শিরোনামঃ-

» সমন্বিত উদ্যোগে সিলেটকে নান্দনিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব : সিলেটে কর্মশালায় বাণিজ্যমন্ত্রী

Published: ২৯. জুন. ২০২৬ | সোমবার

সিলেট নগরের জন্য সমন্বিত মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : সিসিক প্রশাসক

নিউজ ডেস্কঃ
বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, সমন্বিতভাবে কাজ করলে সিলেট নগরকে একটি পরিকল্পিত, আধুনিক ও নান্দনিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।

সোমবার (২৯ জুন) নগরভবনে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সম্প্রসারিত এলাকার মহাপরিকল্পনা (মাস্টারপ্ল্যান) প্রণয়নে অংশীজনের মতামত গ্রহণ বিষয়ক কর্মশালায় অডিও-ভিজ্যুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সিলেট নগরকে ঘিরে সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এবং আমার অনেক পরিকল্পনা রয়েছে। আমরা ধাপে ধাপে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চাই।

সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি পরিচ্ছন্ন, আধুনিক ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তোলা হবে। নগরবাসীর হাঁটাচলা, বিনোদন ও সুস্থ জীবনযাপনের জন্য পর্যাপ্ত পার্ক ও উন্মুক্ত স্থান সৃষ্টির বিষয়টিও আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে।

কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, একটি সুন্দর, টেকসই ও আধুনিক নগর গড়তে হলে সর্বাগ্রে প্রয়োজন সুপরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনা।

সে লক্ষ্যেই সিলেট নগরের জন্য একটি সমন্বিত মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে নগরীর পরিকল্পিত সম্প্রসারণ, পরিবেশ সংরক্ষণ, জলাবদ্ধতা নিরসন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, আধুনিক নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণ এবং দুর্যোগ-সহনশীল অবকাঠামো গড়ে তোলার কার্যকর দিকনির্দেশনা পাওয়া যাবে।

কর্মশালায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, পেশাজীবী সংগঠন, শিক্ষাবিদ, প্রকৌশলী, নগর পরিকল্পনাবিদ, ব্যবসায়ী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং অন্যান্য অংশীজন অংশগ্রহণ করেন।

তারা ভূমি ব্যবহার, আবাসন, পরিবেশ সংরক্ষণ, যোগাযোগ ব্যবস্থা, জনসেবা সম্প্রসারণ, নগর অবকাঠামো উন্নয়ন এবং টেকসই নগরায়ণ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতামত ও সুপারিশ উপস্থাপন করেন।

বক্তারা বলেন, একটি কার্যকর ও বাস্তবমুখী মহাপরিকল্পনা প্রণয়নে অংশীজনের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সকলের মতামত ও সুপারিশের ভিত্তিতে প্রণীত এই মহাপরিকল্পনা সিলেট নগরীর সুষম উন্নয়ন, পরিবেশবান্ধব নগরায়ণ এবং আধুনিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

কর্মশালায় প্রাপ্ত মতামত ও সুপারিশ সমূহ পর্যালোচনা করে মহাপরিকল্পনার খসড়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানানো হয়।

এ সময় সিলেট সিটি কর্পোরেশন একটি আধুনিক, নিরাপদ, বাসযোগ্য ও টেকসই নগর গড়ে তুলতে সকল অংশীজনের সহযোগিতা কামনা করে।

অনুষ্ঠানে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সৈয়দ ছলিম মোহাম্মদ আব্দুল কাদির, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন বক্তব্য দেন।

নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত) রজি উদ্দিন খান, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস, নগর পরিকল্পনাবিদ মো. তানভীর আহমদ মোল্লাসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজন উপস্থিত ছিলেন।

» অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

Published: ২৯. জুন. ২০২৬ | সোমবার

সম্মিলিতভাবে প্রধানমন্ত্রীর মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে : সিসিক প্রশাসক

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এবং সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) সকালে পৃথকভাবে আয়োজিত এসব কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন।

এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং সাধারণ জনগণকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা সৃষ্টি এবং বৃক্ষরোপণের অভ্যাস গড়ে তুলতে এ ধরনের কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

একটি শিশু যদি অন্তত একটি গাছের দায়িত্ব নেয়, তাহলে ভবিষ্যতে একটি সবুজ ও পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

সিসিক প্রশাসক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দুটির সার্বিক উন্নয়নে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।

প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশব্যাপী মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ স্লোগানে জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

এ কর্মসূচির আওতায় দেশের প্রায় ২৯ হাজার মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

এর মূল লক্ষ্য পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং শিক্ষার্থীদের বৃক্ষরোপণে উদ্বুদ্ধ করা।

