শিরোনামঃ-

» বাংলাদেশে পর্তুগালের ভিসা অফিস চালুর জোর দাবি পর্তুগাল গণদাবি পরিষদের

Published: ০১. আগ. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশে অনতিবিলম্বে পর্তুগালের ভিসা অফিসের কার্যক্রম চালু এবং সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাতার ও সৌদি এয়ারলাইন্স সহ আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সগুলোকে সরাসরি চলাচলের সুযোগ দেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন, সিলেট বিভাগ গণদাবি পরিষদ পর্তুগাল শাখার নেতৃবৃন্দ।

শনিবার (১ আগস্ট) এক যৌথ বিবৃতিতে সিলেট বিভাগ গণদাবি পরিষদ পর্তুগাল শাখার সভাপতি হারুন অর রশীদ, সহ-সভাপতি এ.এইচ.এম নুরুল হুদা (নাহাজ), সাধারণ সম্পাদক সুমন আহমেদ সানী, তথ্য ও প্রচার সম্পাদক আলমগীর হাছান ফারুকী এবং কোষাধ্যক্ষ মো. ফখরুল ইসলাম সহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এই দাবি জানান।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, বর্তমানে পর্তুগালে প্রচুরসংখ্যক বাংলাদেশী প্রবাসী বসবাস করছেন এবং তাঁরা নিয়মিত বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে প্রেরণ করছেন।

পর্তুগালে এখনো প্রচুর বাংলাদেশী শ্রমিকের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে কোন পর্তুগিজ ভিসা অফিস না থাকায় সাধারণ ইচ্ছুক শ্রমিকরা সহজে সেখানে যেতে পারছেন না।

বর্তমানে বাংলাদেশীদের পর্তুগালের ভিসার জন্য ভারতে যেতে হয়, যা চরম জটিলতা, হয়রানি ও বাড়তি অর্থ খরচের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশে সরাসরি ভিসা অফিস চালু হলে সহজে প্রবাসীরা পর্তুগাল যেতে পারবেন, যা দেশের বৈদেশি মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখবে।

বিবৃতিতে সিলেট বিভাগের প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের দাবির কথা উল্লেখ করে বলা হয়, সিলেটে অবস্থিত ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাতার এয়ারওয়েজ ও সৌদি এয়ারলাইন্সের মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলোকে ওঠানামা ও যাত্রী পরিবহনের সুযোগ দিতে হবে।

এর ফলে সিলেট বিভাগের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে এবং প্রবাসীদের যাতায়াত সহস্রগুণ সহজ হবে।

পর্তুগাল গণদাবি পরিষদের এই যৌক্তিক দাবির প্রতি পূর্ণ একাত্মতা প্রকাশ করেছেন সিলেট বিভাগ গণদাবি পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক এম শফিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মনসুর আহমদ লস্কর।

প্রবাসীদের সুবিধার্থে ও দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থে এই দাবিগুলো দ্রুত মেনে নিতে সরকারের প্রতি জোর আহ্বান জানান তাঁরা।

» ২০ আগস্ট থেকে শুরু হচ্ছে মূল শুমারি; সিলেটে ‘নৌযান শুমারি ২০২৬’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

Published: ০১. আগ. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ
দেশের সমুদ্রগামী, উপকূলীয় ও অভ্যন্তরীণ জলসীমায় চলাচলকারী ইঞ্জিনচালিত সকল নৌযানের সঠিক ডাটাবেইজ প্রণয়নের লক্ষ্যে সিলেটে ‘নৌযান শুমারি ২০২৬’ শীর্ষক এক গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিভাগীয় পরিসংখ্যান অফিস, সিলেটের উদ্যোগে আয়োজিত এই সেমিনারে দেশের নৌ-পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন, শুমারির গুরুত্ব ও বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

পরিসংখ্যান অফিসার সুব্রত রঞ্জন হাজরার সঞ্চালনায় সেমিনারে শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা পরিসংখ্যান অফিস, সিলেটের উপপরিচালক কামাল উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে ‘নৌযান শুমারি ২০২৬’-এর ওপর মূল কী-পয়েন্টস প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন বিভাগীয় পরিসংখ্যান অফিস, সিলেটের যুগ্মপরিচালক মোহাম্মদ আজাদুর রহমান।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার ও অতিরিক্ত সচিব মো. মশিউর রহমান বলেন, বাংলাদেশের অধিকাংশ নৌযানের তথ্য সরকারের ডেটাবেইজে নেই।

এই শুমারির মাধ্যমে ইঞ্জিনচালিত সকল নৌযানের সঠিক তথ্য যদি এক ছাতার নিচে নিয়ে আসা সম্ভব হয়, তবে তা দেশের নৌ-পরিবহন খাতের জন্য অনেক বড় একটি মাইলফলক হবে।

সমাপনী বক্তব্যে অনুষ্ঠানের সভাপতি, যুগ্মসচিব ও অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) সিলেট আশরাফুর রহমান বলেন, ইচ্ছে হলেই কেউ যেন নৌপথে ইঞ্জিনচালিত নৌযান নামাতে না পারে, সেই বিশৃঙ্খলা রোধে নৌযান শুমারি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিলেট রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আনোয়ারুল হক আশ্বাস দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ এবং তাদের বিশেষ ইউনিট ‘নৌ পুলিশ’-এর মাধ্যমে নৌযান শুমারি ২০২৬ সফল করতে বিবিএস (ইইঝ)-কে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদান করা হবে।

বিশেষ অতিথি সিলেটের জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, সড়কের যেমন লাইসেন্সিং ব্যবস্থা রয়েছে, ঠিক তেমনি সকল ইঞ্জিনচালিত নৌযানেরও সুনির্দিষ্ট লাইসেন্স থাকা উচিত।

এছাড়া সেমিনারে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, সিলেট রেঞ্জের উপমহাপরিচালক শাহ আহমদ ফজলে রাব্বী (বিএএম, এনডিসি) বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন।

