- সিলেট মহানগরী শাহপরান পূর্ব থানা জামায়াতের কর্মী শিক্ষাশিবির
- ১৫ জুলাই সিলেট মহানগর যুব জমিয়তের আলোচনা সভা
- সিসিক প্রাঙ্গণে বড় পর্দায় দেখা যাবে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সব ম্যাচ
- ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন মাজারের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন সংক্রান্ত কমিটির প্রথম সভা
- সিলেটে শাহজালাল জামেয়া নাজিরেরগাঁও-এ কর্মসূচি ঘোষণা
- সিলেটে রথযাত্রা; তিন জাতীয় অতিথির মহামিলন
- শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বগুণ বিকাশে স্কলার্সহোমে বক্তৃতা প্রতিযোগিতা
- সিলেট জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন আজ
- বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণী সরকারি কর্মচারী সমিতি সিলেট কালেক্টরেট শাখার পরিচিতি সভা ও কর্মচারীদের বরণ
- জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এর প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি শীর্ষক ছাত্র জমিয়তের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
» সিলেট মহানগরী শাহপরান পূর্ব থানা জামায়াতের কর্মী শিক্ষাশিবির
Published: ১০. জুলা. ২০২৬ | শুক্রবার
যুগে যুগে ত্যাগীরাই ইতিহাস সৃষ্টি করে সফলতা অর্জন করেছে : মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম
নিউজ ডেস্কঃ
জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেছেন, যুগে যুগে ত্যাগীরাই ইতিহাস সৃষ্টি করে সফলতা অর্জন করেছে।
বাংলাদেশেও ইসলাম ও মানবতার জন্য জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ থেকে শুরু করে জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের ভাইয়েরা যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন তা বিশ্ব ইসলামী আন্দোলনের জন্য অনন্য নজির। ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের আদর্শ, শৃঙ্খলা, ত্যাগ ও তাকওয়ার গুণে সমৃদ্ধ হতে হবে।
ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং সমাজে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, কর্মীদের নিয়মিত অধ্যয়ন, আত্মশুদ্ধি এবং সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দক্ষ ও আদর্শবান জনশক্তি হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। আর্তমানবতার কল্যাণে সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রাখতে হবে।
সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করতে হবে। নিজেকে উত্তম চরিত্রের অধিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে চুড়ান্ত শপথের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।
তিনি শুক্রবার (১০ জুলাই) সিলেট মহানগরীর শাহপরান পূর্ব থানা জামায়াতের কর্মী শিক্ষাশিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।
থানা আমীর মো. শামীম আহমদের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মাওলানা সাইফুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত শিক্ষাশিবিরে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারী মোহাম্মদ শাহজাহান আলী।
দারসুল কুরআন পেশ করেন, মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার।
বক্তব্য রাখেন-থানা নায়েবে আমীর মাওলানা ফয়জুর রহমান, থানা দায়িত্বশীল মঞ্জুর রহমান, মাওলানা শাহ মাহমুদুল হক ও নাসির উদ্দিন চৌধুরী প্রমূখ।
শিক্ষাশিবিরে থানা ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের দায়িত্বশীল এবং কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষাশিবিরে বক্তারা ইসলামী আন্দোলনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
» ১৫ জুলাই সিলেট মহানগর যুব জমিয়তের আলোচনা সভা
Published: ১০. জুলা. ২০২৬ | শুক্রবার
নিউজ ডেস্কঃ
যুব জমিয়ত বাংলাদেশ সিলেট মহানগর শাখার উদ্যোগে আগামী ১৫ জুলাই বুধবার এক বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
ওই দিন বিকাল ৪টায় সিলেট বন্দরবাজারস্থ দলীয় কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হবে। এবারের আলোচনার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে “২৪’শের জুলাই, জমিয়তের অবদান ও যুবসমাজের ভূমিকা”।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা খলিলুর রহমান।
প্রধান আলোচকের বক্তব্য রাখবেন যুব জমিয়ত বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি হাফিজ মাওলানা তাফহীমুল হক।
এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম সিলেট মহানগরীর সভাপতি মাওলানা নিজাম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী, যুব জমিয়ত বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ সভাপতি মাওলানা কবীর আহমদ।