সিলেট সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জায়েদা গুলশান সিদ্দিকা, সহকারী প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) লায়লা নার্গিস, সহকারী প্রধান শিক্ষক (চলতি দায়িত্ব) ছালেহ আহমদ, সহকারী শিক্ষক ইশতিয়ার হোসেন মুনশি, সিনিয়র শিক্ষক কোহেলী রানী রায়, সুভাষ চন্দ্র নাথ, সুপ্রতিম রায়, সমীরন দাস, নেপুর চন্দ্র পাল, রেজাউল করিম ও মো. আমিমুল এহছান।

অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করে, শিক্ষার্থী তানিসা তাসমিয়া ছোয়া এবং গীতা পাঠ করেন প্রিয়ন্তী ভট্টাচার্য। শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য দেন পৃথা তালুকদার।

অপরদিকে, সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শেফালী সুলতানা, সহকারী প্রধান শিক্ষক (দিবা) মোহাম্মদ আজিজুর, সহকারী প্রধান শিক্ষক (প্রভাতি) মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, সিনিয়র শিক্ষক কাজল মালাকার, বিপ্লব নন্দী, মো. হুমায়ুন কবীর, মো. মোস্তফা মামুন, মাহমুদুর রহমান, সুপ্রভা সরকার, সুলতানা রোকেয়া পারভীন, মো. আশফাকুর রহমান, মোহাম্মদ মাসুক মিয়া, মো. এমদাদুল ইসলাম, অসীম কুমার সিংহ, কাজী মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন, মহিম লাল নাথ, দিলরুবা বেগম, মো. এমদাদুল হকসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

» আন্তর্জাতিক এআই ও সিকিউরিটি সম্মেলনে যোগ দিতে জাপান যাচ্ছেন সিলেটের মছনুল করিম চৌধুরী

Published: ২৯. জুন. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও সাইবার নিরাপত্তা প্রযুক্তির বৈশ্বিক উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে জাপানে অনুষ্ঠিতব্য উচ্চপর্যায়ের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নিতে যাচ্ছেন দেশের শীর্ষ নিরাপত্তা পন্য ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ট্রেড করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি সিলেট ব্রাঞ্চের চেয়ারম্যান মো. মছনুল করিম চৌধুরী।

আগামী ২-৩ জুলাই জাপানের ওসাকায় এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

দুই দিনব্যাপী এই মেগা সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রযুক্তি উদ্যোক্তা, বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী, তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, গবেষক, বিনিয়োগকারী ও নীতিনির্ধারকেরা অংশ নেবেন।

সম্মেলনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিরাপদ ব্যবহার, সাইবার নিরাপত্তা, ডেটা প্রাইভেসি, ডিজিটাল অবকাঠামো, স্মার্টস্পতি শিল্প, ক্লাউড প্রযুক্তি এবং ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

সম্মেলনে অংশগ্রহণের পাশাপাশি গ্লোবাল ট্রেড করপোরেশনের সিইও ও বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি সিলেট ব্রাঞ্চের চেয়ারম্যান মো. মছনুল করিম চৌধুরী আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি সিলেট ব্রাঞ্চের নেতৃবৃন্দ বলেন, এই সফরের মাধ্যমে বৈশ্বিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দেশীয় শিল্পখাতের অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা, উন্নত প্রযুক্তি বিনিময় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ সৃষ্টি করাই তাঁদের মূল লক্ষ্য।

একই সঙ্গে বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতকে বৈশ্বিক উদ্ভাবনের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

এই সফরের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে তাদের এআই সিকিউরিটি সল্যুশনের কার্যক্রম আরও বড় পরিসরে সমপ্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই ও সাইবার নিরাপত্তা বর্তমানে বিশ্ব অর্থনীতি, শিল্প ও বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।

ফলে এ ধরনের মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে অংশগ্রহণ দেশের প্রযুক্তি খাতের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক বার্তা বহন করে।

এর মাধ্যমে বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগ, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ সমপ্রসারণের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা সামগ্রিকভাবে দেশের ডিজিটাল অর্থনীতি ও প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের টেকসই বিকাশে সুদূরপ্রসারী ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

» রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবকরা সবসময় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন : ব্যারিস্টার আবদুস সালাম

Published: ২৯. জুন. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মো. আবদুস সালাম বলেছেন, রেড ক্রিসেন্ট কোন সাধারণ সংস্থা নয়, এটি আর্তমানবতার সেবায় নিবেদিত একটি বৈশ্বিক আন্দোলন।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা যেকোনো মানবিক সংকটে রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবকরা সবসময় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

আগামী দিনেও এই সেবার ধারা অব্যাহত রাখতে এবং আরও গতিশীল করতে যুব সমাজকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, রক্তদান কর্মসূচি এবং চিকিৎসাসেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সোসাইটির প্রতিটি স্তরের কর্মকর্তা ও স্বেচ্ছাসেবকদের আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে হবে।

