শিরোনামঃ-

» সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ব্যাপক সংস্কার ও আধুনিকায়ন করা হবে; জানালেন বিসিবি পরিচালক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী

Published: ০৫. নভে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণ, সংস্কার ও আধুনিকায়নে ব্যাপক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের উপযোগী করে স্টেডিয়ামকে আরও আধুনিক, নান্দনিক ও দর্শকবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

আগামী জানুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড টেস্ট ম্যাচকে সামনে রেখে এসব কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনের খেলা শেষে প্রেসবক্সে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সামগ্রিক অবকাঠামো উন্নয়নে আমরা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।

এর মধ্যে রয়েছে গ্রিন গ্যালারির আধুনিকায়ন, গ্র্যান্ড স্ট্যান্ড সংস্কার, ফ্লাডলাইট ব্যবস্থার উন্নয়ন, খেলোয়াড়দের ড্রেসিংরুম সংস্কার, হসপিটালিটি বক্স নির্মাণ ও উন্নয়ন এবং খেলার মাঠের প্রয়োজনীয় সংস্কার।

পাশাপাশি স্টেডিয়ামে প্রবেশের সড়ক সংস্কার, প্রবেশদ্বারের সৌন্দর্যবর্ধন ও আলোকায়নসহ দর্শক, খেলোয়াড় ও সংশ্লিষ্ট সবার জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে।

তিনি বলেন, আগামী জানুয়ারিতে সিলেটে অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এ ছাড়া ফেব্রুয়ারিতে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার টেস্ট ম্যাচ আয়োজনের সূচি রয়েছে। দুটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজনকে সামনে রেখে আমরা স্টেডিয়ামকে সম্পূর্ণ প্রস্তুত করতে চাই।

এ লক্ষ্যেই উন্নয়ন ও সংস্কারকাজ দ্রুত বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করে আন্তর্জাতিক মানের ভেন্যু হিসেবে স্টেডিয়ামটির সক্ষমতা আরও বাড়ানো হবে।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম প্রতিষ্ঠার পেছনে প্রয়াত বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের উন্নয়ন কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান আরাফাত রহমান কোকো এবং সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম. সাইফুর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে বিসিবি পরিচালক বলেন, সিলেটে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অবকাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

তাঁদের উদ্যোগ ও অবদানের ফলে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজনের অন্যতম ভেন্যু হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি যখনই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসেছে, তখনই দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন ও ক্রীড়া অবকাঠামো সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদ খুঁজে বের করে তাঁদের বিকাশের সুযোগ তৈরিতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছেন।

এরই অংশ হিসেবে নতুনকুঁড়ি স্পোর্টস আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের মধ্যে খেলাধুলার আগ্রহ বাড়বে এবং ভবিষ্যতের দক্ষ ও প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সিলেটের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজন সফল করতে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম শুধু সিলেটের নয়, এটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ক্রীড়া স্থাপনা।

এখানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের আয়োজন সিলেটের পরিচিতি ও মর্যাদা বৃদ্ধির পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়া চর্চার প্রসারেও ভূমিকা রাখে।

তাই আগামী দিনে স্টেডিয়ামে আয়োজিত সব টুর্নামেন্ট ও আন্তর্জাতিক ম্যাচ মাঠে এসে উপভোগ করার জন্য তিনি সিলেটবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

এ সময় বিসিবির সিলেটের কাউন্সিলর আশরাফ আরমান, মৌলভীবাজারের অন্যমৌলভীবাজারের কাউন্সিলর মনোয়ার এম আহমদসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

» পীর সাহেব চরমোনাই সিলেট আসছেন, মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করবেন শুক্রবার

Published: ০৫. নভে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই দুই দিনের সফরে সিলেট আসছেন আজ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর)।

বেলা ২টা ১০ মিনিটে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানযোগে অবতরণ করেন।

বিমানবন্দরে পৌঁছলে নেতৃবৃন্দ পীর সাহেব চরমোনাইকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি মানসুর আহমদ সাকী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সিলেট মহানগর সভাপতি ডা. রিয়াজুল ইসলাম, জেলা সভাপতি মুফতি সাঈদ আহমদ, জেলা সেক্রেটারী মুফতি আবু তাহের মিসবাহ, মহানগর সেক্রেটারী হাফিজ মাওলানা ইমাদ ইমাদ উদ্দিন, ইসলামী যুব আন্দোলন সিলেট জেলা সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ বদরুল হক সহ জেলা ও মহানগর নেতৃবৃন্দ।