সেমিনারে জানানো হয়, দেশে এতদিন সরকারি বা বেসরকারি কোনো দপ্তরের কাছে অভ্যন্তরীণ নৌযানের কোনো নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান ছিল না।

এই শুমারির মাধ্যমে সমন্বিত ন্যাশনাল ডাটাবেইজ তৈরি করা হবে, যা নৌ-দুর্ঘটনা হ্রাস, নৌযান ও নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, দুর্ঘটনাকবলিত ভুক্তভোগীদের দ্রুত আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং নীতি নির্ধারণে কাজ করবে।

বাংলাদেশের সকল সমুদ্রগামী, উপকূলীয় ও অভ্যন্তরীণ জলসীমায় চলাচলকারী সকল ইঞ্জিনচালিত নৌযান এবং চালিত ডাম্ব বার্জ (উঁসন ইধৎমবং) এই শুমারির আওতায় আসবে।

তবে সামরিক বাহিনীর নিজস্ব তত্ত্বাবধানে পরিচালিত নৌযানগুলো এই শুমারির আওতামুক্ত থাকবে।

বিভাগীয় পরিসংখ্যান অফিস সূত্রে জানা গেছে গত ৪ হতে ১৭ মে ২০২৬ সময়কালে অনুষ্ঠিত মাঠ পর্যায়ের লিস্টিং অপারেশনের মাধ্যমে সারাদেশে সর্বমোট ২,৪৪,৮০৮টি ইঞ্জিনচালিত নৌযানের প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

সংগৃহীত তথ্য যাচাই ও গণনা এলাকা পুনর্র্নিধারণের লক্ষ্যে গত ৯ হতে ১৪ জুলাই ২০২৬ মেয়াদে জোনাল অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন হয়। মূল শুমারির পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে আগামী ৩ হতে ৪ আগস্ট ২০২৬ সময়ে পাইলট অপারেশন পরিচালিত হবে।

সর্বশেষে আগামী ২০ হতে ২৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত দেশব্যাপী মাঠপর্যায়ে মূল শুমারির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

উন্মুক্ত আলোচনার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সকলের উপস্থিতিতে নৌযান শুমারি সফলভাবে সম্পন্ন করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে সেমিনার শেষ হয়।

» সিলেটে বাকাসস-এর জেলা কমিটির বিদায়ী সংবর্ধনা ও বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় অনুষ্ঠিত

Published: ০১. আগ. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ কালেক্টরেট সহকারী সমিতি (বাকাসস)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি, সিলেট জেলা শাখার উপদেষ্টা মো. আলীমুজ্জামান ও সিলেট জেলা শাখার সভাপতি মো. কামরুজ্জামান চাকরি থেকে অবসরজনিত বিদায় উপলক্ষ্যে   সিলেট জেলার শাখার উদ্যোগে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) নগরীর চৌহাট্টাস্থ একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে এই সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।

প্রথম অধিবেশনে বাংলাদেশ কালেক্টরেট সহকারী সমিতি (বাকাসস)-এর সিলেট জেলা শাখার সভাপতি দেবাংশু ভট্টাচার্য্য এর সভাপতিত্বে সহ সভাপতি ধ্রুব জ্যোতি দাস  ও মাহফুজুর রহমানের সঞ্চালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি ও সিলেট বিভাগীয় শাখার উপদেষ্টা মো. আলীমুজ্জামান, সংবর্ধিত অতিথি মো: কামরুজ্জামানের ছেলে ফজলে রাব্বী।

দ্বিতীয় অধিবেশনে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলা শাখার সমন্বয়ে গঠিত বাংলাদেশ কালেক্টরেট সহকারী সমিতি (বাকাসস)-এর সিলেট বিভাগীয় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বাকাসস সিলেট বিভাগের সমন্বয়ক মো. জামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সহ সভাপতি ধ্রুব জ্যোতি দাস এর সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাকাসস কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এস. এম. আরিফ হোসেন এবং বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব মোহাম্মদ আশ্রাফুল ইসলাম।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বাকাসস ঢাকা জেলার সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সহভাপতি মুসা খান, কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান, অর্থ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম, হবিগঞ্জ জেলা শাখার সহ সভাপতি কাজল কুমার দাস, মৌলভীবাজার জেলা শাখার সভাপতি মুশফিকুর রহমান, সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সেক্রেটারী সুমন চন্দ্র সরকার, সিলেট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল আহমদ, অর্থ সম্পাদক হুমায়ুন রশিদ, বিভাগীয় কমিটির সদস্য যুগ্ম সম্পাদক মো. আব্দুল ফাত্তাহ, ৫ বিভাগের সমন্বয়ক ময়মনসিংহের নাসির উদ্দিন, রংপুরের আমিনুর রহমান, চট্টগ্রামের আব্দুর রহিম, ঢাকার বাবুল হোসেন, খুলনার আতিয়ার রহমান, ময়মনসিংহ জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন সিলেট জেলা শাখার ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সামাদ এবং পবিত্র গীতা পাঠ করেন প্রশান্ত কুমার  মালাকার।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সিলেট বিভাগের সদস্য সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম।

অনুষ্ঠানে সংগঠনের দেওয়ান আজহারুল হক চৌধুরী শাহীন, বজলুল হক, নিতাই দেবনাথ, বাকাসস সিলেট জেলার সভাপতি দেবাংশু ভট্টাচার্যের মাতা আশালতা ভট্টাচার্য্য মৃত্যুবরণ করায় গভীর শোক প্রকাশ করা হয়।

সভায় বক্তারা কালেক্টরেট কর্মচারীদের পেশাগত পদোন্নতি, বেতন বৈষম্য দূরীকরণ এবং বিভাগীয় সাংগঠনিক ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বক্তারা অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের দীর্ঘ কর্মজীবনের নিষ্ঠা ও সংগঠনের প্রতি অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন এবং তাঁদের উত্তরোত্তর দীর্ঘায়ু ও সুস্থ জীবন কামনা করেন।

