শিরোনামঃ-

» ব্যাটারিচালিত যানবাহনের সমন্বিত শ্রমিকবান্ধব নীতিমালার দাবিতে সিলেটে মিছিল-সমাবেশ ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ

Published: ১০. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ
ব্যাটারি চালিত যানবাহনের যানবাহনের নীতিমালা, রেজিস্ট্রেশন, লাইসেন্সের দাবিতে রিকশা, ব্যাটারি রিকশা-ভ্যান ও ইজিবাইক সংগ্রাম পরিষদ সিলেট এর উদ্যোগে মিছিল-সমাবেশ ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১০সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় ইলেকট্রিক সাপ্লাইস্থ সংগঠনের কার্যালয়ের সামনে জমায়েত শেষে শত শত শ্রমিকের মিছিল বের হয়ে সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশ শেষে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ করা হয়।

স্মারকলিপি গ্রহণ করেন, সিলেট জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন।

স্মারকলিপি প্রদান করেন, রিকশা, ব্যাটারি রিকশা-ভ্যান ও ইজিবাইক সংগ্রাম পরিষদ সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি প্রণব জ্যোতি পাল, সংগঠনের উপদেষ্টা আবু জাফর, সহ সভাপতি আতাউর রহমান, সহ সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ আহমদ প্রমূখ।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সমাবেশে রিকশা, ব্যাটারি রিকশা-ভ্যান ও ইজিবাইক সংগ্রাম পরিষদ সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি প্রণব জ্যোতি পাল এর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের উপদেষ্টা আবু জাফর, জেলা সভাপতি শহিদ আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মনজুর আহমদ, সহ সভাপতি শেখ রফিক, আতাউর রহমান, ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউসুফ আলী,মাহিন আহমেদ, সিপন আহমদ,দুলাল মিয়া, হোসেন আহমদ, আব্দুল্লাহ পারভেজ, আনোয়ার হোসেন কুটি, সমছু মিয়া,আনিছ আহমদ, শফিকুল ইসলাম, আশফাক আহমদ, আল আমিন, অজয় রায, সজিব মিয়া প্রমূখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে, যানজট নিরসনে, যাত্রী-চালকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাটারিচালিত যানবাহনের জন্য নীতিমালা প্রণয়ন করার দাবিতে সংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্বে সারাদেশে আন্দোলন সংগ্রাম করে আসছি।

দীর্ঘ এই ১৩ বছরে ৬০ লক্ষ যানবাহনের সাথে যুক্ত প্রায় ৩ কোটি মানুষের জীবিকা রক্ষায় সংগ্রাম পরিষদের কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃত্ব বারবার পুলিশের হামলা-মিথ্যা মামলা ও কারাবরণের শিকার হয়েছে। কিন্ত সবসময় একটি মহল বা গোষ্ঠী ব্যাটারিচালিত রিকশা-ইজিবাইক এর বিরুদ্ধে যানজট, দুর্ঘটনা ও বিদ্যুৎ চুরিসহ নানা বিষয়ে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে।

সংগ্রাম পরিষদ ৬০ লাখ মানুষের জীবন-জীবিকাকে যেমন গুরুত্ব দিয়েছে, তেমনি চেয়েছে সড়কের শৃঙ্খলা ফেরানো, যানজট নিরসন, চালক ও যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে।

সংগ্রাম পরিষদের দীর্ঘ লড়াই একটি আধুনিক, পরিবেশ-যাত্রী বান্ধব, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী গণপরিবহণ ব্যবস্থার পক্ষে। যে কারণে বিগত ১৩ বছর ধরে ব্যাটারিচালিত যানবাহনের জন্য একটি নীতিমালার জন্য আমরা আন্দোলন করে আসছি।

সংগ্রাম পরিষদের দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় অবশেষে বর্তমান সরকার ব্যাটারি চালিত যানবাহনের নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বরাবর ১০ দফা দাবি পড়ে শোনান হয়।

১০ দফা দাবি হলো:
১। সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো, যানজট নিরসন, গাড়ি, চালক ও যাত্রীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, স্থানীয় সরকার ও বি আর টি এর সমন্বয়ে একটি সমন্বিত নীতিমালা ও বিধিমালা প্রণয়ন করে তাঁদের নেতৃত্বে একটি কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের অধীনে ব্যাটারিচালিত যানবাহনের নিবন্ধন, চালকদের লাইসেন্স, রুট পারমিট প্রদান করতে হবে।

২। নীতিমালার নামে ব্যাটারিচালিত যানবাহন প্রস্তুতকারক বা বিপণনকারী হিসেবে কোন কোম্পানি বা কোন সিন্ডিকেটকে প্রাধান্য দেয়া যাবেনা। স্থানীয় উৎপাদককে (বর্তমান ব্যাটারি রিকশা-ইজিবাইক উৎপাদক) সরকারি অনুমোদিত ই-রিকশার ডিজাইন ও উৎপাদনের অনুমোদন দিয়ে স্থানীয় অটোমোবাইল শিল্পকে রক্ষা ও বিকশিত করতে হবে।

৩। কারিগরি ত্রুটি সংশোধন করে ডিজাইন অনুযায়ি বর্তমানে চালিত ব্যাটারিচালিত যানবাহনের আধুনিকায়ন প্রতিস্থাপন করার জন্য সরকারি ভর্তুকি ও পর্যাপ্ত সময় (কমপক্ষে ২ বছর) দিতে হবে। চালক-মেকানিক-মালিক সহ ৬০ লাখ ও তাঁদের উপর নির্ভরশীল ৩ কোটি মানুষের জীবন-জীবিকা রক্ষায় ব্যাটারিচালিত যানবাহন চলাচল বন্ধ বা নিষিদ্ধ করার যে কোন আয়োজন বন্ধ করতে হবে।

