- মোহাম্মদ আবুল ফজল অ্যাডভোকেট আউশকান্দি রশিদিয়া পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত
- বৈশাখী যুব কল্যাণ পরিষদের ঈদ পুনর্মিলনী ও ম্যাগাজিন প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত
- ফ্যাসিস্ট সরকারের মেয়র সিলেট নগরীর উন্নয়ন না করে লুটপাটের মহোৎসব করেছে : ইমদাদ হোসেন চৌধুরী
- সিম কোম্পানীগুলোর অর্থ আত্মসাতের প্রতিবাদে গণজমায়েত, পদযাত্রা ও স্মারকলিপি প্রদান
- ‘ঘাটতি ও চমকে ভরা বাজেট সফল করতে ওয়াদা পূরণ জরুরি’-দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরাম
- বিশ্ব রক্তদাতা দিবসে সিলেটে ২৬ জন বীর রক্তদাতাকে বিশেষ সম্মাননা
- অন্যান্য ৭টি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানদেরও দায়িত্ব গ্রহণ
- জেলা পর্যায়ে স্টার্টআপ ও সায়েন্স প্রজেক্ট শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত
- সিটির পরিচ্ছন্ন কর্মীদের স্বাস্থ্য-সুরক্ষা প্রশিক্ষণ ও পিপিই বিতরণ
- উৎসবমুখর পরিবেশে সিলেটে জেলা পর্যায়ের সাঁতার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
» মোহাম্মদ আবুল ফজল অ্যাডভোকেট আউশকান্দি রশিদিয়া পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত
Published: ১৪. জুন. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
অদ্য রবিবার (১৪ জুন) তারিখে ইস্যুকৃত আউবিক/২০২৬(৩৮) তারিখ-২১/০৫/২০২৬ সূত্রবলে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, সিলেট (নিম্নমাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্ণিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি) প্রবিধানমালা, ২০২৪’ এর ধারা ৬৪ অনুযায়ী অত্র শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক সদস্যগণ সমন্বয়ে গঠিত তাঁর প্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটিকে পত্র ইস্যুকৃত তারিখ হতে পরবর্তী ০৬ (ছয়) মাসের জন্য মোহাম্মদ আবুল ফজল অ্যাডভোকেটকে আউশকান্দি রশিদিয়া পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে অনুমোদন দেয়া হয়।
মোহাম্মদ আবুল ফজল অ্যাডভোকেট এর বিভিন্ন পরিচয়ের মধ্যে অন্যতম হলো- তিনি জেলা ও দায়রা জজ আদালত, সিলেট এর অতিরিক্ত সরকারি কৌসুলি, বাংলাদেশ ট্যাক্স ল’ইয়ার্স এসোসিয়েশন (বিটিএলএ)’র সহ-সভাপতি (সিলেট বিভাগ), সাবেক সভাপতি, সিলেট জেলা কর আইনজীবী সমিতি, বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের প্যানেল ল’ইয়ার-সিলেট জোন, নবীগন্জ কল্যাণ সমিতি সিলেটের সাধারণ সম্পাদক, সিলেট মহানগর বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক।
এছাড়া তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও মানবিক কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন।


» বৈশাখী যুব কল্যাণ পরিষদের ঈদ পুনর্মিলনী ও ম্যাগাজিন প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত
Published: ১৪. জুন. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্ক:
বৈশাখী যুব কল্যাণ পরিষদ এর উদ্যোগে ঈদ পূর্ণমিলনী, ম্যাগাজিন প্রকাশনা উৎসব, ফ্যামেলী ডে, র্যাফেল ড্র ও খেলাধুলার পুরস্কার বিতরণী এবং সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-২০২৬ সম্পন্ন হয়েছে।
রোববার (১৪ জুন) সিলেট নগরীর আলী বাহার চা বাগানে দিনব্যাপী উৎসবমুখর পরিবেশে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সামাজিক সংগঠন বৈশাখী যুব কল্যাণ পরিষদ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ বেতার সিলেটের পরিচালক ও বৈশাখী যুব কল্যাণ পরিষদের উপদেষ্ঠা আব্দুল্লাহ মো. তারিক।
সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ও বৈশাখী যুব কল্যাণ পরিষদের উপদেষ্টা আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাপ্তান হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বৈশাখী যুব কল্যাণ পরিষদের সভাপতি মো. সাহেদ আহমদ শান্ত।
পরিষদের সহ-সাধারণ সম্পাদক আফজল হোসেন উজ্জ্বল এবং সদস্য সুস্মিতা সরকার ও ইতি রানী মালাকার এর যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বৈশাখী যুব কল্যাণ পরিষদের উপদেষ্ঠা যথাক্রমে বিশিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. জহিরুল ইসলাম অচিনপুরী, বিশিষ্ট সাংবাদিক-কলামিস্ট আফতাব চৌধুরী, যুক্তরাজ্য প্রবাসী আমির আহমদ মানিক, শাহেদ মোশারফ (কটাই মিয়া), শাহ আলী রব, শিপন আহমদ (মদরিছ) ও বাউল মনিবুর রহমান সরকার।
বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, বৈশাখী যুব কল্যাণ পরিষদের সহ-সভাপতি মুক্তাতারুজ্জামান মুক্তার, মির্জা বাপ্পি, সাধারণ সম্পাদক মো. মইনুল ইসলাম ইরণ, অর্থ সম্পাদক সোহেল আহমদ রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক দুলাল আহমদ দিপু, সহ-অর্থ সম্পাদক শিপল আহমদ, কার্যকারী সদস্য জাহেদ আহমদ, আব্দুল মুতলিব, হুশিয়ার আলী, শামিম আহমদ, উপদেষ্টা রফিক য়িয়া, রোকনে আলম চৌধুরী, কামাল আহমদ, উদাসী লাল মিয়া, রাজা মিয়া, কবি দেওয়ান মতিউর রহমান খান, সাংবাদিক এম এ ওয়াহিদ চৌধুরী, রেহান আহমদ রায়হান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দেশ ও সমাজকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে তরুণদের সৃজনশীল কাজের সাথে যুক্ত রাখা জরুরি।
বৈশাখী যুব কল্যাণ পরিষদ তরুণদের যেভাবে ঐক্যবদ্ধ করে সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া চর্চায় উদ্বুদ্ধ করছে, তা সত্যিই অনুকরণীয়।
