শিরোনামঃ-

» প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট বিজয়ী বালকদলকে  মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীরর অভিনন্দন

Published: ২০. মে. ২০২৬ | বুধবার

নিউজ ডেস্কঃ
প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ( বালক ও বালিকা) ২০২৬ এ সিলেট জেলা দল বালক গোয়াইনঘাটের লংলাখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিভাগীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীরর অভিনন্দন।

তিনি এক অভিনন্দন বার্তায় বলেন, সিলেট বিভাগের প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক ও বালিকা) ২০২৬-এর আসরে গোয়াইনঘাট উপজেলার লংলাখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বালক দল বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করায় তাদেরকে প্রাণঢালা অভিনন্দন। বিভাগীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন দলের এই অনন্য সাফল্য সমগ্র সিলেট বিভাগকে গর্বিত করেছে।

চমৎকার ক্রীড়ানৈপুণ্য, অসাধারণ দলগত বোঝাপড়া এবং মাঠের প্রতিটি মুহূর্তে যে অদম্য ইচ্ছা ও লড়াকু মানসিকতা আপনারা দেখিয়েছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।

আপনাদের এই গৌরবময় জয় শুধু গোয়াইনঘাট বা সিলেট জেলার নয়, বরং পুরো বিভাগের ক্রীড়াঙ্গনকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

আপনাদের অদম্য এই যাত্রা অদূর ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্য বয়ে আনবে এবং দেশের ক্রীড়াঙ্গনের অন্যতম সেরা তারকা হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে আপনাদের অনুপ্রেরণা জোগাবে।

আপনারা আমাদের ভবিষ্যৎ। আশা রাখি, পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলার এই ধারাবাহিকতা আপনারা বজায় রাখবেন এবং ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ে বাংলাদেশের পতাকাকে আরও উজ্জ্বল করবেন।

আমার নির্বাচনী এলাকার এই স্কুলদলের কোচ, শিক্ষক, অভিভাবক এবং অগণিত শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতিও রইল বিনম্র শ্রদ্ধা ও অভিনন্দন।

ভবিষ্যতের প্রতিটি পদক্ষেপে আপনাদের জন্য রইল অফুরন্ত ভালোবাসা ও শুভকামনা।

» ‘মুল্লুক চলো’ আন্দোলন দিবসে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক জোট সিলেট জেলা শাখার শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন

Published: ২০. মে. ২০২৬ | বুধবার

নিউজ ডেস্কঃ
ঐতিহাসিক ‘মুল্লুক চলো’ আন্দোলনের ১০৫তম বার্ষিকী ও চা শ্রমিক হত্যাকাণ্ডের শিকার শহীদদের স্মরণে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক জোট সিলেট জেলা শাখার উদ্যোগে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়েছে।

বুধবার (২০ মে) সকালে নগরীর ৫নং ওয়ার্ডের দলদলী চা বাগান শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ, শ্রদ্ধা নিবেদন ও সংক্ষিপ্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সংক্ষিপ্ত সভায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক জোট সিলেট জেলা শাখার সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন বলেন, ইতিহাসের এক নৃশংসতম অধ্যায় এই ২০ মে।

অথচ আজ পর্যন্ত এই ঐতিহাসিক দিনটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘চা শ্রমিক হত্যা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি এবং এই দিনে শ্রমিকদের ছুটিও দেওয়া হয় না।

চা শ্রমিকদের আত্মত্যাগের ইতিহাস ও তাঁদের অধিকারের মর্যাদার স্বার্থে অনতিবিলম্বে এই দিনটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি আরোও বলেন, আজ ১০৫ বছর পার হয়ে গেলেও চা শ্রমিকদের ভাগ্যের আমূল পরিবর্তন হয়নি। এখনও তারা দৈনিক নামমাত্র মজুরি, ভূমির অধিকার ও বাসস্থানের অনিশ্চয়তা এবং মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে অমানবিক জীবনযাপন করছেন।

১৯২১ সালের ২০ মে যে ঐতিহাসিক রক্তপাত হয়েছিল, তার চেতনাকে ধারণ করে চা শ্রমিকদের পূর্ণাঙ্গ নাগরিক অধিকার ও ন্যায্য মজুরি আদায়ের সংগ্রাম আগামীতে আরও বেগবান করতে হবে।

এসময় দলদলী চা-বাগান পঞ্চায়িত কমিটির সভাপতি মিন্টু দাশ, সহ-সভাপতি অনিতা দাশ, গৌরি দেবী, বাবু মন্ডল সহ বাগানের চা-শ্রমিকরা উপস্থিত ছিলেন।

» ২০ মে “চা শ্রমিক দিবস’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি সহ স্ববেতনে ছুটি ঘোষণা করুন : বাংলাদেশ চা শ্রমিক ফেডারেশন

