- গণদাবি পরিষদ যুক্তরাজ্য শাখার সাধারণ সভা ৯ সেপ্টেম্বর সফলের আহ্বান
- ওসমানী হাসপাতালে রোগী হয়রানির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল আজ ২টায়
- সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অংশীজন সভা অনুষ্ঠিত
- ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অনিয়ম-দুর্নীতি ও রোগী হয়রানির প্রতিবাদে বিক্ষোভ
- বঙ্গবীর ওসমানীর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান : আতাউর রহমান
- সিলেটে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ
- সিলেট উইমেন চেম্বারের নির্বাচিত পর্ষদের ১ বছর পূর্তিতে যা বললেন সভাপতি শম্পা
- ফ্রি ডায়াবেটিস শনাক্তকরণ ক্যাম্প উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক
- আগস্ট মাসে সিলেটের সড়কে দুর্ঘটনায় প্রাণ ঝরলো ৪৭ জনের
- শাহ্ খুররাম ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন ১৫ একর সরকারি জমিতে আধুনিক স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হবে : সিউক চেয়ারম্যান কয়েস লোদী
» গণদাবি পরিষদ যুক্তরাজ্য শাখার সাধারণ সভা ৯ সেপ্টেম্বর সফলের আহ্বান
Published: ০৭. সেপ্টে. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট বিভাগের প্রবাসীরা বিশেষ করে যুক্তরাজ্য বসবাসরত প্রবাসীরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে আরম্ভ করে এখন পর্যন্ত সরকারকে নানাভাবে সাহায্য সহযোগীতা করে আসছেন।
বিশেষ করে ৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে তাঁদের অবদান অনস্বীকার্য। এখন পর্যন্ত সিলেটবাসী সরকারে যে অবদান রেখে যাচ্ছেন বিনিময়ে কি তার ন্যায্য উন্নয়ন পাচ্ছে? সিলেটবাসী সবসময় আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমেই বেশীরভাগ দাবি আদায় করেছে এবং আজ অবদি আন্দোলনে আছে।
সিলেট বাসীর দীর্ঘদিনের দাবি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরকে একটি আন্তর্জাতিক মানের বিমান বন্দরে রূপান্তর করে বিশ্বের সেরা সেরা যেমন, কাতার, কয়েত, সৌদি আরব, বৃটিশ এয়ারওয়েজ দের ওসমানী বিমান বন্দরে আসার সুযোগ করে দেওয়া।
তাছাড়া সিলেটবাসী প্রায় ৪০ বৎসর যাবৎ আন্দোলন করে আসছে সিলেট-আখাউড়া রেল লাইন ডাবল করতে হবে?
সিলেট ঢাকা সড়ক পথ অতিদ্রুত ছয়লেনের কাজ সমাপ্ত করে সিলেট চট্টগ্রামের সড়ক পথ ছয় লেনের কাজ আরম্ভ করতে হবে।
সিলেটের ন্যায্য দাবি আদায়ের লক্ষে সিলেট বিভাগ গনদাবি পরিষদ সেই ১৯৮৭ সাল থেকে সিলেটের ন্যায্য দাবি দাওয়া আদায়ের আন্দোলনে সংযুক্ত থেকে অনেক দাবি আদায় করেছে এবং বাকী ন্যাযদাদি আদায়ের আন্দোলনে সক্রিয় আছে।
সিলেট বিভাগের পাওনা ন্যায্য দাবি আদায়ের লক্ষে দেশ বিদেশে অবস্থান রত সিলেট প্রবাসীরা আজ ঐক্যবদ্ধ।
তারই ধারাবাহিকতায় সিলেট বিভাগ গনদাবি পরিষদ যুক্তরাজ্য শাখা গঠনের উদ্দেশ্যে শাহ মুনিম, সলিস্টিার এম.ইরার উদ্দিনও মাহবুবুর রহমান কুরেশীর অনুরোধক্রমে গনদাবি পরিষদ যুক্তরাজ্য শাখা গঠনের লক্ষে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় একটি রেষ্টুরেন্টে সন্ধ্যায় ৬টায় এক সাধারণ সভার আয়োজন করা হয়েছে।
সাধারণ সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন ড. হাসনাত এম হোসাইন এম বি.ই, কে এম. আবু তাহের চৌধুরী, শাহগীর বখ্ত ফারুক, শেখ মফিজুর রহমান, আহমেদ উস সামাদ চৌধুরী জেপি, আব্দুল মুনিম ওবিই, ড. সানওয়ার চৌধুরী ও আসাব বেগ প্রমুখ।
সিলেটের ন্যায্য দাবী আদায়ের আন্দোলনকে আরও পুনগঠিত ও শক্তিশালী করার লক্ষে আয়োজিত এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় আপনার উপস্থিতি এবং সুচিন্তিত মতামত একান্ত ভাবে কাম্য।
অতএব আপনাকে উক্ত সভায় উপস্থিত হয়ে আপনার মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ প্রদানের জন্য সশ্রদ্ধ ও বিনীত ভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন অনুষ্টানের আয়োজকবৃন্দ।
দেশে-বিদেশে সিলেট বিভাগের ন্যায্য দাবি দাওয়া আদায়ের আন্দোলনকে জোরদার ও গতিশীল করার লক্ষ্যে উক্ত সাধারণ সভার মাধ্যমে সিলেট বিভাগ গনদাবি পরিষদ যুক্তরাজ্য শাখা গঠনের এই সাধারণ সভায় সাফল্য ও সফলতা কামনা করেছেন গনদাবি পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক এম শফিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মনসুর আহমদ লস্কর।
» ওসমানী হাসপাতালে রোগী হয়রানির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল আজ ২টায়
Published: ০৭. সেপ্টে. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অনিয়ম, সুচিকিৎসার অভাব ও রোগী হয়রানির অভিযোগের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে।
‘জাগ্রত নারী সংস্থা বাংলাদেশ’-এর উদ্যোগে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর, সোমবার, বেলা ২টায় এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে।
মিছিলের আগে সিলেট রেজিস্ট্রারি মাঠে অংশগ্রহণকারীরা জড়ো হবেন বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
আয়োজকদের দাবি, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা, অনিয়ম বন্ধ করা এবং রোগী ও তাদের স্বজনদের হয়রানি বন্ধের দাবিতে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
কর্মসূচিতে সিলেটের সর্বস্তরের সম্মানিত নাগরিকদের উপস্থিত থাকার জন্য বিনীতভাবে আহ্বান জানিয়েছেন আয়োজকরা।
» সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অংশীজন সভা অনুষ্ঠিত
Published: ০৭. সেপ্টে. ২০২৬ | সোমবার
পরিকল্পিত ও টেকসই সিলেট গড়তে বিশেষজ্ঞদের মতামত প্রাধান্য দেওয়া হবে : সিউক চেয়ারম্যান কয়েস লোদী
সিলেটকে একটি আধুনিক, সুপরিকল্পিত ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি)-এর বিশেষজ্ঞ শিক্ষক, পেশাজীবী প্রকৌশলী ও স্থপতি এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহের প্রতিনিধিদের নিয়ে এক গুরুত্বপুর্ণ অংশীজন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) সভাকক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদা) রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।
