শিরোনামঃ-

» সিলেটে চা-শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ

Published: ২৫. জুলা. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ
দৈনিক মজুরি ৫০০ টাকা নির্ধারণ, ৫% মূল্যবৃদ্ধির বিতর্কিত গেজেট বাতিল, ভূমির মালিকানা প্রদান এবং চা-শ্রমিক ইউনিয়নের (সিবিএ) নির্বাচনের দাবিতে রাজপথে নেমেছেন সিলেটে চা-শ্রমিকরা।

চা-শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র’র উদ্যোগে শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টায় সিলেটের খাদিম চা-বাগানে এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ চলাকালে শ্রমিকরা দুই ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করেন এবং সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক অবরোধ করেন।

চা-শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সভাপতি সবুজ তাঁতীর সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সমন্বয়ক মনীষা ওয়াহিদের সঞ্চালনায় আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক এস এম শুভ, উপদেষ্টা সৈয়দ ফরহাদ হোসেন, দপ্তর সম্পাদক দীপ্ত নায়েক ও বুরজান চা-কারখানার শ্রমিকনেতা সুশান্ত চাষা প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বর্তমান দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির সাথে চা-শ্রমিকদের বর্তমান মজুরি কাঠামো অত্যন্ত অমানবিক। প্রতি বছর মাত্র ৮ টাকা করে মূল্য বৃদ্ধি চা-শ্রমিকদের সাথে এক ধরনের প্রহসন ও তামাশা।

বর্তমানে নির্ধারিত দৈনিক মাত্র ১৮৭ টাকা মজুরিতে পরিবার নিয়ে বেঁচে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বেঁচে থাকার জন্য সম্মানজনক ন্যায্য মজুরি আজ দেশের প্রতিটি চা-শ্রমিকের প্রাণের দাবি।

ভূমির অধিকার বিষয়ে বক্তারা আরও বলেন, এই ভূখণ্ডে চা-শ্রমিকদের বসবাসের ২০০ বছর হতে চললেও তারা আজও ভূমিহীন। ভূমির নিজস্ব মালিকানা না থাকায় নাগরিক সকল মৌলিক সুযোগ-সুবিধা ও সাংবিধানিক অধিকার থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই ভূমির মালিকানা নিশ্চিত করা সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে।

সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক এস এম শুভ তাঁর বক্তব্যে বলেন, চা-শ্রমিকরা আজও চরম রাষ্ট্রীয় বৈষম্যের শিকার। স্বাধীন দেশের নাগরিক হয়েও এই জনগোষ্ঠী আধুনিক দাসত্বের জীবনযাপন করছেন। দেশের সবচেয়ে অবহেলিত শ্রমজীবী মানুষ হয়েও তারা সবচেয়ে কম মজুরিতে কাজ করেন। দৈনিক ৫০০ টাকা মজুরি আদায়ের জন্য সব বাগানের শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।

সমাপনী বক্তব্যে সভাপতি সবুজ তাঁতী কঠোর হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, আজকে আমরা স্বল্প সময়ের জন্য রাজপথে নেমে সড়ক ছেড়ে দিলেও সরকারকে স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছি, পরবর্তী কর্মসূচিতে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আর রাজপথ ছাড়বো না।

এর আগে খাদিম চা-বাগানের লোহার পুল এলাকা থেকে একটি বিশালাকার বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে বাগানের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিল শেষে চা-শ্রমিকরা সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করেন। পরবর্তীতে দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে নির্দিষ্ট সময় পর শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করে নেন।

» যুব জাগরণের ডাক; ১৩ আগস্ট যুব জমিয়তের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল

Published: ২৫. জুলা. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ
আগামী ১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকার কাকরাইলস্থ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যুব জমিয়ত বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সদস্য সম্মেলন ও কাউন্সিল অধিবেশন। ওই দিন সকাল ১০টা থেকে এই ঐতিহাসিক অধিবেশন শুরু হবে।

উক্ত সদস্য সম্মেলন ও কাউন্সিল অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব জননেতা মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি।

নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে সারাদেশে যুব জমিয়তের নেতা-কর্মীদের মাঝে নতুন প্রাণের সঞ্চার করতে এবং দেশব্যাপী একটি শক্তিশালী যুব জাগরণ সৃষ্টি করার লক্ষ্যে এই বৃহৎ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে।

সংগঠনটির কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং সিলেট মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আব্দুল করিম দিলদার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কেন্দ্রীয় সভাপতি হাফিজ মাওলানা তাফহীমুল হকের গতিশীল নেতৃত্বে এবং সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই সম্মেলনকে সফল করতে দেশব্যাপী ব্যাপক সাংগঠনিক কার্যক্রম চলছে। কাউন্সিলকে সামনে রেখে জেলা ভিত্তিক মতবিনিময় সভা, মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিগুলোর নবায়নসহ তৃণমূল পর্যায়ে পুরোদমে কাজ করে যাচ্ছেন দায়িত্বশীলরা।

সদস্য সম্মেলন ও কাউন্সিলকে ঘিরে ইতিমধ্যে দেশজুড়ে যুব জমিয়ত কর্মীদের মধ্যে অভূতপূর্ব উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা এই কাউন্সিলকে সফল করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এবারের কাউন্সিলের মাধ্যমে যুব জমিয়ত বাংলাদেশে এক নতুন যুব জাগরণ ও সাংগঠনিক অধ্যায়ের সূচনা করবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

» সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং সিসিকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে খন্দকার মুক্তাদির

Published: ২৫. জুলা. ২০২৬ | শনিবার

জনগণের ভোগান্তি কমাতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে

নিউজ ডেস্কঃ
বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, এমপি বলেছেন, জনগণের ভোগান্তি কমাতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায় সিলেট শহরের যানজট নিরসনে আম্বরখানা থেকে লাক্কাতুরা পর্যন্ত সড়ক নির্মাণের নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে, যা সিলেটবাসীর জন্য আশীর্বাদস্বরূপ হবে।

তিনি শনিবার (২৫ জুলাই) সিলেট সার্কিট হাউসে সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত যৌথ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

সড়ক নির্মাণকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত হয়ে মন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে প্রধান সড়কগুলোর নির্মাণকাজ এবং চলমান প্রকল্প সমূহ পরিকল্পনা অনুযায়ী দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।

মন্ত্রী বলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের আওতায় ৪২টি ওয়ার্ড রয়েছে। এসব ওয়ার্ডের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে একাধিক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে সিলেট শহর আরও আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল নগরীতে পরিণত হবে। একই সঙ্গে জলাবদ্ধতা নিরসন এবং সড়ক অবকাঠামোসংক্রান্ত প্রধান সমস্যাগুলোরও সমাধান হবে।

তিনি আরও বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে শহরের ছড়াগুলো সংরক্ষণ করতে হবে। পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে এবং বর্ষাকালে বন্যা ও জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত খাল খনন ও রক্ষণাবেক্ষণ জরুরি। পানির উৎস থেকে নদী পর্যন্ত প্রাকৃতিক প্রবাহের সুষ্ঠু পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমেই জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান সম্ভব।