Published: ২০. মে. ২০২৬ | বুধবার

নিউজ ডেস্কঃ
ঐতিহাসিক ২০মে চা শ্রমিক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট জেলা শাখার উদ্যোগে লাক্কাতুড়া চা বাগানে মিছিল, সমাবেশ ও শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়।

এছাড়াও তারাপুর, খাদিম চা বাগান সহ বিভিন্ন বাগানে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা ‌হয়।

বুধবার (২০ মে) সকাল সাড়ে ৮টায় লাক্কাতুড়া চা বাগানে মিছিল সহকারে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ শেষে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ চা শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট জেলা আহ্বায়ক হৃদয় লোহারের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, বাসদ সিলেট জেলা আহ্বায়ক আবু জাফর, বাংলাদেশ চা শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা প্রণব জ্যোতি পাল, বাংলাদেশ চা শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট জেলার জরিনা বেগম, শান্ত লোহার, আয়েশা বেগম, রত্না, দুর্জয় লোহার, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের দপ্তর সম্পাদক মাহফুজ আহমদ প্রমূখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ব্রিটিশ বাগান মালিকদের প্রতারণা-বঞ্চনা-শোষনের বিরুদ্ধে ১৯২১ সালের ২০ মে গড়ে উঠে এক ঐতিহাসিক আন্দোলন, যা ‘মুল্লুক চলো’ আন্দোলন নামে পরিচিত।

শ্রমিকনেতা পন্ডিত গঙ্গা দয়াল দিক্ষিত, দেওশরন ত্রিপাঠী, হরিচরণ প্রমুখ নেতাদের নেতৃত্বে আসাম ও কাছাড় জেলার প্রায় ৩০ হাজার চা শ্রমিক করিমগঞ্জ রেল স্টেশনে সমবেত হয়ে রেল গাড়িতে উঠতে না পেরে রেল লাইন ধরে চাঁদপুর স্টিমারঘাটের উদ্দেশ্যে হাঁটতে শুরু করে যখন চাঁদপুর স্টিমারঘাটে পৌঁছায়, তখন ব্রিটিশ মালিকদের নিদের্শে আসাম রাইফেলস্ এর গোর্খা বাহিনী এই অসহায় চা শ্রমিকদের উপর হামলে পড়ে এবং মেতে ওঠে নির্মম হত্যাযজ্ঞে।

এ হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদে সে সময় রেলওয়ে এবং নৌযান শ্রমিকরাও ধর্মঘট পালন করেন। চা শ্রমিকদের উপর এহেন নির্যাতনের প্রতিবাদে এক সর্বভারতীয় শ্রমিক আন্দোলনের পটভূমি রচিত হয় এই বাংলায়।

চা শ্রমিকদের এই ঐতিহাসিক দিনটিকে আমরা চা শ্রমিকদের মুক্তির আন্দোলনের স্মারক ‘চা শ্রমিক দিবস’ হিসাবে প্রতিবছর উদ্যাপন করছি এবং রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবী করছি।

বক্তারা বলেন, ব্রিটিশ-পাকিস্তানীদের তাড়িয়ে দিয়ে স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও এই চা শ্রমিকদের বঞ্চনার পরিসমাপ্তি ঘটেনি। শিক্ষা-চিকিৎসার নূন্যতম আয়োজন নেই; নেই ভূমির মালিকানা। রোগে-শোকে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর ঘটনা এখানে নিত্য নৈমিত্তিক বিষয়।

দ্রব্যমূল্যের লাগামছাড়া উর্ধ্বগতির এই বাজারে একজন চা শ্রমিকের দৈনিক মজুরী মাত্র ১৮৭ টাকা অর্থ্যাৎ মাসে ৫,৬১০ টাকা, যেখানে সরকারি শিল্পকারখানার শ্রমিকদের সর্বনিম্ন বর্তমান মজুরী ১৮ হাজার টাকার বেশি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যাংকের একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর মজুরী ২৪ হাজার টাকা।

এই বৈষম্য প্রমাণ করে এদেশের চা-শ্রমিকরা শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মালিক শ্রেণি এবং রাষ্ট্রের চরম অবহেলার শিকার।

বক্তারা অবিলম্বে ২০ মে কে চা শ্রমিক দিবস হিসেবে স্ববেতনে ছুটি ঘোষণা করা, দৈনিক নগদ মজুরি ৬ শত টাকা নির্ধারণ করা, বাগানে বাগানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ, সামাজিক সুরক্ষাসহ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

» সিলেট জেলা কর আইনজীবী সমিতির বিদায় সংবর্ধনা

Published: ২০. মে. ২০২৬ | বুধবার

সরকারের রাজস্ব অর্জনে আনোয়ার সাদাত’র ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয় : কর কমিশনার ভুবন মোহন ত্রিপুরা