তিনি সোমবার (২৯ জুন) বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সিলেট ইউনিটের উদ্যোগে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সিলেট ইউনিটের চেয়ারম্যান আবুল কাহের চৌধুরী শামিম এর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী ভিপি মাহবুবুল হক চৌধুরীর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সুনামগঞ্জ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী মিজান, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সিলেট ইউনিটের সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আব্দুল কাদির শাহী।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুলাহ মামুন সামন, নির্ঝর রায়, কামরুজ্জামান দিপু, আলীমুল এহসান, তাহমিনা হাসান চৌধুরী, আবু সাইদ মো. ইব্রাহিম, সিলেট রেড ক্রিসেন্ট নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ রেনোয়ারা আক্তার, সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান জীবন, মুজিব জাহান রেড ক্রিসেন্ট ব্ল্যাড ব্যাংকের পরিচালক ডা. তৌহিদ চৌধুরী, রেড ক্রিসেন্টের যুব প্রধান চৌধুরী লাবিব ইয়াসির প্রমুখ।

» শান্তিনগরে জেবিবি উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি উদ্বোধন

Published: ২৯. জুন. ২০২৬ | সোমবার

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়সিদ্ধি বসিয়াখাউরী বড়মোহা (জেবিবি) উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত অগ্রাধিকার প্রকল্প ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় এবং বিশ্বব্যাংকের ঋণ সহায়তা প্রতিষ্ঠান ‘লেইস’-এর সহযোগিতায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক আলোচনা সভা ও ফলজ, বনজ ও ঔষধি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়।

জেবিবি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবু গিবাস চন্দ্র বিশ্বাসের সভাপতিত্বে এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক মোখলেছুর রহমান মামুনের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয় পরিচালনা অ্যাডহক কমিটির সাবেক সভাপতি এমদাদুল হক স্বপন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সদস্য আশফাক আহমেদ সুজন, সাবেক শিক্ষক প্রতিনিধি অ্যাডহক কমিটির আজিজুল হক, সহকারী শিক্ষক নির্মল কান্তি দে, জহিরুল হক, মো. নয়ন মনি ও সোহাগ আহমদ, বিদ্যালয় কর্মকর্তা জাহেদ খান, ছাত্রনেতা সোহাগ ভুইয়া প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে অতিথিরা শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে বিদ্যালয় মাঠে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

বক্তারা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় প্রতিটি শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি করে গাছ লাগিয়ে তা পরিচর্যা করার আহ্বান জানান।

» আমরা সিলেট মহানগরীর ৪২টি ওয়ার্ডের ফুটপাত ও রাস্তা ২৪ ঘন্টা দখলমুক্ত দেখতে চাই

Published: ২৯. জুন. ২০২৬ | সোমবার

সিলেট মহানগরীর ৪২টি ওয়ার্ডের ফুটপাত ও রাস্তা দখলমুক্ত করার দাবীতে সিসিক প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান

নিউজ ডেস্কঃ
বৃহত্তর সিলেটের অরাজনৈতিক কল্যাণমূলক স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন সিলেট কল্যাণ সংস্থা (সিকস), সিলেট বিভাগ যুব কল্যাণ সংস্থা (সিবিযুকস) ও সিলেট প্রবাসী কল্যাণ সংস্থা (সিপ্রকস)-এর যৌথ আয়োজনে সোমবার (২৯ জুন ২০২৬) সিলেট মহানগরীর ফুটপাত ও রাস্তা দখলমুক্ত করতে আইওয়াশবিহীন অভিযান পরিচালনার আওয়াজকে সামনে রেখে সিলেট মহানগরীর ৪২টি ওয়ার্ডের ফুটপাত ও রাস্তা দখলমুক্ত করার দাবীতে বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে নগরীর ঐতিহাসিক কোর্ট পয়েন্টে জমায়েত, বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে কোর্ট পয়েন্ট হতে সিটি পয়েন্ট হয়ে সিলেট সিটি কর্পোরেশন পর্যন্ত মিছিল, বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান ও দুপুর ১২টায় সিলেট সিটি কর্পোরেশন প্রাঙ্গণে স্মারকলিপি প্রদান পরবর্তী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশ থেকে সিলেট মহানগরীর ৪২টি ওয়ার্ডের ফুটপাত ও রাস্তা ২৪ ঘন্টা দখলমুক্ত রাখার আহবান জানানো হয়।