সিলেট মহানগর যুব জমিয়তের প্রচার সম্পাদক মুফতী নোমান বিন আফসার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আলোচনা সভাটি সফল করার লক্ষ্যে মহানগর নেতৃবৃন্দ ইতিমধ্যে জোর প্রস্তুতি শুরু করেছেন।
এর অংশ হিসেবে দাওয়াত পত্র বিলিসহ বিভিন্ন প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এদিকে, সিলেট মহানগর যুব জমিয়তের সভাপতি মাওলানা আসআদ উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আব্দুল করিম দিলদার আলোচনা সভাকে সর্বাত্মক সফল ও সার্থক করতে যুব জমিয়ত সিলেট মহানগরী এবং এর আওতাধীন সকল থানা শাখার দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ সহ সর্বস্তরের যুব সমাজকে যথাসময়ে সভায় অংশগ্রহণ করার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন।
» সিসিক প্রাঙ্গণে বড় পর্দায় দেখা যাবে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সব ম্যাচ
Published: ০৯. জুলা. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
ফুটবল উৎসবে শামিল হতে নগরবাসীকে সিসিক প্রশাসকের আহ্বান
নিউজ ডেস্কঃ
ফুটবলপ্রেমী সিলেটবাসীর জন্য ব্যতিক্রমী আয়োজন করেছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক)।
আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাত থেকে নগর ভবন প্রাঙ্গণে বিশাল এলইডি স্ক্রিনে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর প্রতিটি ম্যাচ।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান, ফুটবলপ্রেমী নগরবাসী যাতে একসঙ্গে বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচের উত্তেজনা ও আনন্দ উপভোগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই এ বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পুরো আয়োজনটি সবার জন্য উন্মুক্ত।
তিনি বলেন, বিশ্বকাপ শুধু একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়, এটি বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষের আবেগ ও উৎসবের নাম। সেই আনন্দে সিলেটবাসীকেও একসঙ্গে সম্পৃক্ত করতে সিটি কর্পোরেশনের এই আয়োজন।
সিসিক প্রশাসক নগরবাসীকে পরিবার, বন্ধু ও স্বজনদের নিয়ে নগর ভবন প্রাঙ্গণে এসে বিশ্বকাপের রোমাঞ্চ উপভোগ করার আহ্বান জানান।
একই সঙ্গে তিনি সবার প্রতি শৃঙ্খলা, পরিচ্ছন্নতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রেখে আয়োজন সফল করার অনুরোধ জানান।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই আয়োজন ফুটবলপ্রেমীদের মিলনমেলায় পরিণত হবে এবং বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ নগরবাসী উৎসবমুখর পরিবেশে উপভোগ করতে পারবেন।
» ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন মাজারের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন সংক্রান্ত কমিটির প্রথম সভা
Published: ০৯. জুলা. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
শাহজালাল (রহ.) মাজারের ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত
নিউজ ডেস্কঃ
হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারসহ সিলেটের ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন মাজারের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন সংক্রান্ত কমিটির প্রথম সভা বৃহস্পতিবার বিকেলে সিলেট সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন, কমিটির সদস্য ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
সভায় মাজার, মসজিদ ও মাদ্রাসা পরিচালনা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বিভিন্ন বিষয়ে কয়েকটি প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলেও সেগুলো আগামী সভায় চূড়ান্ত অনুমোদনের পর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে।
সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, কমিটির আহ্বায়ক রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে ব্যস্ত থাকায় উপস্থিত থাকতে পারেননি।
তবে সভায় অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে এবং মাজারের সুশাসন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বেশ কয়েকটি বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, আগামী বৃহস্পতিবার কমিটির দ্বিতীয় সভা একই স্থানে অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভায় মাজারের ভবিষ্যৎ আর্থিক ব্যবস্থাপনাসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো চূড়ান্ত করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
