শিরোনামঃ-

» সিসিক প্রশাসকের উদ্যোগ; খাদিমপাড়ায় দূর হচ্ছে এলাকাবাসীর চলাচলের প্রতিবন্ধকতা

Published: ১৬. আগ. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেটের খাদিমপাড়ার রুস্তুমপুর গ্রামের বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের চলাচলের প্রতিবন্ধকতা দূর হতে যাচ্ছে। সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর উদ্যোগে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশনের (বিসিক) অভ্যন্তরের সড়কটি এলাকাবাসীর চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

খাদিমনগরে বিসিক শিল্পনগরীর ভেতরের সড়ক দিয়ে নিয়মিত যাতায়াত করতেন খাদিমপাড়া ইউনিয়নের রুস্তুমপুর গ্রামের বাসিন্দারা।

সম্প্রতি সড়কটি বন্ধ করে দেওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েন এলাকার মানুষ। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন চলাচলে ভোগান্তি বেড়ে যায়।

এলাকাবাসীর দুর্ভোগের খবর পেয়ে রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে বিসিক এলাকায় যান সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

এ সময় সিলেট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোশনূর রুবাইয়াৎ, খাদিমপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. বদরুল ইসলাম আজাদ সহ স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে এলাকাবাসী সড়কটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের দুর্ভোগের বিষয়টি সিসিক প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে তুলে ধরেন।

তাঁরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে বিসিকের ভেতরের এই সড়কটি ব্যবহার করে তারা যাতায়াত করে আসছেন।

সড়কটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিকল্প পথে চলাচল করতে গিয়ে তাদের অতিরিক্ত সময় ও ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।

এ সময় সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে এলাকাবাসীর চলাচলের জন্য সড়কটি খুলে দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অনুরোধ জানান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোশনূর রুবাইয়াৎ এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে এলাকাবাসীর চলাচলের প্রতিবন্ধকতা দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান।

সিসিক প্রশাসকের উদ্যোগে দীর্ঘদিনের এই সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা সন্তোষ প্রকাশ করেন।

» ডেন্টাল ট্যুরিজম হাব গড়ে তোলার মাধ্যমে সিলেটের পর্যটন খাতকে সমৃদ্ধ করা হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির

Published: ১৬. আগ. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটে আন্তর্জাতিক মানের ‘ডেন্টাল ট্যুরিজম হাব’ গড়ে তোলার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি।

তিনি বলেন, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সিলেটের লাখ লাখ প্রবাসী রয়েছেন।

প্রবাসীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সিলেটের পর্যটন খাতকে আরও সমৃদ্ধ করতে এই হাব বড় ভূমিকা রাখবে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) নবনির্মিত অত্যাধুনিক সিলেট সেন্ট্রাল ডেন্টাল কলেজ ও জেনারেল হাসপাতাল এর ডেন্টাল বহির্বিভাগের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও সেন্ট্রাল ডেন্টাল কলেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. জিয়াউর রহমান চৌধুরী, সিলেট সেন্ট্রাল ডেন্টাল কলেজের চেয়ারম্যানের প্রফেসর ডা. এম এ ওয়াহিদ, কলেজের ফিন্যান্স ডিরেক্টর ও ওয়েসিস হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা. সুলাইমান আহমেদ এবং কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল অধ্যাপক ডা. মুমিনুল হক।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের প্রবাসীরা দাঁতের চিকিৎসার জন্য দেশে এসে ঢাকা বা বিভিন্ন জায়গায় ছুটেন।

আমাদের লক্ষ্য সিলেটে এমন একটি সুযোগ তৈরি করা যেন প্রবাসীরা সহজেই উন্নত চিকিৎসা পান। এতে শুধু চিকিৎসাসেবা নয়, একই সাথে সিলেটের ট্যুরিজমও বৃদ্ধি পাবে।”

এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

বক্তারা জানান, সেন্ট্রাল ডেন্টাল কলেজের এই নতুন বহির্বিভাগ অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ও আধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত, যা প্রবাসীদের পাশাপাশি স্থানীয় সাধারণ মানুষের জন্য বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থীবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

» রাসূলের সুন্নত; মুসলিম জীবনের আলোকবর্তিকা

Published: ১৬. আগ. ২০২৬ | রবিবার

আতিকুর রহমান নগরীঃ
মানবজীবনের সবক’টি ক্ষেত্রে ইসলাম পরিপূর্ণ গাইডলাইন দিয়েছে।

সেই গাইডলাইনের সর্বোচ্চ দিক হলো নবী মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’র সুন্নত তথা জীবনাদর্শ।

প্রিয় নবীর জীবন, আচরণ ও আদর্শ মুসলিম জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আমাদের জন্য অনুস্মরণীয়-অনুকরণীয়।

সুন্নত পালন মানে শুধু ইবাদত বা রীতিনীতি মেনে চলা নয়, বরং এটি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। আল্লাহ তাআলা বলেন -وَمَّا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانْتَهُوا

‘রাসুল তোমাদের যা দেন, তা গ্রহণ কর, আর যা থেকে তোমাদের নিষেধ করেন তা থেকে বিরত হও।’-সুরা হাশর: আয়াত ৭।

এই আয়াতে কারিমায় সুস্পষ্ট নির্দেশ আছে যে, নবীজির সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নত গ্রহণ ও পালন করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য বাধ্যতামূলক এবং তা আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের অন্যতম মাধ্যম।

সুন্নত হলো ইসলামের পূর্ণতা:
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নত ইসলামের অনুষঙ্গ। যারা সুন্নাত অনুসরণ করেন, তাঁরা ইসলামের পূর্ণ রূপকে অনুধাবন করতে পারেন।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, مَن رَغِبَ عَن سُنَّتِي فَلَيْسَ مِنِّي যে আমার সুন্নাত থেকে বিচ্যুত হবে, সে আমার অন্তর্ভুক্ত নয়।’-বুখারি।

আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যম:
সুন্নত পালন মানে আল্লাহর আনুগত্য মেনে চলা এবং তার সন্তুষ্টি অর্জন করা। নবীজির রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’র পথে চলা আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের পরিচয়।

আল্লাহ তাআলা বলেন, قُلْ أَطِيعُوا اللَّهَ وَالرَّسُولَ‘ বলুন, ‘তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর এবং রাসুলের আনুগত্য কর।’-সুরা আন-নূর: আয়াত ৫৪।

নৈতিকতার উন্নয়নে সুন্নত:
নবীজির রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আখলাক তথা চরিত্র ও আচরণ অনুসরণ করলে মনুষ্যত্বের সর্বোত্তম দিকগুলো প্রতিফলিত হয়।

দয়া, ধৈর্য, সততা, নম্রতা। রাসুলুল্লাহ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, إنما بعثت لأتمم مكارم الأخلاق ‘আমি শুধু নৈতিকতার সেরা গুণাবলি সম্পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত হয়েছি।’-মুসনাদে আহমাদ ৮৯৫২।

সুন্নাত পালন সমৃদ্ধি ও বরকত বয়ে আনে:
নিয়মিত নবীজি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’র সুন্নতপূর্ণ ইবাদত ও রীতি মেনে চলা জীবনকে সহজ, শান্তিপূর্ণ ও বরকতময় করে।

এতে বোঝা যায় যে সুন্নাত ও নবীজির নিয়ম মেনে চললে জীবনে প্রকৃত সমৃদ্ধি ও বরকত আসে। রাসুলুল্লাহ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, من عمل عملاً ليس عليه أمرنا فهو ردّ ‘যে ব্যক্তি এমন কোন আমল করবে, যে বিষয়ে আমার অনুমোদন নেই, তা আমলকারীর ওপর প্রত্যাখ্যাত হবে।’-মুসলিম ১৭১৮।

সুন্নতের অনুসরনেই উভয় জাহানের সুখ:
বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’র আদর্শ তথা সুন্নতের অনুসরণ কেবল দুনিয়ার জন্য নয়, বরং তা আখিরাতেও কল্যাণ বয়ে আনে। আল্লাহ তাআলা বলেন, قُلۡ إِن كُنتُمۡ تُحِبُّونَ ٱللَّهَ فَٱتَّبِعُونِي يُحۡبِبۡكُمُ ٱللَّهُ وَيَغۡفِرۡ لَكُمۡ ذُنُوبَكُمۡۚ

‘(হে রাসুল! আপনি) বলে দিন, তোমরা যদি আল্লাহকে ভালোবাসতে চাও, তাহলে আমার অনুসরণ কর। ফলে আল্লাহ তোমাদেরকে ভালোবাসবেন এবং তোমাদের অপরাধসমূহ ক্ষমা করবেন।’-সুরা আল-ইমরান: আয়াত ৩১।

আল্লাহ তাআলা অন্য সূরায় ইরশাদ করেন,  مَّن يُطِعِ ٱلرَّسُولَ فَقَدۡ أَطَاعَ ٱللَّهَ
‘যে রাসুলের আনুগত্য করলো, সে আসলে আল্লাহরই আনুগত্য করল।’-সুরা নিসা: আয়াত ৮০।

প্রিয় নবীর সুন্নাত পালন হলো মুসলিম জীবনের ভিত্তি। এটি কেবল ইবাদত নয়, বরং নৈতিকতা, আখলাক তথা চরিত্র ও জীবনযাত্রার পূর্ণতা প্রদানকারী।

নবী রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দেখানো পথ অনুসরণ করলে আল্লাহর রেজামন্দি তথা সন্তুষ্টি, দুনিয়া ও আখিরাতে বরকত, এবং আত্মিক প্রশান্তি অর্জন সম্ভব।

আমাদের উচিত জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে রাসূল রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নত তথা জীবনাদর্শকে আলোকবর্তিকা হিসেবে গ্রহণ করা উচিত।

কেননা প্রিয় নবী রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’র আদর্শ অনুসরণ আমাদের জীবনকে অলঙ্কৃত করে। আমাদের ইবাদতে প্রাণ সঞ্চার করে। আমাদের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে।

