- এইডেড হাইস্কুলে বহুতল মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক
- সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে উন্নয়নকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
- যে কোন আর্থিক ক্রাইসিসে শক্ত অবস্থান নিয়ে পাশে থাকে পূবালী ব্যাংক : কয়েস লোদী
- চায়না মার্কেট ব্যবসায়ীদের ২৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
- সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাব-শহীদ সাংবাদিক এটিএম তুরাব বেস্ট রিপোর্টিং এ্যওয়ার্ড পাচ্ছেন চার সাংবাদিক
- সিলেটের নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসকের সাথে ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়
- ‘জিন্দাবাজার ওভারসিজ সেন্টার ভাঙা ও লিজগ্রহিতাদের উচ্ছেদে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ বহাল, আরও ৬ মাসের ইনজাংশন; ব্যবসায়ীদের সন্তোষ প্রকাশ’
- জেলা প্রসাশকের সাথে সিলেট জেলা ও মহানগর হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত
- ইনার হুইল ক্লাব অব সিলেট হেরিটেজের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী
- বেশি বেশি বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সবুজ সিলেট গড়ে তুলতে হবে : সিসিক প্রশাসক
» এইডেড হাইস্কুলে বহুতল মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক
Published: ২৯. জুলা. ২০২৬ | বুধবার
অর্থনৈতিক ভিত্তি মজবুত করতে যুবশক্তিকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে : আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো দেশের বিপুল যুবশক্তি। এই জনশক্তিকে দক্ষ, শিক্ষিত ও কর্মক্ষম হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে এবং উন্নয়নের গতি বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।
বুধবার (২৯ জুলাই) সকালে দি এইডেড হাই স্কুল প্রাঙ্গণে বহুতল মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, যুবশক্তিকে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে হলে তাদের যুগোপযোগী, মানসম্মত ও বাস্তবমুখী শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে। শুধু সনদনির্ভর শিক্ষা নয়, দক্ষতা ও কর্মমুখী শিক্ষার মাধ্যমে তরুণদের আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। শিক্ষায় বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে, মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় উৎসাহিত করা হচ্ছে এবং কর্মসংস্থানমুখী কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।
এর মাধ্যমে দেশের তরুণরা দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে নিজেদের পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবেন।
শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, একটি উন্নত জাতি গঠনের ভিত্তি হলো মানসম্মত শিক্ষা।
শিক্ষার্থীদের শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল নয়, নৈতিকতা, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধেও সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলতে হবে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শমসের আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি নাসিম হোসেইন, সাবেক কাউন্সিলর হুমায়ুন কবির শাহীন, সাবেক কাউন্সিলর জামাল আহমদ এবং বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক দীপাল কুমার সিংহ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে সিসিক প্রশাসক ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ সমাজসেবক মাহিউদ্দিন সেলিমের আর্থিক সহযোগিতায় নির্মিতব্য বহুতল মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিশুদ্ধ পানির সংকট, খেলার মাঠ ও প্লে-জোনের অভাব, অভ্যন্তরীণ সড়ক নির্মাণসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত সমস্যার কথা তুলে ধরে সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতা কামনা করেন।
জবাবে সিসিক প্রশাসক এসব সমস্যা পর্যায়ক্রমে সমাধানে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এরপর সিসিক প্রশাসক হলি ক্সুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির উদ্যোগে মুহিবুর রহমান একাডেমি প্রাঙ্গনে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন।
ব্যবসায় নেতা নিয়াজ মোহাম্মদ আজিজুল করিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুর রহমান রিপন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী।
» সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে উন্নয়নকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
Published: ২৯. জুলা. ২০২৬ | বুধবার