জাতীয় যুব দিবস ২০১০ এ জাতীয় যুব পুরস্কার শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠক পদকপ্রাপ্ত, সংস্থাগুলোর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সিলেট কল্যাণ সংস্থার কার্যকরী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ এহছানুল হক তাহেরের সভাপতিত্বে ও সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন রশিদ চৌধুরীর পরিচালনায় জমায়েতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সিবিযুকস’র সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক মাসুম মিয়াজী ও সমাবেশে সিনিয়র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক চিত্ত রঞ্জন দাস।

জমায়েত ও সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সভাপতি আলহাজ্জ মুখতার আহমেদ তালুকদার, সহ-সভাপতি মো. আব্দুস শহীদ খান, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুস সালাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কবি কামাল আহমদ, জামাল আহমদ।

কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন, ঐক্যবদ্ধ সিলেটবাসীর যুগ্ম সদস্য সচিব মইনুল ইসলাম আশরাফী, অর্থ সচিব হাফিজ মো. রইছ উদ্দিন, শাহজালাল হারিছিয়া আল ফরিদ ফাউন্ডেশনের পরিচালক মো. রাজ উদ্দিন সাহেদ, সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মুসলেহ উদ্দিন চৌধুরী মিলাদ, সহ-অর্থ সম্পাদক পিযোষ মোদক, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. ফুজায়েল আহমদ, সহ-দপ্তর সম্পাদক মো. ফরিদ আলী, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মো. সোহেল আলী খান, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মো. আল-আমিন আহমদ, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক শাওন, বিভাগীয় কমিটির সদস্য মিল্লাত আহমদ, মো. ফরহাদ আহমদ, সিলেট মহানগর কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক দিপক কুমার মোদক বিলু, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান ও মহানগর কমিটির সদস্য মো. জুয়েল মিয়া।

স্মারকলিপির বিষয়বস্তুঃ আধ্যাত্মিক ও পর্যটন নগরী সিলেটে প্রতিদিন বাংলাদেশ তথা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অসংখ্য লোকজন যাতায়াত করেন।

শিকড়ের টানে সিলেটের অসংখ্য নাগরিক প্রবাস থেকে দেশে প্রত্যাবর্তন করেন।

সিলেট মহানগরীর স্থানীয় বাসিন্দা সহ লক্ষ লক্ষ সাধারণ জনগণ বিভিন্ন কাজে নগরীতে প্রতিনিয়ত চলাচল করেন।

নগরীর ফুটপাতে স্বাচ্ছন্দে চলতে গিয়ে বাঁধসাধে। ফুটপাত ও রাস্তায় চলতে গিয়ে সিলেটবাসী স্বস্তিতে নেই।

ফুটপাত থেকে ভাসমান ব্যবসায়ীদের অভিযানকালীন সময়ে সরানো হলেও সিলেট মহানগরীর ফুটপাতের পার্শ্বে অবস্থিত কতিপয় দোকানদার কর্তৃক সাটারের বাহিরে রাখা পণ্য সাটারের ভিতরে রাখার জন্য কোনো তৎপরতা গ্রহণ করা হয় না।

রাস্তার পাশে থাকা দোকানদার ফুটপাতে পণ্য রেখে ফুটপাত দখল করে রাখা হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। দোকানদার কর্র্তৃক সাটারের বাহিরে পণ্য রাখার ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ খুবই প্রয়োজন।

পাশাপাশি এখন অনেক জায়গায় দেখা যায় মার্কেট ও রাস্তার পার্শ্বের কতিপয় দোকানদার দোকানের কাউন্টার সাটারের সাথে রেখে ক্রেতাদের ফুটপাতে দাঁড় করিয়ে পণ্য বিক্রি করছেন।

এসব দোকানদারদের দোকানের অন্তত ৩ ফুট ভিতরে কাউন্টার রেখে নিজ দোকানে ক্রেতাদের কাছে পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা করতে আপনার দৃঢ় হস্তক্ষেপ কামনা করছি। ফুটপাত ও রাস্তা দখলমুক্ত করতে আপনাদের অব্যাহত অভিযানের জন্য নগরবাসীর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ।

একটি বিষয় আমরা সবসময় দেখতে পাই যখনই অভিযান শুরু হয় তখনই ফুটপাত ও রাস্তার ভ্রাম্যমান ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় অলিতে গলিতে ঢুকে পড়ে। আবার অভিযানের পরপরই তারা প্রধান সড়কের ফুটপাত ও রাস্তা দখল করে নেয়।

এতে আমাদের মনে হয় যখনই অভিযান শুরু হয়, কেউ হয়তো তখন ফুটপাত ও রাস্তার দখলকারী ব্যবসায়ীদের নিকট বিষয়টি অভিযান পরিচালনাকারীদের মদ্য ধেকে জানিয়ে দেয়, যার কারণে অভিযানের স্বার্থকথা ফুটে উঠে না।