৪। দেশের ও মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলিতে পার্কিং ও চার্জিং (সোলার/ব্যাটারি) স্টেশন স্থাপন কর। পরিবেশবান্ধব লিথিয়াম ব্যাটারি ও সৌরবিদ্যুৎ প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে সরকারি ভর্তুকি প্রদান সহজলভ্য করতে হবে।

৫। লাইসেন্স, নিবন্ধন ও নবায়নের ক্ষেত্রে সৌর বিদ্যুতের মাধ্যমে চার্জ দেওয়ার বাধ্যতামূলক শর্ত প্রত্যাহার করতে হবে। (সৌর বিদ্যুৎ অনেক ব্যয়বহুল ও আলোক স্বল্পতার সমস্যা হয়)। ফলে রিকশা চালক/শ্রমিকদের উপর এই অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত চাপানো যাবে না।

৬। মহাসড়কে স্বল্পগতির/লোকাল যানবাহনের জন্য পৃথক লেন/সার্ভিস রোড নির্মাণ করতে হবে।

৭‌। ব্যাটারিচালিত যানবাহনের কাছ থেকে অবৈধ চাঁদা আদায়, বিট বানিজ্য, ব্যাটারি ও রিকশা ছিনতাই-চুরি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন ও নারী চালকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

৮। ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে ব্যাটারিচালিত রিকশা, ইজিবাইকের চালক (প্রায় ৪৬ জন) সহ নিহত আহত সকল শ্রমিকের ক্ষতিপূরণ, বিনামূল্যে চিকিৎসা ও পুর্নবাসনে কার্যকর ব্যবস্থা নাও।

৯। সংগ্রাম পরিষদের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব ডা. মনীষা চক্রবতী, কেন্দ্রীয় সাবেক সদস্য সচিব প্রকৌশলী ইমরান হাবিব রুমন, সিলেট মহানগর উপদেষ্টা ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য আবু জাফর, সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি প্রণব জ্যোতি পাল, জেলা সাধারণ সম্পাদক মঞ্জু হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা আছহবায়ক ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য আল কাদেরী জয়সহ সারা দেশে সংগ্রাম পরিষদ নেতৃবৃন্দের উপর দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও পুলিশ হয়রানি বন্ধ করা।

১০। সকল শ্রমিকদের জন্য আর্মি রেটে রেশন, পেনশন ও বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা।
সমাবেশে বক্তারা গাইবান্ধায় মিছিলে হামলা ও সংগ্রাম পরিষদ নেতা গোলাম রাব্বানীর গোলাম রব্বানী আহত হওয়ার তীব্র নিন্দা ও হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানান।

» সিলেটে একসাথে তিন সন্তানের জন্ম দিলেন ডলি বেগম

Published: ১০. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটে একই সাথে তিন সন্তানের জন্ম দিয়েছেন ডলি বেগম নামে এক গৃহবধূ। নবজাতকদের মধ্যে ২টি ছেলে ও ১টি মেয়ে রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টায় নগরীর মিরের ময়দানস্থ ফেয়ার হেলথ প্রাইভেট হাসপাতালে এই নবজাতকদের জন্ম হয়। এদিকে একসাথে তিন সন্তানের জন্মের খবরে আনন্দে ভাসছে তাদের পরিবার।

জানা গেছে, গোলাপগঞ্জ উপজেলা ভাদেশ্বর পশ্চিমবাগ এর বাসিন্দা নজরুল ইসলাম তার স্ত্রী ডলি বেগমকে নিয়ে ফেয়ার হেলথ প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে সফল অস্ত্রপাচারের মাধ্যমে তিনি ফুটফুটে তিন সন্তানের জন্ম দেন। বর্তমানে মা ও তিন নবজাতক সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন।

একসাথে তিন সন্তানের জন্ম হওয়া প্রসঙ্গে ফেয়ার হেলথ প্রাইভেট হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুবায়ের আহমদ জুবের জানান, ডা: গুলশান-ই-জাহান বিথীর নেতৃত্বে একদল চিকিৎসক এই সফল অস্ত্রপ্রচার করেন।

তিনি জানান, সাধারণ প্রসবের তুলনায় এটি একটি বিশেষ ও বিরল ঘটনা। নবজাতকদের দেখতে শুভাকাঙ্ক্ষী ও আত্মীয়স্বজনরা আসছেন। সুন্দর ও সুস্থ ভবিষ্যতের জন্য সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

» আসক’র সিলেট জেলা কমিটি গঠন সভাপতি রাজু, সম্পাদক আশরাফুল

Published: ১০. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ‘আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশন’-এর সিলেট জেলা কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বিশিষ্ট সাংবাদিক রাজু আহমেদকে সভাপতি ও সাংবাদিক সমাজকর্মী আশরাফুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক করে ৫১ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটি অনুমোদন দিয়েছে সংস্থার কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ। সংস্থার চেয়ারম্যান মো. শামছুল আলম এবং ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক মো. মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই কমিটি অনুমোদনের তথ্য জানানো হয়।