সভাপতির বক্তব্যে সিউক চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, “সিলেটের ভৌগোলিক বাস্তবতায় টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ, জলবদ্ধতা নিরসন এবং ঝুঁকিমুক্ত নগরায়ণ নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। শাবিপ্রবির পুরকৌশল ও স্থাপত্য বিভাগ সহ আইইবি, আইএবি, আইডিইবি এবং আবাসন খাতের অভিজ্ঞ প্রতিনিধিদের গঠনমূলক পরামর্শ সিউকের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা ও মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নে অনন্য ভূমিকা রাখবে।
সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টাতেই আমরা একটি আধুনিক ও নিরাপদ সিলেট উপহার দিতে পারবো।”
সভায় নগরীর পরিকল্পিত আবাসন ব্যবস্থা, বহুতল ভবনের ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড মেনে চলা, ভূমিকম্প ও অগ্নিনির্বাপণ ঝুঁকি হ্রাস, গ্যাস ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার সঠিক ইউটিলিটি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় উপস্থিত বিশেষজ্ঞ ও অংশীজনরা সিলেট শহরের বিভিন্ন অবকাঠামোগত সমস্যা তুলে ধরেন এবং সিউক-এর সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রমে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
সিউক’র নির্বাহী পরিচালক মো. সাদিউর রহমান জাদিদের পরিচালনায় অংশীজন সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল (সিইই) বিভাগের অধ্যাপক ড. মুশতাক আহমেদ এবং অধ্যাপক ড. মো. শাহিদুর রহমান।
ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইইবি) সিলেট কেন্দ্রের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. জয়নাল আবেদীন এবং সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ শাহজাহান মাহমুদ।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের (পিডব্লিউডি) নির্বাহী প্রকৌশলী মো: আবু জাফর, সহকারী স্থপতি প্রকৌশলী রায়হান আহমেদ, জালালাবাদ গ্যাসের ডিএম সুহেদুর রহমান এবং সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সহকারী প্রকৌশলী মাহমুদ আবু নাসের।
আকাশ অ্যাসোসিয়েটসের প্রধান নির্বাহী ইঞ্জিনিয়ার মো. মুখলেছুর রহমান, জেনিথ ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড আর্কিটেক্টসের এমডি ইঞ্জিনিয়ার আবু আহমদ আবদুল্লাহ, অ্যাক্সিস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এমডি ইঞ্জিনিয়ার মো. মাকসুদ আহমেদ, নকশা ইঞ্জিনিয়ার্সের এমডি শেখ জামিল আহমেদ, এসইই কনসালট্যান্টের বসন্ত কুমার সিংহ, প্রকৌশলী দেবাশীষ ভট্টাচার্য, প্রকৌশলী মমতাজউদ্দিন চৌধুরী, প্রকৌশলী নিজাম উদ্দিন, অমিত চক্রবর্তী সহ আইএবি, আইডিইবি, সিলেট এপার্টমেন্ট অ্যান্ড রিয়েল এস্টেট গ্রুপ এবং বিভিন্ন কনসাল্টিং ফার্মের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিবৃন্দ।
» ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অনিয়ম-দুর্নীতি ও রোগী হয়রানির প্রতিবাদে বিক্ষোভ
Published: ০৭. সেপ্টে. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অনিয়ম, দুর্নীতি, রোগী ও স্বজনদের হয়রানি এবং চিকিৎসাসেবা গ্রহণে নানা বিড়ম্বনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ২টায় সিলেট রেজিস্ট্রারি মাঠ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়।
সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি, জাগ্রত নারী উন্নয়ন সংস্থা বাংলাদেশ, সিলেট ব্যাটারিচালিত রিকশা-ইজিবাইক মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদ ও চা শ্রমিক ইউনিয়ন মালিনীছড়ার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।
পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। জাগ্রত নারী উন্নয়ন সংস্থা বাংলাদেশ-এর সভাপতি কাপ্তান মিয়ার সভাপতিত্বে এতে সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি মাওলানা লোকমান আহমদসহ আয়োজক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বক্তব্য দেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, অসহায় ও অসচ্ছল মানুষের চিকিৎসার অন্যতম প্রধান আশ্রয়স্থল সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
সিলেট বিভাগের সবচেয়ে বড় সরকারি এই স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে সিলেট ছাড়াও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ চিকিৎসা নিতে আসেন।
তবে দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালটিতে রোগী ও তাঁদের স্বজনদের অনিয়ম, দুর্ভোগ, হয়রানি ও নানা বিড়ম্বনার শিকার হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
বক্তারা অভিযোগ করেন, হাসপাতালে প্রবেশের পর থেকেই রোগী ও স্বজনদের বিভিন্ন ধাপে হয়রানির মুখে পড়তে হয়।
বিশেষ করে জরুরি বিভাগে রোগী নেওয়া, নিবন্ধন, ভর্তি, ওয়ার্ডে স্থানান্তর, পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং লিফট ব্যবহারের ক্ষেত্রে নানা জটিলতা রয়েছে। এসব কারণে গুরুতর অসুস্থ রোগী ও তাদের স্বজনদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়।
তারা আরও বলেন, চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ও অবকাঠামোগত নানা সমস্যার কারণে রোগীদের দুর্ভোগ বাড়ছে। রোগী পরিবহনে পর্যাপ্ত ট্রলি না থাকা, লিফট সংকট, জরুরি বিভাগে যাতায়াতের জটিলতা এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় হয়রানির অভিযোগ রয়েছে।
এসব সমস্যা দ্রুত সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
সমাবেশ থেকে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা কোনো রোগী বা তার স্বজন যাতে হয়রানি, অবহেলা কিংবা অনিয়মের শিকার না হন, তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