আল্লাহ তায়ালা যেন প্রথমে আমাকে এবং আমাদের সবাইকে আল্লাহ আমাদের সবাইকে বিশ্বনবীর সুন্নত অনুসরণ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

লেখক: আলেম, সাংবাদিক

» সিলেটে স্কুলছাত্র রিফাত হত্যার আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন

Published: ১৬. আগ. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট নগরীর কাজিরবাজার (সেলফি ব্রিজ) এলাকায় নির্মমভাবে খুন হওয়া নবম শ্রেণির ছাত্র রিফাত আহমেদের হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১৬ আগস্ট) নগরীর চৌহাট্টাস্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে সকাল ১১টায় সিলেটের সর্বস্তরের জনসাধারণের উদ্যোগে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, অবিলম্বে এই পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সব আসামিকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তি অর্থাৎ ফাঁসি নিশ্চিত করতে হবে।

তা না হলে আগামীতে আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেন তারা। প্রশাসনের চরম ব্যর্থতার তীব্র প্রতিবাদ ও অসন্তোষ ব্যক্ত করেন বক্তারা।

বক্তারা বলেন, খাসদবীর এলাকার সন্তান ও স্থানীয় ‘দ্বীপশিখা স্কুল’-এর নবম শ্রেণির ছাত্র রিফাত আহমদকে গত ২৭ জুলাই কাজির বাজার সেলফি ব্রিজে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এবং তার বন্ধুদেরও গুরুতর আহত করা হয়।

ঘটনার দীর্ঘদিন পার হয়ে গেলেও ঘাতকদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি না থাকায় নিহত ও আহত পরিবারগুলো ন্যায় বিচার পাবে কি না তারা আশংকার মধ্যে রয়েছেন।

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শিক্ষানুরাগী হুমায়ূন আহমেদ মাশুকের সভাপতিত্বে ও শাকিল আহমদ খানের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য  কল্যাণ পরিষদের সভাপতি আব্দুল মুনিম মল্লিক মুন্না, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাদী পাবেল, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি সিলেট জেলার সহ-সভাপতি ফুয়াদ বিন রশীদ, ১০নং উত্তর বাদেপাশা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জাহিদ হোসেন, দারুস সালাম মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা নেয়ামত উল্লাহ, এডভোকেট আব্দুল আলিম, এডভোকেট আব্দুল আজিম, জুলাই যোদ্ধা লিটন আহমেদ, শুকরিয়া মার্কেটের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও আহত আব্দুস সামি সিকন্দারের পিতা মোঃ সিরাজ সিকদার, নিহত রিফাতের মা ডলি বেগম।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, শুকরিয়া মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সদস্য মাহমুদ, রাজি, ছাত্র তোফায়েল আহমদ তপু, যুবদল কর্মী মুমিন আহমদ, জুয়েল আহমদ শেকু, তোফায়েল সিকদার তপু, সুমন আহমদ, ইমন আহমদ, এরশাদ, ইয়াসিন আহমদ, আহত ছাব্বিরের ভাই রাব্বি, নিহতের চাচাত ভাই মো. হাবিবুর রহমান, বিশিষ্ট সমাজসেবী নাজমুল ইসলাম, রুহুল আমিন, নাজিম সহ নিহতের পরিবার, সহপাঠী, শিক্ষক সহ এলাকার বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

» সিলেটে শাহজালাল জামেয়া নাজিরেরগাঁওয়ে কিশোরকন্ঠের দোয়া মাহফিল

Published: ১৬. আগ. ২০২৬ | রবিবার

আল্লামা সাঈদী অর্ধশতাব্দী মানুষকে আল্লাহর দিকে ডেকেছেন : মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার

নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরীনের সহকারী জেনারেল সেক্রেটারি মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার বলেছেন, আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী (রহ.) অর্ধশতাব্দী ধরে মানুষকে আল্লাহর দিকে ডেকেছেন।
হেদায়াতের আলোয় জাতিকে আলোকিত করার চেষ্টা করেছেন। দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটে বেড়িয়ে কুরআনের দিকে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বজুড়েও তাঁর তাফসিরের প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছিল।

তিনি বলেন, শীতের রাতে খোলা মাঠে চাদর মুড়ি দিয়ে লাখো মানুষ তাঁর কণ্ঠে কুরআনের তাফসির শুনেছেন। তাঁর আলোচনায় বহু মানুষের জীবনের মোড় ঘুরে গেছে।

রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে কিশোরকন্ঠ পাঠক ফোরাম শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল মাদরাসা নাজিরেরগাঁও শাখা আয়োজিত ‘শহীদ আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী (রহ.)-এর জীবন ও কর্ম’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পাঠক ফোরামের পরিচালক হাফিজ ফাহাদ আহমদের সভাপতিত্বে এবং ব্যবস্থাপক আব্দুর রাজ্জাক সৈয়দের পরিচালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে কুরআন তিলাওয়াত করেন, আইমান আল কাবীর।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, পাঠক ফোরামের পৃষ্ঠপোষক মাওলানা হানীফ হোসাইন, খোরশেদ আলম মহসিন, মো. শাহীন আলম, শেখ মো. ইউনুস আলী, মাওলানা আবদাল হোসাইন, সিদ্দিকুর রহমান, আলাউদ্দিন, হাফিজ মেহেদী হাসান, মাওলানা আব্দুল খালিক, হাফিজ ইমরান আহমদ, মাওলানা আমীর হোসাইন, মাওলানা কায়েস আহমদ, মাওলানা হোসাইন আহমদ, তানভীর আহমদ ও হাফিজ সাইদুজ্জামান প্রমূখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার আরও বলেন, মানুষের ভালোবাসা আল্লামা সাঈদীকে তাফসিরের ময়দান থেকে জাতীয় সংসদে নিয়ে গিয়েছিল।

তাঁর ফাঁসির রায়ের দিন দেশজুড়ে মানুষের ঢল নেমেছিল। প্রিয় মানুষটির প্রতি ভালোবাসা এবং তাঁর ওপর জুলুমের প্রতিবাদে অগণিত মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। সেই প্রতিবাদে দেড় শতাধিক মানুষ শহীদ হন।
তিনি বলেন, বছরের পর বছর আল্লামা সাঈদী কারাবন্দি থেকেছেন।
আজ তিনি আমাদের মাঝে নেই। সময়ের পালাবদলে তাঁকে বন্দি রাখা সেই শাসনেরও অবসান হয়েছে। রয়ে গেছে তাঁর কণ্ঠের স্মৃতি, তাফসির, কর্ম এবং অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা।

» মৎস্য উৎপাদনের মাধ্যমে গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজারকে সমৃদ্ধ করার সুযোগ রয়েছে : এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী

Published: ১৬. আগ. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী বলেছেন, গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজারে মৎস্য খাতে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।

সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ এবং মৎস্য চাষি, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও অন্যান্য অংশীজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। মৎস্য উৎপাদনে এই দুই উপজেলা আরও সমৃদ্ধ ও স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে।

জাতীয় মৎস্য পক্ষ পালনের প্রথম দিন রবিবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

‘রূপালী মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপদ্যকে সামনে রেখে রবিবার গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও মাছের পোনা অবমুকরণের আয়োজন করা হয়।

সবার আগে উপজেলা চত্বর থেকে র‌্যালি শুরু হয়ে বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিণ করে ইউএনও-এর বাংলোর পুকুরঘাটে এসে শেষ হয় এবং পুকুরে বিভিন্ন জাতের মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।

এরপর উপজেলা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত আলেচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা হাসিবুল হাসান।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল মাহমুদ ফুয়াদ, উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. ইউসুফ হোসেন খান,  সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর ডিজিএম ওবায়দুল হক, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা মহিউসসুন্নাহ চৌধুরী নার্জিস ও গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী শাহিন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম এবং উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর জিন্নুর আহমদ চৌধুরী।

» ওয়াক্ফ এস্টেটের ভূমি ব্যবস্থাপনা নিয়ে খাদিমনগরে মতবিনিময় সভা

Published: ১৬. আগ. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ ওয়াক্ফ প্রশাসনের আওতাভুক্ত ‘হাজী ছলিম উল্লাহ্ ও হাজী হেকিম উল্লাহ ওয়াক্ফ এস্টেট, সদর, সিলেট’-এর মালিকানাধীন ভূমির সুষ্ঠু ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত এবং খাজনা আদায়ের লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (১৬ আগস্ট) সিলেট ৩নং খাদিমনগর ইউনিয়নের ১্নং ওয়ার্ডের পীরেরগাঁও মোকামবাড়ী প্রাঙ্গণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

হাজী ছলিম উল্লাহ্ ও হাজী হেকিম উল্লাহ ওয়াক্ফ এস্টেটের মোতায়াল্লী মো. মতিউর রহমানের সভাপতিত্বে এবং হুমায়ুন কবিরের পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার হিসাব নিরীক্ষক ও পরিদর্শক মোহাম্মদ সজল মিঞা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ সজল মিঞা বলেন, ওয়াক্ফ সম্পত্তি ধর্মীয় ও জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য উৎসর্গীকৃত।

এই সম্পত্তির সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব।

ওয়াকফ প্রশাসনের নীতিমালা মেনে ভূমির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে এর সুফল সাধারণ মানুষ ও সংশ্লিষ্ট ওয়াক্ফ এস্টেট উভয়ই ভোগ করবে।

সভাপতির বক্তব্যে মো. মতিউর রহমান বলেন, ওয়াক্ফ এস্টেটের সার্বিক উন্নয়ন ও সম্পত্তি সুরক্ষায় তারা স্বচ্ছতা বজায় রেখে কাজ করে যাচ্ছেন।

