- বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের নিয়ে সিলেটে ‘ফল উৎসব ২০২৬’ অনুষ্ঠিত
- লায়েছ আহমদের মৃত্যুতে মিফতাহ্ সিদ্দিকীর শোক
- কমিউনিস্ট বিপ্লবী নেতা কমরেড দ্বিজেন সোমের ২৩তম মৃত্যুবার্ষিকীতে এনডিএফ’র শ্রদ্ধাঞ্জলি
- সদরে জমিয়ত আল্লামা উবায়দুল্লাহ ফারুকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারকারীদের কঠিন হুঁশিয়ারি সিলেট মহানগর যুব জমিয়তের
- সিলেটে সরকারি কলেজের বেসরকারি কর্মচারীদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি চাকরি রাজস্বখাতে স্থানান্তরের ৪ দফা দাবি
- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : খন্দকার মুক্তাদির
- শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে পেশাজীবী পরিষদ জেলা ও মহানগরের দোয়া ও ফল বিতরণ
- সিলেটে মিডওয়াইফদের নিয়ে এফআইভিডিবির কর্মশালা
- সিলেটে কৃষক ও নারী উদ্যেক্তাদের নিয়ে আর্থিক সাক্ষরতা কর্মশালা অনুষ্ঠিত
- সিলেট জেলা জামায়াতের যুব বিভাগের ইউনিয়ন প্রতিনিধি সম্মেলন
» বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের নিয়ে সিলেটে ‘ফল উৎসব ২০২৬’ অনুষ্ঠিত
Published: ২৭. জুন. ২০২৬ | শনিবার
নিউজ ডেস্কঃ
গভর্নমেন্ট স্পিচ অ্যান্ড হিয়ারিং ইমপেয়ার্ড স্কুলের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সিলেটে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ফল উৎসব ২০২৬’।
ঢাকা ইউনিভার্সিটি এক্স-স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন, সিলেট এই ব্যতিক্রমী উৎসবের আয়োজন করে।
শনিবার (২৭ জুন) বিকাল ৪টায় নগরীর শেখঘাটস্থ সমাজকল্যাণ কমপ্লেক্সে অবস্থিত বাক-শ্রবণ প্রতিবন্ধী স্কুলে উৎসবের উদ্বোধন করা হয়।
আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, আনারস, পেয়ারা, কলা, দই ও চিড়াসহ বাহারি মৌসুমি ফলের সমাহারে সাজানো হয় উৎসব প্রাঙ্গণ।
স্কুলের শতাধিক বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী অভিভাবকদের নিয়ে উৎসবে অংশ নেয়। শিক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দমতো ফলের স্বাদ উপভোগ করে।
এসময় তাঁদের চোখেমুখে ছিল উচ্ছ্বাস আর আনন্দের ঝিলিক।
ঢাকা ইউনিভার্সিটি এক্স-স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন, সিলেটের সভাপতি ফালাহ উদ্দিন আলী আহমদ বলেন, “বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের পুষ্টির ঘাটতি পূরণ ও সামাজিকীকরণের অংশ হিসেবে আমরা এবার ফল উৎসবের আয়োজন করেছি। ওদের হাসিমুখই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।”
তিনি আরও বলেন, “বাক-শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশুরা প্রায়ই পুষ্টিকর খাবার ও নানা সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়।
এই স্কুলে শুধু অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ার ব্যবস্থা আছে। আমরা চাই অন্তত মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়ার সুযোগ তৈরি হোক। এ বিষয়ে আমরা পাশে থাকব।”
গভর্নমেন্ট স্পিচ অ্যান্ড হিয়ারিং ইমপেয়ার্ড স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেন, “এ ধরনের আয়োজন শিশুদের মানসিক বিকাশে সহায়ক এবং সমাজের মূলস্রোতে তাদের অন্তর্ভুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”
এমন আয়োজনের জন্য তিনি ঢাকা ইউনিভার্সিটি এক্স-স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন, সিলেটকে ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সমাজকর্মী, অভিভাবক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজন শেষে শিক্ষার্থীরা বুফে সিস্টেমে ২০/২৫ প্রকারের মৌসুমি ফল উপভোগ করে।
» লায়েছ আহমদের মৃত্যুতে মিফতাহ্ সিদ্দিকীর শোক
Published: ২৭. জুন. ২০২৬ | শনিবার
» কমিউনিস্ট বিপ্লবী নেতা কমরেড দ্বিজেন সোমের ২৩তম মৃত্যুবার্ষিকীতে এনডিএফ’র শ্রদ্ধাঞ্জলি