ম্যাগাজিন প্রকাশের মাধ্যমে স্থানীয় সুপ্ত প্রতিভাদের যেমন বিকাশের পথ তৈরি হয়েছে, তেমনি খেলাধুলার আয়োজন যুবসমাজকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ রাখতে দারুণ ভূমিকা রাখবে।
এই ধরণের পারিবারিক মিলনমেলা আমাদের যান্ত্রিক জীবনের ব্যস্ততা ভুলিয়ে আত্মীয়তার বন্ধনকে নতুন করে সতেজ করে তোলে।
বক্তারা আরও বলেন, সামাজিক উন্নয়ন ও যুবসমাজের মেধা বিকাশে বৈশাখী যুব কল্যাণ পরিষদ দীর্ঘ দিন ধরে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে আসছে।
তরুণ সমাজকে মাদক ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রেখে সুস্থ ধারার সংস্কৃতি এবং খেলাধুলায় উদ্বুদ্ধ করতে এই সংগঠনের ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
বক্তারা বলেন, বৈশাখী যুব কল্যাণ পরিষদ আগামীতে ও দেশ জাতি, সামাজিক, মানবিক, সমাজসেবামূলক কার্যক্রম এবং এলাকার উন্নয়ন ও কল্যাণে আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করবে।
অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ বৈশাখী যুব কল্যাণ পরিষদের ম্যাগাজিন ‘প্রত্যাশা’-এর মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে মেধা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে অতিথিদের সংবর্ধনা প্রদান এবং বিশিষ্ট শিল্পীবৃন্দের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
» ফ্যাসিস্ট সরকারের মেয়র সিলেট নগরীর উন্নয়ন না করে লুটপাটের মহোৎসব করেছে : ইমদাদ হোসেন চৌধুরী
Published: ১৪. জুন. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট মহানগরীর ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের কল্লোলগ্রাম এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট ও ড্রেনেজ সিস্টেম পরিদর্শন করেছেন, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী।
রবিবার (১৪ জুন) পরিদর্শন শেষে তিনি এলাকার মুরুব্বীয়ান ও স্থানীয় যুবসমাজের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।
মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইমদাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, তারেক রহমানের সরকার ক্ষমতায় আসার মাত্র ৪ মাসেই দেশজুড়ে অভূতপূর্ব সাড়া ফেলেছে।
প্রশাসন ও রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা ফিরিয়ে আনার কাজ চলছে। এই জনগণের সরকার জনগণের আশা-আকাক্সক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে বদ্ধপরিকর।
আমাদের নেতা তারেক রহমান এমন এক বাংলাদেশ গড়তে চান যেখানে কোনো বৈষম্য থাকবে না, মেধার মূল্যায়ন হবে এবং যুবসমাজের কর্মসংস্থান নিশ্চিত হবে।
তারেক রহমানের মূল লক্ষ্যই হলো জনগণের হাতের ক্ষমতা জনগণের কাছে ফিরিয়ে দিয়ে একটি সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর রাষ্ট্র গঠন করা।
তিনি বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের মেয়র সিলেট নগরীর কোনো প্রকৃত উন্নয়ন করেনি, বরং উন্নয়নের আড়ালে দলীয়করণ ও লুটপাটের মহোৎসব করেছে।
দেশে এখন জনগণের সরকার রয়েছে, সিলেট নগরবাসী সহ দেশবাসী নাগরিক অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
কল্লোলগ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট ও ড্রেনেজ সিস্টেমের দুর্দশা নিয়ে বলেন, দীর্ঘদিন এই কল্লোলগ্রামের মানুষ ছিলেন উন্নয়নবঞ্চিত।
ফ্যাসিবাদী শাসনামলে কল্লোলগ্রামের রাস্তাঘাট সংস্কার না করে বছরের পর বছর দুর্ভোগে রাখা হয়েছে।
কল্লোলগ্রাম আর অবহেলিত থাকবে না, সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে এই এলাকার দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলোর সমাধান করা হবে।
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার ঘোষিত বাজেটকে দেশের শোষিত, বঞ্চিত এবং সাধারণ মেহনতি মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির এক যুগান্তকারী দলিল হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, বাজেটে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে স্বস্তিদায়ক করতে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে চাল, ডাল, ভোজ্যতেল সহ প্রায় ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর থেকে কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
সরকারের এই গণমুখী ও সাহসী পদক্ষেপ দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিত্যপণ্যের বাজারমূল্য সহনীয় রাখতে ভূমিকা রাখবে।
দেশের প্রতিটি খেটে খাওয়া মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং একটি বৈষম্যহীন, কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গড়ার সুদূরপ্রসারী রূপরেখার অংশ হিসেবেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান বিএনপি সরকার এই বাজেট প্রণয়ন করেছে।
সমাজসেবী আমির উদ্দিন এর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, জামাল উদ্দিন, বেলাল উদ্দিন, হান্নু মিয়া, রজি মিয়া, আমিন উদ্দিন, .দুলা আহমদ, হিমেল আহমেদ শাহবুদ্দিন, নাবিল আহমদ, মাসুম আহমদ, আলেখ মিয়া, জসিম উদ্দিন, তাহমিদ আহমদ, আব্দুস সামা, ফরহাদ আহমদ, ফখর উদ্দিন, রফিক উদ্দিন, তাজ উদ্দিন, আব্দুন নুর, নুর, সুবেদ আহমদ, জুবেদ আহমদ, মুহিন আহমদ, সালাউদ্দিন, এমদাদ আহমদ সাফওয়ান আহমদ, আরিয়ান আহমদ, রাইয়ান আহমদ, জেনাম আহমদ, আশুর মিয়া-সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, মুরুব্বীয়ান এবং বিপুল সংখ্যক যুবসমাজ।
» সিম কোম্পানীগুলোর অর্থ আত্মসাতের প্রতিবাদে গণজমায়েত, পদযাত্রা ও স্মারকলিপি প্রদান