নিউজ ডেস্কঃ
কর অঞ্চল সিলেটের কর কমিশনার ভুবন মোহন ত্রিপুরা বলেছেন, করদাতাদের আন্তরিক সেবা প্রদান এবং সরকারের রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিদায়ী অতিরিক্ত কর কমিশনার মো. আনোয়ার সাদাত এর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

তিনি শুধু একজন দক্ষ কর্মকর্তাই ছিলেন না, বরং করদাতাদের মাঝে করভীতি দূর করে কর বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে তাঁর অবদান ছিল অনন্য।

সততা ও নিষ্ঠার সাথে সরকারের রাজস্ব আহরণে তিনি যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা সিলেট কর অঞ্চলের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।

তিনি বিদায়ী অতিরিক্ত কর কমিশনারের ভবিষ্যৎ কর্মময় জীবনের সার্বিক সাফল্য ও সুস্বাস্থ্য কামনা করেন।

বুধবার (২০ মে) দুপুরে সিলেট জেলা কর আইনজীবী সমিতির মেন্দিবাগস্থ কার্যালয়ের হলরুমে কর অঞ্চল সিলেটের অতিরিক্ত কর কমিশনার মো. আনোয়ার সাদাত-এর বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে মো. আনোয়ার সাদাত বলেন, সিলেটে কাজ করার অভিজ্ঞতা আমার স্মৃতিতে অমলিন হয়ে থাকবে।

এখানকার আইনজীবীদের সহযোগিতা ও সাধারণ মানুষের ভালোবাসা আমাকে মুগ্ধ করেছে।

দায়িত্ব পালনকালে আমি সর্বদা চেষ্টা করেছি ন্যায়নিষ্ঠভাবে কাজ করতে। কর্মক্ষেত্রে যদি কারো মনে কষ্ট দিয়ে থাকি সেজন্য আমি ক্ষমা প্রার্থী। আমি আমার আগামীর কর্মক্ষেত্রে যাতে সফলতা অর্জন করতে পারি সেজন্য সবার দোয়া চাই।

সিলেট জেলা কর আইনজীবী সমিতির সভাপতি সমর বিজয় সী শেখর অ্যাডভোকেট-এর সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্য রাখেন, কর অঞ্চল সিলেটের অতিরিক্তি কর কমিশনার মো. আনোয়ার সাদাত।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নবাগত অতিরিক্ত কর কমিশনার কাজল সিংহ, যুগ্ম কর কমিশনার সৌমিত্র কুমার ভৌমিক, বাংলাদেশ ট্যাক্স ল ইয়ার্স এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল ফজল।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (১) আয়কর আইনজীবী মো. খায়রুল আলমের পরিচালনায় শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন, সমিতির কোষাধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট আ.স.ম মুবিনুল হক শাহীন।

গীতা পাঠ করেন, আয়কর আইনজীবী মানিক চন্দ্র দাশ।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান অ্যাডভোকেট।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সমিতির সহ-সভাপতি আয়কর আইনজীবী মোহাম্মদ আলী খোকন, সমিতির সাবেক সভাপতি আয়কর আইনজীবী এম শফিকুর রহমান, মৌলভীবাজার জেলা কর আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. মকবুল হোসেন।

অনুষ্ঠানে সমিতির কার্যকরী কমিটির সদস্যবৃন্দ, সিনিয়র আইনজীবী এবং কর বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা বিদায়ী অতিরিক্ত কর কমিশনার মো. আনোয়ার সাদাত-এর সিলেটে দায়িত্ব পালনকালীন সময়ের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং করদাতাদের সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে তাঁর আন্তরিক সহযোগিতার কথা কৃতজ্ঞতাভরে স্মরণ করেন।

অনুষ্ঠানে সিলেট জেলা কর আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে বিদায়ী অতিথিকে সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।

» ঈদ বোনাসের দাবিতে নগরিতে হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের মিছিল

Published: ২০. মে. ২০২৬ | বুধবার

নিউজ ডেস্কঃ
আসন্ন ঈদুল আযহায় হোটেল শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধ ও উৎসব বোনাস প্রদানের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়ন।

বুধবার (২০ মে) বিকেল ৫টায় সুরমা পয়েন্টে জমায়েত হয়ে এক বিক্ষোভ শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক কোর্ট পয়েন্ট, জিন্দাবাজার প্রদক্ষিণ করে পুনরায় কোর্ট পয়েন্টে জেলা কমিটির সভাপতি মো. ছাদেক মিয়ার সভাপতিত্বে এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সুনু মিয়া সাগরের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সিলেট জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক রমজান আলী পটু, জাতীয় ছাত্রদল সিলেট জেলা আহবায়ক শুভ আজাদ শান্ত, সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইমান আলী, বন্দরবাজার আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি সাহাব উদ্দিন, বাবনা আঞ্চলিক কমিটির সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন, আম্বরখানা আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি রাশেদ আহমদ ভূইয়া, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা কমিটির প্রচার সম্পাদক সুনু মিয়া, জিন্দাবাজর আঞ্চলিক কমিটির প্রচার সম্পাদক নাঈম আহমদ মোল্লাসহ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, আসছে পবিত্র উৎসব ঈদ উল আযহা। দেশের মুসলমান সম্প্রদায় ঈদ আনন্দ উৎসবে মেতে উঠলেও হোটেল সেক্টরে কর্মরত শ্রমিকরা সে আনন্দ থেকে বারংবার বঞ্চিত হয়ে আসছে।