ঘোষিত নতুন কমিটির অন্যান্যরা হচ্ছেন, সিনিয়র সভাপতি মাসুম আহমেদ লস্কর, সহ-সভাপতি: হাজী মামুনুর রহমান, সালাহ উদ্দিন মিরাজ, মো. ফজলে এলাহী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজু আহমেদ, মুক্তাকিম রাজা চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল্লাহ আল ফয়সল, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল আহমেদ, জালাল উদ্দিন জাহিদ শিকদার, জেলা মুখপাত্র মো. আল আমিন, আইনি সম্পাদক প্রফেসর আবুল হাসানাত ইং আবেদীন, যুগ্ম আইনি সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, আহমদ জাকারিয়া, তদন্ত ও অনুসন্ধান তাওহীদ আহমদ, যুগ্ম তদন্ত ও অনুসন্ধান মাহবুব আল মারুফ, দপ্তর সম্পাদক মুফিজুর রহমান নাহিদ, যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক তারেক হাসান নোমান, শিক্ষা গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক জিল্লুর রহমান জিয়ন, যুগ্ম শিক্ষা গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক কে এম সাইদুর রহমান, অর্থ সম্পাদক জয়নুল ইসলাম, যুগ্ম অর্থ সম্পাদক মো. খসরু মিয়া, তথ্য ও প্রচার সম্পাদক হাসান আহমদ চৌ., যুগ্ম তথ্য ও প্রচার সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক বাবর জোয়ারদার, যুগ্ম প্রচার সম্পাদক মো. আল আমিন মিয়া, পরিবেশ সম্পাদক হাবিবুর রহমান হৃদয়, নারী ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক হামিদা সুলতানা, যুগ্ম নারী ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক মেহজবিন মাইশা, সাবিহা ভূইয়া একুশী, সমাজকল্যাণ সম্পাদক সৈয়দ রাসেল মিয়া, যুগ্ম সমাজকল্যাণ সম্পাদক সাহেদুর রহমান, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা রশিদ আহমদ, যুগ্ম ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা মো. হোসাইন আহমদ, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক আহমদ আলী সিদ্দিকী, যুগ্ম সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক ফরহাদ আহমদ, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সম্পাদক ডা. তাওহীদ আহমদ, যুগ্ম স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সম্পাদক ডা. জিয়াউর রহমান, ডা. ফয়সাল আহমদ, রুবেল আহমদ, শ্রম আইন সম্পাদক আবদুল্লাহ ইলিয়াস, ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক বেলাল আহমদ, যুব ক্রীড়া সম্পাদক মো. ইমরান আহমেদ, শিল্প উদ্যোক্তা সম্পাদক জাকারিয়া মজুমদার, মানবাধিকার সম্পাদক মাসুম আহমেদ, যুগ্ম মানবাধিকার সম্পাদক এনাম উদ্দিন সামি, পর্যটন শিল্প সম্পাদক মইন উদ্দিন, নির্বীহী সদস্য মোখলেসুর রহমান রনি, সাংবাদিক সাব্বির আহমদ, সোহেল আহমদ, জুবায়ের আহমদ সাব্বির।

সিলেট জেলা জুড়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, নির্যাতিত ও বঞ্চিত মানুষের বিনামূল্যে আইনি সহায়তা প্রদান এবং মানবাধিকার সুরক্ষায় এই নতুন কমিটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দও সিলেটে মানবাধিকার রক্ষায় বস্তুনিষ্ঠ ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

» বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, সিলেট মুখ্য অঞ্চলের ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের ব্যবসায়িক লক্ষ্যমাত্রা অর্জন  ও করণীয় বিষয়ক পর্যালোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

Published: ১০. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক সিলেট মুখ্য অঞ্চলের ২৬ (ছাব্বিশ) টি শাখার ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের ব্যবসায়িক লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও করণীয় বিষয়ক পর্যালোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, মুখ্য আঞ্চলিক কার্যালয়, কৃষি ব্যাংক ভবন (৩য় তলা), সিলেটে এই  অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, সিলেট মুখ্য অঞ্চলের মুখ্য আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ ফয়জুর রহমান শহীর এর সভাপতিত্বে উক্ত সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, সিলেট বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মো. খোরশেদ আলম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, বিভাগীয় নিরীক্ষা কার্যালয়, সিলেটের বিভাগীয় নিরীক্ষা কর্মকর্তা মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম।

বিশেষ অথিতি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন, সিলেট কর্পোরেট শাখার উপমহাব্যবস্থাপক আশীষ কুমার দাস, বিভাগীয় কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক শরীফ মো. তাহাওয়ার হোসাইন, আঞ্চলিক নিরীক্ষা কার্যালয়ের আঞ্চলিক নিরীক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ সরকার ফারুক ফয়সেল।

প্রধান অতিথি মো. খোরশেদ আলম তাঁর বক্তব্যে সিলেট অঞ্চল লোকসান থেকে লাভে উন্নীত করায় সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং এর ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে সকলকে একযোগে কাজ করার আহবান জানান। তিনি সরকার ঘোষিত সুদ মওকুফ যথাযথভাবে সম্পাদন করার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

তিনি সরকারের নির্দেশনা অনুসারে ক্যাশলেস লেনদেনা- বাংলা কিউ.আর, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, মাই বি.কে.বি অ্যাপ ইত্যাদি সেবা বৃদ্ধি করার নির্দেশনা প্রদান করেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের  নির্দেশনা মোতাবেক কৃষকদের হয়রানীমুক্ত ভাবে কৃষি ও পল্লীঋণ এবং সিএমএসএমই ঋণ বিতরনের তাগিদ প্রদান করেন। কৃষকদের হয়রানীর অভিযোগ পাওয়া গেলে তা কঠোরভাবে দেখা হবে বলে মহাব্যবস্থাপক হুসিয়ারি প্রদান করেন।