সভায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. নুরের জামান চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সিলেটের সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প সমূহ চলমান রয়েছে। সিলেট থেকে ফেঞ্চুগঞ্জ হয়ে মৌলভীবাজারগামী সড়কটি আরও প্রশস্ত করা হবে। একইভাবে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে লাক্কাতুরা এবং লাক্কাতুরা থেকে টিবি গেট পর্যন্ত একটি বিকল্প সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে।

» ডিএইচএমএস উত্তীর্ণদের মাঝে সনদ বিতরণ

Published: ২৫. জুলা. ২০২৬ | শনিবার

জালালাবাদ হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজকে ডিগ্রি কলেজে উন্নীত করা হবে : মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী

নিউজ ডেস্কঃ
জালালাবাদ হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ডিএইচএমএস (ডিপ্লোমা ইন হোমিওপ্যাথি মেডিসিন অ্যান্ড সার্জারি) কোর্সে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানটিকে ডিপ্লোমা থেকে ব্যাচেলর (ডিগ্রি) পর্যায়ে উন্নীত করার ঘোষণা দেন।

শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল ১১টায় সিলেট মহানগরীর ‘হোটেল নির্ভানা ইন’-এর সম্মেলন কক্ষে এ সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী কলেজের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে নিয়ে প্রতিষ্ঠানের নামে সরকারি ভেস্টেড প্রোপার্টির জমি বরাদ্দের আশ্বাস প্রদান করেন।

তিনি বলেন, প্রথমে জমি বরাদ্দের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরপরই কলেজটিকে ডিপ্লোমা পর্যায় থেকে ব্যাচেলর পর্যায়ে উন্নীত করার প্রয়োজনীয় যাবতীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ঐতিহ্যবাহী কলেজটি দীর্ঘদিন যাবৎ সরকারি জমির ওপরেই পরিচালিত হয়ে আসছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার প্রতি নিজের গভীর আস্থার কথা পুনর্ব্যক্ত করে মন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৯৯ সালে এক সড়ক দুর্ঘটনার পর থেকে আমি নিজেও নিয়মিত হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা গ্রহণ করে আসছি। মূলত কোন ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া না থাকাই এই চিকিৎসা পদ্ধতির বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তার মূল কারণ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সাধারণ) সায়েদা পারভীন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার কার্যকারিতা তুলে ধরে নিজের একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সঠিক সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও গবেষণার সুযোগ তৈরি হলে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় হোমিওপ্যাথি আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

জালালাবাদ হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডা. আবদুল্লাহ আল মুজাহিদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ শামসুল ইসলাম, কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. এমদাদুল হক, ম্যানেজিং কমিটির অন্যতম সদস্য অধ্যাপক ফরিদ আহমদ, ডা. আসমা বেগমসহ কলেজের শিক্ষকমণ্ডলী, শিক্ষার্থীবৃন্দ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণ।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ডিএইচএমএস কোর্সে সফলভাবে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মেধার স্বীকৃতিস্বরূপ আনুষ্ঠানিকভাবে সনদপত্র প্রদান করা হয়।

প্রধান অতিথির এমন যুগান্তকারী ঘোষণার পর কলেজ কর্তৃপক্ষের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিকে দ্রুত পূর্ণাঙ্গ ডিগ্রি কলেজে রূপান্তরের প্রক্রিয়ায় সরকারের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

» জনগণের ভালোবাসা ও বিশ্বাসই আমার পথচলার শক্তি : কয়েস লোদী

Published: ২৫. জুলা. ২০২৬ | শনিবার

২৭নং ওয়ার্ডে সংবর্ধনা প্রদান

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৪ বারের নির্বাচিত কাউন্সিলর, সাবেক প্যানেল মেয়র, মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী নবগঠিত সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হওয়ায় তাঁকে এক সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) সিলেটের ২৭নং ওয়ার্ডের গোটাটিকর এলাকাবাসীর উদ্যোগে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, “জনগণের ভালোবাসা ও বিশ্বাসই আমার রাজনীতি ও পথচলার প্রধান শক্তি।” তিনি সিলেটের সর্বাঙ্গীন উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা নিশ্চিতকরণে সর্বাত্মক ভূমিকা রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

গোটাটিকর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের মুতাওয়াল্লী হাজী তুরণ মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে পরিচালনা করেন, মনজুর আহমদ চৌধুরী ও লিমন আহমদ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন, আরিজ আহমদ।

সভায় এলাকাবাসীর পক্ষে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ২৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মহানগর বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক মুর্শেদ আহমদ মুকুল।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, গোটাটিকর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সহ-সাধারণ সম্পাদক চুনু চৌধুরী, ক্যাশিয়ার জাবু আহমদ, মহানগর বিএনপির উপদেষ্টা লুৎফুর রহমান, ২৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নাজিম উদ্দিন, কাউন্সিলর পদপ্রার্থী বাবর আহমদ, শ্রমিক নেতা ইউনুস আহমদ, আব্দুল মুকিত ভুলু, মইন উদ্দিন, মুজিবুর রহমান মুকুল, মুজিব আহমদ, নুরউদ্দিন কন্টাই, ছদরুল মিয়া, সেলিম আহমদ, মাসুক মিয়া, আব্দুল কাদির, সোহেল আহমদ, জয়নাল আহমদ, শঙ্কু আচার্য, কালিদাস আচার্য, বাচ্চু আচার্য, আব্দুল হাসিব, উজ্জল রঞ্জন চন্দ, শাহরিয়ার মুর্শেদ খান শাকিল, খছরুজাম্মান খছরু, রাসেল চৌধুরী, জাবেদ আহমদ, কবির আহমদ, গুলজার আহমদ, শাহিন আহমদ, জুয়েল আহমদ, ছায়েম আহমদ, ফখরুল ইসলাম, রফিকুজাম্মান রফিক, শফি আহমদ, সৌরভ আহমদ, আফজল খান, আবেদ আহমদ, ওবায়দুর রহমান মাহিন, জুবের আহমদ, নাহিদ চৌধুরী, নাদির আহমদ, সাজু আহমদ, ফয়েজ আহমদ, জাকির আহমদ, শাকিল আহমদসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সর্বস্তরের জনগণ।

» বাণিজ্য মন্ত্রীকে সিলেট জেলা কর আইনজীবী সমিতির স্মারকলিপি প্রদান

Published: ২৫. জুলা. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ
২০২৬-২০২৭ করবর্ষে ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের স্বার্থে পাশ হওয়া অর্থ আইন-২০২৬ সংশোধনের দাবি ও আইনটি সাধারণ করদাতাদের আর্থিক সামর্থ্যের বাইরে ব্যয়বহুল উল্লেখ করে বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের কাছে সিলেট জেলা কর আইনজীবী সমিতি একটি স্মারকলিপি পেশ করেছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে সিলেট সার্কিট হাউজে সিলেট জেলা কর আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সমর বিজয় সী শেখর ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আজিজুর রহমানের নেতৃত্বে এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, সিলেট জেলা কর আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা প্রমুখ।