শ্রমিকদের হাড়ভাঙ্গা খাটুনিতে মালিকপক্ষ মহাধুমধামে বাজারের সবথেকে বড় গরু দিয়ে ঈদ উৎসব উদযাপন করলেও যার শ্রম-ঘামে মুনাফার পাহাড় গড়ে তুলছে সেই শ্রমিকদের ঈদের আইন অধিকার হতে বঞ্চিত করা হয়।

বাংলাদেশ শ্রমআইন-২০০৬ (অদ্যাবধি সংশোধিত)-এর ধারা ২ (২ক) এবং বাংলাদেশ শ্রমবিধি-২০১৫ এর বিধি-১১১ (৫) অনুযায়ী সকল শ্রমিককে উৎসব বোনাস প্রদান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

অথচ প্রতি বছর ঈদ আসলে বেতন-বোনাসের দাবিতে হোটেল শ্রমিকদের আন্দোলন সংগ্রাম করতে হয়ে।

মালিকের প্রতিষ্টানে সারা বছর কাজ করে মুনাফা সৃষ্টি করে দিলেও ঈদ আসলে প্রতিবারই শ্রমিকদের রাস্থায় মিছিল মিটিং, মালিকদের নিকট ধর্ণা দিতে হয়। শ্রমিকদের এই অসহায়ত্বের কথা বলার একমাত্র অবলম্বন হচ্ছে রাজপথ।

সমাবেশ থেকে অনতিবিলম্বে সকল হোটেল শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি পরিশোধ ও উৎসব বোনাস প্রদানের প্রেক্ষিতে মালিকদের প্রতি উদাত্ত আহবান জানান পাশাপাশি শ্রমিকদের ন্যায় সংগত আইনি পাওনা পরিশোধের প্রেক্ষিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর সমূহের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষন করেন।

বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে বাজারদরের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ মজুরির দাবিতে শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার বিকল্প নেই।

» গোলাপগঞ্জের আমুড়ায় উন্নয়নকাজের উদ্বোধন করলেন এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী

Published: ২০. মে. ২০২৬ | বুধবার

গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
নিজ নির্বাচনি এলাকায় উন্নয়নকাজের উদ্বোধন করেছেন সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী।

বুধবার (২০ মে) বিকালে তিনি গোলাপগঞ্জ উপজেলার আমুড়া লম্বাব্রিজের কাছ থেকে ঘাগুয়া সিএনজি স্টেশন পর্যন্ত ১ কিলোমিটার রাস্তা পাকাকরণ কাজের উদ্বোধন করেন।

এসময় এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী বলেন, গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের উন্নয়নকাজের জন্য আমাকে বলতে হবে না। আমার প্রাণের এই দুই উপজেলার প্রায় সব সমস্যা সম্পর্কে আমি অবগত।

ইনশা আল্লাহ, রাস্তাঘাটের উন্নয়নসহ সব সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হবে। এতে আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই।

রাস্তার পাকাকরণ কাজের উদ্বোধনকালে সিলেট জেলা বিএনপির উপদেষ্টা মহি সুন্নাহ চৌধুরী নার্জিস, গোলাপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি হেলালুজ্জামান হেলাল, সহ সভাপতি রুহেলা আহমদ, আমিড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাহবুবুল হক লুলু, সহসভাপতি নুরুল ইসলাম মুন্না, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফার কুটি, যুগ্ম-সম্পাদক মনসুর আহমদ শিপন, সাংগঠনিক সম্পাদক আল নবী চৌধুরী শিপন, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা জয়নাল আবেদীন, কয়ছর আহমদ, সিলেট জেলা যুবদলের যুগ্ম-সম্পাদক লুৎফর রহমান ও উপজেলা যুবদল নেতা আশরাফুল হক আলতা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গোলাপগঞ্জ উপজেলার আমুড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত দলীয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী।

বক্তব্যে তিনি বলেন, সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দলীয় শৃঙ্খলা মেনে জনসাধারণের জন্য কাজ করতে হবে।

দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কোনো কাজ করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এ ব্যাপারে আমাদের অভিভাবক দলনেতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী খুব কঠোর।

বুধবার বিকেলে ইউনিয়ন পরিষদ হলে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাহবুবুল হক লুলু।

ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফফার কুটি ও সাংগঠনিক সম্পাদক আল-নবী চৌধুরী শিপনের যৌথ পরিচালনায় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা মহিউস সুন্নাহ চৌধুরী নারজিস, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা ছালিক চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হেলালুজ্জামান হেলাল,  যুক্তরাজ্য বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ফেরদৌস আলম, উপজেলা বিএনপির দফতর সম্পাদক নুরুল ইসলাম মুন্না, সাবেক চেয়ারম্যান রুয়েল আহমদ, ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক মনসুর আহমদ শিপন, বিশিষ্ট মুরুব্বি সৈয়দ নুরুল আম্বিয়া, জেলা যুবদলের যুগ্ম-সম্পাদক অ্যাডভোকেট লুতফুর রহমান, পৌর যুবদল নেতা রাজু আহমদ, শ্রমিক দল নেতা বেলাল আহমদ, জেলা শ্রমিকদল নেতা সাহেল আহমদ, ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আশফাক আহমদ, যুবদল সুহেল আহমদ, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক লাকেস আহমদ প্রমুখ।

এদিকে, আমুড়া লম্বাব্রিজ থেকে ঘাগুয়া পর্যন্ত ১ কিলোমিটার রাস্তা পাকাকরণ কাজের উদ্বোধন হওয়ায় স্থানীয়রা বর্তমান সংসদ সদস্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তাঁরা তাঁর জন্য দুআ করে বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই এই রাস্তা দিয়ে আমাদের কাদাপানি মাড়িয়ে চরম ভোগান্তিতে চলাচল করতে হচ্ছে। তবে এবার আমাদের সব কষ্ট লাঘব হবে।

জানা গেছে, গোলাপগঞ্জ উপজেলার প্রত্যন্ত এই এলাকায় এখনো অনেক রাস্তা কাঁচা।

বুধবার দিনভর সেগুলো সহ বিভিন্ন সমস্যাগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন, সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী। এসময় তিনি এসব সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন স্থানীয়দের।

» মাধবপুরে অধিক দুধ উৎপাদন ও লাভজনক খামার গঠনে খামারি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

Published: ২০. মে. ২০২৬ | বুধবার

নিউজ ডেস্কঃ
ব্র্যাক কৃত্রিম প্রজনন এন্টারপ্রাইজের উদ্যোগে বুধবার (২০ মে) হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার গুড ডে ফুড এন্ড ফ্যামিলি পার্কের কনফারেন্স হলরুমে “গাভী পালন ও লাভজনক খামার ব্যবস্থাপনা” বিষয়ক খামারি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

খামার পর্যায়ে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আয় বৃদ্ধি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণে মাধবপুর উপজেলার মোট ৩৩ জন খামারি অংশগ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণে রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ডা. মো. সাকিব মিয়া অনুষ্ঠানটি সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন, ব্র্যাক কৃত্রিম প্রজনন এন্টারপ্রাইজের রিজিওনাল স্যালস ম্যানেজার মো. আক্তারুজ্জামান, স্বাগত বক্তব্য দেন মো. শহীদুল ইসলাম, এরিয়া সেলস ম্যানেজার হবিগঞ্জ।

প্রশিক্ষণে গাভীর সঠিক পরিচর্যা, সুষম পুষ্টি ব্যবস্থাপনা, আধুনিক কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতি, রোগ প্রতিরোধে টিকা প্রদান এবং লাভজনক খামার পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

পাশাপাশি খামারিদের বাস্তব সমস্যার সমাধান ও উৎপাদন বৃদ্ধির কার্যকর কৌশল নিয়েও পরামর্শ প্রদান করা হয়।

প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে একটি কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় এবং বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

পরিশেষে সকল অংশগ্রহণকারীকে সনদপত্র প্রদান করা হয়।

অংশগ্রহণকারী খামারিরা জানান, এ ধরনের প্রশিক্ষণ তাদের খামার ব্যবস্থাপনায় নতুন জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনে সহায়ক হবে এবং ভবিষ্যতে অধিক দুধ ও মাংস উৎপাদন ও লাভ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

» বিএমবিএফ সিলেট বিভাগ, জেলা ও মহানগরের বিশাল মানববন্ধন

Published: ২০. মে. ২০২৬ | বুধবার

অবিলম্বে ফাহিমা ধর্ষণ ও হত্যার বিচার নিশ্চিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করুন

নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন (বিএমবিএফ) সিলেট বিভাগ, জেলা ও মহানগর শাখার যৌথ উদ্যোগে সিলেটে শিশু ফাহিমা ধর্ষণ ও  হত্যা সহ সারা দেশব্যাপী শিশু ও নারী ধর্ষণের প্রতিবাদে এবং সুদূরপ্রসারী শৃঙ্খলা ভবিষ্যৎ নির্মাণে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে এক বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২০ মে) বিকেলে নগরীর ঐতিহাসিক কোর্ট পয়েন্টে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধনে সভাপতির বক্তব্য রাখেন, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন সিলেট বিভাগের সভাপতি এবং জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান।