সভায় বক্তারা বলেন, কালেক্টরেট কর্মচারীরা মাঠ প্রশাসনের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

অথচ দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতির সুযোগ ও বেতন বৈষম্যের কারণে তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হতে হচ্ছে। অনতিবিলম্বে এই পেশাগত বৈষম্য দূর করে পদোন্নতির পথ সুগম করতে জোর দাবী জানান।

বক্তারা আরও বলেন, সংগঠনের ঐক্যই আমাদের শক্তি। সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করে বৈষম্যহীন ও সম্মানজনক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে আমাদের আন্দোলন ও ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

» বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মেম্বার এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন দয়াল উদ্দিন তালুকদার

Published: ০১. আগ. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মেম্বার এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনিত হয়েছেন, সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার ৬নং বিশ্বনাথ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মো. দয়াল উদ্দীন তালুকদার।

শনিবার (১ আগস্ট) সংগঠনের সভাপতি মোঃ পয়গাম আলী ও সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন সাক্ষরিত এক পত্রে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

এতে জানানো হয়, বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মেম্বার এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক প্রধান উপদেষ্টা এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এমপির পরামর্শক্রমে অত্র সংগঠনকে গতিশীল ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বিশ্বনাথ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মো. দয়াল উদ্দীন তালুকদারকে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (সিলেট বিভাগ) পদে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মেম্বার এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব প্রদান করায় সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এমপি সহ সভাপতি মো. পয়গাম আলী ও সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন দয়াল উদ্দিন তালুকদার এবং তিনি দায়িত্ব পালনে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

এদিকে, ৬নং বিশ্বনাথ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মো. দয়াল উদ্দীন তালুকদার বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মেম্বার এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনিত হওয়ায় সিলেটের বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বার সহ ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।

» নারীশিক্ষার উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করছে সরকার : এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী

Published: ০১. আগ. ২০২৬ | শনিবার

বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ
সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী বলেছেন, শিক্ষা নিয়ে গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ- এই নীতিকে সামনে রেখে বর্তমান সরকার নারীশিক্ষা ও প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

ঘরে ঘরে শিক্ষিত মা তৈরি হলে প্রত্যেক ঘর শিক্ষার আলোয় আলোকিত হয়ে উঠবে।

শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে বিয়ানীবাজার উপজেলার নিদনপুর সুপাতলা বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে প্রায় দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এছাড়া শনিবার বিকালে বিয়ানীবাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়েও প্রায় দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে ভবন সম্প্রসারণ কাজের উদ্বোধন করেন সাংসদ এমরান আহমদ চৌধুরী।

নিদনপুর সুপাতলা বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, প্রতিষ্ঠানটির এডহক কমিটির সভাপতি ও উপজেলা তথ্যসেবা কর্মকর্তা শিউলী বেগম।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিউল কবিরের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, বিয়ানীবাজারের উপজেলা নির্বাহী অফিসা উম্মে হাবিবা মজুমদার, লন্ডন টাইগার্সের সিইও এবং নিদনপুর সুপাতলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ফাউন্ডার মিছবা আহমদ এমবিই, জেলা বিএনপির শিশু বিষয়ক সম্পাদক ছিদ্দিক আহমদ, স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক আবু নাসের পিন্টু, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট আহমদ রেজা, সিনিয়র সহ সভাপতি আব্দুস সবুর, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন, পৌর বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান রুমেল, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নজমুল হোসেন, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকক সুবদ রঞ্জন চক্রবর্তী, সাবেক সভাপতি ফখর উদ্দিন, শিক্ষা প্রকৌশলী মো. আতিকুর রহমান, স্থানীয় বিএনপি নেতা কবির আহমদ ও আনিসুর রহমান, শিক্ষানুরাগী ফয়জুল হক ও আলাল উদ্দিন, সাবেক পৌর কাউন্সিলর এনাম উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত হলে এলাকার নারীশিক্ষার মান আরও উন্নত হবে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের কষ্টের অবসান ঘটবে।

দীর্ঘদিনের এ দাবির কথা তুলে ধরে প্রতিষ্ঠানটি দ্রুত এমপিওভুক্ত করার জন্য সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরীর বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তারা।

এদিকে শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে বিয়ানীবাজার সোস্যাল অর্গানাইজেশনের উদ্যোগে স্থানীয় প্রয়াত বিশিষ্টজনদের স্মরণে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিয়ানীবাজার বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ প্রাঙ্গণে এ সভার আয়োজন করা হয়।

স্মরণসভায় শিক্ষাবিদ, সমাজসেবী ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ সুলতান কবীর (চুনু) , শিক্ষক ললিত মোহন বিশ্বাস, মুক্তিযোদ্ধা ও সমাজসেবী আজিজুর রহমান (পংকি) এবং সমাজসেবী ও শিক্ষানুরাগী আব্দুল মুকিত খান-এর শিক্ষা, সমাজসেবা ও মুক্তিযুদ্ধে অবদানের কথা পরম শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি ফয়সল আহমদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. বিলাল উদ্দিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী বলেন- গুণীজনদের সম্মান দিলে সমাজ উপকৃত হয়। তাদের শুধু মুখে সম্মান দিলেই হবে না, তাদের রেখে যাওয়া নির্দেশনাও মানতে হবে।

সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাবিবা মজুমদার, বিয়ানীবাজার আদর্শ মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. মুজিবুর রহমান, জেলা বিএনপির সহ সভাপতি নজমুল হোসেন পুতুল, শিশু বিষয়ক সম্পাদক ছিদ্দিক আহমদ, স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক আবু নাসের পিন্টু, বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি জাকির হোসেন, অর্গানাইজেশনের সহ সভাপতি রুহুল আলম জালাল, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট আহমদ রেজা, সিনিয়র সহ সভাপতি আব্দুস সবুর, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন, বিয়ানীবাজার বালিকা স্কুল এন্ড কলেজের কলেজের অধ্যক্ষ অসীম কান্তি তালুকদার, রোটারিয়ান আব্দুস শাকুর বাবলু।

সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় সুধীজনের উপস্থিতিতে বক্তারা প্রয়াত গুণীজনদের জীবনের নানা দিক নিয়ে আলোকপাত করেন এবং তাঁদের আদর্শ অনুসরণ করে সমাজ গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

» সিলেট মহানগর জামায়াতের গণমিছিল

Published: ০১. আগ. ২০২৬ | শনিবার

সংস্কার ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকারকে কোন ছাড় দেয়া হবেনা : অ্যাডভোকেট জুবায়ের

নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেছেন, জুলাইয়ের শহীদদের ত্যাগের মর্যাদা রক্ষা এবং দেশকে শান্তি, ন্যায়বিচার ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে জামায়াত কাজ করে যাচ্ছে। ক্ষমতাসীন দল কথায় কথায় গণঅভ্যুত্থানের একক কৃতিত্ব নিতে চাচ্ছে।
অথচ চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে ঠেকাতে পতিত ফ্যাসিস্ট সরকার ১ আগস্ট জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ করেছিল।
তারা বুঝতে পেরেছিল এই বিপ্লবের পেছনে কারা জড়িত। কিন্তু আমরা ফ্যাসিস্টের কাছে মাথা নত করিনি।
সর্বশক্তি নিয়ে ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে কাজ করেছি। যার ফলে দেড় হাজার শহীদ ও ৩০ হাজারের বেশী আহত জুলাই যোদ্ধাদের রক্তের বিনিময়ে দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে। কিন্তু গণঅভ্যুত্থানের দুই বছরেও জাতি কাংখিত পরিবর্তন দেখতে পারছেনা।
বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে জুলাই সনদকে উপেক্ষা ও গণভোটের রায় বাতিলের মাধ্যমে জাতির সাথে প্রতারণা করে ছাত্র-জনতার আশা-আকাঙ্খাকে গলাটিপে হত্যা করেছে।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতা কেবল ক্ষমতার পালাবদলের জন্য জীবন উৎসর্গ করেনি।

রাষ্ট্র ব্যবস্থার সংস্কার ও ফ্যাসিবাদের রাস্তা চিরতরে বন্ধ করে জনগণের অধিকার বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করাই ছিল এর মূল লক্ষ্য।
বিএনপি অন্তর্বর্তীকালিন সরকারের সময়ে সকল রাজনৈতিক দলের সাথে ঐকব্যদ্ধ হয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অঙ্গিকার করেছে। কিন্তু তারা ক্ষমতায় গিয়ে সেই দাবি থেকে সরে গিয়ে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার পথে হাটঁছে।
সংস্কার ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন প্রশ্নে সরকারকে কোন ছাড় দেয়া হবেনা। এই দেশে নতুন করে কাউকে ফ্যাসিবাদী হওয়ার সুযোগ চিরতরে বন্ধ করা হবে।
দ্রুততম সময়ের মধ্যে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জুলাই গণহত্যায় জড়িত ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও তার দোসরদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি শনিবার (১ আগস্ট) বাদ আসর নগরীর ঐতিহাসিক কোর্টপয়েন্টে সিলেট মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জুলাই গণহত্যায় জড়িত ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও তার দোসরদের বিচারের দাবিতে অনুষ্ঠিত গণমিছিল পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।

গণমিছিলটি কোর্ট পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট প্রদক্ষিণ শেষে চৌহাট্টা পয়েন্টে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী মোহাম্মদ শাহজাহান আলীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত গণমিছিল পূর্ব সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও সিলেট জেলা আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান ও জামায়াতের সিলেট অঞ্চল টীম সদস্য হাফিজ আব্দুল হাই হারুন।

গণমিছিল পূর্ব সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মহানগর নায়েবে আমীর ড. নূরুল ইসলাম বাবুল, মহানগর সহকারী সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আব্দুর রব, জাহেদুর রহমান চৌধুরী ও মাওলানা ইসলাম উদ্দিন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সিলেট মহানগর সভাপতি শহীদুল ইসলাম সাজু, সিলেট মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুুল্লাহ আল ফারুক, শাহপরান পশ্চিম থানা আমীর রফিকুল ইসলাম মজুমদার প্রমূখ। সমাবেশের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন কোতোয়ালী পশ্চিম থানা আমীর মাওলানা আজিজুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট জুবায়ের বলেন, পতিত ফ্যাসিস্ট সরকার দীর্ঘ ১৬ বছর জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের উপর নির্যাতনের স্টীম রোলার চালিয়েছে। তারা আমাদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে ফাঁসি দিয়ে শহীদ করেছে। শত শত নেতাকর্মীকে খুন-গুম করেছে।

লাখো লাখো নেতাকর্মীকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করেছে। কিন্তু জামায়াত ও ইসলামী ছাত্রশিবির ফ্যাসিবাদের কাছে মাথা নত করেনি। কারণ জামায়াত একটি বৈষম্যহীন মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারকে গণভোটের রায় বাস্তবায়নে জামায়াত ও ১১ দলীয় ঐক্য আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। সংস্কার ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন নিয়ে কোন টালবাহানা মেনে নেয়া হবেনা।

শীঘ্রই ১১ দলীয় ঐক্যের ব্যানারে নতুন কর্মসুচী আসছে। সকল কর্মসুচী বাস্তবায়নের মাধ্যমে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সিলেটবাসীকে এগিয়ে আাসার আহ্বান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে সিলেট মহানগর জামায়াতের আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, সরকার শুধু জুলাই সনদ উপেক্ষা ও গণভোটের রায় বাতিল করেই ক্ষান্ত হয়নি।

