- স্বাস্থ্য শাখার কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়
- সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে সেলফ্লেস ইউকের চিকিৎসক দলের সাক্ষাৎ
- শুকরিয়া মার্কেট পরিদর্শনে সিসিক প্রশাসক
- তরুণ প্রজন্মকে মেধাবী হওয়ার পাশাপাশি ভালো মানুষ হতে হবে : মাওলানা হাবিবুর রহমান
- সিলেটে শাহজালাল জামেয়া নাজিরেরগাঁওয়ে ‘৩৬ জুলাই’ শীর্ষক আলোচনা
- সিলেট আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবীদের লিফলেট বিতরণ
- শাহ্ খুররম ডিগ্রী কলেজে ভবন বরাদ্দ
- জুলাই অভ্যুত্থান বর্ষপুর্তিতে সিলেটে খেলাফত মজলিসের সমাবেশ
- শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
- বিয়ানীবাজারের প্রাইমারি দেশসেরা, দুই উপজেলায় শিক্ষার হারানো গৌরব ফেরাতে মরিয়া এমপি এমরান
» স্বাস্থ্য শাখার কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়
Published: ২৩. জুলা. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে নির্দেশনা দিলেন সিসিক প্রশাসক
নিউজ ডেস্কঃ
জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নাগরিকবান্ধব সেবা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়েছেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সিসিকের স্বাস্থ্য শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব নির্দেশনা দেন।
সভায় সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার সহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সিসিক প্রশাসক বলেন, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সনদ নাগরিকের মৌলিক অধিকার। সনদ গ্রহণের ক্ষেত্রে কোন নাগরিক যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
সরকার নির্ধারিত ফির বিনিময়ে দ্রুত ও সহজভাবে সেবা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, “সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে সদাচরণ করতে হবে এবং কোন ধরনের অনিয়ম বা অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নাগরিকসেবা সহজ, স্বচ্ছ ও সময়োপযোগী করাই আমাদের লক্ষ্য।”
সভায় সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সংক্রান্ত আইন ও বিধিমালার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
তিনি জানান, ১৮ বছর বা তদূর্ধ্ব ব্যক্তিদের জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদনকারীকে নিজেই আবেদন করতে হবে। আর ১৮ বছরের কম বয়সীদের ক্ষেত্রে তাদের আইনানুগ অভিভাবক আবেদন করবেন।
স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আবেদনকারীকে স্বশরীরে অফিসে উপস্থিত হয়ে আবেদন জমা দিতে হবে।
তিনি আরও জানান, জন্ম নিবন্ধনের ক্ষেত্রে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য সরকার নির্ধারিত ফি ২৫ টাকা এবং ৫ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য ৫০ টাকা।
জন্ম সনদ সংশোধনের জন্য নির্ধারিত ফি ১০০ টাকা।প্রবাসীদের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের বিষয়ে তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের মাধ্যমে আবেদন করা উচিত।
তবে বাংলাদেশে অবস্থানরত প্রবাসীরা উপযুক্ত প্রমাণপত্র সহ আবেদন করলে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
মৃত্যু নিবন্ধনের ক্ষেত্রে কেবল আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতেই সনদ প্রদান করা হবে বলেও তিনি জানান।
তিনি বলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশন এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা অথবা সিসিক এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তিরাই সিলেট সিটি কর্পোরেশন থেকে জন্ম বা মৃত্যু সনদ পাওয়ার উপযুক্ত বলে বিবেচিত হবেন।
এ ছাড়া ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্ম নিবন্ধনের সময় টিকাকার্ড প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
সিসিকের আঞ্চলিক কার্যালয়ের আওতাধীন ওয়ার্ডের বাসিন্দারা সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক কার্যালয় থেকেই জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের আবেদন করতে পারবেন।
সভায় সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (অঞ্চল-২) সুমন চন্দ্র দাশ, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (অঞ্চল-৫) নূসরাত লায়লা নীরা, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ একলিম আবদীনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
» সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে সেলফ্লেস ইউকের চিকিৎসক দলের সাক্ষাৎ
Published: ২৩. জুলা. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