স্মারকলিপিতে জাতীয় স্বার্থ, সর্বসাধারণের জীবনযাত্রার ব্যয় এবং ব্যবসার সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ৬টি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।

স্মারকলিপিতে উপস্থাপিত দাবিগুলো হলো সব ধরনের ব্যবসা ও পেশায় ১% টার্নওভার ট্যাক্স রহিত করে পূর্বের ন্যায় ৪ কোটি টাকার অধিক টার্নওভার হলে টার্নওভার ট্যাক্স ধার্য করা।

সঞ্চয়পত্রে উৎস পরিশোধিত করকে চূড়ান্ত করদায় হিসেবে বিবেচনা করা। সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে ১৫% কর রহিত করে পূর্বের চূড়ান্ত করদায় বহাল করা। আপীল পর্যায়ে ১% কর পরিশোধের নিয়মটি বাতিল করা।

অংশীদার প্রতিষ্টানের আয়ের উপর লিমিটেড কোম্পানীর হারে কর আরোপ বাতিল ঘোষণা করে পূর্বের ন্যায় ব্যক্তি  শ্রেণীর কর হার বহাল রাখা।

ই-রিটার্ন ওয়েবসাইট ১ জুলাই থেকে কার্যকর না হওয়ায় রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা ১ জুলাই হতে ৩১ শে অক্টোবর পর্যন্ত প্রণোদনাসহ বর্ধিত করে পর্যায়ক্রমে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত রিটার্ন দাখিলের বিদ্যমান সময়সূচি পূণরায় বিবেচনা করা।

স্মারকলিপিতে আরো উল্লেখ করা হয়, জাতীয় সংসদে আইনটি পাশের পর ই-রিটার্ন ওয়েবসাইটে রিটার্ন দাখিল করতে গিয়ে সাধারণ করদাতারা নানা জটিলতা ও আর্থিক চাপে পড়ছেন।

তাই ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের বৃহত্তর স্বার্থে উল্লিখিত সংশোধনগুলো এনে দ্রুত পুনরায় গেজেট প্রকাশের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।

স্মারকলিপিতে উল্লেখিত দাবি সমূহের ব্যাপারে মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে সমস্যাগুলো সমাধানের আশ্বাস দেন।

» এনজেএল হাসপাতালের উদ্যোগে ওয়ার্ল্ড হেড-নেক ক্যান্সার ডে পালিত

Published: ২৫. জুলা. ২০২৬ | শনিবার

ক্যান্সার প্রতিরোধে সচেতনতাই পারে জীবন রক্ষা করতে : ভিসি ড. মো. নিজাম উদ্দিন

নিউজ ডেস্কঃ
সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মো. নিজাম উদ্দিন বলেছেন, ক্যান্সার প্রতিরোধে সচেতনতাই পারে জীবন রক্ষা করতে।

হেড-নেক ক্যান্সার প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা সম্ভব হলে সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে রোগীদের পুরোপুরি সুস্থ করে তোলা সম্ভব।

তিনি বলেন, প্রাথমিক লক্ষণ দেখা মাত্রই অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এ বিষয়ে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মাঝে ব্যাপক সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, রোগ-শোক নিয়েই মানুষের জীবন, তবে চেষ্টা থাকতে হবে রোগ প্রতিরোধের। শব্দদূষণ রোধ করা এবং তামাক ও সুপারি বর্জন করা অত্যন্ত জরুরি।

মরার আগে যেন আমরা খসে না পড়ি, বরং নিয়ন্ত্রিত ও সচেতন জীবনের মাধ্যমে সুস্থ থাকি এই মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে।

অনুষ্ঠানে চিকিৎসাসেবার মান ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রসারে এনজেএল হাসপাতালের উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বলেন, এনজেএল হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা যাচ্ছে, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

রোগীদের সঙ্গে সবসময় ভালো ব্যবহার করা এবং তাদের পাশে দাঁড়ানো চিকিৎসাসেবার অন্যতম বড় অংশ।

শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে নগরীর দরগা গেইটস্থ কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের শহীদ সোলেমান হলে এনজেএল হাসপাতালের আয়োজনে ওয়ার্ল্ড হেড-নেক ক্যান্সার ডে উপলক্ষে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

কথা বলুন, শুরুতেই পরীক্ষা করান, জীবন বাঁচান এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এনজেএল হাসপাতাল এই বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করে।

এনজেএল হাসপাতাল ও ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ডা. নূরুল হুদা নাঈমের সভাপতিত্বে ও জান্নাতুল নাজনীন আশার পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, লিডিং ইউনিভার্সিটির ভিসি প্রফেসর ড. তাজউদ্দিন, সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ভিসি প্রফেসর ড. জহিরুল হক, কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সাধারণ সম্পাদক সেলিম আউয়াল।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের এডিশনাল পিপি ও এনজেএল গর্বিত মা-বাবা সম্মাননা কমিটির সদস্য সচিব এডভোকেট আব্দুল মুকিত অপি। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, ফাউন্ডেশনের সদস্য সচিব এডভোকেট রেজাউল করিম তালুকদার।

বক্তব্য রাখেন, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. সর্দার বনিউল আহমেদ, সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সমরেন্দ্র বিশ্বাস সমর, নির্ঝর একাডেমীর সিইও সিরাজুল মুনিম নির্ঝর, এনেস্থিসিয়া বিশেষজ্ঞ ডা. এইচ আহমদ রুবেল।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন, সিতাব আহমদ।

অনুষ্ঠানে হেড-নেক ক্যান্সারের কারণ, লক্ষণ, প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিষয়ে মূল সায়েন্টিফ প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন দেশবরেণ্য চিকিৎসা বিজ্ঞানী ও গবেষক বিশিষ্ট হেড-নেক ক্যান্সার সার্জন ডা. নূরুল হুদা নাঈম।

আলোচনার পূর্বে ওয়ার্ল্ড হেড-নেক ক্যান্সার ডে উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামন থেকে একটির্ র্যালি বের করা হয়।

রেলীটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদে গিয়ে শেষ হয়।-বিজ্ঞপ্তি

» এবার গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের স্বাস্থ্যে চোখ এমপি এমরান আহমদ চৌধুরীর

Published: ২৫. জুলা. ২০২৬ | শনিবার

গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী এবার গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলায় জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নজর দিয়েছেন।

শনিবার (২৫ জুলাই) গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মানোন্নয়ন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নকল্পে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, এমরান আহমদ চৌধুরী।

শনিবার(২৫ জুলাই) দুপুর ১২টায় কমপ্লেক্স হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্মা ডা. সুদর্শন সেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী এমপি বলেন,  সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে খুবই আন্তরিকভাবে কাজ করছে সরকার।

এবারের বাজেটে শিক্ষার পর সবচেয়ে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্য খাতে।

আমিও নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের সর্বস্তরের মানুষের স্বাস্থসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করবো। সবার সহযোগিতায় ধাপে ধাপে আমরা তা করবো ইনশা আল্লাহ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিভাগীয় পরিচালক (সাস্থ) ডা. মাহবুবুল আলম।

তিনি বলেন, এ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডিজিটাল এক্সরে মেশিনের ব্যবস্থা করা হবে।