এব্যাপারে আপনার মনিটরিং খুবই প্রয়োজন বলে আমরা মনে করি।

সবচেয়ে কষ্ট হয় যখন দেখি সিলেট সিটি কর্পোরেশন নগরীর ফুটপাত ও রাস্তা দখলমুক্ত করতে অভিযান চলে তখন বহাল তবিয়তে নগর ভবনের সামনের ফুটপাত ও রাস্তা দখল করে স্বাধীনভাবে ব্যবসা পরিচালনা চলছে। এতে আমরা হতবাক। এর কারণ কি? সেটাও খতিয়ে দেখা দরকার।

অনেক চা বিক্রেতা ও হোটেল ব্যবসায়ী ফুটপাতের মধ্যে খোলা গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করে ব্যবসা পরিচালনা করছে। বিষয়টি পথচারী সাধারণ জনগনের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।

এবিষয়ে আপনার নজরদারী খুবই প্রয়োজন। সিলেট মহানগরীর ফুটপাত ও রাস্তা পূর্ণরূপে দিনে-রাতে ২৪ ঘন্টা দখলমুক্ত দেখতে চাই আমরা সিলেট মহানগরবাসী।

ফুটপাতে হাঁটতে চাই স্বাচ্ছন্দ্যে আর রাস্তায় বাহন নিয়ে চলতে চাই নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে।

ফুটপাতে স্বাচ্ছন্দে হাঁটতে গিয়ে প্রায় জায়গার উঁচু-নিচু ও ঢাল অংশকে সমান্তরাল করা খুবই জরুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ফুটপাতে হাঁটার ক্ষেত্রে ফুটপাত সংস্কার করে সমানভাবে ফুটপাতে হাঁটার ব্যবস্থা করতে আপনার সুদৃষ্টি কামনা করছি।

সিলেট মহানগরীর ৪২টি ওয়ার্ডের কতিপয় দোকানদার কর্তৃক দখলকৃত ফুটপাত দখলমুক্ত করতে আপনার যেন মর্জি হয়।

» সিলেটে স্নানযাত্রায় সম্প্রীতির বার্তা দিলেন ভারতের সহকারী হাইকমিশনার

Published: ২৯. জুন. ২০২৬ | সোমবার

সম্প্রীতির মিলনমেলায় পরিণত হলো সিলেটের স্নানযাত্রা; 
২০ হাজারের বেশি ভক্তের ঢল

নিউজ ডেস্কঃ
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, উৎসবমুখর পরিবেশ এবং ২০ হাজারেরও বেশি ভক্ত-দর্শনার্থীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে সিলেটে উদযাপিত হয়েছে শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের পবিত্র স্নানযাত্রা মহোৎসব।

সোমবার (২৯ জুন) সকাল ১০টায় ইসকন সিলেট মন্দিরে শুরু হওয়া দিনব্যাপী এ আয়োজনে সিলেটের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, নারী, পুরুষ ও শিশুসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে মন্দির প্রাঙ্গণ উৎসবের মিলনমেলায় পরিণত হয়।

ইসকন বাংলাদেশের সহ-সভাপতি ও ইসকন সিলেট মন্দিরের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ ভক্তি অদ্বৈত নবদ্বীপ স্বামী মহারাজ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, দেবামৃত নিতাই দাস।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অনিরুদ্ধ দাস বলেন, ধর্মীয় উৎসব মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে।

শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রা কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি মানবিক মূল্যবোধ, সহনশীলতা ও সামাজিক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল প্রতীক।

তিনি আরো বলেন, এ ধরনের আয়োজন সমাজে শান্তি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক সম্মানবোধ জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সভাপতির বক্তব্যে শ্রীমৎ ভক্তি অদ্বৈত নবদ্বীপ স্বামী মহারাজ বলেন, জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রা ভক্তি, সেবা ও মানবকল্যাণের শিক্ষা দেয়।

তিনি সকলকে সম্প্রীতি, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইসকন সিলেট মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক ভাগবত করুণা দাস ব্রহ্মচারী, ইসকন ইয়ুথ ফোরামের কো-অর্ডিনেটর দেবর্ষি শ্রীবাস দাস ব্রহ্মচারী, সিলেটের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

দিনব্যাপী আয়োজনে বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ, পূজা-অর্চনা, কীর্তন এবং শ্রীশ্রী জগন্নাথ, বলদেব ও সুভদ্রা মহারনীর মহাস্নান অনুষ্ঠিত হয়।

২০ হাজারেরও বেশি ভক্ত ও দর্শনার্থী দীর্ঘ সারিতে দাঁড়িয়ে স্নানযাত্রায় অংশ নেন এবং ভক্তিভরে পূজা-অর্চনা করেন।

অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সবার মধ্যে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়।