একই সঙ্গে হাসপাতালের প্রতিটি স্তরে রোগীবান্ধব পরিবেশ তৈরি এবং চিকিৎসাসেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া সহজ করার আহ্বান জানান বক্তারা।
বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধ, রোগী ও স্বজনদের হয়রানি নিরসন, জরুরি বিভাগে সেবার পরিবেশ উন্নত করা, পর্যাপ্ত ট্রলি ও লিফটের ব্যবস্থা এবং রোগীদের নির্বিঘ্নে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ওয়ার্ডে স্থানান্তর নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, চিকিৎসকদের আন্তরিকতা ও দক্ষতার কারণে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এখনও বৃহত্তর সিলেটসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মানুষের আস্থার জায়গা।
তাই এই প্রতিষ্ঠানের সেবার মান আরও উন্নত করার পাশাপাশি রোগীদের দুর্ভোগ ও হয়রানি বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
এ সময় সমাবেশে বক্তারা সিলেটে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও ইজিবাইক চলাচলে বাধা, চা শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, হকারদের পুনর্বাসন এবং নগরীর রাস্তাঘাটের বেহাল দশা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
» বঙ্গবীর ওসমানীর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান : আতাউর রহমান
Published: ০৭. সেপ্টে. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
বঙ্গবীর ওসমানী জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকী উদযাপন পরিষদ জাতীয় কমিটির সভাপতি ও জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান বলেছেন, বঙ্গবীর জেনারেল ওসমানী ছিলেন বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রধান কাণ্ডারি।
তাঁর দৃঢ় নেতৃত্ব, অসাধারণ সামরিক কৌশল, সাংগঠনিক দক্ষতা ও দেশপ্রেম মুক্তিযুদ্ধকে একটি সুসংগঠিত ও কার্যকর সামরিক রূপ দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
স্বাধীনতা অর্জনে তাঁর অবদান জাতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে।
তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে যেসব বীর ব্যক্তিত্ব তাঁদের মেধা, সাহস ও নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে অসামান্য ভূমিকা রেখেছেন, তাঁদের যথাযথ মর্যাদা দেওয়া আমাদের জাতীয় দায়িত্ব।
বঙ্গবীর ওসমানীর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে নগরীর জিন্দাবাজারস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে বঙ্গবীর ওসমানী জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকী উদযাপন পরিষদ জাতীয় কমিটির উদ্যোগে মহা মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানী, সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর জেনারেল এমএজি ওসমানীর ১০৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
বঙ্গবীর ওসমানী জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকী উদযাপন পরিষদ জাতীয় কমিটির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ডা. এম এ রকিবের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মনোরঞ্জন তালুকদারের পরিচালনায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন, ফুলকলি ফুড প্রোডাক্টস লি: এর ডিজিএম এবং বিএমবিএফ সিলেট বিভাগের উপদেষ্টা জসিম উদ্দিন খন্দকার।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিএমবিএফ জাতীয় সদর দপ্তরের সমাজকল্যাণ সম্পাদক ও বিএমবিএফ সিলেট মহানগরের সভাপতি আলহাজ্ব মনসুর আহমদ লস্কর, সিলেট প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি ও বঙ্গবীর ওসমানী জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকী উদযাপন পরিষদ জাতীয় কমিটির সহ সভাপতি এম এ হান্নান, বঙ্গবীর ওসমানী জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকী উদযাপন পরিষদ জাতীয় কমিটির সহ সভাপতি হাজী মো. আনোয়ার হোসেন।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মুসলেহ উদ্দিন আহমদ, শ্যামল চৌধুরী, মো. বেলাল উদ্দিন, মো. খালেদ মিয়া, সাব্বির আহমদ, মো. ইউসুফ শেলু, শিরিন চৌধুরী, মোছাম্মত রুনা সুলতানা, হুসনা চৌধুরী, সাহেদা বেগম, জাহারুন্নেছা প্রমুখ।
» সিলেটে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ
Published: ০৭. সেপ্টে. ২০২৬ | সোমবার
দুর্নীতিমুক্ত ও ন্যায়ভিত্তিক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে : বিভাগীয় কমিশনার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান বলেছেন, দুর্নীতি প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তরুণ সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
একটি দুর্নীতিমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে তরুণ প্রজন্মকে সততা, নৈতিকতা ও মূল্যবোধে বলীয়ান হয়ে এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি বলেন, দুর্নীতিবিরোধী সচেতনতা পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকেই শুরু করা প্রয়োজন। শিশু-কিশোরদের ছোটবেলা থেকেই ন্যায়-অন্যায়, সততা ও দায়িত্ববোধ সম্পর্কে শিক্ষা দিতে হবে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধের চর্চা বাড়াতে হবে। এতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম দেশ ও সমাজের প্রতি আরও দায়িত্বশীল হয়ে উঠবে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে নগরীর শাহী ঈদগাহস্থ স্কলার্সহোম স্কুল অ্যান্ড কলেজ অডিটোরিয়ামে জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি সিলেটের উদ্যোগে ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সিলেটের সার্বিক সহযোগিতায় দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে তারুণ্যের একতা, গড়বে আগামীর শুদ্ধতা’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আলোচনা সভা ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিতর্ক দলের অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি সিলেটের সভাপতি (অব.) লে. কর্নেল মুনির আহমদ কাদেরী এর সভাপতিত্বে ও স্কলার্সহোম স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক কামরুল হক জুয়েলের পরিচালনায় শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক রোটারিয়ান বেলাল আহমেদ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সিলেটের উপ-পরিচালক সুবেল আহমেদ। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন নাজমা পারভিন।