তাঁরা ক্ষমতায় যাওয়ার ৫ মাসে জাতিকে দুর্ভোগ ছাড়া কিছুই উপহার দিতে পারেনি।
দ্রব্যমুল্যের উর্ধ্বগতিতে মানুষের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। দেশব্যাপী গ্যাস সংকট ও লোডশেডিংয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ। রাস্তাঘাট সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগের অভাবে জনদুর্ভোগ ক্রমশই বাড়ছে।
অবিলম্বে জনদুর্ভোগ লাঘবে সরকারকে কার্যকর ভুমিকা পালন করতে হবে।
গনভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জুলাই গণহত্যায় জড়িত ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও তার দোসরদের বিচার নিশ্চিতে সরকারের প্রতি জোর দাবী জানান তিনি।

» ১২ দফা দাবি আদায়ে ব্যাটারি চালিত রিকশা-ইজিবাইক মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের মিছিল ও সমাবেশ

Published: ০১. আগ. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটে নগরীতে ব্যাটারি চালিত রিকশা- ইজিবাইক শ্রমিক-মালিকদের জীবিকা সংকট নিরসনে ও বিআরটিএ-এর লাইসেন্স ও চার্জিং স্টেশন নির্মাণ সহ ১২ দফা দাবি আদায়ের লক্ষে এক বিশাল শ্রমিক সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের শহীদ সুলেমান হলে ব্যাটারি চালিত রিকশা-ইজিবাইক মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদ সিলেটের উদ্যোগে এই সমাবেশ ও মিছিলের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন সুমনের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব বুরহান উদ্দিন ভান্ডারীর সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট মহানগর সভাপতি এডভোকেট জামিল আহমদ রাজু।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সিলেট জেলা বাস-মিনিবাস-মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন নেতা মুহিবুল ইসলাম, জেলা বাস-মিনিবাস কোচ-মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. মাহবুব মিয়া মবু, চা-শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মনীষা ওয়াহিদ, রহমানিয়া প্রতিবন্ধী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি আতাউর রহমান খান সামছু, সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু বকর সিদ্দিক, যুগ্ম সদস্য সচিব আব্দুল জলিল, মাশরুখ জলিল, দেলোয়ার হোসাইন, ধানিছ মিয়া ও আনিস খান, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট সিলেট জেলার নেতা প্রণব জ্যোতি পাল, শ্রমিক নেতা রায়হান আহমেদ, মুখলেছুর রহমান, শহীদুল ইসলাম, আসলাম আলী।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের ৬নং ওয়ার্ড সভাপতি  শহীদ বকস, ৮ নং ওয়ার্ড সভাপতি  মর্তুজ আলী, ৯নং ওয়ার্ড সভাপতি খায়রুল ইসলাম, ১০নং ওয়ার্ড সভাপতি  মিজু আহমেদ, ১৮নং ওয়ার্ড সভাপতি আবুল কাশেম, ৩৬নং ওয়ার্ড  সভাপতি আব্দুস সোবহান প্রমুখ।

সমাবেশ শেষে মালিক-শ্রমিকরা একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।

মিছিলটি  নগরীর দরগাহ গেইট থেকে থেকে বের হয়ে বন্দরবাজার এলাকা প্রদক্ষিণ করে পুনরায় সমাবেশস্থলে এসে শেষ হয়।

মিছিলে সিলেট জেলা ও মহানগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আসা হাজারো ব্যাটারি চালিত রিকশা ও ইজিবাইক মালিক-শ্রমিকরা অংশ  গ্রহন করে তাদের অধিকার আদায়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান সফল করতে এদেশের শ্রমজীবী মানুষেরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল এবং স্বৈরাচার পতনের আন্দোলনে অসংখ্য রিকশা চালক শহীদ হয়েছেন।

অথচ দেশে এখন গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় আসলেও রিকশা শ্রমিকদের ন্যায্য দাবিগুলো পূরণ করা হচ্ছে না।

বাংলাদেশের সব বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোতে ব্যাটারিচালিত রিকশা নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারলেও শুধু সিলেটে এই সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না, যা চরম বৈষম্যমূলক।

বর্তমানে প্রশাসনের জব্দ করা হাজার হাজার ব্যাটারি চালিত রিকশা ডাম্পিং স্টেশনে পচে-গলে নষ্ট হচ্ছে, যার ফলে শ্রমিক পরিবারগুলো অনাহারে দিন কাটাচ্ছে।

শ্রমিক নেতারা প্রশাসনের উদ্দেশে বলেন, রিকশা শ্রমিকরা ও মানুষের মতো বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে, তাই দয়া করে তাদের রিজিক বন্ধ করবেন না।

বক্তারা আরো বলেন, শ্রমিকরা  নিজেদের নায্য দাবি ও অধিকার আদায়ে আজ সম্পূর্ণ ঐক্যবদ্ধ।

আমাদের প্রণের এই ১২ দফা দাবি নিয়ে সবার কাছে যাবো, দাবি আদায় না হলে শ্রমিক সমাজ ভালো করেই জানে কীভাবে রাজপথ থেকে নিজেদের অধিকার আদায় করে নিতে হয়।