বিপুল জনসমাগম, সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা এবং সম্প্রীতির বার্তায় এবারের স্নানযাত্রা মহোৎসব ইসকন সিলেটে এক অনন্য ধর্মীয় ও সামাজিক মিলনমেলায় পরিণত হয়।

» স্কলার্সহোম শিবগঞ্জ শাখায় বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের বর্ণাঢ্য উদ্বোধন

Published: ২৯. জুন. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ
স্কলার্সহোম শিবগঞ্জ শাখায় উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সোমবার (২৯ জুন) অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শামছ উদ্দিন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাখাওয়াত এরশেদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শরীফ মো. নেয়ামত উল্লাহ।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, প্রতিষ্ঠানের উপাধ্যক্ষ শানিজ ফাতেমা ইব্রাহিম, সমন্বয়ক শর্মিলী রায়, শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।

অনুষ্ঠানের সূচনায় শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করে আরোহী রায় বর্মন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি দুটি পর্বে অনুষ্ঠিত হয়।

প্রথম পর্বে ছিল অতিথিদের শুভেচ্ছা ও দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য এবং দ্বিতীয় পর্বে শিক্ষার্থীদের মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।

বক্তব্য পর্বে প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথিবৃন্দ, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ এবং একজন অভিভাবক বক্তব্য প্রদান করেন।

বিশেষ অতিথি এবং অভিভাবকদের প্রতিনিধি হিসেবে বেলাল হোসেন তাঁর বক্তব্যে বিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষা কার্যক্রম, সুশৃঙ্খল শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ এবং শিক্ষার্থীদের সর্বাঙ্গীণ বিকাশে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মহোদয়ের দূরদর্শী নেতৃত্ব, দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও নিরলস প্রচেষ্টার আন্তরিক প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, অধ্যক্ষের বিচক্ষণ পরিকল্পনা, সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত এবং শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে ধারাবাহিক উদ্যোগের ফলে স্কলার্সহোম শিবগঞ্জ শাখা আজ অভিভাবকদের আস্থা ও বিশ্বাসের এক অনন্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে বিদ্যালয়টি তাদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

তিনি এ ধারাবাহিক সাফল্য বজায় রাখতে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করেন এবং প্রতিষ্ঠানের উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

এছাড়া বিদ্যালয়ের উপাধ্যক্ষ তার বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল প্রতিভার বিকাশ, নৈতিক মূল্যবোধের চর্চা, শৃঙ্খলাবোধ এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিবৃন্দ বিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষা কার্যক্রম, সুশৃঙ্খল পরিবেশ এবং শিক্ষার্থীদের বহুমুখী প্রতিভা বিকাশে প্রতিষ্ঠানের আন্তরিক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

একই সঙ্গে শিক্ষার গুণগত মান আরও সমৃদ্ধ করতে শিক্ষকদের ধারাবাহিক পেশাগত প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শামছ  উদ্দিন বলেন, শিক্ষা কেবল পাঠ্যবইভিত্তিক জ্ঞান অর্জনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং একজন শিক্ষার্থীর সৃজনশীলতা, নৈতিক মূল্যবোধ, আত্মবিশ্বাস, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং দেশপ্রেমের বিকাশ ঘটানোই প্রকৃত শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের এক অনন্য প্ল্যাটফর্ম, যা তাদের আত্মপ্রকাশের সুযোগ সৃষ্টি করে এবং ব্যক্তিত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তিনি আরও বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি সাহিত্য, সংস্কৃতি ও বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে তারা যুগোপযোগী, মানবিক ও দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

তিনি শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি আদর্শ শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান এবং বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।

বক্তব্য পর্ব শেষে শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

নৃত্য, সংগীত এবং আবৃত্তি পরিবেশনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা, সৃজনশীলতা ও আত্মবিশ্বাসের উজ্জ্বল প্রকাশ ঘটায়।

প্রতিটি পরিবেশনা উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে এবং করতালিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো মিলনায়তন।

সর্বোপরি, প্রাণবন্ত, সুশৃঙ্খল ও সার্থক আয়োজনের মধ্য দিয়ে বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্ব সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি, অভিভাবক এবং দর্শকবৃন্দ শিক্ষার্থীদের চমৎকার পরিবেশনার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং এমন আয়োজনের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলে  আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন, শারমিন সুলতানা ও সুদীপ্তা দে।

এছাড়াও সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন, প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বিজুলী রাণী সিংহা, লিজা চৌধুরী, মিথীলা তালুকদার, মৌসুমী শ্যাম, মুক্তা ধর, সূচরিতা পাল, আমিনা খাতুন খুশী, রোকেয়া ফেরদৌস এনি, ফারজানা ইয়াসমীন, শাবনাজ শমি।