বিভাগীয় নিরীক্ষা কর্মকর্তা মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম বিশেষ এক্সিট নীতিমালা বিআরপিডি-১ সার্কুলার লেটার নং-২৩ এর গুরুত্ব উল্লেখ করে তার বক্তব্যে বলেন, এক্সিট সুবিধাটি গ্রাহক পর্যায়ে পৌছে দিতে হবে।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ও সিলেট মুখ্য অঞ্চলের মুখ্য আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ ফয়জুর রহমান শহীর শ্রেণিকৃত ঋণ আদায়ের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। গ্রাহক সেবার মান বৃদ্ধি করে আমানত সংগ্রহ বেগবান করার নির্দেশনা প্রদান করেন।

অত্র অঞ্চলাধীন ২৬টি শাখা নিজ নিজ অবস্থান থেকে ব্যবসায়িক লক্ষমাত্রা অর্জনে যথেষ্ট কার্যকর ভূমিকা পালন করে আসছে যা পরবর্তী সময়ে ও চলমান থাকবে বলে প্রতিশ্রুতি ব্যাক্ত করেন।

» স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে বাংলাবিদ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

Published: ০৯. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার

বাংলা শুধু আমাদের মাতৃভাষা নয়, এটি আমাদের আত্মপরিচয় : অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক

নিউজ ডেস্কঃ
বাংলা শুধু আমাদের মাতৃভাষা নয়; এটি আমাদের আত্মপরিচয়, ইতিহাস, সংস্কৃতি ও চেতনার অবিচ্ছেদ্য অংশ।

বিশ্বায়ন ও প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের এই সময়ে আন্তর্জাতিক ভাষা শেখার পাশাপাশি নিজের মাতৃভাষাকে শুদ্ধভাবে জানা, বলা ও চর্চা করা প্রত্যেক শিক্ষার্থীর দায়িত্ব।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রতি শিক্ষার্থীদের অনুরাগ বৃদ্ধি, প্রমিত বাংলা চর্চায় উৎসাহিত করা এবং ভাষাভিত্তিক জ্ঞান ও সৃজনশীলতার বিকাশের লক্ষ্যে স্কালার্সহোম মেজরটিলা কলেজে উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাবিদ প্রতিযোগিতা।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি ও উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, স্কালার্সহোম মেজরটিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক।

বাংলা বিভাগের প্রভাষক প্রিয়াব্রত কৈরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রভাষক মীর হোসাইন সরকার।

প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন বাংলা বিভাগের প্রভাষক তোফায়েল আহমেদ শিহাব, প্রভাষক মো. আমিনুল হক এবং প্রভাষক সাব্বির আহমেদ।

প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করে অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক বলেন, বাংলা শুধু আমাদের মাতৃভাষা নয়; এটি আমাদের আত্মপরিচয়, ইতিহাস, সংস্কৃতি ও চেতনার অবিচ্ছেদ্য অংশ।

বিশ্বায়ন ও প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের এই সময়ে আন্তর্জাতিক ভাষা শেখার পাশাপাশি নিজের মাতৃভাষাকে শুদ্ধভাবে জানা, বলা ও চর্চা করা প্রত্যেক শিক্ষার্থীর-বিশেষ করে ইংরেজি ভার্সনের শিক্ষার্থীদের নৈতিক দায়িত্ব।

তিনি আরও যুক্ত করেন, ভাষার সৌন্দর্য কেবল শুদ্ধ বানান বা ব্যাকরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; ভাষার মাধ্যমে আমাদের চিন্তা, মূল্যবোধ ও মানবিকতা প্রকাশিত হয়। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বাংলা সাহিত্যচর্চায় যুক্ত হতে হবে।

বাংলাবিদ প্রতিযোগিতার মতো আয়োজন শিক্ষার্থীদের জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি আত্মবিশ্বাস ও সৃজনশীলতা বিকাশে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।

জুনিয়র গ্রুপ (৬ষ্ঠ-৮ম শ্রেণি): প্রথম স্থান অর্জন করে ৭ম শ্রেণির (ধানসিঁড়ি শাখা) সেঁজুতি দে সৃষ্টি, দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে একই শ্রেণির সুস্পিতা সিংহ অর্চি এবং তৃতীয় স্থান লাভ করে ৭ম শ্রেণির (ডেফোডিল শাখা) মুহতাসিম উদদৌলা নাসিত।

ইন্টারমিডিয়েট গ্রুপ (৯ম-১০ম শ্রেণি): প্রথম স্থান অর্জন করে ৯ম শ্রেণির (মাছরাঙা শাখা) ঝিনুক মালা, দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে ৯ম শ্রেণির (সুরমা শাখা) ফিজা সিদ্দিকি এবং তৃতীয় স্থান লাভ করে একই শ্রেণির আপন পাল।

সিনিয়র গ্রুপ (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি): প্রথম স্থান অর্জন করে ১২শ শ্রেণির (মাছরাঙা শাখা) নাফিসা নুজহাত চৌধুরী, দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে একই শ্রেণির জান্নাত জাহান শিমু এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করে ১২শ শ্রেণির (রূপসা শাখা) লাবণী আক্তার মিম।