সিলেট নগরবাসীর চিকিৎসাসেবায় কাজ করবে সেলফলেস ইউকে
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট নগরবাসীর চিকিৎসাসেবা উন্নয়নে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবিক সংগঠন সেলফ্লেস ইউকে-এর চিকিৎসকরা।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে নগর ভবনে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে সেলফ্লেস ইউকে-এর ১০ সদস্যের চিকিৎসক প্রতিনিধি দল এ আগ্রহের কথা জানান।
এ সময় সিসিক প্রশাসক চিকিৎসকদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, “সিলেটের মানুষের চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নে দেশ-বিদেশের চিকিৎসক ও মানবিক সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সেলফ্লেস ইউকে যে আন্তরিকতার সঙ্গে সিলেটের মানুষের পাশে দাঁড়াতে চায়, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় উদ্যোগ।”
তিনি আরও বলেন, “সিটি কর্পোরেশন নাগরিকদের জন্য মানসম্মত ও সহজলভ্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।
এ ধরনের আন্তর্জাতিক মানবিক উদ্যোগের সঙ্গে সমন্বয় করে চিকিৎসাসেবা আরও সম্প্রসারণ ও কার্যকর করা সম্ভব হবে। আমরা ভবিষ্যতে যৌথভাবে স্বাস্থ্য ক্যাম্প, সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা প্রদানের বিষয়ে আলোচনা করতে আগ্রহী।”
সাক্ষাৎকালে সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার এবং প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
চিকিৎসক প্রতিনিধি দলে ছিলেন, ডা. বারিদা পই, ডা. এলিসিয়া জ্যাকসন, ডা. নাওমি পটস, ডা. আন্নাহ ফারওয়া, ডা. আমিনা চৌধুরী, ডা. আমনা ইমরান, ডা. অশ্বিনদার গুগনানি, ডা. কাওলান ইরেনাচ, ডা. নাঈম আহমদ ও ডা. জাহাঙ্গীর আলম।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, সেলফ্লেস বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুস সামাদ চৌধুরী।
» শুকরিয়া মার্কেট পরিদর্শনে সিসিক প্রশাসক
Published: ২৩. জুলা. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারের শুকরিয়া মার্কেট পরিদর্শন করেছেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) তিনি মার্কেটটি পরিদর্শন করেন এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
মতবিনিময়কালে ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি কিবরিয়া হোসেন নিঝুম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রূপন খান, সহ-সভাপতি এনামুল হক চৌধুরী, মো. সাবুল মিয়া, শাহ কামিল আহমেদ, মারুফ হোসেন, তরুণ মিয়া, ফয়েজ আহমেদ, মাসুক মিয়া, আলি আহমেদ কামাল, হাবিবুর রহমান, জাকির হোসেন, আকিকুর রহমান, অমিত সূত্রধর, নাসিম হোসেন, হুমায়ূন আহমেদ মাসুকসহ ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
» তরুণ প্রজন্মকে মেধাবী হওয়ার পাশাপাশি ভালো মানুষ হতে হবে : মাওলানা হাবিবুর রহমান
Published: ২৩. জুলা. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে ইসলামী মূল্যবোধের সমন্বয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে ইবনে সিনা সিলেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান মাওলানা হাবিবুর রহমান বলেছেন, শিশুদের নৈতিক, আদর্শিক ও মানবিক গুণাবলি বিকাশে মানসম্মত শিক্ষার কোন বিকল্প নেই।
শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নয়, চরিত্রবান, দায়িত্বশীল ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে হবে। তবেই তারা ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।
তিনি বলেন, আমাদের আগামীর তরুণ প্রজন্মকে মেধাবী শিক্ষার্থীর পাশাপাশি ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
আধুনিক জ্ঞানচর্চার সঙ্গে ইসলামী মূল্যবোধের সমন্বয় ঘটিয়ে শিক্ষাদানই সময়ের দাবি। তানজিম ইন্টারন্যাশনাল তাহফীজ স্কুল সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সিলেট নগরীর শাহী ঈদগাহস্থ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত তানজিম ইন্টারন্যাশনাল তাহফীজ স্কুলের প্রি-স্কুল ও প্রাইমারি শাখার শিক্ষার্থীদের গ্রাজুয়েশন সেরিমনি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বর্ণাঢ্য এ আয়োজনে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক, সুধীজন ও আমন্ত্রিত অতিথিদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে মিলনায়তন মুখরিত হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক)-এর চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, তানজিম ইন্টারন্যাশনাল তাহফীজ স্কুলের শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে দেশ, জাতি ও সমাজের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে তিনি আশাবাদী।