বিমানবন্দ থেকে সরাসরি তিনি সুনামগঞ্জের দুটি মাহফিলে প্রধান অতিথির বয়ান পেশ করবেন।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকাল ৩টায় সিলেট জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ সিলেট জেলা ও নগরের সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই।

সম্মেলন শেষে আসন্ন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী ঘোষণা করবেন তিনি।

পরে বাদ মাগরিব পীর সাহেব চরমোনাই জাতীয় উলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ সিলেট জেলা শাখার সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন ও বাদ এশা দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন রশিদ চত্ত্বর পয়েন্টে বিশাল ওয়াজ মাহফিলে প্রধান অতিথির বয়ান পেশ করবেন।

উক্ত সম্মেলন ও মাহফিলে দলীয় নেতাকর্মীসহ সবাইকে উপস্থিত সহ সাংবাদিক ও প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন, ইসলামী আন্দোলন সিলেট মহানগরের সেক্রেটারী হাফিজ মাওলানা ইমাদ উদ্দিন।

» সিলেট বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজের এক যুগ পূর্তি উৎসব উদযাপন

Published: ০৫. নভে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ
উৎসবমুখর পরিবেশে সিলেট বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজের এক যুগ পূর্তি উৎসব উদযাপিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কেক কাটা ও বেলুন উড়িয়ে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন, কলেজের চেয়ারম্যান ও মহিবুর রহমান ফাউন্ডেশনের সম্মানিত চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ মহিবুর রহমান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, কলেজের রেক্টর জনাব সালমা খানম চৌধুরী, অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জুয়েল মিয়া (অবসরপ্রাপ্ত ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী) এবং সিলেট কমার্স কলেজের অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল ওয়াদুদ।

উদ্বোধনী বক্তব্যে অধ্যাপক মোহাম্মদ মহিবুর রহমান সিলেট বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে শুরু করে গত এক যুগের শিক্ষা কার্যক্রম, অগ্রগতি ও বিভিন্ন সাফল্যের চিত্র তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, একটি স্বপ্ন ও লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠিত এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে শিক্ষা ও শিক্ষার্থীদের সাফল্যের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।

এ ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল ও সাফল্য অর্জনের জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।

একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মেধা, মনন, শৃঙ্খলা ও নৈতিক মূল্যবোধের সমন্বয়ে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা কলেজের শিক্ষা কার্যক্রমের ধারাবাহিক অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের সাফল্য ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম আরও বিস্তৃত করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

কেক কাটা, বেলুন উড্ডয়ন এবং আনন্দঘন পরিবেশে আয়োজিত এ উৎসবে কলেজের শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে।

শিক্ষার্থী ও উপস্থিত অতিথিদের আনন্দ-উচ্ছ্বাসে পুরো আয়োজন হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও স্মরণীয়।

এক যুগের পথচলা অতিক্রম করে সিলেট বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজ আগামী দিনগুলোতে মানসম্মত বিজ্ঞান শিক্ষার প্রসার এবং দক্ষ, সৃজনশীল ও দায়িত্বশীল প্রজন্ম গড়ে তোলার প্রত্যয়ে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে।

» জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সিলেট জেলা যুবদলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

Published: ০৫. নভে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ

আগামী ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে সিলেট জেলা যুবদলের উদ্যোগে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকাল ৩টায় নগরীর জিন্দাবাজারস্থ একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টের হলরুমে জেলার অধীনস্থ উপজেলা ও পৌরসভার নেতৃবৃন্দের সাথে এই প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়।

কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট জেলা যুবদলের সভাপতি মোহাম্মদ মকসুদ আহমদের সভাপতিত্বে এবং জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম টিপুর পরিচালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন, জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি কয়েস আহমদ, সহ-সভাপতি মকসুদুল করিম নুহেল, ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসরুর রাসেল, সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুল বাশার হাবিব।

সভাপতির বক্তব্যে মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ বলেন, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষিত হয়েছিল।

দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে যুবদলকে বরাবরের মতো সামনের সারিতে থেকে রাজপথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।

জেলা যুবদলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সুসংগঠিত থেকে আগামী ৭ নভেম্বরের কর্মসূচিকে সফল করার আহ্বান জানাচ্ছি।

সভায় জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম টিপু বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে উদযাপনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

দিবসটির তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এবং কর্মসূচি সফল করতে উপজেলা ও পৌরসভা পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।

সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সমন্বয় ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে নির্ধারিত কর্মসূচি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তিনি।

উক্ত প্রস্তুতি সভায় সিলেট জেলা যুবদলের অধীনস্থ ১৩টি উপজেলা ও ৫টি পৌর যুবদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

» নকশা মেনে ভবন নির্মাণ হচ্ছে কি না তা তদারকিতে তৎপর সিউক

Published: ০৫. নভে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

বেইজমেন্টের জমে থাকা পানি রোববারের মধ্যে সরানোর নির্দেশ সিউক চেয়ারম্যানের

নিউজ ডেস্কঃ
পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য নগর গড়তে ভবন নির্মাণে অনিয়মের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক)।

বিধিমালা লঙ্ঘন, অনুমোদিত নকশা অমান্য, নির্ধারিত খালি জায়গা না রাখা, গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা না করা কিংবা নির্মাণসামগ্রী রেখে সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির মতো বিষয়গুলো খতিয়ে দেখছে সংস্থাটি।

একই সঙ্গে ভবনের বেইজমেন্ট বা নিচতলায় জমে থাকা পানি অপসারণেও ভবনমালিকদের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।

অনুমোদিত নকশা ছাড়া ভবন নির্মাণ বা নিয়ম লঙ্ঘন করলে মিলবে না ভবনের কমপ্লিশন এবং অকুপেন্সি সার্টিফিকেট।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) নগরের বিভিন্ন এলাকায় নির্মাণাধীন বহুতল ভবন পরিদর্শনকালে এসব বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানান সিউক চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদা) রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।

সিউকের ধারাবাহিক পরিদর্শন কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতি সপ্তাহেই নগরের কোন না কোন এলাকায় নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শনে বের হবেন তারা এমনটিও জানিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে প্রতি সপ্তাহে অন্তত এক থেকে দুই দিন নগরের নির্মাণাধীন বহুতল ভবনগুলো পরিদর্শন করা হচ্ছে।

অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী ভবন নির্মাণ হচ্ছে কি না, নির্ধারিত সেটব্যাক ও ভবনের উচ্চতা ঠিক রাখা হচ্ছে কি না এবং সামনের প্রয়োজনীয় জায়গা ছাড়া হচ্ছে কি না, তা সরেজমিনে যাচাই করা হচ্ছে।

সিউক সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) খাদিমপাড়া এলাকায় নির্মাণাধীন একটি ভবনের গ্রাউন্ড ফ্লোরে দীর্ঘদিন ধরে পানি জমে থাকতে দেখা যায়।

এতে সেখানে এডিস মশার প্রজননক্ষেত্র তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বিষয়টি জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় আগামী রোববারের মধ্যে নিজ দায়িত্বে জমে থাকা পানি সরিয়ে ফেলার জন্য ভবন কর্তৃপক্ষকে কঠোর নির্দেশ দেন সিউক চেয়ারম্যান।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পানি অপসারণ না করা হলে পুনরায় সরেজমিন পরিদর্শন করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়।

শুধু এই ভবনই নয়, নগরের বিভিন্ন নির্মাণাধীন ভবনে এ ধরনের অব্যবস্থাপনা জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগ তৈরি করছে।

বেইজমেন্ট এলাকায় পানি জমতে না দেওয়া এবং এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে ভবনমালিকদের নিজ উদ্যোগে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান কয়েস লোদী।

পাশাপাশি সড়কের ওপর যত্রতত্র নির্মাণসামগ্রী না রাখারও অনুরোধ জানান তিনি।

সিউক চেয়ারম্যান বলেন, ভবন নির্মাণে শুধু মালিক নন, কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরও দায়বদ্ধতা রয়েছে।