মানববন্ধনে দেশব্যাপী নারী ও শিশু ধর্ষনের তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা সিলেটে চার বছরের শিশু ফাহিমা ধর্ষন ও হত্যাকারীর ফাঁসির দাবি জানিয়ে ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের জঘন্য ঘটনা না ঘটে সে জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক থাকার আহবান জানান।

বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন সিলেট বিভাগের সাধারণ সম্পাদক মনোরঞ্জন তালুকদারের পরিচালনায় সিলেট বিভাগ গণদাবী পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক এম শফিকুর রহমান, বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন সিলেট বিভাগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও জাতীয়  সদর দপ্তরের সমাজকল্যাণ সম্পাদক আলহাজ্ব মনসুর আহমদ লস্কর, ফাউন্ডেশনের সিলেট বিভাগের সহ-সভাপতি এবং সিলেট প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও দৈনিক সিলেট বাণীর নির্বাহী সম্পাদক এম এ হান্নান, সহ-সভাপতি হাজী মো. আনোয়ার হোসেন, সহ-সভাপতি শ্যামল চৌধুরী, সহ-সভাপতি মির্জা রেজওয়ান বেগ,  যুগ্ম সম্পাদক মো. খালেদ মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম আজম মঞ্জু, শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পাদক মো. বেলাল উদ্দিন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা শিরিন আক্তার চৌধুরী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. ইউসুফ সেলু, দপ্তর সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ, কোষাধ্যক্ষ মির্জা আবুল কাশেম স্বপন, সালিশ বিষয়ক সম্পাদক শফিকুর রহমান, জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জালাল উদ্দীন আহমদ, ইদ্রিস মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. তাজ উদ্দিন, সিলেট বিভাগ গণদাবী পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল ইসলাম মিঠু, নৃপেন্দ্র সিংহ, আশরাফ হোসেন, আশরাফ তালুকদার, মোছা. রুনা সুলতানা, সিরাজুল হক, হোসাইন আহনদ মুন্না, শাহেদা বেগম প্রমুখ।

» ৭ বছরের শিশু রামিসা হত্যা; সিলেট মহানগর যুব জমিয়তের  তীব্র নিন্দা ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি

Published: ২০. মে. ২০২৬ | বুধবার

নিউজ ডেস্কঃ
রাজধানীর মিরপুরে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ৭ বছরের শিশু রামিসাকে বিকৃত যৌন নির্যাতন ও নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে যুব জমিয়ত বাংলাদেশ।

বুধবার (২০ মে) সিলেট মহানগর যুব জমিয়তের সভাপতি মাওলানা আসআদ উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজ মাওলানা আব্দুল করিম দিলদার সহ নেতৃবৃন্দ এক যৌথ বিবৃতিতে এই ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানান।

যৌথ বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, “একটি ৭ বছরের অবুঝ শিশুকে যেভাবে বিকৃত যৌন নির্যাতনের পর নৃশংসভাবে হত্যা করে মরদেহ খণ্ড-বিখণ্ড করা হয়েছে, তা চরম বর্বরতা।

এই ঘটনা মানবতাকে চরমভাবে লজ্জিত করেছে। কোন সুস্থ সমাজে এমন জঘন্য অপরাধ মেনে নেওয়া যায় না।

খুনি এবং তার সহযোগী স্ত্রীকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক ফাঁসির ব্যবস্থা করতে হবে, যেন ভবিষ্যতে আর কেউ এমন অপরাধ করার সাহস না পায়।

উক্ত বিবৃতিতে সংহতি প্রকাশ করেন, মহানগর যুব জমিয়তের সিনিয়র সহ-সভাপতি এম বেলাল আহমদ চৌধুরী, মাওলানা আফজাল হোসাইন খান, মাওলানা আবু সুফিয়ান, মাওলানা আব্দুল আহাদ আল আতিক, মাওলানা ফয়জুল হাসান খান, মাওলানা মুজাহিদুল ইসলাম, হাফিজ মাওলানা শাহিদ হাতিমী, মাওলানা আব্দুল হাসিব খান ও মাওলানা এনামুল হক।

বিবৃতিতে আরও একাত্মতা পোষণ করেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফরহাদ কোরাইশী, সহ-সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আফতাব উদ্দীন খান, মাওলানা হায়দার আলী, মুফতী আশরাফ ফুআদী, মাওলানা আমিনুল ইসলাম, মাওলানা সায়েম আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা রেজওয়ান আহমদ চৌধুরী, মাওলানা খলিলুল্লাহ মাহবুব, এম বশির আলী; প্রচার সম্পাদক মুফতী নোমান বিন আফসার, সহ-প্রচার সম্পাদক সৈয়দ ইয়াকুব আহমেদ; অর্থ সম্পাদক এম ফয়সাল আহমদ, সহ-অর্থ সম্পাদক মুফতী মারুফ হাসান, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা তোফায়েল আহমদ কামরান, সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা কামরুজ্জামান, সাহিত্য সম্পাদক হাফিজ জুবায়ের আহমদ; সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মুহাম্মদ দিলদার হোসাইন; তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এম ইমাম উদ্দীন এবং দপ্তর সম্পাদক হাফিজ আব্দুল কাদির, মাওলানা রুহুল আমিন মারজান, মাওলানা ফজলুল করিম, মাওলানা আব্দুল কাদির, মাওলানা জিয়াউদ্দিন, মাওলানা ফখরুল ইসলাম ইমরান প্রমুখ।