সিলেট জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. নাসির উদ্দিন বিশেষ অতিথির বক্তব্যে গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সমস্যাগুলো সমাধানে আমরা আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছি।

আরও বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন এবং উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী শাহিন ও ছালিক চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি নোমান উদ্দিন মুরাদ, পৌর বিএনপির সভাপতি মুশিকুর রহমান মুহি, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর হেলালুজ্জামান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান উজ্জ্বল, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, জেলা বিএনপি নেতা মিনহাজ চৌধুরী, ঢাকা দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম ও সাবেক কাউন্সিলর জামিল আহমদ প্রমুখ।

মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন এলাকার জনপ্রতিনিধি এবং ব্যক্তিরা তাদের মতামত ও অভিযোগ তুলে ধরে বলেন।

শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. হিমেল পাল।

সভায় হাসপাতাল-সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

এ অনুষ্ঠানের পর শনিবার বিকেলে এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক লেভেল-২ এর সেমিস্টার-১ এর নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাখেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

এদিকে, অ্যাডভোকেট এমপি এমরান আহমদ চৌধুরীর পরামর্শে গোলাপগঞ্জের মতো বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মানোন্নয়ন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নকল্পেও শীঘ্রই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে।

» সিলেটের নারী আন্দোলনের পথিকৃৎ সাজেদা বেগমের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

Published: ২৫. জুলা. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ
গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতি সিলেট জেলা শাখার সংগঠক এবং বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা শাখার সভাপতি প্রয়াত সুরুজ আলীর সহধর্মিনী সাজেদা বেগম-এর ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত।

শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেল ৫টায় উঁনার বাস ভবনে সংগঠনের জেলা আহবায়ক মিনারা বেগমের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ন-আহবায়ক তানিয়া আজাদ’র পরিচালনায় আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সিলেট জেলা কমিটির সহ-সভাপতি অধ্যাপক আবুল ফজল।

এ ছাড়াও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতি সিলেট জেলা যুগ্ম আহবায়ক পারভীনা আক্তার, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলার যুগ্ন সম্পাদক রমজান আলী পটু, জাতীয় ছাত্রদল সিলেট জেলা আহবায়ক শুভ আজাদ শান্ত, সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. ছাদেক মিয়া, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট শাহপরান থানা কমিটির সভাপতি খোকন আহমদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, মীরের চক শ্রমজীবী সংঘের অন্যতম নেতা মোঃ দুলাল মিয়া।

সভার শুরুতে প্রয়াতের স্মরণে দাঁড়িয়ে ১ (এক) মিনিট শোক নিরবতা পালন করা হয়।

নেতৃবৃন্দ বলেন সাজেদা বেগম এদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের একজন সহযোদ্ধা ছিলেন।

সংগঠনের সকল নেতা-কর্মীর প্রতি তাঁর ছিল গভীর মমত্ববোধ।

সাজেদা বেগম স্বপরিবারে শোষণমুক্তির সংগঠন-সংগ্রামে আতœনিয়োগ করেছিলেন।

নয়াউপনিবেশিক আধা-সামন্ততান্ত্রিক বাংলাদেশে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে শ্রমিক-কৃষক-জণগন সাম্রাজ্যবাদ, সামন্তবাদ, আমলা দালাল পুঁজির শোষণ-লুন্ঠন এবং স্বৈরাচারী শাসনে জর্জরিত।

একই সাথে সমাজের নারীরা এই তিন শোষণ ছাড়াও পুরুষ শাসিত সমাজে নারীর সমঅধিকার ও সমমর্যাদা থেকে বঞ্চিত। নারীরা সমাজের নানা ক্ষেত্রে শোষিত বঞ্চিত।

সাম্রাজ্যবাদ ও তার দালালদের সৃষ্ট চলমান সমস্যা-সংকট ক্রমাগত তীব্রতর হয়ে যে ভয়াবহ পরিস্থিতির সামনে আসছে তা মোকাবেলায় শ্রমিক শ্রেণির নেতৃত্বে শ্রমিক-কৃষকের মৈত্রীর ভিত্তিতে জাতীয় গণতান্ত্রিক বিপ্লবের লক্ষ্যে আপোসহীন ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তোলার বিকল্প নেই। সাজেদা বেগম সে লক্ষ্যেই আজীবন কাজ করে গেছেন।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন বিগত সকল সরকারের ন্যায় বর্তমান বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক-সামাজিক তথা সামগ্রিক সংকট দূর করার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে সংকট যেখানে ছিল সেই তিমিরেই রয়ে যায়।

নারী নির্যাতন, নারী ও শিশু ধর্ষণ, নারী পাচার, খুন, সাইবার বুলিং, ইভটিজিং ইত্যাদি ঘটনা না কমে বরঞ্চ বেড়েই চলছে।

অন্যদিকে সাম্রাজ্যবাদ ও তার দালাল শাসক-শোষক গোষ্ঠী এবং এনজিও’রা নারী ও পুরুষের মধ্যকার বিভক্তি বৃদ্ধি করে জনগণের ঐক্যকে ক্ষতিগ্রস্থ করছে এবং সাম্প্রদায়িকতা ও উগ্রবাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের ফাঁদে ফেলে জনগণকে বিভ্রান্ত ও বিভক্ত করে চলছে।

এর বিরুদ্ধে শ্রমিক শ্রেণির নেতৃত্বে শ্রমিক কৃষকের মৈত্রীর ভিত্তিতে জাতীয় গণতান্ত্রিক বিপ্লব সম্পন্ন করে  সমাজতন্ত্রের লক্ষ্যে অগ্রসর হতে হবে।

» সিলেটে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে জনতার ঢল

Published: ২৫. জুলা. ২০২৬ | শনিবার

প্রস্তুত থাকুন, ঢাকা থেকে ডাক আসলে দাবি আদায়ে সবাইকে অংশ নিতে হবে : ডা. শফিকুর রহমান এমপি

নিউজ ডেস্কঃ
বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেছেন, হাসিনা তাড়িয়েছি, ফ্যাসিবাদ কায়েম করলে আপনাদেরও জনগন তাড়াবে।
জনগন আপনাদের ছেড়ে কথা বলবে না। জনগন পরিবর্তনের জন্য, সংস্কারের জন্য গণভোটে রায় দিয়েছে। ৭০ ভাগ মানুষ হ্যাঁ ভোট দিয়েছে।

গণভোটের রায়কে আমরা অপমান করতে দেবো না। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করেই আমাদের আন্দোলন সফলতার দ্বারপ্রাপ্তে পৌঁছবে। বাংলাদেশে আমরা আর কোন ফ্যাসিবাদ চাই না।

জামায়াত আমীর বলেন, আমরা দুঃখের সাথে বলতে বাধ্য হচ্ছি, তারাও মজলুম ছিলেন, আজ যারা সরকারে আছেন। তারা আজ ফ্যাসিবাদের পথ ধরে হাঁটা শুরু করেছেন।