প্রতিযোগিতা চলাকালে মিলনায়তনে উপস্থিত সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য ছিল বিশেষ ‘তাৎক্ষণিক প্রশ্নোত্তর পর্ব’।

শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও জ্ঞানের আলোয় পুরো অনুষ্ঠানস্থল আনন্দমুখর হয়ে ওঠে।

প্রতিযোগিতা শেষে সকল ক্যাটাগরির বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেন কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক।

তিনি শিক্ষার্থীদের ভাষাভিত্তিক এ ধরনের সৃজনশীল চর্চা ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

» নারীর অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় মহিলা দল কার্যকর ভূমিকা রাখছে : কয়েস লোদী

Published: ০৯. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেছেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন, নারীর অধিকার ও সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কাজ করে আসছে।

বুধবার বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেট জেলা মহিলা দলের উদ্যোগে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, বহুদলীয় গণতন্ত্র ও উৎপাদনমুখী রাষ্ট্রচিন্তার যে ভিত্তি তৈরি করেছিলেন, তাঁর অন্যতম লক্ষ্য ছিল জনগণের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে একটি আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

সেই ধারায় নারীদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার গুরুত্বও বিশেষভাবে উঠে আসে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী আপোষহীননেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের নারী সমাজকে রাষ্ট্র ও সমাজের মূলধারায় আরও দৃশ্যমান করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

তাঁর নেতৃত্বে নারীর শিক্ষা, কর্মসংস্থান, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির নানা উদ্যোগ দেশের নারী সমাজকে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ভবিষ্যৎ বাংলাদেশকে আধুনিক, গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার যে রাজনৈতিক রূপরেখা সামনে এনেছে, সেখানে নারী সমাজের সমঅধিকার ও মর্যাদার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হয়েছে।

নতুন প্রজন্মের নারীদের শিক্ষা, দক্ষতা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে তাদের রাষ্ট্র পরিচালনা ও জাতীয় উন্নয়নের অংশীদার করতে হবে।

মহিলা দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নারীদের শুধু রাজনৈতিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে নয়, সমাজ পরিবর্তনের শক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

নারীর নিরাপত্তা, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা নিশ্চিত করার দাবিতে মহিলা দলকে আরও সোচ্চার হতে হবে।

বর্তমান সময়ে প্রযুক্তি ও অর্থনীতির দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নারীদের দক্ষ করে গড়ে তোলা জরুরি।

আগামী দিনের বাংলাদেশে নারীরা শুধু ঘর ও কর্মক্ষেত্রেই নয়, জাতীয় নীতি নির্ধারণ ও রাষ্ট্র পরিচালনাতেও সমানভাবে নেতৃত্ব দেবেন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

সিলেট জেলা মহিলা দলের সভাপতি (ভাবপ্রাপ্ত) তাহসিন শারমিন তামান্নার সভাপতিত্বে ও মহিলা দল নেত্রী জলি পুরকায়স্থের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সিলেট জেলা বিএনপির সহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও  জেলা মহিলা দলের দপ্তর সম্পাদক সুলতানা রহমান দিনা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট জেলা বিএনপির সহ সভাপতি মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়সল ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক আহমদ চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে সিলেট জেলা মহিলা দলের সাবেক সভাপতি সালেহা কবির শেপী, সহ সভাপতি ফেরদৌসী ইকবাল, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক পলিনা রহনান, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সালমা বেগম, মহিলা দল নেত্রী ফাতেমা বেগম সান্দানী, বিলকিস আক্তার, জান্নাত জামান চৌধুরী, রুশনারা বেগম, রিমা বেগম সহ জেলা মহিলা দলের বিভিন্ন স্বরের নেতৃবৃন্দ, জেলার আওতাধীন বিভিন্ন উপজেলা ও পৌর মহিলা দলের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

» সিলেটে সিএনজি ফিলিং স্টেশন ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের জরুরি মতবিনিময় সভা

Published: ০৯. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার

নিউজ ডেস্কঃ
আগামী ১২ সেপ্টেম্বর ঢাকায় জাতীয় পর্যায়ে মালিকদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান ও পেশাগত স্বার্থ সংরক্ষণের লক্ষ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন এন্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সিলেট বিভাগের জরুরি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ‎সকাল ১১টায় নগরীর শাহজালাল উপশহরস্থ সংগঠন কার্যালয়ে উক্ত জরুরি সভার আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং ষ্টেশন এন্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিলেট বিভাগের সভাপতি আমিরুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক আলী আফছার মো. ফাহিম এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ফয়েজ উদ্দিন আহমদ।

জরুরি মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, প্রফেসর সিরাজুল হক, কাজী মাহবুব হোসেন, জিহাদ আহমেদ, ফরহাদ আলী ইমন, লোকমান আহমদ মাছুম, সঞ্জয় দাস, জাবেদুর রহমান, ওয়ালি মাহমুদ, সাজুওয়ান আহমদ, আনহার উদ্দিন, সাইমুন আলম সেতু ও এস এম মনোয়ার প্রমুখ।

জরুরি সভায় বক্তারা সিলেট বিভাগে সিএনজি ফিলিং স্টেশন ও কনভার্সন ওয়ার্কশপ পরিচালনায় বিরাজমান গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি, মারাত্মক লো-প্রেসার, কমিশন বৃদ্ধি, প্রশাসনিক ও পরিচালনাগত নানাবিধ জটিলতা এবং বর্তমান ব্যবসা পরিচালনার নানা চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