যুব জমিয়ত বাংলাদেশ সিলেট মহানগর নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে এই পাশবিক হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত মূল হোতা এবং তার সহযোগী স্ত্রীকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

একই সাথে নিহত শিশুর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।

» কানাইঘাটে খামারি পর্যায়ে অধিক দুধ উৎপাদন ও লাভজনক খামার গঠনে খামারি প্রশিক্ষণ

Published: ২০. মে. ২০২৬ | বুধবার

কানাইঘাট প্রতিনিধিঃ
সিলেটের কানাইঘাট উপজেলায় “অধিক দুধ উৎপাদনে গাভী ব্যবস্থাপনা ও লাভজনক খামার গঠন” শীর্ষক একদিনব্যাপী খামারি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ব্র্যাক কৃত্রিম প্রজনন এন্টারপ্রাইজের উদ্যোগে বুধবার (২০ মে) এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

প্রশিক্ষণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার গবাদিপশু পালনকারী খামারীগন অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ডা. প্রাণকৃষ্ণ হাওলাদার, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, কানাইঘাট।

অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন, ব্র্যাক কৃত্রিম প্রজনন এন্টারপ্রাইজের এরিয়া সেলস ম্যানেজার কৃষিবিদ মো. আমিরুল হক।

প্রশিক্ষণে গাভীর সঠিক পরিচর্যা, সুষম পুষ্টি ব্যবস্থাপনা, আধুনিক কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতি, রোগ প্রতিরোধে টিকা প্রদান এবং লাভজনক খামার পরিচালনার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

পাশাপাশি খামারিদের বাস্তব সমস্যা সমাধান ও উৎপাদন বৃদ্ধির কৌশল নিয়েও পরামর্শ দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় এবং বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

ডা. প্রাণকৃষ্ণ হাওলাদার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। পরে সকল অংশগ্রহণকারীকে সনদপত্র প্রদান করা হয়।

অংশগ্রহণকারী খামারিরা জানান, এ ধরনের প্রশিক্ষণ তাদের খামার ব্যবস্থাপনায় নতুন জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনে সহায়ক হবে, যা ভবিষ্যতে দুধ ও মাংস উৎপাদন বৃদ্ধি এবং আয় বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

» সমাজ কল্যাণমন্ত্রীর কাছে সিলেট বিভাগ গণদাবী ফোরামের স্মারকলিপি প্রদান

Published: ১৯. মে. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের উন্নয়নমূলক সংগঠন সিলেট বিভাগ গণদাবী ফোরামের পক্ষ থেকে মহিলা শিশু ও সমাজ কল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ. জেড এম জাহিদ হোসেনের কাছে সিলেটের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের দাবি জানিয়ে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) মন্ত্রী সিলেট সফরকালে নগরীর আমানউল্লাহ কনভেনশন হলে সিলেট বিভাগ গণদাবী ফোরামের সভাপতি চৌধুরী আতাউর রহমান আজাদ এডভোকেট এ স্মারকলিপি প্রদান করেন।

এসময় প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সংসদ সদস্য এম. এ মালেক, এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, লেখক আফতাব চৌধুরী, সাংবাদিক আবু তালেব মুরাদ প্রমুখ ফোরামের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