সমাবেশে মালিক-শ্রমিকদের  উত্থাপিত ১২ দফা দাবি তুলে দরেন। দাবিগুলো হচ্ছে যথাক্রমে  বিআরটিএ কর্তৃক ব্যাটারিচালিত রিকশা-ইজিবাইক ও চালকদের দ্রুত লাইসেন্স প্রদান, সিলেট নগরীতে ব্যাটারিচালিত যানবাহন চলাচলের ওপর আরোপিত সকল ধরনের নিষেধাজ্ঞা অবিলম্বে প্রত্যাহার, প্রশাসনের ডাম্পিংয়ে আটকে রাখা সকল যানবাহন ও ব্যাটারি নিঃশর্ত ফেরত দেওয়া এবং বন্ধ হওয়া গ্যারেজের বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন, বিআরটিএ লাইসেন্স চূড়ান্তভাবে না পাওয়া পর্যন্ত ভিআইপি সড়ক ব্যতীত অন্যান্য অলিতে-গলিতে এই বাহনগুলো নির্বিঘ্নে চলাচলের সুযোগ দেওয়া, সর্বস্তরের প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করে একটি আধুনিক সড়ক ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন ও ট্রাফিক ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করা,  সড়কে পুলিশী হয়রানি, নির্যাতন ও অবৈধ টোকেন চাঁদাবাজি সম্পূর্ণ বন্ধ করা, গ্যারেজগুলোর সুরক্ষায় সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স ও বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান,  নগরীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে রিকশার জন্য নির্ধারিত ও বৈধ স্ট্যান্ড চালু,  যানবাহন জব্দের পর আদায়কৃত অতিরিক্ত র‌্যাকার বিল কমিয়ে যৌক্তিক ও সহনীয় পর্যায়ে আনা, অধিকার আদায়ের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে মালিক-শ্রমিক ও নেতাদের ওপর দায়েরকৃত সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, বিজ্ঞানসম্মত, আধুনিক ও নিরাপদ মডেলের রিকশা ও ইজিবাইকের ডিজাইন সরকারিভাবে উন্মুক্ত করা এবং চালকদের জীবিকা সুরক্ষা নিশ্চিত করা, প্রান্তিক শ্রমিকদের জন্য রেশন কার্ডের ব্যবস্থা ও শ্রমিকের সামাজিক মর্যাদা রাষ্ট্রীয়ভাবে নিশ্চিত করা।

সমাবেশে বক্তারা উপরোক্ত দাবিগুলো মেনে নিয়ে শ্রমিকদের জীবন মান উন্নত ও জীবিকা নির্বাহ সহজকর করাতে সংলিষ্ট কতৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান।

» তালামীযে ইসলামিয়া বৃহত্তর নাজির বাজার আঞ্চলিক শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন

Published: ৩১. জুলা. ২০২৬ | শুক্রবার

সভাপতি আল আমিন, সম্পাদক আব্দুল বারিক রাব্বি

নিউজ ডেস্কঃ

‎বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া দক্ষিণ সুরমা থানাধীন বৃহত্তর নাজির বাজার আঞ্চলিক শাখার ২০২৬-২৭ সেশনের কাউন্সিল ও অভিষেক সম্পন্ন হয়েছে। এসময় আঞ্চলিক শাখার ৩১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি গঠন করা হয়।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) বাদ জুমুআ নাজির বাজার আঞ্চলিক শাখার কার্যালয়ে কাউন্সিল ও নবনির্বাচিত দায়িত্বশীলদের অভিষেক সম্পন্ন হয়।

কাউন্সিলে সর্বসম্মতিক্রমে আল আমিনকে সভাপতি, আব্দুল বারিক রাব্বিকে সাধারণ সম্পাদক ও সায়মন আহমদকে সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনীত করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।

এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও নবনির্বাচিত দায়িত্বশীলদের শপথবাক্য পাঠ করান, দক্ষিণ সুরমা থানা শাখার সভাপতি আব্দুল মুছাব্বির রইয়ব, সহকারী নির্বাচন কমিশনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দক্ষিণ সুরমা থানা শাখার সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান তালুকদার।

‎বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দক্ষিণ সুরমা থানা শাখার সহ-সভাপতি মারজান হুসেন ফাহিম, রুহেল আহমদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান তালুকদার, মো. সুমন মিয়া, জাকির হোসেন, সহ-প্রচার সম্পাদক নাজমুল ইসলাম ছায়েম, অফিস সম্পাদক নুরুল আমিন। ‎

নতুন কমিটির অন্যান্যা দায়িত্বশীলরা হলেন, সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলাম, শেখ মোস্তাকিম আহমদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক কিবরিয়া আলম মাহি, আহবাব হোসেন, সাকিল আহমদ মাছুম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আলাদ্দিন আল হাদি, মাহিন আহমদ, প্রচার সম্পাদক অলিউর রহমান হামযা, সহ প্রচার সম্পাদক আজিজুর রহমান মারুফ, পারভেজ হাসান, অর্থ সম্পাদক হোসাইন আহমদ, অফিস সম্পাদক নজির আহমদ, সহ অফিস সম্পাদক সাজন আহমদ, আব্দুল আহাদ প্রশিক্ষণ সম্পাদক ইয়াসিন আহমদ, সহ প্রশিক্ষণ সম্পাদক ইমন আহমদ, আতিকুর রহমান, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আমিন মাহদি, সহ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সাইফুর হক ওহি, রেদওয়ান আহমদ, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সহ তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক , জাবেদ আহমদ, শুভ আহমদ, সদস্য তামিম ইকবাল, আবু বকর ছায়েম, নাঈম আহমদ, মামুন, রাহিম প্রমুখ।

» শাহজালাল মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে প্রচারণা শুরু করলেন সিসিক মেয়র পদপ্রার্থী রফিকুল ইসলাম ফেনু

Published: ৩১. জুলা. ২০২৬ | শুক্রবার

নিউজ ডেস্কঃ
আসন্ন সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক রফিকুল ইসলাম ফেনু তাঁর নির্বাচনী প্রচারণার আনুষ্ঠানিক সূচনা করেছেন।

শুক্রবার বাদ জুম্মা সিলেট নগরীর ঐতিহাসিক হযরত শাহজালাল (র.)-এর মাজার জিয়ারত ও বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে তিনি এ প্রচারণা শুরু করেন।

জিয়ারত শেষে মাজার প্রাঙ্গণে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে আলাপকালে রফিকুল ইসলাম ফেনু বলেন, “আমি কোনো রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে নির্বাচনে আসি নাই; সিলেটের একজন সাধারণ সন্তান হিসেবে নগরবাসীর নাগরিক অধিকার ও মৌলিক সেবা নিশ্চিত করাই আমার একমাত্র লক্ষ্য।