তিনি বলেন, সঠিক দিকনির্দেশনা ও আদর্শিক শিক্ষার মাধ্যমে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জাতির যোগ্য সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। প্রতিষ্ঠানের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. শাফি আহমদ, স্কলার্স একাডেমি ঢাকার পরিচালক মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ, হিলসিটি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রধান শিক্ষক এখলাছে এলাহী এবং শিক্ষাবিদ জিল্লুর রহমান।
স্কুলের কো-অর্ডিনেটর সাঈদ হোসাইনের সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, হামদ-নাত, আবৃত্তি, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও বিভিন্ন সৃজনশীল অনুষ্ঠান উপস্থাপন করে।
তাঁদের প্রাণবন্ত পরিবেশনা উপস্থিত অভিভাবক ও অতিথিদের মুগ্ধ করে এবং করতালিতে মুখরিত হয় পুরো মিলনায়তন।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে গ্রাজুয়েট শিক্ষার্থীদের হাতে সনদপত্র, ক্রেস্ট ও বিভিন্ন সম্মাননা তুলে দেন অতিথিরা।
এ সময় আনন্দঘন পরিবেশে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো।
শুভেচ্ছা, করতালি ও স্মৃতিচারণের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি এবং নতুন শিক্ষাযাত্রার সূচনাকে স্মরণীয় করে রাখা হয়।
» সিলেটে শাহজালাল জামেয়া নাজিরেরগাঁওয়ে ‘৩৬ জুলাই’ শীর্ষক আলোচনা
Published: ২৩. জুলা. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
ভয়হীন নতুন প্রজন্মই আগামীর বাংলাদেশ : মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার
নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরীনের সহকারী জেনারেল সেক্রেটারি মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার বলেছেন, জুলাইয়ের অভিজ্ঞতা থেকে ভবিষ্যতের জন্য শিক্ষা গ্রহণ জরুরী।
এ আন্দোলনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো, নতুন প্রজন্ম শুধু রাজনৈতিকভাবে সচেতন নয়, তারা রাজনৈতিকভাবে সক্ষম এবং তারা আর ভয় পায় না।
নতুন প্রজন্ম ভয়কে জয় করার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সক্ষম। রাষ্ট্র যতই শক্তিশালী হোক, ইতিহাস ও হ্যাশট্যাগের শক্তি একসঙ্গে থাকলে প্রতিরোধ করা যায় না। কারণ ভয়হীন নতুন প্রজন্মই আগামীর বাংলাদেশ।
তিনি বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল (স্নাতকোত্তর) মাদরাসা নাজিরেরগাঁও সিলেটের ছাত্র সংসদ আয়োজিত তামাদ্দুনিক সভায় ‘৩৬ জুলাই : আমার ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।
পৃথক দু‘টি আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন তামাদ্দুনিক কমিটির আহবায়ক খোরশেদ আলম মহসিন ও উন্নয়ন কমিটির আহবায়ক সিদ্দিকুর রহমান।
ছাত্র সংসদের ভিপি হাফিজ ফাহাদ আহমদের উপস্থাপনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষক মাওলানা হানীফ হোসাইন, মাওলানা আবদাল হোসাইন, আলাউদ্দিন, হাফিজ মেহেদী হাসান, হাফিজ ইমরান আহমদ, মাওলানা আব্দুল খালিক, মাওলানা আমীর হোসাইন, তানভীর আহমদ, হাফিজ সাইদুজ্জামান, ছাত্র সংসদের জিএস আব্দুর রাজ্জাক সৈয়দ ও অর্থ সম্পাদক আবুল কালাম প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার, শিক্ষার্থীদের মেধা, মনন ও নৈতিক বিকাশে তামাদ্দুনিক সভা সমাবেশ নিয়মিত হওয়া দরকার। তাদেরকে ভবিষ্যতে কর্ণধার হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
স্কিল ডেভেলপমেন্ট নিশ্চিত করতে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের হৃদয়ে দেশপ্রেম জাগিয়ে রাখতে হবে।
মানবতার কল্যাণে নিবেদিত হতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। যোগ্যতা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে মোটিভেশান অব্যাহত রাখতে হবে। পরিশীলিত জীবন যাপনে অভ্যস্ত করতে হবে।
» সিলেট আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবীদের লিফলেট বিতরণ
Published: ২৩. জুলা. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
১১ দলীয় ঐক্যের শনিবারের সিলেট বিভাগীয় সমাবেশ সফলের আহ্বান
নিউজ ডেস্কঃ