এলাকার সকলের সহযোগিতা নিয়ে এস্টেটের আওতাধীন জমি সুষ্ঠুভাবে ব্যবস্থাপনার আশ্বাস প্রদান করেন তিনি।

উক্ত আলোচনা সভায় এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাধারণ দূর-দূরান্ত থেকে আগত ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় ওয়াক্ফ ভূমির সার্বিক সুরক্ষা ও সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সর্বসম্মতিক্রমে নানা মতামত তুলে ধরা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার আবুল কালাম আজাদ, সিলেট ১৫নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মুজিবুর রহমান শওকত, রহমত এলাহি. নিয়ামত এলাহি, সেলিম আহমদ, আমিনুর রহমান, সায়েম আহমদ, মাজহারুল ইসলাম আলম, মো. হুমায়ুন কবির, আকিব এলাহি, ইয়াশফি এলাহী, আরফান জায়ান আহমদ, ইশরাক আহমদ, বাপ্পি, নুরুজ্জামান, মোস্তাক আহমদ, তানহার, আল রাজি, তামিম, তাসিন, আশরাফ মামুন, মিলাদ, আরমান, তারেক, হান্নান, লুলু, জিহাদ, কাবুল, ছালিক, শাকিল, আকিল, রিফাত, আরাফাত, রাফাত, তালহা, বাদশাহ।

আগামী ৩০ আগস্টের মধ্যে ওয়াক্ফ এস্টেটে বসবাসরত ব্যক্তিদের জমিজমার পরিমান সংক্রান্ত হিসাব সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের কাছে প্রদান করতে বলা হয়েছে।

এর পূর্বেও এলাকাবাসীর সাথে হাজী ছলিম উল্লাহ ও হাজী হেকিম উল্লাহ্ ওয়াক্ফ এস্টেটের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

» সিউক-এর পূর্বানুমোদন ছাড়া ভবন নির্মাণ ও জমি ব্যবহার নিষিদ্ধ

Published: ১৬. আগ. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ
পরিকল্পিত নগর গঠন, সুশৃঙ্খল নগরায়ন এবং পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে সিলেট মহানগরী ও সংলগ্ন এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক)।

কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন ছাড়া যেকোন ধরনের ভবন নির্মাণ, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে এক গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এখন থেকে সিউক আওতাধীন এলাকায় ভূমি ব্যবহারের ছাড়পত্র, ভবন নির্মাণের নকশা অনুমোদন এবং জলাধার খনন বা পুনঃখননের আবেদন সিউকের কার্যালয়ে (২৯/এ ফরচুন গার্ডেন, বঙ্গবীর রোড, নাইওরপুল, সিলেট) জমা দিতে হবে।

গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাসমূহ:
ইমারত নির্মাণ আইন ১৯৫২, ইমারত নির্মাণ বিধিমালা ১৯৯৬ এবং বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি) ২০২০ অনুসরণে সিউকের তালিকাভুক্ত স্থপতি, প্রকৌশলী বা নকশাকারকের মাধ্যমে ভূমি জরিপ, মাটি পরীক্ষা ও নকশা প্রণয়ন করে আবেদন দাখিল করতে হবে।

রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০-এর ৫ ধারা অনুযায়ী সব ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানকে সিউকে নিবন্ধিত হতে হবে।

অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী নির্মাণকাজ শেষ করতে হবে। অবৈধ দখল, জলাশয় ভরাট বা পরিবেশের ক্ষতিকারক যেকোনো কাজ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০২৩-এর ৫৪ ধারা উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আইনটি কার্যকর হওয়ার পর সিউকের অনুমতি ব্যতিরেকে অন্য কোন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নেওয়া অনুমোদন অকার্যকর ও অননুমোদিত বলে গণ্য হবে।

আইন বা বিধিমালা লঙ্ঘন করে পরিচালিত কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করা হয়েছে।

নগরবাসীকে সিউক কার্যালয়ে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সেবা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

» বিশ্বনাথে দুই প্রবাসীকে সংবর্ধনা ও বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল

Published: ১৬. আগ. ২০২৬ | রবিবার

বিশ্বনাথ প্রতিনিধিঃ
সিলেটের বিশ্বনাথে দুই প্রবাসীকে সংবর্ধনা প্রদান এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে বিশ্বনাথ উপজেলা ও খাজাঞ্চী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যৌথ উদ্যোগে বিশ্বনাথ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এবং আগামী খাজাঞ্চী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আশিকুর রহমান রানার ৬নম্বর ওয়ার্ডস্থ বাসভবনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

তবলপুর গ্রামের প্রবীণ মুরুব্বি ও স্থানীয় বিএনপি নেতা সফিক মিয়ার সভাপতিত্বে এবং বিশ্বনাথ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুজ্জামান জামানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপির সভাপতি গৌছ আলী।

প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন, বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান লিলু মিয়া।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ পোয়েটস ক্লাবের চেয়ারম্যান, কবি ও সাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী।

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাওছার খান, খাজাঞ্চী ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি খায়রুল আমিন কবির মেম্বার, ধনাই মিয়া, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল লতিফ, উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল কুদ্দুস এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য তাজেক আলী।