প্রতিযোগিতায় সিলেট জেলার ৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। তারমধ্যে ফাইনালে স্কলার্সহোম স্কুল অ্যান্ড কলেজতে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে সরকারি অগ্রগামি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে শুধু বক্তব্য বা প্রচার-প্রচারণার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না; প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মীসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে সিলেটের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
» সিলেট উইমেন চেম্বারের নির্বাচিত পর্ষদের ১ বছর পূর্তিতে যা বললেন সভাপতি শম্পা
Published: ০৭. সেপ্টে. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদের সফল এক বছর পূর্ণ হয়েছে।
২০২৫ সালের ৭ সেপ্টেম্বর আয়োজিত ঐতিহাসিক নির্বাচনে ১১ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদে সভাপতি নির্বাচিত হন লুবানা ইয়াসমীন শম্পা।
প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সংগঠনের পক্ষ থেকে ব্যাপক ও বর্ণাঢ্য কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
এসব কর্মসূচিতে সিলেটের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবর্গ, প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং চেম্বারের সাধারণ সদস্যদের অংশ গ্রহণের কথা রয়েছে।
প্রথম বর্ষপূর্তির এই মাহেন্দ্রক্ষণে পর্ষদের বিগত এক বছরের অর্জন, সাধারণ সদস্যদের প্রাপ্তি এবং নতুন নারী উদ্যোক্তা তৈরিতে চেম্বারের ভূমিকা নিয়ে কথা বলেছেন সভাপতি লুবানা ইয়াসমীন শম্পা।
শুরুতেই তিনি পর্ষদের পক্ষ থেকে সিলেটবাসীকে শুভেচ্ছা জানান এবং আয়োজিত কর্মসূচিতে যোগদানের আমন্ত্রণ জানান।
অতীতের পটভূমি স্মরণ করে লুবানা ইয়াসমীন শম্পা বলেন, “২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এক ক্রান্তিলগ্নে চেম্বারের সদস্য ও সাবেক পরিচালকদের অনুরোধে আমি ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব নিই।
পরবর্তীতে সংগঠনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রশাসক নিয়োগ থেকে শুরু করে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করি।
দায়িত্ব নেওয়ার পর একটি প্রতিষ্ঠানকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করাতে সহ-সভাপতি ও ৯ জন পরিচালকসহ পুরো ১১ সদস্যের পর্ষদ একযোগে কাজ করেছি।”
তিনি জানান, গত এক বছরে সদস্যদের উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ, হস্তশিল্প তৈরি, সহজ শর্তে ঋণদান বিষয়ক সেমিনারসহ একাধিক কার্যকর পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
পাশাপাশি এসএমই ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত বিভিন্ন সেমিনার ও প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সদস্যদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছে।
এইসব কর্মসূচী শুধু শহরেকন্দ্রীক সীমাবদ্ধ ছিল না বরং সিলেটের বেশ কয়েকটি জেলায় প্রান্তিক নারীদের নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচীর মাধ্যমে তাদের উদ্যোক্তা হওয়ার দ্বার উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, চেম্বারের ফান্ড গঠনেও আমি এবং পরিষদ একযোগে কাজ করেছি এবং সফলতা লাভ করেছি।
এদিকে পরিষদেরেএক বছর পূর্তি উপলক্ষে লুবানা ইয়াসমীন শম্পা চেম্বারের অগ্রগতিতে অবদান রাখায় সরকারের দুজন মন্ত্রীর প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তাঁরা হলেন, সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির এবং সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
সভাপতি বলেন, “তাদের অব্যাহত সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা ছাড়া আমাদের গৃহীত পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়ন করা সম্ভব হতো না।
বিশেষ করে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী শুরু থেকেই আমাদের এই অগ্রযাত্রায় সহায়কের ভূমিকা পালন করেছেন। আশা করি, ভবিষ্যতেও উইমেন চেম্বারের প্রতি তাদের এই সমর্থনের ধারা বজায় থাকবে।”
সাম্প্রতিক কিছু অপপ্রচারের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে সভাপতি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “সিলেট উইমেন চেম্বার কারো ব্যক্তিগত বা সামাজিক প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান নয়।
এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালিত একটি প্রাতিষ্ঠানিক সংস্থা।
বিগত দিনেও সিলেটের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য কিংবা সিটি করপোরেশনের মেয়রের উপস্থিতিতে আয়োজিত সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক প্রোগ্রামে চেম্বারের প্রতিনিধিত্ব করতে হয়েছে।
এর অর্থ কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হওয়া নয়; বরং সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করা এবং দেশের আর্থ-সামাজিক পরিবর্তনের অংশ হওয়া।”
তিনি আরও যোগ করেন, “গঠনতন্ত্র অনুযায়ী একক সিদ্ধান্তের কোনো সুযোগ এখানে নেই। প্রতিটি সিদ্ধান্ত পরিচালনা পর্ষদের সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতে রেজুলেশন আকারে গৃহীত হয়।
ব্যক্তিগতভাবে আমি কোনোদিন কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম না। অথচ আমাকে রাজনৈতিকভাবে বিকৃত করার উদ্দেশ্যে পরিবারকে টেনে এনে কালিমা লেপনের চেষ্টা করা হচ্ছে, যা চরম হীন মানসিকতার পরিচয়।”