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও তার দোসরদের বিচারের দাবিতে আগামী শনিবার (২৫ জুলাই) সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিতব্য ১১ দলীয় ঐক্যের সিলেট বিভাগীয় সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে সিলেট আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবীদের মধ্যে লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) আইনজীবীদের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে জামায়াত, জাতীয় নাগরিক পার্টি(এনসিপি)সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আইনজীবী নেতৃবৃন্দ ও জেলা আইনজীবী সমিতির বিপুলসংখ্যক সদস্য অংশ নেন। আদালত প্রাঙ্গণের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়ে তারা আইনজীবীদের হাতে লিফলেট তুলে দেন এবং আগামী শনিবারের সমাবেশে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
লিফলেট বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন-এনসিপি সিলেট মহানগরের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান আফজল, সিলেট মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মো. আব্দুর রব, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সিলেট মহানগরের সভাপতি অ্যাডভোকেট জামিল আহমদ রাজু, অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ওয়াদুদ টিপু, অ্যাডভোকেট মো. আজীম উদ্দীন, অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল খালিক, অ্যাডভোকেট মো. সফিকুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেন শামীম, অ্যাডভোকেট মো. সোলেমান আলী, অ্যাডভোকেট জুনেদ আহমদ, অ্যাডভোকেট নাজমুল হুদা, অ্যাডভোকেট আবজল মিয়া তালুকদার, অ্যাডভোকেট মো. রবিউল ইসলাম, অ্যাডভোকেট মইনুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট কাজী আতিকুল ইসলাম, ব্যারিস্টার আবুল ফজল চৌধুরী, অ্যাডভোকেট মোজাম্মেল আলী, অ্যাডভোকেট সালেহ আহমদ এবং অ্যাডভোকেট আব্দুল গফ্ফার প্রমূখ।
লিফলেট বিতরণকালে নেতৃবৃন্দ বলেন, জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন এবং দেশকে গণতান্ত্রিক ধারায় এগিয়ে নিতে সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
আগামী ২৫ জুলাইয়ের সিলেট বিভাগীয় সমাবেশকে শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও জনসমাগমপূর্ণ করার মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা ও ঐক্যের বার্তা তুলে ধরতে তারা আইনজীবীসহ সিলেটবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
এসময় নেতৃবৃন্দ বলেন, জুলাই গণআন্দোলনের চেতনা ও গণআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে জনগণের ঐক্যবদ্ধ অবস্থান আরও সুসংহত করা প্রয়োজন।
জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও তার দোসরদের বিচার নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। এলক্ষ্যেই ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে সিলেটে বিভাগীয় সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। আইনজীবীসহ সর্বস্তরের মানুষকে সমাবেশে অংশ নিয়ে গণরায়ের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নেয়ার আহ্বান জানান তারা।
» শাহ্ খুররম ডিগ্রী কলেজে ভবন বরাদ্দ
Published: ২৩. জুলা. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নতুন ভবনে এই অঞ্চলের শিক্ষাবিস্তারে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে : কয়েস লোদী
মুক্তাদিরের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও দোয়া মাহফিল
নিউজ ডেস্কঃ
শাহ্ খুররম ডিগ্রী কলেজের জন্য একাডেমিক ভবন বরাদ্দ করায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, এমপির প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) কলেজ প্রাঙ্গণে এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক)-এর চেয়ারম্যান ও শাহ্ খুররম ডিগ্রী কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি রেজাউল হাসান লোদী কয়েস।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভৌত অবকাঠামোর উন্নয়ন শিক্ষার পরিবেশ সুন্দর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
শাহ্ খুররম ডিগ্রী কলেজের এই ভবন বরাদ্দ পাওয়ায় অবহেলিত এ এলাকার শিক্ষাবিস্তারে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো।
এজন্য আমরা মাননীয় মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।”
বক্তব্যে তিনি কলেজের সার্বিক উন্নয়নে অঙ্গীকার ব্যক্ত করে আরও বলেন, “বর্তমানে ভবনের একতলার দরপত্র (টেন্ডার) হয়েছে। কিন্তু কলেজের শিক্ষার্থীদের মূল দাবি হলো চারতলা ফাউন্ডেশন থাকায় পুরো ভবনটি যেন চারতলা করা হয়।
কলেজে ইতোমধ্যে নতুন পাঁচটি বিষয়ে অনার্স কোর্স অনুমোদন পেয়েছে। ফলে পর্যাপ্ত ভবন না থাকলে ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাস নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়বে এবং তাদের বসারও স্থান থাকবে না।