Published: ১৪. জুন. ২০২৬ | রবিবার
আগামী ১৫ দিনের মধ্যে গ্রাহকদের সাথে মেয়াদের বাহানা বন্ধ না করলে
সিম কোম্পানীগুলোর সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচীর ঘোষণা
নিউজ ডেস্কঃ
বৃহত্তর সিলেটের অরাজনৈতিক কল্যাণমূলক স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন সিলেট কল্যাণ সংস্থা, সিলেট বিভাগ যুব কল্যাণ সংস্থা ও সিলেট প্রবাসী কল্যাণ সংস্থার যৌথ আয়োজনে রবিবার (১৪ জুন ২০২৬) সিম কোম্পানীগুলোর মেয়াদের বাহানায় গ্রাহকদের জিম্মি করে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের প্রতিবাদে প্রচন্ড বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে বেলা ১১টায় জিন্দাবাজার পয়েন্টে গণজমায়েত, বেলা ১১.১৫ মিনিটে জিন্দাবাজার পয়েন্ট হতে বন্দরবাজার ঐতিহাসিক কোর্ট পয়েন্ট, সিটি পয়েন্ট হয়ে সিলেটের জেলা প্রশাসকের কার্যালয় পর্যন্ত পদযাত্রা ও বেলা ১১.৩০ মিনিটে সিলেটের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী সহ ৩৫০ জন সংসদ সদস্য বরাবর (মাধ্যমঃ জেলা প্রশাসক, সিলেট) স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
গণজমায়েত থেকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সিম কোম্পানীগুলো গ্রাহকদের সাথে মেয়াদের বাহানা বন্ধ না করলে সিম কোম্পানীগুলোর অফিসের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচীর ঘোষণা করা হয়।
জাতীয় যুব দিবস ২০১০ এ জাতীয় যুব পুরস্কার শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠক পদকপ্রাপ্ত, সংস্থাগুলোর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সিলেট কল্যাণ সংস্থার কার্যকরী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ এহছানুল হক তাহেরের সভাপতিত্বে ও সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন রশিদ চৌধুরীর পরিচালনায় গণজমায়েতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আজিজুর রহমান আজিজ।
বক্তব্য রাখেন, সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সভাপতি আলহাজ্জ মুখতার আহমেদ তালুকদার, সিলেট মহানগর কমিটির সভাপতি জাকারিয়া মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন সাকের।
গণজাগরণ, পদযাত্রা ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন, সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি দ্বীপক রঞ্জন রায় তালুকদার, হাজী মো. আশরাফ উদ্দিন, সহ-সভাপতি অবিনাশ চন্দ্র দাস, সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক মাসুম মিয়াজী, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুস সালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মুসলেহ উদ্দিন চৌধুরী মিলাদ, সিনিয়র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক চিত্ত রঞ্জন দাস, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কবি কামাল আহমদ, মো. আলী হোসেন, মো. জালাল উদ্দিন, মো. মহিবুর রহমান মুহিব, জামাল আহমদ, সহ-অর্থ সম্পাদক পিযোষ মোদক, মো. ইকবাল হোসেন, সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শাহীন আহমদ, মো. সাহেদ আহমদ শান্ত, সহ-দপ্তর সম্পাদক সুধাংশু শেখর দাস, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সোহেল আলী, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মো. আল-আমিন আহমদ, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক শাওন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক মো. জহিরুল হক জাকির, যোগাযোগ ও সমন্বয় সম্পাদক শংকর বিশ্বাস, সহ-যোগাযোগ ও সমন্বয় সম্পাদক মো. পিকুল হোসেন, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক কবি মকসুদ আহমদ লাল, সহ-সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক ফয়সল আহমদ, সিলেট মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. মাহবুব ইকবাল মুন্না, সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক বিজিত চন্দ, সহ-সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ইব্রাহীম, দিপক কুমার মোদক বিলু, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, মহানগর কমিটির সদস্য মো. জুয়েল মিয়া, সমাজ সচেতন নাগরিকদের মধ্য থেকে নুর আহমদ, সমসু মিয়া, কুমোদ হাজরা, হীরেন্দ্র তালুকদার, মো. মোসাদ্দেক উল হাসান, মানবেন্দ্র সরকার, তাপস কুমার সরকার, মাহবুবুর রহমান ও মো. সালিম।
প্রচন্ড বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে গণজমায়েত, পদযাত্রা ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচীতে প্রায় শতাধিক নাগরিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
স্মারকলিপির বিষয়বস্তুঃ প্রায় ১২ কোটি গ্রাহকের মধ্য থেকে মোবাইল ব্যবহারকারী হিসেবে গভীর উদ্বেগের সাথে জানাচ্ছি যে, দেশের কয়েকটি সিম কোম্পানী কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই প্যাকেজের দাম বৃদ্ধি ও মেয়াদের বাহানায় গ্রাহকদের টাকায় কেনা এমবি, মিনিট কেটে নিয়ে অবৈধভাবে মুনাফা অর্জন করে যাচ্ছে।
দেশের বিভিন্ন মোবাইল অপারেটর কোম্পানী গ্রাহকদের বঞ্চিত করে অর্থ আত্মসাৎ এবং নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ হওয়ার অজুহাতে অব্যবহৃত ব্যালেন্স, ইন্টারনেট ডাটা, মিনিট ও অন্যান্য সেবা বাতিল করে দিচ্ছে।
এর ফলে গ্রাহকরা তাদের ক্রয়কৃত সেবার পূর্ণ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।