সমাজের সবক্ষেত্রে তারা বেপরোয়া নির্লজ্জ দলীয়করণ করে দুর্নীতিকে জাতীয়করণ করতে চাচ্ছেন। আমরা মানবো না। আমরা কিছুতেই মানবো না। ভালোয় ভালোয় দাবি মেনে নিন। এদেশের মানুষ জীবন দিয়ে, পঙ্গুত্ব বরণ করে, গুলি খেয়ে শিখে নিয়েছে মুক্তির পথে কীভাবে হাঁটতে হয়।

আমরা আমাদের শহীদদের সাথে বেঈমানি করবো না। জুলাইযোদ্ধাদের সাথে বেঈমানি করবো না। ১৮ কোটি মানুষের সাথে বেঈমানি করবো না। সবাই প্রস্তুত থাকুন। ঢাকা থেকে ডাক আসবে। দাবি আদায়ে সবাই তাতে অংশ নিতে হবে।

তিনি শনিবার (২৫ জুলাই) সিলেট সরকারী আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে ১১ দলীয় ঐক্য সিলেট জেলা ও মহানগর আয়োজিত সিলেট বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের বিচারের দাবিতে সিলেটে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ বেলা দুপুর ২টায় শুরু হয়।
সমাবেশে বিভাগের চার জেলা ও বিভিন্ন উপজেলা থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
দেশব্যাপী ধারাবাহিক বিভাগীয় সমাবেশ কর্মসূচির সমাপনী আয়োজন হিসেবে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই নেতাকর্মীদের ঢল নামে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে।

বাস, মাইক্রোবাস সহ বিভিন্ন যানবাহনে করে জনতা সমাবেশস্থলে উপস্থিত হন। নির্ধারিত সময়ের আগেই সমাবেশস্থল জনসমুদ্রে পরিণত হয়। প্রখর রৌদ্র উপেক্ষা করে নেতাকর্মীদের সমাবেশস্থলে উপস্থিত হতে দেখা গেছে।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, সাবেক মন্ত্রী ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম।

সিলেটের বিভিন্ন দাবি-দাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, প্রবাসী অধ্যুষিত এই অঞ্চলের বহু ন্যায্য দাবি বছরের পর বছর ধরে ঝুলে আছে। সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরকে এখনও পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর করা হয়নি। এটি দ্রুত পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানন্দরে রূপান্তর করুন।

সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের কাজ দ্রুত সম্পন্ন, সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর, সিলেট মেডকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরুর দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা ১১ দলীয় ঐক্য যদি ক্ষমতায় যেতে পারি তাহলে এসব দাবি পূরণ করা হবে।

সিলেট মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারী শাহজাহান আলী ও জেলা সেক্রেটারী জয়নাল আবেদীনের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন, ক্বারী হেলাল আহমদ।

সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর শাইখুল হাদীস আল্লামা মামুনুল হক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল মাজেদ আতহারী, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)-এর মহাসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)-এর সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এ.কে.এম. আনোয়ারুল ইসলাম চান।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর মাওলানা রেজাউল করিম জালালী, জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন, জামায়াতের নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা জেলা উত্তরের আমীর মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, সিলেট জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়েজ আহমদ, জাগপার কেন্দ্রীয় সহকারী মহাসচিব জিয়াউর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির সিলেট জেলা সভাপতি জুনেদ আহমদ, জামায়াতের সিলেট অঞ্চল টীম সদস্য হাফিজ আব্দুল হাই হারুন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস-বিকেএম সিলেট মহানগর সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলম, নেজামে ইসলাম পার্টির জেলা সভাপতি মাওলানা মুজাম্মিল হক তালুকদার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস-বিকেএম সিলেট জেলা সভাপতি হাফিজ মাওলানা ইকবাল হুছাইন, লেবারপার্টির সিলেট মহানগর সভাপতি মাহবুবুর রহমান খালেদ ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সিলেট মহানগর সভাপতি শহীদুল ইসলাম সাজু প্রমূখ। উপস্থিত ছিলেন, মৌলভীবাজার জেলা জামায়াতের আমীর ইঞ্জিনিয়ার শাহেদ আলী, হবিগঞ্জ জেলা আমীর মাওলানা মখলিছুর রহমান, মহানগর নায়েবে আমীর ড. নুরুল ইসলাম বাবুল, সিলেট জেলা নায়েবে আমীর অধ্যাপক আব্দুল হান্নান ও হাফিজ আনওয়ার হোসাইন খান, এনসিপির সিলেট মহানগর আহ্বায়ক এডভোকেট আব্দুর রহমান আফজল ও সদস্য সচিব কামরুল আরিফ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস-বিকেএম সিলেট মহানগর সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল গাফফার ও জেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফখরুল ইসলাম, এলডিপির মহানগর সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন লিটন, জেলা সভাপতি মাওলানা নুরুল আমীন নিয়াজী, এবি পার্টির মহানগর আহ্বায়ক ওমর ফারুক, জাপগার মহানগর সভাপতি শাহজাহান আহমদ লিটন ও বাংলাদেশ ডেভোলাপমেন্ট পার্টির মহানগর আহ্বায়ক কবির আহমদ প্রমূখ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি বলেন, তীব্র আন্দোলনের মুখে ভারতে শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন।

সেখানে সরকার ছাত্রদের, তরুণদের এবং জনগণকে ভয় পাওয়া শুরু করছে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আমাদের দেশের সরকার ঠিক উল্টো পথে হাঁটছে।
যেই দেশে জুলাই বিপ্লবের ফলে সরকার পতন হয়েছিল এবং নির্বাচনের পরবর্তীতে যে এই সরকার এসেছে, আমরা আশা করেছিলাম এই নতুন সরকার জনগণের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবে, ছাত্র-তরুণদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবে। কিন্তু আমরা দেখলাম তারা ক্ষমতায় এসেই  যে জনগণের রায়কে অবজ্ঞা করা শুরু করেছে।
তিনি বলেন, দেশের ৭০ শতাংশ জনগণ গণভোটে যে গণরায় দিয়েছে সংস্কারের পক্ষে, জুলাই সনদের পক্ষে, সেই রায়কে তারা অবজ্ঞা করছে। যেখানে ভারতের সরকার তার ছাত্র-তরুণদের আন্দোলনের মুখে পরাজিত হয়েছে, মাথা নত করতে বাধ্য হচ্ছে।
আমরা দেখলাম বিএনপি নিজের দলের ভিতর কোন সংস্কার আনলো না এবং রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য যে অন্যতম ঐক্যমত্য, সেই ঐক্যমত্যও মেনে নিল না। যদি তারা এই পথে হাঁটে, জুলাই বিপ্লবকে ভুলে যায়, ছাত্র-তরুণদের আন্দোলনকে ভুলে যায়, তাহলে তার পরিণতি বিএনপি এবং তারেক রহমানের সরকারকেই ভোগ করতে হবে। বিএনপি সংস্কার বনাম সংশোধন বিতর্ক নতুন করে শুরু করেছ। আমরা মনে করি এই বিতর্কের কোনো প্রয়োজন ছিল না। আমরা ঐক্যমত্যের মাধ্যমেই এই বিতর্কের অবসান করেছিলাম।
সেই সময় বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদ এবং গণভোটে রাজি হলেও নির্বাচিত হওয়ার পরে তারা সংস্কার কি সেটা ভুলে গিয়েছে। তাদের ৩১ দফাতে সংবিধান সংস্কার কমিশনের কথা উল্লেখ থাকলেও, নির্বাচিত হওয়ার পরেও সংস্কার কি তারা ভুলে গিয়েছে।

