সময় সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন, নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ উল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
» জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসবের আলোচনা সভায় সিসিক প্রশাসক
Published: ১৬. জুলা. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে : আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সিলেট হাজার বছরের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জনপদ।
এ অঞ্চলে সব ধর্ম-বর্ণের মানুষ যুগ যুগ ধরে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্যের বন্ধনে আবদ্ধ থেকে বসবাস করে আসছেন। এই ঐতিহ্য ও সম্প্রীতি আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এ সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) শ্রী শ্রী জগন্নাথ, বলদেব ও শুভদ্রা মহারানীর রথযাত্রা মহোৎসব উপলক্ষে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) সিলেটের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভা এবং শোভাযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, বর্তমান সরকার একটি অসাম্প্রদায়িক, মানবিক ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর।
সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার, নিরাপত্তা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। প্রতিটি ধর্মীয় উৎসব যাতে শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশন সবসময় ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে কাজ করে যাচ্ছে।
রথযাত্রা সহ সকল ধর্মীয় অনুষ্ঠানে প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে সিটি কর্পোরেশন সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।
ইসকন বাংলাদেশের সহ-সভাপতি শ্রীমৎ স্বামী ভক্তি অদ্বৈত নবদ্বীপ মহারাজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্য দেন ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন, সিলেটের সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাশ।
অনিরুদ্ধ দাশ বলেন, রথযাত্রা কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়; এটি শান্তি, মানবতা, ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির বার্তা বহন করে। বাংলাদেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে যে সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বিদ্যমান, তা আরও সুদৃঢ় হোক-এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের দ্বিতীয় সচিব রাজেশ ভাটিয়া।
আলোচনা সভা শেষে প্রধান অতিথি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাশ সহ অতিথিবৃন্দ আনুষ্ঠানিকভাবে রথযাত্রা মহোৎসবের শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন।
» পূর্ব শাপলাবাগে মতবিনিময় সভায় সিসিক প্রশাসক
Published: ১৬. জুলা. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
পর্যায়ক্রমে সব নাগরিক সমস্যার সমাধান করা হবে
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, জনগণের সমস্যার সমাধান করাই সিটি কর্পোরেশনের প্রধান দায়িত্ব।
নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আমরা ধারাবাহিকভাবে কাজ করছি।
নাগরিকদের প্রয়োজন ও অগ্রাধিকার বিবেচনায় নিয়ে পর্যায়ক্রমে সব সমস্যার সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) নগরীর ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব শাপলাবাগ এলাকাবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি জনগণের সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সড়ক, ড্রেন, আলোকায়ন সহ নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণে সিটি কর্পোরেশন কাজ করছে। এলাকার যৌক্তিক দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, জনগণের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের মাধ্যমে সমস্যা চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।
উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে একটি সুন্দর, পরিকল্পিত ও জনবান্ধব নগর গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
পূর্ব শাপলাবাগে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, পূর্ব শাপলাবাগ জামে মসজিদের সাবেক মোতওয়াল্লি মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, ফুলবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এমদাদ হোসেন টিপু। ওয়ার্ড বিএনপির শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিবের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন, কানাইঘাট ডিগ্রি কলেজের অধ্যাপক বশির আহমদ এবং পূর্ব শাপলাবাগ এলাকার মুরুব্বি শওকতুর রহমান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ৩২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জিয়াউর রহমান সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ আলম, জেলা বিএনপি নেতা ইজ্জাদ আহমদ, বিএনপি নেতা দীপক রায়, আলাউদ্দিন, রফিক আহমদ, শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের আহ্বায়ক মাহবুব হোসেন, শামসুল হক, আব্দুল মালিক, আব্দুল কাদির, আজমল হোসেন আজাদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
» সিলেটে শাহজালাল জামেয়া নাজিরেরগাওয়ে কিশোরকন্ঠ পাঠক ফোরামের দোয়া মাহফিল
Published: ১৬. জুলা. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
শহীদ আবু সাঈদই শিক্ষার্থীদের গুলির সামনে বুক পেতে দিতে শিখিয়েছিল : মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার
বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরীনের সহকারী জেনারেল সেক্রেটারি মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার বলেছেন, জুলাই যোদ্ধা শহীদ আবু সাঈদের শাহাদাত পুরো আন্দোলনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
তিনি বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সিলেটের জালালাবাদ থানার অন্তর্গত কিশোরকন্ঠ পাঠক ফোরাম শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল মাদরাসা নাজিরেরগাঁও শাখা আয়োজিত ২০২৪-এর ১৬ জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
শাখা পাঠক ফোরামের পরিচালক হোসাইন আহমদের সভাপতিত্বে ও সহকারী পরিচালক জাহিদুল ইসলামের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষানুরাগী সিদ্দিকুর রহমান, খোরশেদ আলম মহসিন, মো. শাহীন আলম, শেখ মুহাম্মদ ইউনুস আলী, আজিজুর রহমান, আলা উদ্দীন, মাওলানা মেহেদী হাসান, মাওলানা আব্দুল খালিক, হাফিজ ইমরান আহমদ, মাওলানা আমীর হোসাইন, মাওলানা কায়েস আহমদ এবং ছাত্র প্রতিনিধি ইউসুফ আহমদ ফাহিম, হাফিজ ফাহাদ আহমদ, আব্দুর রাজ্জাক সৈয়দ, মাহিন ও ফুয়াদ আল রাব্বী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার বলেন, শহীদেরা জীবন বিলিয়ে দিয়ে, দেশপ্রেমিক ছাত্রজনতা রক্ত ও ত্যাগের মাধ্যমে নতুন একটি দেশ উপহার দিয়েছেন।
» স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে ‘জুলাই শহিদ দিবস–২০২৬’ উপলক্ষে স্মরণসভা
Published: ১৬. জুলা. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
‘জুলাই শহিদ দিবস–২০২৬’ উপলক্ষে স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে এক আলোচনা সভা, স্মরণানুষ্ঠান ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনের শহিদদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয় এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করা হয়। একই সঙ্গে তাঁদের আদর্শ ধারণ করে বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই আন্দোলনের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
পরে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কলেজের সম্মানিত অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক বলেন, “জুলাই শহিদদের আত্মত্যাগ আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক অনন্য অধ্যায়।
তাঁদের ত্যাগ নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম, ন্যায়বোধ ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করবে।
শহিদরা যে বৈষম্যহীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের দায়িত্ব আজকের তরুণ প্রজন্মের। মেধা, সততা ও দেশপ্রেমের শক্তিতেই বাংলাদেশ আরও সমৃদ্ধ ও মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্রে পরিণত হবে।”
তিনি শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
স্বাগত বক্তব্য দেন, কলেজের একাডেমিক ইনচার্জ প্রভাষক কাজী শাখাওয়াত হোসেন।
শিক্ষকদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন, প্রভাষক শরিফুল ইসলাম ও প্রভাষক মীর হোসাইন সরকার।
শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য দেন, একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী আশফাক হোসাইন এবং ইংরেজি ভার্সনের শিক্ষার্থী নুজহাত তাসপিয়া চৌধুরী।
বক্তারা জুলাই আন্দোলনের শহিদদের অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে তাঁদের আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে একটি ন্যায়ভিত্তিক, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, প্রভাষক তোফায়েল আহমেদ শিহাব।
সমাপনী পর্বে জুলাই আন্দোলনের সকল শহিদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন প্রভাষক উসমান গণী।
স্মরণসভায় উপাধ্যক্ষ প্রাথমিক শাখা নাহিদা খানসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে এক শোকগম্ভীর, মর্যাদাপূর্ণ ও শ্রদ্ধাময় পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