Published: ২৭. জুন. ২০২৬ | শনিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সাম্রাজ্যবাদ-সামন্তবাদ আমলা মুৎসুদ্দি পুঁজি বিরোধী আপোষহীন কমিউনিস্ট বিপ্লবী নেতা কমরেড দ্বিজেন সোম’র ২৩তম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত।
শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৮টায় চালিবন্দরস্থ তা শেষকৃত্যস্থলে পুষ্পস্থপবক অর্পণ করে জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সিলেট জেলা শাখা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সিলেট জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক রমজান আলী পটু, শাহপরান থানা কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, জাতীয় ছাত্রদল সিলেট জেলা কমিটির আহবায়ক শুভ আজাদ শান্ত, সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সুনু মিয়া (সাগর)।
নেতৃবৃন্দ বলেন ১৯৩৭ সালে দোকান কর্মচারি থাকাবস্থায় কমরেড দ্বিজেন সোম ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির সংস্পর্শে আসেন এবং অনুধাবন করেন, সাম্রাজ্যবাদ সামন্তবাদ বিরোধী জাতীয় গণতান্ত্রিক বিপ্লব ব্যাতীত জনগণের মুক্তি আসবে না।
কমিউনিস্ট পাটির নেতৃত্বে তেভাগা কৃষক আন্দোলন এবং সিলেট অঞ্চলে গড়ে ওঠা নানকার প্রথা বিরোধী কৃষক আন্দোলন গড়ে তোলার কাজে কমরেড অজয় ভট্টাচার্যের সাথে তিনি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন।
দীর্ঘ ৬৫ বছরের রাজনৈতিক জীবনে প্রায় ৪০ বছর তাঁকে আত্মগোপনে থেকে রাজনৈতিক তৎপরতা চালাতে হয়। এই দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও মার্কসবাদ লেনিনবাদ এর লাল পতাকাকে সমুন্নত রাখেন এবং সকল রূপের সংশোধনবাদের বিরুদ্ধে আপোষহীন সংগ্রাম পরিচালনা করেন।
আমাদের মতো নয়াউপনিবেশিক ও আধাসামন্তবাদী দেশে জাতীয় জীবনের দূর্দশা ও সংকটের মূল কারণ সাম্রাজ্যবাদ ও দালালদের নির্মম শোষণ নির্যাতন।
আর এই শোষণ নির্যাতন থেকে মুক্তির একমাত্র পথ শোষণমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থার উচ্ছেদ এবং যা শ্রমিক কৃষক জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আসতে পারে। এই ছিল তাঁর প্রতিজ্ঞা ও অঙ্গীকার।
এ লক্ষ্যে সমগ্র জীবন তিনি দ্বিধাহীন চিত্তে লড়ে গেছেন তাঁর আদর্শ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে। সমাজতন্ত্র-সাম্যবাদই মানব মুক্তির একমাত্র পথ- এই ছিল তাঁর দর্শন।
নেতৃবৃন্দ আরোও বলেন, বিশ্বব্যাপী সাম্রাজ্যবাদ তার অতি উৎপাদন সংকট থেকে মুক্তির পথ হিসেবে যুদ্ধকে সামনে আনছে।
সাম্রাবাদীরা পুঁজি ও শক্তি অনুপাতে বিশ্বকে ভাগ-ভাটোয়ারার তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক ও রণনীতিগত গুরুত্বের প্রেক্ষিতে এ দেশকে নিয়ে আন্তঃসাম্রাজ্যবাদী প্রতিযোগিতা প্রতিদ্বন্ধিতা তীব্রতর হয়ে আগ্রাসী যুদ্ধে সম্পৃক্ত করার ষড়যন্ত-চক্রান্ত বেড়েই চলছে।
সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলো মরিয়া বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে। দেশে দেশে যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়ে বিশ্বযুদ্ধের বিপদ বৃদ্ধি করছে, তার বিরুদ্ধে শ্রমিক শ্রেণির নেতৃত্বে বিশ্ববিপ্লব অগ্রসর করা এবং সাম্রাজ্যবাদ-সামন্তবাদ ও আমলা-দালাল পুঁজির নির্মম শোষণ লুণ্ঠনে দেশের শ্রমিক কৃষক জনগণের উপর যে খড়গহস্থ নেমে এসেছে তার বিরুদ্ধে জাতীয় গণতান্ত্রিক বিপ্লব অগ্রসর করে নিয়ে যাওয়ার আহবান জানান।
শ্রদ্ধাঞ্জলি শেষে শপথ বাক্য পাঠ করান এনডিএফ সিলেট জেলা কমিটির যুগ্ন সম্পাদক মো. ছাদেক মিয়া।
» সদরে জমিয়ত আল্লামা উবায়দুল্লাহ ফারুকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারকারীদের কঠিন হুঁশিয়ারি সিলেট মহানগর যুব জমিয়তের
Published: ২৭. জুন. ২০২৬ | শনিবার
নিউজ ডেস্কঃ
জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি (সদরে জমিয়ত) ও দেশের শীর্ষ আলেম শায়খুল হাদীস আল্লামা উবায়দুল্লাহ ফারুক দা.বা.-কে নিয়ে অনলাইনে কুচক্রী মহলের ব্যঙ্গাত্মক অপপ্রচার, অবমাননাকর লেখালেখি ও বিরূপ মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সিলেট মহানগর যুব জমিয়ত।