এছাড়া শিক্ষার্থীদের অডিটোরিয়াম ও খেলার মাঠের যে দাবি রয়েছে, তা দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য আমরা প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়ার অঙ্গীকার করছি।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি, সাবেক ৬নং টুকেরবাজার ইউপি চেয়ারম্যান ও কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সম্মানিত সদস্য শহীদ আহমদ এবং সিলেট সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি, সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আবুল কাশেম।
কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কমর উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং অধ্যাপক কানিজ ফাতেমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অধ্যাপক কৃষ্ণ ভট্টাচার্য্য, অধ্যাপক আব্দুস শহীদ, অধ্যাপক সুবেন্দ্র শেখর পাল, অধ্যাপক মিন্টু চন্দ্র দাস, অধ্যাপক রণদীপ চৌধুরী, অধ্যাপক পানামা বেগম, অধ্যাপক সঞ্জয় কুমার তালুকদার, অধ্যাপক আব্দুল বারী, অধ্যাপক জালাল মিয়া, অধ্যাপক শরীফ উদ্দিন ও অধ্যাপক শফিক মিয়া সহ কলেজের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।
পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।
কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন একাদশ শ্রেণীর ছাত্র জুবায়ের আহমেদ এবং গীতা পাঠ করেন একাদশ শ্রেণীর ছাত্র রহিত দাস।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, ৩৯নং ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক আলী আহমদ, সদস্য সচিব এনামুল হোসেন, জেলা যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল কালাম, ৩৯নং ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. ফরিদ উদ্দিন, মো. জহির উদ্দিন, পীরপুর পাড়া কমিটির সভাপতি নুরুল হক, মহানগর যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক মো. শামীম আহমদ, মো. আবদুর রকিব ও আলী রহমান।
অনুষ্ঠানে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে কলেজের সার্বিক সমৃদ্ধি এবং মাননীয় মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
» জুলাই অভ্যুত্থান বর্ষপুর্তিতে সিলেটে খেলাফত মজলিসের সমাবেশ
Published: ২৩. জুলা. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
বিগত দিনে সিলেটের সাথে বৈষম্য করা হয়েছে : মুফতি আবুল হাসান এমপি
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মুফতি মোহাম্মদ আবুল হাসান বলেছেন, বিগত দিনসমূহে সিলেটের সাথে চরম বৈষম্য করা হয়েছে।
যার ফলে উন্নয়নের সব সূচকেই আমাদের সিলেট পিছিয়ে।জুলাই অভ্যুত্থানের মূল চেতনা ছিল বৈষম্য মুক্ত বাংলাদেশ গড়া।
অভ্যুত্থানোত্তর বাংলাদেশে সিলেটবাসী আর বৈষম্য দেখতে চায়না। তিনি ঢাকা-সিলেট রেললাইন আধুনিকায়ন, ছয় লেনের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করণ, ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হতে সকল দেশে ফ্লাইট পরিচালনা ও সিলেটের গ্যাস দিয়ে সিলেটের গ্রাহকদের আবাসিক চাহিদা পুরণে পদক্ষেপ গ্রহণের দাবী জানিয়ে বলেন, ‘প্রবাসী অধ্যুষিত সিলেটের রেমিট্যান্স দিয়ে দেশের রিজার্ভের সিংহভাগ যোগান হয়, সেই সিলেট উন্নয়নের দিক দিয়ে পিছিয়ে থাকবে; তা মেনে নেয়া যায়না।
আমাদের মধ্যে রাজনৈতিক মত ভিন্নতা থাকতে পারে, তবে সিলেটের উন্নয়নের জন্য আমরা সবাই একজোট। আমরা সংসদের ভিতরে সোচ্চার আছি। প্রয়োজনে সংসদের বাইরেও সোচ্চার হবো।’
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে রেজিস্ট্রারী মাঠে খেলাফত মজলিস সিলেট জেলা শাখার আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য উপরোক্ত কথাগুলো।
জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষকী উপলক্ষে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন, শাপলা ও জুলাই আন্দোলনে মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচার দ্রুত শেষ করার দাবীতে এ সমাবেশ ও গণ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
মুফতি আবুল হাসান এমপি আরো বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনের চেতনা ছিলো বৈষম্য মুক্ত বাংলাদেশ গড়া, ন্যায়-ইনসাফের সমাজ গড়া এবং সকল আধিপত্যবাদ মুক্ত স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়ার।
আমরা যদি এদেশকে বৈষম্য মুক্ত না করতে পারি।যদি পরিনা দেশে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে,তাহলে জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনার সাথে আমরা গাদ্দারী করবো।
আমরা যদি সকল আধিপত্যবাদী শক্তির মোকাবিলা করে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে না পারি,তাহলে শহীদ আবু সাঈদ,মূগ্ধ,আবরার ও হাদীর কাছে কী জবাব দেবো?