অনুমোদিত নকশা অনুসরণ করে নির্মাণকাজ সম্পন্ন হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে প্রকৌশলীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

কারণ, ভবনের কমপ্লিশন সার্টিফিকেট এবং পরবর্তী সময়ে অকুপেন্সি সার্টিফিকেট পাওয়ার ক্ষেত্রে এসব বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অকুপেন্সি সার্টিফিকেটের ভিত্তিতেই ভবনে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ নেওয়া হয়।

পরিদর্শনে কয়েকটি ভবনে তদারকির ঘাটতি পাওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনেক ভবনমালিক নির্মাণকাজের কারিগরি বিষয় সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা রাখেন না।

আবার কোথাও কোথাও প্রকৌশলীদের যথাযথ তত্ত্বাবধান ছাড়াই ঠিকাদারেরা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।

বহুতল ভবন নির্মাণের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে এ ধরনের প্রবণতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি আরও বলেন, একটি ভবন শুধু বর্তমান প্রজন্মের জন্য নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।

তাই পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য সিলেট গড়ে তুলতে ভবন নির্মাণে বিল্ডিং কোড ও প্রচলিত আইন মেনে চলতে হবে। নিয়ম মেনে ভবন নির্মাণ করা হলে ফুটপাত ও ভবনের সামনের প্রয়োজনীয় জায়গা উন্মুক্ত থাকবে।

পাশাপাশি ভবনের ভেতরে পর্যাপ্ত গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

এতে সড়কে অবৈধ পার্কিংয়ের চাপ কমবে এবং নগরের চলাচলব্যবস্থা আরও স্বাভাবিক হবে।

নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করে কয়েস লোদী বলেন, পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য নগরী গড়ে তোলা শুধু উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের একার দায়িত্ব নয়।

এ জন্য সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল হতে হবে। সিউকের চলমান উদ্যোগে নগরবাসী ইতিবাচক সাড়া দেবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

পরিদর্শনকালে সিউকের নির্বাহী পরিচালক (সিনিয়র সহকারী সচিব ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট) মো. সাদিউর রহিম জাদিদ সহ সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

» শাহজালাল মাজারের একতরফা কমিটি ও ৬৫-৩৫% বাতিলের দাবি, ১৩ দফা বাস্তবায়নে প্রতিবাদ সভা

Published: ০৫. নভে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

কোর্ট পয়েন্টে ‘একতাবদ্ধ সিলেটবাসী’র সভা

নিউজ ডেস্কঃ
অলি-কূলের শিরোমণি হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের একতরফা কমিটি বাতিল, তথাকথিত ৬৫% ও ৩৫% অর্থ ভাগ-বাটোয়ারা প্রথা বিলোপ, স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং ভক্ত-আশেকানদের নিরাপত্তা ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির দাবিতে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‘একতাবদ্ধ সিলেটবাসী’র আয়োজনে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বাদ আছর নগরীর ঐতিহাসিক কোর্ট পয়েন্টে এই সভা সম্পন্ন হয়।

সভায় বক্তারা বলেন, কিশোরগঞ্জের পাগলা মজিদের আদলে শাহজালাল (রহ.) মাজার পরিচালনা করতে হবে। এ মাজার সিলেটের সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মানুষের আবেগ ও শ্রদ্ধার কেন্দ্রবিন্দু।

অথচ দীর্ঘদিন ধরে একটি অসাধু চক্র একতরফা কমিটি গঠন করে মাজারের দান-অনুদান ও আয়ের টাকা ৬৫-৩৫% নিজেদের মধ্যে ভাগ-বাটোয়ারা করে নিতে চায়, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও গ্রহণযোগ্য নয়।

তাঁরা অবিলম্বে এই একতরফা কমিটি বাতিল করে সকল স্তরের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে একটি সর্বজনীন ও গ্রহণযোগ্য কমিটি গঠনের দাবি জানান। সমাবেশ থেকে মাজার সংস্কারে ‘১৩ দফা দাবি’ তুলে ধরা হয়।