শনিবার (২৭ জুন) শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই অপপ্রচারে লিপ্ত চিহ্নিত সাহাবা বিদ্বেষী বাতিল ও বাতিলপন্থীদের সহযোগীদের অবিলম্বে এই হীন কর্মকাণ্ড বন্ধ করার জন্য কঠিন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়েছে।
এক যৌথ বিবৃতিতে সিলেট মহানগর যুব জমিয়তের সভাপতি মাওলানা আসআদ উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আব্দুল করিম দিলদার বলেন, আল্লামা উবায়দুল্লাহ ফারুক এদেশের লাখো কোটি তৌহিদী জনতার আস্থার প্রতীক এবং একজন সর্বজনশ্রদ্ধেয় শীর্ষ আলেম।
তাঁর মতো একজন নিষ্কলঙ্ক ও মর্যাদাশীল ব্যক্তিত্বকে নিয়ে অনলাইনে যারা ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ ও কুরুচিপূর্ণ প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে, তারা মূলত সমাজ ও ধর্মের শত্রু। একটি চিহ্নিত সাহাবা বিদ্বেষী কুচক্রী মহল ও বাতিলপন্থীদের দোসরেরা সুপরিকল্পিতভাবে উম্মাহর এই রাহবারের সম্মানহানির অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
নেতৃদ্বয় স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, হযরতের অবমাননা এদেশের উলামায়ে কেরাম ও যুব সমাজ কোনোভাবেই বরদাশত করবে না।
সাইবার জগতের আড়ালে লুকিয়ে থেকে যারা এই নোংরামি করছে, তাদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে আইনের আওতায় আনতে হবে।
অন্যথায় যুব জমিয়ত তৌহিদী জনতাকে সাথে নিয়ে এই কুচক্রী মহলের বিরুদ্ধে রাজপথে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।
নেতৃবৃন্দ অনতিবিলম্বে এসব উস্কানিমূলক ও মানহানিকর লেখালেখি বন্ধ করার এবং অপরাধীদের শাস্তির জোর দাবি জানান।
বিবৃতিতে অন্যান্যের মধ্যে আরও সংহতি ও একাত্মতা প্রকাশ করেন, মহানগর যুব জমিয়তের সিনিয়র সহ-সভাপতি এম বেলাল আহমদ চৌধুরী, মাওলানা আফজাল হোসাইন খান, মাওলানা আবু সুফিয়ান, মাওলানা আব্দুল আহাদ আল আতিক, মাওলানা ফয়জুল হাসান খান, মাওলানা মুজাহিদুল ইসলাম, হাফিজ মাওলানা শাহিদ হাতিমী, মাওলানা আব্দুল হাসিব খান ও মাওলানা এনামুল হক; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফরহাদ কোরাইশী, সহ-সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আফতাব উদ্দীন খান, মাওলানা হায়দার আলী, মুফতী আশরাফ হোসাইন ফুআদী, মাওলানা আমিনুল ইসলাম, মাওলানা সায়েম আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা রেজওয়ান আহমদ চৌধুরী, মাওলানা খলিলুল্লাহ মাহবুব, এম বশির আলী; প্রচার সম্পাদক মুফতী নোমান বিন আফসার, সহ-প্রচার সম্পাদক সৈয়দ ইয়াকুব আহমেদ; অর্থ সম্পাদক এম ফয়সাল আহমদ, সহ-অর্থ সম্পাদক মুফতী মারুফ হাসান, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা তোফায়েল আহমদ কামরান, সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা কামরুজ্জামান, সাহিত্য সম্পাদক হাফিজ জুবায়ের আহমদ; সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মুহাম্মদ দিলদার হোসাইন; তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এম ইমাম উদ্দীন এবং দপ্তর সম্পাদক হাফিজ আব্দুল কাদির, মাওলানা রুহুল আমিন মারজান, মাওলানা ভজলুল করিম, মাওলানা আব্দুল কাদির, মাওলানা জিয়াউদ্দিন, মাওলানা লায়েক আহমদ, মাওলানা ফখরুল ইসলাম ইমরান প্রমুখ।
» সিলেটে সরকারি কলেজের বেসরকারি কর্মচারীদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি চাকরি রাজস্বখাতে স্থানান্তরের ৪ দফা দাবি
Published: ২৭. জুন. ২০২৬ | শনিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সরকারি কলেজে কর্মরত বেসরকারি কর্মচারীদের চাকরি নিয়মিতকরণ ও রাজস্বখাতে স্থানান্তরের ৪ দফা দাবিতে সিলেটে বিভাগীয় মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
শনিবার (২৭ জুন) নগরীতে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