তারা এখন শুধু সংশোধন চিনে, আর কিছু চিনে না। বিএনপি সমর্থিত কিছু দালাল বুদ্ধিজীবী, তারাও প্রচার করছে দেশে সংশোধন প্রয়োজন, সংস্কার প্রয়োজন নেই। কিন্তু দেশের মানুষ সংস্কারের জন্যই জীবন দিয়েছে। ইভেন এই বিএনপি গত ১৬ বছর ধরে সংস্কারের মূলা ঝুলিয়ে, ৩১ দফার মূলা ঝুলিয়ে জনগণের সাথে প্রতারণা করেছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর আল্লামা মামুনুল হক বলেন, আমাদের এই ঐক্য শুধুমাত্র ক্ষমতার ভাগ বাঁটোয়ারার জন্য হয়নি। শুধুমাত্র ১১টি রাজনৈতিক দলের ভাগ্য গড়ার জন্য আমরা ঐক্য করি নাই। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আন্দোলন থেকে আমাদের এই ঐক্যের যাত্রা শুরু হয়েছে।

সুতরাং আমি সেকথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলতে চাই, আমাদের ঐক্যের যাত্রা শুরু হয়েছিল জুলাই বিপ্লবের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে। সুতরাং যতদিন পর্যন্ত জুলাই বিপ্লবের লক্ষ্য অর্জিত না হবে, ততদিন পর্যন্ত আমরা ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন চালিয়ে যাব,ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, আমরা জুলাই বিপ্লব যারা করেছি। তারা দীর্ঘ ১৭ বছর পর্যন্ত ফ্যাসিবাদের নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছি, আমাদের নেতা-কর্মীরা গুম-খুন-হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে। মনে রেখো আমরা শহীদের স্বপ্ন, যুদ্ধাহত জুলাই যোদ্ধাদের স্বপ্ন পূরণ ছাড়া রাজপথ থেকে বিচ্যুত হতে পারবো না।
বর্তমান সরকারকে বলতে চাই, আপনারাও ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে আমাদের সহযোদ্ধা ছিলেন। বরং আমি আরও একধাপ এগিয়ে বলতে চাই, ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের সবচেয়ে বড় অংশীদার ছিলেন আপনারা।
তাই আমরা আপনাদের কল্যাণকামী। আমরা দীর্ঘ এই বিজয়যাত্রায় আপনাদেরকে বন্ধু মনে করি। আর বন্ধু মনে করে আমরা যেমন দেশের কল্যাণ চাই, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার বিএনপিরও কল্যাণ চাই। আর কল্যাণ চাই বলেই আমরা বারবার বলছি, যেই জুলাই বিপ্লবের উপর ভিত্তি করে ক্ষমতার মসনদে বসেছেন, সেই জুলাই বিপ্লবের সাথে যদি গাদ্দারি করেন, ক্ষমতার মসনদে থাকবার কোনো অধিকার আপনাদের থাকবে না।
তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লবের সঙ্গে গাদ্দারি করবেন না। দোহাই লাগে, আপনাদের প্রথমে পায়ে ধরে বলবো, তারপরে হাতে ধরে বলবো, যদি পায়ে ধরে, হাতে ধরে বললে কথা না শোনেন, ঘাড় ধরতে আমাদের এতটুকু হাত কাঁপবে না।
সরকারকে আমরা বলতে চাই, দেখেন- আমাদের বক্তব্য পরিষ্কার। ৫০% জনগণের ভোটের ম্যান্ডেট নিয়ে যেভাবেই হোক, যে পথেই হোক, আপনারা সরকার গঠন করেছেন।
৫০% জনগণের সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদানের মর্যাদা এবং সম্মান রয়েছে। অথচ গণভোটে প্রায় ৭০% মানুষ যে হ্যাঁ ভোটে ভোট প্রদান করলেন, সেই ৭০% মানুষের ভোটাধিকার নিয়ে আপনারা ছিনিমিনি খেলতে চান কেন। বিশ্বাসঘাতকতার এই ধারা অব্যাহত রাখলে আপনাদের পরিণাম পশ্চিম পাকিস্তানি সৈন্যগোষ্ঠী এবং শেখ হাসিনার চেয়ে ভিন্ন কিছু হওয়ার কথা নয়। আপনারা গণভোটের রায়কে কার্যকর করেন। ভালো হবে আপনাদের।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের অন্যতম সমন্বয়ক সাবেক এমপি ড. হামিদুর রহমান আযাদ বলেন বলেন, সরকারের মাত্র ৫ মাস হয়েছে।
এসময়ে আন্দোলন হওয়ার কথা না। কিন্তু, কেন আমাদের ধাপে ধাপে আন্দোলনে নামতে হচ্ছে। নির্বাচনের প্রথম প্রহরে আবার ভোটের অধিকারকে হত্যা করা হয়েছে। জাতীয় সংসদকে আমরা সকল সমস্যার সমাধানের কেন্দ্রবিন্দু বানাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু, তারা তা হতে দিচ্ছে না।
বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমীর মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী বলেন বলেন, গৌড় গোবিন্দ যেরকম সিলেট থেকে পালিয়েছে, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করলে সেরকম এ সরকারকেও পালাতে হবে। জুলাই সংস্কারকে সামনে রেখে সংবিধান বাস্তবায়ন করতে হবে।
বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, আমরা দেশের যেখানেই গিয়েছি, সেখানকার বাসিন্দারা গণভোটের গণরায়ের বাস্তবায়ন চায়। আমাদের মনে হচ্ছে আমাদের বক্তব্য প্রধানমন্ত্রী বুঝেন না, বিএনপি আজকে সংস্কার বুঝে না।
সোজা আঙুলে যদি ঘি না উঠে, তাহলে আঙুল বাঁকা করতে হবে।
এই ১৭ বছরে বিএনপির যারা নির্যাতনের শিকার হয়েছে,  তারা ভাবছে যদি ১১ দলের বিপক্ষে ৩ মাস কথা বললে আমরাও সুযোগ পেতাম। সিলেটের এক আলেম তাকে আলেম না জালেম বলবো, বুঝতেছি না।
আপনি একজন আলেম মানুষ, আপনিতে একজন হিন্দুরও লুঙ্গি খুলতে পারেন না। অথচ জামায়াতের লুঙ্গি খুলতে চান। দেশের জনগণ ১১ দলকে ভোট দিয়েছিল, কিন্তু চক্রান্ত করে তারা কিনে নিয়েছে। ইঞ্জিনিয়ারিং করে মাওলানা মামুনুল হক ও হামিদুর রহমান আযাদকে পরাজিত করা হয়েছে। গণভোটের গণরায় নিয়ে গড়িমসি করলে আমরা বসে থাকবো না।
আমার বাংলাদেশ পার্টি-এবি পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, আমরা দেখেছি ২ বার আওয়ামীলীগকে পুনর্বাসনের মাধ্যমে এই জাতিকে খেসারত দিতে হয়েছে।