শিক্ষার মানোন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, শিক্ষা একটি জাতির অগ্রগতির প্রধান ভিত্তি। শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন এবং আধুনিক শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত অবকাঠামো, নিরাপদ পরিবেশ ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে তারা ভবিষ্যতে দেশ গঠনে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।
বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে খেলার মাঠ সংস্কার, দুটি ফটক নির্মাণ এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, সিলেটের শিক্ষা বিস্তারে ঐতিহ্যবাহী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
দীর্ঘদিনের স্বনামধন্য এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো কাঙ্ক্ষিত মানে উন্নীত হয়নি।
তাই শিক্ষার উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করতে সিলেট সিটি কর্পোরেশন বিদ্যালয়টির উন্নয়নকাজ হাতে নিয়েছে।
তিনি জানান, ১ কোটি ৭ লাখ টাকা ব্যয়ে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ সংস্কার, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং দুটি নতুন ফটক নির্মাণ করা হবে।
পর্যায়ক্রমে বিদ্যালয়ের অন্যান্য অবকাঠামোগত সমস্যাও সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
তিনি আরও বলেন, একটি সুন্দর ও আধুনিক শিক্ষা পরিবেশ শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতাও প্রয়োজন।
মতবিনিময় সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, প্রাক্তন কাউন্সিলর ও সিলেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম মুনিম, সমিতির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জাহিদ উদ্দিন, সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শামসুল হক, নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত) রজি উদ্দিন খান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেফালী সুলতানা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিনিয়র শিক্ষক ফৌজিয়া আক্তার।
এ সময় সিনিয়র শিক্ষক মো. আজিজুর রহমান, মো. আবুল খায়ের, বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
» যে কোন আর্থিক ক্রাইসিসে শক্ত অবস্থান নিয়ে পাশে থাকে পূবালী ব্যাংক : কয়েস লোদী
Published: ২৯. জুলা. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
৬৭ বছর ধরে একটা সমৃদ্ধ অর্থনীতি গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে পূবালী ব্যাংক। দেশের আর্থিক সেক্টরে যে কোন ক্রাইসিস মোকাবেলায় এই ব্যাংকের সুদক্ষ অবস্থান আমাদের আস্থা আরও বাড়িয়ে দেয়।
সিলেটে পূবালী ব্যাংক স্টেডিয়াম শাখার ক্যাশলেস বাংলাদেশ প্রোগ্রামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, সিটি কর্পোরেশনের সাবেক প্যানেল মেয়র রেজাউল হাসান কয়েস লোদী এই মন্তব্য করেন।
এক দেশ এক কেউআর লেনদেন হচ্ছে বাংলা কিউ আর এই স্লোগানকে সামনে রেখে দেশব্যাপী পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন অংশ হিসেবে বুধবার (২৯ জুলাই) সিলেট স্টেডিয়াম শাখায় এই ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ব্যাংকের সিলেট প্রিন্সিপাল অফিসের মহাব্যবস্থাপক চৌধুরী মোহাম্মদ শফিউল হাসান, সিলেট পশ্চিম অঞ্চলের উপমহাব্যবস্থাপক রুহুল আমিন, সিলেট স্টেডিয়াম শাখার এজিএম আবু হানিফা রনি সহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।
সিলেট মহানগর এর আম্বরখানা সুনামগঞ্জ রোডে আর্কেডিয়া শপিং কমপ্লেক্সের সম্মুখে দু’দিনব্যাপী ব্যাংকের এই ক্যাশলেস প্রোগ্রাম শুরু হয়েছে।
» চায়না মার্কেট ব্যবসায়ীদের ২৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
Published: ২৯. জুলা. ২০২৬ | বুধবার
সভাপতি মহিউদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক নজরুল
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট নগরীর ঐতিহ্যবাহী বাণিজ্যিক এলাকা আম্বরখানাস্থ চায়না মার্কেট ব্যবসায়ী পরিচালনা কমিটির ২৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
টানা ছয়টি বৈঠকের সুদীর্ঘ ও বিস্তারিত আলোচনা শেষে ব্যবসায়ীদের সর্বসম্মতিক্রমে এই পরিচালনা কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, মওসুফ আহমদ চৌধুরী মাসুম, তানবির আহমদ জুয়েল, রাতুল রায়, রফিক আহমদ, ফরহাদ আহমেদ, রেজওয়ান চৌধুরী।
নবগঠিত কমিটিতে মোহাম্মদ মহিউদ্দিন মাসুদ-কে সভাপতি এবং সৈয়দ নজরুল ইসলাম-কে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