এছাড়াও খাজাঞ্চী ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের বিএনপি নেতাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউনুছ আলী, হারুন আলী, হারিছ আলী, সফিক আহমদ, আত্তই মিয়া ও মখবুল আলী; ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইছবর আলী, ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি রইছ মিয়া, সাধারণ সম্পাদক আপ্তাব আলী ও সাংগঠনিক সম্পাদক আরশ আলী, ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল হান্নান ও মনির আলী এবং ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক আপ্তাব উদ্দিন, সহ-সভাপতি মাসুক মিয়া, শামিম আহমদ, আবুল লেইছ, ফারুক মিয়া, আকবুল আলী ও লয়লুছ আলী।

স্বেচ্ছাসেবক দল ও অঙ্গ-সংগঠনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব গোলাম আকবর, যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক মিয়া, দেলোয়ার হোসেন, আরশ আলী, তাজুল ইসলাম, জুবেল আহমদ, আবুল আহমদ, মিজান আহমদ, লায়েছ আহমদ, জলাল আহমদ, ইমরান আহমদ এবং ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি খালেদ আহমদ ও মৌরশ আলী।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তিলাওয়াত করেন, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম।

আলোচনা সভা শেষে দুই প্রবাসীকে সম্মাননা সংবর্ধনা প্রদান করা হয় এবং মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

» সিসিক প্রশাসককে মহারাজের কৃতজ্ঞতা; ঝুলনযাত্রার আমন্ত্রণ

Published: ১৬. আগ. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) প্রশাসকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ইসকন বাংলাদেশের সহ-সভাপতি ও ইসকন সিলেটের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ ভক্তি অদ্বৈত নবদ্বীপ স্বামী মহারাজ।

রোববার (১৬ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ইসকন সিলেট মন্দিরের শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসব সফলভাবে সম্পন্ন করতে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সহযোগিতা ও আন্তরিক সময় দেওয়ায় প্রশাসকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান শ্রীমৎ ভক্তি অদ্বৈত নবদ্বীপ স্বামী মহারাজ।

পূজ্যপাদ মহারাজ বলেন, রথযাত্রা মহোৎসব সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে সিসিক প্রশাসনের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। প্রশাসক ব্যস্ততার মধ্যেও সময় দিয়ে রথযাত্রার বিষয়ে সহযোগিতা করায় তিনি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এ সময় আগামী ২৩ আগস্ট থেকে শুরু হতে যাওয়া শ্রীশ্রী রাধা-মাধবের ঝুলনযাত্রা মহোৎসবের বিষয়ে আলোচনা হয়।

পরে শ্রীমৎ ভক্তি অদ্বৈত নবদ্বীপ স্বামী মহারাজ সিসিক প্রশাসককে ঝুলনযাত্রা মহোৎসবে উপস্থিত থাকার জন্য সাদর আমন্ত্রণ জানান এবং অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র প্রদান করেন।

সৌহার্দ্যপূর্ণ এ সাক্ষাতে ইসকন সিলেট ও সিসিক প্রশাসনের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের বিষয়েও আলোচনা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ইসকন সিলেট মন্দিরের কমান্ডার দেবেন্দ্র কেশব দাস ব্রহ্মচারী এবং ইসকন সিলেট মন্দিরের যোগাযোগ বিভাগের পরিচালক সিদ্ধ মাধব দাস অধিকারী।

» জৈন্তাপুরে কৃষক-শ্রমিকের জনপদে পৌরসভা নয়, ইউনিয়ন পরিষদই চান নাগরিকরা

Published: ১৫. আগ. ২০২৬ | শনিবার

জৈন্তাপুরে প্রস্তাবিত পৌরসভা নিয়ে আপত্তি, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

জৈন্তাপুর প্রতিনিধিঃ

সিলেটের জৈন্তাপুরে প্রস্তাবিত পৌরসভা বাতিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে সচেতন নাগরিক ফোরাম।

শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেল ৫টায় জৈন্তাপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রস্তাবিত পৌরসভা গঠনের প্রক্রিয়ায় ভুল তথ্য উপস্থাপন ও সীমানা নির্ধারণে নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে পুনরায় নিরপেক্ষভাবে সরেজমিন তদন্তের দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, নিজপাট ও জৈন্তাপুর ইউনিয়নের সচেতন নাগরিক ফোরামের আহ্বায়ক মো. জালাল উদ্দিন।

এ সময় সংগঠনের যুগ্ন আহবায়ক বুরহান আহমেদ, সদস্য সচিব আব্দুল কাইয়ুম সরকার, সদস্য কামাল হোসেন, উপজেলা শ্রমীকদলের সভাপতি আব্দুর রব, বিশিষ্ট মুরব্বি হোসাই আহমেদ ও মাওলানা এবাদুর রহমানসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ১৪ জুলাই তারিখে জৈন্তাপুর উপজেলার ১ নম্বর নিজপাট ইউনিয়ন ও ২ নম্বর জৈন্তাপুর ইউনিয়নের ১২টি মৌজা নিয়ে প্রস্তাবিত জৈন্তাপুর পৌরসভার গেজেট প্রকাশ করে সরকার।