গ্রাহকদের কথা বিবেচনায় নিয়ে প্রতিটি প্যাকেজের এমবি, মিনিট ও ম্যাসেজ মেয়াদবিহীন করা সিম ব্যবহারকারীদের প্রধান দাবী।
দেশের প্রায় ১২ কোটি সিম ব্যবহারকারীদের স্বার্থ রক্ষার্থে আপনার সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
আপনার বলিষ্ট নেতৃত্বে টেলিকম সেক্টরে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।
সিম কোম্পানীগুলো মেয়াদ শেষ হওয়ার অজুহাতে অব্যবহৃত ডাটা, মিনিট ও এসএমএস বাজেয়াপ্ত করে। গ্রাহকের সম্মতি ছাড়া বিভিন্ন প্রোমোশনাল বা ভ্যালু-অ্যাডেড সার্ভিস চালু করে।
প্যাকেজের শর্তাবলি অনেক সময় অস্পষ্ট থাকে, যা সাধারণ গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করে। অভিযোগ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে অনেক গ্রাহক কাঙ্খিত প্রতিকার পান না।
গ্রাহকের অর্থের বিনিময়ে কেনা সেবা নির্ধারিত সময়ের আগে বা অযৌক্তিক শর্তে সীমিত করে।
সিম কোম্পানীগুলোর মেয়াদের অজুহাতে অর্থ আত্মসাৎ ও গ্রাহক স্বার্থবিরোধী কার্যক্রম দূর করতে আপনি যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে আমরা আশাবাদী।
উপরোক্ত বিষয়ে বিচেনায় নিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ পূর্বক ১২ কোটি গ্রাহকদের জিম্মিদশা থেকে মুক্তি দিতে আপনার যেন মর্জি হয়।
» ‘ঘাটতি ও চমকে ভরা বাজেট সফল করতে ওয়াদা পূরণ জরুরি’-দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরাম
Published: ১৪. জুন. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
প্রস্তাবিত নতুন বাজেটকে ঘাটতি, চমক ও স্বপ্নে ভরা আখ্যা দিয়ে এটি সফল করতে হলে জাতির সাথে দেওয়া ওয়াদাগুলো পূরণ করার জোর দাবি জানিয়েছে ‘দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরাম’।
অন্যথায় এই বাজেট জনগণের সাথে একটি গণপ্রতারণার দলিল হিসেবে থেকে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
রবিবার (১৪ জুন) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক যৌথ বিবৃতিতে দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইকবাল হোসেন চৌধুরী, স্থায়ী কমিটির সদস্য নেছারুল হক চৌধুরী (বুস্তান) এবং সাধারণ সম্পাদক জননেতা মকসুদ হোসেন এই প্রতিক্রিয়া জানান।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রস্তাবিত এবারের বাজেটে আপাতত কালো টাকা সাদা করার সুযোগ না রাখাটা নিঃসন্দেহে একটি সাধুবাদ যোগ্য সিদ্ধান্ত।
তবে অতীতের মতো বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের অজুহাতে যদি অর্থ বিল পাসের সময়ে আবারও কালো টাকা সাদা করার সুযোগ ফিরিয়ে আনা হয়, তবে এই বাজেট হবে কালো টাকা সাদা করার বাজেট এবং দুর্নীতিবিরোধী জনগণের সাথে প্রতারণার শামিল।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এই বিশাল বাজেটে বিদ্যমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কোন সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা নেই।
জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় সামনে রেখে নতুন পে-স্কেল ঘোষণা করার উদ্যোগ ভালো, তবে এই পে-স্কেল যদি সামঞ্জস্যপূর্ণ করা না যায়, তাহলে দুর্নীতিমুক্ত কর্মসম্পাদন অসম্ভব হয়ে পড়বে।
যেসব সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারী তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির হিসাব নিয়মিত হালনাগাদ করবেন, কেবল তাদেরকেই নতুন পে-স্কেলের আওতাভুক্ত করা উচিত।
রাজস্ব বিভাগের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তালিকা তৈরি করে তাদের অবিলম্বে চাকরি থেকে অব্যাহতি দিতে হবে।
করদাতাদের হয়রানিমুক্ত কর প্রদানের সুযোগ নিশ্চিত করতে কর ব্যবস্থায় আরও বেশি স্বচ্ছতা আনতে হবে।
বাজেটকে ঋণ নির্ভরতা থেকে মুক্ত করে ক্রমান্বয়ে রাজস্ব নির্ভর বাজেটের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এই ঘাটতি ও চমকপ্রদ বাজেটকে সফল করতে দুর্নীতি প্রতিরোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার ওয়াদাগুলো পূরণ করতে হবে।
তবেই এ বাজেট হবে জনবান্ধব, আন্তরিক ও মানবিক; অন্যথায় এটি সাধারণ মানুষের কোনো কল্যাণে আসবে না।
» বিশ্ব রক্তদাতা দিবসে সিলেটে ২৬ জন বীর রক্তদাতাকে বিশেষ সম্মাননা
Published: ১৪. জুন. ২০২৬ | রবিবার
রক্তের কোন বিকল্প নেই, রক্তদাতারা মানবতার শ্রেষ্ঠ উদাহরণ: অধ্যাপক ডা. জিয়াউর রহমান চৌধুরী
নিউজ ডেস্কঃ
মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. জিয়াউর রহমান চৌধুরী বলেছেন, চিকিৎসা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির ফলে আজ মানুষ অনেক কিছু তৈরি করতে পারলেও, কৃত্রিমভাবে রক্ত তৈরি করা কোনভাবেই সম্ভব নয়।
একজন মানুষের জীবনের প্রয়োজনে অন্য একজন মানুষকেই এগিয়ে আসতে হয়।
তিনি রক্তদাতাদের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, যিনি নিজের শরীর থেকে রক্ত দিয়ে অন্য একজন মুমূর্ষু মানুষের জীবন বাঁচান, তিনি নিঃসন্দেহে অত্যন্ত উদার, মহান এবং ভালো মনের মানুষ।
রক্তদাতা ও গ্রহীতার এই বন্ধন মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। একই সাথে তিনি মানবিক যেকোন প্রয়োজনে সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট ও মুজিব জাহান রক্ত কেন্দ্রকে সব ধরনের সহযোগিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