দল-মত নির্বিশেষে এই পূণ্যভূমি সিলেটকে একটি পরিচ্ছন্ন, বাসযোগ্য, যানজটমুক্ত ও সুপরিকল্পিত আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে ও সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও নগরবাসী সুযোগ দিলে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থেকে সিলেটের সর্বাঙ্গীন উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করব।”

রফিকুল ইসলাম ফেনু সিলেট নগরীর পশ্চিম কাজল শাহ এলাকার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের কৃতি সন্তান। পেশায় সফল ব্যবসায়ী হলেও কোন ধরনের রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে তাঁর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পৃক্ততা নেই। কোনো দলীয় বলয়ের ভেতরে না থেকে একজন সম্পূর্ণ স্বাধীন ও নাগরিক প্রার্থী হিসেবেই তিনি নগরবাসীর কাছে দোয়া ও সমর্থন কামনা করছেন।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক সংগঠনের সাথে সরাসরি যুক্ত হয়ে সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন রফিকুল ইসলাম ফেনু।

সমাজের অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের যেকোন দুর্যোগ-দুর্বিপাকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি সিলেটের আঞ্চলিক উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থার অগ্রগতি ও নাগরিক অধিকার আদায়ের বিভিন্ন আন্দোলনেও তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।

মাজার জিয়ারতকালে উপস্থিত ছিলেন, কাওসার উদ্দিন পাপ্পুু, মৌলানা রইছ উদ্দিন, ইউসুফ সেলু, কামাল খান, সুহেল আহমদ সহ পশ্চিম কাজল শাহ এলাকার বিশিষ্ট মুরুব্বিয়ান, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় তরুণসমাজ এবং রফিকুল ইসলাম ফেনুর বিপুলসংখ্যক সমর্থক ও অনুরাগী উপস্থিত ছিলেন।

জিয়ারত শেষে তিনি মাজার সংলগ্ন এলাকা ও আশপাশের সাধারণ ব্যবসায়ী ও পথচারীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন।

» সিলেটে বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদ (বাবৌযুপ) এর বার্ষিক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি  ২০২৬ সম্পন্ন

Published: ৩১. জুলা. ২০২৬ | শুক্রবার

বৃক্ষ শুধু আমাদের পরিবেশেরই ভারসাম্য রক্ষা করে না বরং মানবজাতির জীবন ধারণের জন্য অপরিহার্য : মিফতাহ সিদ্দিকী

নিউজ ডেস্কঃ
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী বলেছেন, শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমার এই পবিত্র দিনে বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদের এই সামাজিক ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

বৃক্ষ শুধু আমাদের পরিবেশেরই ভারসাম্য রক্ষা করে না, বরং মানবজাতির জীবন ধারণের জন্য অপরিহার্য। ধর্মীয় উৎসবের আবহে এমন জনকল্যাণমূলক কাজ সম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পরিবেশ সচেতনতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

আমাদের প্রতিটি নাগরিকের উচিত পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে আসা এবং নিজ নিজ জায়গা থেকে গাছ লাগানো ও তার যত্ন নেওয়া। বাংলাদেশে সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ যুগে যুগে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বসবাস করে আসছে। এই সম্প্রীতির বন্ধনকে চিরকাল অটুট রেখে আমাদের একটি সবুজ, সুন্দর ও বাসযোগ্য ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে হবে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) সিলেট মহানগরীর প্রানকেন্দ্রে “সিলেট রক্তের অনুসন্ধানে আমরা” সংগঠন এর সার্বিক সহযোগিতায়, “স্বপ্নের বিদ্যানিকেতন” স্কুল ও সিলেট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে  বৌদ্ধদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমা ২০২৬ উপলক্ষে বিশ্ব বৌদ্ধ সৌভ্রাতৃত্ব সংঘ-যুব (ডবলিউএফবি-ওয়াই) ও বিশ্ব বৌদ্ধ সংহতি (ডবলিউএবি) সংঘ এর আঞ্চলিক কেন্দ্র বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদ-জাতীয় কমিটি ও সিলেট অঞ্চল কমিটির যৌথ উদ্যোগে বার্ষিক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন, বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদ সিলেট অঞ্চল এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি উৎফল বড়ুয়া সাথে ছিলেন, সিনিয়র সহ সভাপতি তপতি বড়ুয়া, সদস্য শেলু বড়ুয়া, সীমান্ত বড়ুয়া জয়, সেতু বড়ুয়া মুক্তা।

আরো বক্তব্য রাখেন, মহানগর হাসপাতালের পরিচালক মাসুদ আহমেদ, সাংবাদিক আমীর হোসেন সোহাগ, আরো উপস্থিত ছিলেন সিলেট রক্তের অনুসন্ধানে আমরা সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা তারেক আহমদ,  সাধারণ সম্পাদক মুবিনুল ইসলাম সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান আহমদ শাহান, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক  আকরাম খান বাপ্পি, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিব আহমেদ সহ-প্রচার সম্পাদক আরমান খান রাব্বি, সুপার উইমেন্স টিমের সহ-সভাপতি আকলিমা বেগম,সুপার উইমেন্স টিমের প্রচার সম্পাদক তানজিনা আক্তার প্রমুখ।

এছাড়াও এতে বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও পরিবেশবাদী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহ স্বপ্নের বিদ্যা নিকেতন স্কুলের কোমল মতি শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তাগণ বলেন, শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমার ধর্মীয় তাৎপর্যের পাশাপাশি প্রকৃতি সংরক্ষণ ও পরিবেশ রক্ষার সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদের এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন প্রশংসার দাবি রাখে।

তাঁরা আরো বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন, বন উজাড় ও পরিবেশ দূষণের বর্তমান সংকট মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। একটি পরিণত গাছ শুধু অক্সিজেনই সরবরাহ করে না, বরং কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, মাটির ক্ষয়রোধ এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আয়োজকরা বলেন, “আজকে করছি বৃক্ষ রোপণ, নিত্য করবো তাদের যতন”-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শুধু গাছ লাগানো নয়, বরং প্রতিটি চারা নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলাই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি শেষে প্রধান অতিথি স্বপ্নের বিদ্যা নিকেতন স্কুল পরিদর্শন করেন।