তবে সচেতন নাগরিক ফোরামের দাবি, পৌরসভা বাস্তবায়নের জন্য এ অঞ্চল এখনো উপযুক্ত নয় এবং পৌরসভা গঠনের প্রস্তাব তৈরির ক্ষেত্রে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অধিকাংশ তথ্য ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

একই সঙ্গে ব্যক্তিগত স্বার্থ রক্ষায় প্রস্তাবিত পৌরসভার সীমানা নির্ধারণেও নীতিমালা লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

সংগঠনটির দাবি, প্রস্তাবিত পৌরসভা গঠনের প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পর থেকেই এলাকার অধিকাংশ মানুষ ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।

ইতোমধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছে প্রস্তাবিত পৌরসভা বাতিলের দাবিতে মৌজাভিত্তিক লিখিত আবেদন দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ গত ১২ আগস্ট ১ নম্বর নিজপাট ও ২ নম্বর জৈন্তাপুর ইউনিয়নের প্রস্তাবিত পৌরসভা এলাকার বিভিন্ন মৌজার হাজার হাজার মানুষের গণস্বাক্ষরিত আপত্তিপত্র জেলা প্রশাসক, সিলেট বরাবর জমা দেওয়া হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন-২০০৯-এর বিধান এবং বাস্তব তথ্যের সঙ্গে প্রস্তাবিত পৌরসভা গঠনের প্রজ্ঞাপনের অসঙ্গতি রয়েছে।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ভৌগলিক, অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও সামাজিক বাস্তবতা বিবেচনায় জৈন্তাপুরে পৌরসভা গঠনের যৌক্তিকতা নেই।

তাঁরা বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদ ব্যবস্থাতেই সন্তুষ্ট এবং পৌরসভা গঠনের আগে সঠিক তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানায়।

লিখিত বক্তব্যে আরও দাবি করা হয়, প্রস্তাবিত পৌরসভা এলাকার ১২টি মৌজার ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ মানুষ কৃষির সঙ্গে জড়িত।

এছাড়া একটি বড় অংশ শ্রমিক ও দিনমজুর হিসেবে জীবিকা নির্বাহ করেন।

এলাকায় উল্লেখযোগ্য শিল্প-কারখানা নেই এবং উপজেলা সদরের একটি বাজার ছাড়া অন্যান্য এলাকায় ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিমাণও সীমিত বলে দাবি করা হয়।

নদী থেকে বালু উত্তোলনকারী শ্রমিক, ধান ও শাক-সবজি উৎপাদনকারী কৃষকদের ওপর পৌরসভা ব্যবস্থা চাপিয়ে দেওয়া হলে তারা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।

অকৃষি জমির হিসাব তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, নিজপাট ইউনিয়নে মোট জমির পরিমাণ ৮ হাজার ৪২৪ দশমিক ৫৭ একর।

এর মধ্যে অকৃষি জমি ৭৫৪ দশমিক ৬০ একর, যা মোট জমির ৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ।

অন্যদিকে ২ নম্বর জৈন্তাপুর ইউনিয়নে মোট জমির পরিমাণ ১১ হাজার ৪৪৮ একর এবং অকৃষি জমির পরিমাণ ৩ হাজার ১৩৬ একর, যা ২৭ দশমিক ৪ শতাংশ।

দুই ইউনিয়নের ৪৮টি মৌজার মধ্যে ১২টি মৌজা নিয়ে পৌরসভা গঠনের প্রস্তাব করা হলেও সামগ্রিক বাস্তবতায় অকৃষি জমির হার প্রয়োজনীয় মাত্রার তুলনায় কম বলে দাবি করা হয়।

জনসংখ্যার হিসাব নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে সংবাদ সম্মেলনে।

২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী ১ নম্বর নিজপাট ইউনিয়নের জনসংখ্যা ৩৭ হাজার ১৮০ এবং ২ নম্বর জৈন্তাপুর ইউনিয়নের জনসংখ্যা ৩৩ হাজার ৮৫০ জন। দুই ইউনিয়ন মিলিয়ে মোট জনসংখ্যা ৭১ হাজার ৩০ জন।

অথচ প্রস্তাবিত পৌরসভার অন্তর্ভুক্ত ১২টি মৌজার জনসংখ্যা ২৬ হাজার ৮৫১ জন বলে দাবি করা হয়েছে।

এ অবস্থায় পৌরসভা গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় জনসংখ্যার শর্ত পূরণ হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সচেতন নাগরিক ফোরাম।

সংগঠনটির বক্তব্য, দুই ইউনিয়নের মোট জনসংখ্যা ৭১ হাজার ৩০ জনের মধ্যে প্রস্তাবিত ১২টি মৌজায় যদি ৫০ হাজার জনসংখ্যা দেখানো হয়, তাহলে অবশিষ্ট ৩৬টি মৌজায় মাত্র ২১ হাজার ৩০ জন জনসংখ্যা থাকার কথা।