কমিটির বাকিরা হলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি ফরহাদ আহমদ, সহ-সভাপতি আব্দুস সামাদ, সহ-সভাপতি রেজোয়ান আহমদ চৌধুরী, সাজু আহমদ, সজল দেব নাথ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সালাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিহির তালুকদার, এম. এ হাসান সাগর, আসাদুজ্জামান আসাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল হক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার, অর্থ সম্পাদক রুবেল আহমদ, সহ- নোমান আহমদ, দপ্তর সম্পাদ জুয়েল আহমদ, প্রচার ও তথ্য সম্পাদক মিজানুর রহমান মাছুম, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক রাকিব আহমদ, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সম্পাদক রেদোয়ান খান, ধর্ম সম্পাদক করিম, কার্যনির্বাহী সদস্য শাহীন আহমদ, বিকাশ দে, লায়েক আহমদ, ছাব্বির আহমদ, এহসান।
কমিটি গঠনের পর নবাগত কমিটির নেতৃবৃন্দ আম্বরখানার ‘চায়না মার্কেট’-এর সুশৃঙ্খল পরিচালনা, ব্যবসায়ী ভাইদের সার্বিক নিরাপত্তা বিধান এবং কেনাকাটা করতে আসা গ্রাহকদের সেবার মান আরও উন্নত ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
» সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাব-শহীদ সাংবাদিক এটিএম তুরাব বেস্ট রিপোর্টিং এ্যওয়ার্ড পাচ্ছেন চার সাংবাদিক
Published: ২৯. জুলা. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাব কর্তৃক প্রবর্তিত ও ঘোষিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে চলতি বছরে প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়া ক্যাটাহরিতে “শহীদ শহীদ সাংবাদিক এটিএম তুরাব বেস্ট রিপোর্টিং এ্যওয়ার্ড” পাচ্ছেন সিলেটে কর্মরত চারজন সাংবাদিক।
তারা হলেন, দৈনিক নয়া দিগন্তের সিলেট ব্যুরো প্রধান আব্দুল কাদের তাপাদার (প্রিন্ট মিডিয়া), সময় টেলিভিশন এর রিপোর্টার জয়ন্ত কুমার দাস (ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া) ও চ্যানেল টোয়েন্টিফোর এর রিপোর্টার আজহার উদ্দিন শিমুল (ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া) এবং বার্তা টোয়েন্টিফোর এর সিলেট প্রতিনিধি মো. মোশাহিদ আলী (অনলাইন মিডিয়া)।
সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের জুড়িবোর্ড প্রাপ্ত আবেদন সমূহ যাচাই-বাছাই শেষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালীন ও পরবর্তী সময়ে প্রকাশিত/সম্প্রচারিত রিপোর্টিংয়ের জন্য চলতি বছরে শহীদ সাংবাদিক এটিএম তুরাব বেস্ট রিপোর্টিং এ্যওয়ার্ডের জন্য এই চার জন সাংবাদিককে মনোনীত করেন।
সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের জীবন সদস্য ও সিনিয়র সাংবাদিক আফতাব চৌধুরীর নেতৃত্বে জুরিবোর্ডের সদস্য হিসেবে ছিলেন, দৈনিক যুগান্তর এর সিলেট ব্যুরো প্রধান সংগ্রাম সিংহ ও মোহনা টেলিভিশনের সিলেট ব্যুরো প্রধান আব্দুল আউয়াল চৌধুরী শিপার।
জুরিবোর্ডকে সার্বিক সহযোগিতা করেন, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ গোলজার আহমদ হেলাল ও সাধারণ সম্পাদক এম. সাইফুর রহমান তালুকদার।
উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও শহীদ সাংবাদিক এটিএম তুরাব এর স্মৃতি রক্ষার্থে গত বছর থেকে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাব এই এওয়ার্ড চালু করেছে।
প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ায় কর্মরত শুধুমাত্র পেশাদার সংবাদকর্মীদের এই এওয়ার্ড প্রদান করা হচ্ছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান এর ১ম বর্ষপূর্তিতে এটি পেয়েছিলেন দৈনিক শ্যামল সিলেটের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার আলী হায়দার সিদ্দিকী মিদুল।
২০২৬ সালে এওয়ার্ড প্রাপ্ত চার সাংবাদিকাকে আগামী ৩ আগস্ট সকাল সাড়ে ১১টায় সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের ড. রাগীব আলী মিলনায়তনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে এই এ্যওয়ার্ড প্রদান করা হবে।
» সিলেটের নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসকের সাথে ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়
Published: ২৯. জুলা. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ, স্মারকলিপি প্রদান ও মতবিনিময় করেছেন ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যাণ পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনের হাতে স্মারকলিপি তুলে দেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। পরে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন তারা।
সভায় ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কারী মাওলানা নুরুজ্জামান নোমানীর সঞ্চালনায় সংগঠনের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি তুলে ধরা হয়।
পাশাপাশি ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের বিভিন্ন অধিকার আদায় এবং দাবি-দাওয়া উত্থাপন করা হয়। জেলা প্রশাসক অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে এসব বিষয় শোনেন।
সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, ইমাম ও মুয়াজ্জিনগণ সমাজের সবচেয়ে সম্মানিত ব্যক্তি।তিনি ইমাম-মুয়াজ্জিনগণের কল্যাণে কাজ করার আশ্বাস প্রদান করেন এবং উপস্থিত নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যাণ পরিষদ সিলেট মহানগর সভাপতি হাফিজ মাওলানা মামুনুর রশিদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা বদরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মাওলানা ইলিয়াছ আহমদ, সাধারণ সম্পাদক কারী মাওলানা নুরুজ্জামান নোমানী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ক্বারী মাওলানা তায়্যিবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ মাওলানা জামিল সিদ্দিকী, প্রচার সম্পাদক হাফেজ মাওলানা আবুল কালাম, সহ-প্রচার সম্পাদক হাফিজ মাওলানা আব্দুল করিম ও কারী মাওলানা কাউসার আহমদ, সহ-অর্থ সম্পাদক মাওলানা আব্দুর রহমান, সদস্য মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, হাফেজ মাওলানা হোসাইন আহমদ, হাফিজ বাহার, হাফিজ শাহেদ, হাফিজ শিব্বির, হাফিজ মাওলানা মোবারক, হাফিজ কামাল আহমদ প্রমুখ।
» ‘জিন্দাবাজার ওভারসিজ সেন্টার ভাঙা ও লিজগ্রহিতাদের উচ্ছেদে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ বহাল, আরও ৬ মাসের ইনজাংশন; ব্যবসায়ীদের সন্তোষ প্রকাশ’
Published: ২৯. জুলা. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারে অবস্থিত বাংলাদেশ ওভারসিজ সেন্টার ভবন ভাঙা এবং লিজগ্রহীতা ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদে সাবেক জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মহামান্য হাইকোর্টের দেওয়া অন্তর্র্বতীকালীন নিষেধাজ্ঞা (ইনজাংশন) আরও ৬ মাস বৃদ্ধি করা হয়েছে।
গত ২০ জুলাই ২০২৬ তারিখে মহামান্য হাইকোর্ট আবেদনকারীদের পক্ষে পূর্বে দেওয়া আদেশ বহাল রেখে নতুন করে আরও ৬ মাসের ইনজাংশন প্রদান করেন, যা ১৯ জানুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
এর আগে ২৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ জেলা প্রশাসনের ভবন ভাঙা ও ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদের সিদ্ধান্তের ওপর অন্তর্র্বতীকালীন স্থগিতাদেশ প্রদান করেন।
আদালত নির্দেশ দেন, যথাযথ বিশেষজ্ঞ প্রতিবেদন ছাড়া ভবনের প্রকৃত অবস্থা কারিগরিভাবে মূল্যায়ন না করে কোন ধরনের উচ্ছেদ বা ভাঙার কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না এবং আবেদনকারী ব্যবসায়ীদের দখল ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করা যাবে না।
এরও আগে ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে আদালত রুল জারি করে জেলা প্রশাসককে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেন এবং জানতে চান-বিশেষজ্ঞ মতামত ছাড়া ভবনটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ও অবৈধ ঘোষণা করা হবে না।
উল্লেখ্য, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে সাবেক জেলা প্রশাসন ভবনটিকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ঘোষণা করে লিজ বাতিল এবং ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে দোকান খালি করার নির্দেশ দেন।
তবে লিজগ্রহীতা ব্যবসায়ীদের দাবি, ২০১৯ সালে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের তালিকায় বাংলাদেশ ওভারসিজ সেন্টারের নাম ছিল না।
১৯৭৮ সালে প্রবাসীদের বিনিয়োগে প্রতিষ্ঠিত এবং ১৯৮২ সালে চালু হওয়া এই মার্কেটে ব্যবসায়ীরা গত প্রায় ৪৪ বছর ধরে নিয়মিত ভাড়া ও জমিদারী খাজনা পরিশোধ করে আসছেন।
২০১০ সালে ট্রাস্টের ১০৯তম সভায় ব্যবসায়ীদের স্থায়ী লিজ প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হলেও আজ পর্যন্ত কোনো লিখিত স্থায়ী লিজ ডিড প্রদান করা হয়নি।
অথচ পরবর্তী সময়েও নিয়মিত ভাড়া গ্রহণ ও রশিদ প্রদান অব্যাহত রাখা হয়েছে। হাইকোর্টের সর্বশেষ আদেশকে স্বাগত জানিয়েছেন জিন্দাবাজার ওভারসিজ সেন্টার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহিদুল ইসলাম মাহিদ।
তিনি বলেন, “মহামান্য হাইকোর্ট পুনরায় আমাদের পক্ষে আরও ৬ মাসের অন্তর্র্বতীকালীন ইনজাংশন প্রদান করেছেন, যা ১৯ জানুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
আদালতের এই আদেশে আমরা অত্যন্ত সন্তুষ্ট এবং আদালতের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করছি।
আমাদের উপস্থাপিত নথিপত্র, তথ্য-প্রমাণ ও আইনগত অবস্থান যথাযথ হওয়ায় আদালত দ্বিতীয়বারের মতো আমাদের আইনগত সুরক্ষা প্রদান করেছেন।
শুরু থেকেই আমরা আইন মেনে চলেছি, আদালতের প্রতি আস্থা রেখেছি এবং এখনো সেই আস্থাই বজায় রেখেছি।
আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তিতেও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে এবং ব্যবসায়ীদের বৈধ অধিকার সংরক্ষিত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, “সাবেক জেলা প্রশাসক মো. সরওয়ার আলম ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যদের অবগত না করে, কোনো সভা বা আলোচনা ছাড়াই এককভাবে তড়িঘড়ি করে ভবনটি ভেঙে ফেলার উদ্যোগ নেন।