দেশ-বিদেশে অবস্থানরত হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর ভক্ত-অনুরাগীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কমিটির ওপর আস্থা রাখুন।
আমরা সবার মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে মাজারের স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে কাজ করছি।
সিসিক প্রশাসক আরও জানান, আগামী শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে মাজারের দানবাক্সের অর্থ গণনা শুরু হবে।
কমিটির সদস্য, মাজার কর্তৃপক্ষ, মাদ্রাসার শিক্ষার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
গণনাকারীরা কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত নির্ধারিত স্থান ত্যাগ করতে পারবেন না।
তিনি বলেন, গণনা শেষে সংগৃহীত অর্থ জেলা প্রশাসকের নামে নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে জমা রাখা হবে।
কমিটির সদস্য ও সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, দরগাহ, মসজিদ, মাদ্রাসা এবং মাজারকেন্দ্রিক কার্যক্রমে কীভাবে আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়ে সভায় ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
প্রাথমিক কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবারের সভায় সেগুলো চূড়ান্ত হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরী, সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, কমিটির সদস্যসচিব ও সিলেটের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক পিংকি সাহা, পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেক, শাহজালাল (রহ.) দরগাহ শরীফের সরেকওম ফতেহ উল্লাহ আল আমান ও খাদেম মুফতি রায়হান উদ্দিন মুন্না, দরগাহ জামে মসজিদের সেক্রেটারি মুফতি এম এ হাসান ও জামেয়া কাসিমুল উলুম মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মওলানা মাসুক উদ্দিন।
» সিলেটে শাহজালাল জামেয়া নাজিরেরগাঁও-এ কর্মসূচি ঘোষণা
Published: ০৯. জুলা. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রজনতার কুরবানী অবিস্মরণীয় : মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার
নিউজ ডেস্কঃ
শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল মাদরাসা নাজিরেরগাঁও শাখা সিলেটের ইনচার্জ মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার বলেছেন, চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রজনতার কুরবানী অবিস্মরণীয়।
শহীদেরা জীবন বিলিয়ে দিয়ে, দেশপ্রেমিক ছাত্রজনতা রক্ত ও ত্যাগের মাধ্যমে নতুন একটি দেশ উপহার দিয়েছেন।
ফ্যাসিবাদী অপশক্তির কবল থেকে জাতির উদ্ধার করেছেন। জাস্টিস প্রতিষ্ঠার পথ উন্মুক্ত করে গিয়েছেন।
দুর্নীতি, অন্যায়, অবিচার ও জুলুমের অবসানে কার্যকরী পদক্ষেপ দেখিয়ে গিয়েছেন। তাদের অবদান ভুলে গেলে চলবে না। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, এমনকি আপামর জনসাধারণকে তা বারবার স্মরণ করিয়ে দিতে হবে। এই আলোচনাগুলো বেশী বেশী হওয়া উচিৎ।
ম্যাসেজগুলো স্পষ্ট থাকা জরুরী। যেন নতুন করে কেউ পলাতকদের পথ অনুসরণ করতে না পারে। জুলাইয়ের চেতনা, ত্যাগ ও শিক্ষা প্রতিটি হৃদয়ে জাগরূক থাকুক।
তিনি বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল মাদরাসা, নাজিরেরগাঁও শাখা সিলেট আয়োজিত ‘৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত কর্মসূচি ঘোষণা অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
জামেয়ার শিক্ষক মাওলানা হানীফ হোসাইনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে শিক্ষকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, সিদ্দিকুর রহমান, খোরশেদ আলম মহসিন, মো. শাহীন আলম, শেখ মুহাম্মদ ইউনুস আলী, আজিজুর রহমান, আলা উদ্দীন, মাওলানা মেহেদী হাসান, মাওলানা আব্দুল খালিক, হাফিজ ইমরান আহমদ, মাওলানা আমীর হোসাইন, মাওলানা কায়েস আহমদ ও হোসাইন আহমদ প্রমুখ।
ছাত্রদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, ছাত্র প্রতিনিধি হাফিজ ফাহাদ আহমদ, আব্দুর রাজ্জাক সৈয়দ, মাহিন ও ফুয়াদ আল রাব্বী, আবুল কালাম ও রেদোয়ান ইসলাম মান্না।
ছাত্রীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, ছাত্রী প্রতিনিধি রাফা আঞ্জুম, ফেরদৌসী জান্নাত নওশীন, বুশরা, কুলসুমা জান্নাত সারা, তাওহীদা আক্তার, তাহেরা তামান্না ও ফাতেমা আক্তার সামিয়া।
সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার বলেন, নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাইয়ের ইতিহাস তুলে ধরতে হবে।