‘সরকারি কলেজ বেসরকারি কর্মচারী ইউনিয়ন’ সিলেট বিভাগের উপদেষ্টা প্রভাত মালাকারের সভাপতিত্বে ও সংগঠনের বিভাগীয় সভাপতি শাহ ওমর ফারুকের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, শাহপরাণ সরকারি কলেজ সিলেটের সাবেক অধ্যক্ষ ভূষণ চন্দ্র সরকার এবং মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক আজহার আলী অনিক।
মানববন্ধনে কর্মচারী নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমদ, সহ-সভাপতি শ্রীবাস আচার্য ও হাসান আলী, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাব উদ্দিন, হুমায়ুন রশিদ, মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন, পারভেজ আহমদ, মনোয়ার হোসেন রাহাত প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন, মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন এবং গীতা পাঠ করেন পিকলু মালাকার।
বিভাগীয় এই কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন সরকারি কলেজের শিক্ষক, সাবেক অধ্যক্ষ ও কর্মচারী নেতৃবৃন্দ অংশ নিয়ে সংহতি জানান।
বক্তারা বলেন, সরকারি কলেজে কর্মরত বেসরকারি কর্মচারীদের চাকরি দ্রুত নিয়মিত ও রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করতে হবে, চাকরি নিয়মিতকরণের পূর্ব পর্যন্ত সরকারি বেতন স্কেল অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গ বেতন-ভাতা প্রদান করতে হবে, দীর্ঘদিন ধরে অস্থায়ীভাবে কর্মরতদের বাদ দিয়ে নতুন কোন নিয়োগ দেওয়া যাবে না; বরং বর্তমান কর্মরতদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে স্থায়ী নিয়োগ দিতে হবে, অস্থায়ীভাবে কর্মরতদের চাকরি থেকে ছাঁটাই বন্ধ করে চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং শূন্য হাতে কোনো কর্মচারীকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া যাবে না।
মানববন্ধনে আরও বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সেবা দিয়ে আসলেও তারা চরম বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে এই ৪ দফা দাবি বাস্তবায়ন করা না হলে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
বিভাগীয় মানববন্ধন শেষে আন্দোলনরত কর্মচারীরা বিভিন্ন কলেজের ব্যানারসহ সিলেট জেলা প্রশাসক (ডিসি) কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা করেন।
পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদানের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি সমাপ্ত হয়।
» আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : খন্দকার মুক্তাদির
Published: ২৭. জুন. ২০২৬ | শনিবার
নিউজ ডেস্কঃ
বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, এমপি বলেছেন, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার এবং সামাজিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, একটি রাষ্ট্রে বিচারহীনতার পরিবেশ সৃষ্টি হলে সামাজিক চুক্তি ও আইনের শাসন দুর্বল হয়ে পড়ে।
সংবিধানে বর্ণিত মৌলিক অধিকার- সমতা, বৈষম্যহীনতা, জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতাসহ নাগরিক অধিকার বাস্তবায়নে আইনজীবীরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
তিনি শনিবার (২৭ জুন) সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতিতে যোগদানকারী নবীন আইনজীবীদের কর্মশালা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বিচার বিভাগ ও আইনজীবী সমাজের রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য।
স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন প্রতিকূল সময়ে বহু বিচারপতি ও আইনজীবী ব্যক্তিগত ও পেশাগত ঝুঁকি নিয়েও আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার সমুন্নত রাখতে দৃঢ় ভূমিকা পালন করেছেন।
সিলেটের আইনজীবী ও বিচারকরাও এ ঐতিহ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।