এর ফলে ব্যবসায়ীরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যান এবং কোটি কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হন।
দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা-বাণিজ্য মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে এবং অনেক ব্যবসায়ী চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটিয়েছেন। আমরা কখনো উন্নয়নের বিরোধিতা করিনি; বরং আধুনিক, নিরাপদ ও পরিকল্পিত ভবন নির্মাণের পক্ষেই ছিলাম।
তবে ব্যবসায়ীদের বৈধ অধিকার, লিখিত চুক্তি, পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত না করে কোনো উচ্ছেদ গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
মাহিদ আরও অভিযোগ করেন, ২০০২ সালে লিজের মেয়াদ শেষ হলেও প্রশাসন পরবর্তী প্রায় দুই যুগ ধরে নিয়মিত ভাড়া গ্রহণ করেছে।
২০১০ সালে স্থায়ী লিজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করেই ২০২৫ সালে হঠাৎ ভাড়া ৮ টাকা থেকে ১০০-১৫০ টাকায় বৃদ্ধি করার উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং বিষয়টি নিষ্পত্তির আগেই ভবনটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়।
এমনকি রুল জারি ও আদালতের আদেশ কার্যকর থাকা অবস্থাতেও ব্যবসায়ীদের ওপর দোকান খালি করার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে।
ব্যবসায়ীদের দাবি, ২০১০ সালের ট্রাস্টের ১০৯তম সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে স্থায়ী লিজ/মালিকানা প্রদান, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে লিখিত চুক্তি, যথাযথ পুনর্বাসন, ক্ষতিপূরণ এবং পর্যাপ্ত সময় নিশ্চিত করতে হবে।
তারা বলেন, উন্নয়ন হোক—কিন্তু তা অবশ্যই আইন, ন্যায়বিচার এবং ব্যবসায়ীদের বৈধ অধিকার সংরক্ষণ করে হতে হবে।
» জেলা প্রসাশকের সাথে সিলেট জেলা ও মহানগর হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত
Published: ২৯. জুলা. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের নবনিযুক্ত জেলা প্রসাশক আব্দুল্লাহ আল মামুন এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্ট সিলেট জেলা ও মহানগরের নেতৃবৃন্দ।
বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে সিলেটের জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়কালে জেলা প্রসাশক আব্দুল্লাহ আল মামুনকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান নেতৃবৃন্দ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মসসুদ রানা, হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি ও সিলেট জেলা হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহ্বায়ক সুদীপ রঞ্জন সেন, সিলেট মহানগর হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহ্বায়ক সমীর কান্তি পুরকায়স্থ, মহানগরের সদস্য সচিব রাজিব কুমার দে, জেলার সদস্য সচিব কল্লোল জ্যোতি বিশ্বাস, সিলেট জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক নারায়ন পুরকায়স্থ ফনি, মহানগরের যুগ্ম আহ্বায়ক বাবলু সিংহ, সিলেট জেলা পুজা ফ্রন্টের আহ্বায়ক খোকন রঞ্জন দে, সিলেট জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও কতোয়ালি থানা কমিটির সদস্য সচিব বি পি দেব শুভ, মহানগরের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সুচিত্র চৌধুরী বাবলু, জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মনোজ দেব, জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ঝলক আচার্য্য , জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য টিটন মল্লিক, জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অঞ্জন রাম দাস,ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা দীপক দত্ত, জৈন্তাপুর উপজেলার আহ্বায়ক প্রদীপ শর্মা, কানাইঘাট উপজেলার আহ্বায়ক শ্যামল দাস, কানাইঘাট উপজেলার সদস্য সচিব প্রতাপ রঞ্জন দাস, জৈন্তাপুর উপজেলার সদস্য সচিব রতন কুমার দেব, কানাইঘাট পৌর কমিটির সদস্য সচিব রঞ্জু দাস, কতোয়ালি থানা কমিটির বকুল পুরকায়স্থ, সজল কর, প্লাবন ভট্টাচার্য প্রমুখ।
» ইনার হুইল ক্লাব অব সিলেট হেরিটেজের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী
Published: ২৯. জুলা. ২০২৬ | বুধবার
» বেশি বেশি বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সবুজ সিলেট গড়ে তুলতে হবে : সিসিক প্রশাসক
Published: ২৯. জুলা. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ বিপর্যয়ের ঝুঁকি মোকাবিলায় বর্তমান সরকার দেশব্যাপী ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