এ সময় বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্যাস সরবরাহের চাপ (প্রেসার) স্বাভাবিক রাখা, অহেতুক প্রশাসনিক হয়রানি বন্ধ করা এবং মালিকদের দীর্ঘদিনের ন্যায্য দাবি দাওয়া মেনে নেওয়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জন্য অপরিহার্য।

অনতিবিলম্বে এসব সমস্যার সমাধান করা না হলে ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য ১২ সেপ্টেম্বরের কর্মসূচির মাধ্যমে কিংবা পরবর্তীতে সকল বিভাগীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে কঠোর সিদ্ধান্ত ও কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।

সভায় অ্যাসোসিয়েশনের সিলেট বিভাগীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী এবং কনভার্সন ওয়ার্কশপের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে নিজ নিজ মতামত ও করণীয় তুলে ধরেন।

সভা শেষে উপস্থিত সকলেই সংগঠনের ঐক্য বজায় রেখে সামনের দিনগুলোতে যৌথভাবে সকল সংকট ও সমস্যা মোকাবিলার সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

» সিলেটে উলামা মাশায়েখ পরিষদের বিক্ষোভ

Published: ০৯. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার

৯০ ভাগ মুসলমানের দেশে কুরআন সুন্নাহবিরোধী আইন চলবে না

নিউজ ডেস্কঃ
‘৯০ ভাগ মুসলমানের দেশে কুরআন-সুন্নাহবিরোধী আইন চলবে না’ বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সিলেটের উলামা মাশায়েখবৃন্দ।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নগরীর বন্দরবাজারস্থ কোর্ট পয়েন্টে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ থেকে তারা জাতীয় সংসদে পাস হওয়া কুরআন-সুন্নাহবিরোধী সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন আইন অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানান।

মিছিলটি কোর্ট পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে চৌহাট্টা পয়েন্টে গিয়ে সমাপ্ত হয়।

মিছিল পূর্ব সমাবেশে বক্তারা বলেন, ধর্মীয় বিধান উপেক্ষা করে এ আইন পাসের মাধ্যমে ধর্মপ্রাণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে; কোনভাবেই তা মেনে নেওয়া হবে না। ওসিয়ত ও সম্পত্তির উত্তরাধিকার-বণ্টনের বিধান আল্লাহ নির্ধারণ করে দিয়েছেন।

এসব বিধানকে পাশ কাটিয়ে আইন প্রণয়ন কোটি কোটি মুসলমানের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে। ২০১৩ সালে পিতা-মাতার ভরণপোষণ ও অধিকার নিশ্চিত করতে আইন করা হয়েছে; সেটি যথাযথভাবে প্রয়োগ করলেই পিতা-মাতার অধিকার রক্ষা সম্ভব।

তারা আরও বলেন, সম্পত্তি ও উত্তরাধিকারসংক্রান্ত আইন করার আগে দেশের আলেম-ওলামা ও ইসলামি চিন্তাবিদদের মতামত নেওয়া প্রয়োজন ছিল।

কিন্তু সরকার সেই উদ্যোগ না নিয়ে ধর্মীয় বিধানকে অবজ্ঞা করেছে। অথচ ব্রিটিশ শাসকরাও মুসলিম পারিবারিক আইনে হস্তক্ষেপ করেনি।

নির্বাচনের আগে কুরআন-সুন্নাহবিরোধী আইন না করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া দলটি ক্ষমতায় গিয়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের সাথে প্রতারণা করেছে।

পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা লুৎফুর রহমান হুমায়দীর সভাপতিত্বে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ারের পরিচালনায় সমাবেশে সিলেটের শীর্ষস্থানীয় উলামায়ে কেরামদের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সালাম আল-মাদানী, উপাধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ ফয়জুল্লাহ বাহার, অধ্যক্ষ মাওলানা ফখরুল ইসলাম, মুহাদ্দিস মাওলানা হাবীবুল্লাহ ও হাফিজ মাওলানা মাহবুবুর রহমান জালালাবাদী।

হাফিজ সৈয়দ আব্দুল আহাদের পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে সুচীত সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, অধ্যক্ষ মাওলানা জাকির হোসাইন, হাফিজ মাও. মুশাহিদ আহমদ, মাওলানা খলীলুর রহমান, মাওলানা আব্দুল্লাহ আনসার, মাওলানা মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী, মাওলানা শাহ মাহমুদুল হক, মাওলানা জিল্লুর রহমান, হাফিজ মাওলানা মুখলিসুর রহমান, মাওলানা মঈনুল ইসলাম, মাওলানা মাহফুজুর রহমান ও ছাত্রনেতা মাওলানা কাওছার হামিদ প্রমুখ।

» তৃণমূলের ত্যাগী নেতাকর্মী ও সমর্থকরাই হলেন বিএনপির আসল শক্তি : নাসিম হোসাইন

Published: ০৮. সেপ্টে. ২০২৬ | মঙ্গলবার

২৮নং ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক কমিটি গঠন

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন বলেছেন, তৃণমূলের ত্যাগী নেতাকর্মী ও সমর্থকরাই হলেন বিএনপির আসল শক্তি।

দীর্ঘদিনের স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করে আমাদের কর্মীরা প্রমাণ করেছেন যে তাঁরা দলের জন্য কতটা নিবেদিত। আমাদের সবার সম্মিলিত প্রচেষ্ঠায় দেশে আজ জনগনের রায়ে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

দেশে গণতান্ত্রিক এই ধারাকে আর সুসংহত করতে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী কতে আমাদের কাজ করতে হবে। এজন্য ঐক্যবদ্ধ থেকে সাংগঠনিকভাবে  আরও শক্তিশালী হতে হবে।