স্মারকলিপিতে উত্থাপিত দাবিগুলো হচ্ছে, সিলেটে বিভাগীয় প্রবীণ নিবাস ও প্রবীণ হাসপাতাল স্থাপন, সিলেট বিভাগের প্রতি জেলায় জেলা প্রবীণ নিবাস ও প্রবীণ হাসপাতাল, সিলেটে একটি আধুনিক অটিস্টিক শিশু একাডেমী, আধুনিক শিশু হাসপাতাল, বিভাগের প্রতিটি জেলায় মহিলা বিনিয়োগ পল্লী, সিলেট নগরীতে কর্মজীবি মহিলা হোস্টেল, বৃত্তি মূলক শিক্ষা, তথ্য প্রযুক্তি উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও কিশোর-কিশোরী পুনর্বাসন কেন্দ্র, বিভাগীয় প্রতিবন্ধি শিশু নিবাস ও বিভাগীয় প্রতিবন্ধি হাসপাতাল, বিভাগের প্রতিটি জেলায় জেলা প্রতিবন্ধি উন্নয়ন ও পুনর্বাসন কেন্দ্র, এতিম পুনর্বাসন ও উন্নয়ন কেন্দ্র, শিশু ডে-কেয়ার সেন্টার, বাগবাড়ীস্থ শিশু পরিবার ও ছোটমণি নিবাসের উন্নয়ন সম্প্রসারণ, ভিক্ষুক পুনর্বাসন কেন্দ্র, বিভাগীয় শিশু অপরাধী সংশোধন ও পুনর্বাসন কেন্দ্র, বিভাগের প্রতিটি জেলায় জেলা সমাজসেবা কমপ্লেক্স নির্মাণ, হিজড়া উন্নয়ন ও পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপন, প্রবীণ ও প্রতিবন্ধীদের বিনামূল্যে ঔষুধ ও চিকিৎসা সেবা প্রদানের ব্যবস্থা, বিভাগের প্রতিটি উপজেলায় একটি প্রবীণ ও প্রতিবন্ধী সেবা কেন্দ্র স্থাপন, চা শ্রমিক ও পাহাড়ী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে ভাতা প্রদানের ব্যবস্থা, প্রবীণ ব্যক্তিদের সিনিয়র সিটিজেন কার্ড প্রদান, প্রবীণ ব্যক্তিদের সকল সরকারী হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান, রেল পথ, সড়ক পথ, জল পথ ও আকাশ পথে প্রবীণদের জন্য কোঠা সংরক্ষণ ইত্যাদি।

» এনসিসি ব্যাংকের উদ্যোগে নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও টেকসই অর্থায়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

Published: ১৯. মে. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ
নারী উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব ও টেকসই অর্থায়ন সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে এনসিসি ব্যাংক পিএলসি-এর লালদিঘিরপাড় শাখা, চৌহাট্টা শাখা এবং কুমারপাড়া শাখা যৌথ উদ্যোগে বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) বিকেলে এনসিসি ব্যাংক পিএলসি-এর কুমারপাড়া শাখায় এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

সুমন্ত গুপ্তের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন, এনসিসি ব্যাংক পিএলসি-এর সিলেটের আঞ্চলিক প্রধান বিমান কান্তি ঘোষ।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, চৌহাট্টা শাখার ব্যবস্থাপক মো. মুজিবুল ইসলাম এবং কুমারপাড়া শাখার ব্যবস্থাপক মো. জিয়াউর রহমান।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিরা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, দেশের অর্থনৈতিক মূলধারায় নারীদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে এবং পরিবেশবান্ধব বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে এ ধরণের সচেতনতামূলক উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ।

যেকোন ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে টেকসই সফলতা অর্জনে সঠিক প্রশিক্ষণের কোন বিকল্প নেই।

নারী উদ্যোক্তাদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এনসিসি ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ ধরণের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

কর্মশালায় এনসিসি ব্যাংকের লোন কর্মকর্তা শাহ্ মিসবাউজ্জামান গ্রিন ফাইন্যান্সের বিভিন্ন দিক, নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ ঋণ সুবিধা এবং সামগ্রিক ব্যাংকিং সহায়তা সম্পর্কে বিস্তারিত প্রেজেন্টেশন তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী ব্যাংকিংয়ের সৈয়দা ফারজীনা জর্বরীন, মো. আরিফ উদ্দিন চৌধুরী, খোরশেদা আক্তার, আতিকুজ্জামান মোল্লা ও নাজিয়া তাসনিম প্রমুখ।

পরে নারী উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে নিজস্ব অনুভূতি ব্যক্ত করে বক্তব্য রাখেন অপর্ণা সেন রায়, খুরশেদা আক্তার ও সুইটি সূত্রধর প্রমুখ।

বক্তব্যে তাঁরা নারী উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নেওয়ার জন্য এনসিসি ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে এই চমৎকার ও তথ্যবহুল আয়োজনের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান এবং নারীদের ব্যবসায়িক জ্ঞান ও দক্ষতা সমৃদ্ধ করতে ভবিষ্যতে এই ধরণের আয়োজন নিয়মিত করার আহ্বান জানান।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের ব্যবসা পরিচালনা, বিপণন, ব্যবসায়ের সম্প্রসারণ এবং আধুনিক পরিবেশবান্ধব অর্থায়ন (গ্রিন ফাইন্যান্স) সম্পর্কে বাস্তবমুখী ও বিশদ ধারণা প্রদান করা হয়।

প্রশিক্ষণ পর্ব শেষে কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী সফল নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে আনুষ্ঠানিক সনদপত্র (সার্টিফিকেট) বিতরণ করা হয়।

কর্মশালায় সিলেট শহরের শতাধিক সম্ভাবনাময় নারী উদ্যোক্তা অত্যন্ত স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

Callender

May 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031