আপনারা আর সাহস করবেন না। আওয়ামীলীগ সিলেটে ফিরবে না, ঢাকায় ফিরবে না। আমরা সরকারি দলকে পরিষ্কার করে বলছি, যদি আওয়ামীলীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করেন, তাহলে আবার ১৭ বছরের জন্য রোজা রাখার প্রস্তুতি নেন। আবার রোজা রাখতে হবে।
গত দেড় বছর আপনারা নির্বাচন নিয়ে যতটা উদগ্রীব ছিলেন, বিচারের ক্ষেত্রে একেবারে উদাসীন। যে দল জাতির ওয়াদা রক্ষা করতে পারে না, তারা কিভাবে এ জাতিকে এগিয়ে নিবে। আপনি তো আপনাকে বিশ্বাস করেন না, দলকে বিশ্বাস করেন না, জাতি কিভাবে আপনাকে বিশ্বাস করবে।
জাগপার কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, সড়কপথে সিলেট আসার পথে ভালো নেই আমি। আবার ঢাকা যেতেও ভয় লাগছে।
ম্যানেজ ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার পর ৫টা মাস চলে গেল, অবহেলিত সিলেট অবহেলিত রয়ে গেল। যারা ৫ মাসে পারে নি, তারা ৫ বছরেও পারবে না।
বাংলাদেশের ১৭টি জেলা দিয়ে উগ্রবাদী মোদি পুশইন করছে। কে নাকি ঘোষণা দিয়েছে ডিসেম্বরে বাংলাদেশে আসবে। সে আসলে তাকে বাঁধা দিয়েন না, আসতে দিন। এই সরকার বিচার করতে না পারলেও আমরা করবো। ভারতেও আন্দোলন শুরু হয়েছে।
ডিসেম্বরে তিনি একা ফিরবেন নাকি মোদিকেও নিয়ে ফিরবেন- জাতি আশঙ্কা করছে। ইলিয়াস আলীর মতো মানুষকে আর ভারতের কবলে গুম হতে দেখতে চাই না। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে এক দফার সরকার পতন হবে। জুলাই না থাকলে ওই সরকারও থাকবে না। বিজয়ের পদযাত্রা শুরু করতে হবে।
বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চান বলেন, বিএনপির গোলামীর ফলে এ জাতিকে ১৫ বছর স্বৈরাচারের কবলে পড়তে হয়েছে।
এখন তারা জনগণের ম্যান্ডেট মানতে রাজি না। তারা জনগণের গণরায়কে অবহেলা করছে। আমরা বলবো এই গণরায় মেনে নিন। নাহলে ভালো হবে না।
সভাপতির বক্তব্যে সাবেক মন্ত্রী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেন, সরকারের উদ্দেশ্যে আমি কিছু কথা বলতে চাই। তিনিও চান, আমরাও চাই- একটা সুন্দর বাংলাদেশ। এটা তখনই সম্ভব যখন দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হবে, যখন দুর্নীতি বন্ধ হবে, সন্ত্রাস বন্ধ হবে, চাঁদাবাজ বন্ধ হবে।
এই জিনিসগুলি কিন্তু নিত্যদিনের ঘটনা। প্রধানমন্ত্রীকে বলবো, আপনি যখন বিভিন্ন পদে কাকে পদায়ন করেন, তার ২০ বছর আগের ইতিহাস ঘেটে দেখবেন।
কিভাবে সে দুর্নীতি করেছে, সে কোন কোন দায়িত্ব পালন করেছে, সে দায়িত্ব পালনের সময় জনগণের সাথে কিভাবে বেইমানি করেছে। এই জিনিসগুলি যদি আপনি সুন্দরভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে না দেখেন, তাহলে আপনি বিএনপির প্রধানমন্ত্রী হবেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না।
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনাকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হতে হবে। আপনি বেগম জিয়ার সন্তান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সন্তান। জিয়াউর রহমান কি জন্য বিখ্যাত হয়েছিলেন?
‘আই, লেফটেন্যান্ট জেনারেল জিয়া, ডিক্লেয়ার মাইসেলফ অ্যাজ দ্য প্রোভিশনাল হেড অফ দ্য স্টেট।’ তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করে জাতির দুর্যোগ দিনে জনগণকে দিক নির্দেশনা দিয়ে মানুষের মধ্যে বিখ্যাত হয়েছিলেন।
বেগম খালেদা জিয়া সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে জনগণের মধ্যে ভালোবাসার স্থান লাভ করেছেন। আপনি দালালদের কথা না শুনে, চাটুকারদের কথা না শুনে, নিজের বিবেক দিয়ে যে সংস্কারের কথাগুলি জনগণ বলছে, এই সংস্কারগুলি করেন।
তিনি আরও বলেন, আপনি একটা জিনিস বুঝতে পারছেন না-জামায়াতের রাজনীতিকে ১৯৭৫ সালের পর থেকে আমি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছি। আজকে তাদের যে শৃঙ্খলা, তাদের দলের মধ্যে যে রকম ঐক্য, সশস্ত্র বাহিনীতেও এরকম নাই।
আজকে যদি তিনজন নেতা একসাথে হয়ে যায় শফিকুর রহমান সাহেবের নেতৃত্বে- আমাদের ছোট ভাই নাহিদ এবং মামুনুল হক সাহেব-তিনজন যদি একসাথে হয়ে যায়, এক সপ্তাহের মধ্যে আপনার সরকারের পতন হবে এটা অনিবার্য। এটা মনে রাখবেন।
কারণ, তারা যেকোন সময় ২০ লক্ষ, ৩০ লক্ষ লোকের সমাবেশ ঢাকায় ঘটাতে পারবে। টঙ্গীর রাস্তা বন্ধ করে দেবে, সায়দাবাদের রাস্তা বন্ধ করে দেবে, মিরপুরের রাস্তা বন্ধ করে দেবে।
আপনি কোন দিকে দেশে থাকবেন? আপনাকে এটা বুঝতে হবে।
আপনি অন্যদের দ্বারা প্ররোচিত হবেন না। দেশের মানুষের কথা চিন্তা করেন, দেশের জনগণের কথা চিন্তা করেন।

» সিলেটে বাশিস মহানগরের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

Published: ২৫. জুলা. ২০২৬ | শনিবার

সরকার শিক্ষা ব্যবস্থার যুগোপযোগী উন্নয়ন ও শিক্ষকদের মানোন্নয়নে কাজ করছে : বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির

নিউজ ডেস্কঃ
শিক্ষকতা অত্যন্ত সম্মানিত ও মর্যাদাপূর্ণ পেশা মন্তব্য করে বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি বলেছেন, একটি শিক্ষিত, আদর্শ ও সুশৃঙ্খল জাতি গঠনে শিক্ষকরাই মূল কারিগর হিসেবে কাজ করেন।