তিনি অতীতের বিভাজন ভুলে দেশের উন্নয়ন ও বিচারব্যবস্থার অগ্রযাত্রায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির জন্য নতুন ভবন নির্মাণের পাশাপাশি আইনজীবীদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি আধুনিক ও নিয়মিত প্রশিক্ষণব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), আইনবিষয়ক গবেষণা, কেস স্টাডি বিশ্লেষণ এবং আদালতে কার্যকর উপস্থাপনার ওপর ধারাবাহিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আইনজীবীদের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করা সম্ভব।
এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে দক্ষ আইনজীবী ও বিচারক তৈরিতে সহায়ক হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার সময় অনলাইন জুয়া প্রতিরোধকে অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে ঘোষণা করেছিলাম।
এ লক্ষ্যে অনলাইন জুয়া নিয়ন্ত্রণে কঠোর শাস্তির বিধান রেখে নতুন আইন জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে, যা সংসদীয় প্রক্রিয়া শেষে শিগগিরই পাস হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
একই সঙ্গে মাদক-সংক্রান্ত অপরাধের দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, একটি সমৃদ্ধ, নিরাপদ ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে সরকার, বিচার বিভাগ, আইনজীবী এবং সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
এসময় তিনি আইনজীবীদের ঐক্য, পেশাগত উৎকর্ষ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম ইয়াহ-ইয়া চৌধুরী (সুহেল)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. জুবায়ের বখত জুবের, ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ এরফান উল্লাহ, বিভাগীয় স্পেশাল জজ এম. আলী আহমদ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসাম ইমাম, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত তালুকদার, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম, জেলা আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
» শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে পেশাজীবী পরিষদ জেলা ও মহানগরের দোয়া ও ফল বিতরণ
Published: ২৭. জুন. ২০২৬ | শনিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও মৌসুমী ফল বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী পরিষদ সিলেট জেলা ও মহানগর কমিটির যৌথ উদ্যোগে শনিবার (২৭ জুন) বাদ জোহর সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ২৭নং ওয়ার্ডের গঙ্গানগরস্থ রহিমা মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
গঙ্গানগর মাদ্রাসা মসজিদে অনুষ্ঠিত এই দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোর্সেদ আহমদ মুকুল।
জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী পরিষদের সিলেট জেলা শাখার আহ্বায়ক মনজুর আহমদের সভাপতিত্বে এবং মহানগর শাখার আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাজেদুল ইসলাম সজীবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মহানগর বিএনপির দপ্তর সম্পাদক এম এ মালেক এবং সিলেট জেলা বিএনপির সহ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক সুমেল আহমদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোর্সেদ আহমদ মুকুল বলেন, শীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা এবং আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার।
তাঁর আদর্শ ও দেশপ্রেমকে বুকে ধারণ করে বর্তমান স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ধারাকে সুসংহত করতে পেশাজীবী সমাজকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর পেশাজীবী পরিষদের সদস্য সচিব ফরহাদ আহমদ, জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক রুবেল আহমেদ, সদস্য আনছার উদ্দিন সহ জেলা ও মহানগর জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী পরিষদের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
মাহফিল শেষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত এবং বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
মোনাজাতের পর মাদ্রাসার এতিম ও সমবেত শিক্ষার্থীদের মাঝে মৌসুমী ফল বিতরণ করা হয়।