» পুলিশ লাইন্স উচ্চ বিদ্যালয়ে গ্রাচ্যুইটি ও আইজিপি শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ শিক্ষকরা সমাজের আলোকবর্তিকা: এসএমপি কমিশনার

Published: ২৯. জুন. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার ও পুলিশ লাইন্স উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পিপিএম বলেছেন, শিক্ষকরা হলেন সমাজের আলোকবর্তিকা, আর শিক্ষার্থীরাই আমাদের সমৃদ্ধ আগামী।

একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সুনাম ও সাফল্যের ভিত্তি গড়ে তোলেন এর নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকরা।

অবসর গ্রহণের পরও বিদ্যালয়ে তাঁদের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকে। আমরা তাঁদের এই ত্যাগ ও শ্রমকে আজীবন কৃতজ্ঞতাভরে স্মরণ করব।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, আইজিপি শিক্ষাবৃত্তি শুধু একটি আর্থিক সহায়তা নয়, এটি তোমাদের মেধার স্বীকৃতি।

বাংলাদেশ পুলিশের এই উদ্যোগ তোমাদের পড়ালেখায় আরও উদ্বুদ্ধ করবে এবং ভবিষ্যতে তোমরা দেশ ও জাতির কল্যাণে নেতৃত্ব দেবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

সোমবার (২৯ জুন) বিকাল ৩টায় পুলিশ লাইন্স উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের গ্রাচ্যুইটি ও কৃতি শিক্ষার্থীদের আইজিপি শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথাগুলো বলেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিদ্যুৎ জ্যোতি চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে ও সিনিয়র শিক্ষক রমা রাণী চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, এসএমপি সিলেটের উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর ও প্রশাসন) সুদীপ্ত রায়, বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতি সিলেট শাখার সভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার কাওছার আহমদ হায়দরী, বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, প্রবীণ সাংবাদিক ও কলামিস্ট আফতাব চৌধুরী।

বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক আব্দুর রহমান তালুকদার, অঞ্জন কুমার কর।

উপস্থিত ছিলেন, অভিভাবক প্রতিনিধি আহমদ কবির রিপন, রোমানা আক্তার।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন, ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী সোহান আরাফাত, গীতা পাঠ করেন, ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী পিউ দেবী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বিদ্যালয়ের ৬ জন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের হাতে কৃতজ্ঞতার স্মারক হিসেবে গ্রাচ্যুইটির চেক ও সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট তুলে দেন।

একই সাথে ১১ জন কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে পড়ালেখায় আরও উৎসাহিত করতে বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি শিক্ষাবৃত্তি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র হস্তান্তর করেন।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, কৃতি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

» দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রেসক্লাবের বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানে তাজরুল ইসলাম তাজুল

Published: ২৯. জুন. ২০২৬ | সোমবার

দক্ষিণ সুরমা প্রতিনিধিঃ
বৃক্ষরোপণ সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত ৫ বছরে পাঁচ কোটি গাছের চারা রোপণের অংশ হিসেবে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে উপজেলা প্রশাসন থেকে প্রাপ্ত বনজ ও ফলজ গাছের চারা রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) বিকেলে উপজেলার সিলাম ইউনিয়নের তেলীপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ও দক্ষিণ তেলীপাড়া পঞ্জেগানা মসজিদ প্রাঙ্গনে বৃক্ষ রোপণের মাধ্যমে কর্মসুচির উদ্বোধন করেন, সিলেট জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজি তাজরুল ইসলাম তাজুল।

দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি চঞ্চল মাহমুদ ফুলর ও সাধারণ সম্পাদক মো. সানোয়ার আলীর সভাপতিত্বে সংক্ষিপ্ত অলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাজি তাজরুল ইসলাম তাজুল বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছের চারা লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সেই লক্ষ্য নিয়ে সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় কাজ শুরু করেছেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমানের এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন হলে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বৃক্ষরোপণ কর্মসুচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম তুরন।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, তেলীপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ উন্নয়ন কমিটির আহবায়ক সারোয়ার আহমদ, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক রাসেল আহমদ, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য মো. সেবুল আহমদ, আলাই মিয়া, মনু মিয়া, ফুরুক মিয়া, বকুল আহমদ, মো. উজ্জল আমহমদ, মোঃ রুমন আহমদ, নাবিল আহমদ।

দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রেসক্লাবের কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটির প্রথম সদস্য মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, প্রচার ও তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক এমরান ফয়ছল, দপ্তর সম্পাদক ইসমাইল আলী টিপু, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আবু বক্কর তালুকদার।

» বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগরের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ মজলিস অনুষ্ঠিত

Published: ২৯. জুন. ২০২৬ | সোমবার

দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই : মাওলানা রেজাউল করিম জালালী

নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস (বি.কে.এম) সিলেট মহানগর উদ্যোগে দিনব্যাপী বাচাইকৃত কর্মীদের নিয়ে প্রশিক্ষণ মজলিস সোমবার (২৯ জুন) লালদিঘীরপারস্থ মজলিস কার্যালয়ে মহানগর সভাপতি জননেতা আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলমের সভাপতিত্বে, সহ-সেক্রেটারী হাফিজ কয়েছ আহমদ ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুফতি আব্দুস সালামের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

প্রশিক্ষণ মজলিসের সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা রেজাউল করিম জালালী, বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকের সহ-সভাপতি, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে নির্বাচনে সিলেট-৩ আসনের ১১ দলীয় এক্যের রিক্সা প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী ও সংগঠনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য হাফিজ মাওলানা মুসলেহ উদ্দিন রাজু।

প্রশিক্ষনে দায়িত্বশীলদের দায়িত্ব কর্তব্য বিষয়ক আলোচনা পেশ করেন, কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আব্দুল আজিজ।

সংগঠনের নিয়মিত কাজ বিষয়ক আলোচনা পেশ করেন, কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা জহিরুল ইসলাম।

বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মাওলানা সামিউর রহমান মূসা, জেলা সভাপতি মাওলানা ইকবাল হোসাইন।

আনুগত্যের পথে বাধা ও তার প্রতিকার বিষয়ক আলোচনা পেশ করেন, জামেয়া মাদানিয়া কাজিরবাজারের সিনিয়র মুহাদ্দিস কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য মাওলানা শাহ মমশাদ আহমদ।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মহানগর সহ-সভাপতি প্রিন্সিপাল মাওলানা পীর আব্দুল জব্বার, মাওলানা মুহিবুর রহমান, মাওলানা সানা উল্লাহ, মাওলানা কমর উদ্দিন, মাওলানা আব্দুল আহাদ, জেলা সাধারণ সম্পাদক প্রিন্সিপাল মাওলানা ফখরুল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক মুফতি সৈয়দ নাসির উদ্দিন আহমদ, মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ রিয়াজ আল মামুন, মহানগর প্রচার ও মিডিয়া সমন্বয়ক মাওলানা মনিরুল ইসলাম চৌধুরী ফুহাদ প্রমুখ।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, দক্ষ সংগঠক গড়ে তোলার অন্যতম হাতিয়ার প্রশিক্ষণ। প্রশিক্ষণ ব্যতিরেকে দক্ষ সংগঠক গঠন করা সম্ভব নয়।

প্রশিক্ষণ কাঙ্খিত সফলতার অন্যতম চাবিকাঠি।

প্রশিক্ষণ নিষ্ঠাবান, পেশাদারিত্ব ও শৃঙ্খলার মান উন্নয়নে সহায়তা করে থাকে।

» শিক্ষার্থীদের দক্ষ ও নৈতিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : মিফতাহ্ সিদ্দিকী

Published: ২৮. জুন. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাইফুর রহমান ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মিফতাহ্ সিদ্দিকী বলেছেন, শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান অর্জন নয়, বরং নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ হয়ে দেশ গঠনে ভূমিকা রাখার আহ্বান।

রোববার (২৮ জুন) দুপুরে রাজা গিরিশচন্দ্র প্রাথমিক স্কুল এন্ড কলেজে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করে আজকের শিক্ষার্থীদের ওপর।

তাই শিক্ষার্থীদের আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি সততা, শৃঙ্খলা, দেশপ্রেম ও সামাজিক দায়িত্ববোধে উদ্বুদ্ধ হতে হবে।

প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে নিজেদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই একটি আদর্শ শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব।

মাদক, সন্ত্রাস, সহিংসতা ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে থেকে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও সৃজনশীল কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করা উচিত।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, তোমরাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে। তাই নিজেকে যোগ্য, দক্ষ ও সৎ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলো।

ভালো ফলাফলের পাশাপাশি ভালো মানুষ হওয়াই শিক্ষার প্রকৃত লক্ষ্য।

রাজা গিরিশচন্দ্র প্রাথমিক স্কুল এন্ড কলেজের গর্ভনিং বডি সভাপতি মো ফরিদ আহমদের সভাপতিত্বে সুলেমান আহমদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন মোহাম্মদ আবদুল মুমিত।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সহকারী প্রধান শিক্ষক হাসিনা মমতাজ বেগম, সিনিয়র শিক্ষক মো. মানিক খান,বণ্যা চক্রবর্তী, সুলতানা বেগম, শিল্পী রাণী সরকার, গাউসিয়া চৌধূরী, অন্যান দেব, জয় দ্বীপ প্রমূখ।

Callender

June 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930