শিক্ষকরা শুধু শ্রেণিকক্ষে পাঠদানই করেন না, বরং শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যেবোধে বলীয়ান করে গড়ে তোলেন।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষা ব্যবস্থার যুগোপযোগী উন্নয়ন এবং শিক্ষকদের সামাজিক ও বস্তুগত মানোন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে আমাদের শিক্ষক সমাজকে আরও দক্ষ ও আধুনিক শিক্ষাদান পদ্ধতিতে অভ্যস্ত হতে হবে।

গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে শিক্ষক সমিতি ও সরকারের যৌথ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে তিনি উপস্থিত শিক্ষকবৃন্দ এবং নতুন নেতৃত্বকে অগ্রিম শুভেচ্ছা জানান।

শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে নগরীর দি এইডেড হাই স্কুলের হলরুমে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বাশিস) সিলেট মহানগর শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক মুহাম্মদ জামাল উদ্দীনের সভাপতিত্বে এবং প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান ও মো. মজির উদ্দীনের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েছ লোদী, সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, বাশিস কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব রেজাউল করিম লিটন, অর্থ সচিব আব্দুল আউয়াল মোল্লা, বাশিস কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এ এইচ এম ইসরাইল আহমদ ও শরিফুল আলম, বাশিস সিলেট জেলা শাখার সভাপতি আহমদ আলী ও সদস্য সচিব অধ্যক্ষ গোলাম রব্বানী, আল-আমিন জামেয়া ইসলামিয়া স্কুলের এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, বাশিস এর সাবেক অতিরিক্ত সচিব আজমত আলী।

সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন, বাশিস সিলেট জেলার সিনিয়র সহ-সভাপতি খালেদ আহমদ, দি এইডেড হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও বাশিস জেলা শাখার সাবেক সচিব শমসের আলী, প্রধান শিক্ষক রিপন সূত্রধর, রসময় হাইস্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুজ জাহির, দি এইডেড হাই স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শমসের আলী, আল আজম স্কুল এণ্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. আব্দুল আহাদ, পাড়ার গাঁও আইডিয়াল স্কুল এণ্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. সাইফুল ইসলাম, হাজী মোহাম্মদ শফিক হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক শেখ শফিকুল ইসলাম, পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মো: ফিরোজ আহমদ, মঈনুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহনাজ বেগম, মীরাবাজার মডেল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক পিয়ারা বেগম, শাহজালাল আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আতাউর রহমান, প্রধান শিক্ষক আব্দুল হাকিম, আব্দুল গফুর ইসলামী আদর্শ স্কুল এণ্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আতিকুর রহমান, দি এইডেড হাইস্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক ফয়সল আহমদ, শাহজালাল ইসলামিয়া স্কুল এণ্ড কলেজের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোস্তফা কামাল, মঈনুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক খালেদা বেগম, নসিবা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক মো: লুৎফুর রহমান চৌধুরী, আম্বরখানা গার্লস স্কুল এণ্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. আবুল কালাম, ব্লু-বার্ড স্কুল এণ্ড কলেজের সিনিয়র শিক্ষক মো. কবির আহমদ, নসিবা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক নেছার আহমদ, পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট হাইস্কুলের সিনিয়র শিক্ষক ইউসুফ মিয়া প্রমূখ।

সম্মেলনে পাঠানটুলা দ্বিপাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ জামাল উদ্দীনকে সভাপতি ও দি এইডেড হাইস্কুলের সিনিয়র শিক্ষক মো. মজির উদ্দীনকে সাধারণ সম্পাদক করে ৪৪ সদস্য বিশিষ্ট সিলেট মহানগর শাখার কমিটি গঠন করা হয়।

সম্মেলনে বাশিস সিলেট মহানগরের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ উপস্থিত ছিলেন।

দিনব্যাপী এ আয়োজনে শিক্ষক সমাজের মর্যাদা রক্ষা, শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক মানোন্নয়ন এবং শিক্ষকদের নানা যৌক্তিক দাবি-দাওয়া নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করা হয়।

» সিলেটে জমিয়ত সভাপতিকে কটূক্তি; দেশে অরাজকতা সৃষ্টির গভীর ষড়যন্ত্র চলছে, যুব জমিয়তের তীব্র নিন্দা

Published: ২৫. জুলা. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দাঙ্গা লাগিয়ে দেশজুড়ে এক ভয়াবহ অরাজকতা সৃষ্টির গভীর ষড়যন্ত্র চলছে বলে অভিযোগ করেছে যুব জমিয়ত বাংলাদেশ সিলেট মহানগর শাখা।

২৫ জুলাই সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা ময়দানে তথাকথিত ১১ দলীয় জোটের সমাবেশে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সংগ্রামী সভাপতি, উপমহাদেশের প্রখ্যাত শায়খুল হাদীস ও সিলেটের কৃতি সন্তান মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক দা. বা. কে নিয়ে মুস্তাফিজুর রহমান ইরান এর কটূক্তিমূলক ও উসকানিমূলক বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সংগঠনটি এই অভিযোগ করে।

আজ ২৬ জুলাই (রবিবার) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে যুব জমিয়ত বাংলাদেশ সিলেট মহানগরীর সভাপতি মাওলানা আসআদ উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আব্দুল করিম দিলদার এই তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানান।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, একটি চিহ্নিত মহল রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দাঙ্গা লাগিয়ে দেশে অরাজকতা সৃষ্টির গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।

সিলেটের পবিত্র মাটিতে দাঁড়িয়ে এ দেশের লাখো তৌহিদী জনতার আস্থার প্রতীক, প্রখ্যাত শায়খুল হাদীস মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক দাঃ বাঃ-এর বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য সেই সুদূরপ্রসারী চক্রান্তেরই অংশ।

নেতৃবৃন্দ স্পষ্ট হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক শুধু জমিয়তের সভাপতি নন, তিনি সিলেটের এক গৌরবোজ্জ্বল কৃতি সন্তান।

সিলেটের মাটিতে এসে তাঁর শানে এমন অবমাননাকর মন্তব্য করে সিলেটের সর্বস্তরের জনগণকে চরমভাবে আঘাত করা হয়েছে। সিলেটের শান্তিকামী মানুষ এই ধৃষ্টতা কোনোভাবেই মেনে নেবে না।

উসকানিমূলক বক্তব্যের সমালোচনা করে যুব জমিয়ত নেতারা বলেন, উলামায়ে কেরাম ও দেশের তৌহিদী জনতাকে উসকে দিয়ে যারা জলঘোলা করার অপচেষ্টা করছেন, তাদের পরিষ্কার জানিয়ে দিতে চাই-আগুন নিয়ে খেলা বন্ধ করুন।

শান্ত সিলেটকে অশান্ত করার যেকোনো নীল নকশা যুব জমিয়তের নেতাকর্মীরা রাজপথেই রুখে দেবে। মুস্তাফিজুর রহমান ইরানের এই বক্তব্য শুধু দায়িত্বজ্ঞানহীন নয়, বরং তাদের চরম রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের বহিঃপ্রকাশ।

বিবৃতির শেষে নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে মুস্তাফিজুর রহমান ইরানকে তাঁর এই আপত্তিকর ও উসকানিমূলক বক্তব্য প্রত্যাহার করে উলামায়ে কেরাম এবং দেশবাসীর কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান।

Callender

July 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031