তাদের মধ্যে দেশপ্রেম, অন্যায় রুখে দেয়া ও মানবতার কল্যাণে নিবেদিত থাকার শিক্ষা ছড়িয়ে পড়ুক। নিজেদেরকে মেধা ও সততার গুণে গুণান্বিত করতে হবে।
জাতির ভবিষ্যৎ যোগ্য কান্ডারী হিসেবে তাদেরকে তৈরী করার চেষ্টা আরও জোরদার হওয়া অনস্বীকার্য।
মাদরাসা শিক্ষার্থীদেরকে দ্বীনি ইলম, আমল চর্চার পাশাপাশি যুগোপযোগী জ্ঞানের আলোয় সমৃদ্ধ হতে হবে।
» সিলেটে রথযাত্রা; তিন জাতীয় অতিথির মহামিলন
Published: ০৯. জুলা. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
৯ দিনব্যাপী রথযাত্রা মহোৎসবে থাকছেন সিসিক প্রশাসক
নিউজ ডেস্কঃ
বর্ষার স্নিগ্ধ আবহে আবারও মুখর হয়ে উঠতে যাচ্ছে সিলেট। ‘জয় জগন্নাথ’ ধ্বনি, হরিনাম সংকীর্তন, সুসজ্জিত রথ, লাখো ভক্তের পদচারণা এবং শতাধিক আইটেম মহাপ্রসাদের সুবাসে উৎসবের নগরীতে পরিণত হবে পুরো শহর।
আগামী ১৬ থেকে ২৪ জুলাই আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন), যুগলটিলা, সিলেটের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হবে শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের ৯ দিনব্যাপী রথযাত্রা মহোৎসব।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, জাতীয় পর্যায়ের অতিথিদের অংশগ্রহণ, বৈচিত্র্যময় কর্মসূচি এবং বিপুল ভক্তসমাগমের কারণে এবারের ইসকনের আয়োজন হবে সিলেটের অন্যতম বৃহৎ রথযাত্রা মহোৎসব।
মহোৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে। এদিন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক। একই দিন বিকেল ৩টায় যুগলটিলা মন্দির থেকে শ্রীশ্রী জগন্নাথ, বলদেব ও সুভদ্রার সুসজ্জিত রথ নগরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করবে।
১৭ জুলাই শুক্রবার বিশেষ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) হুমায়ুন কবির আহমদ।
এদিন ভজন-কীর্তন, ইসকন ইয়ুথ ফোরামের উদ্যোগে সেমিনার, সনদপত্র বিতরণ, জগন্নাথদেবের মহিমা কীর্তন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
মহোৎসবের সমাপনী দিন ২৪ জুলাই শুক্রবার উল্টো রথযাত্রা উপলক্ষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
বিকেল ৩টায় যুগলটিলা মন্দির থেকে উল্টো রথযাত্রা শুরু হয়ে নগর প্রদক্ষিণ শেষে মন্দিরে ফিরে আসবে।
এরপর সন্ধ্যায় আরতি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হবে নয় দিনের এই মহোৎসব।
মূল কর্মসূচির আগে ১৫ জুলাই বুধবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে গুন্ডিচা মন্দির মার্জন। শাস্ত্রীয় এই আয়োজনের মাধ্যমে ভক্তরা রথযাত্রার প্রস্তুতি সম্পন্ন করবেন।
১৬ জুলাই দুপুর ১২টায় মহাভোগরাগ ও ভোগারতি দর্শনের মাধ্যমে উৎসবের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হবে।
এরপর আলোচনা সভা, মহাপ্রসাদ বিতরণ এবং বর্ণাঢ্য রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। সন্ধ্যায় গৌরসুন্দরের আরতি এবং ভক্তিবেদান্ত ক্লাসিক্যাল মিউজিক একাডেমির পরিবেশনায় ভজন সঙ্গীতানুষ্ঠান থাকবে।
১৮ থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত প্রতিদিন মহাভোগরাগ, ভোগারতি, জগন্নাথদেবের মহিমা কীর্তন, ভজন-কীর্তন, গৌর আরতি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকবে।
এর মধ্যে ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে নামহট্ট ‘বিনোদন আনন্দধারা’, ২০ জুলাই (হেরা পঞ্চমী) বিতর্ক অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বৈদিক নাটক, ২১ ও ২২ জুলাই বৈদিক নাটক এবং ২৩ জুলাই বিশেষ ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
আয়োজকরা জানান, রথযাত্রা শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়; এটি সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ব, সেবা ও মানবিক মূল্যবোধের এক মহামিলন।
প্রতি বছর এই উৎসবকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে হাজারো ভক্ত ও দর্শনার্থী সিলেটে আসেন। এবারও কয়েক হাজার ভক্তের সমাগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ভক্তদের জন্য প্রতিদিন মহাপ্রসাদের ব্যবস্থা, সুশৃঙ্খল নিরাপত্তা, চিকিৎসা সহায়তা, স্বেচ্ছাসেবক কার্যক্রম এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) বাংলাদেশের সহ-সভাপতি ও ইসকন, যুগলটিলা, সিলেটের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ ভক্তি অদ্বৈত নবদ্বীপ স্বামী মহারাজ বলেন, “শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা হচ্ছে ভক্তি, প্রেম ও সেবার উৎসব।
রথের দড়ি টানা, হরিনাম সংকীর্তনে অংশগ্রহণ এবং মহাপ্রসাদ গ্রহণের মাধ্যমে প্রত্যেকেই ভগবানের বিশেষ কৃপা লাভের সুযোগ পান।
তাই এই মহোৎসবে সবাইকে মন্দিরে এসে জগন্নাথদেবের দর্শন ও আশীর্বাদ গ্রহণের জন্য আন্তরিক আহ্বান জানাচ্ছি।”
» শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বগুণ বিকাশে স্কলার্সহোমে বক্তৃতা প্রতিযোগিতা
Published: ০৯. জুলা. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
শিক্ষার্থীদের বাচনভঙ্গি, আত্মবিশ্বাস, উপস্থিত বুদ্ধিমত্তা ও সৃজনশীল চিন্তাশক্তির বিকাশের লক্ষ্যে স্কলার্সহোম শিবগঞ্জ শাখায় বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) থেকে দুই দিনব্যাপী বক্তৃতা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।
দুই দিনব্যাপী এ আয়োজনের প্রথম দিনে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে নির্ধারিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
পরবর্তী দিনে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় উপস্হিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের উপাধ্যক্ষ শানিজ ফাতেমা ইব্রাহিম। তাঁর সুদক্ষ নেতৃত্ব, দিকনির্দেশনা ও আন্তরিক সহযোগিতায় পুরো আয়োজনটি হয়ে ওঠে সুশৃঙ্খল, প্রাণবন্ত ও সাফল্যমণ্ডিত।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয়ের কো-অর্ডিনেটর শর্মিলী রায় সহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।
প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী পর্বে বিদ্যালয়ের উপাধ্যক্ষ তাঁর বক্তব্যে বক্তৃতা চর্চার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, বক্তৃতা শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, চিন্তার গভীরতা তৈরি এবং নিজেদের মতামত স্পষ্ট ও সুন্দরভাবে প্রকাশের দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করে।
তিনি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিভার বিকাশ ঘটানোর আহ্বান জানান।
এরপর শুরু হয় প্রতিযোগিতার মূল পর্ব। শিক্ষার্থীরা একে একে বিভিন্ন বিষয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করে।
তাদের সাবলীল উপস্থাপন, উপস্থিত বুদ্ধিমত্তা ও সৃজনশীল ভাবনা উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করে।
শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে আরও আকর্ষণীয় ও উৎসবমুখর।
প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন শাহনাজ আক্তার লিপি, ফারজানা তাসনিম, লাভলী ইয়াসমিন, মুক্তা ধর, শাহিদা আক্তার, মাহমুদা নুসরাত তপাদার এবং এল. এন. পিউলী। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সানজিদা হক তারিন ও ববি রাণী দে।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মনে করেন এ ধরনের সহশিক্ষামূলক কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বগুণ, যোগাযোগ দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস ও সৃজনশীলতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

» সিলেট জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন আজ
Published: ০৯. জুলা. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সিলেট জেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন আজ শুক্রবার (১০ জুলাই) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
সকাল ১১টায় সিলেট মহানগরীর মেন্দিবাগস্থ জালালাবাদ গ্যাস ভবন অডিটোরিয়ামে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
পরিষদের নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, সমাজে সমঅধিকার, সমমর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং বৈষম্য ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে হিন্দু সম্প্রদায়ের যৌক্তিক দাবি আদায়ের সংগ্রামকে বেগবান করার লক্ষ্য নিয়ে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।
সম্মেলনে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্রী বাসুদেব ধর। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এমপি।
সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখবেন, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শ্রী সন্তোষ শর্মা।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে তাদের মূল্যবান বক্তব্য উপস্থাপন করবেন।
সিলেট জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোপীকা শ্যাম পুরকায়স্থ চয়ন এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রঞ্জন ঘোষ এক যৌথ বিবৃতিতে সর্বস্তরের সনাতন ধর্মাবলম্বী ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে যথাসময়ে সম্মেলনে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে সফল ও সার্থক করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন।
» বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণী সরকারি কর্মচারী সমিতি সিলেট কালেক্টরেট শাখার পরিচিতি সভা ও কর্মচারীদের বরণ
Published: ০৯. জুলা. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণী সরকারি কর্মচারী সমিতি সিলেট কালেক্টরেট শাখা (১৭-২০ গ্রেড)-এর নবগঠিত কমিটির নাম প্রকাশ ও সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারীদের বরণ উপলক্ষে পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকালে সিলেট প্রশাসক কার্যালয়ে বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণী সরকারি কর্মচারী সমিতি সিলেট বিভাগীয় জেলা শাখার উদ্যোগে কালেক্টরেট শাখার পরিচিতি ও সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারীদের বরণ করা হয়।
সিলেট বিভাগীয় জেলা শাখার সভাপতি মো. আব্দুল মতিনের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. হালিমুর রেজা চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ সিলেট বিভাগীয় জেলা শাখার সভাপতি ফরিদ উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণী সরকারি কর্মচারী সমিতি সিলেট বিভাগীয় জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. সালাহ উদ্দিন।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবুল কালাম, চতুর্থ শ্রেণী সরকারি কর্মচারী সমিতির ওসমানী মেডিকেল কলেজ শাখার সাবেক সভাপতি মাহবুব রহমান, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সদস্য সমন্বয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক আতাউর রহমান, ইনকাম ট্যাক্স সদস্য মামুন, জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সামসু প্রমুখ।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে সংগঠনের জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা সরকারি কর্মচারীদের অধিকার আদায়, কাজের পরিবেশ উন্নয়ন এবং পারস্পরিক ঐক্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পরিচিতি সভায় নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয় এবং সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারীদের সমিতিতে স্বাগত জানানো হয়।
» জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এর প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি শীর্ষক ছাত্র জমিয়তের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
Published: ০৯. জুলা. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
» স্মাইল লার্নিং সেন্টারের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক
Published: ০৮. জুলা. ২০২৬ | বুধবার
সিলেটের শিক্ষা-ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, একসময় শিক্ষা, সংস্কৃতি ও মেধার ক্ষেত্রে সিলেট দেশের অন্যতম অগ্রগামী অঞ্চল ছিল। সময়ের পরিক্রমায় সেই অবস্থান অনেকটাই পিছিয়ে গেছে। সিলেটের গৌরবময় শিক্ষা-ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
বুধবার (৮ জুলাই) নগরীর ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের ছিটা গোটাটিকর এলাকায় স্মাইল লার্নিং সেন্টারের উদ্যোগে আয়োজিত ‘স্মাইল বার্তা’-এর মোড়ক উন্মোচন এবং চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, সমাজের উন্নয়নে নিবেদিতপ্রাণ মানুষের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এমন বাস্তবতায় স্মাইল লার্নিং সেন্টারের মতো প্রতিষ্ঠান শিশু-কিশোরদের শিক্ষার ভিত্তি গড়ে তোলার যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এ ধরনের ছোট ছোট উদ্যোগই ভবিষ্যতে সিলেটের শিক্ষা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু ভালো ফলাফল অর্জন করলেই হবে না, তাদের নৈতিক মূল্যবোধ, মানবিকতা ও দেশপ্রেমেও সমৃদ্ধ হতে হবে। শিক্ষিত ও আদর্শবান নতুন প্রজন্মই আগামী দিনের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।
এ সময় আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ছিটা গোটাটিকর এলাকাসহ ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন উন্নয়নকাজ বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন। তিনি জানান, বর্তমানে এ ওয়ার্ডে প্রায় ২০ কোটি টাকার উন্নয়নকাজ চলমান রয়েছে। ভবিষ্যতেও এলাকাবাসীর প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. দিদার চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সিলেটের কলেজ পরিদর্শক শেখ মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম এবং সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মঈন উদ্দিন।