তিনি রোববার (১৪ জুন) বিকেলে বিশ্বরক্ত দাতা দিবস উপলক্ষ্যে সিলেট রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির উদ্যোগ সিলেট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে রক্তদাতাদের সম্মাননা ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সিলেট রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান আবুল কাহের চৌধুরী বলেন, আর্তমানবতার সেবায় এবং মুমূর্ষু রোগীদের জরুরি রক্তের চাহিদা মেটাতে রেড ক্রিসেন্ট ও মুজিব জাহান রক্ত কেন্দ্র নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
তবে এই মানবিক অগ্রযাত্রার আসল নায়ক হলেন আমাদের নিয়মিত রক্তদাতারা, যাঁদের নিঃস্বার্থ ত্যাগের ঋণ কোনো সম্মাননা দিয়ে শোধ করা সম্ভব নয়।
তিনি যুবসমাজ ও তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, রক্তদান নিয়ে সমাজের সব ভুল ধারণা ও ভীতি দূর করে তরুণদের আরও বেশি সংখ্যায় এগিয়ে আসতে হবে।
একটি সুশৃঙ্খল ও সুস্থ সমাজ বিনির্মাণে নিয়মিত রক্তদানের আন্দোলনকে ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া এখন সময়ের দাবি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির ভাইস চেয়ারম্যান বদরুজ্জামান সেলিম, সিলেট রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির সেক্রেটারী মাহবুবুল হক চৌধুরী।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সিলেট রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির সদস্য নিযর রায়, আবু সাঈদ, কামরুজ্জামান দিপু,পারভেজ আহমদ, নার্সিং কলেজের প্রিন্সিপাল রেনোয়ারা আক্তার, যুব উপ প্রধান মোসাদ্দেক চৌধুরী সুমেল।
পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন, তরিকুল ইসলাম যাওয়াদ।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন, মুজিব জাহান রক্তকেন্দ্রের ইনচার্জ ডা. তাওহীদ চৌধুরী।
সবোচ্ছ রক্তদাতাদের মধ্য অনুভূতি প্রকাশ করেন, মোশারফ হোসেন হেলাল।
রক্তদাতাদের মধ্য বক্তব্য রাখেন, ইয়াছিন সেলিম, রক্তদানতা সংগঠনের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মেহেদী সিদ্দিকী চেয়ারম্যান রক্ত বিন্দু প্রমুখ।
কার্যকরী সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন সামুন এর পরিচালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে মানবতার সেবায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সর্বমোট ২৬ জন রক্তদাতাকে সম্মাননা দেওয়া হয়।
এর মধ্যে ১ জনকে ৫০ বার, ১ জনকে ৩৫ বার, ১ জনকে ২৫ বার এবং ২৩ জনকে ১০ বার স্বেচ্ছায় রক্তদানের জন্য বিশেষ ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।
» অন্যান্য ৭টি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানদেরও দায়িত্ব গ্রহণ
Published: ১৪. জুন. ২০২৬ | রবিবার
সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নতুন চেয়ারম্যান কয়েস লোদীর যোগদান
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) নতুন চেয়ারম্যান (২য় গ্রেড) হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন, রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।
আজ রবিবার (১৪ জুন) তিনি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর তাঁর যোগদানপত্র পেশ করেন।
এর আগে গত ১১ জুন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাঁকে অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদায় এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।
আজ সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন শাখা থেকে তাঁর যোগদান সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয় এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে এ বিষয়ে অনুলিপি প্রেরণের মাধ্যমে অবহিত করা হয়েছে।
সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ছাড়াও আজ দেশের আরও সাতটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলের উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানগণ দায়িত্ব গ্রহণের প্রক্রিয়ায় অংশ নেন।
তাঁরা হলেন, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ: এস. এম. শফিকুল আলম, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ: মো. আবুল কালাম আজাদ, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ: মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ: মোতাহার হোসেন তালুকদার, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ: মো. শামসুজ্জামান সামু, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ: উতবাতুল বারী আবু, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ: মাসুকুল ইসলাম রাজিব।
মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. আবদুল হাই স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই কর্মকর্তাদের গাড়ি বহর ও সচিবালয়ে প্রবেশের বিষয়টি নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিরাপত্তা অধিশাখা ও উপ পুলিশ কমিশনারকে (সচিবালয়) প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন, সিলেটের পরিকল্পিত নগর উন্নয়ন, অবকাঠামো নির্মাণ এবং নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধিতে নতুন চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর এই নিয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
দায়িত্বগ্রহণের পর গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের সাথে চেয়ারম্যানবৃন্দ সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
আগামীকাল সোমবার (১৫ জুন) মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মন্ত্রীর সাথে চেয়ারম্যানবৃন্দের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