বক্তারা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, মাজারের সকল প্রকার অনিয়ম ও অসংগতি দূর করতে হবে। দূর-দূরান্ত থেকে আসা ভক্ত ও আশেকানদের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা বিধান, উন্নত বিশ্রামাগার তৈরি এবং মানসম্মত খাওয়া-দাওয়ার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত না করা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতা বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ মাওলানা রেজাউল করিম জালালীর সভাপতিত্বে ও সিলেট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মইনুল ইসলাম আশরাফীর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, সিলেট কল্যাণ সংস্থার সভাপতি এহছানুল হক তাহের, মুক্তার আহমদ তালুকদার, প্রিন্সিপাল মাওলানা শিব্বির আহমদ, মাজার সুরক্ষা কমিটির সভাপতি জামিল আহমদ লিটন, টিপু চৌধুরী, সিলেটী পঞ্চায়িত নেতা শামসুল ইসলাম, ইমতিয়াজ রহমান ইনু, জুলাই যোদ্ধা আব্দুশ শহীদ খান, মাসুক মিয়া, মাওলানা হোসাইন আহমদ মাদানী, মাওলানা আসলাম রহমানী, সেলিম আহমদ, আনোয়ার হোসেন রুবেল, এমডি কামাল মিয়া, সিনিয়র সাংবাদিক কলম যোদ্ধা লিয়াকত আলী খান, সাংবাদিক এম এ আলী জালালাবাদী, জয়নাল আহমদ, মুজিব মিয়া, মীর নাজিম উদ্দিন, আব্দুল জলিল, মাওলানা জামাল উদ্দিন প্রমুখ।

পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন, হাফিজ মাওলানা আব্দুল মুনিম।

» জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সিলেট মহানগর যুবদলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

Published: ০৫. নভে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ

আগামী ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে সিলেট মহানগর যুবদলের উদ্যোগে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় নগরীর উপশহরস্থ এডভোকেট ইমরান আহমদ চৌধুরী এমপির অফিসে এই প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়।

প্রস্তুতি সভায় সভাপতির বক্তব্যে সিলেট মহানগর যুবদলের সভাপতি মির্জা মো. সম্রাট হোসেন বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদের জাতীয় জীবনের এক ঐতিহাসিক ও অনন্য তাৎপর্যপূর্ণ দিন।

সিপাহী-জনতার ঐতিহাসিক ঐক্যের মাধ্যমে দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবিত হয়েছিল।

মহানগরের প্রতিটি ওয়ার্ড ও ইউনিটকে ঐক্যবদ্ধ করে এবারের ৭ নভেম্বরের সকল কর্মসূচিকে সফল ও সার্থক করে তুলতে হবে।

সিলেট মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দিনারের পরিচালনায় প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মহানগরের সিনিয়র সহ-সভাপতি এমদাদুল হক স্বপন, ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাহসিন মেহেদি প্রিন্স, মহানগরের সাংগঠনিক সম্পাদক হোসাইন আহমদ।

প্রস্তুতি সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত পাঠ করেন রাহাত বিন আব্দুল কুদ্দুস।

এদিকে, সিলেট মহানগর যুবদলের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক আরজু বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল ১১টায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

তাঁর এই আকস্মিক মৃত্যুতে মহানগর যুবদলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত প্রস্তুতি সভায় সিলেট মহানগর যুবদলের সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্দসহ মহানগর যুবদলের অধীনস্থ ৬টি থানা এবং ২৭টি ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক, যুগ্ম-আহ্বায়ক ও সদস্যবৃন্দ এবং ১৫টি নবগঠিত ওয়ার্ড যুবদলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

» সিলেটে ইউনাইটেড ইয়ুথ ব্লাড ডোনেশন সোসাইটির স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

Published: ০৫. নভে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ

জাতীয় যুব দিবস ও স্বেচ্ছায় রক্তদান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ইউনাইটেড ইয়ুথ ব্লাড ডোনেশন সোসাইটি (UYBDS) ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, সিলেটের যৌথ উদ্যোগে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর ২০২৬) সকাল ১১টায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, সিলেটের কার্যালয়ের হলরুমে মুজিব জাহান রেড ক্রিসেন্ট রক্তকেন্দ্রের সহযোগিতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. মো. নাসির উদ্দিন, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সিলেটের ভাইস চেয়ারম্যান বদরুজ্জামান সেলিম, ইউনাইটেড ইয়ুথ ব্লাড ডোনেশন সোসাইটির সভাপতি মো. ছালিম আহমদ খান, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, সিলেটের উপপরিচালক মো. আব্দুর রউফ শাহ এবং সহকারী পরিচালক মো. ফখরুজ্জামান।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম বখত জেম, মশিউর রহমান চৌধুরী, শাহজাহান আহমদ শাহান, আরাফাত রহমান চৌধুরী, মুহিবুর রহমান শুয়াইব, স্বাস্থ্য ও ব্লাড ক্যাম্পিং সম্পাদক আরিফ আহমদ, অর্থ সম্পাদক তাইয়িব হাসান রুতবা সহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্য এবং সিলেটের বিভিন্ন সামাজিক ও যুব সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