স্মাইল লার্নিং সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল কুদ্দুস রুবেলের সভাপতিত্বে এবং সহকারী শিক্ষক অনামিকা সরকারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন কেন্দ্রটির ইনচার্জ সজল মালাকার।
বক্তব্য দেন, শিক্ষার্থী ও স্বেচ্ছাসেবক আরিফুল ইসলাম আরিফ।
অনুষ্ঠানে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কোহিনূর আহমদ, এয়ারপোর্ট থানা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল কাদির সমছু, মোগলাবাজার থানা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হাসনাত, যুবদলের সাবেক নেতা এনামুল হক লিটন, জিলাদ আহমদ, মারজানুল হক জোসেফ, স্মাইল লার্নিং সেন্টারের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং ছিটা গোটাটিকর এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
» সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের যুগপূর্তি পালিত
Published: ০৮. জুলা. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও এক যুগপূর্তি পালিত হয়েছে আজ।
এ উপলক্ষে আয়োজিত আনন্দ অনুষ্ঠানে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সব মিলিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানটি সূধিজনদের মিলনমেলায় পরিণত হয়।
বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের ড. রাগীব আলী মিলনায়তনে একযুগ পূর্তি অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন,সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ গোলজার আহমদ হেলাল। সাধারণ সম্পাদক এম. সাইফুর রহমান তালুকদারের সঞ্চালনায় আনন্দ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের শামীম, সিলেট মহানগর জামায়াতের আমীর মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মাসুদ রানা, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য আফতাব চৌধুরী, সিলেট জেলা কর আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি সিরাজুল ইসলাম আলমগীর, সিলেট জেলা পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি পরিদর্শক জাবেদ আহমদ, এসিড সন্ত্রাস নির্মুল কমিটির সাধারণ সম্পাদক জুরেজ আব্দুল্লাহ গুলজার, ইস্পাহানি টি লিমিটেডের সিনিয়র ডিভিশনাল ম্যানেজার আনিছুজ্জামান পাটোয়ারী প্রমুখ।
আগত অতিথিবৃন্দের স্বাগত জানান, ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল মুহিত দিদার, সহ সভাপতি জহিরুল ইসলাম মিশু, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সম্পাদক তারেক আহমদ খান ও কার্যকরী পরিষদ সদস্য মো. মোশাহিদ আলী ও সাদিকুর রহমান চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জৈন্তাপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ফয়েজ আহমদ, এনসিপি নেতা সালিম আহমদ, সিনিয়র ফটো সাংবাদিক দুলাল হোসেন, ক্লাব সদস্য এমএ রহিম, মো: আলমগীর আলম, উৎফল বড়ুয়া, অলিউর রহমান, খায়রুল আমিন রাফসান, মোহাম্মদ সুহেল আহমদ, ফাহিম আহমদ, নাহিদ আহমদ, রুবেল আহমদ,মোহাম্মদ আজমল আলী, জুলকার নাইন সাইরাস, আবু মূসা সরকার, সুয়েব রানা, সাংবাদিক মাহমুদুল হাসান নাঈম প্রমূখ।
অনুষ্ঠােন সিলেট সিটি কপের্রারেশেনর প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, অনলাইন গণমাধ্যম সব সময় বস্তুনিষ্ঠতার সহিত সংবাদ পরিবেশন করে। সিলেট অনলাইন প্রেসক্লােবর সাংবাদিকরা নিজেদের দায়িত্বশীলতার সহিত কর্তব্য পালন করছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমের যেকোন সংবাদকে খুবই গুরুত্ব দেন। সমাজের কোন অসঙ্গতির খবর প্রকাশিত হলে সাথে সাথে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন।
জেলা পরিষদ, সিলেট এর প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম বলেন, সময়ের প্রয়োজনে আমরা এখন ঘুম থেকে উঠেই অনলাইনে চোখ বুলিয়ে নেই। অনলাইন গণমাধ্যমের কর্মতৎপরতার কারনে এখন প্রিন্ট মিডিয়ার গুরত্ব কমে যাচ্ছে। অনলাইন গণমাধ্যমে সাংবাদিক সমাজের সমস্যা সমূহ বেশী করে তুলে ধরবেন বলে আমি দৃঢ়ভাবে প্রত্যাশা করি।
সিলেট মহানগর জামায়াতের আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, অনলাইন প্রেসক্লাব তাদের নিজস্ব একটি দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে চলায় মানুষের আস্থা অর্জন করতে পেরেছে। অনলাইনের কল্যাণে দ্রুত যেকোন সংবাদ সকলের কাছে পৌঁছে যায়। ২০২৪ এর জুলাইয়ের আন্দোলন আগষ্টের গণঅভ্যুত্থানে অনলাইন মিডিয়া সব চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
অতিরক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা-আইসিটি) মাসুদ রানা বলেন, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাব আজ যুগপূর্তি পালন করেছন, এটি যেন শতবর্ষ উদযাপন করতে পারে এমন প্রত্যাশা রইল।