চেম্বারের বাণিজ্য মেলা সংক্রান্ত বিতর্ক নিয়ে তিনি বলেন, “মন্ত্রণালয়ের বাৎসরিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী বাণিজ্য মেলা আয়োজনের বৈধ অধিকার সিলেট উইমেন চেম্বারের রয়েছে।
এই প্রক্রিয়ায় পুরো পরিচালনা পর্ষদ যুক্ত থাকে। পর্ষদের বাইরে কোনো ব্যক্তির সঙ্গে মেলার নামে আর্থিক লেনদেন বা গোপন চুক্তির সুযোগ নেই। মেলার গোপন চুক্তির বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও রটনা।”
যেমন চেম্বারের সহ-সভাপতি ও একজন পরিচালকের বক্তব্য বিকৃত করে অপপ্রচার বিষয়ে তিনি বলেন, “তাদের নিয়ে মিথ্যাচার করা হয়েছে। কারণ নাম উল্লেখ করাদের মধ্যে জাকিয়া ফাতেমা লিমি চৌধুরী দেশের বাহিরে অবস্থান করছেন।
গণমাধ্যমে তাঁর নামে বক্তব্য প্রকাশ করায় তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। একইসাথে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ লিখিতে আকারে জানিয়েছেন।
অপরদিকে সহ-সভাপতি চেম্বার সভাপতির কোন অনিয়ম বা স্বেচ্চাচারীতা বিষয়ে কিছু বলেন নি। তিনি বলেছেন, মেলা অনুমোদনের বিষয়টি তিনি জানেনি।
ইতোমধ্যে তাদের দু’জনের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে ওই মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, অপপ্রচার চালিয়ে উইমেন চেম্বারের অগ্রযাত্রাকে কখনো থামানো যাবে না। সত্যের জয় নিশ্চিতভাবেই হবে।”
» ফ্রি ডায়াবেটিস শনাক্তকরণ ক্যাম্প উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক
Published: ০৬. সেপ্টে. ২০২৬ | রবিবার
নগরীতে নাগরিকদের হাঁটার উপযোগী পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে মানুষের জীবনযাত্রার পরিবর্তন জরুরি।
শুধু ওষুধ খেলেই সবসময় ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব নয়; এর সঙ্গে খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম ও হাঁটাচলার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।
বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সিলেট নগরে নাগরিকদের জন্য খোলা জায়গা, পার্ক ও হাঁটার উপযোগী পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা জাতীয় অধ্যাপক ডা. মো. ইব্রাহিমের ৩৭তম মৃত্যুবার্ষিকী ও ডায়াবেটিস সেবা দিবস উপলক্ষে সিলেটে দিনব্যাপী ফ্রি ডায়াবেটিস শনাক্তকরণ ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রোটারি ক্লাব অব সিলেট সেন্ট্রালের উদ্যোগে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সিলেট সিটি করপোরেশন প্রাঙ্গণে এ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। এতে সার্বিক সহযোগিতা করে সিলেট ডায়াবেটিক অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল। পৃষ্ঠপোষকতায় ছিল স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি।
সিসিক প্রশাসক আরও বলেন, আমরা সিলেটে একটি পার্ক নির্মাণের উদ্যোগ এগিয়ে নিচ্ছি।
এ বিষয়ে সিলেটের সংসদ সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কাজ করছি। আমরা চাই, নগরবাসী যেন সুস্থ থাকার জন্য নিয়মিত হাঁটাচলা ও শরীরচর্চার সুযোগ পান।
ডায়াবেটিসের পরিস্থিতি তুলে ধরে সিসিক প্রশাসক বলেন, বাংলাদেশে ডায়াবেটিসের বিস্তার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে।
একসময় মনে করা হতো বয়স্কদের মধ্যেই ডায়াবেটিস বেশি হয়। কিন্তু বর্তমানে শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের মধ্যেই এ রোগের বিস্তার দেখা যাচ্ছে। খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাপন ও জেনেটিক সহ বিভিন্ন কারণে ডায়াবেটিস হতে পারে।
তিনি বলেন, ডায়াবেটিসকে অবহেলা করার সুযোগ নেই। এ রোগ নিয়ন্ত্রণে নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
খাদ্যাভ্যাসে নিয়ন্ত্রণ না থাকলে ডায়াবেটিস থেকে কিডনি, লিভার সহ শরীরের বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই শুধু ওষুধের ওপর নির্ভর না করে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন, নিয়মিত হাঁটাচলা ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে সিসিক প্রশাসক বলেন, আমিও একজন ডায়াবেটিস রোগী। আমিও চেষ্টা করি রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে।
তবে বিভিন্ন পাবলিক অনুষ্ঠান ও কর্মসূচিতে অনিয়মিত খাওয়া-দাওয়ার কারণে অনেক সময় আমারও রক্তের শর্করা বেড়ে যায়। তারপরও নিয়ম মেনে চলার মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করি।
তিনি বলেন, ডায়াবেটিস নিয়ে কাজ করা সামাজিক সংগঠনগুলোর উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আমি নিজেও ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশন ও বারডেম হাসপাতালের সঙ্গে সম্পৃক্ত।
অধ্যাপক আজাদ খান আমাকে এই কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করেছিলেন। সিলেটে যেসব সামাজিক সংগঠন ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা তৈরিতে কাজ করছে, সিলেট সিটি করপোরেশন তাদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করছে এবং ভবিষ্যতেও সহযোগিতা করবে।
ডায়াবেটিস সচেতনতা ও জনস্বাস্থ্য নিয়ে রোটারি ক্লাব অব সিলেট সেন্ট্রালের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ভবিষ্যতেও রোটারি সহ অন্যান্য সামাজিক সংগঠন আরও ব্যাপকভাবে মানুষের স্বাস্থ্যসচেতনতা তৈরিতে কাজ করবে- এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