আজ সময় এসেছে, দেশকে এগিয়ে নেয়ার, সুখী-সমৃদ্ধশালী রাষ্ট্র গড়ার। এজন্য সকল ভেদাভেদ ভূলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের কল্যাণের তরে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’
সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মুহাম্মদ মুনতাসির আলী ও কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আবদুল হান্নান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ মুনতাসির আলী বলেন, দেশের ত্রিশটি রাজনৈতিক দল সর্ব সম্মতিক্রমে যে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করলো এবং গণ ভোটের মাধ্যমে যে সনদ জনরায়ে পাশ হলো সেই সনদ বাস্তবায়নে টালবাহানা চলছে।যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।অবিলম্বে জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন করতে হবে।
কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও সিলেট জেলা সভাপতি মাওলানা নেহাল আহমদের সভাপতিত্বে ও জেলা সেক্রেটারি মাওলানা দিলওয়ার হোসাইন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিন্সিপাল হাফিজ মাওলানা শিব্বির আহমদের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, সিলেট মহানগর সভাপতি হাফিজ মাওলানা তাজুল ইসলাম হাসান, জেলা সহ-সভাপতি মাওলানা মুখলিছুর রহমান, মাওলানা সৈয়দ আলী আসগর, মহানগর সহ সভাপতি আবদুল হান্নান তাপাদার, মাওলানা শাহ আশিকুর রহমান, জেলা সহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা অলিউর রহমান, মাওলানা আশিকুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা কাজী আবদু ওয়াদুদ, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি পরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগর সভাপতি মুহিবুর রহমান রায়হান, সিলেট পশ্চিম জেলা সভাপতি আবদুল বাসিত, শ্রমিক মজলিস সিলেট মহানগর সভাপতি আবদুর রহীম প্রমূখ।
সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন, খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগর সহ সভাপতি মাওলানা শামসুদ্দিন মুহাম্মদ ইলয়াস, ডাক্তার ফয়জুল হক, জেলা সহ সভাপতি শামসুল ইসলাম, মাওলানা আবদুস সালাম, মহানগর সহ সাধারণ সম্পাদক মাসুদ আহমদ ও মাওলানা জুনায়দ আহমদ প্রমূখ।
সমাবেশ শেষে এক বিরাট গণমিছিল নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে চৌহাট্টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।
» শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
Published: ২৩. জুলা. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোন বিকল্প নেই-সিকৃবি ভিসি
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) এর ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলাম বলেছেন পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোন বিকল্প নেই।
একটি গাছ শুধু অক্সিজেনই দেয় না, এটি মানুষের জীবন, প্রকৃতি ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তার অন্যতম ভিত্তি।
একটি সবুজ ক্যাম্পাস একটি সুন্দর, স্বাস্থ্যকর ও টেকসই শিক্ষাব্যবস্থার প্রতীক। তাই প্রত্যেকের উচিত অন্তত একটি করে গাছ রোপণ করা এবং তার যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করা।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি সিলেটের ৩টি শাখা-সিলেট, দরগাহ গেইট, সুবিদবাজার শাখার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপাচার্য শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক (সিএসআর) কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, নিয়মিত ব্যাংকিং কার্যক্রমের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ধারাবাহিকভাবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক সমাজের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এ.টি.এম. মাহবুব-ই-ইলাহী, প্রক্টর ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সামিউল আহসান তালুকদার, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. জসিম উদ্দিন আহাম্মদ, পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) প্রফেসর ড. মো. রুহুল আমিন, প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী (অ.দা.) প্রফেসর ড. মুহাম্মদ রাশেদ আল মামুন, জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক কৃষিবিদ খসরু মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, ডিনবৃন্দ, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, দপ্তর প্রধানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী-শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