» জেলা পর্যায়ে স্টার্টআপ ও সায়েন্স প্রজেক্ট শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত
Published: ১৪. জুন. ২০২৬ | রবিবার
আমরা শুধু প্রযুক্তির ব্যবহারকারী নই, উদ্ভাবক হতে চাই : জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলম
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বলেছেন, আমরা শুধু প্রযুক্তির ব্যবহারকারী হতে চাই না, উদ্ভাবক হতে চাই।
সিলেটের তরুণদের মাঝে যে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে, আজকের এই মেলায় সায়েন্স প্রজেক্ট ও স্টার্টআপগুলোর দিকে তাকালেই তা স্পষ্ট বোঝা যায়। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই তরুণরাই আমাদের মূল শক্তি।
স্মার্ট বাংলাদেশের চারটি স্তম্ভস্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট গভর্নমেন্ট, স্মার্ট ইকোনমি এবং স্মার্ট সোসাইটি গড়ে তুলতে হলে গবেষণাগার থেকে আইডিয়াগুলোকে বাস্তবে রূপ দিতে হবে।
আজকের এই উদ্যোগকে আমি সাধুবাদ জানাই এবং আশ্বস্ত করতে চাই যে, তরুণদের এই উদ্ভাবনী প্রকল্পগুলোকে এগিয়ে নিতে সরকার সব ধরনের সহায়তা করবে।
তিনি আরো বলেন, সিলেটের প্রান্তিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মাঝেও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রতি যে প্রবল আগ্রহ রয়েছে, এই মেলা তা প্রমাণ করেছে।
আমাদের উদ্দেশ্য শুধু প্রতিযোগিতার আয়োজন করা নয়, বরং এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা যেখানে তরুণদের স্টার্টআপ আইডিয়াগুলো বাণিজ্যিক রূপ পেতে পারে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে। আজকের তরুণদের চিন্তা ভাবনা অনেক উন্নত।
তারা পরিবেশবান্ধব জ্বালানি, টেকসই কৃষি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (অও) মতো আধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে। আমরা জেলা পর্যায় থেকে এদের মেন্টরিং এবং ফান্ডিংয়ের জন্য একটি স্থায়ী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছি।
রবিবার (১৪ জুন) বিকেল ৩টায় নগরীর সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ‘মেধা, বিজ্ঞান, উদ্যোগ ও উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সিলেটে জেলা পর্যায়ের ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর বাংলাদেশ, ঢাকার অধীনে ‘এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম’, এসইডিপি-এর ব্যবস্থাপনায় এই ইনোভেশন প্রোগ্রামটি বাস্তবায়িত হয়।
সিলেট জেলা শিক্ষা অফিসার আবু সাঈদ মো. আব্দুল ওয়াদুদ এর সভাপতিত্বে ও জেলা শিক্ষা অফিসের গবেষণা কর্মকর্তা মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা সিলেট অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. দিদার চৌধুরী।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মাসুদ রানা, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (শিক্ষা ও কল্যাণ শাখা) শিহাব বিন আমিন এবং সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের প্রধান শিক্ষক জায়েদা গুলশান সিদ্দিকা।
অনুষ্ঠানে সিলেটের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা তাদের বিজ্ঞানভিত্তিক প্রজেক্ট, নতুন স্টার্টআপ পরিকল্পনা এবং বিভিন্ন উদ্ভাবনী আইডিয়া প্রদর্শন করেন।
অতিথিবৃন্দ শিক্ষার্থীদের স্টলগুলো ঘুরে দেখেন এবং তাদের তৈরি বিভিন্ন প্রযুক্তিনির্ভর প্রজেক্টের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
অনুষ্ঠান শেষে সেরা উদ্ভাবন ও বিজ্ঞান প্রজেক্ট উপস্থাপনকারী দলগুলোর মাঝে পুরস্কার ও সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। আজকের ১ম ও ২য় বিজয়ীরা চূড়ান্ত পর্যায় অংশগ্রহণের জন্য ঢাকায় যাবেন।
» সিটির পরিচ্ছন্ন কর্মীদের স্বাস্থ্য-সুরক্ষা প্রশিক্ষণ ও পিপিই বিতরণ
Published: ১৪. জুন. ২০২৬ | রবিবার
নিরাপদ কর্মীই পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার মূল শক্তি : সিসিক প্রশাসক
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, নিরাপদ কর্মীই পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার মূল শক্তি।
পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মীরা নগরীর জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তাই তাঁদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
তিনি বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত কর্মীদের অবশ্যই ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই) ব্যবহার করতে হবে এবং নিরাপত্তা নির্দেশিকা মেনে চলতে হবে।
নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে স্বাস্থ্যঝুঁকি কমবে, কর্মদক্ষতা বাড়বে এবং নগরীর স্যানিটেশন ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে।
রোববার (১৪ জুন) বিকেলে নগরীর সোবহানীঘাটস্থ একটি হোটেলের হলরুমে এসএনভি’র (নেদারল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন) উদ্যোগে ও সিলেট সিটি করপোরেশনের পানি চক্রের টেকসই রুপন্তর প্রকল্প আয়োজিত নগরীর পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের পেশাগত স্বাস্থ্য-সুরক্ষা প্রশিক্ষণ এবং ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই) বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে নেদারল্যান্ডস ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন-এসএনভি’র সিলেট অঞ্চলের ক্লাস্টার কো-অর্ডিনেটর মোছা. রাহিমা বেগমের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথিব বক্তব্য রাখেন, সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন, এসএনভির পানি চক্রের টেকসই রুপন্তর প্রকল্পের ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যাডভাইজর সুমন আলী এবং প্রশিক্ষণার্থীদের সামনে স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিষয়ে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন পরিবেশ অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আফজারুল ইসলাম।