ক্লাব প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান পিপি রুহুল আলম খান পিএইচএফের সভাপতিত্বে ও পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, অ্যাসিস্ট্যান্ট কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর রোটারিয়ান পিপি মো. সিদ্দিকুর রহমান পিএইচএফ, কো-অর্ডিনেটর (অর্থ) রোটারিয়ান পিপি বিকাশ কান্তি দাস পিএইচএফ, পোলিও প্লাস কমিটির সদস্য রোটারিয়ান পিপি মো. আব্দুল মুকিত আরএফএসএম, ক্লাব সদস্য রোটারিয়ান পিপি জিয়াউল হক এমপিএইচএফ, রোটারিয়ান পিপি এম এ রহিম আরএফএসএম, রোটারিয়ান পিপি মোহাম্মদ শামসুদ্দিন পিএইচএফ, রোটারিয়ান পিপি মো. আফসার আহমেদ চৌধুরী পিএইচএফ, রোটারিয়ান আইপিপি মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম সুমন আরএফএসএম, রোটারিয়ান আহমেদ রশীদ চৌধুরী আরএফএসএম, রোটারিয়ান মনসুর আহমেদ পিএইচএফ, সিলেট ডায়াবেটিস হাসপাতালের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শিবব্রত ভৌমিক চন্দন সহ হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স এবং সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
» আগস্ট মাসে সিলেটের সড়কে দুর্ঘটনায় প্রাণ ঝরলো ৪৭ জনের
Published: ০৬. সেপ্টে. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
চলতি বছরে সিলেট বিভাগে সড়ক দূর্ঘটনায় এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রানহানির ঘটনা ঘটলো আগস্ট মাসে। আগস্ট মাসে সিলেট বিভাগে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৭ জনের প্রানহানি হয়েছে।
আগস্ট মাসে সিলেট বিভাগে ৩৫টি সড়ক দূর্ঘটনায় ৪৭ জন নিহত ও ১২২ জন আহত হয়েছেন।যা চলতি বছরে এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রানহানির ঘটনা।
এর আগে চলতি বছরের মে মাসে সর্বোচ্চ ৫১ জনের প্রানহানির ঘটনা ঘটে।
আগস্ট মাসে সড়ক দূর্ঘটনায় সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের সিলেট অংশে ১০টি দুর্ঘটনায় ২৪ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে সিলেট জেলার ওসমানীনগর উপজেলায় ৩টি সড়ক দূর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত হয়েছেন।
আগস্ট মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেট বিভাগে সবচেয়ে বেশি প্রানহানি ঘটেছে সিলেট জেলায়। কম সংঘটিত হয়েছে সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায়।
প্রতিবেদনে আগস্ট মাসের সড়ক দুর্ঘটনায় প্রধান কারন হিসাবে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, নিয়ম না মেনে বেপরোয়া ওভারটেকিং করা, অনুমোদনহীন ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি মহাসড়কে চলানো,মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদের মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার না করা, পথচারীদের মধ্যে সচেতনতার অভাব ও সড়কে নির্মান ত্রুটিকে উল্লেখ করা হয়।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) সিলেট বিভাগীয় কমিটি এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে আগস্ট মাসে সিলেট বিভাগে ৩৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৭ জন নিহত ও ১২২ জন আহত হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়।
আগস্ট মাসে সিলেট জেলায় ১৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৭ জন নিহত ও ৬৯ জন আহত হয়েছেন।
সুনামগঞ্জ জেলায় ৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ জন নিহত ও ২২ জন আহত হয়েছেন।
মৌলভীবাজার জেলায় ৪টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ জন নিহত ও ২ জন আহত হয়েছেন ও হবিগঞ্জ জেলায় ৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত ও ২৯ জন আহত হয়েছেন।
নিসচা কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, সিলেট বিভাগীয় কমিটির সদস্য সচিব ও সিলেট জেলার সভাপতি জহিরুল ইসলাম মিশু গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে জানান, পাঁচটি স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা, অনলাইন পত্রিকার তথ্য, দুটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার তথ্য, অনুমেয় অনুজ্জ বা অপ্রকাশিত ঘটনা ও নিসচা সিলেটের শাখা সংগঠনগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে নিসচা বিভাগীয় কমিটি এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, আগস্ট মাসে সিলেট বিভাগে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের মধ্যে ১০টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১১ জন মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী, ৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৯ জন সিএনজি ও টমটম চালক ও আরোহী, ১২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১২ জন চালক ও ৭টি সড়ক দূর্ঘটনায় ৭ জন পথচারী নিহত হয়েছেন।
এছাড়া নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়ি উল্টে ৭টি দুর্ঘটনায় ৫ জন, মুখোমুখি সংঘর্ষে ১২টি দুর্ঘটনায় ২৭ জন, গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটির সাথে আঘাতে ১টি দুর্ঘটনায় ১ জন নিহত হয়েছেন।
এছাড়া আগস্ট মাসে নিহত ৪৭ জনের মধ্যে ৩৮ জন পুরুষ, ৬ জন নারী ও ৩ জন শিশু রয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
উল্লেখ্য, জুলাই মাসে সিলেট বিভাগে ২৮টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩১ জন নিহত ও ৭৫ জন আহত হয়েছেন।
» শাহ্ খুররাম ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন ১৫ একর সরকারি জমিতে আধুনিক স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হবে : সিউক চেয়ারম্যান কয়েস লোদী
Published: ০৬. সেপ্টে. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের অংশ হিসেবে শাহ্ খুররাম ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত বিভাগের ১৫ একর জমিতে একটি আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) প্রস্তাবিত স্থানটি সরজমিনে পরিদর্শন ও স্থানীয়দের সাথে এক মতবিনিময় সভায় সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদা) রেজাউল হাসান কয়েস লোদী এ তথ্য জানান।
পরিদর্শনকালে সিউক চেয়ারম্যান কয়েস লোদী বলেন, স্থানীয় যুবসমাজ ও ক্রীড়াপ্রেমীদের আধুনিক খেলার পরিবেশ তৈরি নিশ্চিত করতেই এই প্রকল্প হাতে নেওয়া হচ্ছে। সুষম ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অঞ্চলভিত্তিক আধুনিক অবকাঠামো নিশ্চিত করা সিউকের অন্যতম অগ্রাধিকার।