দ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিকৃবির হলরুমে আয়োজিত মতবিনিময়কালে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন, দরগাহ গেইট শাখার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপক মো. খুরশীদ আলম।
তিনি বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনের অংশ হিসেবে ব্যাংক প্রতিবছর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
আয়োজক তিনটি শাখার প্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট শাখার ডেপুটি ম্যানেজার ও সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মোছাম্মৎ স্বপ্না বেগম এবং সুবিদবাজার শাখার ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপক আহমেদুর রশিদ চৌধুরী।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, মৌলভীবাজার শাখার ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মদব্বির আহমেদ, গোয়ালাবাজার শাখার এফএভিপি ও ব্যবস্থাপক মো. সিরাজউদ্দিন তপাদার, দরগাহ গেইট শাখার অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ডেপুটি ম্যানেজার মোছাম্মৎ হাসিনা আক্তার, জেএভিপি মাহবুব আহমেদ চৌধুরী, ইনভেস্টমেন্ট ইনচার্জ মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, সিলেট শাখার ইনভেস্টমেন্ট ইনচার্জ আবু সাইদ এবং ব্যাংকের কর্মকর্তা গোলাম সারওয়ার চৌধুরী সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি. সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে প্রায় এক দশক ধরে সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ধারাবাহিকভাবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছে।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রতিবছরই ব্যাংক এ ধরনের সেবামূলক কর্মসূচি পালন করছে।
ইতোমধ্যে সিলেটের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।
» বিয়ানীবাজারের প্রাইমারি দেশসেরা, দুই উপজেলায় শিক্ষার হারানো গৌরব ফেরাতে মরিয়া এমপি এমরান
Published: ২৩. জুলা. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ
নির্বাচনের আগে অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরীর অঙ্গীকার ছিলো, বিজয়ী হলে গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজারের শিক্ষার হারানো গৌরব ফেরাতে সচেষ্ট হবেন।
সেই পথেই এখন হাঁটছেন সিলেট-৬ আসনের সাংসদ। এমপি হওয়ার ৬ মাসের মাথায় তাঁর নির্বাচনি এলাকাধীন বিয়ানীবাজার উপজেলার খাসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অর্জন করে দেশসেরা পদক।
জাতীয় পর্যায়ে ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬’ অর্জন করায় খাসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, জাতীয় পর্যায়ে বিয়ানীবাজারের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই অর্জন শুধু উপজেলার নয়, সমগ্র সিলেটবাসীর জন্য গর্বের।
তিনি আরও বলেন, একটি বিদ্যালয়ের জাতীয় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের পেছনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টা রয়েছে।
মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সবাইকে একইভাবে কাজ করে যেতে হবে। এই সাফল্য অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকেও অনুপ্রাণিত করবে এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে ইতিবাচক প্রতিযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টি করবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে হাবিবা মজুমদার-এর সভাপতিত্বে এবং শিক্ষক তন্ময় পাল চৌধুরী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী রায়হান আলম সাজুর যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিয়ানীবাজার আদর্শ মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মুজিবুর রহমান, বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ আবু জাফর মো. মাহফুজুল কবির, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নৃপেন্দ্র নাথ তালুকদার, জেলা বিএনপির শিশু-বিষয়ক সম্পাদক ছিদ্দিক আহমদ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আহমেদ রেজা, উপজেলা জামায়াতের আমির মোস্তফা উদ্দিন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাফসা বেগম, সমাজকর্মী হুমায়ুন কবির আখিল, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পারভেজ তালুকদার, অভিভাবক সদস্য সারোয়ার হোসেন ও হোসাইন আহমদ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে জাতীয় সংগীত পরিবেশন, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, নাচ-গান সহ এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।