» রাষ্ট্রায়ত্ত ৪৪টি শিল্প প্রতিষ্ঠান বিক্রির চক্রান্ত বন্ধ করুন : বাসদ

Published: ৩১. জুলা. ২০২৬ | শুক্রবার

নিউজ ডেস্কঃ
রাষ্ট্রায়ত্ত ৪৪টি শিল্প কারখানা ঢালাওভাবে দেশি-বিদেশি লুটেরাদের কাছে বিক্রির সরকারি চক্রান্তের প্রতিবাদে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ সিলেট জেলা শাখার উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকাল ৫টায় ইলেকট্রিক সাপ্লাই রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে সিলেট জেলা বাসদ আহ্বায়ক আবু জাফর এর সভাপতিত্বে ও জেলা সদস্য সচিব প্রণব জ্যোতি পাল এর সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন, নাজিকুল ইসলাম রানা, এম এ ওয়াদুদ,জহর সিংহ, প্রিতম দাশ, শহীদ আহমদ,মেঘদাদ, জাহেদ আহমদ, মাহফুজ আহমদ প্রমুখ।

সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) কর্তৃক ঢালাওভাবে রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প কারখানাসমূহ দেশি-বিদেশি বেসরকারি কোম্পানির বিনিয়োগের জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত ৫টি কর্পোরেশনের  আওতাধীন ৪৪টি শিল্প প্রতিষ্ঠান উন্মুক্ত করার তথা বিক্রির গণবিরোধী তৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে সরকার।

সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের বিপুল সংখ্যক শিল্প কল কারখানা ঢালাওভাবে নিলামে তোলার উদ্যোগ দেখে মনে হচ্ছে রাষ্ট্রীয় সম্পদ বানরের পিঠা ভাগ করা হচ্ছে।

দশ হাজার একরেরও বেশি জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত ৪৪টি রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প কারখানা ‘বিদ্যমান শিল্পসম্পদে পুনঃবিনিয়োগ’, ‘পুনর্গঠন ও পুনঃউন্নয়ন’, ‘ইজারাভিত্তিক ও দীর্ঘমেয়াদি ইজারাভিত্তিক ব্যবস্থা’, ‘যৌথ উদ্যোগ’, ‘কৌশলগত অংশীদারিত্ব’ ইত্যাদি নামে দেশি-বিদেশি বেসরকারি কোম্পানির কাছে বিক্রির জন্য উন্মুক্ত করার উদ্যোগ মূলত রাষ্ট্রীয় সম্পদ তথা জনগণের সম্পদের ওপর কর্পোরেট পুঁজির নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার এক সুপরিকল্পিত উদ্যোগ।

নেতৃনৃন্দ বলেন, সরকার এই উদ্যোগকে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির কর্মসূচি হিসেবে মিথ্যা প্রচার করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে এটি দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ-এর পরামর্শে অনুসৃত নয়া উদারীকরণ ও বেসরকারিকরণ নীতিরই ধারাবাহিকতা মাত্র।

বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ এবং দেশি-বিদেশি বৃহৎ কর্পোরেট পুঁজির চাহিদা অনুযায়ী রাষ্ট্রকে উৎপাদন ও শিল্প পরিচালনা থেকে সরিয়ে দিয়ে কেবল বেসরকারি পুঁজির পৃষ্টপোষকতার প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার যে নীতি বিগত সরকারগুলোর আমল থেকে অনুসরণ করা হচ্ছে, এই উদ্যোগ তারই ধারাবাহিকতা। লোকসানি, অদক্ষ, উৎপাদনশীলতার ঘাটতি ও অকার্যকর।

বাস্তবতা হলো, পরিকল্পিতভাবে অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি ও মাথাভারী প্রশাসন জিইয়ে রাখা, সময়মতো অর্থ ছাড় না করে, প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ না করে ও যন্ত্রের আধুনিকায়ন না করে, উৎপাদন সামগ্রীর বহুমূখিকরণ না করে, শ্রমিক প্রতিনিধসহ অংশিজনদের সমন্বয়ে দক্ষ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত না করে, ট্রেড ইউনিয়ন সমূহ সরকারী শ্রমিক সংগঠন কর্তৃক দখল করে এবং সরকার নীতিগত অবহেলার মাধ্যমে বহু রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পকে পরিকল্পিতভাবে সংকটের মুখে ঠেলে দিয়ে লোকসানী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হয়েছে।

এরপর সেই সংকটে সৃষ্ট লোকসানকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে জনগণের সম্পদ অতীতের মতোই পানির দামে বেসরকারি মালিকানায় তুলে দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। এটি কোন অর্থনৈতিক সংস্কার নয়; বরং ধাপে ধাপে রাষ্ট্রায়ত্ত সম্পদের বেসরকারিকরণ তথা হরিলুটের নীতি।

» কোর্টপয়েন্টে সিলেট মহানগর জামায়াতের গণমিছিল শনিবার

Published: ৩১. জুলা. ২০২৬ | শুক্রবার

নিউজ ডেস্কঃ

জামায়াত কেন্দ্র ঘোষিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিলেট মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে এক গণমিছিলের আয়োজন করা হয়েছে।
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জুলাই গণহত্যায় জড়িত ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও তার দোসরদের বিচারের দাবিতে উক্ত গণমিছিল শনিবার (১ আগস্ট) বাদ আসর নগরীর বন্দরবাজারস্থ কোর্ট পয়েন্ট থেকে মিছিলটি বের হবে।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
গণমিছিল সফল করতে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য দলীয় নেতাকর্মী ও সিলেটবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সিলেট মহানগর জামায়াতের আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম।

Callender

August 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31