কর্মসূচিতে স্বেচ্ছায় রক্তদানের গুরুত্ব, নিরাপদ রক্ত সংগ্রহ এবং রক্তদানে তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বক্তারা বলেন, রক্তের অভাবে যেন কোন মুমূর্ষু রোগীকে জীবন হারাতে না হয়, সে লক্ষ্যে তরুণ সমাজকে স্বেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে আসতে হবে।

পাশাপাশি রক্তদানের মতো মানবিক কার্যক্রমকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন তাঁরা।

আয়োজকরা জানান, মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে স্বেচ্ছায় রক্তদান কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত করা এবং তরুণদের মানবসেবামূলক কাজে উদ্বুদ্ধ করাই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

» যুব জমিয়ত বাংলাদেশ সিলেট মহানগরীর বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত

Published: ০৫. নভে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ
যুব জমিয়ত বাংলাদেশ সিলেট মহানগরীর এক বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বাদ মাগরিব বন্দরবাজারস্থ জমিয়ত কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

সিলেট মহানগর সভাপতি মাওলানা আসআদ উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আব্দুল করিম দিলদারের পরিচালনায় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, মহানগর সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুল হাসিব খান, সহ-সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আফতাব উদ্দীন খান, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা তোফায়েল আহমদ কামরান, নির্বাহী সদস্য মাওলানা ফজলুল করিম ও মাওলানা তোফায়েল আহমদ প্রমুখ।

বৈঠকে সাংগঠনিক এবং সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও বেশ কিছু সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

» বর্ধিত ওয়ার্ডগুলোর উন্নয়নে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে মতবিনিময় সভায় সিসিক প্রশাসক

Published: ০৪. নভে. ২০২৬ | বুধবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, বর্ধিত ওয়ার্ডগুলোতে নগরের অন্যান্য এলাকার মতো সব ধরনের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

ইতোমধ্যে এসব এলাকায় সড়ক, ড্রেন ও স্ট্রিটলাইট স্থাপনের অনেক কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

কিছু কাজ চলমান রয়েছে এবং আরও কিছু প্রকল্প টেন্ডার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে দক্ষিণ সুরমার ৪০, ৪১ ও ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের সামগ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও টেকসইকরণ এবং হোল্ডিং ট্যাক্স চালু সহ আনুষঙ্গিক বিষয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সিসিক প্রশাসক জানান, দক্ষিণ সুরমার ছয়টি ওয়ার্ডে ইতোমধ্যে ৭৩ কোটি টাকার উন্নয়নকাজ সম্পন্ন হয়েছে। ৬৩ কোটি টাকার উন্নয়নকাজ চলমান রয়েছে।

এ ছাড়া ১৩৬ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এবং আরও ২০৬ কোটি টাকার প্রকল্প পরিকল্পনাধীন রয়েছে।

এসব প্রকল্পের আওতায় সড়ক, ড্রেন, স্ট্রিটলাইট ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।

কুচাই এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত সভায় আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, বিভিন্ন ইউনিয়নের অংশবিশেষ সিলেট সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এসব এলাকার বাসিন্দারাও নগরের অন্যান্য এলাকার মতো সমান নাগরিক সুবিধা পাওয়ার অধিকার রাখেন।

সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে তাঁদের প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ২৭টি ওয়ার্ড নিয়ে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।

বর্তমানে এর সঙ্গে নতুন করে আরও ১৫টি ওয়ার্ড যুক্ত হয়েছে। তবে ওয়ার্ডের সংখ্যা বাড়লেও সে অনুপাতে সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব আয় বৃদ্ধি পায়নি।