» সিলেটে মিডওয়াইফদের নিয়ে এফআইভিডিবির কর্মশালা
Published: ২৭. জুন. ২০২৬ | শনিবার
মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় দক্ষ মিডওয়াইফের বিকল্প নাই
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটে মাতৃস্বাস্থ্য, নবজাতকের স্বাস্থ্য এবং প্রজননস্বাস্থ্য সেবার মানোন্নয়নের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে দক্ষ মিডওয়াইফদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরতে সিলেটে এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৭ জুন) সিলেটের খাদিমপাড়াস্থ এফআইভিডিবি মিডওয়াইফারি ইনস্টিটিউটের হলরুমে ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে মিডওয়াইফদের ভূমিকা’ শীর্ষক এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
যুক্তরাজ্যের কীল ইউনিভার্সিটি এবং ফ্রেন্ডস ইন ভিলেজ ডেভেলপমেন্ট বাংলাদেশ (এফআইভিডিবি) যৌথভাবে কর্মশালার আয়োজন করে।
ব্রিটিশ কাউন্সিলের অর্থায়নে পরিচালিত ট্রান্সন্যাশনাল এডুকেশন (টিএনই) অংশীদারত্ব কর্মসূচির আওতায় অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় স্বাস্থ্যখাতের সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার স্বাস্থ্য-সংশ্লিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত মিডওয়াইফদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
“মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় দক্ষ মিডওয়াইফের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
নিরাপদ ও স্বাভাবিক প্রসব নিশ্চিত করতে হলে মিডওয়াইফদের আধুনিক জ্ঞান, ব্যবহারিক দক্ষতা এবং মানসম্মত সেবা প্রদানের সক্ষমতা অর্জন করতে হবে।
দক্ষ মিডওয়াইফই মাতৃ ও নবজাতকের মৃত্যুহার কমাতে এবং নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।
এ লক্ষ্য অর্জনে নিয়মিত প্রশিক্ষণ, পেশাগত দক্ষতার উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।”
এ জন্য তাদের পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং প্রমাণভিত্তিক সেবাচর্চা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
কর্মশালায় প্রেজেন্টেশন প্রদান করেন, কিল ইউনিভার্সিটির ইউকের সিনিয়র ডেপুটি ডিরেক্টর অব এডুকেশন অ্যান্ড ফেলো ডা. নাজিম আলী এবং এফআইভিডিবির লাইভলিহুড ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের ডিরেক্টর মো. ফাহিম সারওয়াত।
দ্বিতীয় পর্বে ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ধাত্রীদের ভূমিকা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে আলোচনার সূচনা করেন ডা. আমিনুর রহমান শাহীন।
অন্যান্যদের মধ্যে আলোচনা করেন, রেড ক্রিসেন্ট নার্সিং কলেজের প্রিন্সিপাল রেনুয়ারা আক্তার, আল-আমীন নার্সিং কলেজের প্রিন্সিপাল শিউলী আক্তার, সীমান্তিক কলেজের প্রিন্সিপাল পিংকী চৌধুরী, সিলেট নার্সিং কলেজের ইন্সট্রাক্টর রোকেয়া খাতুন এবং বাংলাদেশ মিডওয়াইফারি সোসাইটির জেনারেল সেক্রেটারি হাসনা আক্তার।
লার্নিং মেথড উপস্থাপন করেন, কোর্স কো-অর্ডিনেটর শারমিন বেগম, ইন্সট্রাক্টর কণা নাথ রায়, মনিকা দাস এবং মিডওয়াইফারি ইন্সট্রাক্টর প্রনামিকা তাতী।
কর্মশালায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সিলেটের উপ-পরিচালক মো. নিয়াজুর রহমান, সহকারী পরিচালক আবুল মনসুর আসজাদ, আইসিডিডিআর.বির বিজ্ঞানী ডা. আমিনুর রহমান এবং এফআইভিডিবির আইএফএসপির ডিরেক্টর রুহেল কবীর।
উপস্থিত ছিলেন, প্রজেক্ট ম্যানেজার মো. আশফাক হোসেন, প্রিন্সিপাল ইলা রানী দেব এবং এফআইভিডিবির প্রকল্প সমন্বয়কারী আবু বকর শিকদার।
আয়োজকরা জানান, কিল ইউনিভার্সিটি ও এফআইভিডিবির এই যৌথ উদ্যোগ দেশে মিডওয়াইফারি শিক্ষা, পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন এবং মাতৃ ও নবজাতক স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
পাশাপাশি কর্মশালাটি সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি করেছে এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচন করেছে।