আমাদেরকে প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় বিএনপি সরকারের সাফল্যের বার্তা পৌঁছে দিয়ে  জনগণের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার অঙ্গিকার করতে হবে।

সিলেট মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় নগরীর ২৮নং ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক কমিটি গঠনের লক্ষ্যে গত সোমবার আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে দেশের এই অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে জাতীয়তাবাদী দলের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও সুদৃঢ় ও গতিশীল করার কোন বিকল্প নেই।

এই নতুন আহবায়ক কমিটি ২৮নং ওর্য়ার্ডে বিএনপিকে শক্তিশালী করতে কাজ করবে বলে আমরা আশাবাদী। আপনাদেরকে সব ধরনের উসকানি ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে শান্ত ও সুশৃঙ্খলভাবে জনগণের পাশে থেেেক কাজ করতে হবে।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য সিলেট মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আফজাল উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুর্শেদ আহমদ মুকুল ও আবুল কালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ সাফেক মাহবুব ও দেওয়ান জাকির।

বক্তব্য রাখেন, সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক ডা. এম এ হক বাবুল, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মফিজুর রহমান জুবেদ, দক্ষিণ সুরমা থানা বিএনপির আহবায়ক ডা. এনামুল হক, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবকদলের বিভাগীয় সহ-স্বেচ্ছাবিষয়ক সম্পাদক কামাল হাসান জুয়েল, দক্ষিণ সুরমা থানা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক হোসেন আহমদ রাহুল, সদস্য সচিব নুরুল আমিন প্রমুখ।

এছাড়া সভায় বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে মকসুদ আহমদকে আহবায়ক এবং সিনিয়র সদস্য হলেন হাবিবুর রহমান মাছুমকে সিনিয়র সদস্য করে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট সিলেট মহানগর ২৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।

নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দকে মহানগর নেতৃবৃন্দ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার আহ্বান জানান।

» রেজাউল করিম নাচনকে সদস্য-সচিব করে সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটি অনুমোদন

Published: ০৮. সেপ্টে. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার ৭ সদস্যবিশিষ্ট নতুন এডহক কমিটি অনুমোদন দিয়েছে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। কমিটিতে পদাধিকারবলে সিলেটের জেলা প্রশাসককে সভাপতি এবং সাবেক ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠক রেজাউল করিম নাচনকে সদস্য-সচিব হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

নবগঠিত এডহক কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন, সিলেটের পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক, জেলা ক্রীড়া অফিসার এবং বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক মকসুদ আহমদ।

নতুন এডহক কমিটি
– সভাপতি: জেলা প্রশাসক, সিলেট
– সদস্য: পুলিশ সুপার, সিলেট
– সদস্য: অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), সিলেট
– সদস্য: উপপরিচালক, জেলা সমাজসেবা অফিস, সিলেট
– সদস্য: জেলা ক্রীড়া অফিসার, সিলেট
– সদস্য: মকসুদ আহমদ, স্থানীয় ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠক
– সদস্য-সচিব: রেজাউল করিম নাচন, ক্রীড়া সংগঠক ও সাবেক ক্রীড়াবিদ

রেজাউল করিম নাচন সিলেট জেলা দলের হয়ে ফুটবল ও ক্রিকেট খেলেছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সিলেটের ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত।

তিনি সিলেট ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া একাধিকবার সিলেট বিভাগীয় ক্রিকেট দলের ম্যানেজারের দায়িত্বও পালন করেছেন।

বর্তমানে তিনি ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে সিলেটের ক্রীড়াঙ্গনে তার দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা রয়েছে।

ক্রীড়াঙ্গনের পাশাপাশি রেজাউল করিম নাচন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ছিলেন। তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এবং মহানগর বিএনপির ক্রীড়া সম্পাদকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার নতুন এডহক কমিটি ক্রীড়াঙ্গনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল করা এবং খেলাধুলার উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করছেন ক্রীড়াপ্রেমীরা।

নতুন কমিটির অনুমোদনে সিলেটের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন উদ্যম ও গতি সঞ্চার হবে-এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের। নতুন কমিটির সকল সদস্যকে অভিনন্দন ও শুভকামনা জানিয়েছেন সিলেটের ক্রীড়াপ্রেমীরা।

» চায়না অ্যাম্বাসেডর কাপ উশু চ্যাম্পিয়নশিপে জাতীয় জাজ সম্মাননা পেলেন আরিফ উদ্দিন ওলি

Published: ০৮. সেপ্টে. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ
ঢাকার মিরপুরস্থ শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হলো ‘৮ম চায়না অ্যাম্বাসেডর কাপ উশু চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬।

প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে জাতীয় বিচারক হিসেবে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশেষ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়েছে জাতীয় জাজ, কোচ এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মার্শাল আর্টস ইভেন্টে স্বর্ণপদকজয়ী ক্রীড়াবিদ মো. আরিফ উদ্দিন ওলিকে।

চ্যাম্পিয়নশিপের সমাপনী দিনে বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনের সভাপতি ও আশিয়ান গ্রুপের ডিএমডি সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া আনুষ্ঠানিকভাবে মো. আরিফ উদ্দিন ওলির হাতে এই সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।