অনুষ্ঠানে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মো. সাদিউর রহিম জাদিদ এবং সিলেট গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু জাফর (প্রিন্স) উপস্থিত থেকে প্রকল্পের কারিগরি ও ভূমির সার্বিক দিক পর্যালোচনায় উক্ত ১৫ একর জায়গার মধ্যে অবস্থিত শাহ্ খুররাম ডিগ্রি কলেজ এবং প্রস্তাবিত আধুনিক স্টেডিয়ামের জায়গার সীমানা নির্ধারক পূর্বক একটি ডিপিপি প্রনয়নের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
মতবিনিময় সভা ও স্থান পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন, টুকেরবাজার ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শহীদ আহমদ, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান আজিজ, ৬নং টুকেরবাজার ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান, গণদাবি পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক এম শফিকুর রহমান, ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আলতাফ হোসেন সুমন, ৩৮নং ওয়ার্ড বিএনপি আহবায়ক শাহজাহান আহমদ, ৩৭নং ওয়ার্ড বিএনপি আহবায়ক চান মিয়া বাচ্চু, কবির উদ্দিন আহমদ, গণপূর্ত বিভাগ সিলেট উপ-বিভাগ-১ এর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী পার্থ সারথি দত্ত, উপ-সহকারী প্রকৌশলী রিপন দেব, শাহ্ খুররাম ডিগ্রি কলেজের প্রধান শিক্ষক কমর উদ্দীন, উক্ত কলেজের শিক্ষক নয়ন কুমার বিশ্বাস, ৩৮নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন, মুরাদ হোসেন, আলী আহমদ, এনামুল হোসেন, আলী হায়দার ফারুক, উসমান হারুন পনির, আলাউর রহমান, কামরুল ইসলাম, নাদিম আহমদ সাব্বির, শাহজাহান, ফখর উদ্দিন, ইমরান আহমদ পাখি, আবুল হাসনাত, জলি পুরকাস্থ. জেসমিন আক্তার, মনোয়ারা বেগম, নোমান আহমদ, জাবেদ হোসন, আব্দুর করিম, আব্দুস সালাম, জিতু হাসান, সিরাজ উদ্দিন, আব্দুল গফ্ফার, জসিম উদ্দিন, রেজাউল করিম সহ স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন পেশাজীবী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
পরিদর্শন শেষে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের এলাকার সার্বিক ক্রীড়া পরিবেশ উন্নয়নে এমন উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
» সিলেট কালেক্টরেট জামে মসজিদ মার্কেট ২ ও ৪ নম্বর দোকানে ব্যাবসায় বাধা না দিতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা
Published: ০৬. সেপ্টে. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট কালেক্টরেট জামে মসজিদ ট্রাস্টের নিয়ন্ত্রণাধীন কালেক্টরেট জামে মসজিদ মার্কেটের ২ নম্বর ও ৪ নম্বর দোকানগৃহে নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণভাবে ব্যবসা পরিচালনা নিশ্চিত করতে সিলেটের জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ।
একই সাথে উক্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানদ্বয়ের মালিকপক্ষকে ব্যবসা পরিচালনায় কোনো প্রকার বাধা-নিষেধ প্রদান বা উচ্ছেদের চেষ্টা না করতে সিলেটের জেলা প্রশাসনকে তিন মাসের জন্য বারিত করে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ সহ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে।
মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি এস. এম. ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদ-এর সমন্বয়ে গঠিত দ্বৈত বেঞ্চ কর্তৃক গত ১৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে রিট পিটিশন নম্বর ৩৫৫০/২০২৬ এবং রিট পিটিশন নম্বর ৩৫৫১/২০২৬-এর পৃথক দুটি আদেশে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
মামলার বিবরণ ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে জানা যায়, সিলেট কালেক্টরেট জামে মসজিদ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বোর্ড কর্তৃক বিগত ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত সভায় দোকান বরাদ্দের চুক্তিপত্র দলিল বাতিলের সিদ্ধান্ত এবং উক্ত সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে সিলেটের জেলা প্রশাসক ও কালেক্টরেট জামে মসজিদ ট্রাস্টের চেয়ারম্যানের জারিকৃত জেনারেল আদেশ অনুযায়ী রেসপন্ডেন্ট নং ৫ (নেজারত, ডেপুটি কালেক্টর ও ট্রাস্টি বোর্ডের কোষাধ্যক্ষ) স্মারক নং C:KA:JA:M0:/২০২২/১৩, তারিখ ১০ মার্চ ২০২৬ মূলে পিটিশনারদের দোকান উচ্ছেদ করা এবং দখল হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়ে নোটিশ জারি করেন।
উক্ত নোটিশের আইনি বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২ নম্বর দোকানের পজেশন গ্রহিতা জনাব জামিল চৌধুরী রিট পিটিশন নং ৩৫৫০/২০২৬ দাখিল করেন। অন্যদিকে ৪ নম্বর দোকানের পজেশন গ্রহিতা মোহাম্মদ আলী হোসেন রিট পিটিশন নং ৩৫৫১/২০২৬ দাখিল করেন।
উভয় পিটিশনে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব (রেসপন্ডেন্ট নং ১), স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব (রেসপন্ডেন্ট নং ২), সিলেটের জেলা প্রশাসক, কালেক্টর ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান (রেসপন্ডেন্ট নং ৩), র্যাব সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রেসপন্ডেন্ট নং ৪) এবং নজরথ ডেপুটি কালেক্টর ও ট্রাস্টি বোর্ডের কোষাধ্যক্ষকে (রেসপন্ডেন্ট নং ৫) রেসপন্ডেন্ট করা হয়।
গত ০৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ প্রাথমিক শুনানি শেষে রুল ও স্থগিতাদেশ (Rule and Stay Order) জারি করেন।
কিন্তু উক্ত আদেশ সত্ত্বেও জেলা প্রশাসন তা না মানায় এবং ব্যবসা পরিচালনায় বিঘ্ন সৃষ্টি করায় পিটিশনারগণ আদালতে পৃথক অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার (Injunction) আবেদন করেন।
আদালতে বাদী-পিটিশনারপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং ড. এম খালেদ আহমেদ।
আবেদনগুলোর ওপর শুনানিকালে পিটিশনারপক্ষের বিজ্ঞ আইনজীবীরা শুনানি করেন। রেসপন্ডেন্টদের বিজ্ঞ আইনজীবীকে আবেদনের অনুলিপি সরবরাহ করা হলেও তারা আবেদনের কোন বিরোধিতা করেননি।