‘নগরীর পানি চক্রের টেকসই রূপান্তর প্রকল্প -এর আওতায় পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাজে নিয়োজিত কর্মীদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানো এবং আধুনিক স্যানিটেশন ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে সিসিকের ৫০ জন পরিচ্ছন্ন কর্মীকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী উপহার দেওয়া হয়। স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রীর মধ্যে পিপিই, গ্লাভস্, মাস্ক, সেফটি ক্যাপ, গামবুট জুতা এবং সুপার সেফটি সু (সু-জুতো) উপহার প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানটি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করে নেদারল্যান্ডস সরকারের সহায়তায় পরিচালিত উন্নয়ন সংস্থা এসএনভি’র আয়োজকরা জানান, নগরীর স্যানিটেশন ব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
» উৎসবমুখর পরিবেশে সিলেটে জেলা পর্যায়ের সাঁতার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
Published: ১৪. জুন. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
ক্রীড়া পরিদপ্তরের বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচি ২০২৫-২০২৬-এর আওতায় সিলেট জেলায় অনুষ্ঠিত হলো সাঁতার প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।
সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া কমপ্লেক্সে রবিবার (১৪ জুন) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অর্জনের মেডেল ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
সিলেট জেলা ক্রীড়া অফিসার ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য মো. নূর হোসেন-এর সভাপতিত্বে ও সিলেট জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার অফিস সেক্রেটারি বিপুল চন্দ্র তালুকদারের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ক্রীড়া সংগঠক মো. মহসিন আলী, ক্রীড়া সংগঠক ও রেফারি টিটু আহমেদ, প্রমীলা কোচ তানিয়া রহমান, সিনিয়র ক্রীড়া শিক্ষক আব্দুল কাদির, সিনিয়র ক্রীড়া শিক্ষক আব্দুল মজিদ, সিনিয়র ক্রীড়া শিক্ষক ফাতেমা বেগম প্রমুখ।
এসময় সভাপতির বক্তব্যে মো. নূর হোসেন বলেন, বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচির মূল লক্ষ্যই হলো তৃণমূল থেকে প্রতিভা খুঁজে বের করা।
আজকের বিজয়ীরা আমাদের গর্ব, আর যারা জিততে পারেনি- তাদের জন্য এটা কেবলই শুরু।
সিলেট জেলা ক্রীড়া অফিস সবসময় তরুণদের এই পথচলায় পাশে থাকবে। আমরা বিশ্বাস করি, এখান থেকেই আগামী দিনের জাতীয় চ্যাম্পিয়ন উঠে আসবে।
» কানাইঘাটে সাবেক এমপি ফরিদ চৌধুরী স্মরণে দোয়া মাহফিল ও স্মরণসভা
Published: ১৪. জুন. ২০২৬ | রবিবার
অধ্যক্ষ ফরিদ চৌধুরী (র.) ছিলেন কুরআন ও দ¦ীনের খেদমতে এক নিবেদিত প্রাণ দ্বা’য়ি
নিউজ ডেস্কঃ
জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডাঃ শফিকুর রহমান এমপি বলেছেন, মরহুম অধ্যক্ষ মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের একজন নিবেদিতপ্রাণ ও মুখলিস দাঈ।
সিলেট অঞ্চলে ইসলামী আন্দোলনের প্রচার, প্রসার এবং সংগঠনকে মজবুত ও গতিশীল করার পেছনে তাঁর অবদান অবিস্মরণীয়।
তিনি নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে সংগঠনের আদর্শকে সিলেটের সর্বস্তরের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছেন। কুরআন ও দ্বীনের সুমহান খেদমতে তিনি ছিলেন একজন নিবেদিত প্রাণ দ্বা’য়ি ইলাল্লাহ।
তিনি বলেন, মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী একজন জনপ্রিয় ও জনবান্ধব জনপ্রতিনিধি হিসেবে ব্যাপক সমাদৃত ছিলেন।
সংসদ সদস্য থাকাকালীন তিনি কানাইঘাট ও জকিগঞ্জের রাস্তাঘাট, স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, মসজিদ, মন্দির, ক্লাব ও পাঠাগার সহ অবহেলিত অঞ্চলের অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করেছেন।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও উদার ব্যক্তিত্বের কারণে তিনি দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও শ্রদ্ধেয় নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁর নেক আমল ও ভালো কাজ তাঁকে আজীবন জনতার মাঝে বাঁচিয়ে রাখবে।
তিনি রোববার (১৪ জুন) দুপুরে সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার তালবাড়ী জামেয় ইসলামিয়া ইউসুফিয়া কামিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে অধ্যক্ষ মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর রুহের মাগফিরাত কামনায় অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিল ও স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।