সম্মাননা গ্রহণের পর এক প্রতিক্রিয়ায় মো. আরিফ উদ্দিন ওলি বলেন, এই স্বীকৃতি আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের। একই সঙ্গে এটি আমার দায়িত্ব ও অঙ্গীকারকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। একজন বিচারকের সিদ্ধান্ত কেবল একটি প্রতিযোগিতার ফলাফলই নির্ধারণ করে না, বরং একজন উদীয়মান খেলোয়াড়ের আত্মবিশ্বাস, ক্যারিয়ার ও ভবিষ্যতের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে।

তাই বিচারকদের অবশ্যই সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ ও প্রভাবের ঊর্ধ্বে উঠে নিখাদ সততা ও নিরপেক্ষতার সাথে যোগ্যতার মূল্যায়ন করতে হবে।

তিনি আরও যোগ করেন, একজন খেলোয়াড় যতটুকু প্রাপ্য, তাকে ঠিক ততটুকুই মূল্যায়ন করতে হবে। সঠিক ও ন্যায়ভিত্তিক বিচারব্যবস্থা একটি দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে বিশ্বমঞ্চে এগিয়ে নিয়ে যায়। সঠিক মূল্যায়ন পেলে প্রতিভাবানরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের জন্য সুসংবাদ ও সম্মান বয়ে আনতে পারে।

নিজের নীতি ও দর্শনের কথা উল্লেখ করে আরিফ উদ্দিন ওলি বলেন, আমি সব সময় সত্য ও সঠিক পথে চলার চেষ্টা করি এবং ভবিষ্যতেও সেই নীতিতেই অটল থাকতে চাই।

ক্রীড়াঙ্গনে সবচেয়ে বড় শক্তি হলো সততা ও ন্যায়পরায়ণতা। তাই সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান আসুন আমরা ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে খেলোয়াড়ের প্রকৃত যোগ্যতাকে সম্মান জানাই।

আন্তর্জাতিক মানের এই উশু প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত বিপুলসংখ্যক প্রতিভাবান খেলোয়াড় অংশ নেন। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে বিচারকদের চরম নিরপেক্ষতা, দক্ষ পর্যবেক্ষণ, নিখুঁত মূল্যায়ন এবং দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়টি সর্বমহলে প্রশংসিত হয়।

উল্লেখ্য, উশু ও বিভিন্ন মার্শাল আর্টস অঙ্গনে সাংগঠনিক দক্ষতা, কঠোর শৃঙ্খলা, ন্যায়পরায়ণতা ও সুশীল ক্রীড়াসুলভ মানসিকতার প্রসার ঘটাতে দীর্ঘদিন ধরে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন মো. আরিফ উদ্দিন ওলি।

ক্রীড়া সংশ্লিষ্টদের মতে, জাতীয় বিচারক হিসেবে পাওয়া তাঁর এই সম্মাননা দেশের উশু অঙ্গনকে আরও শক্তিশালী ও স্বচ্ছ করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

» চীনে ৫০ দিনের উচ্চতর উশু প্রশিক্ষণে যাচ্ছেন সিলেটের আন্তর্জাতিক কোচ আনোয়ার হোসেন

Published: ০৮. সেপ্টে. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ
চীন সরকারের অর্থায়নে এবং বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় চীনে অনুষ্ঠিতব্য ৫০ দিনের উচ্চতর উশু প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশ নিতে যাচ্ছেন বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনের সদস্য, আন্তর্জাতিক উশু কোচ ও জাতীয় জাজ মো. আনোয়ার হোসেন।

আগামী ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ২৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত চীনের ঝেংঝৌ শহরে অনুষ্ঠিত হবে ‘তাওলু উশু ক্রীড়াবিদ ও কোচদের’ শীর্ষক এই উচ্চতর প্রশিক্ষণ কোর্স।

এতে বাংলাদেশ থেকে খেলোয়াড়, কোচ ও কর্মকর্তা সহ মোট ৩০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল অংশগ্রহণ করবে। প্রশিক্ষণে অংশ নিতে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর চীনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন সিলেটের এই উশু কোচ।

মো. আনোয়ার হোসেন সিলেটের চাইনিজ উশু ফাইটার স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক। দীর্ঘদিন ধরে তিনি উশু প্রশিক্ষণের পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কোচ ও জাজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে চীনের ম্যাকাও শহরে ইন্টারন্যাশনাল উশু ফেডারেশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক উশু প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশ নিয়ে সনদ অর্জন করেন তিনি।

এছাড়া চলতি বছর ২০২৬ সালে চীনের তিয়ানজিং শহরে অনুষ্ঠিত ১০ম ওয়ার্ল্ড জুনিয়র উশু চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ দলের তাওলু কোচ হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেন। ওই আসরে দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বিশেষ স্বীকৃতি সনদও অর্জন করেন।

চীনে ৫০ দিনের উচ্চতর প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, আবারও ৫০ দিনের দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণের সুযোগ পেয়ে আমি আনন্দিত ও গর্বিত।

এই প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করে দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকার, চীন সরকারসহ বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

তিনি আরও বলেন, প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা বাংলাদেশে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের উশু খেলোয়াড় তৈরিতে বিশেষভাবে সহায়ক হবে। সকলের কাছে আমার জন্য দোয়া কামনা করছি।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, চীনে উচ্চতর এই প্রশিক্ষণ শেষে অর্জিত আধুনিক প্রশিক্ষণ পদ্ধতি ও অভিজ্ঞতা দেশে প্রয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের উশু খেলোয়াড়দের দক্ষতা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য অর্জনে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

Callender

September 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930