» সিলেটে কৃষক ও নারী উদ্যেক্তাদের নিয়ে আর্থিক সাক্ষরতা কর্মশালা অনুষ্ঠিত
Published: ২৭. জুন. ২০২৬ | শনিবার
নিউজ ডেস্কঃ
আন্তর্জাতিক এমএসএমই দিবস উপলক্ষে সীমান্ত ব্যাংকের উদ্যোগে কৃষক ও নারী উদ্যেক্তাদের সাথে আলোচনা সভা ও আর্থিক সাক্ষরতা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৭ জুন) বিকাল চারটায় সীমান্ত ব্যাংক সিলেট শাখার উদ্যোগে ব্যাংক হলরুমে এই সভা ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
সীমান্ত ব্যাংক সিলেট শাখার ম্যানেজার ও ভাইস প্রেসিডেন্ট তারেক মাহমুদের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য দেন, সীমান্ত ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের এসএমই ও কৃষি বিভাগের ব্যবস্থাপক মিস লায়লা আরজুমান্দ, জকিগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক প্রবীর দেব নাথ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক ড. তাহমিনা ইসলাম, সিলেট উইমেন্স চেম্বারের পরিচালক রেহেনা আফরোজ খান, এআইএফ এর প্রেসিডেন্ট রোজী ইসলাম, সিসিপ প্রজেক্ট ট্রেইনার সালসাবিলা কান্তা, ফেরদৌসী কেকের পরিচালক ফেরদৌসী মহিউদ্দিন, নারী উদ্যোক্তা সানজিদা খানম, শাহানা আক্তার।
সভায় নারী উদ্যোক্তারা ব্যবসা পরিচালনায় নিজেদের অভিজ্ঞতা ও ব্যাংক ঋণ নিতে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি নারী উদ্যোক্তােদের সহজ স্বর্তে ঋণ প্রধানের আহবান জানান।
আর্থিক সাক্ষরতা কর্মশালা পরিচালনা করেন, সীমান্ত ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের এসএমই ও কৃষি বিভাগের ব্যবস্থাপক মিস লায়লা আরজুমান্দ।
তিনি কর্মশালায় নিজের উপার্জিত অর্থ কীভাবে সঠিকভাবে ব্যবহার করে আর্থিক অবস্থার উন্নতি করা যায় তা শেখান এবং টাকা-পয়সা ব্যবস্থাপনা, সঞ্চয় এবং বিনিয়োগের সঠিক নিয়ম, প্রতি মাসের আয় ও ব্যয়ের হিসাব নিখুঁতভাবে রাখা,অপ্রয়োজনীয় ঋণ এড়িয়ে চলা এবং ব্যবসার জন্য সঠিক উপায়ে ব্যাংক ঋণ নেওয়া, বিভিন্ন আর্থিক স্ক্যাম বা ভুয়া লোনের ফাঁদ থেকে নিজেকে রক্ষা করার কৌশল এই কর্মশালায় যা শেখানো হয়।
» সিলেট জেলা জামায়াতের যুব বিভাগের ইউনিয়ন প্রতিনিধি সম্মেলন
Published: ২৭. জুন. ২০২৬ | শনিবার
যুবসমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ ব্যাতিত জাতীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতি সম্ভব নয় : অ্যাডভোকেট জুবায়ের
জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সভাপতি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেছেন, যুবসমাজ দেশের মূল্যবান সম্পদ।
» হোটেল শ্রমিক শাওন হত্যার প্রতিবাদে সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের বিক্ষোভ
Published: ২৭. জুন. ২০২৬ | শনিবার
নিউজ ডেস্কঃ
রংপুরের খামারবাড়ী মোড়ে হোটেল শ্রমিক শাওন হত্যাকারী মনু’র ফাঁসি ও নিহতের পরিবারকে আইএলও কনভেনশন অনুযায়ী আজীবন আয়ের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ করে সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়ন।
শনিবার (২৭ জুন) বিকেল ৫.৩০ মিনিটের সময় ক্বীণ ব্রীজের (দক্ষিণ পাড়) মুখ হতে মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কদমতলী পয়েন্টে সমাবেশ করে।
সংগঠনের জেলা সভাপতি মো. ছাদেক মিয়া’র সভাপতিত্বে এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সিলেট জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক রমজান আলী পটু, জাতীয় ছাত্রদল সিলেট জেলা আহবায়ক শুভ আজাদ (শান্ত), সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইমান আলী, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সুনু মিয়া সাগর, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা কমিটি ১ম সম্মেলন কমিটির আহবায়ক আনোয়ার হোসেন, বন্দরবাজার আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি সাহাব উদ্দিন, আম্বরখানা আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি রাশেদ আহমদ ভূইয়াসহ প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, হোটেল শিল্পে শ্রমিকরা দীর্ঘ ৪২ বছর যাবত হোটেল শ্রমিকদের জীবনের নিরাপত্তা ও কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তাতার দাবীতে এবং শ্রম আইনের ধারা সমূহ ও আইএলও কনভেনশনের বিধি-বিধান বাস্তবায়নের বিষয়টি বার বার বললেও সরকার মালিক রাষ্ট্রের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দপ্তরসমূহ এ ব্যাপারে উদাসীন থাকেন।