সরকারের লক্ষ্য একটি সবুজ, বাসযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তোলা। এই লক্ষ্য অর্জনে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক সংগঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ মানুষকে বেশি করে গাছ লাগাতে হবে।
বুধবার (২৯ জুলাই) হলি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির উদ্যোগে মুহিবুর রহমান একাডেমি প্রাঙ্গণে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, নগরায়ণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পরিবেশের ভারসাম্য দিন দিন নষ্ট হচ্ছে।
পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোন বিকল্প নেই। একটি গাছ শুধু অক্সিজেনই দেয় না, এটি তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, বায়ুদূষণ হ্রাস, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তিনি বলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশন একটি গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন সিলেট গড়তে কাজ করছে।
নগরজুড়ে বৃক্ষরোপণ, সড়কের পাশে সবুজায়ন, খাল-ছড়া ও ড্রেন পরিষ্কার, উন্মুক্ত স্থান সংরক্ষণ এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এই উদ্যোগ সফল করতে নগরবাসীর সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন।
সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও পরিচর্যা করলে অল্প সময়ের মধ্যেই সিলেট আরও সবুজ ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত হবে।
হলি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আলী আকিক-এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক নিয়াজ মো. আজিজুল করিম-এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভার শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন, কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য আখতার হোসেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, সিলেট সদর উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. মনির হোসেন, সিলেট জেলা সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেডের সহ-সভাপতি শাহীন রানা, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সংগঠক ও দেশ-বিদেশে শখের বাগান সিলেট জেলার কো-অর্ডিনেটর আতিক রাহি, মুহিবুর রহমান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মহিবুর রহমান, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি সিলেট জেলা শাখার মহাসচিব আব্দুর রহমান রিপন, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ইঞ্জিনিয়ার মাহমুদুর রহমান, বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আফজাল হোসেন, জালালিয়া সমাজকল্যাণ সংঘের সভাপতি আখতার হোসেন বেলাল, পায়রা সমাজকল্যাণ সংঘের উপদেষ্টা জাফর সাদেক, সিলেট জেলা সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেডের সভাপতি সুশেন্দ্র সরকার, মহিবুর রহমান একাডেমির সিনিয়র শিক্ষক আব্দুস শহীদ চৌধুরী জিয়া, ১ নম্বর ওয়ার্ডের প্রবীণ মুরব্বি ইমরান আহমদ, মিয়া ফাজিলচিস্ত পঞ্চায়েত কমিটির সাধারণ সম্পাদক এজহারুল হক চৌধুরী মন্টু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী গোলাম মাওলা, মহিবুর রহমান একাডেমির ভাইস প্রিন্সিপাল ইমদাদ উদ্দিন, পায়রা সমাজকল্যাণ সংঘের সহ-সাধারণ সম্পাদক রিপন আহমদ, শাহজালাল ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি মো. কামরুজ্জামান, ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নজির হোসেন, হলি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমিতির উপদেষ্টা আজমল হোসেন চৌধুরী, সহ-সাধারণ সম্পাদক সাহেব বক্স ও শোয়াইবুর রহমান রিয়াদ, কোষাধ্যক্ষ শরীফ আহমদ, সমিতির অফিস সহকারী প্রণয় বিশ্বাস ও ইমরান আহমদ, মুয়াজ্জিন কল্যাণ সমবায় সমিতি লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল্লাহ, পায়রা সমাজকল্যাণ সংঘের সদস্য শাহিন আহমদ, মোহাম্মদ সাহাব ও মাহফুজুল আলম শাকিল।
সিলেট সদর উপজেলা সমবায় কার্যালয় এবং মুহিবুর রহমান একাডেমির সহযোগিতায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের শেষে অতিথিবৃন্দ বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষরোপণ করেন এবং পরিবেশ সংরক্ষণে সবাইকে বেশি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।
» এনসিপির প্রেস ব্রিফিংয়ে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা
Published: ২৯. জুলা. ২০২৬ | বুধবার
বৃহস্পতি ও শুক্রবার পাঁচ উপজেলায় এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের পদযাত্রা
নিউজ ডেস্কঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদের চলমান ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী বৃহস্পতি ও শুক্রবার (৩০ ও ৩১ জুলাই) সিলেটের পাঁচটি উপজেলায় পদযাত্রা কর্মসূচী অনুষ্ঠিত করবে।