অথচ নিজস্ব আয় থেকেই সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন কার্যক্রম ও নাগরিক সেবা পরিচালনা করতে হয়।

তাই নগরের উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার পরিধি বাড়াতে নিজস্ব আয় বৃদ্ধি করা জরুরি।

এ জন্য তিনি নগরবাসীকে নিয়মিত হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন কার্যক্রমে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

সিসিকের সচিব মো. আশিক নূরের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেবসহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

এ সময় সিসিকের প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (অঞ্চল-২) সুমন চন্দ্র দাশ, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস, প্রধান অ্যাসেসর মো. আব্দুল বাছিত, ট্যাক্সেশন অফিসার মো. জামিলুর রহমান সহ সিসিকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

» সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে সংসদ সদস্যের বিশেষ বৈঠক

Published: ০৪. নভে. ২০২৬ | বুধবার

সিলেট-৩ আসনের ৬ ওয়ার্ডে সিসিকের ৩৪২ কোটি টাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) বর্ধিত এলাকাভুক্ত সিলেট-৩ সংসদীয় আসনের ছয়টি ওয়ার্ডের ভৌত অবকাঠামো ও নাগরিক সেবা বাড়াতে ব্যাপক উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়িত হয়েছে। পরিকল্পনাধীন রয়েছে বড় প্রকল্প।

বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে সিসিক প্রশাসকের কনফারেন্স রুমে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সঙ্গে সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মালেকের এক বিশেষ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এসব তথ্য জানানো হয়।

বৈঠকে সিসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

সভায় দক্ষিণ সুরমা এলাকার ২৮, ২৯, ৩০, ৪০, ৪১ ও ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের সমাপ্ত ও চলমান প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, এই ৬টি ওয়ার্ডে ৭৩ কোটি টাকার উন্নয়নকাজ সম্পন্ন হয়েছে।

চলমান রয়েছে ৬৩ কোটি টাকার প্রকল্প। এছাড়া টেন্ডার করা হয়েছে ১৩৬ কোটি টাকার প্রকল্প।

এছাড়া আগামী দিনে নতুন করে আরও ২০৬ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

সভায় সিসিক প্রশাসক ও সংসদ সদস্য জানান, প্রকল্পগুলো দ্রুত ও মানসম্মতভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে ওই অঞ্চলের দীর্ঘদিনের অবহেলিত অবকাঠামোগত সমস্যা দূর করা হবে।

উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে স্থানীয় জনগণের চাহিদাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

» লালাবাজার ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসায় প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষকের সংবর্ধনা সভা

Published: ০৪. নভে. ২০২৬ | বুধবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেটের দক্ষিণ সুরমার ঐতিহ্যবাহী লালাবাজার ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার প্রবীণ ও প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষক যুক্তরাজ্য প্রবাসী ক্বারী আব্দুর রব ও মাদ্রাসার কৃতি ছাত্র জাহেদ আহমদ-এর সংবর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে মাদ্রাসার হলরুমে এ সংবর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, লালাবাজার ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আব্দুল লতীফ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি ফালাকুজ্জামান চৌধুরী জগলু ও যুক্তরাজ্য প্রবাসী সংবর্ধিত অতিথি ক্বারী আব্দুর রব-এর ছেলে মো. বিলাল আহমদ।

সভায় উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার শিক্ষকমন্ডলী, শিক্ষার্থী ও এলাকার সুধিবৃন্দ।

সভার শুরুতে সংবর্ধিত অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও শিক্ষকমন্ডলী।

ক্বারী আব্দুর রব-এর উদ্দেশ্যে মানপত্র পাঠ করেন, মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক মো. নাজমুল ইসলাম।

ক্বারী আব্দুর রবকে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন, মাদ্রাসার অধ্যক্ষ, শিক্ষকমন্ডলী।

সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সহকারী শিক্ষক বসিরুল ইসলাম। পরে সংবর্ধিত অতিথি ও প্রতিষ্ঠাতা প্রবীণ শিক্ষক ক্বারী আব্দুর রব-এর আবেগঘন বক্তব্য ও মোনাজাতের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

সভায় সঞ্চালনা করেন, মাদ্রাসার সহকারী মৌলভী মো. শাহেদ আহমদ।

Callender

November 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30