অপরদিকে, বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকালে সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণ, ভিক্ষুক পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় বিয়ানীবাজারে সমাজসেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে ছাগল, সুবর্ণ নাগরিক কার্ড এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ করেন, অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী। উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে হাবিবা মজুমদারের সভাপতিত্বে ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা অনুজ চক্রবর্তীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, বিয়ানীবাজার থানার ওসি আবু জাফর মো. মাহফুজুল কবির, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আহমদ রেজা, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুর সবুর, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন।
উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচীতে এলাকার সুবিধাবঞ্চিত ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন জনগণের মাঝে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে এসব সহায়তা সামগ্রী ও ঋণ হস্তান্তর করা হয়।
» উল্টো রথযাত্রা শুক্রবার; প্রধান অতিথি বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির
Published: ২৩. জুলা. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) সিলেটের উদ্যোগে আগামীকাল শুক্রবার (২৪ জুলাই) অনুষ্ঠিত হবে উল্টো রথযাত্রা মহোৎসব।
নয় দিনব্যাপী রথযাত্রা উৎসবের সমাপনী দিনে বিকেল ৩টায় ইসকন সিলেট মন্দির প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা এবং বিকেল ৪টায় নগরজুড়ে বের হবে বর্ণাঢ্য উল্টো রথযাত্রার শোভাযাত্রা।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
সভাপতিত্ব করবেন, আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) বাংলাদেশের সহ-সভাপতি ও ইসকন সিলেটের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ ভক্তি অদ্বৈত নবদ্বীপ স্বামী মহারাজ।
বিকেল ৪টায় ইসকন সিলেট মন্দির থেকে শোভাযাত্রাটি রিকাবীবাজার, চৌহাট্টা, জিন্দাবাজার, কোর্ট পয়েন্ট, তালতলা, মির্জাজাঙ্গাল ও লামাবাজার প্রদক্ষিণ করে পুনরায় মন্দিরে এসে শেষ হবে।
হরিনাম সংকীর্তন, সুসজ্জিত রথ, ভক্তদের নৃত্য-গীত এবং আনন্দমুখর পরিবেশে পুরো নগরী উৎসবের আবহে মুখরিত হয়ে উঠবে।
আয়োজকদের আশা, কয়েক হাজার ভক্ত ও দর্শনার্থীর অংশগ্রহণে এবারের উল্টো রথযাত্রা সিলেটের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় শোভাযাত্রায় পরিণত হবে।
শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, স্বেচ্ছাসেবক কার্যক্রম, চিকিৎসা সহায়তা এবং ভক্তদের জন্য মহাপ্রসাদের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) বাংলাদেশের সহ-সভাপতি ও ইসকন সিলেটের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ ভক্তি অদ্বৈত নবদ্বীপ স্বামী মহারাজ বলেন, রথযাত্রা সম্প্রীতির উৎসব।
রথের দড়ি টানা, হরিনাম সংকীর্তনে অংশগ্রহণ এবং মহাপ্রসাদ গ্রহণের মাধ্যমে সবাই ভগবানের কৃপা লাভের সুযোগ পান। তাই এই মহোৎসবে সকলকে অংশগ্রহণের আন্তরিক আহ্বান জানাচ্ছি।
তিনি আরো বলেন, রথযাত্রা শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিক মূল্যবোধেরও এক অনন্য মিলনমেলা।
» সিলেট নগরীকে যুব জমিয়তের দুর্গ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : আব্দুল করিম দিলদার
Published: ২৩. জুলা. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট নগরীকে যুব জমিয়তের একটি শক্তিশালী দুর্গ হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন, যুব জমিয়ত বাংলাদেশ সিলেট মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক হাফিজ মাওলানা আব্দুল করিম দিলদার।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সিলেট মহানগরীর ৮নং ওয়ার্ডে যুব জমিয়তে সদ্য যোগদানকারী যুবকদের নিয়ে আয়োজিত এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।
আব্দুল করিম দিলদার তার বক্তব্যে বলেন, তরুণ ও যুবসমাজকে আদর্শিক চেতনায় উজ্জীবিত করে সিলেট মহানগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে যুব জমিয়তের হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।
উক্ত মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জালালাবাদ থানা যুব জমিয়তের সভাপতি মাওলানা আব্দুল হাসিব খান।
আরও উপস্থিত ছিলেন মাওলানা ফখরুল ইসলাম, কাওসার আহমেদ, জাহিদুল ইসলাম, ইমরান আহমদ, তানভীর আহমদ, শাহান আহমদ প্রমুখ।