এ হিসাব বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করার দাবি জানানো হয়।

প্রস্তাবিত পৌরসভার ১২টি মৌজার মধ্যে তিনটি মৌজা সরকারি তপশিল অনুযায়ী হাওর এলাকা বলেও সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়।

এগুলো হলো, কেন্দ্রী হাওর, ডিবির হাওর ও বিরাইমারা হাওর। এসব এলাকার প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ কৃষির সঙ্গে জড়িত এবং ডিবির হাওরের প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ মৎস্যজীবী বলে দাবি করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, প্রস্তাবিত পৌরসভা গঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা ভুল তথ্য উপস্থাপন করে থাকলে তা পুনরায় যাচাই করা প্রয়োজন।

সংগঠনটির দাবি, কোন ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক নেতৃত্বের বিকাশের উদ্দেশ্যে নয়, বরং স্থানীয় মানুষের বাস্তব জীবন-জীবিকা, কৃষি, অর্থনীতি, ভৌগলিক অবস্থান ও সামাজিক কাঠামো বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে।

সচেতন নাগরিক ফোরামের আহ্বায়ক মো. জালাল উদ্দিন বলেন, “আমরা ভুল তথ্যের মাধ্যমে নয়, সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে নীতিমালা অনুযায়ী জৈন্তাপুরে পৌরসভা গঠনের উপযুক্ততা যাচাই চাই।

পুনরায় নিরপেক্ষভাবে সরেজমিন তদন্ত করে সঠিক তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

অন্যথায় ভুল তথ্য ও মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে প্রস্তাবিত পৌরসভা গঠনের প্রক্রিয়া অনতিবিলম্বে বাতিল করতে হবে।”

সংগঠনটির পক্ষ থেকে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাবিত পৌরসভা গঠনের রূপরেখা পুনর্বিবেচনা, নিরপেক্ষ সরেজমিন তদন্ত এবং সঠিক তথ্য-উপাত্ত যাচাইয়ের পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

পাশাপাশি বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদ ব্যবস্থা বহাল রাখার দাবিও জানানো হয়েছে।

» সড়ক নির্মাণ প্রকল্প পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক

Published: ১৫. আগ. ২০২৬ | শনিবার

সম্প্রসারিত ওয়ার্ড সমূহে ব্যাপক উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করছি

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সম্প্রসারিত ওয়ার্ডগুলোতে ব্যাপক উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

কারণ নতুন ওয়ার্ডগুলো উন্নয়নের দিক থেকে পুরোনো ওয়ার্ডগুলোর তুলনায় অনেক পিছিয়ে রয়েছে।

পর্যায়ক্রমে এসব এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন করে মূল নগরের সমপর্যায়ে নিয়ে আসার চেষ্টা করা হচ্ছে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের মুক্তিরচক এলাকায় সড়ক নির্মাণ প্রকল্প পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সিসিক প্রশাসক বলেন, পুরোনো ওয়ার্ডগুলোর মতো সম্প্রসারিত ওয়ার্ডগুলোতেও আধুনিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে চাই। এ লক্ষ্যেই নতুন সড়ক নির্মাণ সহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, মুক্তিরচক এলাকায় সড়ক নির্মাণের আগে প্রয়োজনীয় মাটি ভরাট করা হয়েছে।

এরপর সড়কে সিসি ঢালাই দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এর ওপর আরসিসি ঢালাইয়ের কাজ চলছে।

যেসব স্থানে নতুন করে মাটি ভরাট করা হয়েছে, সেসব স্থানে সড়কের পাশে রিটেইনিং ওয়ালও নির্মাণ করা হয়েছে।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান, ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে প্রায় ২৫ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

এসব প্রকল্পের মাধ্যমে সড়ক, ড্রেনেজ সহ বিভিন্ন অবকাঠামোর উন্নয়ন করা হচ্ছে।

নগরীর উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, এই ওয়ার্ডের যেসব সড়কের উন্নয়নকাজ এখনো বাকি রয়েছে, পর্যায়ক্রমে সেগুলোও বাস্তবায়ন করা হবে।

সড়ক উন্নয়নের পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে সড়কবাতি স্থাপনের কাজও করা হবে।

তিনি বলেন, পরিকল্পিত ও টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে সম্প্রসারিত ওয়ার্ডগুলোকে একটি আধুনিক ও জনবান্ধব এলাকায় পরিণত করতে চাই।

এ জন্য সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি নগরবাসীর সহযোগিতাও প্রয়োজন।

উন্নয়নকাজ বাস্তবায়নে সবাইকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।

পরিদর্শনকালে সিসিকের সাবেক কাউন্সিলর নাজমুল ইসলাম, উপসহকারী প্রকৌশলী খায়রুল ইসলাম অপু, শাহগলি ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শিহাব আহমদ, তরুণ সংগঠক ফরহাদ, নয়ন, ফাহিম, শাহনুর সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

Callender

August 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31