শুনানিতে ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন যুক্তি উপস্থাপন করে বলেন, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের ট্রাস্টি বোর্ডের সিদ্ধান্তের পর পিটিশনারদের দোকান হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং বেআইনিভাবে উচ্ছেদের চেষ্টা করা হচ্ছে।
কিন্তু উচ্ছেদের পূর্বে পিটিশনারদের কোনো প্রকার কারণ দর্শানোর নোটিশ (Show Cause Notice) দেওয়া হয়নি, যা প্রাকৃতিক বিচারনীতির (Principle of Natural Justice) সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
তিনি জানান, পিটিশনারগণ এখনও সংশ্লিষ্ট দোকানগুলোর বৈধ দখলে রয়েছেন এবং নিয়মিতভাবে দোকান ভাড়া পরিশোধ করে আসছেন।
তিনি আরও জানান, গত ০৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে রুল ও স্থগিতাদেশ জারির পর আইনজীবী মারফত ০৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে এবং সুপ্রিম কোর্টের সার্টিফাইড কপি ১৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে রেসপন্ডেন্ট নং ১-এর কার্যালয়ে পৌঁছানো হয়, যা তারা গ্রহণ করেন। অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট রেসপন্ডেন্টগণ আদালতের নির্দেশ সম্পর্কে সম্পূর্ণ রূপ অবগত ছিলেন।
তবুও তারা বেআইনিভাবে পিটিশনারদের ব্যবসায় বাধা সৃষ্টি করেন এবং দোকান মালিকদের অনুপস্থিতিতে দোকানে তালা লাগিয়ে দেন।
এই পরিস্থিতিতে আদালতের নিষেধাজ্ঞার আদেশ ছাড়া পিটিশনারদের শান্তিপূর্ণ দখল ও ব্যবসা রক্ষা করার আর কোনো কার্যকর উপায় ছিল না।
আদালতের বক্তব্য ও পেশকৃত নথিপত্র বিবেচনায় এনে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ পিটিশনারদের আবেদন মঞ্জুর করেন এবং ৩ থেকে ৫ নম্বর রেসপন্ডেন্টদের নির্দেশ দেন যেন সিলেট কালেক্টরেট মসজিদ মার্কেটের ২ ও ৪ নম্বর দোকানের শান্তিপূর্ণ দখলে কোন বিঘ্ন সৃষ্টি না করা হয়।
আদালতের এই স্থগিতাদেশ ও নিষেধাজ্ঞা ১৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখ থেকে পরবর্তী ৩ (তিন) মাসের জন্য কার্যকর থাকবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে বাদী-পিটিশনারপক্ষের আইনজীবীরা মতামত প্রকাশ করে জানান, সিলেট কালেক্টরেট জামে মসজিদ ট্রাস্টের সভাপতি ও সিলেটের জেলা প্রশাসক একজন অত্যন্ত দক্ষ ও দূরদর্শী প্রশাসক।
সিলেটে যোগদানের পরপরই তিনি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ত্বরিত ও ন্যায়সংগত পদক্ষেপ গ্রহণ করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
বাদীপক্ষ পূর্ণ আশাবাদী যে, তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের এই আদেশ যথাযথভাবে প্রতিপালন ও বাস্তবায়ন করবেন এবং সকল প্রতিবন্ধকতা অপসারণ করে তাদেরকে নির্বিঘ্নে ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ করে দেবেন।
» সিলেট মহানগর ৩৬নং ওয়ার্ড জামায়াতের দাওয়াতী সভা
Published: ০৬. সেপ্টে. ২০২৬ | রবিবার
জামায়াত কল্যাণমূলক ইসলামী সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে : মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম
নিউজ ডেস্কঃ
জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কল্যাণমূলক ইসলামী সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে।
ইসলামই মানুষকে অন্যায়, জুলুম ও নির্যাতন থেকে মুক্ত করে ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার পথ দেখাতে পারে। রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গেলে মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব।
তিনি বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে তেল-গ্যাস ও জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি খুন, ধর্ষণ, রাহাজানি ও চাঁদাবাজির মতো অপরাধ জনজীবনে উদ্বেগ তৈরি করছে।
এ অবস্থায় ন্যায়, ইনসাফ ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় ইসলামের আদর্শ অনুসরণের প্রয়োজন রয়েছে। ইসলাম মানুষের জীবনের সব ক্ষেত্রে ন্যায়, ইনসাফ ও মানবিকতার শিক্ষা দেয়।
তিনি রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নগরীর বালুচর এলাকায় সিলেট মহানগরীর শাহপরান পশ্চিম থানার ৩৬নং ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত দাওয়াতী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।
৩৬নং ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি সাইফুল্লাহ মোহাম্মাদ তোফায়েলের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি হাফিজ মাওলানা গোলাম রাব্বানীর সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, সাবেক অতিরিক্ত সচিব ফখরুল ইসলাম ও শাহপরান পশ্চিম থানা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাস্টার আব্দুর রব।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, ৩৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী সমাজসেবক মো. তারেক হাসান, সমাজসেবী ইকবাল আহমদ বাদল, সামসুল আলম, তাহের হাসান, সোহাগ আহমদ ও কলিম উদ্দিন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফখরুল ইসলাম বলেন, ইহকালীন সাফল্য ও পরকালীন মুক্তির পথের দিশা পেতে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে জীবন পরিচালনার শপথ নিতে হবে।
ইসলামের শিক্ষা শুধু ব্যক্তিগত ইবাদতে সীমাবদ্ধ নয়; পরিবার, সমাজ, অর্থনীতি ও রাষ্ট্রীয় জীবনেও এর ন্যায়, ইনসাফ ও মানবিকতার আদর্শ বাস্তবায়ন করতে হবে।
মানুষের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দিয়ে একটি নৈতিক ও নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
অতিথিবৃন্দ বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রকে জনগণের সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
জনগণের জানমাল, ইজ্জত ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্রের সব পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করাই হতে হবে সুশাসনের মূল ভিত্তি।