বুধবার (২৯ জুলাই) সিলেট নগরীর জেলরোডস্থ একটি হোটেলে আয়োজিত সংবা ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন, সিলেট জেলা এনসিপির আহবায়ক মো. জুনেদ আহমদ।
এতে উপস্থিত থাকবেন, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা মিতু, মুখ্য সংগঠক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি এবং মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ৩০ জুলাই পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে কানাইঘাট ও ওসমানীনগর উপজেলায়। পরদিন ৩১ জুলাই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুর উপজেলায়।
এছাড়া ৩০ তারিখ সকাল গোলাপগঞ্জ পৌর অডিটরিয়ামে শহীদ পরিবারের সাথে মতবিনিময়, এরপর পাঁচ মাইল এলাকায় আহ্বায়কের বাসায় মধ্যাহ্নভোজ এর কথা রয়েছে।
জুলাই মাসজুড়ে দেশব্যাপী ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবেই উপজেলা পর্যায়ের এ পদযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে।
কর্মসূচি চলাকালে প্রশাসন সহযোগিতা কামনা করছেন স্থাথানীয় নেততৃবৃন্দ।
সংবাদ ব্রিফিংয়ে জুনেদ আহমদ বলেন, সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে কোন ধরনের মব সৃষ্টি হতে দেওয়া হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোতে প্রশাসন রাজনৈতিক কর্মসূচির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে।
তিনি বলেন, সব রাজনৈতিক দলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। তা করতে ব্যর্থ হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।
তিনি অভিযোগ করেন, সিলেটে সম্প্রতি হবিগঞ্জে এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় প্রশাসন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি।
রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন প্রত্যেক নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোন দলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা বা ভয়ভীতি সৃষ্টি গণতান্ত্রিক পরিবেশের পরিপন্থী।
এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং হবিগঞ্জের বিএনপির রাজনৈতিক নেতা জি কে গউসকে নিয়েও বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপন করেন জুনেদ আহমদ।
দলীয় প্রথীদের নাম ঘোষনা
এসময় সিলেট জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দলের মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের নামও ঘোষণা করা হয়।
জেলা পর্যায়ের তালিকায় রয়েছেন, এনসিপি সিলেট জেলা আহ্বায়ক জুনেদ আহমদ, সদস্য সচিব কামরুল আরিফ, যুগ্ম আহ্বায়ক হিফজুর রহমান খান, সিনিয়র সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুজ্জামান হেলাল, সামসুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম, যুগ্ম সদস্য সচিব সাদি জামালি এবং সদস্য আলমাস মিয়া ও সুয়েব আহমদ।
উপজেলা পর্যায়ে মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন, উসমানীনগর উপজেলার হাজী মোসাহিদ আলী, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার উবায়েদ আহমেদ এবং গোয়াইনঘাট উপজেলার মনসুরুল হাসান।
এ ছাড়া উপজেলা পর্যায়ের অন্যান্য নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা আহ্বায়ক সুমেল মিয়া, উসমানীনগর উপজেলা সদস্য সচিব মনিরুল সাকিব, গোলাপগঞ্জ উপজেলা আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান আসাদ, সিলেট সদর উপজেলা সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক লায়েক আহমদ, বিশ্বনাথ উপজেলা সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এম খলিলুল্লাহ, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা যুগ্ম সম্পাদক তানজিল আহমদ, সিলেট সদর উপজেলা সদস্য সচিব জাকির হোসেন এবং সিলেট সদর উপজেলা যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সামসুল আলম।
» নজরুল একাডেমী সিলেটের নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন সম্পন্ন
Published: ২৯. জুলা. ২০২৬ | বুধবার
সভাপতি ফরিদ আহমদ, সাধারণ সম্পাদক জুলকারনাইন
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটে উৎসবমুখর পরিবেশে নজরুল একাডেমী সিলেট-এর বিশেষ সাধারণ সভা এবং আগামী ৩ বছরের মেয়াদে ৬১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কার্যকরী কমিটি গঠন সম্পন্ন হয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই ২০২৬) সন্ধ্যায় নগরীর জিন্দাবাজারস্থ নজরুল একাডেমী কার্যালয়ে সংগঠনটির আহ্বায়ক বদরুজ্জামান সেলিম-এর সভাপতিত্বে এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সিলেট মেডিকেল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ডা. মো. জিয়াউর রহমান চৌধুরী।
উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম ও সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মাসুদ রানা।
বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, নজরুল একাডেমী সিলেটের উপদেষ্টা নাসিম হোসেইন, একাডেমির প্রিন্সিপাল হিমাংশু বিশ্বাস, বাচিকশিল্পী খসরুজ্জামান খসরু, সিলেট মহানগর কৃষকদলের সভাপতি হুমায়ুন কবির শাহীন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন, সাহিত্য এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনার ওপর গুরুত্বারোপ করে বক্তব্য প্রদান করেন। তাঁরা বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন সাম্য, মানবতা ও দ্রোহের কবি।
নজরুলের কালজয়ী সৃষ্টি ও আদর্শ তরুণ প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে নজরুল একাডেমী সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।
বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, নতুন গঠিত এই কমিটি নজরুল চর্চাকে বেগবান করার পাশাপাশি সিলেটের সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরও সমৃদ্ধ, গতিশীল ও মুখরিত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবে।
সরকারি মদনমোহন কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মো. ফরিদ আহমদ-কে সভাপতি, দৈনিক সিলেটের ডাকের সাবেক ব্যবস্থাপনা সম্পাদক দেওয়ান তৌফিক মজিদ লায়েক-কে সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং বিশেষ্য ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আহমদ জুলকারনাইন-কে সাধারণ সম্পাদক করে আগামী ৩ বছরের জন্য ৬১ সদস্য বৈশিষ্ট্য নতুন কার্যকরী কমিটি ঘোষণা করা হয়।
কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে আছেন, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সাবেক ট্রেজারার মো. আমিনুল ইসলাম, সিলেট প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও দৈনিক সিলেট বাণীর নির্বাহী সম্পাদক এম এ হান্নান, মদনমোহন কলেজের অধ্যাপক লে. মনিরুল ইসলাম, জাতীয় মানবাধিকার সংস্থার কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আশরাফ গাজী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব বাবু নিহার রঞ্জন দাস, মিলাদ বড় ভূঁইয়া, তাজউদ্দীন আহমদ মাসুম, মোস্তফা কামাল পাশা মওদুদ, লোকমান আহমদ ও লিটন আহমদ। কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ হলেন- প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির সমছু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কোহিনুর আহমদ ও আলতাফ হোসেন সুমন, সহ-সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান দ্বীপু ও ইফতেখার আহমদ চৌধুরী সানি, কোষাধ্যক্ষ আশরাফ আরমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সামাদ সোহেল, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম ইব্রাহিম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাজন আহমদ সাজু, সহ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জাবেদুর রহমান, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল মুকিত অপি, সহ আইন বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান মিঠু, সাংস্কৃতিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদক শাহান আল মাহমুদ খান, আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক জুবায়ের আহমদ, সহ আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক মো. শফিক নূর, পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক সোরেজ হোসেন, সহ পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক রোমাব আহমেদ রাজু, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদ হাসান রাসেল, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা মুন্নি আক্তার, সম্মানিত সদস্য মো. বদরুজ্জামান সেলিম, অধ্যাপক মোহাম্মদ শফিক, সৈয়দ মিসবাহ উদ্দিন, মাহবুব কাদির শাহী, অধ্যক্ষ নিজামুদ্দিন তরফদার, অধ্যক্ষ ডক্টর দিদার চৌধুরী, খলিলুর রহমান খোকন, দেওয়ান মাহমুদ রাজা চৌধুরী, সৈয়দ শাফেক মাহবুব, মাহবুবুল হক চৌধুরী, রেজওয়ান আহমদ, অধ্যাপক শেখ নজরুল ইসলাম, সেলিম আউয়াল, শামসুল বাসিত শেরো, আমিনুল ইসলাম বাবু, হানিফ আলম চৌধুরী, রায়হান হোসেন খান, অধ্যাপক আবু মুসা তারেক, এনামুল কুদ্দুস চৌধুরী, ফয়সাল ইউসুফ, শামসুল আহমদ সাঈদ, এম. টি. জাহেদ, এম এইচ জামিল, জুবায়ের আহমদ জুবের, সি এম আব্দুল্লাহ আরিফ, মাজহারুল ইসলাম মেনন, এ টি এম বেলায়েত হোসেন ও ফারুক হাসান।
অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীত ও নজরুল সংগীত পরিবেশন করেন একাডেমিক শিক্ষার্থীরা।
এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সিলেটের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনের নেতৃবৃন্দ।