এর আগে তিনি মরহুম ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর কবর জিয়ারত করেন এবং মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করেন।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও সিলেট জেলা আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগর আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, জেলা নায়েবে আমীর হাফিজ আনওয়ার হোসাইন খান ও অধ্যাপক আব্দুল হান্নান, জেলা সেক্রেটারী মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, ছাত্রশিবির সিলেট জেলা পূর্বের সভাপতি আবু আইয়ুব মঞ্জু ও পশ্চিম জেলা সভাপতি আবু যোবায়ের প্রমূখ।
অনুষ্ঠানে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও এলাকায় বিভিন্ন স্তরের বিপুল সংখ্যক স্থানীয় জনতা উপস্থিত ছিলেন।

» রক্তদাতা মানবতার শ্রেষ্ঠ সৈনিক
Published: ১৩. জুন. ২০২৬ | শনিবার
মাওলানা মুফতী ছালিম আহমদ খাঁঃ
“মানুষ মানুষের জন্য” এই ছোট্ট বাক্যটির সবচেয়ে সুন্দর বাস্তব উদাহরণ একজন স্বেচ্ছাসেবী রক্তদাতা। পৃথিবীতে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা নিজের প্রয়োজনের কথা না ভেবে অন্যের জীবন বাঁচানোর জন্য নিঃস্বার্থভাবে এগিয়ে আসেন। একজন রক্তদাতা ঠিক তেমনই একজন মানুষ, যিনি নিজের শরীরের সামান্য কিছু রক্ত দিয়ে ফিরিয়ে আনেন অন্য একজন মানুষের বেঁচে থাকার আশা।
১৪ জুন বিশ্ব রক্তদাতা দিবস। মানবতার এই মহান কাজের সাথে জড়িত সকল রক্তযোদ্ধাদের প্রতি সম্মান, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি বিশেষ দিন। এই দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়- একজন মানুষের সামান্য সহযোগিতাও আরেকজন মানুষের জীবনে কত বড় আশীর্বাদ হয়ে আসতে পারে।
বর্তমান সময়ে সড়ক দুর্ঘটনা, জটিল অস্ত্রোপচার, প্রসূতি মায়েদের অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, ক্যান্সার রোগী, থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশু কিংবা ডেঙ্গু রোগীদের জন্য প্রতিনিয়ত রক্তের প্রয়োজন হচ্ছে। কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, প্রয়োজনের তুলনায় এখনো পর্যাপ্ত রক্ত পাওয়া যায় না।
অনেক পরিবার গভীর রাতে একটি ব্যাগ রক্তের জন্য হাসপাতাল থেকে হাসপাতাল ছুটে বেড়ায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসহায় আবেদন জানায়। অনেক সময় শুধু রক্তের অভাবে নিভে যায় একটি তাজা প্রাণ, থেমে যায় একটি পরিবারের হাসি।
যখন কোনো রোগীর স্বজন অসহায়ের মতো বলে “এক ব্যাগ রক্ত পেলে মানুষটা বেঁচে যেত”, তখন বোঝা যায় রক্তের মূল্য কতটা গভীর। একজন রক্তদাতা শুধু রক্ত দেন না, তিনি একটি মায়ের সন্তানকে ফিরিয়ে দেন, একটি শিশুর বাবাকে ফিরিয়ে দেন, একটি পরিবারের মুখে আবারও হাসি ফিরিয়ে আনেন।
পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ তাআলা বলেন “যে ব্যক্তি একজন মানুষের জীবন রক্ষা করলো, সে যেন সমগ্র মানবজাতির জীবন রক্ষা করলো।” (সূরা আল-মায়িদাহ: ৩২)
এই আয়াতের মাধ্যমে ইসলামে মানবজীবনের গুরুত্ব ও মানুষের উপকার করার মর্যাদা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। একজন রক্তদাতা যখন কাউকে রক্ত দেন, তখন তিনি মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
হাদিস শরীফে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন “মানুষের মধ্যে সেই ব্যক্তিই উত্তম, যে মানুষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী।” (আল-মুজামুল আওসাত)
রক্তদান নিঃসন্দেহে এমন একটি ইবাদতস্বরূপ মানবিক কাজ, যা মানুষের কল্যাণ বয়ে আনে। এখানে নেই কোনো লোভ, নেই কোনো স্বার্থ; আছে শুধুই একজন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আন্তরিকতা।
অনেকের মনে ভুল ধারণা রয়েছে যে রক্তদান করলে শরীর দুর্বল হয়ে যায় কিংবা বড় ধরনের ক্ষতি হয়। অথচ চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, একজন সুস্থ মানুষ নির্দিষ্ট সময় পরপর নিরাপদে রক্তদান করতে পারেন। রক্তদান শরীরে নতুন রক্তকণিকা তৈরিতে সহায়তা করে, রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে এবং অনেক ক্ষেত্রে হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতেও সহায়ক ভূমিকা পালন করে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো- একজন মানুষের জীবন বাঁচানোর যে মানসিক প্রশান্তি, তা পৃথিবীর কোনো সম্পদের সাথে তুলনা করা যায় না।
সমাজে স্বেচ্ছায় রক্তদানের সংস্কৃতি যত বৃদ্ধি পাবে, তত কমবে রক্ত সংকট। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন তরুণদের রক্তদানে উৎসাহিত করছে। অসংখ্য তরুণ আজ মানবতার ডাক শুনে এগিয়ে আসছেন। তাদের এই মানবিক উদ্যোগ সমাজে ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও দায়িত্ববোধ তৈরি করছে।
বিশ্ব রক্তদাতা দিবসে আমাদের প্রত্যাশা- প্রতিটি সুস্থ মানুষ অন্তত বছরে একবার হলেও স্বেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে আসুক। একজন মানুষ হিসেবে আরেকজন মানুষের বিপদের সময় পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। মনে রাখতে হবে, আজ আমি রক্ত দিচ্ছি, কাল হয়তো আমার প্রিয় মানুষটির জন্যও কারও রক্তের প্রয়োজন হতে পারে।
একজন রক্তদাতা কখনো শুধুই একজন মানুষ নন; তিনি একটি পরিবারের আশার আলো, একজন মুমূর্ষু রোগীর শেষ ভরসা এবং মানবতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।
আসুন, ১৪ জুন বিশ্ব রক্তদাতা দিবসে আমরা সবাই শপথ করি “রক্ত দেবো, জীবন বাঁচাবো; মানবতার পাশে দাঁড়াবো।”
কারণ, এক ব্যাগ রক্তের বিনিময়ে হয়তো বেঁচে যেতে পারে একটি সম্পূর্ণ জীবন।
লেখক: প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, ইউনাইটেড ইয়ুথ ব্লাড ডোনেশন সোসাইটি