যার কারণে একের পর এক শ্রমিক হত্যা হয়ে হত্যার মিছিল দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতম হচ্ছে সেই আশির দশক থেকে শুরু করে ৯০-দশকে গুলিস্তান রাজধানীর আবুল বাশার নিমাই কাঞ্চন আনোয়ার হত্যা, ২০১৭ সালের ২৮ অক্টোবর ঢাকার ঘরোয়া হোটেলের রিয়াজুল ইসলাম রিয়াদ হত্যা, ২০২৫ সালের ১৩ জুলাই সিলেটের কাজিরবাজারস্থ নিরঞ্জন ঘোষের রেস্তোঁরার কর্মচারী দিনার আহমেদ রুমন’কে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হত্যা সর্বশেষ গত ১৬ জুন রংপুর নগরীর খামারবাড়ী মোড়ে আলমের হোটেলের শ্রমিক শাওনকে প্রকাশ্যে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে।
বক্তারা বলেন কৃষ্ণালাল সরকার দীর্ঘদিন যাবৎ যশোরের শ্রমিক আন্দোলনের পরিচিত মুখ।
হোটেল শ্রমিক, রেলওয়ে শ্রমিক, পৌরসভার শ্রমিক-কর্মচারীসহ বিভিন্ন শ্রমিক-শ্রমজীবীদের পাশাপাশি হরিজনের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে নেতৃত্বকারী ভূমিকা পালন করার কারণে মালিকগোষ্ঠীর রোষানলে শিকার হতে হয়।
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে শাওন হত্যাকারী মনু মিয়ার সবোর্চ্চ শাস্তি ফাঁসি দাবি জানান পাশাপাশি যশোরের শ্রমিকনেতা কৃষ্ণালাল সরকার’র উপর সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
» সিলেট কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের পুরস্কার বিতরণী ও ম্যাগাজিন প্রকাশনা অনুষ্ঠান
Published: ২৭. জুন. ২০২৬ | শনিবার
নিউজ ডেস্কঃ
বর্ণাঢ্য আয়োজনে ম্যাগাজিন প্রকাশনা অনুষ্ঠান করলো সিলেট কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন।
এছাড়া বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী করা হয় অনুষ্ঠানে।
শনিবার (২৭ জুন) বেলা ১১টায় নগরীর ঐতিহ্যবাহী মুসলিম সাহিত্য সংসদ ভবনের সুলেমান হলে সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজিদুর রহমান মুরাদ, দপ্তর সম্পাদক মো. আব্দুর রহমান ও শিক্ষিকা রেখা ঘোষের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলিমুল ইসলাম।
সিলেট কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ রুহুল আমিনের সভাপতিত্ব এ অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা সিলেট অঞ্চল, সিলেট এর সম্মানিত উপ-পরিচালক ড.মোহাম্মদ আব্দুল কাদির।
মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অফ মেডিসিনের, প্রফেসর ডক্টর মোহাম্মদ মোক্তার হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জালালাবাদ টিচার্স ট্রেনিং কলেজের অধ্যক্ষ, প্রফেসর ড. মো. হাসমত উল্লাহ ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক, মো. মোস্তাফিজুর রহমান।
এছাড়া বক্তব্য প্রদান করেন অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক, মোহাম্মদ মাশুক মিয়া ও ম্যাগাজিন কমিটির আহŸায়ক এমদাদুল হক মিলন।
পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী মো. সামী ও গীতা পাঠ করে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী শিমলা মুন্ডা। অভিভাবকদের পক্ষ থেকে অনুভূতি ব্যক্ত করেন, কাজল চন্দ্র দাস।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন এর সহ-সভাপতিবৃন্দ, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ, প্রিন্সিপাল, পরিচালক, প্রধান শিক্ষকগণ ছাড়াও সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, অভিভাবকবৃন্দ, এবং সিলেট কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের শুভাকাঙ্ক্ষীবৃন্দ।

